এসো হাদিস পড়ি ?
এসো হাদিস পড়ি ?
হাদিস অনলাইন ?

ﺟُﻤَّﺎﻉُ ﺃَﺑْﻮَاﺏِ اﻻِﺳْﺘِﻨْﺠَﺎءِ ﺑِﺎﻷَْﺣْﺠَﺎﺭ

ঢিলা দ্বারা ইস্তিঞ্জা করার বিষয়ের বর্ণনা

 ========================================================================

57-ﺑَﺎﺏُ اﻷَْﻣْﺮِ ﺑِﺎﻻِﺳْﺘِﻄَﺎﺑَﺔِ ﺑِﺎﻷَْﺣْﺠَﺎﺭِ، ﻭَاﻟﺪَّﻟِﻴﻞُ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻻِﺳْﺘِﻄَﺎﺑَﺔَ ﺑِﺎﻷَْﺣْﺠَﺎﺭِ ﻳُﺠْﺰِﻱ ﺩُﻭﻥَ اﻟﻤَﺎء

অধ্যায় ৫৭: ঢিলা দ্বারা ইস্তিঞ্জা করার নির্দেশের বর্ণনা।

74 – ﻧﺎ ﻳَﻌْﻘُﻮﺏُ ﺑْﻦُ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢَ اﻟﺪَّﻭْﺭَﻗِﻲُّ، ﻭَﻳُﻮﺳُﻒُ ﺑْﻦُ ﻣُﻮﺳَﻰ ﻗَﺎﻻَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻭَﻛِﻴﻊٌ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ اﻷَْﻋْﻤَﺶُ، ﻋَﻦْ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢَ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﺑْﻦِ ﻳَﺰِﻳﺪَ، ﻋَﻦْ ﺳَﻠْﻤَﺎﻥَ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﻟَﻪُ ﺑَﻌْﺾُ اﻟْﻤُﺸْﺮِﻛِﻴﻦَ ﻭَﻛَﺎﻧُﻮا ﻳَﺴْﺘَﻬْﺰِﺋُﻮﻥَ ﺑِﻪِ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﺭَﻯ ﺻَﺎﺣِﺒَﻜُﻢْ ﻳُﻌَﻠِّﻤُﻜُﻢْ ﺣَﺘَّﻰ اﻟْﺨِﺮَاءَﺓَ ﻗَﺎﻝَ ﺳَﻠْﻤَﺎﻥُ: «ﺃَﺟَﻞْ §ﺃُﻣِﺮْﻧَﺎ ﺃَﻥْ ﻻَ ﻧَﺴْﺘَﻘْﺒِﻞَ اﻟْﻘِﺒْﻠَﺔَ، ﻭَﻻَ ﻧَﺴْﺘَﻨْﺠِﻲَ ﺑِﺄَﻳْﻤَﺎﻧِﻨَﺎ، ﻭَﻻَ ﻧَﻜْﺘَﻔِﻲَ ﺑِﺪُﻭﻥِ ﺛَﻼَﺛَﺔِ ﺃَﺣْﺠَﺎﺭٍ ﻟَﻴْﺲَ ﻓِﻴﻬَﺎ ﺭَﺟِﻴﻊٌ ﻭَﻻَ ﻋَﻈْﻢٌ» ﻏَﻴْﺮُ ﺃَﻥَّ اﻟﺪَّﻭْﺭَﻗِﻲَّ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺑَﻌْﺾُ اﻟْﻤُﺸْﺮِﻛِﻴﻦَ ﻟِﺴَﻠْﻤَﺎﻥ

৭৪: সালমান (রাযিঃ) বর্ণনা করেন; তাকে কতিপয় মুশরিক বলেছে এবং মুশরিকরা তাকে ঠাট্টাও করেছে এই বলে যে; আমি তোমাদের সঙ্গী (মুহাম্মাদ সাঃ) কে দেখি যে; তিনি তোমাদের (প্রত্যেক বস্তু) শিক্ষা দেন এমনকি পেশাব-পায়খানার পদ্ধতিও। সালমান (রাযিঃ) বললেন; হাঁ; তিনি (সাঃ) আমাদের নিষেধ করেছেন যে; “(পেশাব-পায়খানার সময়) কিবলাহর দিকে মুখ করে না বসতে; ডান হাত দিয়ে সৌচকার্য না করতে; তিনটি ঢিলার কম দিয়ে ইস্তিঞ্জা না করতে এবং গোবর ও হাড় দিয়ে ইস্তিঞ্জা না করতে”। দারকীর রিওয়াআতে শব্দ এভাবে এসেছে : ” ﻗَﺎﻝَ ﺑَﻌْﺾُ اﻟْﻤُﺸْﺮِﻛِﻴﻦَ ﻟِﺴَﻠْﻤَﺎﻥ” মুশরিক সালমানকে বলল।
★মুসলিম হাঃ ২৬২; তিরমিযী হাঃ ৪১; নাসাঈ হাঃ ৬১; আবুদাঊদ হাঃ ৭; ইবনুমাজাহ হাঃ ৩১৬; মুসনাদে আহমাদ হাঃ ২২৫৯০;

