এসো হাদিস পড়ি ?
এসো হাদিস পড়ি ?
হাদিস অনলাইন ?

নবী করীম (সাঃ)-এর ইন্তেকাল হতে কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য ফিতনা ও তার সংখ্যা সম্পর্কে অভিহিত করণ

একটি আরবি শব্দ ডাবল ক্লিক করে তার অভিধান এন্ট্রি দেখায়
হাদিস - ১
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন একদা রাসূল (ﷺ) সাঃ আমাদের নিয়ে একটু বেলা থাকতেই আসরের নামায (সলাত) আদায় করেন। অতঃপর সূর্য অস্ত ভাষণ দিলেন। উক্ত ভাষণে কিয়ামত পর্যন্ত যা কিছু ঘটবে তার সমস্ত কিছুই বর্ণনা করেন। তাঁর সেই ভাষণটি যারা ভুলে যাওয়ার তারা ভুলে গিয়েছে। test
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন নাঈম বিন হাম্মাদ 
মারওয়াযী তিনি আবু সাঈদকে আমাদের আব্দুল্লাহ বিন মুবারক মুয়াম্মার আলী বিন যায়েদ আবু ভেরনার লোক বলেন 
আল - খুদরী এবং ইবন Uyaynah আলী বিন যায়েদ আবু ভেরনার লোক 
আবু সাঈদ আল থেকে - আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে 
আমাদের উপর বললেন রসূল এর আল্লাহ , শান্তি তাঁর Asr প্রার্থনা ওয়া সাল্লাম তারপর বক্তৃতা বাহার যে অনুপস্থিত 
সূর্য কিছু দিন করেনি একটি বস্তুর দিন এর কেয়ামতের , কিন্তু এটি সংরক্ষণ করতে আমাদের বলেছেন এটা এবং সংরক্ষণ করুন এটি থেকে বিস্মৃত 
বিস্মৃত
হাদিস - ২
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা আমার সম্মুখে দুনিয়াকে উঁচু করে ধরলেন। অতঃপর দুনিয়াকে এবং তাতে কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য বিষয়গুলো দেখছিলাম যেমন আমার দুই হাতের তালুগুলো দেখছি এটা হলো আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বিষয়, যা তিনি প্রকাশ করেছিলেন তার পূর্ববর্তি নবীগনকে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ২ ]
___________________________________
নাঈম বিন হাম্মাদ - ২
আমাদের বলুন হাকাম ইবনে Nafie বিন সাঈদ সিনান অনেক বিন জন্য আমাদের সাথে আবু Zahrieh বলেন 
সময় বাবা গাছ 
ইবনে 'উমরের থেকে বলেন : রাসূল এর আল্লাহ , সা 
, ঈশ্বর আমাকে তুলে ন্যূনতম আমি চেহারা এ এটি এবং কি একটি যেখানে পর্যন্ত বস্তুর ডে এর কেয়ামতের , যেমন আমি 
তাকান ঈশ্বরের এই করতল , এর Gela আপনার যেমন জিলিয়ান Gelah Nabih নবী তার পূর্বে
হাদিস - ৩
হযরত হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান রাঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য সমস্ত ফিতনা সম্পর্কে আমি সবচেয়ে বেশী অবগত। রাসূল (ﷺ) সাঃ আমার নিকট সেই ফিতনা সম্পর্কে অনেক গোপন বিষয় আলোচনা করেছেন যা আমাকে ছাড়া অন্য কারো কাছে বর্ণনা করেন নি। কিন্তু একদিন রাসূল (ﷺ) সাঃ এক মজলিসে আগমণ করলেন। এরপর ছোট বড় বহু ফিতনা সম্পর্কে আলোচনা করলেন। উল্লেখ্য ঐ মজলিসে যারা উপস্থিত ছিল আমি ছাড়া প্রত্যেকেই দুনিয়া থেকে চলে গেছেন।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৩ ]
___________________________________
নাঈম বিন হাম্মাদ - 3
সদ্য 
আব্দুল্লাহ বিন ওয়াহাব ইবনে আবু ইদ্রিস Khawlaani থেকে আকিল ইবনে শিহাব থেকে Hiệp 
থেকে 
হুযাইফা ইবনুল - ইয়ামন আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে আমি মানুষের সমস্ত দুঃখ কষ্টের অবস্থিত জানেন ডে এর 
কেয়ামতের দিন এবং আমাকে হতে রসূল এর আল্লাহ , শান্তি তার জিনিস পরিবারের উপর হতে ঘটতে না 
অন্যদের না কিন্তু রসূল এর আল্লাহ , সাঃ ঘটেছে একটি থেকে রাষ্ট্রদ্রোহ কাউন্সিল ফর সঙ্গে এটা এসেছিল করার যে তাদের এর 
তাদের শাবকদের এবং যারা সিনিয়র গেলেন 
সারা রাত , অন্যান্যদের
হাদিস - ৪
হযরত হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান রাঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ বলেছেন, ঘোর অন্ধকার রাত্রির টুকরোর মত ফিতনা একের পর এক আসতেই থাকবে। তা তোমাদের কাছে গরুর চেহারার ন্যায় একই রকম মনে হবে। লোকেরা জানবেনা যে কোন টা কি কারণে হচ্ছে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৪ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন বাকি এর ইবন আল - ওয়ালিদ 
এবং সাফওয়ান ইবনে আমর আবু marauding আমাকে বলেছিল করার ভ্রমণ ছেলে বলল , হাঁটা Azdi 
হুযাইফা ইবনুল - 
ইয়ামন আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে : রসূল এর আল্লাহ , সাঃ থেকে সংবেশিত করা উদ্ধার রাত এর 
অন্ধকার একে অপরের অনুসৃত এনেছে আপনি মুখমন্ডল সন্দেহভাজন এর গরুর মাংস থেকে আপনি জানেন না
হাদিস - ৫
হযরত হুযাইফা রাঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন। এই ফিতনা গরুর ন্যায়। তাতে বহু মানুষ ধ্বংস হবে। তবে যারা পূর্বেই এ সম্পর্কে অবগতি লাভ করবে তারা ধ্বংস হবে না।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৫ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন ঈসা ইবনে ইউনুস আমাদের হাসান বেন আত্তিয়া আবু ইদ্রিস Khawlaani সম্পর্কে Awzaa'i বলেন 
থেকে 
হুযাইফা ইবনুল - ইয়ামন তিনি বলেন এই সম্মোহিত করেছে Ozlt Kjbah গাভী মধ্যে যা আরও অনেক বেশি মানুষের প্রাণ হারান যদি না তিনি 
আগে জানতাম
হাদিস - ৬
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ এরশাদ করেন, কিয়ামতের পূর্বে যখন যুগ পরস্পর নিকটে এসে যাবে তোমাদের কাছে কালো, বুড়ো ধরনের একটি উট এসে বসবে ফিতনার রূপ ধারণ করে। যেন মনে হবে সেটা অন্ধকারে ছেয়ে যাওয়া রাত্রের একটি টুকরা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৬ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন Rushdin বিন সাদ বিন Hiệp আমাকে সালমান বিন আমের বলেন 
আবু উসমান Alasbahi 
আবু Hurayrah থেকে , আল্লাহ হতে পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে : রসূল এর আল্লাহ , শান্তি 
তাঁর উপর করা যদি অভিসৃতি এর সময় Onach আপনি John সম্মান মত সংবেশিত একটি অন্ধকার রাতের
হাদিস - ৭
র্কুয ইবনে আল্কামা খুযায়ী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ এর কাছে এক লোক জানতে চাইল ইসলামের কি কোনো শেষ রয়েছে? জবাবে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ বললেন হ্যাঁ, আরব বা অনারব যে কোনো এলাকার কারো ঘরের সদস্যদের প্রতি আল্লাহ তাআলা কল্যাণ কামনা করলে তাদেরকে তিনি ইসলামের অন্তর্ভুক্ত করেন।
জিজ্ঞাসা করা হল, এরপর কি হবে? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ বললেন, এরপর পাহাড় তুল্য ফিৎনা প্রকাশ পাবে। অতঃপর ঐ লোক বলল, আল্লাহর কসম! ইনশাআল্লাহ! ইয়া রাসূলুল্লাহ! এটা কখনো হতে পারেনা। রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, কসম সে সত্ত্বার যার হাতে আমার রূহ, অবশ্যই হবে। এরপর উক্ত ফিৎনা চলাকালীন তোমরা আশ্রয় নিবে ফনাতুলা কালো বিষাক্ত সাপের। যেখানে তোমরা একে অপরের সাথে মারামারি, হানাহানিতে লিপ্ত হবে। বিশিষ্ট মুহাদ্দিস ইবনে শিহাব যুহরী রহঃ বলেন, কালো বিষাক্ত যখন কাউকে দংশন করে তখন দংশিত স্থানে মুখের লালা জাতীয় কিছু বিষ লাগিয়ে দেয়ার পর মাথা উঠিয়ে লেজের উপর দাড়িয়ে যাবার চেষ্টা করে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের সিফিলিস Erwa ইবনে যুবায়ের চেরি বিন Alqamah Khuzai জন্য সুফিয়ান বিন অ্যাপয়েন্টমেন্ট বলুন বলেন একটি 
মানুষের রসূল এর আল্লাহ , সাঃ বলেন , ইসলাম কি চূড়ান্ত 
বলেছিলাম হ্যাঁ যাই হোক না কেন 
মানুষ এর বাড়িতে আরবদের বা পারস্যদেশনিবাসীগণ ঈশ্বরের চেয়েছিলেন তাদের ভাল তাদের প্রবেশ ইসলাম 
বলেন , তারপর সাধরণ 
বলেন , এবং তারপর হবে চাঁদোয়া হিসাবে সংবেশিত 
মানুষ উভয় ঈশ্বর বললেন এবং ঈশ্বর ইচ্ছুক , হে আল্লাহর এর 
ঈশ্বর , 
ঈশ্বর এর রসূল হ্যাঁ , ও আমার হাত তারপর Taozn যেখানে Osawd সাবা পরস্পর হিট , 
ঘাড়ে এর কিছু 
বলেন সিফিলিস কালো লাইভ যদি থেঁত Nzat তারপর তার মাথা তুলে এবং তারপর ফোকাস
হাদিস - ৮
ভিন্ন সুত্রে উপরের হাদিস বর্নিত হয়েছে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের আব্দুল ওয়াহিদ বিন কায়েস Erwa ইবনে যুবায়ের চেরি থেকে ওয়ালিদ বিন মুসলিম Awzaa'i সম্পর্কে আমাদের বলুন 
বিন Alqamah নবী , শান্তি হতে তার উপর তাই
হাদিস - ৯
ফেৎনাকালীন আত্মরক্ষা করা মোস্তাহাব
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৯ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ

সুফিয়ানের বক্তব্যের মত বেন আলকামা সিংহাসনে ইরা বিন আল-জুবায়েরের সিরাকলের সিফিলিস সম্পর্কে ইবনে আল-মোবারককে বলুন , তবে তিনি বললেন, 
হে আবু উসামা ,
হাদিস - ১০
হযরত আবু মুসা আশআরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) সাঃ ইরশাদ করেছেন, কিয়ামত আসার পূর্বে ‘হারজ’ সংঘটিত হবে। লোকেরা জিজ্ঞাসা করলো হারজ কী? তিনি বললেন, হত্যা এবং মিথ্যা। লোকেরা জিজ্ঞাসা করলো হে আল্লাহর রাসূল! এখন কাফেররা যে ভাবে নিহত হচ্ছে তার চেয়ে বেশী হত্যা সংঘটিত হবে? রাসূল সাঃ বললেন তোমাদের মাধ্যমে কাফেররা নিহত হবেনা বরং মানুষ তার প্রতিবেশী, আপন ভাই ও চাচাতো ভাইকে হত্যা করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১০ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন আব্দুল ওয়াহাব বিন আব্দুল মজিদ Althagafi আমাদের ইউনিস বলেছিলেন 
বিন ওবায়েদ আল - হাসান 
আবু মুসা আল থেকে - আশ'আরী আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে রসূল এর আল্লাহ , 
শান্তি হতে তার উপর যে হাতে এর চিল্লাচিল্লি 
তারা বলেছিল এবং কি কোন্দল 
বলেন হত্যা 
এবং মিথ্যা 
বলেন : হে আল্লাহর এর আল্লাহ , আরো হত্যার চেয়ে এটা এখন কাফের নিহত 
তিনি বলেন যে এটি 
কাফেরদের আপনার হত্যা নয় , কিন্তু মানুষ তার প্রতিবেশী, তার ভাই এবং তার চাচাত ভাই হত্যা করে
হাদিস - ১১
হযরত উসাইদ ইবনে মুতাশাসি ইবনে মুয়াবিয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবু মুসা (রাঃ) কে বলতে শুনেছি যে, কিয়ামত আসার পূর্বে মুসলমানদের মধ্য হতে ফিতনা ও হত্যা সংঘটিত হবে। এমনকি মানুষ তার দাদা,চাচাতো ভাই, পিতা ও আপন ভাইকে হত্যা করবে। আল্লাহর শপথ! আমি আশংকা করছি যে, না জানি আমি এবং তোমরা তাতে জড়িত হয়ে যাই।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১১ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন ইবন আল - মুবারক 
আল জানান - থেকে আল মুবারক বিন Faddaalah - Usayd বিন Basking বিন মুয়াবিয়ার থেকে হাসান বলেন 
আমি শুনেছি আবু 
মুসা আছে হবে বলে অন্তর্ভুক্ত হয়ে মানুষ এর হাতে ইসলাম এর পর্যন্ত কোন্দল খুনের মানুষ তার পিতামহ নিহত 
ও তার চাচাত ভাই এবং তার পিতা ও তার ভাই ঈশ্বর পাড় , আমি আশঙ্কা করলাম যে Tdrickna এবং আপনি
হাদিস - ১২
হযরত আবু মুসা আশআরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নিশ্চয় তোমাদের সম্মুখে ঘোর অন্ধকার রাত্রির একাংশের ন্যায় ফিতনা সংঘটিত হতে থাকবে, তাতে কোন ব্যক্তি সকালে মুমিন ও বিকালে কাফের এবং বিকালে মুমিন ও সকালে কাফেরে পরিণত হতে থাকবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১২ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
জারীর আমাদের বলেছেন বিন 
আবদুল হামিদ আসিম লাহুয়েল আমাকে শেখ বলেন 
আবু মুসা আল থেকে - আশ'আরী আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে 
যে পরে আপনার মত মিথ্যা একটি অন্ধকার রাতের যেখানে মানুষ হয়ে একটি বিশ্বাসী এবং অবিশ্বাসী সন্ধ্যা আসে ও সন্ধ্যায় আসে একটি বিশ্বাসী 
হয়ে একটি অবিশ্বাসী
হাদিস - ১৩
হযরত মুজাহিদ (রঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) (সাঃ) বলেছেন, অন্ধকার রাত্রির টুকরোর মত ফিতনা দেখা দিবে। সে সময় সকালে একজন মুমিন হলে বিকালে কাফের হয়ে যাবে। বিকালে মুমিন হলে সকালে কাফের হয়ে যাবে। তাদের মধ্যে কেউ পার্থিব সামান্য সামগ্রির বিনিময়ে তার দ্বীন বিক্রি করে বসবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৩ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
জারীর লাইস ইবনে আবী সেলিম মুজাহিদ থেকে আমাদের বিন আবদুল হামিদ বলেন 
বলেন : রাসূল এর আল্লাহ , শান্তি হাতে তাকেই দায়ী করা হবে এর রাত মত সংবেশিত একটি অন্ধকার সন্ধ্যা আসে একটি 
মানুষ যেখানে একটি বিশ্বাসী হয়ে একটি অবিশ্বাসী হয়ে একটি বিশ্বাসী এবং একটি অবিশ্বাসী এক সন্ধ্যায় বিক্রি থেকে তার ধর্ম অফার আসে 
বিশ্বের একটি সামান্য
হাদিস - ১৪
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এই ফিতনা ঘোর অন্ধকার রাত্রির একাংশের ন্যায় ছায়া ফেলবে। যখনই কোন এক প্রকার ফিতনা চলে যাবে, তখনই আরেক প্রকার ফিতনা প্রকাশ পাবে। তাতে কোন ব্যক্তি সকালে মুমিন হলে বিকালে কাফের হয়ে যাবে, এবং বিকালে মুমিন হলে সকালে কাফের হয়ে যাবে। আর তখন লোকেরা পার্থিব সামান্য সামগ্রির বিনিময়ে তাদের দ্বীনকে বিক্রি করে দিবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৪ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
Awzaa'i ইয়াহিয়া ইবনে আবী জন্য আমাদের সাথে ইব্রাহিম বিন মোহাম্মদ Lafrara বলুন 
অনেক 
আল্লাহ পারে আব্দুল্লাহ বিন ইবনে মাসউদ হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে এই সংবেশিত উদ্ধার Ozlt পারে রাত এর 
অন্ধকার যখনই তিনি গেলেন , সহ রাসেল করলো রাসূলগণের এর অন্য মানুষের যেখানে এটা হয়ে একটি বিশ্বাসী সকাল ও সন্ধ্যায় একটি অবিশ্বাসী ও সন্ধ্যায় আসে একটি 
বিশ্বাসী হয়ে একটি অবিশ্বাসী বিক্রি যেখানে ভাবেন ধর্ম বিশ্বের প্রস্থ ছোট হয়
হাদিস - ১৫
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাযিঃ থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ এরশাদ করেছেন, নিশ্চয় ফিৎনা আল্লাহর শহরগুলোতে এমনভাবে ঘুমন্ত অবস্থায় থাকবে তার লাগামকে সাড়ানো হবে। কারো জন্য তাকে জাগ্রত করা জায়েয হবেনা। ধ্বংস ঐসব ব্যক্তির জন্য যারা তার লাগাম ধরে টানাটানি করবে।
আবুয্ জাহিরিয়্যাহ বলেন, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাযিঃ বলেন, নিঃসন্দেহে তোমরা এ জগতে নানান ধরনের বালা-মসিবত এবং ফিৎনা-ফাসাদই দেখতে পাবে। ধীরে ধীরে মানুষের যাবতীয় অবস্থা কঠিনই হতে থাকবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৫ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আবু সাঈদ 
Zahrieh এবং আমাদের জানান জাবির ইবনে Nufayr 
থেকে ইবনে উমরের বলেন রসূল এর আল্লাহ শান্তি বর্ষিত হোক 
আল্লাহর মই যে ওয়া সাল্লাম মধ্যে রাষ্ট্রদ্রোহ Ratah দেশ এর ঈশ্বর Khtamha মধ্যে পাদদেশ সেট করা হয় জায়েজ নয় এক তার ঘুম থেকে জন্য 
দুর্ভোগ থেকে যারা Bouktamha নেন 
আবু Zahrieh বলেন হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর আপনি দেখতে পাবেন না এর 
বিশ্বের কিন্তু চাবুক এবং শত্রুতা শুধুমাত্র বৃদ্ধি হবে তীব্রতা এর কিছু
হাদিস - ১৬
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ এর রহস্য সম্বন্ধে অবগত সাহাবী হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ এরশাদ করেন, ফিৎনার সাথে সংশ্লিষ্ট লোক থেকে প্রায় তিনশতজন পর্যন্ত এমন রয়েছে, আমি ইচ্ছা করলে তাদের নাম, তাদের পিতা এবং গ্রামের নাম পর্যন্ত বলতে পারবো। যারা কিয়ামত পর্যন্ত। তার সবকিছুই রাসূলুল্লাহ সাঃ আমাকে জানিয়ে গিয়েছেন।
উপস্থিত লোকজন জিজ্ঞাসা করলো, সরাসরি কি তাদেরকে দেখানো হয়েছে? উত্তরে তিনি বললেন, তাদের আকৃতি দেখানো হয়েছে। যাদেরকে ওলামায়ে কেরাম এবং ফুকাহায়ে এজাম চিনতে পারবেন। হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ বলেন, তোমরা রাসূলুল্লাহ সাঃ এর কাছে কল্যাণ সম্বন্ধে জানতে চাও, কিন্তু আমি জানতে চেষ্টা করি অকল্যাণ বা খারাপী সম্বন্ধে আর তোমরা তাঁর কাছে জানতে চাও ঘটে যাওয়া বিষয় সম্বন্ধে, আমি জানতে চাই ভবিষ্যতে যা হবে সে সম্বন্ধে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৬ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের আবদুল খালেক বিন ইয়াযীদ বলুন এর 
তার পিতা Makhoul থেকে দামেস্ক 
হুযাইফা ইবনুল - ইয়ামন আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তিনি বলেন তার কষ্ট তাকে 
তিনশত মানুষের কাছে পৌঁছাতে , কিন্তু আপনি তার নাম এবং কল করতে চান তাহলে নাম এর তার পিতা ও তার বাড়িতে ডে এর কেয়ামতের 
সব যা Almnet রসূল এর আল্লাহ , শান্তি তার উপর 
Boaaanha বলেন 
বলেন বা 
মত পরিচিত করতে পণ্ডিতদের বা বিজ্ঞানীরা বলেন যে আপনি জিজ্ঞাসা করা হয় রসূল এর আল্লাহ শান্তি বর্ষিত হোক 
তাকে এবং মন্দ থেকে ভাল জন্য তাকে জিজ্ঞাসা , এবং Tsolonh কি ছিল এবং তাকে জিজ্ঞাসা কি
হাদিস - ১৭