58-ﺑَﺎﺏُ اﻷَْﻣْﺮِ ﺑِﺎﻻِﺳْﺘِﻄَﺎﺑَﺔِ ﺑِﺎﻷَْﺣْﺠَﺎﺭِ ﻭِﺗْﺮًا ﻻَ ﺷَﻔْﻌًﺎ

অধ্যায় ৫৮: ইস্তিঞ্জা করার জন্য জোড় ঢিলার পরিবর্তে বেজোড় ঢিলার ব্যবহার করার নির্দেশ।

75 – ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻳُﻮﻧُﺲُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻷَْﻋْﻠَﻰ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ اﺑْﻦُ ﻭَﻫْﺐٍ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧِﻲ ﻳُﻮﻧُﺲُ ﺑْﻦُ ﻳَﺰِﻳﺪَ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻳُﻮﻧُﺲُ، ﺃَﻳْﻀًﺎ ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ اﺑْﻦُ ﻭَﻫْﺐٍ، ﺃَﻥَّ ﻣَﺎﻟِﻜًﺎ ﺣَﺪَّﺛَﻪُ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋُﺘْﺒَﺔُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ اﺑْﻦُ اﻟْﻤُﺒَﺎﺭَﻙِ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﻳُﻮﻧُﺲُ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺣَﻜِﻴﻢٍ، ﺛﻨﺎ ﻋُﺜْﻤَﺎﻥُ ﺑْﻦُ ﻋُﻤَﺮَ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﻳُﻮﻧُﺲُ، ﻭَﻣَﺎﻟِﻚٌ، ﻋَﻦِ اﻟﺰُّﻫْﺮِﻱِّ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﺇِﺩْﺭِﻳﺲَ اﻟْﺨَﻮْﻻَﻧِﻲِّ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ، ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ: «§ﻣَﻦْ ﺗَﻮَﺿَّﺄَ ﻓَﻠْﻴَﺴْﺘَﻨْﺜِﺮْ، ﻭَﻣَﻦِ اﺳْﺘَﺠْﻤَﺮَ ﻓَﻠْﻴُﻮﺗِﺮْ» ﻭَﻓِﻲ ﺣَﺪِﻳﺚِ اﺑْﻦِ اﻟْﻤُﺒَﺎﺭَﻙِ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧِﻲ ﺃَﺑُﻮ ﺇِﺩْﺭِﻳﺲَ اﻟْﺨَﻮْﻻَﻧِﻲُّ، ﺃَﻧَّﻪُ ﺳَﻤِﻊَ ﺃَﺑَﺎ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ. ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﻳُﻮﻧُﺲَ ﻳَﻘُﻮﻝُ: ﺳُﺌِﻞَ اﺑْﻦُ ﻋُﻴَﻴْﻨَﺔَ ﻋَﻦْ ﻣَﻌْﻨَﻰ ﻗَﻮْﻟِﻪِ: «ﻭَﻣَﻦِ اﺳْﺘَﺠْﻤَﺮَ ﻓَﻠْﻴُﻮﺗِﺮْ» ﻗَﺎﻝَ: ﻓَﺴَﻜَﺖَ اﺑْﻦُ ﻋُﻴَﻴْﻨَﺔَ، ﻓَﻘِﻴﻞَ ﻟَﻪُ ﺃَﺗَﺮْﺿَﻰ ﺑِﻤَﺎ ﻗَﺎﻝَ ﻣَﺎﻟِﻚٌ؟ ﻗَﺎﻝَ: «ﻭَﻣَﺎ ﻗَﺎﻝَ ﻣَﺎﻟِﻚٌ؟» ﻗِﻴﻞَ: ﻗَﺎﻝَ ﻣَﺎﻟِﻚٌ: اﻻِﺳْﺘِﺠْﻤَﺎﺭُ اﻻِﺳْﺘِﻄَﺎﺑَﺔُ ﺑِﺎﻷَْﺣْﺠَﺎﺭِ، ﻓَﻘَﺎﻝَ اﺑْﻦُ ﻋُﻴَﻴْﻨَﺔَ: ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﻣَﺜَﻠِﻲ ﻭَﻣَﺜَﻞُ ﻣَﺎﻟِﻚٍ ﻛَﻤَﺎ ﻗَﺎﻝَ اﻷَْﻭَّﻝُ: [اﻟﺒﺤﺮ اﻟﺒﺴﻴﻂ]  ﻭَاﺑْﻦُ اﻟﻠَّﺒُﻮﻥِ ﺇِﺫَا ﻣَﺎ ﻟُﺰَّ ﻓِﻲ ﻗَﺮْﻥٍ … ﻟَﻢْ ﻳَﺴْﺘَﻄِﻊْ ﺻَﻮْﻟَﺔً اﻟْﺒُﺰْﻝِ اﻟْﻘَﻨَﺎﻋِﻴﺲِ ”

৭৫: আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : “যে ব্যক্তি ওযু করবে সে যেন নাক ঝাড়ে এবং যে  ব্যক্তি ইস্তিঞ্জা করবে সে যেন বেজোড় ( সংখ্যার) ঢিলা ব্যবহার করে”। ইমাম ইবনু মুবারকের সনদে ﺳَﻤِﻊَ ﺃَﺑَﺎ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ. শব্দ রয়েছে। অথচ বর্ণিত সনদে ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓ রয়েছে। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; আমি ইউনুসকে বলতে শুনেছি যে; ইমাম উআইনাহ (রহঃ) হতে “ﻭَﻣَﻦِ اﺳْﺘَﺠْﻤَﺮَ ﻓَﻠْﻴُﻮﺗِﺮ”ْ  আর যে ব্যক্তি ইস্তিঞ্জার জন্য ঢিলা ব্যবহার করবে সে বেজোড় ঢিলা ব্যবহার করবে। এর অর্থ জিজ্ঞাসা করলে ইবনু উআইনাহ (রহঃ) চুপ রয়লেন। তাকে বলা হলো ; আপনি কি ইমাম মালিক (রহঃ) এর ব্যাখ্যাকে গ্রহণ করবেন?  তিনি জিজ্ঞাসা করলেন; ইমাম মালিক (রহঃ) কি বলেছেন?  বলা হলো যে; ইমাম মালিক (রহঃ) বলেছেন : اﻻِﺳْﺘِﺠْﻤَﺎﺭُ এর অর্থ ঢিলা দ্বারা ইস্তিঞ্জা করা। ইবনু উআইনাহ (রহঃ) বললেন; আমার ও ইমাম মালিক এর উদাহারণ এমনই যেমন প্রথম ব্যক্তি বলেছে।
★বুখারী হাঃ ১৬১; মুসলিম হাঃ ২৩৭; নাসাঈ হাঃ ৮৮; আবুদাঊদ হাঃ ৩২; ইবনুমাজাহ হাঃ ৪০৯; মুওয়াত্তা মালিক হাঃ ৩৩; দারেমী হাঃ ৭০৩; ইবনু হিব্বান হাঃ ১৪৩৮;

59-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻷَْﻣْﺮَ ﺑِﺎﻻِﺳْﺘِﻄَﺎﺑَﺔِ ﻭِﺗْﺮًا «ﻫُﻮَ اﻟْﻮِﺗْﺮُ اﻟَّﺬِﻱ ﻳَﺰِﻳﺪُ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﻮَاﺣِﺪِ، اﻟﺜَّﻼَﺙُ ﻓَﻤَﺎ ﻓَﻮْﻗَﻪُ ﻣِﻦَ اﻟْﻮِﺗْﺮِ، ﺇِﺫِاﻟْﻮَاﺣِﺪُ ﻗَﺪْ ﻳَﻘَﻊُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ اﺳْﻢُ اﻟْﻮِﺗْﺮِ، ﻭَاﻻِﺳْﺘِﻄَﺎﺑَﺔُ ﺑِﺤَﺠَﺮٍ ﻭَاﺣِﺪٍ ﻏَﻴْﺮُ ﻣُﺠْﺰِﻳَﺔٍ، ﺇِﺫِ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺪْ ﺃَﻣَﺮَ ﺃَﻥْ ﻻَ ﻳُﻜْﺘَﻔَﻰﺑِﺪُﻭﻥِ ﺛَﻼَﺛَﺔِ ﺃَﺣْﺠَﺎﺭٍ ﻓِﻲ اﻻِﺳْﺘِﻄَﺎﺑَﺔِ»

অধ্যায় ৫৯: সেই বিষয়ের প্রমাণ এর বর্ণনা যে; ইস্তিঞ্জার জন্য বেজোড় ঢিলা ব্যবহার করার নির্দেশের উদ্দেশ্য হচ্ছে সেই বেজোড় যেটা একের অধিক তিন কিংবা তার চেয়ে বেশি (যেমন পাঁচ; সাত…) কেননা একের উপরও কখনো কখনো বেজোড়ের হিসাব করা হয়। কিন্তু একটি ঢিলা দ্বারা ইস্তিঞ্জা করা যথেষ্ট নয়। কেননা নাবী (সাঃ) নির্দেশ দিয়েছেন যে; ইস্তিঞ্জার জন্য তিনের কম ঢিলাকে যথেষ্ট যেন না মনে করা হয়।

76 – ﻧﺎ ﻳُﻮﺳُﻒُ ﺑْﻦُ ﻣُﻮﺳَﻰ، ﻧﺎ ﺟَﺮِﻳﺮٌ، ﻋَﻦِ اﻷَْﻋْﻤَﺶِ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻳَﻌْﻘُﻮﺏُ ﺑْﻦُ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢَ، ﻧﺎ ﻋِﻴﺴَﻰ ﺑْﻦُ ﻳُﻮﻧُﺲَ، ﻧﺎ اﻷَْﻋْﻤَﺶُ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻣُﻮﺳَﻰ، ﻧﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﻣَﻬْﺪِﻱٍّ، ﻋَﻦْ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥَ، ﻋَﻦِ اﻷَْﻋْﻤَﺶِ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥَ، ﻋَﻦْ ﺟَﺎﺑِﺮٍ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «§ﺇِﺫَا اﺳْﺘَﺠْﻤَﺮَ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ ﻓَﻠْﻴَﺴْﺘَﺠْﻤِﺮْ ﺛَﻼَﺛًﺎ»

৭৬: জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : “যখন তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি ইস্তিঞ্জা করার জন্য ঢিলা কুলুখ ব্যবহার করবে তার উচিত যে তিনটি ঢিলা ব্যবহার করবে”।
★মুসলিম হাঃ ২৩৯; বায়হাকী হাঃ ৫০৭;