হযরত হুজাইফা রাযিঃ এরশাদ করেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ কে বলতে শুনেছি, আমার ওম্মতের মধ্যে এমন তিনশত লোক প্রকাশ পাবে যাদের সাথে তিনশত পতাকা থাকবে, যদ্বারা তাদের পরিচয় শনাক্ত করা যাবে। বংশীয়ভাবে এরা খুবই পরিচিত হবে। তারা আল্লাহ তা'আয়ার সন্তুষ্টি অর্জনের কথা প্রকাশ করলেও যুদ্ধ করবে সুন্নাতের বিপরীত পথভ্রষ্টার উপর।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৭ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের আব্দুল বলুন 
পবিত্র Afeer বিন জন্য Ma'dan বলেন করার আমাদের কাতাদা বলেন 
হুযাইফা বলেন : আমি শুনেছি রাসূলুল্লাহ এর আল্লাহ শান্তি বর্ষিত হোক 
আল্লাহর উপর হতে হবে এবং বলতে মই তাদের সঙ্গে আমার তিনশত পুরুষদের বাইরে গিয়ে জানতে ব্যানার এর জানি তিনশত 
তাদের উপজাতিদের তারা চাইবে মুখ এর ঈশ্বর পথভ্রষ্টতায় হত্যা
হাদিস - ১৮
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হুজাইফা ইবনুল এমান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যাবতীয় ফিৎনা ফাসাদ আমি যা জানি, সেগুলো যদি তোমাদেরকে বয়ান করি তাহলে তোমরা আমার সাথে বিনিদ্র অবস্থায় থাকতে পারবে না।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৮ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের সাঈদ ইবনে থেকে আবদুল কুদ্দুস বলুন 
আবু Zahrieh থেকে সিনান 
হুযাইফা ইবনুল - যদি সবকিছু আমি বললাম জানেন ইয়ামন বলেন আপনাকে কি Rqpettm আগে 
আমার রাতের
হাদিস - ১৯
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, তোমাদের ওপর ফিৎনা-ফাসাদ, অব্যাহত থাকবে এবং মোয়ামালা ধীরে ধীরে আরো কঠিন আকার ধারন করবে। যখন কোনো রাষ্ট্রপ্রধান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষে দেশ পরিচালনা করে না এবং রাষ্ট্রনায়কগণ আল্লাহ তাআলার এবাদত করেনা তখন তোমরা আল্লাহ তাআলা অসন্তুষ্ট হওয়াকে খুবই ভয় কর। কেননা, আল্লাহ তাআলা অসন্তুষ্ট হওয়া মানুষের অসন্তুষ্ট হওয়া থেকে মারাত্মক।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১৯ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আবু জাহিরিয়া আব্দুল্লাহ বিন আমর এখনও ব্যাধি এবং রাষ্ট্রদ্রোহের মধ্যে রয়েছে এবং 
গভর্নর এর তীব্রতা ঈশ্বরের অনুসরণ করে না শুধুমাত্র যদি এই বিষয়টি বৃদ্ধি না ঈশ্বর 
Voshkoa ঈশ্বর এর ঘৃণা, ঈশ্বরের ঘৃণা মানুষের আরও ঘৃণা
হাদিস - ২০
আবু ইদরীস হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি, আবু সালেহ এবং আবু মুসলিম একসাথে ছিলাম। তারা দুইজনের একজন অপরকে বলল, তোমরা কি কোনো বিষয়ের ভয় করছ? তারা বলল, আমরা মানুষের লোভ সম্বন্ধে শংকিত। অতঃপর আমি বললাম, এমন লোভ একমাত্র আখেরী যামানার মানুষের মাঝে প্রকাশ পাবে।
উত্তরে তার বলল, তুমি ঠিকই বলেছ, কেউ লোভবিহীন কখনো ছিনতাই ডাকাতী করতে পারেনা এবং মানুষ সবচেয়ে বেশি ছিনতাই ইত্যাদির সম্মুখিন হবে একমাত্র ইসলামের ক্ষেত্রে। নিঃসন্দেহে যাবতীয় ফিৎনা ফাসাদ ইসলামের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠবে এবং উক্ত ফিৎনা আখেরী যামানাতেই ব্যাপক আকার ধারন করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ২০ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের আব্দুল ওয়াহাব Althagafi বলুন 
আবু Qalaabah থেকে আইয়ুব Alschtiyanj 
আবু ইদ্রিস আমি ও আবু সালেহ আবু মুসলিম বলেন , 
বলেন এক এর তাদের 
কাছে মালিক না আপনি কিছু ভয় 
তারা চাহিদা ভয় , আমি বললাম যে বলেন 
চাহিদা হয় সচেতন নয় এর কিন্তু অন্যরা মানুষ 
তারা বিশ্বাস তিনি লুট করা হয় নি কিন্তু একটি অনুরোধ ছিল না 
এবং যেসব মানুষ কখনোই ইসলামের চাইতে বড় বড় লুটপাটের শিকার হয় নি এবং বিদ্রোহের প্রয়োজন তাদের জন্য এবং শুধুমাত্র 
অন্য লোকেরা বুঝতে পারে
হাদিস - ২১
কায়েস ইবনে আবু হোসেন থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) সাঃ বলেছেন, বৃষ্টির ন্যায় পৃথিবীতে ফিতনা বিস্তার লাভ করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ২১ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন Hushaym আমাদের বলুন ইবনে আবী খালেদ বিন কায়েস আবু Hazim 
বলেন 
যে রাসূল এর আল্লাহ , শান্তি পরে তার কাছে পাঠানো স্থল রাষ্ট্রদ্রোহ পাঠাতে দেশ
হাদিস - ২২
হযরত ওবাইদুল্লাহ ইবনে আবু জাফর রহঃ বলেন, যখন আল্লাহ তাআলা হযরত মুসা আঃ এর কাছে উম্মাতে মুহাম্মাদিয়া মর্যাদা সম্বন্ধে আলোচনা করলেন তখন হযরত মুসা আঃ উম্মাতে মুহাম্মাদিয়ার অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য আবেদন করলেন। তার আবেদনের প্রেক্ষিতে আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেন, হে মুসা! উক্ত ওম্মতের মাঝে আখেরী যুগে অনেক ধরনের বালা মসিবত প্রকাশ পাবে। একথা শুনে হযরত মুসা আঃ বললেন, হে আল্লাহ! এধরনের বালা মসিবতকালীন কে ধৈর্য্য ধারন করতে পারবে? জবাবে আল্লাহ তাআলা বললেন, ঐ মুহূর্তে যারা ধৈর্য্য ধারন করে ঈমানের উপর অটল থাকবে তাদের জন্য বিভিন্ন ধরনের বালা মসিবত সহজ হয়ে যাবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ২২ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন 
ওয়ালিদ বিন মুসলিম এবং পুত্র এর ইবনে Hiệp ওবায়দুল্লাহ ইবনে আবী জাফর থেকে দান বলেন 
করার কাটা এর 
মূসা ঈশ্বর , শান্তি হতে এই জাতি সে আকাঙ্ক্ষিত মত তার উপর একটি সেই ব্যক্তি যাকে আল্লাহ বলবেন : 
হে মূসা এটা প্রভাবিত সাম্প্রতিকতম চাবুক এবং তীব্রতা এর রাষ্ট্রদ্রোহ এক , মূসা বলল বলেন , হে পালনকর্তা , এবং তিনি 
এই সঙ্গে ধৈর্যশীল । তিনি বলেন: "আমি তাদের ধৈর্য এবং বিশ্বাস দিয়েছেন
হাদিস - ২৩
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল’আস থেকে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ বলেছেন, অচিরেই আমার উম্মতের মধ্যে এমন ফিতনা আসবে যে, তাতে মানুষ তার পিতা ও ভাই থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। এমনকি মানুষ তার বিপদের ব্যাপারে অপমান বোধ করবে, যেমন ব্যভিচারীনি মহিলা তার ব্যভিচারের অপমান বোধ করে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ২৩ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন Rushdin বিন সাদ ইবনে আবু Lahee'ah যেমন 
আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল - আস 
আল্লাহ সন্তুষ্ট হতে , বলেন রসূল এর আল্লাহ , শান্তি উপরে তাকে আমার জাতি সংবেশিত করা হবে না যতক্ষণ না তিনি ছেড়ে 
মানুষ যেখানে তার পিতা ও তার ভাই স্পর্ধা মানুষ Bblaih এছাড়াও ধার দেয় বেশ্যা Bznaha
হাদিস - ২৪
আবু তামীম জায়শানী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, অবিরাম বৃষ্টির ন্যায় তোমাদের নিকট ফিতনা প্রবলভাবে বর্ষন হতে থাকবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ২৪ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন পুত্র এর ইবনে Hiệp থেকে দান যে ছেলে এর Hubaira Sabean তাকে বলেন তিনি 
আবু তামিম শোনা 
Aljeichana বলে Otaatkm রাষ্ট্রদ্রোহ দিমা Kadim বৃষ্টি
হাদিস - ২৫
হযরত উসামা ইবনে যায়েদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা নবী করীম (ﷺ) সাঃ একটি দুর্গের উপর আরোহন করে (লোকদেরকে) বললেন, আমি যা দেখছি তোমরাও কি তা দেখছ? নিশ্চয় আমি দেখছি যে, তোমাদের গৃহের ফাঁকে ফাঁকে বৃষ্টির ন্যায় ফিতনা পতিত হচ্ছে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ২৫ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন সিফিলিস জন্য পুত্র Uyaynah 
লুপ 
আল্লাহ পারে ওসামা বিন যায়েদ হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে আশরাফ নবী বলেছেন , শান্তি তার উপর Otm বলেন , 
আপনি কি দেখতে পাচ্ছেন আমি অবস্থানে ব্যাস হিসাবে আপনার হোম সময় রাষ্ট্রদ্রোহ সাইটগুলি দেখতে কি দেখতে
হাদিস - ২৬
মিশর-শাম এলাকায় মতপার্থক্য সৃষ্টিকারী ঝান্ডার বর্ননা ও তাদের বিজয়
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ২৬ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন মোহাম্মদ 
বিন আব্দুল্লাহ Altaherty ছেলে বলেছেন আবু ইদ্রিস আবু শিবা থেকে Makhoul এর softest 
থেকে 
হুযাইফা ইবনুল - ইয়ামন আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে কি আমি থাকি আমার পথ সঙ্গে আপনার উপায় সমস্ত Bohdy কষ্ট হয় 
অবস্থিত এবং Bnaagaha এবং তার নেতা ডে এর কেয়ামতের
হাদিস - ২৭
হযরত হুজাইফা রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর কসম শহরের রাস্তাগুলো থেকে এমন কোনো রাস্তা কিংবা গ্রামের গলিসমূহ থেকে এমন কোনো গলি নেই যার সম্বন্ধে আমি জানিনা যে, হযরত ওসমান রাযিঃ কে শহীদ করার পর যাবতীয় ফিৎনা ফাসাদ প্রকাশ পাবে। অর্থাৎ, সবকিছু আমার কাছে পূর্ব থেকে জানা আছে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ২৭ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আবু সিদ তীর্থযাত্রীদের Sawaf সম্পর্কে আমাদের বলুন 
হামিদ বিন হিলাল সংক্রমণ শীর্ষস্থানে বিন ওয়ালিদ জুনদুব ভাল 
হুযাইফা ইবনুল - ইয়ামন 
বলেন , ঈশ্বর , কি আমি রাস্তা গ্রাম গ্রামে , এবং মিশর থেকে অঞ্চলে আমাকে Boalm কি হবে 
উসমান বিন আফফান পরে হতে
হাদিস - ২৮
হযরত আবু সালেম জায়শানী রহঃ বলেন, আমি হযরত আলী রাযিঃ কে কূফাতে বলতে শুনেছি, কিয়ামতের পূর্বে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী এমন তিনশত লোক প্রকাশ পাবে আমি ইচ্ছা করলে তাদেরকে পরিচালনাকারী এবং উৎসাহদাতাদের নাম ঠিকানা সবকিছু বলে দিতে পারব।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ২৮ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন পুত্র এর দান আমাকে বলেছিল Harmalah বিন ইমরান সাঈদ বিন 
সালেম আবু সালেম বলেন Aljeichana 
উচ্চ শুনে আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে বলছেন কুফা কি 
তিনশত স্নাতক শুধুমাত্র আপনি নামকরণ চান তার চালক ও Naagaha করার ডে এর কেয়ামতের
হাদিস - ২৯
হুযাইফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, লোকেরা রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর নিকট কল্যাণ সম্পর্কে প্রশ্ন করত। আর আমি ক্ষতিকর বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতাম এই ভয়ে যেন আমি তাতে লিপ্ত না হই। হযরত হুযায়ফা (রাঃ) বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমরা এক সময় মুর্খতা ও মন্দের মধ্যে নিমজ্জিত ছিলাম অতঃপর আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে এই কল্যাণ (অর্থাৎ দ্বীন ইসলাম) দান করেন। তবে কি কল্যাণের পর পুনরায় অকল্যাণ (ফিতনা-ফাসাদ) আসবে? রাসূল (সাঃ) বললেন হ্যাঁ, আসবে। আমি পুনরায় জিজ্ঞাসা করলাম সেই অকল্যাণের পরে কি আবার কল্যাণ আসবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ আসবে। তবে তা হবে ধোঁয়াযুক্ত। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, সেই ধোঁয়া কি প্রকৃতির? তিনি বললেন, লোকেরা আমার সুন্নত বর্জন করে অন্য তরিকা গ্রহণ করবে এবং আমার পথ ছেড়ে লোকদেরকে অন্য পথে পরিচালিত করবে। তখন তুমি তাদের মধ্যে ভাল কাজও দেখতে পাবে এবং দেখতে পাবে মন্দ কাজও। আমি আবার জিজ্ঞাসা করলাম, সেই কল্যাণের পরও কি অকল্যাণ আসবে? তিনি বললেন হ্যাঁ, দোজখের দ্বারে দাঁড়িয়ে কতিপয় আহ্বানকারী লোকদেরকে সেই দিকে আহ্বান করবে।  যারা তাদের আহ্বানে সাড়া দেবে তাদেরকে তারা জাহান্নামে নিক্ষেপ করে ছাড়বে। আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাকে তাদের পরিচয় জানিয়ে দিন। তিনি বললেন, তারা আমাদের মতোই মানুষ হবে এবং আমাদের ভাষায় কথা বলবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ২৯ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন 
ওয়ালিদ ইবনে জাবের গোপন বিন Obeid - আবু ইদ্রিস Khawlaani থেকে আল্লাহ হাদরামী বলেন 
আমি শুনেছি হুযাইফা ইবনুল - ইয়ামন বলছেন মানুষ জিজ্ঞাসা রসূল এর আল্লাহ , শান্তির জন্য তাকেই দায়ী করা হবে 
ভাল এবং আমি মন্দ সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞাসা জন্য ভয় Idrickni যে 
আমি বললাম , হে আল্লাহর এর আল্লাহ , আমরা ছিলাম মানুষ এর 
অজ্ঞতা এবং মন্দ এসে ঈশ্বর এই ভাল পর মন্দ থেকে এই ভাল না , 
বলেছিলাম হ্যাঁ , 
তিনি বলেন 
আমি বললাম , পরে যে মন্দ 
বলেছিলাম হ্যাঁ 
আমি করব বলেন পরে যে মন্দ 
হ্যাঁ বলেন এবং এটি ধূমায়মান 
আমি বললাম এবং কি Dechnh 
এমন ব্যক্তিদের Istnon বলেন বছর এবং ছাড়া পরিচালিত 
নির্দেশিকা আপনার তাদের জানতে অস্বীকার 
আমি বললাম , পরে কি মন্দ থেকে তাই ভাল , 
তিনি বলেন, হ্যাঁ সমর্থনকারীরা এর দরজা এর 
জাহান্নাম তাদের Qzvoh উত্তর যেখানে 
আমি বললাম সে বর্ণনা করতে আমাকে , হে আল্লাহর ঈশ্বর , 
তারা বলেছিল , এর 
আমাদের compatriots এবং Bolcentna কথা বলতে
হাদিস - ৩০
হযরত হাসসান ইবনে আতিয়্যাহ হযরত হুযায়ফা (রাঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেন, (অর্থাৎ ২৯ নং হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন)।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৩০ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আল-ওয়ালেদ আল হুসাইনকে 
হুযায়ফা সম্পর্কে হযরত হাসান ইবনে আতিয়াকে বলেন যে, এভাবেই হযরত আয়েশা (রা
হাদিস - ৩১
হযরত হুযায়ফা ইবনুল ইয়ামান (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার সঙ্গির কল্যাণ সম্পর্কে শিক্ষা করতে। আর আমি অকল্যাণ বিষয় সম্পর্কে শিক্ষা করতাম তার মধ্যে পতিত হওয়ার ভয়ে। (বর্ণনাকারী ঈসা বলেন) অর্থাৎ ফিতনার মধ্যে পতিত হওয়ার ভয়ে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৩১ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
হুসাইফাহ ইবন আল-ইয়ামনের কাইস 
ইবনে আবি হজিম 
থেকে ইসা বিন ইউনুস ইসমাইল বিন আবি খালিদকে বলুন , "আমার সঙ্গীরা ভাল শেখাচ্ছে এবং আমি মন্দ বিষয় শিখছি, 
ভয় পাচ্ছি যে আমি পড়েছি।
হাদিস - ৩২
হযরত হুযায়ফা ইবনুল ইয়ামানে (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা এক সময় মুর্খতা ও মন্দের মধ্যে নিমজ্জিত ছিলাম। অতঃপর আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে এই কল্যাণ (অর্থাৎ দ্বীন-ইসলাম) দান করেন। তবেকি এই কল্যাণের পর পুনরায় অকল্যান আসবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আসবে। তবে তা হবে ধোঁয়াযুক্ত। ঐ সমস্ত লোকেরা আমাদের মতই মানুষ হবে এবং আমাদের ভাষাই কথা বলবে। তুমি তাদের মধ্যে ভালো কাজও দেখতে পাবে এবং মন্দ কাজও দেখতে পাবে। জাহান্নামের দ্বারে দাঁড়িয়ে কতিপয় আহ্বানকারী লোকদেরকে সেই দিকে আহ্বান করবে। যে ব্যক্তি তাদের অনুসরণ করবে, তাকে তারা জাহান্নামে প্রবিষ্ট করে ছাড়বে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৩২ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন উসমান বিন অনেক বিন দিনার 
ইউনিস বিন নরম বিন Hbus Aljplani থেকে মুহাম্মদ বিন অভিবাসী 
হুযাইফা ইবনুল - ইয়ামন বলেন , আমি বললাম , 
হে আল্লাহর এর ঈশ্বর আমরা অজ্ঞতা ছিল এবং মন্দ ঈশ্বর এই ভাল না আসেন 
পরে এই মন্দ থেকে ভাল , 
বলেন, হ্যাঁ এবং এটি আমাদের compatriots কিছু স্মোকড Bolcentna কথা বলতে এ শনাক্ত ও সমর্থনকারীরা অস্বীকার গেটস এর 
জাহান্নাম যেখানে Otallm Oqahmoh
হাদিস - ৩৩
হযরত হুযায়ফা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাঃ) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন (অর্থাৎ ৩২ নং হাদীসের অনুরূপ)।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৩৩ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের মুহাম্মদ বিন শাপুর নু'মান বিন মুনযির বলুন 
থেকে Makhoul হুযাইফা নবী সা তাই
হাদিস - ৩৪
হযরত হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, লোকেরা রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর নিকট কল্যাণ সম্পর্কে প্রশ্ন করত। আর আমি ক্ষতিকর বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতাম এই ভয়ে যেন আমি তাতে লিপ্ত না হই। একদিন আমি রাসূল (সাঃ) এর নিকট বসা ছিলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে যেই কল্যাণ দান করেছেন সেই কল্যাণে পর কি পুনরায় অকল্যাণ দান করেছেন। সেই কল্যাণের পর কি পুনরায় অকল্যাণ আসবে? যা পূর্বেও ছিল। তিনি বললেন হ্যাঁ, আসবে। আমি পুনরায় জিজ্ঞাসা করলাম তারপর কি হবে? রাসূল (সাঃ) বললেন, ধোকার উপর সন্ধি চুক্তি হবে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, সন্ধিচুক্তির পর কি হবে? তিনি বললেন,কতিপয় আহ্বানকারী গোমরাহীর দিকে আহ্বান করবে। যদি তুমি তখন আল্লাহর কোন খলীফা (শাসক) এর সাক্ষাৎ পাও তাহলে অবশ্যই তার আনুগত্য করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৩৪ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের Damra বিন রাবিয়া বলুন 