60-ﺑَﺎﺏُ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻷَْﻣْﺮَ ﺑِﺎﻟْﻮِﺗْﺮِ ﻓِﻲ اﻻِﺳْﺘِﻄَﺎﺑَﺔِ ﺃَﻣْﺮُ اﺳْﺘِﺤْﺒَﺎﺏٍ ﻻَ ﺃَﻣْﺮُ ﺇِﻳﺠَﺎﺏٍ «ﻭَﺃَﻥَّ ﻣَﻦِ اﺳْﺘَﻄَﺎﺏَ ﺑِﺄَﻛْﺜَﺮَ ﻣِﻦْ ﺛَﻼَﺛَﺔٍ ﺑِﺸَﻔْﻊٍﻻَ ﺑِﻮِﺗْﺮٍ ﻏَﻴْﺮُ ﻋَﺎﺹٍ ﻓِﻲ ﻓِﻌْﻠِﻪِ، ﺇِﺫْ ﺗَﺎﺭِﻙُ اﻻِﺳْﺘِﺤْﺒَﺎﺏِ ﻏَﻴْﺮِ اﻹِْﻳﺠَﺎﺏِ ﺗَﺎﺭِﻙُ ﻓَﻀِﻴﻠَﺔٍ ﻻَ ﻓَﺮِﻳﻀَﺔٍ»

অধ্যায় ৬০ : যে ব্যক্তি ইস্তিঞ্জার জন্য তিনের বেশি জোড় সংখ্যক ঢিলা ব্যবহার করবে বেজোড় করবে না তার গুনাহ হবে না। কেননা ওটা ওয়াজিব নয়; মুস্তাহাব ও উত্তম আমলকে পরিত্যাগকারী ফরয ত্যাগকারী নয়।

77 – ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻏَﺴَّﺎﻥَ ﻣَﺎﻟِﻚُ ﺑْﻦُ ﺳَﻌْﺪٍ اﻟْﻘَﻴْﺴِﻲُّ، ﻧﺎ ﺭَﻭْﺡٌ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﻋِﺒَﺎﺩَﺓَ، ﺛﻨﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻋَﺎﻣِﺮٍ اﻟْﺨَﺰَّاﺯُ، ﻋَﻦْ ﻋَﻄَﺎءٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﺃَﻥَّ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ: «§ﺇِﺫَا اﺳْﺘَﺠْﻤَﺮَ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ ﻓَﻠْﻴُﻮﺗِﺮْ؛ ﻓَﺈِﻥَّ اﻟﻠَّﻪَ ﻭِﺗْﺮٌ ﻳُﺤِﺐُّ اﻟْﻮِﺗْﺮَ، ﺃَﻣَﺎ ﺗَﺮَﻯ اﻟﺴَّﻤَﻮَاﺕِ ﺳَﺒْﻌًﺎ، ﻭَاﻷَْﺭْﺽَ ﺳَﺒْﻌًﺎ، ﻭَاﻟﻄَّﻮَاﻑَ ﺳَﺒْﻌًﺎ» ﻭَﺫَﻛَﺮَ ﺃَﺷْﻴَﺎء

৭৭: আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; নাবী (সাঃ) বলেছেন : “যখন তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি ঢিলা দ্বারা ইস্তিঞ্জা করবে তখন সে যেন বেজোড় ঢিলা ব্যবহার করে; নিঃসন্দেহে আল্লাহ তা’য়ালা বেজোড় তিনি বেজোড়কেই পছন্দ করেন। তোমরা কি সাত আসমান; সাত জমীন ও তওয়াফের সাত (চক্কর) দেখনি?”
★সনদ সহীহ। সহীহ আল-জামেউস সাগীর হাঃ ৩২১;

61-ﺑَﺎﺏُ اﻟﻨَّﻬْﻲِ ﻋَﻦِ اﻻِﺳْﺘِﻄَﺎﺑَﺔِ ﺑِﺎﻟْﻴَﻤِﻴﻦ

অধ্যায় ৬১: ডান হাত দ্বারা ইস্তিঞ্জা করা নিষেধ।

78 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻷَْﻋْﻠَﻰ اﻟﺼَّﻨْﻌَﺎﻧِﻲُّ، ﻧﺎ ﺑِﺸْﺮُ ﺑْﻦُ اﻟْﻤُﻔَﻀَّﻞِ، ﻧﺎ ﻫِﺸَﺎﻡُ ﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ اﻟﺪَّﺳْﺘُﻮَاﺋِﻲُّ، ﻋَﻦْ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻛَﺜِﻴﺮٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻗَﺘَﺎﺩَﺓَ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ ﺃَﺑِﻲ ﻗَﺘَﺎﺩَﺓَ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «§ﺇِﺫَا ﺷَﺮِﺏَ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ ﻓَﻼَ ﻳَﺘَﻨَﻔَّﺲْ ﻓِﻲ اﻹِْﻧَﺎءِ، ﻭَﺇِﺫَا ﺃَﺗَﻰ اﻟْﺨَﻼَءَ ﻓَﻼَ ﻳَﻤَﺲَّ ﺫَﻛَﺮَﻩُ ﺑِﻴَﻤِﻴﻨِﻪِ، ﻭَﺇِﺫَا ﺗَﻤَﺴَّﺢَ ﻓَﻼَ ﻳَﺘَﻤَﺴَّﺢْ ﺑِﻴَﻤِﻴﻨِﻪِ»