আবু Altaah খালেদ বিন Subaie থেকে ইবনে Hozb 
হুযাইফা বলেন, জনগণ জিজ্ঞাসা 
রসূল এর আল্লাহ , ভালোর জন্য তার উপর শান্তি এবং আমি মন্দ সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞাসা জন্য ভয়ে যে তিনি হয়তো Fbana ক্যাচ 
আমি রসূল এর আল্লাহ , সা এক দিন আমি বললাম , হে আল্লাহর এর ঈশ্বর এই ভাল পরে কি 
যা ঈশ্বরের এসে থেকে থেকে আমাদের মন্দ এর তাকে এটা ছিল আগে মন্দ 
বলেছিলাম হ্যাঁ 
আমি বললাম তারপর কি 
তিনি বলেন একটি 
ধূমায়মান উপর সাময়িক যুদ্ধবিরতি 
আমি বললাম কি পরে সাময়িক যুদ্ধবিরতি , 
বলেন পথভ্রষ্টতায় করার সমর্থনকারীরা পূরণ সঙ্গে ঈশ্বর যে দিন 
খলিফা , তারপর আটকে থাকা
হাদিস - ৩৫
হযরত হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন। আমার ওম্মত ধ্বংস হবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের মধ্যে তামায়ুয, তামায়ুল ও মাআমূ প্রকাশ না পাবে।
হুজাইয়া রাযিঃ বলেন, আমি বললাম, ইয়ারাসূলুল্লাহ আমার আব্বা, আম্মা আপনার জন্য কুরবান হউক তামায়ুম কি জিনিস? রাসুলুল্লাহ সাঃ বললেন, তামায়ুম হচ্ছে আমাবিয়্যাত বা স্বজনপ্রীতি যা আমার পরে মানুষের মাঝে ইসলামের ক্ষেত্রে প্রকাশ পাবে।
অতঃপর জিজ্ঞাস করলাম, তামায়ুল কি জিনিস? জবাবে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, এক গোত্র অন্য গোত্রে প্রতি হামলা করবে এবং অত্যাচারের মাধ্যমে একে অপরের উপর আক্রমণ করাকে বৈধ মনে করবে।
এরপর জানতে চাইলাম ইয়া রাসূলুল্লাহ! মাআমূ কি জিনিস? রাসূলুল্লাহ সাঃ জবাব দিলেন, এক শহরবাসী অন্য শহরবাসীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে, যার কারণে তারা একে অপরের বিরোধীতায় মেতে উঠবে। এটা বুঝাতে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ এক হাতের আঙ্গুল অন্য হাতে প্রবেশ করালেন। তিনি আরো বললেন, এ অবস্থা তখনই হবে যখন ব্যাপকভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশৃংঙ্খলা দেখা দিবে এবং বিশেষ কিছু লোকের অবস্থা তুলনামূলক ভালো থাকবে। সুসংবাদ ঐ ব্যক্তির জন্য যাকে আল্লাহ তাআলা খাছ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে এসলাহ দান করেছেন।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৩৫ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
বলুন উসমান বিন অনেক এবং জন্য হাকাম ইবনে Nafie বিন সাঈদ সিনান আবু Zahrieh 
একবার ইবনে উমর অনেক বিন 
হুযাইফা ইবনুল - ইয়ামন আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাদের বললেন : রাসূল এর আল্লাহ , হতে পারে 
আল্লাহ তাকে আশীর্বাদ এবং আমার জাতি ধ্বংস করব না যতক্ষণ না বিভেদ তাদের এবং bobbing দেখায় এবং Alamaama 
বলেন 
হুযাইফা আমি বাবাকে বলেছে যে আপনি এবং আমার মা , হে আল্লাহর এর ঈশ্বর ও বিভেদ 
স্নায়বিক মানুষ সৃষ্ট বলেন 
ইসলামে আমার পরে , 
আমি বললাম , কি bobbing 
বলেন , এই ধরনের Visthal অলঙ্ঘনীয় পক্ষপাতী মত 
অবিচার 
আমি বললাম এবং কি Alamaama 
Messier Alomassar কিছু এর তাদের বললেন কিছু তারতম্য 
তাদের ঘাড়ে যুদ্ধ তাই পরিবেষ্টিত রসূল এর আল্লাহ , শান্তি তার আঙ্গুলের মধ্যে তাকেই দায়ী করা হবে তাই যদি দুর্নীতিবাজ 
পাবলিক মানে গভর্নর এবং তাদের বিশেষ আগ্রহ কল্পনাপ্রসূত হয় ঈশ্বর তার নিজস্ব মেরামত
হাদিস - ৩৬
হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, বনী ইসরাঈলদের মধ্যে এমন কোন বিষয় ছিলনা যা তোমাদের মধ্যে সংঘটিত হবেনা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৩৬ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
জারীর 
ইবনে আবদুল হামিদ কর্তৃক 
ইবনে আব্বাসের হাদীসে জা'ফার হাদিসের উপর বর্ণিত হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে, যিনি বলেছিলেন: " 
তোমাদের মধ্যে ব্যতীত ইসরাইলের মধ্যে কিছুই ছিল না ;
হাদিস - ৩৭
হযরত আবুল আলিয়া রহঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন তাসতুর নামক এলাকা বিজয় হয়,তখন আমরা হরমুজের স্টোর রুমে একটা জিনিষ পেলাম, দেখলাম, খাটিয়ার উপর রাখা একটি লাশের মাথার পার্শ্বে একটা লিখিত কিছু রেখে দেয়া আছে। ধারনা করা হয় এটা হযরত দানিয়াল আঃ এর লাশ।
অতঃপর আমরা সেটাকে আমীরুল মু’মিনীন হযরত ওমর রাযিঃ এর কাছে পাঠিয়ে দিলাম। হযরত আবুল আলিয়া বলেন, আরবদের থেকে আমিই সেটাকে সর্বপ্রথম পাঠ করি। পরবর্তীতে লিখিত কাগজগুলোকে কা’ব এর নিকট পাঠানো হলো তিনি সেগুলো আরবী ভাষায় অনুবাদকালে, দেখা গেল; হযরত দানিয়াল আঃ এর সাথে থাকা কাগজের মধ্যে যাবতীয় সব ফিৎনার বর্ণনা স্পষ্টভাবে রয়েছে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৩৭ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের মুহাম্মদ ইবনে ইয়াযীদ আবু Khaldah বলুন 
জন্য উচ্চ বাবা বলেন কি খোলা কভার - আপ পাওয়া ঘর এর টাকা Hormuzan কোরান মাথা এর মৃত 
উপর একটি বিছানা এবং তিনি ড্যানিয়েল বলেন গণনা হিসাবে Vhmlnah বলেন বয়স আমি প্রথম আরবদের আমি পড়তে এটা পাঠানো 
Venschh গোড়ালি থেকে এ আরবি মধ্যে যা কি একটি রাষ্ট্রদ্রোহ বস্তুর উপায়ে
হাদিস - ৩৮
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি নিম্নের আয়াত সম্বন্ধে বলেন, এখনো পর্যন্ত উক্ত আয়াতের মর্ম প্রকাশ পায়নি। আয়াতটি হচ্ছে, -----------------------------------------
--------------------------------------------- অর্থাৎ, হে মুমিনগন! তোমরা নিজেদের চিন্তা কর। তোমরা যখন সৎপথে রয়েছে, তখন কেউ পথভ্রান্ত হলে তাতে তোমাদের কোনো ক্ষতি নেই। (সূরা মায়েদাহ-১০৫)
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ বলেন, আল্লাহ তাআলা সর্ব বিষয়কে সামনে রেখে কুরআন শরীফ নাযিল করেছেন। তার মধ্যে এমন কতক বিষয় রয়েছে, যা কুরআন অবতির্ণ হওয়ার পূর্বেই প্রকাশ পেয়েছে, আবার কতক আয়াত এমন রয়েছে যার ব্যাখ্যা রাসূলুল্লাহ সাঃ এর যুগে প্রকাশ পেয়েছে। কিছু আয়াত এমন আছে, যার সামান্য ব্যাখ্যা রাসূলুল্লাহ সাঃ দুনিয়া থেকে বিদায় নেয়ার পর সংঘটিত হয়েছে। কিছু আয়াত এমন আছে, যার ব্যাখ্যা পরবর্তী যুগে প্রকাশ পাবে। আবার কিছু আয়াতের ব্যাখ্যা ফুটে উঠবে হিসাব-নিকাশের দিন। সেগুলো হচ্ছে, ঐ সব আয়াত যার মধ্যে হিসাব-নিকাশ, জান্নাত-জাহান্নাম সম্বন্ধে লেখা রয়েছে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৩৮ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের ইসহাক ইবনে বলুন 
সুলেইমান আল - জন্য উচ্চ আবি বসন্ত ইবনে আনাস জন্য রাযী আবু জাফর 
আব্দুল্লাহ বিন 
আল্লাহ পারে মাসুদ হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে পদ্য হে মুমিনগণ , আপনি নিজের ক্ষতি করবেন না আপনি বিপথে থেকে 
যদি Ahtdeetm বলেন ছিল ধার্য না করার এই ব্যাখ্যা পরে তারপর আবদুল্লাহ বলেন যে ঈশ্বর প্রকাশ কোরান যেখানে 
সাকা প্রকাশ যা Tooelhn হয়েছে আগেই এসেছিলেন নিচে এবং যা থেকে Tooelhn ঘটেছে সময় এর নবী শান্তি এর 
ঈশ্বর তাকে উপরে এবং হতে থেকে তাকে আয়ে Tooelhn পর ঘটেছে নবী , পারে আল্লাহ তাকে আশীর্বাদ একটি সামান্য শান্তি ও দোয়া এর তাকে অয় হয় 
দিনের পর এবং অয় Tooelhn অবস্থিত থেকে Tooelhn অবস্থিত এবং অ্যাকাউন্ট রিপোর্ট অ্যাকাউন্ট 
জান্নাতে এবং আগুন
হাদিস - ৩৯
ওমাইর ইবনে হানী রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন আমাদেরকে বর্ণনা করেছেন এমন কতক শাইখ যারা সিফফীন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। তারা বলেন, আমরা যূদী পাহাড়ে এসে হঠাৎ করে আবু হুরাইরা রাযিঃ এর সাক্ষাৎ হলো। আমরা তাকে একহাত অন্যহাতের উপর রেখে পিছনে ধরে রাখা অবস্থায় পেলাম। পাহাড়ের সাথে ঠেশ দিয়ে বসে আল্লাহ তাআলার যিকিররত থাকতে দেখলাম। আমরা তাকে সালাম দিলে তিনি সালামের উত্তর দিলেন। আমরা তাঁকে বললাম,এ ফিৎনা সম্বন্ধে আমাদেরকে কিছু অবগত করুন। অতঃপর তিনি বললেন, নিশ্চয় তোমরা উক্ত ফিৎনার ক্ষেত্রে তোমরা তোমাদের শত্র“র বিরুদ্ধে সাহায্যপ্রাপ্ত হবে। এরপর তিনি বলেন, বিভিন্ন ধরনের ফিৎনা প্রকাশ পাবে, যা মূলতঃ মধুর মধ্যে পানির ন্যায়। তেমনিভাবে তোমাদেরকে ধ্বংস করে দেয়াহবে, অথচ তোমরা নগন্য এবং লজ্জিত হবে।
সংরক্ষণ করুন বাতিল
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৩৯ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের ইবনে জাবির ইবনে Thawbaan এবং উসমান ইবনে থেকে ওয়ালিদ বিন মুসলিম বলুন 
আবি Alatkh আমির ইবনে হানী তিনি বলেন , 
আমাদের বলেছেন প্রাচীনদের এর দুই সারি আমাদের সাক্ষী তারা মাউন্ট এসে 
Judi । আমরা যদি হয় আবু Hurayrah Vuaenah তার হাত Ohdehma clutching দ্বারা তার পিছনে পিছনে অন্যান্য , ঠেস 
উপর পর্বত ঈশ্বর Vslmna মনে করিয়ে দেয় পৃথক শান্তি এবং 
আমরা বললাম আমাদের বলেছেন এই রাষ্ট্রদ্রোহ 
বলেন , আপনি হয় যেখানে শত্রু হতে সাহায্য করেছে এবং তারপর তিনি বলেন রাষ্ট্রদ্রোহ তারপর শুধুমাত্র জলের মতো এগুলো 
মধু হিসাবে আপনি যদি আপনি ছেড়ে একটি সামান্য খেদ
হাদিস - ৪০
হযরত সামুরা ইবনে জুনদুব রাযিঃ বলেন, কিয়ামত সংঘঠিত হবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা বড় বড় কিছু বিষয় স্বচক্ষ্যে দেখবেনা এবং তোমরা সেগুলো নিজেদের মধ্যেও আলোচনা করার সাহস পাবে না।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৪০ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আবদুল কুদ্দুস বিন Afeer Ma'dan সম্পর্কে আমাদের বলুন বলেন করার 
আমাদের কাতাদা হাসান 
সামরা বিন ফড়িং থেকে আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে বলেন সময় এমনকি নেই তাকে 
জিনিষ দেখতে আপনি আধুনিক দ্বারা দেখতে পাইনি হাড় নিজেদের নয়
  
হাদিস - ৪১
হযরত সালমা ইবনে নুকাইল রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ কে বলতে শুনেছি, তোমরা আমার পর এমন কিছু সময় অবস্থান করবে, যার মধ্যে তোমরা একে অপরের শত্র“তে পরিণত হবে এবং অতিসত্ত্বর তোমরা কিছু সন্যের উপর হামলা করবে, যারা এক দল অন্য দলের উপর হামশে পড়বে। কিয়ামতের পূর্বে ব্যাপক হত্যা প্রকাশ পাবে এবং এর পর কিছু বৎসর এমনভাবে অতিবাহিত হবে যেন সেগুলো ভুমিকম্পের বৎসর।
সংরক্ষণ করুন বাতিল
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৪১ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন আব্দুল 
Damra হাবিব বেন থেকে Oirtah বিন মুনযির জন্য পবিত্র 
সালামা ইবনে Nufayl আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে তিনি বলেন 
আমি শুনেছি মেসেঞ্জার এর আল্লাহ , শান্তি তার বলার অপেক্ষা রাখে না ওয়া সাল্লাম যে আপনি Talpthon আমার পরে পর্যন্ত আপনি বলতে কখন এবং Staton 
Ovada Livni পরস্পর এবং হাতে এর তীব্র আমাদের মৃত এবং পরে বছর এর ভূমিকম্প
হাদিস - ৪২
হযরত মাকহুল (রঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহতায়ালর বাণী ---------------------------------- অর্থাৎ “তোমরা এক সিঁড়ি থেকে আরেক সিঁড়িতে আরোহন করবে।” (সূরা ইনশিক্বাক্বঃ ১৯) (বর্ণনাকারী এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেনঃ) প্রত্যেক বিশ বছরের মধ্যে তোমরা যে অবস্থাতে ছিলে, সেটা ছাড়া অন্য অবস্থাতে থাকবে। (অর্থাৎ প্রতি বিশ বছর পর পর তোমাদের অবস্থা পরিবর্তন হতে থাকবে।)
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৪২ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আল 
ওয়ালেইদ বিন মুসলিম ইবনে জাবেরকে মাকুমের কর্তৃত্ব সম্পর্কে আমাদের এ কথাটি বলেছিলেন যে, তিনি তাদেরকে একটি খাবারের মত করার জন্য 
বলেছিলেন । তিনি বলেন: প্রত্যেক বিশ বছরই আপনি এমন এক অবস্থায় থাকতে পারবেন, যেখানে আপনি ছিলেন
হাদিস - ৪৩
হযরত সা’য়াদ ইবনে আবী ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এই আয়াত তিলাওয়াত করলেন, তথা -------------------------------------------------------------------------- অর্থাৎ “হে নবী আপনি বলে দিন ঃ তিনিই (আল্লাহ) শক্তিমান যে, তোমাদের উপর কোন শাস্তি উপর দিক থেকে অথবা তোমাদের পদতল থেকে প্রেরণ করবেন।” (সূরাঃ আন’আমঃ ৬৫)। অতঃপর রাসূল (সাঃ) বলেছেন, জেনে রেখ! নিশ্চয় তা সংঘটিত হবে। (বর্ণনাকারী বলেন) এর পর তার আর কোন ব্যাখ্যা করেননি।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৪৩ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন 
বাকি এর ইবন আল - রশিদ বিন সাদ থেকে আবু বকর ইবনে আবী মারইয়াম থেকে ওয়ালিদ এবং আবদুল কুদ্দুস আল 
সাদ বিন 
আবি ওয়াকাস আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে , অনুসৃত রসূল এর আল্লাহ , সা এই আয়াতে বলে 
তোমাদের পায়ের নীচে আপনি উপরের থেকে বা থেকে শাস্তি প্রেরণ করতে সক্ষম , বলেন রসূল আল্লাহ তা'আলা বলেন, আল্লাহ তায়ালার বাণী: এবং তোমরা যা কর, আল্লাহ 
তা জানেন
হাদিস - ৪৪
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত মুআম ইবনে জাবাল রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নিঃ সন্দেহে তোমরা দুনিয়াতে ফিৎনা ফাসাদ এবং বালা-মসিবতই দেখতে পাবে। ধীরে ধীরে মোয়ামালা কঠিন থেকে কঠিনতর হতে থাকবে। যেসব বালা মসিবতগুলো তোমাদের কাছে ভয়াবহ এবং মারাত্মক মনে হবে কিন্তু তোমাদের পরবর্তীদের কাছে খুবই সহজলভ্য মনে হবে, যেহেতু তারা এর থেকে আরো কঠিন বিপদ আপদের সম্মুখিন হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৪৪ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন বাকি এর ইবন আল - ওয়ালিদ 
এবং হাকাম ইবনে Nafie এবং সাফওয়ান ইবনে আমর থেকে আবদুল কুদ্দুস আমাকে বলেছিল আমর বিন কায়েস বলেন আসিম ইবনে 
হাবিব স্ট্যাটিক 
Maaz ইবনে জাবাল আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে বললেন , কিন্তু আপনি দেখতে পাবেন না এই বিশ্বের কিন্তু 
চাবুক এবং রাষ্ট্রদ্রোহ এটা বৃদ্ধি হবে না , কিন্তু তীব্রতা দেখতে পাবেন না একটি অর্ডার Aholkm বা এটা আপনার 
জন্য কঠিন , ব্যতীত তার দুঃখ ব্যতিরেকে , যা তার চেয়ে খারাপ
হাদিস - ৪৫
মির ইবনে হুবাইশ রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি হযরত আলী রাযিঃ কে বলতে শুনেছেন, তোমরা আমার কাছে জানতেচাও, আল্লাহর কসম! কিয়ামতের পূর্বে প্রকাশ পাওয়া শত শত দল যারা যুদ্ধে লিপ্ত হবে তাদের সম্বন্ধে আমার কাছে জানতে চাওয়া হলে,আমি তাদের সেনাপ্রধান, পরিচালনাকারী এবং আহবানকারী সকলের নাম বলে দিতে পারব। তোমাদের এবং কিয়ামতের মাঝখানে যা কিছু সংঘটিত হবে সবকিছু পরিস্কারভাবে বলতে পারব।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৪৫ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
জন্য আবু হারুন Kufi আমর বিন কায়েস Almlaia 
Almnhal ইবনে আমর ইবনে Hubaysh 
উচ্চ আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে বলেন, তিনি Slunj শোনা প্রতিজ্ঞাটি না 
আমাকে জিজ্ঞাসা সম্পর্কে বর্গ যুদ্ধ একশত বা একশত শুধুমাত্র Onbatkm Bassaigaha এবং তার নেতা ও Naagaha উপস্থাপন বেরিয়ে আসেন 
কি আপনি এবং কেয়ামত মধ্যে
হাদিস - ৪৬
হযরত মুয়াবিয়া ইবনে আবু সুফিয়ান (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, জেনে রাখ! দুনিয়াতে বিপদ ও ফিতনা ছাড়া কোন কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৪৬ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন মুহাম্মদ বিন শাপুর ইবনে জাবির আবু আব্দ প্রভু এর 
দামাস্কাস , বলেন 
আমি শুনেছি ইবনে আবী সুফিয়ান সিদ বলছেন রসূল এর আল্লাহ , সাঃ বলেন 
তিনি বিশ্বের থাকেনি কিন্তু চাবুক এবং রাষ্ট্রদ্রোহ
হাদিস - ৪৭
হযরত যুবায়ের ইবনে আদী আনাস ইবনে মালেক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, আগামীতে তোমাদের উপর যে বছর আসবে তা অতীত অপেক্ষা আরো মন্দ হবে। একথাগুলো আমি তোমাদের নবী (সাঃ) হতে শুনেছি।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৪৭ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন পুত্র এর জন্য সুখী এবং Wakee 
সুফিয়ান ইবনে যুবায়ের উদয় 
শুনলাম আনাস ইবনে মালেক , আল্লাহ হতে পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে বলছেন আপনি আসে না , 
কিন্তু আরো খারাপ হয়ে ওঠে গত আমি থেকে শোনা নবী , শান্তি হতে তার উপর
হাদিস - ৪৮
হযরত আবুল জিল্দ জিলান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নিশ্চয় মুসলমানরা বিপদে আপতিত হবে পর মানুষ তাদের চতুর্দিকে ঘোরাঘুরি করতে থাকবে। ফলে মুসলমান কষ্টের কারণে ইহুদী ও খৃষ্টান হয়ে প্রত্যাবর্তন করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৪৮ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন দেরী আত্তারের 
আবু ইমরান জুন থেকে 