৭৮: আবূ কাতাদাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: “যখন তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি (কিছু খায় বা) পান করে সে যেন পাত্রের মধ্যে নিঃশ্বাস না ফেলে; আর যখন পেশাব-পায়খানার সময় ইস্তিঞ্জা করে তখন নিজ লজ্জাস্থানকে ডান হাত দিয়ে স্পর্শ না করে”।
★বুখারী হাঃ ১৫৩; মুসলিম হাঃ ২৬৭; ২৭৫; তিরমিযী হাঃ ১৮৮৯; নাসাঈ হাঃ ৪৭; আবুদাঊদ হাঃ ৩১; ইবনুমাজাহ হাঃ ৩১০

79 – ﻧﺎ ﻋَﻠِﻲُّ ﺑْﻦُ ﺣُﺠْﺮٍ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ اﺑْﻦُ اﻟْﻤُﺒَﺎﺭَﻙِ، ﻋَﻦِ اﻷَْﻭْﺯَاﻋِﻲِّ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻧَﺼْﺮُ ﺑْﻦُ ﻣَﺮْﺯُﻭﻕٍ اﻟْﻤِﺼْﺮِﻱُّ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋَﻤْﺮٌﻭ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﺃَﺑِﻲ ﺳَﻠَﻤَﺔَ، ﻋَﻦِ اﻷَْﻭْﺯَاﻋِﻲِّ، ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﺃَﺑِﻲ ﻛَﺜِﻴﺮٍ، ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﻗَﺘَﺎﺩَﺓَ اﻷَْﻧْﺼَﺎﺭِﻱُّ ﻗَﺎﻝَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﺃَﺑِﻲ، ﺃَﻧَّﻪُ ﺳَﻤِﻊَ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻳَﻘُﻮﻝُ: «§ﺇِﺫَا ﺑَﺎﻝَ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ ﻓَﻼَ ﻳَﻤَﺲَّ ﺫَﻛَﺮَﻩُ ﺑِﻴَﻤِﻴﻨِﻪِ، ﻭَﻻَ ﻳَﺴْﺘَﻨْﺞِ ﺑِﻴَﻤِﻴﻨِﻪِ، ﻭَﻻَ ﻳَﺘَﻨَﻔَّﺲْ ﻓِﻲ اﻹِْﻧَﺎءِ» ﻫَﺬَا ﺣَﺪِﻳﺚُ ﻋَﻤْﺮِﻭ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﺳَﻠَﻤَﺔَ، ﻭَﻗَﺎﻝَ ﻋَﻠِﻲُّ ﺑْﻦُ ﺣُﺠْﺮٍ ﻓِﻲ ﻛُﻠِّﻬَﺎ: ﻋَﻦْ ﻋَﻦْ ”

৭৯: আবূ কাতাদাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নাবী (সাঃ) কে বলতে শুনেছেন : “যখন তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি পেশাব করবে নিজ লজ্জাস্থানকে ডান হাত দিয়ে স্পর্শ করবে না এবং নিজ ডান হাত দ্বারা ইস্তিঞ্জাও যেন না করে আর না (কিছু পান করার সময়) পাত্রে নিঃশ্বাস ফেলে”। এটা উমার বিন আবূ সালমার রিওয়াআত। আর আলী বিন হুজুর সম্পূর্ণ সনদে ﻋَﻦْ ﻋَﻦ বলেছে। (অর্থাৎ কোথাও সে ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ বা سمعশব্দ ব্যবহার করেননি)।
★বুখারী হাঃ ১৫৪; মুসলিম হাঃ ২৬৭; আবুদাঊদ হাঃ ২৯;

62-ﺑَﺎﺏُ اﻟﻨَّﻬْﻲِ ﻋَﻦِ اﻻِﺳْﺘِﻄَﺎﺑَﺔِ ﺑِﺪُﻭﻥِ ﺛَﻼَﺛَﺔِ ﺃَﺣْﺠَﺎﺭ

অধ্যায় ৬২: তিনের কম ঢিলা দ্বারা ইস্তিঞ্জা করা নিষেধ।

80 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺑَﺸَّﺎﺭٍ، ﻧﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺳَﻌِﻴﺪٍ، ﻧﺎ اﺑْﻦُ ﻋَﺠْﻼَﻥَ، ﻋَﻦِ اﻟْﻘَﻌْﻘَﺎﻉِ ﺑْﻦِ ﺣَﻜِﻴﻢٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﺻَﺎﻟِﺢٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ، ﻋَﻦِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ: «ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺃَﻧَﺎ ﻟَﻜُﻢْ ﻣِﺜْﻞُ اﻟْﻮَاﻟِﺪِ ﻟِﻮَﻟَﺪِﻩِ، §ﻓَﻼَ ﻳَﺴْﺘَﻘْﺒِﻞْ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢُ اﻟْﻘِﺒْﻠَﺔَ ﻭَﻻَ ﻳَﺴْﺘَﺪْﺑِﺮْﻫَﺎ – ﻳَﻌْﻨِﻲ ﻓِﻲ اﻟْﻐَﺎﺋِﻂِ – ﻭَﻻَ ﻳَﺴْﺘَﻨْﺞِ ﺑِﺪُﻭﻥِ ﺛَﻼَﺛَﺔِ ﺃَﺣْﺠَﺎﺭٍ ﻟَﻴْﺲَ ﻓِﻴﻬَﺎ ﺭَﻭْﺙٌ ﻭَﻻَ ﺭِﻣَّﺔٌ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺣﺴﻦ

৮০: আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। নাবী (সাঃ) বলেছেন : “আমি তোমাদের জন্য পিতৃতুল্য। সুতরাং তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূর্ণ করার সময় কিবলাহমুখী হয়ে বসবে না এবং কিবলাহর দিকে পিঠও করবে না। আর তিনের কম ঢিলা দিয়ে ইস্তিঞ্জাও করবে না এবং তার মধ্যে যেন গোবর ও হাড় না থাকে”।
★সনদ হাসান সহীহ। আবুদাঊদ হাঃ ৮; ইবনুমাজাহ হাঃ ৩১৩; দারেমী হাঃ ৬৭২; ইবনু হিব্বান হাঃ ১৪৩৫;

63-ﺑَﺎﺏُ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ اﻟﻨَّﻬْﻲِ ﻋَﻦِ اﻻِﺳْﺘِﻄَﺎﺑَﺔِ ﺑِﺪُﻭﻥِ ﺛَﻼَﺛَﺔِ ﺃَﺣْﺠَﺎﺭ

অধ্যায় ৬৩: তিনের কম ঢিলা দ্বারা ইস্তিঞ্জা করা নিষেধ এর প্রমাণের বর্ণনা।

«ﻭَﺃَﻥَّ اﻻِﺳْﺘِﻄَﺎﺑَﺔَ ﺑِﺪُﻭﻥِ ﺛَﻼَﺛَﺔِ ﺃَﺣْﺠَﺎﺭٍ ﻻَ ﻳَﻜْﻔِﻲ ﺩُﻭﻥَ اﻻِﺳْﺘِﻨْﺠَﺎءِ ﺑِﺎﻟْﻤَﺎءِ؛ ﻷَِﻥَّ اﻟْﻤُﺴْﺘَﻄِﻴﺐَ ﺑِﺪُﻭﻥِ ﺛَﻼَﺛَﺔِ ﺃَﺣْﺠَﺎﺭٍ ﻋَﺎﺹٍ ﻓِﻲ ﻓِﻌْﻠِﻪِ ﻭَﺇِﻥِ اﺳْﺘَﻨْﺠَﻰ ﺑَﻌْﺪَﻩُ ﺑِﺎﻟْﻤَﺎءِ، ﻭَاﻟﻨَّﻬْﻲِ ﻋَﻦِ اﻻِﺳْﺘِﻨْﺠَﺎءِ ﺑِﺎﻟْﻌِﻈَﺎﻡِ ﻭَاﻟﺮَّﺟِﻴﻊِ»

আর পানি দ্বারা ইস্তিঞ্জা করা ব্যতীত তিনের কম ঢিলা দ্বারা ইস্তিঞ্জা করা যথেষ্ট নয়। কেননা তিনের কম ঢিলা দ্বারা ইস্তিঞ্জাকারী নিজের কর্মের জন্য গুনাহগার হবে। যদিও সে তারপর পানি দ্বারা ইস্তিঞ্জা করে। হাড় ও গোবর দ্বারা ইস্তিঞ্জা করা নিষেধ।
81 – ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﺳَﻌِﻴﺪِ ﺑْﻦِ اﻷَْﺷَﺞِّ، ﻧﺎ اﺑْﻦُ ﻧُﻤَﻴْﺮٍ، ﻋَﻦِ اﻷَْﻋْﻤَﺶِ، ﻋَﻦْ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢَ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﺑْﻦِ ﻳَﺰِﻳﺪَ، ﻋَﻦْ ﺳَﻠْﻤَﺎﻥَ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ اﻟْﻤُﺸْﺮِﻛُﻮﻥَ: ﻟَﻘَﺪْ ﻋَﻠَّﻤَﻜُﻢْ ﺻَﺎﺣِﺒُﻜُﻢْ ﺣَﺘَّﻰ ﻳُﻮﺷِﻚُ ﺃَﻥْ ﻳُﻌَﻠِّﻤَﻜُﻢُ اﻟْﺨِﺮَاءَﺓَ ﻗَﺎﻝَ: ﺃَﺟَﻞْ «ﻧَﻬَﺎﻧَﺎ ﺃَﻥْ ﻧَﺴْﺘَﻘْﺒِﻞَ اﻟْﻘِﺒْﻠَﺔَ، ﺃَﻭْ ﻧَﺴْﺘَﻨْﺠِﻲَ ﺑِﺄَﻳْﻤَﺎﻧِﻨَﺎ، ﺃَﻭْ ﺑِﺎﻟْﻌَﻈْﻢِ، ﺃَﻭْ ﺑِﺎﻟﺮَّﺟِﻴﻊِ» ، ﻭَﻗَﺎﻝَ: «§ﻻَ ﻳَﻜْﺘَﻔِﻲ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ ﺩُﻭﻥَ ﺛَﻼَﺛَﺔِ ﺃَﺣْﺠَﺎﺭٍ»