আবু গিলন ত্বক থেকে বললেন মানুষ এর ইসলাম Aseben চাবুক এবং মানুষ 
তাদের চারপাশে যাতে মুসলিম ঝুলন্ত সম্পর্কে কারণ একটি ইহুদি বা একটি খৃস্টান প্রচেষ্টা
হাদিস - ৪৯
হযরত হুযায়ফা (রাঃ) ও হযরত আবু মুসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তারা উভয়ে রাসূল (সাঃ) কে বলতে শুনেছেন, যে, কিয়ামতের পূর্বে এমন দিন আসবে যে তাতে মুর্খতা অবতীর্ণ হতে থাকবে এবং ‘হারজ’ বেড়ে যাবে। লোকেরা প্রশ্ন করলো ইয়া রাসূলাল্লাহ ‘হারজ’ কী? তিনি বললেন হত্যা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৪৯ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন Wakee 
ও আবু ওয়ায়েল আবু সিদ Aloamc 
হুযাইফা ও আবু মুসা আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাদের কথা শুনে 
রাসূল এর আল্লাহ , সাঃ হাতে বলতে এর দিন যেখানে অজ্ঞতা অবতরণ এবং প্রায়শই 
যেখানে কোন্দল 
বলেছেন কোন্দল হে আল্লাহর এর আল্লাহ 
হত্যা বললেন , 
কিন্তু পিতা এর সিদ 
হুযাইফা উল্লেখ না
হাদিস - ৫০
বিশিষ্ট তাবেঈ হযরত আ’নাশ রহঃ থেকে বর্ণিত, তার কাছে যিনি বর্ণনা করেছে তার কাছ থেকে তিনি নকল করেছেন, তিনি বলেন, তোমাদের কাছে যখনই এমন কোনো বালা মসিবত প্রকাশ পায়,যার কারণে তোমরা চিল্লাচিল্লি করবে, কিন্তু পিছনে এমন আরো বালা-মসিবত অপেক্ষা করছে যা এর থেকেও মারাত্মক। যে বালা মসিবত তোমাদেরকে পূর্বের মসিবতকে ভুলিয়ে দিবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৫০ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
ইবনে মাহদী আমাদেরকে 'আমআশ' সম্পর্কে সুফিয়ান সম্পর্কে 
বলেছিলেন যে তিনি আপনার কাছে আসেন নি, তবে 
আপনাকে অন্য কিছু করার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে না 
হাদিস - ৫১
হযরত আবু ওয়ায়েল হযরত আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, যখন ফিতনা তোমাদেরকে জড়াবে তখন তোমাদের কি অবস্থা হবে? তাতে বড়রা অতিবৃদ্ধ হয়ে যাবে এবং ছোটরা বড় হতে থাকবে। মানুষ তাকে সুন্নত হিসাবে গ্রহণ করবে। যখন তা থেকে কোন কিছু ছেড়ে দিবে,তখন বলা হবে তুমি সুন্নতকে ছেড়ে দিয়েছ। কেউ প্রশ্ন করল হে আবু আব্দুর রহমান, তা কখন হবে? তিনি বললেন যখন তোমাদের মধ্যে অজ্ঞব্যক্তিরা ব্যাপকতা লাভ করবে,আর আলেমগণ কমে যাবে। কারী ও নেতা বৃদ্ধি পেতে থাকবে আমানতদার ব্যক্তি কমে যাবে। আখেরাতের আমলের মাধ্যমে দুনিয়া অন্বেষণ করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৫১ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
জারীর আমাদের বিন আবদুল হামিদ বলেন 
জন্য ইয়াযীদ বিন আবু জিয়াদ 
ইব্রাহিম বিন Alqamah আবদুল্লাহ ও ঈসা ইবনে ইউনুস 
আবু ওয়ায়েল থেকে Aloamc 
আবদুল্লাহ বলেন , আপনি কীভাবে যদি Obustkm শত্রুতা বয়সের যেখানে মহান 
এবং আনা আপ ছোট মানুষ নিতে একটি বছর যদি আপনি তাদের কিছু ছেড়ে যে বাম বলা হয়েছিল একটি বছর এটা 
বলা হয়েছিল , হে 
আবু ' আব্দ আল - রহমান এবং যখন 
বলেন যে যদি আমি Jhalkm এবং আপনার বিজ্ঞানীরা পায় , এবং আপনাকে আপনার পাঠকদের গুন 
এবং Omraakm এবং আমি Omnaakm ন্যূনতম কাজ আখিরাতে চাওয়া
হাদিস - ৫২
হযরত হুযায়ফা ইবনুল ইয়ামান (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,তোমাদের মাঝে এবং তোমাদের উপর অকল্যান নিপতিত হওয়ার মাঝে একমাত্র দুরত্ব হলো ওমর (রাঃ) এর মৃত্যু। (অর্থাৎ ওমর (রাঃ) এর মৃত্যুর পর থেকেই অকল্যাণ তথা ফিতনা আসতে থাকবে।)
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৫২ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আবু মাউয়িয়া হুযায়ফা ইবনে আল ইয়ামানের আবু ওয়ালের 
কাছ থেকে অন্ধের বিষয়ে আমাদেরকে বলেছিলেনঃ 
আল্লাহ বলেন 
:
হাদিস - ৫৩
হযরত হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তোমাদের মাঝে এবং অকল্যাণের মাঝে একমাত্র দূরত্ব হলো একজন ব্যক্তি। তিনি যখন মৃত্যুবরণ করবেন তখন তোমাদের উপর অকল্যাণকে ঢেলে দেওয়া হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৫৩ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ

আমর ইবনে মাররার একটি অধ্যায় মুহাম্মাদ ইবনে জাফর 
রা ) থেকে বর্ণিত হাদীসে আবু ওয়াইয়াহ হযরত আয়েশা রা। থেকে বর্ণিত, 
তিনি বলেন,
হাদিস - ৫৪
হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রাযিঃ এর এক গোলাম বলেন, আমি একদিন হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ কে দেখলাম, যে অবস্থায় তিনি কতক বাচ্চাকে একথা বলতে শুনেছেন, “পরবর্তীতে অবস্থা খুবই ভয়াবহ হবে”। একথা শুনার সাথে সাথে হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ বলে উঠলেন,কসম যে সত্ত্বার যার হাতে আমার প্রাণ, কিয়ামতের দিন পর্যন্ত আরো অনেক কঠিন ভয়াবহ অবস্থার সম্মুখিন হতে হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৫৪ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের কাছ থেকে তার বাবার কাছ থেকে আব্দুর রাজ্জাক বলুন বন্দর এর হুজুর আবদুল 
রহমান ইবনে আওফ বলেন 
আমি আবু Hurayrah দেখেছি , আল্লাহ্ তার উপর সন্তুষ্ট হতে পারে এবং শুনেছি ছেলেদের বলে অন্যান্য মন্দ , 
আবু Hurayrah বলেন , আমি নিজেকে দিয়ে তার হাত ডে এর কেয়ামতের
হাদিস - ৫৫
হযরত হুজায়ফা রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি একদিন আমেরকে বললেন, হে আমের! তুমি যা অবলোকন করছ যেগুলো যেন তোমাকে ধোকায় ফেলে না দেয়, হতে পারে এগুলো খুব দ্রুত তাদেরকে তাদের দ্বীন থেকে বের করে আনবে। যেমন,এক মহিলা অন্য মহিলার সামনে তার লজ্জাস্থানকে প্রকাশ করে থাকে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৫৫ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন ইবনে আবী থেকে ধনী 
তার পিতা পঙ্ক বিন Suheim আমের Matar ছেলে 
হুযাইফা ইবনুল - ইয়ামন তিনি বলেন, আমের নেই 
ছলা কি আপনি দেখছেন, তারা হয় যে তাদের ধর্ম চাদর বিছিয়ে সম্বন্ধে মহিলাদের জন্য নারী লাঘব 
আগে
হাদিস - ৫৬
হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ হতে বর্ণিত,তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, সর্বপ্রথম পারস্যবাসীরা ধ্বংস হবে। তাদের ধ্বংসের পরপর আরবের অধিবাসীগণ ধ্বংস হতে থাকবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৫৬ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের কাছ থেকে তার বাবার কাছ থেকে ইবনে ইদ্রিস বলুন তার পিতামহ , 
আবু Hurayrah থেকে , আল্লাহ হতে পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে তিনি বলেন 
যে রাসূল এর আল্লাহ , সা প্রথম মানুষ এবং তারপর উপর আরবদের প্রানঘাতী নাইট লেজ
হাদিস - ৫৭
হযরত উবাই ইবনে কা’ব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম (সাঃ) এর যুগে আমরা একদিকে মনোযোগি ছিলাম, অতঃপর যখন রাসূল (সাঃ) ইন্তেকাল করলেন তখন আমরা এদিক সেদিক মনোযোগ দিতে লাগলাম।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৫৭ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের হুসাইন বিন হাসান ইবন আল বলুন - হাসান Aoun 
আবু ইবনে কা'ব থেকে আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে এটা ছিল 
আমাদের মুখ সময় এর রসূল এর আল্লাহ , সা , এবং এক মারা যান যখন রসূল এর আল্লাহ পারে আল্লাহ মঙ্গল করুন 
তাকে এবং গাইড আমাদের হয় এখানে হয় এখানে
হাদিস - ৫৮
মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আবিযি’ব রহঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন আমি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনুয যুবায়ের রাযিঃ কে বলতে শুনেছি, আমার রাষ্ট্র পরিচালনা সম্বন্ধে হযরত কা’ব যেসব মসিবতের কথা বলেছেন আমি আমার জিম্মাদারী পালন করতে গিয়ে সবকিছুর সম্মুখিন হয়েছি।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৫৮ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের আব্দুল আজিজ বিন আবান এবং আবু ওসামা বলুন 
মুহাম্মদ ইবনে আব্দ আল থেকে আব্দুল্লাহ বিন ওয়ালিদ Muzani - রহমান ইবনে আবী নেকড়ে বলল , 
শুনেছি ইবনে 
আল - জুবায়ের বলে কি তিনি আমার মধ্যে কিছু গোড়ালি বলেন রাজকীয় কিন্তু চূড়া হয়েছে আঘাত এবং আমি দেখেছি
হাদিস - ৫৯
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে রাযিঃ হতে বিশিষ্ট তাবেঈ হযরত মুজাহিদ রহঃ বর্ণনা করেন। একদিন হযরত ইবনে ওমর রাযিঃ আবু কুবাইদের উপর কিছু সূউচ্চ বাড়ি দেখতে পেয়ে বললেন, হে মুজাহিদ! যখন তুমি মক্কার ঘর বাড়িকে তার আশ্বপাশ্বের বাড়ি ঘর থেকে উঁচু দেখতে পাবে এবং তার অলি-গলিতে পানি প্রবাহিত হতে দেখবে তখন তুমি অবশ্যই এগুলো থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৫৯ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
জারীর আমাদের বলেছেন 
ইয়াযীদ বিন যিয়াদ আবু মুজাহিদ থেকে ইবনে আবদুল হামিদ 
ইবনে উমর থেকে যে সে 
Bnjana আমার পিতা বললেনঃ Qubais মুজাহিদ যদি আপনি দেখতে ঘর এর মক্কা হাজির উপর Okhahbha ছিল 
পানির পদধ্বনি জাং বিচক্ষণতা
হাদিস - ৬০
হযরত আবু ওয়ায়েল (রঃ) বলেন, আমি হুযায়ফা (রাঃ) কে বলতে শুনেছি একদা আমরা হযরত ওমর (রাঃ) এর বসা ছিলাম। তখন তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তির রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর ফিতনা সম্পর্কীয় বাণী স্মরণ আছে? হযরত হুযায়ফা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আমার স্মরণ আছে তিনি যে ভাবে বলেছেন, হযরত ওমর (রাঃ) বললেন, এ ব্যাপারে তুমি সৎসাহসী সুতরাং তা পেশ কর।  আমি বললাম মানুষ ফিতনায় পড়বে তার পরিবার-পরিজনের ব্যাপারে, মালসম্পদের ব্যাপারে, তার নিজের সন্তানসন্ততি ও পাড়া প্রতিবেশীর ব্যাপারে। তবে নামাজ, সদকা এবং ভাল কাজের আদেশ ও মন্দ কাজের নিষেধ তা মিটিয়ে দেবে। হযরত ওমর (রাঃ) বললেন, আমি এ ফিতনা সম্পর্কে জানতে চাইনি, বরং যে ফিতনা সমুদ্রের তরঙ্গমালার মত উত্থিত হবে এবং তোলপাড় করে ফেলবে, সে ফিতনা সম্পর্কে জানতে চেয়েছি। হযরত হুযায়ফা (রাঃ) বলেন, তখন আমি বললাম,হে আমীরুল মু’মিনীন! আপনি ভয় করবেন না, (তা তো আপনাকে পাবেনা।) কেননা সেই ফিতনা ও আপনার মধ্যে একটি আবদ্ধ দরজা রয়েছে। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, আচ্ছা সেই দরজাটি কি ভেঙ্গে দেওয়া হবে, না খোলা হবে? হযরত হুযায়ফা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, খোলা হবে না; বরং ভেঙ্গে দেওয়া হবে। তখন হযরত ওমর (রাঃ) বলেন, তাহলে তা আর কখনো বন্ধ করা হবেনা। আমি বললাম হ্যাঁ। রাবী বলেন, তখন আমরা হযরত হুযায়ফা (রাঃ কে জিজ্ঞাসা করলাম আচ্ছা হযরত ওমর (রাঃ) কি জানতেন দরজাটি কে? উত্তরে তিনি বললেন, হ্যাঁ, তিনি এমন নিশ্চিতভাবে জানতেন যেমন আগামীকালের পূর্বে রাত্রির আগমন সুনিশ্চিত। আমি তাঁকে (ওমর (রাঃ)কে) এমন একটি হাদীস বর্ণনা করেছে,যা কোন গোলক ধাঁধা নয়। রাবী শাক্বীক্ব বলেন, আমরাতো এ ব্যাপারে হযরত হুযায়ফা (রাঃ)কে জিজ্ঞাসা করতে ভয় পাচ্ছিলাম তাই হযরত মাসরূক্বকে বললে তিনি হযরত হুযায়ফাকে জিজ্ঞাসা করলেন, দরজাটি কে? উত্তরে তিনি বললেন, দরজাটি হলেন ‘ওমর’ নিজেই।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৬০ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন ঈসা ইবনে ইউনুস ও ছেলে এর কিছু বেশি Uyaynah এর তাদের 
আবু ওয়ায়েল থেকে কিছু আবু সিদ Aloamc বলেন 
আমি শুনেছি হুযাইফা ইবনুল - ইয়ামন আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে 
তাকে বলে আমরা ছিল বয়স আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে , বললেন ECHEM অপরিবর্তিত শব্দ এর রসূল এর আল্লাহ শান্তি বর্ষিত হোক 
তাঁর শত্রুতা 
আমি বললাম আমি এটা মুখস্থ , তিনি বলেন 
তিনি Vhat আপনি চালানোর জন্য 
আমি রাষ্ট্রদ্রোহ বলেন 
তার পরিবার এবং তার টাকা ও তার পুত্র এবং তার প্রতিবেশী মানুষ 'র কাফফারা জন্য নামায ও যাকাত আদায় এবং প্রচার এর ফজিলত ও প্রতিরোধ 
ভাইস , 
তিনি বলেন , এ ব্যাপারে না করতে আপনাকে জিজ্ঞাসা কিন্তু যে লহরী Kammouj সমুদ্র সম্পর্কে , 
আমি বললাম , না হতে ভয় , হে 
কমান্ডার এর বিশ্বস্ত, গোলাপী, সহ একটি বদ্ধ দরজা 
বলেন সালিস দরজা বা ওপেন 
আমি বললাম , 
কিন্তু বিরতি 
ওমর যদি কখনও বন্ধ বললেন 
আমি 
বলেন, আমরা ওমর জানেন কি 
আল্প্ অগাস্ট
হ্যাঁ , তিনি এও জানেন আগামীকাল রাতে ছাড়া , যে সম্প্রতি আমি তাকে বললাম না Balogalait 
ভাই ড Vhbna জিজ্ঞাসা করতে দরজা Vomrna চুরি এবং তাকে জিজ্ঞেস , বলেন ওমর দরজা
হাদিস - ৬১
হযরত কা’ব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নিশ্চয় মানুষের উপর এমন যুগ আসবে যে, মুমিন ব্যক্তি তার ঈমানের ব্যাপারে অপমানবোধ করবে। যেমন আজকাল পাপিষ্ট তার পাপের ব্যাপারে অপমান বোধ করে। এমনকি যে কোন ব্যক্তিকে বলা হবে যে, তুমি মুমিন, ফকীহ। (ফিক্হশাস্ত্রবিদ)
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৬১ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন বাকি এর সাফওয়ান ইবনুল - Shurayh থেকে ওয়ালিদ বিন Obeid 
গোড়ালি থেকে সে চলো বললেন 
যখন মানুষ সময় হবে দিতে বীমাকৃত বিশ্বাসও বহন করেনা আজ লজ্জাহীন Pfgeorh এমনকি বললেন লোক একটি হয় 
বিশ্বাসী ফাকিহ
হাদিস - ৬২
হযরত আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন মিথ্যা প্রকাশ পাবে তখন হত্যা বেশী হতে থাকবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৬২ ]
___________________________________
নাঈম বিন হাম্মাদ
ইবনে সম্পর্কে আমাদের বলুন ' আবু ওয়ায়েল থেকে Uyaynah মসজিদ 
আব্দুল্লাহ বললেন 
Fsha অনেক তোলপাড় মিথ্যা
হাদিস - ৬৩
হযরত আয্রা ইবনে কাইছ থেকে বর্ণিতঃ একদিন হযরত খাশেদ ইবনে ওলীদ রাযিঃ শামের মধ্যে খুতবা দেয়া অবস্থায় এক লোক দাড়িয়ে বলল, নিঃ সন্দেহে ফিৎনা প্রকাশ পেয়ে গেল। একথা শুনে হযরত খালেদ বিন ওলীদ রাযিঃ বললেন, হযরত ওযর রাযিঃ যত দিন জীবিত থাকবেন ততদিন নয়। সেটা তখনই হবে যখন মানুষ বিভিন্ন প্রকার বালা মসিবতে লিপ্ত হয়ে পড়বে। যে বালা-মসিবত থেকে বাঁচার জন্য মানুষে বিভিন্ন এলাকায় আশ্রয় নিতে চেষ্টা করবে কিন্তু যে রকম কোনো আশ্রয়স্থল তারা পাবে না। মূলতঃ তখনই ফিৎনাসমূহ প্রকাশ পেতে থাকবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৬৩ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন Ezrh বিন আবু ওয়ায়েল আবু সিদ Aloamc 
কায়েস বলেন 
খালিদ বিন ওয়ালিদ মানুষের আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে Baham , একটি নৈতিক বক্তৃতা , তিনি বলেছেন যে 
রাষ্ট্রদ্রোহ আবির্ভূত হয়েছে , 
খালেদ বলেন পুত্র হিসাবে এর আশপাশ বক্তৃতা হয় না কিন্তু যে মানুষ বিভাগে নামিয়ে দেয়া হয় থেকে 
আযাব এর থি চাবুক করুন এবং মানুষ কি স্মরণ করে পৃথিবী তার না পছন্দ , যিনি তাঁকে পালায় না পাই 
যখন এই রাষ্ট্রদ্রোহ প্রদর্শনী
হাদিস - ৬৪
হযরত আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নিশ্চয় রাত্রি সমূহ, দিন সমূহ, মাস সমূহ এবং যুগ সমূহ এর অকল্যাণ কিয়ামতের বেশী নিকটবর্তি।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৬৪ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের হাবিব বিন থেকে ইবনে আবী লায়লা থেকে নূহ ইবনে আবী মারইয়াম বলুন 
আবি Thabet বিন ইয়াহিয়া Thap Alqamah এবং কালো 
আব্দুল্লাহ বলেন, মন্দ রাত 
এবং দিন, মাস, সংকট নিকটতম সময়
হাদিস - ৬৫
হযরত হুজাইফা ইবনুল এমান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন হযরত ওমর রাযিঃ এর কাছে আসলে তিনি আমাদেরকে নিয়ে কথাবার্তা বলতে গিয়ে বললেন, তোমাদেরকে নিয়ে কথাবার্তা বলতে গিয়ে বললেন, তোমাদের মাঝে এমন কে আছ, যে লোক ফিৎনা সম্বন্ধে রাসূলুল্লাহ সাঃ এর বাণীর হেফাজতকারী। তারা সকলে বললেন, এ সম্বন্ধে তো আমরা সকলেই শুনেছি, এক পর্যায়ে হযরত ওমর রাযিঃ বললেন, হয়তো বা তোমরা তোমাদের ব্যক্তিগত এবং পরিবার গত ফিৎনার কথা বলছো। তারা সকলে বললো, হ্যাঁ আমরা সকলে এরকম ধারনা করেছি। তাদের কথা শুনে হযরত ওমর রাযিঃ বললেন, আমার উদ্দেশ্য কিন্তু সেটা নয়, সেটা তো নামায-রোযা দ্বারা মাফ হয়ে যাবে। বরং এমন ফিৎনা সম্বন্ধে আমি জিজ্ঞাসা করতে চাচ্ছি, যা,সমুদ্রের যত বিশাল বিশাল আকারের ঢেউ তুলবে। হযরত ওমর রাযিঃ এর কথা শুনে উপস্থিত সকলে চুপ হয়ে যায়। আমি ভাবলাম তিনি আমারই মনোযোগ আকৃষ্ট করতে চাচ্ছেন। ফলে আমি বলে উঠলাম, হে আমীরুল মুমিনীন! আমি বলতে পারব।  আমার কথা শুনে তিনি বললেন অবশ্যই, তোমার পিতা আল্লাহর জন্য কুরবান হোক।
আমি বললাম, হে আমীরুল মুমিনীন! উক্ত ফিৎনার বিপরীত একটা শক্তভাবে বন্ধ দরজা রয়েছে যে দরজা খোলা হবে না হয় ভাঙ্গা হবে। হযরত ওমর রাযিঃ বললেন তোমার ধ্বংস হোক যে দরজা ভাঙ্গ হবে?