৮১: সালমান (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; মুশরিকরা বলে; তোমাদেরকে তোমাদের সঙ্গী (প্রত্যেক বিষয়) শিক্ষা দেন; তাহলে পেশাব-পায়খানার পদ্ধতিও শিক্ষা দেন! সালমান (রাযিঃ) বললেন; হাঁ; তিনি (সাঃ) আমাদেরকে (পেশাব-পায়খানার সময়) নিষেধ করেছেন “কিবলাহমুখী হয়ে বসতে; ডান হাত দিয়ে সৌচকার্য করতে; হাড় ও গোবর দ্বারা ইস্তিঞ্জা করতে; আর তিনি বলেছেন তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি তিনটি ঢিলার কম দিয়ে ইস্তিঞ্জা করা যথেষ্ট মনে করবে না”।
★মুসলিম হাঃ ২৬২; তিরমিযী হাঃ ১৬; নাসাঈ হাঃ ৪১; আবুদাঊদ হাঃ ৬; ইবনুমাজাহ হাঃ ৩১৬; মুসনাদে আহমাদ হাঃ ২২৫৯;

64-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟْﻌِﻠَّﺔِ اﻟَّﺘِﻲ ﻣِﻦْ ﺃَﺟْﻠِﻬَﺎ ﺯُﺟِﺮَ ﻋَﻦِ اﻻِﺳْﺘِﻨْﺠَﺎءِ ﺑِﺎﻟْﻌِﻈَﺎﻡِ ﻭَاﻟﺮَّﻭْﺙ

অধ্যায় ৬৪: সেই কারণের বর্ণনা; যার জন্যে হাড় ও গোবর দ্বারা ইস্তিঞ্জা করতে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে।

82 – ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻣُﻮﺳَﻰ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ اﻟْﻤُﺜَﻨَّﻰ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻷَْﻋْﻠَﻰ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻷَْﻋْﻠَﻰ، ﻋَﻦْ ﺩَاﻭُﺩَ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻫَﺎﺷِﻢٍ ﺯِﻳَﺎﺩُ ﺑْﻦُ ﺃَﻳُّﻮﺏَ، ﻧﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﺃَﺑِﻲ ﺯَاﺋِﺪَﺓَ ﻗَﺎﻝَ: ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧِﻲ ﺩَاﻭُﺩُ ﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﻫِﻨْﺪَ، ﻋَﻦْ ﻋَﺎﻣِﺮٍ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﺄَﻟْﺖُ ﻋَﻠْﻘَﻤَﺔَ: ﻫَﻞْ ﻛَﺎﻥَ اﺑْﻦُ ﻣَﺴْﻌُﻮﺩٍ ﺷَﻬِﺪَ ﻣَﻊَ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻟَﻴْﻠَﺔَ اﻟْﺠِﻦِّ؟ ﻓَﻘَﺎﻝَ ﻋَﻠْﻘَﻤَﺔُ: ﺃَﻧَﺎ ﺳَﺄَﻟْﺖُ اﺑْﻦَ ﻣَﺴْﻌُﻮﺩٍ، ﻓَﻘُﻠْﺖُ: ﻫَﻞْ ﺷَﻬِﺪَ ﺃَﺣَﺪٌ ﻣِﻨْﻜُﻢْ ﻣَﻊَ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻟَﻴْﻠَﺔَ اﻟْﺠِﻦِّ؟ ﻓَﻘَﺎﻝَ: ﻻَ، ﻭَﻟَﻜِﻦْ ﻛُﻨَّﺎ ﻣَﻊَ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺫَاﺕَ ﻟَﻴْﻠَﺔٍ ﻓَﻔَﻘَﺪْﻧَﺎﻩُ ﻓَﺎﻟْﺘَﻤَﺴْﻨَﺎﻩُ ﻓِﻲ اﻷَْﻭْﺩِﻳَﺔِ ﻭَاﻟﺸِّﻌَﺎﺏِ، ﻓَﻘُﻠْﻨَﺎ: اﺳْﺘُﻄِﻴﺮَ ﺃَﻭِ اﻏْﺘِﻴﻞَ ﻗَﺎﻝَ: ﻓَﺒِﺘْﻨَﺎ ﺑِﺸَﺮِّ ﻟَﻴْﻠَﺔٍ ﺑَﺎﺕَ ﺑِﻬَﺎ ﻗَﻮْﻡٌ، ﻓَﻠَﻤَّﺎ ﺃَﺻْﺒَﺤْﻨَﺎ، ﻓَﺈِﺫَا ﻫُﻮَ ﺟَﺎءٍ ﻣِﻦْ ﻗِﺒَﻞِ ﺣِﺮَاءَ ﻗَﺎﻝَ: ﻓَﻘُﻠْﻨَﺎ: ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﻓَﻘَﺪْﻧَﺎﻙَ، ﻓَﻄَﻠَﺒْﻨَﺎﻙَ ﻓَﻠَﻢْ ﻧَﺠِﺪْﻙَ، ﻓَﺒِﺘْﻨَﺎ ﺑِﺸَﺮِّ ﻟَﻴْﻠَﺔٍ ﺑَﺎﺕَ ﺑِﻬَﺎ ﻗَﻮْﻡٌ ﻗَﺎﻝَ: «ﺃَﺗَﺎﻧِﻲ ﺩَاﻋِﻲ اﻟْﺠِﻦِّ ﻓَﺬَﻫَﺒْﺖُ ﻣَﻌَﻪُ ﻓَﻘَﺮَﺃْﺕُ ﻋَﻠَﻴْﻬِﻢُ اﻟْﻘُﺮْﺁﻥَ» . ﻗَﺎﻝَ: ﻓَﺎﻧْﻄَﻠَﻖَ ﺑِﻨَﺎ ﻓَﺄَﺭَاﻧَﺎ ﻧِﻴﺮَاﻧَﻬُﻢْ ﻗَﺎﻝَ: ﻭَﺳَﺄَﻟُﻮﻩُ اﻟﺰَّاﺩَ ﻓَﻘَﺎﻝَ: «§ﻟَﻜُﻢْ ﻛُﻞُّ ﻋَﻈْﻢٍ ﺫُﻛِﺮَ اﺳْﻢُ اﻟﻠَّﻪِ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻳَﻘَﻊُ ﻓِﻲ ﺃَﻳْﺪِﻳﻜُﻢْ ﺃَﻭْﻓَﺮُ ﻣَﺎ ﻳَﻜُﻮﻥُ ﻟَﺤْﻤًﺎ، ﻭَﻛُﻞُّ ﺑَﻌْﺮٍ ﻋَﻠَﻔًﺎ ﻟِﺪَﻭَاﺑِّﻜُﻢْ» ، ﻓَﻘَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «ﻓَﻼَ ﺗَﺴْﺘَﻨْﺠُﻮا ﺑِﻬِﻤَﺎ ﻓَﺈِﻧَّﻬَﺎ ﻃَﻌَﺎﻡُ ﺇِﺧْﻮَاﻧِﻜُﻢْ» ﻫَﺬَا ﺣَﺪِﻳﺚُ ﻋَﺒْﺪِ اﻷَْﻋْﻠَﻰ ” ﻭَﻓِﻲ ﺣَﺪِﻳﺚِ اﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﺯَاﺋِﺪَﺓَ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «ﻻَ ﺗَﺴْﺘَﻨْﺠُﻮا ﺑِﺎﻟْﻌَﻈْﻢِ ﻭَﻻَ ﺑِﺎﻟْﺒَﻌْﺮِ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﺯَاﺩُ ﺇِﺧْﻮَاﻧِﻜُﻢْ ﻣِﻦَ اﻟْﺠِﻦِّ»