আমি বললাম, হ্যাঁ! ভাঙ্গ হবে, আমার কথাশুনে তিনি বললেন, যদি যে দরজা ভাঙ্গা হয়, হয়তো সেটা আর বন্ধ করা সম্ভব হবেনা। অতঃপর আমি বললাম, হ্যাঁ যেটা ভেঙ্গে ফেলা হবে এবং যে দরজা হচ্ছেন, একজন মহান ব্যক্তি, হয়ত তাকে হত্যা করা হবে, না হয় তিনি স্বাভাবিকভাবে মৃত্যুবরণ করবেন। এটা এমন হাদীস যার মধ্যে সন্দেহের লেশমাত্র নেই।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৬৫ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের কাছ থেকে মারওয়ান বিন সিদ বলুন 
আবূ মালেক Ashja'i দুটি ত্রৈমাসিক বলেন বিন Hrash 
হুযাইফা আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে যখন তিনি থেকে, যখন এসে 
ওমর আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে বসলেন করতে আমাদের বলতে , বলেন যে কমান্ডার এর বিশ্বস্ত করার জন্য আমি তাকে কি বসে , সে বলল মানুষ এর 
রাখে শব্দ এর রসূল এর আল্লাহ , শান্তি হতাশা উদ্রেককারী ঘটনায় ধীর তারা শুনেছিল মধ্যে তাকেই দায়ী করা হবে তিনি 
বলেন যে 
আপনি এর অর্থ হতে পারে দ্বারা রাষ্ট্রদ্রোহ নিজের এবং পারিবারিক মানুষ 
বলেন বলেন, হ্যাঁ , আমি নই যে সব আমি তাদেরকে জিজ্ঞেস 
কিন্তু Akfarha নামায ও যাকাত আদায় যেমন বলছে শত্রুতা লহরী সমুদ্র তরঙ্গ যে 
বলেন Vaskt লোক 
আমি জানতাম যে উপর আমাকে চায় এবং আমি বললাম , হে কমান্ডার এর বিশ্বস্ত আমি 
বলেন করার ঈশ্বর , তোমার পিতা 
বললেন , হে কমান্ডার এর 
বিশ্বস্ত যে আলিবাবা ছাড়া বন্ধ হয়েছে বা হয় খোলা বিরতি সম্পর্কে , 
বলেন ওমর হয় Xara Oe বিভাগ না 
করে তিনি বলেন , সম্ভবত একটি ভগ্নাংশ যদি একটি বিরতি পুনরায় বন্ধ করা হয়, 
তিনি বলেন, "আমি ভাঙ্গা বলেন, এবং যে দরজা একটি মানুষ।"
বালাগলিট কথা বলার কথা বলার কথা বলি বা মারা হয়
হাদিস - ৬৬
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত নু’মান ইবনে বশির রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, কিয়ামতের পূর্বে এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে, যেন যেগুলো অন্ধকার রাতের একটা টুকরা। সকাল বেলা যে লোক মুসলমান থাকবে বিকালে যে কাফের হয়ে যাবে। একদিন সন্ধ্যার সময় যে মুসলমান থাকবে, পরের সকালে সে কাকের হয়ে যাবে। মানুষ তাদের চরিত্রকে দুনিয়ার সামান্য ও নগন্য বস্তুর বিনিময়ে বিক্রি করে দিবে। উক্ত হাদীসের বর্ণনাকারীদের একজন হযরত হাসান বসরী রহঃ বলেন, আল্লাহর কসম, যিনি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, নিঃসন্দেহে আমি তাদেরকে এমন সূরতে দেখেছি, যেন তাদের মধ্যে কোনো বোধশক্তি নেই, তারা যেন জ্ঞান-বুদ্ধিবিহীন কিছু শরীর। তাদেরকে দেখলে মনে হয় আগুনের বিছানা এবং লোভি মাছি। সকার করে দুই দেরহাম দ্বারা, সন্ধ্যা করে দুই দেরহামের মাধ্যমে। তারা নিজেদের দ্বীনকে বিক্রি করে দিবে, সামান্য একটা ছাগলের টাকার বিনিময়ে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৬৬ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের ইবনে মুবারক আল বলুন - মুবারক বিন 
Faddaalah হাসান আল - 
নু'মান বিন বশির , আল্লাহ্ তার উপর সন্তুষ্ট তিনি বলেন হতে পারে : রসূল এর আল্লাহ শান্তি বর্ষিত হোক 
আল্লাহর মই যে হাতে ওয়া সাল্লাম এর টুকরা মত মিথ্যা একটি এর অন্ধকার রাতের লোক যেখানে এটা হয়ে একটি 
বিশ্বাসী সকাল ও সন্ধ্যায় একটি অবিশ্বাসী ও সন্ধ্যায় আসে একটি বিশ্বাসী হয়ে একটি অবিশ্বাসী লোক যেখানে Khalagahm থেকে চালু বিক্রি মেঝে 
হাঁটা বা থেকে চালু মেঝে , 
বলেন হাসান , আমি কে শপথ হয় কোন উপাস্য কিন্তু আমি তাদের ছবি দেখেছি 
ও মন এবং বস্তু এবং স্বপ্ন একটি এর গদি অগ্নি ও লোভ THIBBAN সুখী Bdarhamin আসা পাওয়ার Bdarhamin সর্বস্বান্ত বিক্রি 
এক ধর্ম মূল্য Anz
হাদিস - ৬৭
হযরত আবু ওয়ায়েল শাকীক বলেন, হুযায়ফা (রাঃ) বলেছেন, একদা হযরত ওমর (রাঃ) রাসূল (সাঃ) এর সাহাবীদেরকে জিজ্ঞাসা করলেন, তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর ফিতনা সম্পর্কীয় বাণী শুনেছ? হযরত হুযায়ফা (রাঃ) বলেন,আমি বললাম, আমি রাসূল (সাঃ) কে বলতে শুনেছি যে, মানুষ ফিতনায় পড়বে তার পরিবার-পরিজনের ব্যাপারে, মাল সম্পদের ব্যাপারে এবং তার পাড়া-প্রতিবেশীর ব্যাপারে। তবে রোজা, নামাজ ও সদকা তা মিটিয়ে দেবে। হযরত ওমর (রাঃ) বলেন, আমি এ ফিতনা সম্পর্কে জানতে চাইনি, বরং যে ফিতনা সমুদ্রে তরঙ্গমালার মতো উত্থিত হবে এবং তোলপাড় করে ফেলবে, আর তা একের পর এক আসতে থাকবে, সে ফিতনা সম্পর্কে রাসূল (সাঃ) এর বাণী জানতে চেয়েছি। হযরত হুযাইফা (রাঃ) বলেন, তখন আমি বললাম হে আমীরুল মুমিনীন! উক্ত ফিতনা সম্পর্কে আপনি ভয় করবেন না! (তা আপনাকে পাবেনা) কেননা সেই ফিতনা ও আপনার মধ্যে একটি আবদ্ধ দরজা রয়েছে। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, আচ্ছা সেই দরজাটি কেমন হবে? তা কি ভেঙ্গে দেওয়া হবে, না খোলা হবে? হুযায়ফা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, খোলা হবে না; বরং ভেঙ্গে দেওয়া হবে। অতঃপর কিয়ামত পর্যন্ত তা আর কখনো বন্ধ করা হবে না।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৬৭ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আবু ওয়ায়েল থেকে Sayar সম্পর্কে আমাদের Hushaym বলুন 'র ভাই ইবনে সালামা 
থেকে 
হুযাইফা যে ওমর আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে রসূল বললেন এর আল্লাহ , সা এর আপনি শুনেছেন শব্দ এর 
রসূল এর আল্লাহ , শান্তি রাষ্ট্রদ্রোহ মধ্যে তাকেই দায়ী করা হবে , 
হুযাইফা বলেন আমি বললাম , আমি শুনেছি কষ্ট বলেছেন 
তার পরিবার এবং তার টাকা ও তার প্রতিবেশী মধ্যে যে কেহ অবিশ্বাস উপবাস, প্রার্থনা এবং দাতব্য , 
বলেন ওমর হয় যে 
আমি চাই, কিন্তু যেমন বলছে শত্রুতা লহরী যে Kammouj সমুদ্র অনুসরণ একে অপরের 
বলেন , আমি চাই না 
লুকাতে এটা হে কমান্ডার এর বিশ্বস্ত, গোলাপী, সহ একটি বদ্ধ দরজা , 
বলেন কিভাবে দরজা Oevth বা 
বিরতি 
বলেন , কিন্তু বিরতি পর্যন্ত ঘনিষ্ঠ না দিন এর কেয়ামতের
হাদিস - ৬৮
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবু মুসা আশআরী রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, নিশ্চয়, কিয়ামতের পূর্বে হারজ বা গণহত্যা হবে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! হারজ কী? রাসূলুল্লাহ যাঃ বললেন, ব্যাপক হত্যা। আমরা সহসা জিজ্ঞাসা করলাম, হে আল্লাহর রাসূলুল্লাহ! বর্তমানে যেমন হত্য চলছে তার থেকেও বেশি হবে! জবাবে তিনি বললেন, মুসলমানদের অবস্থা তখনকার যুগে বর্তমানের চেয়ে আরো উন্নত হবে।
এক পর্যায়ে রাসূলুল্লাহ সাঃ বললেন, তোমাদেরকে কাফেররা হত্যা করবেনা, বরং তোমরা নিজেরাই একে অপরকে হত্যা করবে। এমন কি মানুষ তার আপন ভাই, চাচাত ভাই এবং প্রতিবেশিকে হত্যা করবে। রাসূলুল্লাহ সাঃ এর মুখ থেকে একথা শুনার সাথে সাথে উপস্থি সকলে এমনভাবে আশ্চর্য্যন্বিত হয়ে পড়ল, যার ফলে অনেক সময় স্পষ্ট বস্তুও আমাদের দৃষ্টিগোচর হতোনা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৬৮ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের ইউনিস সম্পর্কে Hushaym বলুন 
আল - হাসান , 
আমাদের বলেছেন উসাইদ ইবনে Almthamsh আশ'আরী আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে 
বললেন : রাসূল এর আল্লাহ , সা হাতে যে এর চিল্লাচিল্লি 
বলেন , এবং 
কোন্দল 
হত্যাকাণ্ড বলেন , 
আমরা বলেছিলাম সবচেয়ে এর আজ নিহতদের 
মুসলমানদের সতর্ক বলেন যে 
দিন 
না বলেন Baktlkm কাফের কিন্তু একে অপরকে মেরে ফেলো যতক্ষণ না মানুষ তার ভাই এবং 
তার চাচাত ভাই এবং প্রতিবেশীকে হত্যা করে, তখনও ভব্লস লোকটি কি আমাদেরকে স্পষ্ট করে দেখায়
হাদিস - ৬৯
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন ফিতনা তোমাদেরকে জড়াবে তখন তোমাদের কি অবস্থা হবে? তাতে বড়রা আরো বৃদ্ধ হবে এবং ছোটরা বড় হয়ে থাকবে। মানুষ তাকে দ্বীন হিসেবে গ্রহণ করবে। যখন তাতে কোন কিছু পরিবর্তিত হবে তখন লোকেরা বলবে এটা দ্বীন পরিপন্থি। কেউ জিজ্ঞাসা করলো তা কখন ঘটবে? তখন তিনি বললেন, যখন তোমাদের মধ্যে নেতারা আধিক্যতা লাভ করবে আর আমানতদার ব্যক্তি কমে যাবে। বক্তাবৃন্দ আধিক্যতা লাভ করবে আর দ্বীনের বিজ্ঞ আলেমগন (ফকীহ) কমে যাবে। তার দ্বীন ব্যতিত অন্য কিছু (বদদ্বীন) শিক্ষা করবে এবং তারা আখেরাতের আমলের বিনিময়ে দুনিয়া অন্বেষণ করবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৬৯ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের সম্পর্কে Hushaym বলুন 
আবি প্লাগ আমর ইবনে Maimon 
আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ থেকে আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে কিভাবে আপনি যদি 
Bcetkm কষ্ট মধ্যে যা মহান বয়সের এবং আনা আপ ক্ষুদ্র ও নিয়ে যাওয়া মানুষ থেকে থাকে তাহলে আপনি পরিবর্তন 
বলতে এই অশুভ হয় বলেন এবং কখন যে যদি পায় Omrakm এবং আমি Omnaakm Khtabaakm পায় আমি বললাম 
Vgahaakm এবং তারা বুঝতে অ ধর্মের জন্য এবং আখেরী কাজের জন্য সর্বনিম্ন অনুসন্ধান
হাদিস - ৭০
আবু কুবাইল রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি মাসলামা ইবনে মাখলাদ আল আনসারীকে বলতে শুনেছি, তিনি সামুদ্রিক সৈন্য প্রেরণের ক্ষেত্রে কিছুটা বৃদ্ধি করেছিলেন, যার কারণে তার অন্য সৈন্যরা অসন্তুষ্ট হয়েছিল। তিনি তাদের এ অবস্থা দেখে মিম্বরে দাড়িয়ে বললেন, হে মিশরবাসী! তোমরা আমাকে ভর্ৎসনা করোনা। আল্লাহর কসম নিঃসন্দেহে আমি বৃদ্ধি করেছি তোমাদের সৈন্য সংখ্যায় এবং তোমাদের রসদপত্রের মধ্যে অনেক বৃদ্ধি করেছি আর আমি তোমাদের শত্র“দের বিরুদ্ধে তোমাদেরকে শক্তিশালী করেছি। একথা জেনে রেখ, নিশ্চয় আমি তোমাদের পরবর্তীদের থেকে অনেক-অনেক উত্তম। কেননা ধীরে ধীরে মানুষের মাঝে ফিৎনা বৃদ্ধি পাবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭০ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমার বাবা সম্পর্কে আমাদের colligation বলুন 
আগেই 
শোনা একটি অমর আনসারী মুসলিম বিন বৃদ্ধি করা হয় প্রেরিত সমুদ্র চিন্তা সৈন্য যে 
এটা কখন শুরু হবে যাজকসম্প্রদায় , তিনি বলেন , হে মানুষ এর মিসর কি Tnqmon আমাকে শপথ আমি তোমার সংখ্যা বৃদ্ধি এবং গুন 
তোমার শত্রু উপর Mddkm এবং Qoatkm জানেন যে আমি সেরা এর যারা আমার ও পরে আসা ঐ অন্যান্য Valakhr মন্দ
হাদিস - ৭১
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ কে বলতে শুনেছি, কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা তোমাদের ইমামকে হত্যা করবেনা এবং তোমরা অযথা তোমাদের তলোয়ার পরিচালনা করবেনা। এপৃথিবীর মালিক বনে যাবে নিকৃষ্টতম লোকজন।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭১ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন আব্দুল আজিজ বিন মোহাম্মদ আমর ইবনে আবী আমর আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান 
আল - আনসারী 
হুযাইফা ইবনুল - ইয়ামন আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে রসূল এর আল্লাহ , শান্তি বর্ষিত হোক 
তাঁর এমনকি হত্যা হয় না আগে আপনি এবং Tjtldoa Bosaavkm এবং আপনার বিশ্বের Hrarkm উত্তরাধিকারী 
অবস্থিত হয় ট্যাগ temptations এবং সংখ্যা মৃত্যুর কয়েক রসূল এর আল্লাহ , শান্তি তার উপর 
সময় কি
হাদিস - ৭২
হযরত আওফ ইবনে মালেক আশজারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) আমাকে বললেন, হে আওফা কিয়ামতের পূর্বের ছয়টি নির্দেশনকে তুমি গণনা করে রাখ। (১) আমার ওফাত। (হযরত আওফ বলেন) একথা আমাকে কাদিয়ে দিল। তখন রাসূল (সাঃ) আমাকে চুপ করিয়ে দিলেন। অতঃপর রাসূল (সাঃ) বললেন বলো এক, (২) বায়তুল মুকাদ্দস বিজয়, (রাসূল (সাঃ) বললেন বলো দুই।  (৩) ব্যাপক মহামারী যা আমার উম্মতের মধ্যে বকরির মাড়কের ন্যায় দেখা দিবে। (রাসূল (সাঃ) বললেন) বলো তিন। (৪) আমার উম্মতের মধ্যে ফিতনা সংঘটিত হবে এবং বিরাট আকার ধারন করবে। (রাসূল সাঃ বললেন) বলো চার। (৫) তোমাদের মধ্যে ধন সম্পদের এত প্রাচুর্য হবে যে, কোন ব্যক্তিকে একশত দিনার (স্বর্ণমুদ্রা) প্রদান করলেও সে (এটাকে নগন্য মনে করে) অসন্তুষ্টি প্রকাশ করবে।  (রাসূল সাঃ বললেন) বলো পাঁচ। (৬) বনুল আসফার (রোমবা) দের সাথে তোমাদের একটি সন্ধিচুক্তি হবে। অতঃপর তারা তোমাদের নিকট গিয়ে তোমাদেরকে হত্যা করবে এবং মুসলমানরা তখন এমন ভূমিতে থাকবে যাকে মদীনার নিম্নাঞ্চল বলা হয় এবং তাকে দামেস্ক (নগরী) ও বলা হয় (যা সিরিয়ার রাজধানী)।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭২ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন বাকি এর ইবন আল - ওয়ালিদ এবং হাকাম ইবনে Nafie এবং আবু marauding 
সাফওয়ান ইবনে আমর আব্দ আল - তার বাবার কাছ থেকে রহমান ইবনে জাবের ইবনে Nufayr হাদরামী 
আওফ ইবনে মালেক থেকে 
Ashja'i আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে আমাকে বলেছিল রসূল এর আল্লাহ , সা মধ্যে concoct হে আউফ Sta 
হাত এর সময় Oohin মতি Vastbekat এমনকি প্রণীত রসূল এর আল্লাহ , সা Asktna 
তারপর তিনি বলেন বলুন এক এর দ্বিতীয় উদ্বোধনী এর পবিত্র হাউস দুই বলে তৃতীয় আমাদের মৃত আমার হতে 
Kqas ভেড়া বলে তিনবার এবং চতুর্থ কষ্ট আমার উক্ত হাড় হতে বলে চার পঞ্চম 
বন্যা টাকা মধ্যে যতক্ষণ মানুষ হয় শতাংশ দিনার দেওয়া Fitschtha বলে পাঁচটি ও ষষ্ঠ 
তোমার ও পিতলের ছেলেমেয়েদের মধ্যে একটি বিবাদ থাকবে, আর তারা আমার কাছে চলে যাবে 
দামাস্কাস নামে একটি শহরে আল ঘুতা নামক একটি ভূখণ্ডে আপনি কতজন এবং মুসলমানদের সাথে যুদ্ধ করছেন?
হাদিস - ৭৩
হযরত আউফ ইবনে মালেক রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ আমাকে সম্মোধন করে বলেছেন হে আউফ! তুমি কিয়ামতের ছয়টা আলামত চিহ্নিত করে রেখো, তার মধ্যে সর্বপ্রথম তোমাদের নবীর মৃত্যুবরণ করা। এটা হচ্ছে একটা, আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে, বায়তুল মোকাদ্দাসের জয়লাভ করা, তৃতীয় হচ্ছে, ছাগলের মাড়কের ন্যায় ব্যাপক মহামারী দেখা দিবে। চতূর্থ হচ্ছে, তোমাদের মাঝে এমন ব্যাপক ফিৎনা দেখা দিবে যার সাথে আরবের প্রতিটি ঘর জড়িয়ে যাবে। পঞ্চম হচ্ছে, তোমাদের আর বলিল ----- তথা রোমবাসীদের মাঝে চুক্তি হওয়া। অতঃপর তারা তোমাদের বিরুদ্ধে নয় মাসের গর্ভবতী মহিলাদের ন্যায় ভারি অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জমায়েত হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৩ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন মুহাম্মদ বিন শাপুর নু'মান 
Makhoul জন্য বিন মুনযির 
থেকে আওফ ইবনে মালেক রা , আমাকে বলেছিলেন রসূল এর আল্লাহ , শান্তি তাঁর ছয়টি ওয়া সাল্লাম 
হাতে এর Oohin মৃত্যুর এর নবী শান্তি তার উপর কেউ বলতে এর দ্বিতীয় খোলা ঘর এর 
বাইবেল এবং তৃতীয় মৃত্যু এই ব্যবস্থার সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ মধ্যে আপনি Kqas ভেড়া ও তোমাদের মধ্যে চতুর্থ রাষ্ট্রদ্রোহ না রয়ে যায় ঘরের 
আরবদের কেবলমাত্র আপনি Vigtmon আপনি এবং হলুদ বাদামী মধ্যে পঞ্চম সাময়িক যুদ্ধবিরতি প্রবেশ সংখ্যা এর বহন নারী 
নয় মাস
হাদিস - ৭৪
হযরত আওফ ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম সাঃ আমাকে কিয়ামতে পূর্বের ছয়টি নিদর্শনের কথা বলেছেন। (১) তোমাদের নবীর ওফাত। (২) বায়তুল মুকাদ্দাস বিজয়। (৩) বকরির মাড়কের ন্যায় ব্যাপক মহামারী। (৪) তোমাদের মাঝে এবং বনুল আসফার (রোমকদের) মাঝে সন্ধি-চুক্তি হবে। (৫) মদীনাতে কুফরীর সূচনা (৬) এবং মানুষ অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে (নগন্য মনে করে) একশত দিনার (স্বর্ণমুদ্রা) ফিরিয়ে দিবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৪ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন সাফওয়ান ইবনে Sulayem থেকে ছেলে Uyaynah , যারা তাকে বলেন 
বলেন আওফ ইবনে মালেক সম্পর্কে : 
রসূল এর আল্লাহ হতে পারে, আল্লাহ তাকে এবং ছয় সময় Oohin মৃত্যুর আগে আশীর্বাদ এর আপনার নবী এবং জেরুজালেম, জিত মৃত্যুর এর 
Kqas ভেড়া ও একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি আপনি এবং মধ্যে হতে ছেলেদের এর হলুদ এবং খোলার এর শহর এর বিশ্বাসঘাতকতা রিপোর্ট একশত মানুষ 
দিনার যদ্বারা
হাদিস - ৭৫
হযরত আওফ ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাঃ আমাকে কিয়ামতের পূর্বের ছয়টি নিদর্শনের কথা বলেছেন। ১. আমার ওফাত। ২. অতঃপর বায়তুল মুকাদ্দাস বিজয়। ৩. আশ্রয় স্থল হবে, যেখানে আমার উম্মত শাম থেকে অবতরণ করবে। ৪. তোমাদের মধ্যে এমন ফিতনা সংঘটিত হবে যে, আরবে এমন কোন ঘর অবশিষ্ট থাকবেনা যে ঘরে ফিতনা প্রবেশ করবেনা (অর্থাৎ প্রতিটি ঘরেই তা প্রবেশ করবে। ৫. অতঃপর তোমাদের সাথে রোমকদের সন্ধি-চুক্তি হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৫ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন পুত্র এর সিদ বিন সালেহ Damra ইবনে হাবীব আউফ বিন থেকে দান 
মালিক 
থেকে এবং সিদ আল আলা ইবনুল - থেকে Makhoul হারেস 
আওফ ইবনে মালেককে রা , আমাকে বলেছিলেন রসূল এর 
আল্লাহ , সা হাতে ছয় এর Oohin এবং Faty তারপর জেরুজালেমে জিত এবং তারপর ঘর 
আমার জাতি হানা শাম তারপর প্রলোভন এই ব্যবস্থার সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ মধ্যে তুমি চিরকাল না একটি আরব বাড়িতে , কিন্তু তারপর প্রবেশ রোমান Tsagm
হাদিস - ৭৬
হযরত হুয়ান ইবনে আমর রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, তুয়ানার যুদ্ধে আমরা রোম ভুখন্ডে প্রবেশ করে একটি উঁচু টিলাতে অবস্থান করি। এক পর্যায়ে আমি আমার সাথীদের বাহন থেকে একটি বাহনের মাথা উঁচু করে ধরি। আর আমার সাথীরা তাদের বাহনের জন্য দানা-পানির ব্যবস্থা করতে যায়। এমন অবস্থায় হঠাৎ শুনলাম কেউ যেন বলছে “আস্সালামু আলাইকা ওয়ারাহমাতুল্লাহ” সালামের আওয়াজ শুনে দেখলাম সাদা কাপড় পরিহিত এক লোক। আমি সালামের জবাব দিলে তিনি বললেন, তুমি কি আহমদের উম্মতের অর্ন্তভুক্ত আমি হ্যাঁ সূচক উত্তর দিলে তিনি বললেন, তোমাদে ধৈর্য্যধারন করতে হবে। কেননা এ উম্মত মুলতঃ উম্মতে মারহুমা হতে গণ্য। আল্লাহ তাআলা তাদের উপর পাঁচ ধরনের ফিৎনা রেখেছেন এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফরজ করেছেন।
অতঃপর আমি বললাম, সেগুলোর নাম উল্লেখ করুন। তিনি বললেন, পাঁচটির একটি হচ্ছে, তাদের নবীর মৃত্যুবরণ করা, যাকে কিতাবুল্লাহর ভাষায় বাগ্তাহ্ বা হঠাৎ বলা হয়েছে। অতঃপর হযরত ওসমান রাযিঃ এর শাহাদাত বরণ করা। যেটা কিতাবুল্লাহ ‘যক্ষ্মা’ --- বা বধির ফিৎনা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এরপর হচ্ছে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইর রাযিঃ এর ফিৎনা যা কিতাবুল্লাহর ভাষায় আল আমইমা বা অন্ধফিৎনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তারপর হলো, ইবনুল আসআছ এর ফিৎনা। যাকে কিতাবুল্লাহতে আল বুতাইরা বা বেজোড় ফিৎনা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। অতঃপর এ বলে চলে যেতে লাগল, “ছালাম বাকি রইল, ছালাম বাকি রইল”। সে কীভাবে চলে গেল আমি কিন্তু জানতে পারলামনা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৬ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন মুহাম্মদ ইবনে সালামা Harrani মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক বিষণ্ণতা ইবনে আবদুল আমর রা 
আমরা প্রবেশ জমি এর মধ্যে Romans যুদ্ধ এর Ataiwanh আর মার্গ অবতরণ তাই আমি গ্রহণ আমি Bras আমার সঙ্গী Vtoult তার জন্তু 
গিয়েছিলাম , আমার বন্ধু Fbana Atalfon আমিও শুনলাম শান্তি বর্ষিত হোক আপনি এবং করুণা এর ঈশ্বর Valtvt তাহলে 
আমি একটি দ্বারা মানুষ জামাকাপড় শুভ্রতা 
আমি বললাম শান্তি বর্ষিত হোক আপনি এবং করুণা এর ঈশ্বর , বলেন নিরাপত্তা এর জাতি , আহমেদ 
বলেন হ্যাঁ , 
Vasberoa বললেন, এই জাতির এর Mercifull ঈশ্বর তাদের লিখেছিলেন পাঁচ সংবেশিত 
এবং পাঁচটি নামাজের 
আমি Smhn বলল আমি 
বলেন এক এর তাদের এর তাদের নবী এর মৃত্যুর তার নাম ধরলাম বই এর ঈশ্বর 
সর্বশক্তিমান হঠাৎ এবং তারপর উসমান ছিল হত্যা করে এবং তার নাম বই এর ঈশ্বর ও বধির রাষ্ট্রদ্রোহ ছেলে জুবায়ের এবং তার নাম 
বই এর আল্লাহ এবং তারপর রাষ্ট্রদ্রোহ অন্ধ ছেলে মধ্যে Shaath নাম বইয়ের এর আল্লাহ এবং তারপর নেন Alaptara তিনি 
বলেছেন , এবং Chilm রয়ে গেছে এবং Chilm রয়ে আমি জানতাম না কিভাবে এটা গিয়েছিলাম
হাদিস - ৭৭
হযরত আলী ইবনে আবু তালেব রায়িঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ তাআলা এ উম্মতের জন্য পাঁচটি ফিৎনা নির্ধরন করেছেন। প্রথমে ব্যাপক ফিৎনা হবে এরপর হবে খাস ফিৎনা। অতঃপর আবারো ব্যাপক ফিৎনা দেখা দিবে। তারপর আসবে খাছ ফিৎনা। তারপর এমন কালো অন্ধাকারাচ্ছন্ন ফিৎনা প্রকাশ যদ্বারা মানুষ চতুষ্পদ জন্তুর ন্যায় হয়ে যাবে। অতঃপর কিছু চুক্তি হবে এবং লোকজনকে পথভ্রষ্টার দিকে আহ্বানকারী প্রকাশ পাবে। যদি তখন আল্লাহ তাআলার দ্বীনের উপর অটল থাকার মত কোনো খলীফা বাকি থাকে তাহলে তোমরা তার আনুগত্য কর।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৭ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন আবু ওসামা আমাদের বলেছেন 
Aloamc আমাদের Munther বলেন বিপ্লবী আসিম ইবনে Damra 
আলী ইবনে আবু তালিব , আল্লাহ হতে পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে 
ঈশ্বর এই জাতির পাঁচটি সংবেশিত সাধারণ শত্রুতা এবং বিশেষ কবজ ও সাধারণ শত্রুতা এবং বিশেষ কবজ প্রণীত 
এবং কালো রাষ্ট্রদ্রোহ অন্ধকার মানুষ Kalphaim হয়ে যে তারপর একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি এবং তারপর ভুল 
নির্দেশের সমর্থকগণ, ঈশ্বর যদি পরবর্তী উত্তরাধিকারী হন তবে উজ্জল
হাদিস - ৭৮
হযরত আলী রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এ উম্মতের জন্য পাঁচ প্রকার ফিৎনা নির্ধারন করা হয়েছে, যার মধ্যে একটি হচ্ছে, সর্বদা অন্ধ,বধির হিসেবে থাকার ফিৎনা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৮ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
মুয়াম্মার জন্য আমাদের সাথে আবু থর ও আব্দুল রাজ্জাক বলুন 
তারিক বিপ্লবী Munther আসিম ইবনে Damra 
আল্লাহ পারে আলী হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে তিনি এই মধ্যে তৈরি বলেন 
জাতি সংবেশিত পাঁচটি , তাঁকে প্রত্যাহার করে , কিন্তু তিনি বলেন অন্ধ বধির প্রয়োগ
হাদিস - ৭৯
হযরত হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ফিতনা সংঘটিত হবে, অতঃপর জামাত ও তাওবা হবে। অতঃপর জামাত ও তাওবা হবে। (এর পর চতুর্থবার উল্লেখ করলেন) অতঃপর তাওবাও হবেনা এবং জামাতও হবেনা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৭৯ ]
___________________________________
নঈম বেন হাম্মাদ
আমাদের বলুন ইয়াহিয়া 
বিন ইয়ামান আমাদের বলেছেন বিপ্লবী সুফিয়ান Oceach জন্য ইবনে আবু Sha'tha tousled করার ছেলেদের নাটের গুরু 
জন্য 
হুযাইফা বলেন একটি রাষ্ট্রদ্রোহ তারপর হতে একটি গ্রুপ এবং তারপর একটি গ্রুপ এর অনুশোচনা ও তাওবার এমনকি উল্লিখিত চতুর্থ এবং তারপর না 
অনুশোচনা ও হতে একটি গ্রুপ
হাদিস - ৮০
হযরত যেলা – রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি হযরত হুজায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ কে বলতে শুনেছি, ইসলামের মধ্যে চার প্রকারের ফিৎনা প্রকাশ পাবে। যাদের থেকে চতুর্থ প্রকারের ফিৎনা গিয়ে বহুরূপি দাজ্জালের নিকট আত্মসমর্পণ করবে। তখন সবদিকে অন্ধকারে ছেঁয়ে যাবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮০ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন থেকে ছেলে Uyaynah ও আবু উসামা আমের গ্ল্যাডিয়েটর জন্য 
লিংক বলেন 
আমি শুনেছি হুযাইফা ইবনুল - ইয়ামন বলছেন ইসলাম চার সংবেশিত চতুর্থ তাদের হাতে তুলে দেওয়ার 
খ্রীষ্টশত্রু Alrqtae এবং অন্ধকার হানা এবং হান্না
   
একটি আরবি শব্দ ডাবল ক্লিক করে তার অভিধান এন্ট্রি দেখায়
হাদিস - ৮১
হযরত হুযায়ফা ইবনুল ইয়ামান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম সাঃ বলেছেন, ফিতনা সংঘটিত হবে। অতঃপর জামাত হবে। অতঃপর ফিতনা হবে, অতঃপর জামাত হবে। অতঃপর এমন ফিতনা হবে যেখানে পুরুষদের বুদ্ধি থেমে যাবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮১ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
জারীর লাইস বিন থেকে আমাদের বিন আবদুল হামিদ বলেন 
আবি সেলিম আমাকে বলেছে আস্থা যায়েদ ইবনে ওয়াহাব 
হুযাইফা ইবনুল - ইয়ামন বলেন : রাসূল এর আল্লাহ , হতে পারে 
আল্লাহ তাকে আশীর্বাদ এবং তারপর হতে একটি রাষ্ট্রদ্রোহ গ্রুপ তখন রাষ্ট্রদ্রোহ তারপর হতে একটি গ্রুপ এবং তারপর রাষ্ট্রদ্রোহ বিকৃত 
মন এর পুরুষদের
হাদিস - ৮২
হযরত আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাঃ বলেছেন, আমার উম্মতের মধ্যে চারটি ফিতনা হবে। আর চতুর্থবার হবে ধ্বংশ (মৃত্যু)।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮২ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল - থেকে আব্দুর রহমান ইবনে আত্তারের - হাসান থেকে 
জনপ্রিয় 
আবদুল্লাহ বলেন রসূল এর আল্লাহ , সাঃ থেকে আমার চার হতে 
সংবেশিত হতে চতুর্থ গজ
হাদিস - ৮৩
কিছু প্রবীণ সৈন্য থেকে বর্ণিত, তারা বলেন একদিন খালেদ ইবনে ইয়াযিদ ইবনে মোয়াবিয়া মারওয়ান ইবনে হাকামের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন এবং তিনি ওমর ইবনে মারওয়ানের মেহমান ছিলেন, ঐ সময় তার সাথে একটি চাকু ছিল এবং হাতে কিছু কাগজ ছিল। হঠাৎ তিনি বলে উঠলেন, পাঁচ এবং দশ অতিবাহিত হয়েছে কেবলমাত্র বিশ বাকি রয়েছে, যার ক্ষতি মাশরিক-মাগরিবের সকলকে গ্রাস করে নিবে। তার থেকে একমাত্র এন্তাবলিসের বাসিন্দা ব্যতীত কেউ মুক্তি পাবেনা। শফি ইবনে ওবাইর তাকে সেই ফিৎনা সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, প্রথম ফিৎনা হচ্ছে পাঁচ, দ্বিতীয় ফিৎনা দশ বৎসরে। অর্থাৎ, ফিৎনায়ে আব্দুল্লাহ ইবনে জুবাইর। এরপরে প্রকাশ পাবে তেইশ বৎসরের ফিৎনা মাশরিক মাগরিবকে গ্রাস করে দিবে। এন্তাবলিসের বাসিন্দা ব্যতীত কেও উক্ত ফিৎনা থেকে মুক্তি পেতে পারেনা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৩ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন পুত্র এর কয়েকটির বিষয়ে ইবনে Hiệp থেকে দান এর প্রাচীনদের এর সৈন্যদের 
বললেন , যখন খালিদ বিন ইয়াযীদ বিন মুয়াবিয়ার প্রদানকারী মারওয়ান ইবনুল - হাকাম , যা করা হয় দার ওমর বিন খাকতে 
মারওয়ান এবং একটি হাত Ply মধ্যে ছুরি তিনি যখন যাচ্ছিলেন 
পাঁচ দশ রয়ে বিশ ব্যাপা তাদের মধ্যে 
মন্দ Mushargaha এবং পশ্চিমে টেকা না, কিন্তু মানুষ এর Antabuls 
তিনি বলেন কাছে তাকে সুস্থ করলেন বিন Obeid Osalehk 
ঈশ্বর , এই কি 
বললেন প্রথম রাষ্ট্রদ্রোহ পাঁচটি ছিল , এবং দ্বিতীয় দশ বছর রাষ্ট্রদ্রোহ ইবনে 
আল - জুবায়ের এবং তারপর হতে তৃতীয় এর বিশ বছর রাজত্বের মন্দ Mushargaha এবং পশ্চিমে টেকা না , কিন্তু মানুষ এর Mnhaa 
Antabuls
হাদিস - ৮৪
আব্দুল আযীয ইবনে সালেহ হযরত হুযায়ফা ইবনুল ইয়ামান থেকে বর্ণনা করেন (বর্ণনাকারী বলেন, রাবী ওয়ালিদ তার মাঝে ও হুযায়ফা (রাঃ) মাঝে আরেকজন রাবীর কথা উল্লেখ করেন তবে তা আমার স্মরণ নেই) তিনি বলেন, রাসূল সাঃ এর পর থেকে কিয়ামত পর্যন্ত চারটি ফিতনা সংঘটিত হবে। প্রথমটি হলো ‘পাঁচ’, দ্বিতীয়টি হলো ‘দশ’, তৃতীয়টি হলো ‘বিশ’, চতুর্থটি হলো দাজ্জাল।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৪ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের আব্দুল আজিজ জন্য ওয়ালিদ বিন মুসলিম Rushdin বিন সাদ আবু Lahee'ah বলুন 