৮২: আমের (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; আমি আলকামাকে জিজ্ঞাসা করলাম; জ্বিনদের সাথে সাক্ষাতের রাতে ইবনু মাসঊদ (রাযিঃ) কি রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সঙ্গে ছিলেন?  আলকামাহ বললেন; আমি ইবনু মাসঊদ (রাযিঃ) কে জিজ্ঞাসা করলাম; জ্বিনদের সঙ্গে রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সাক্ষাতের রাতে আপনাদের মধ্যে কেউ কি তার সাথে ছিলেন?  তিনি বললেন; না; কিন্তু একরাতে আমরা রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সঙ্গে ছিলাম। আমরা তাকে হারিয়ে ফেললাম। আমরা পাহাড়ের উপত্যকায় এবং গিরিপথে তাকে খুঁজলাম কিন্তু পেলাম না। আমরা মনে করলাম; হয় তাকে জ্বিনেরা উড়িয়ে নিয়ে গিয়েছে কিংবা কেউ তাকে গোপনে হত্যা করে দিয়েছে। রাবী (ইবনুমাসঊদ) বলেন; সে রাতটি আমাদের জন্য এতই দুর্ভাগ্যজনক ছিল যে; মনে হয় কোন জাতির উপর এমন রাত কখনো আসেনি। যখন ভোর হল; আমরা তাকে হেরা পর্বতের দিক হতে আসতে দেখলাম। আমরা বললাম; হে আল্লাহর রসূল! আমরা আপনাকে হারিয়ে ফেললাম এবং অনেক খোঁজাখুঁজি করে আপনার কোন সন্ধান পেলাম না। তাই সারা রাত আমরা চরম দুশ্চিন্তায় কাটিয়েছি। মনে হয় এমন এরূপ দুর্ভাগ্যজনক রাত কোন জাতির উপর আসেনি। তিনি বললেন : জ্বিনদের পক্ষ থেকে এক আহবানকারী আমাকে নিতে আসে; আমি তাদের সাথে চলে গেলাম এবং তাদেরকে ক্বুরআন তিলাওয়াত করে শোনালাম। রাবী (ইবনু মাসঊদ) বলেন; অতঃপর তিনি আমাদেরকে সাথে করে নিয়ে গিয়ে তাদের বিভিন্ন নিদর্শন এবং আগুনের চিহ্ন দেখালেন। তারা (জ্বিনরা) তার কাছে খাদ্যের জন্য প্রার্থনা করল। তিনি (সাঃ) বললেন : তোমাদের খাদ্য প্রত্যেক জন্তুর হাড় যাকে আল্লাহর নাম নিয়ে যবেহ করা হয়েছে; তোমাদের হাতের স্পর্শে তা পুনরায় গোশ্তে পরিপূর্ণ হয়ে যাবে। উটের গোবর তোমাদের পশুর খাদ্য। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন : “তোমরা ঐদুটি (হাড় ও গোবর) বস্তু দ্বারা ইস্তিঞ্জা করবে না। কেননা তা তোমাদের ভাই জ্বিনদের খাদ্য”। এটা আব্দুল আ’লার রিওয়াআত। ইবনু আবূ যাহদাহর রিওয়াআতে আছে; রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: “তোমরা হাড় ও গোবর দ্বারা ইস্তিঞ্জা করবে না; কারণ তা তোমাদের ভাই জ্বিনদের খাদ্য”।
★মুসলিম হাঃ ৪৫০; তিরমিযী হাঃ ৩২৫৮; ইবনু হিব্বান হাঃ ১৪৩২;