বিন সালেহ 
হুযাইফা ইবনুল - ইয়ামন, অতঃপর তাঁকে ও হুযাইফা মানুষের মধ্যে ওয়ালিদ নামে এটা মুখস্থ করা হয়নি বললেন 
পর রাষ্ট্রদ্রোহ রসূল এর আল্লাহ , সা সেই সময় এর চার সাবেক পাঁচটি 
বারো ও তৃতীয় বিশ - চতুর্থ খ্রীষ্টশত্রু
হাদিস - ৮৫
ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবীব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাছে রাসূলুল্লাহ সাঃ থেকে সংবাদ পৌছেছে, রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন, এমন কিছু ফিৎনা প্রকাশ পাবে যা সবাইকে গ্রাস করে নিবে। তার থেকে পশ্চিমা সৈন্য ব্যতীত কেও মুক্তি পাবেনা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৫ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
নাঈম বলেন, আল ওয়াদিদ 
ইবনে লেহিয়াহ 
ইয়াজীদ ইবনে আবি হাবিব থেকে বলেছিলেন যে, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর তিনি একজন ফাত্তনা বলেছিলেন যে 
সমস্ত লোককে কেবল পশ্চিমা সৈন্যদের হাতে তুলে দিতে হবে।
হাদিস - ৮৬
হযরত ইমরান ইবনে হুসাইন (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূল সাঃ বলেছেন, চার প্রকারের ফিতনা সংঘটিত হবে। ১. খুন করাকে বৈধ মনে করা হবে। ২. অন্যের সম্পদকে বৈধ মনে করা হবে। ৩. নারীর লজ্জাস্থানকে বৈধ মনে করা হবে। ৪. দাজ্জালের আগমন।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৬ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের Rushdin ইবনে বলুন 
আবু মন্দির থেকে Hiệp 
আল্লাহ পারে হাসান ইমরান ইবনে হুসেন হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে নবী , শান্তি 
তাঁর উপর করা , বলেন করার হতে প্রথম চার রক্ত এবং অর্থ অসম্ভব সংবেশিত , এবং যোনি ও চতুর্থ খ্রীষ্টশত্রু
হাদিস - ৮৭
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ যা, এরশাদ করেছেন, আমি তোমাদেরকে আমার পরে প্রকাশিত সাত প্রকারের ফিতনা থেকে ভয় প্রদর্শন করছি। তার মধ্যে একটি পেশ আসবে মদীনা থেকে, আরেকটি প্রকাশ পাবে মক্কায়। অন্য পেশ আসবে ইয়ামান থেকে, আরেকটি শাম থেকে, আরেকটি মাশরিক থেকে, আরেকটি মাগরিব থেকে। অন্যটি প্রকাশ পাবে শামের মূলভুখন্ড থেকে এবং যেটিই হচ্ছে, ‘সুফইয়ানী ফিতনা’। এরপর হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ বললেন, তোমাদের মাঝে এমন অনেকে রয়েছে যারা প্রথম ফিতনাগুলো অবলোকন করবে এবং এ ওম্মতের অন্যরা সর্বশেষ ফিতনাগুলো অবলোকন করবে। ওয়ালিদ ইবনে আইয়াশ বলেন, মদীনার ফিতনা হচ্ছে, তালহা এবং যুবায়ের এর পক্ষ থেকে। মক্কার ফিতনা হলো, আব্দুল্লাহ ইবনে যুবায়ের এর ফিতনা। ইয়ামানের ফিতনা হচ্ছে, যেটা নাজদার পক্ষ থেকে সংঘটিত হয়েছিল। শামের ফিতনা সংঘটিত হবে বনূ ওমাইয়ার পক্ষ থেকে আর মাশরিকের ফিতনা হচ্ছে, এদের পক্ষ থেকে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৭ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল - আত্তারের আমাদের তীর্থযাত্রীদের বলেছিলেন একটি মানুষ থেকে আমাদের সম্পর্কে ওয়ালিদ বিন আইয়াশ বলেন 
আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে আমাদের বলেছেন রসূল এর আল্লাহ , শান্তি বর্ষিত হোক তাকে এবং 
সতর্ক সাত সংবেশিত আমাকে রাষ্ট্রদ্রোহ থেকে গ্রহণ পরে হতে শহর ও রাষ্ট্রদ্রোহ মধ্যে মক্কা ও রাষ্ট্রদ্রোহ ইয়েমেন থেকে গ্রহণ 
এবং প্রলোভন থেকে শাম এবং রাষ্ট্রদ্রোহ থেকে গ্রহণ থেকে গ্রহণ পূর্ব এবং মরক্কো দ্বারা রাষ্ট্রদ্রোহ এবং এর কবজ উদর এর আল - শাম , 
একটি রাষ্ট্রদ্রোহ Sufiani 
বলেন , বলেন ইবনে মাসউদ এর বুঝতে প্রথম এবং এই জাতির হয় 
সচেতন , অতি সম্প্রতি 
তিনি বলেন ওয়ালিদ বিন আইয়াশ ছিল কবজ এর তালহা এবং যুবাইর ও রাষ্ট্রদ্রোহ শহর 
মক্কা রাষ্ট্রদ্রোহ ইবন আল - দ্বারা জুবায়ের এবং রাষ্ট্রদ্রোহ ইমেন উদ্ধার ও রাষ্ট্রদ্রোহ 
এগুলি দ্বারা অশিক্ষার পুত্র ও পূর্বের ভাবমূর্তি দ্বারা শাম
হাদিস - ৮৮
হযরত আবু হুরাইরা রাযিঃ বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, আমার পরে আমার ওম্মতের মাঝে চার প্রকারের ফিতনা সংঘটিত হবে। প্রথমতঃ পরস্পর মারামারি, হানাহানি বৃদ্ধি পাবে। দ্বিতীয়তঃ মানুষকে হত্যা করা এবং মানুষের সম্পদ বৈধ মনে করা হবে।
তৃতীয়তঃ মানুষ হত্যা, অন্যের সম্পদ এবং বিনা ব্যভিচার ইত্যাদি জায়েয মনে করা হবে। চতুর্থতঃ অন্ধ বধিরের ফিতনা, যা মানুষের সাথে চামড়ার ন্যায় মিশে যাবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৮ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন Damra বিন রাবিয়া ইয়াহিয়া ইবনে আবী আমর Alsabana 
বলেন 
আবু Hurayrah , আল্লাহ হতে পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে রসূল এর আল্লাহ , সা চার সংবেশিত 
আমার পরে হতে , প্রথম মধ্যে যা রক্ত চালা এবং দ্বিতীয় অসম্ভব , এ যা রক্ত ও টাকা এবং তৃতীয় 
অসম্ভব , যেখানে রক্ত, টাকা, চিকেন এবং চতুর্থ অন্ধ বধির Tark যেখানে আমার জাতি জড়ান এপিডার্মিস
হাদিস - ৮৯
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, আমার পরে তোমাদের মাঝে চার ধরনের ফিতনা প্রকাশ পাবে। এক. এমন ফিতনা যার মধ্যে লোকজন মানুষ হত্যা করাকে বৈধ মনে করবে।
দুই. মানুষ হত্যা এবং অন্যের সম্পদকে হালাল মনে করা হবে।
তিন. এমন ফিতনা যার মধ্যে মানুষ হত্যাকরা অন্যের সম্পদ দখল করা এবং যিনা-ব্যভিচারকে বৈধ মনে করা হবে।
চার. অন্ধ-বধিরের ফিতনা, যা ব্যাপক আকার ধারন করবে। সমুদ্রের ঢেউয়ের তীব্রভাবে আসতে থাকবে। কেউ তার থেকে মুক্তির কোনো উপায় খুজে পাবে না। যে ফিতনা শাম দেশকে অবরুদ্ধ করে রাখবে এবং ইরাকেও গ্রাস করবে। উক্ত ফিতনার হাত-পা দ্বারা জাযিরাতুন আরবকে শড়াতে থাকবে। তখন বিভিন্ন ধরনের বালা-মসিবত মানুষের শরীরের সাথে এমনভাবে মিশ্রিত হয়ে যাবে, যেমন চামড়া শরীরের সাথে মিশে যায়। এহেন পরিস্থিতিতে উক্ত ফিতনা প্রতিরোধ করার মত শক্তি কারো থাকবেনা। অতঃপর উক্ত ফিতনা সম্বন্ধে পরিপূর্ণ অবগত হওয়ার পূর্বেই ঝড়ের গতিতে চূর্ণবিচূর্ণ করে অন্যদিকে বের হয়ে যাবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৯ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল - Dirar ইবনে আমর ইসহাক ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবী জন্য আত্তারের 
মাথার খুলি যারা তাকে বলেন 
আবু Hurayrah থেকে , আল্লাহ হতে পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে রসূল এর আল্লাহ , শান্তি বর্ষিত হোক 
তাঁর আসছে করার আমার পরে আপনি চারটি প্রথম সংবেশিত যেখানে অন্তরঙ্গ সঙ্গে রক্ত ও Althanbh যেখানে রক্ত অসম্ভব , 
এবং টাকা এবং তৃতীয় যেখানে অন্তরঙ্গ সঙ্গে রক্ত , টাকা, চিকেন এবং চতুর্থ বধির অন্ধ প্রয়োগ 
তারিখ মুর তরঙ্গ সমুদ্র তাই যেমন না এক মানুষ এর তাদের খুঁজে বার আশ্রয় Tatif Baham এবং Tgshy 
ইরাক আর বিভ্রান্তির এর দ্বীপ মধ্যে তার হাত এবং তাঁর স্বামী ও Tark জাতি যেখানে মাজা এন্ডোডার্ম ভরা এবং তারপর কোন 
এক পাবেনা থেকে মানুষ Meh Meh বলতে এবং তারপর তারা জানে না এক হাত , কিন্তু Anaftguet উপর এক হাত 
অন্য
হাদিস - ৯০
হযরত আবু হুরাইর রাযিঃ বলেন একদিন রাসূলুল্লাহ সাঃ নিম্নের আয়াতটি তিলাওয়াত করেন।
----------------------- অর্থাৎ, তোমাদেরকে তিনি দলে উপদলে বিভক্ত করে পরস্পর মুখোমুখী দাড় করাবেন । (সূরা আনআম ৬৫)
এরপর রাসূলুল্লহ সাঃ বললেন, আমার উম্মতের মধ্যে চারটি ফিতনা প্রকাশ পাবে। প্রথম ফিতনা যখন দেখা দিবে, তখন মানুষকে হত্যা করা হালাল মনে করা হবে। দ্বিতীয় ফিতনা এমন আকার ধারন করবে, মানুষ অন্যকে হত্যা করা এবং অন্যের সম্পদ দখল করাকে বৈধ জানবে। তৃতীয় ফিত্নাকালীন হত্যা, ডাকাতি এবং ধর্ষণ ইত্যাদি জায়েয মনে করা হবে। চতুর্থ ফিতনা হচ্ছে অন্ধকারাচ্ছন্ন অন্ধ ফিতনা, যা সমুদ্রের ঢেউয়ের বিস্তৃত হয়ে আছড়ে পড়বে। আরবের প্রত্যেক ঘরকে উক্ত ফিতনা গ্রাস করে নিবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৯০ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন উসমান বিন অনেক ইবনে দীনার মুহাম্মদ বিন অভিবাসী ভাই আমর ইবনে অভিবাসী 
আমাকে বলেছিল জুনায়েদ বিন মেমন Dirar ইবনে সম্পর্কে বলেন ' আমর রা 
আবু Hurayrah যে রসূল এর আল্লাহ শান্তি বর্ষিত হোক 
আল্লাহর মই ওয়া সাল্লাম শ্লোক Ooalbiskm অংশগুলো বলেন চার সংবেশিত আসে প্রথম রাষ্ট্রদ্রোহ 
Visthal মধ্যে যা রক্ত ও দ্বিতীয় অসম্ভব , যেখানে রক্ত ​​ও অর্থ এবং তৃতীয় যেখানে 
রক্ত ও অর্থ এবং চতুর্থ এবং চতুর্থ অন্ধ অন্ধ গাঢ় সমুদ্রের তারিখ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে যাতে 
কেবল আরবদের একটি বাড়ি না থাকে
হাদিস - ৯১
আরতাত ইবনুল মুনযির রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এর বক্তব্য আমাদের নিকট পৌঁেছছে, তিনি এরশাদ করেছেন, আমার উম্মতের মধ্যে লাগাতার ভাবে চার প্রকারের ফিৎনা দেখা দিবে। প্রথমতঃ তাদের উপর এমনভাবে বালা-মসিবত আসতে থাকবে, যার কারণে মুমিনগণ বলতে থাকবে, এইতো আমি মরে গেলাম! এরপর সেটা কিছুটা হালকা হয়ে যাবে। দ্বিতীয়তঃ এত বেশি তীব্রতার সাথে ফিতনা আসতে থাকবে, যার ফলে প্রত্যেক মু’মিন মৃত্যুর প্রহর গুনবে, এরপর একটু হালকা হবে। তৃতীয়তঃ একের পর এক ফিতনা আসতে থাকবে। মনে হবে যেন ফিতনা থেকে কিছুটা মুক্ত হতে পেরেছি, কিন্তু পরক্ষণে সেটা আবারো তীব্রভাবে আসবে। চতুর্থ ফিতনা এমনভাবে প্রকাশ পাবে, যার কারণে মানুষ ইসলাম ত্যাগ করতে বাধ্য হবে। এমন অবস্থার সম্মুখিন হলে মানুষ ইমাম এবং জামাআত ও একতাবদ্ধতাবিহীন দিগি¦দিক শুন্য হয়ে ছুটতে থাকবে। অতঃপর মসীহে দাজ্জালের আবির্ভাব ঘটবে। এরপর সূর্য্য পশ্চিম দিকে উদিত হওয়া ও কিয়ামতের মাঝখানে বাহাত্তর জন দাজ্জাল প্রকাশ পাবে। তাদের মধ্যে অনেক এমন হবে যার অনুসরণকারী হবে মাত্র একজন।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৯১ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন হাকাম ইবনে Nafie জন্য Oirtah বিন মুনযির বলেন , 
আমরা জানিয়েছিলাম যে রসূল এর আল্লাহ , সা , বলেন করার আমার চার সংবেশিত হতে আমার জাতি প্রভাবিত 
চাবুক সম্প্রতি সংবেশিত সমার্থক সাবেক অর্জন এর এমনকি বিশ্বাসী বলে Mhlkta তারপর প্রকাশ 
দ্বিতীয় পর্যন্ত বিশ্বাসী বলে Mhlkta তারপর তৃতীয় যখনই অবতীর্ণ বললেন আছে সর্বস্বান্ত পাস 
এবং রাষ্ট্রদ্রোহ চতুর্থ হইবে করা হলে এই সময়ের সাথে সাথে flunkies অবিশ্বাস করা এবং ছাড়াই এই সময়ের সাথে সাথে একটি 
ইমাম ও একটি গ্রুপ এর খ্রীষ্ট এবং তারপর সূর্য থেকে রি সময় দুই ছাড়া পশ্চিমে 
এবং সত্তর এর তাদের ছদ্মবেশী হয় অনুসরণ করা হয়নি দ্বারা শুধুমাত্র এক ব্যক্তি
হাদিস - ৯২
আবুততোফাইল রহঃ বলেন, আমি হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ কে বলতে শুনেছি, মারাত্মক মারাত্মক তিন ধরনের ফিতনা প্রকাশ পাওয়ার পর চতুর্থ ফিতনা লোকজনকে দাজ্জালের দিকে নিক্ষেপ করবে, যা মানুষকে ধ্বংসের মূখে পতিত করবে। যে দাজ্জালের কারণে কখনো মানুষ ভালো অবস্থার সম্মুখিন হবে আবার কখনো সম্মুখিন হবে ভয়াবহ অবস্থার। আরেকটি ফিতনা হচ্ছে, অন্ধকারাচ্ছন্ন কালো ফিতনা, যা সমুদ্রের ঢেউয়ের ন্যায় লোকজনের উপর আছড়ে পড়বে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৯২ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন মারওয়ান বিন 
মুয়াবিয়ার আমাদের ওয়ালিদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বলেন সব 
আমাদের বলেছেন আবু হুযাইফা বলেন : আমি শুনেছি পরজীবী বলে 
রাষ্ট্রদ্রোহ থেকে তিন চতুর্থ খ্রীষ্টশত্রু , যা তারা লক্ষ্যে দোকান Balrdv লক্ষ্যে Balnschw এবং কালো 
অন্ধকার সমুদ্র তরঙ্গ যে তরঙ্গায়িত
হাদিস - ৯৩
হযরত উমাইর ইবনে হানী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাঃ বলেছেন, ‘ফিতনায়ে আহলাস’ হলো, তাতে পলায়ন হবে। (অর্থাৎ পরস্পরের মধ্যে এমন শত্রুতা দেখা দিবে যে, একে অন্য হতে পলায়ন করতে থাকবে।) এবং ছিনতাই হবে। ‘ফিতনাতুস সাবরা’ (অর্থাৎ ধনের প্রাচুর্যের কারণে বিলাসিতায় লিপ্ত হয়ে পড়ার ফিতনা), উক্ত ফিতনার ধোঁয়া কোন এক ব্যক্তির পায়ের নিচ হতে নির্গত হবে। (অর্থাৎ সেই ব্যক্তিই উক্ত ফিতনার নায়ক হবে।) সে আমার খানদানের লোক বলে দাবি করবে, অথচ সে আমার আপনজনদের মধ্যে হবেনা। প্রকৃতপক্ষে পরহেজগার লোকই হলেন আমার বন্ধু। অতঃপর লোকেরা এক ব্যক্তির উপর ক্ষমতা অর্পনে একমত হবে, তারপর আরম্ভ হবে অন্ধকারাচ্ছন্ন ফিতনা। যখন বলা হবে ফিতনা শেষ হয়ে গেছে, তখন তা এত প্রসারিত হবে যে, আরবের এমন কোন ঘর অবশিষ্ট থাকবে না। যেখানে তারা প্রবেশ করবেনা, (অর্থাৎ প্রতিটি ঘরে তা প্রবেশ করবেই। আর মানুষ তখন এমন ভাবে লড়াই করতে থাকবে যে, সে একথা জানবেনা যে, সেকি সত্যের বিরুদ্ধে লড়াই করছে? নাকি বাতিলের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। এভাবে সব সময় তা চলতে থাকবে। অবশেষে সকল মানুষ দু’টি তাবুতে (দলে) বিভক্ত হয়ে যাবে। একটি দল হবে ঈমানের, এখানে মুনাফেকী থাকবে না। আর অপর দলটি হবে মুনাফেকীর যার মধ্যে ঈমান থাকবে না। যখন উভয়টি একত্রিত হবে, তখন তুমি দাজ্জালের আগমন প্রত্যক্ষ কর, সে ঐ দিনই অথবা পরের দিন আবির্ভূত হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৯৩ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের আব্দুর রহমান ইবনে ইয়াযীদ থেকে ওয়ালিদ বিন মুসলিম বলুন 
বিন জাবের আল 
আমির ইবনে হানী তিনি বলেন : রাসূল এর আল্লাহ , সা Alohlas কষ্ট 
যুদ্ধ ও পালিয়ে , এবং শত্রুতা পুরু আউট নীচ থেকে স্মোকড ফুট একটি এর অভিযোগে মানুষ থেকে আমাকে, না থেকে আমাকে কিন্তু 
Oolaaia কর্তব্যপরায়ণ তারপর মানুষ একজন মানুষ আপ করতে এবং তারপর হতে একটি প্রলোভন Aldhame যখনই জানা, কে 
তাই সর্বস্বান্ত যেমন না করতে থাকা একটি ঘরের আরবদের মারামারি বা শুধুমাত্র পেয়েছিলাম যেখানে এক ডান জানে না করতে যুদ্ধ অথবা 
অসার হয় এখনও ভাল এমনকি দুই শিবিরে হয়ে শিবির এর বিশ্বাস হয় না ভণ্ডামি এর এটি এবং শিবির এর ভণ্ডামি এর 
কোন বিশ্বাস মধ্যে এটি । যদি তারা আজ অথবা আগামীকাল Vobesr খ্রীষ্টশত্রু পূরণ
হাদিস - ৯৪
হযরত আব্দুলাহ ইবনে যবীর গাফেকী (রহঃ) বলেন, আমি হযরত আলী (রাঃ) বলতে শুনেছি যে, চার ধরনের ফিতনা হবে। ১. ‘ফিতনাতুস সাররা’; (অর্থাৎ প্রাচুর্যের কারণে বিলাসিতায় লিপ্ত হয়ে পড়ার ফিতনা, ২. ‘ফিতনাতু র্দরা’ (অর্থাৎ দরিদ্রতার কারণে কষ্টে নিমজ্জিত হয়ে পড়ার ফিতনা), ৩. ‘এই রূপ ফিতনা’ এ কথা বলে তিনি স্বর্ণের খনির কথা আলোচনা করলেন। অতঃপর নবী করীম সাঃ এর বংশধর থেকে এমন এক ব্যক্তি আবির্ভূত হবেন, যার হাতে আল্লাহ তায়ালা তাদের ক্ষমত ন্যাস্ত করবেন।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৯৪ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন ছেলে এর থেকে দান 
হারেস ইবন ইয়াযীদ থেকে ইবনে Lahee'ah আমি শুনেছি আব্দুল্লাহ বিন Zarir Ghaafiqi বলছেন বলেন 
আমি উচ্চ শুনে 
আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে রাষ্ট্রদ্রোহ চার রাষ্ট্রদ্রোহ পুরু এবং রাষ্ট্রদ্রোহ দুর্ভোগ এবং শত্রুতা বলে যেমন পাশাপাশি সোনা ধাতু উল্লিখিত এবং 
তারপর একটি থেকে মানুষ স্ট্রেন এর নবী , সা আউট হইয়া ঈশ্বর বলে গায়ে হাত আদেশ
হাদিস - ৯৫
হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেছেন, আমার পরে বহু ফিতনা সংঘটিত হবে। তন্মধ্যে একটি হলো, ‘ফিতনায়ে আহলাম’ তাতে পলায়ন হবে, (অর্থাৎ পরস্পরের মধ্যে এমন শত্রুতা দেখা দেবে যে, একে অন্য হতে পলায়ন করতে থাকবে।) এবং তাতে ছিনতাই হবে। অতঃপর এর পরে এমন ফিতনা সংঘটিত হবে যা তার চেয়েও আরো ভয়াভহ হবে, তারপর এমন ফিতনা হবে যে, যখন বলা হবে ফিতনা শেষ হয়ে গেছে, তখন তা এত প্রসারিত হবে যে, প্রত্যেক ঘরে তা প্রবেশ করবেই। এবং প্রত্যেক মুসলমানকে আঘাত করবেই। এরপর আমার বংশধর থেকে কোন এক ব্যক্তি আবির্ভূত হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৯৫ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
Hdtnaaloulid ইবনে মুসলিম ইসমাইল ইবনে রাফি যারা তাকে বলেন 
আবু সাঈদ থেকে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে ঈশ্বরের সঙ্গে 
তাকে , বললেন রসূল এর আল্লাহ , সাঃ আমার পরে সংবেশিত হতে হবে , সহ রাষ্ট্রদ্রোহ Alohlas হতে 
একটি যুদ্ধ এবং পালিয়ে , এবং তারপর সংবেশিত সবচেয়ে এর তাদের তারপর রাষ্ট্রদ্রোহ হতে যেমন করেছে বলেন হয়েছে, যাতে সর্বস্বান্ত বাধাপ্রাপ্ত না 
বাড়িতে থাকতে আমি এটি প্রবেশ করানো ছাড়া এবং কোন মুসলিম ছাড়া আমি এটি না হওয়া পর্যন্ত একটি মানুষ আমার অপরাধ থেকে বেরিয়ে আসে
হাদিস - ৯৬
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে হুবায়রা (রাঃ) বলেন চার প্রকারের ফিতনা হবে। ১. দৃষ্টি সম্পন্ন ফিতনা, ২. প্রবৃত্তি ফিতনা, ৩. অন্ধ ফিতনা, ৪. দাজ্জালের ফিতনা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৯৬ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন 
মুহাম্মদ বিন গাধার এবং পুত্র এর আব্দুর রহমান বিন Shurayh আবু Lahee'ah থেকে দান 
আব্দুল্লাহ বিন 
Hubaira রাষ্ট্রদ্রোহ বলেন চার সাবেক অন্তর্দৃষ্টি এবং দ্বিতীয় রাষ্ট্রদ্রোহ হুই এবং তৃতীয় রাষ্ট্রদ্রোহ অন্ধ 
এবং চতুর্থ খ্রীষ্টশত্রু
হাদিস - ৯৭
হযরত কা’ব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন তিন ধরনের ফিতনা প্রকাশ পাবে, যেমন অনেক ক্ষেত্রে পথচারীকে আটকানো হয়। কিছু ফিতনা প্রকাশিত হবে শাম দেশে, অতঃপর পূর্বদিকে এত মারাত্মক ফিৎনা দেখা দিবে যদ্বারা বড় বড় রাজা বাদশাহগন সর্ষেফুল দেখতে থাকবে। এরপর সাথে সাথে প্রকাশ পাবে পশ্চিমা ফিতনা। অতঃপর হলুদ রংয়ের পতাকা বিশিষ্ট কিছু লোকে আবির্ভাব ঘটবে। বর্ণনাকারীর বক্তব্য হচ্ছে, পশ্চিমা ফিতনা হচ্ছে, মূলতঃ অন্ধ ফিতনা।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৯৭ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন ওয়ালিদ বিন মুসলিম আবদুল থেকে - জব্বার বিন রশিদ আল থেকে Azdi 
তার মা রাবিয়া রূশ সম্রাট্ জন্য বিক্রি 
সম্পর্কে গোড়ালি বলেন করার সংবেশিত করা তিনটি Komskm আবদ্ধ হতে জন্য রাষ্ট্রদ্রোহ 
Baham এবং তারপর ধ্বংস এর পূর্ব রাজাদের এবং তারপর অনুসৃত দ্বারা পশ্চিম ও পতাকা শূন্য বলেন , বলেন পশ্চিম 
অন্ধ
হাদিস - ৯৮
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাঃ এর এন্তেকালের পচিশ বৎসর পর পর্যন্ত আরবের উম্মানের মাঁথা ঘুরতে থাকবে। এরপর বিভিন্ন ধরনের ফিতনা প্রকাশ পাবে, যার মধ্যে গণহত্যা থেকে শুরু করে সবকিছুই ঘটবে। এরপর মানুষের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ও নিরপত্তা অনুভব হবে। এক পর্যায়ে তারা ঘুরতে ঘুরতে লাটিমের মত স্থীর হয়ে যাবে। এরপর এমন ফিতনা প্রকাশ পাবে যা মূলত ব্যাপক হত্যার রূপ নিবে। আমি কিতাবুল্লাহতে উক্ত ফিতনা সম্বন্ধে পেয়েছি, যেটা এমন অন্ধকারচ্ছন্ন ফিতনা যা প্রত্যেক মর্যাদা সম্পন্ন লোককে গ্রাস করে নিবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৯৮ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের আবু Altaah থেকে Damra ইবনে Hozb আবু সাধারণ থেকে তার বাবার কাছ থেকে বল 
থেকে গোড়ালি বলেন বিশ পর Reha আরবদের ঘুর্ণন - পাঁচ মৃত্যুর পর এর তাদের নবী , শান্তি হতে তার উপর , 
এবং রাষ্ট্রদ্রোহ উঠা হত্যা এবং যুদ্ধ হইবে এবং তারপর নিরাপত্তা ও শান্তিতে বসবাস আসতে এর মন তাই যে তারা হয় এ 
levelness Caldwamh সিদ মানে তারপর উঠা রাষ্ট্রদ্রোহ যেখানে হত্যা এবং যুদ্ধ , আমি তার খুঁজে 
বই এর ঈশ্বর অন্ধকার সব এর একটি ওয়ার্প আকার
হাদিস - ৯৯
ভিন্ন সুত্রে উপরের হাদিস বনর্িত হয়েছে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৯৯ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আবু আল-তায়া থেকে আবু ওমর আল-সাইফারকে আবু আল-আওহামের কাছ থেকে কাবাব থেকে 
তার কাছে আমাদের জানান
হাদিস - ১০০
আবু সালেহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, হযরত কা’ব মসজিদে নববীর সংস্কার কাজ চলতে দেখে বললেন, আল্লাহর কসম! আমার ইচ্ছা হচ্ছে, মসজিদে নববীর সংস্কার করা নাহোক। কেননা তার একটি গম্বুজ স্থাপন করা হলে আরেকটি গম্বুজ খসে পড়বে।
একথা শুনে কা’বকে বলা হলো, হে আবু ইসহাক উক্ত মসজিদে নামায আদায় করলে এক হাজার নামায থেকে বেশি সওয়াব দেয়া হবে একথা কি বলা হয়নি। অর্থাৎ, মসজিদে হারামের পর সওয়াবের দিক দিয়ে কি মসজিদে নববীর অবস্থান নয়।
জবাবে হযরত কা’ব রহঃ বলেন, হ্যাঁ আমি একথা বলছি, কিন্তু আসমান থেকে জমিনের দিকে যে ফিতনা ধাবমান হচ্ছে, সেটা একেবারে নিকটে এসে পড়েছে, আর মাত্র এক বিঘত পরিমান বাকি রয়েছে, যা মসজিদে নববীর সংস্কার কাজ সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথে আছড়ে পড়বে। তখনই এই শেখ, অর্থাৎ, হযরত ওসমান ইবনে আফ্ফানকে হত্যা করা হবে। একথা শুনে জনৈক লোক বলে উঠল, তার হত্যাকারীর সাথে কি হযরত ওমর রাযিঃ এর হত্যাকারীর ন্যায় আচরন করা হবে না।
জবাবে কা’ব রহঃ বললেন, লক্ষ বার অথবা তার থেকেও বেশি। এরপর বিশাল, বিস্তৃত এলাকা জুড়ে যুদ্ধ-বিগ্রহ হতে থাকবে। অতঃপর পশ্চিমা এলাকা এবং পূর্ব দিক থেকে দুই দল সৈন্যের আগমন ঘটবে। উভয়দল ‘সিফ্ফীন’ নামক স্থানে একে অপরের মুখোমুখী হবে এবং তাদের মাঝে তীব্র লড়াই সংঘটিত হবে। অতঃপর তারা ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির অধীনস্থতা গ্রহণ পূর্বক যুদ্ধে বিরতী দিবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১০০ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের ইবন আল বলুন - মুবারক আমাদের Aloamc আবু সালেহ বলেছেন 
বললেন গোড়ালি , মসজিদ বলেন শহর তৈরী করল এবং ঈশ্বরের কাছে হতে ভাল এটি করতে হবে এটা দুর্গ থেকে শুধুমাত্র পতিত মিনার নির্মিত 
বলা হয় থেকে তাকে, [ পিতা এর ইসহাক , একটি ব্যথা কম চেয়ে প্রার্থনা বেশী ভালো একটি অন্যত্র হাজার নামাজের , ব্যতীত 
গ্র্যান্ড মসজিদ 
বলেন , এবং আমি কিন্তু রাষ্ট্রদ্রোহ বলে নিচে স্বর্গ থেকে এসেছিলেন , তাদের মধ্যে না এবং যে 
শুধুমাত্র Shubra এমনকি নির্মাণের এই মসজিদ জায়গা নেয় এবং যখন শেষ করেছি হত্যা এর শেখ উসমান বিন 
আফফান 
বলেছেন কেউ বা না তার হিসাবে খুনী খুনী ওমর 
গোড়ালি , বলেন, হ্যাঁ , এক লক্ষ বা বৃদ্ধি এবং তারপর 
সমাধান মধ্যে হত্যা এডেন - থেকে চিকিৎসা Abyan পাথ এর রোমান সেনাবাহিনীর আসে আউট পশ্চিম এবং এবার সেনাবাহিনীকে ওরিয়েন্ট 
Viltqon জমি হয় বলেন করার দুই সারি আছে তাদের মধ্যে থাকবে একটি মহান মহাকাব্য , এবং না তারা শুধুমাত্র 
শেষ আলাপের জ্ঞান সম্পর্কে গান গাইছে
হাদিস - ১০১
হযরত কা’ব রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি একদিন ‘সিফ্ফীন’ নামক এলাকায় রাস্তার মধ্যে কিছু পাথর দেখতে পেয়ে হঠাৎ করে দাড়িয়ে পড়লেন এবং উক্ত পাথর খন্ডকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে থাকলেন। তার অবস্থা দেখে সফরসঙ্গীদের একজন বলল, হে আবু ইসহাক! এভাবে কি দেখছেন?
জবাবে তিনি বলেন, উক্ত পাথরের যে বৈশিষ্ট রয়েছে সেটা আমি কিতাবে দেখতে পেরেছি যে, উক্ত পাথরের জন্য বণী ইসরাঈল নয় বার যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে নিজেদের ধ্বংস ডেকে এনেছে এবং নিঃসন্দেহে আরবরাও অতিসত্ত্বর দশমবারে যুদ্ধে লিপ্ত হবে এবং ধ্বংস হয়ে যাবে, অথবা পাথরগুলো ছুড়ে মারতে হবে, যেমন বনী ইসরাঈল গণ ছুড়ে মেরেছিল।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১০১ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন বাকি এর ক্ষমতাসীন বিন Nafie এবং আবদুল কুদ্দুস সাফওয়ান ইবনে ' আমর 
আমাকে বলেছে আবু Muthanná Damadm Alomluki বলেন 
সম্পর্কে গোড়ালি যে দুই সারি এসে যখন দেখলেন পাথর 
উপর ফিরে এর রাস্তা থেকে অনুভূত বন্ধ 
মালিক এবং বললেন যাও তাকে কি করতে বিবেচনা , হে আবু ইসহাক 
বলেন , 
পাওয়া তার নামক বই যে শিশু এর ইস্রায়েল লড়াই নয় বার পর্যন্ত 
সম্মানিত হওয়া পর্যন্ত এবং আরবরা তাদের সাথে যুদ্ধ করবে না যতক্ষণ না 
তারা 
ইস্রায়েলীয়দের উপর শুকিয়ে বা পাথর নিক্ষেপ করে।
হাদিস - ১০২
হযরত আবুল জাল্দ রহঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন একেরপর এক ফিতনা প্রকাশ পাবে। প্রথম ফিতনা এবং দ্বিতীয় ফিতনা চাবুকের অগ্রভাগের গিঁটের মত হবে যা আঘাত করবে তরবারির ধারালো অংশের মত। এরপর এত ব্যাপক ফিতনা প্রকাশ পাবে, যার মধ্যে সব ধরনের হারাম বস্তুকে হালাল ও বৈধ মনে করা হবে। উম্মতের সকলে কল্যাণ কামনার উপর ঐক্যমত পোষণ করলেও সেটা তাদের প্রতি খুব ধীরে ধীরে আস্তে থাকবে, যেন ঘরের ভিতর বসে থেকে তার অপেক্ষায় প্রহর গুনছে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১০২ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন আব্দুল ওয়াহাব Althagafi আইয়ুব ইবনে সীরীন 
আবূ থেকে 
ত্বক বলেন কাছে হতে একটি রাষ্ট্রদ্রোহ তারপর কি অন্যান্য প্রথম পরকালে শুধুমাত্র Ktmr চাবুক অনুসৃত দ্বারা 
মাছি তলোয়ার এবং তারপর একটি রাষ্ট্রদ্রোহ মধ্যে যা অজাচার অন্তরঙ্গ সঙ্গে সব এর জাতি পূরণের তার ধার্মিকতা আসে কাছে তাকে হিনা এবং 
তার ঘরে বসে আছেন
হাদিস - ১০৩
আবুল ওক্কাছ রহঃ হযরত আলী রাযিঃ থেকে বর্ণনা করেন, তোমাদেরকে কি আমি ‘তারাস্সুন’ ফিতনা সম্বন্ধে বলবোনা, তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলো, ‘তারাস্সুল’ ফিতনা কি? জবাবে তিনি বললেন, যদি কাউকে বাতেলরা দশ প্রকারের বাঁধন দ্বারা কয়েদ করে রাখে তারপরও তার মাধ্যমে আহলে হক্বের অনেক ক্ষতি হবে। তেমনিভাবে যদি কেউ হক্বের কারণে পরিপূর্ণভাবে গ্রেফতার অবস্থায় থাকে তারপরও তার মাধ্যমে বাতেলদের মারাত্মক ক্ষতি হবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১০৩ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
থেকে ইয়াহইয়া ইবনে ইয়ামান বিপ্লবী সুফিয়ান সালামা ইবনে Kuhayl 
আবু ওয়াক্কাস থেকে 
আলী আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে বললেন করার বলছি রাষ্ট্রদ্রোহ Altersl বলা হয়েছিল এবং রাষ্ট্রদ্রোহ 
Altersl বললেন মানুষ আবদ্ধ ছিলেন সঙ্গে দশ লিংক মানুষ এর সঠিক ব্যক্তির কাছে মিথ্যা ক্ষতি তাদের যদি 
তিনি নিবন্ধিত ছিল সঙ্গে দশ লিংক মানুষ এর মিথ্যাবাদীদের কাছে ধার্মিকতা ক্ষতিকর
হাদিস - ১০৪
বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আউফ ইবনে মালেক আমজাঈ রাযিঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন আমাকে রাসূলুল্লাহ সাঃ এরশাদ করেছেন, হে আউফ! কিয়ামতের পূর্বে ছয়টি ফিতনা প্রকাশ পাবে। তার মধ্যে প্রথম ফিতনা হচ্ছে, তোমাদের নবীর ওফাত পাওয়া, রাসূলুল্লাহ সাঃ এর কথা শুনে আমি কেঁদে উঠলাম। অতঃপর তিনি বললেন, দ্বিতীয় ফিতনা হচ্ছে, বায়তুল মোকাদ্দাসের বিজয় হওয়া। তৃতীয় ফিতনাটি এত ব্যাপক হবে যা শহর এবং গ্রামের প্রতিটি ঘরকেই গ্রাস করে নিবে। চতুর্থ ফিতনা হচ্ছে, মানুষের মধ্যে গণহারে মৃত্যু দেখা দিবে, যেন সকলে ছাগলের মাড়কের ন্যায় মহামারীতে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। পঞ্চম ফিতনা হচ্ছে, লোকজন প্রচুর সম্পদের মালিক হবে। এমনকি কাউকে একশত দিনার দান করা হলেও যে কম মনে করে রাগে ক্ষোভে ফেটে পড়বে। আর ষষ্ঠ ফিতনা হলো, তোমাদের এবং রোমবাসীদের মাঝে একটা চুক্তি হবে। অতঃপর তারা আশি দলে বিভক্ত হয়ে বারো হাজার সৈন্যের বিশাল কাফেলা সহকারে তোমাদের দিকে ধেয়ে আসবে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১০৪ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের সম্পর্কে Hushaym বলুন 
দ্বিতীয় থেকে কেউ ইবনে আতা মুহাম্মদ ইবনে আবী মোহাম্মদ 
আওফ বিন মালেক Ashja'i আল্লাহ পারে হতে সন্তুষ্ট সঙ্গে তাকে , বললেন করার 
আমাকে রসূল এর আল্লাহ , শান্তি বর্ষিত হোক তাকে এবং ধরলাম ছয় দিন আগে সময় প্রথম এর মৃত্যুর কয়েক নবী শান্তি হতে উপরে 
তাকে , তিনি চিৎকার করে বললেন , এবং দ্বিতীয় খোলা ঘর এর এবং বাইবেল তৃতীয় রাষ্ট্রদ্রোহ প্রতিটি বাসায় ঢুকতে চুল মূত্রবর্ধক 
এবং চতুর্থ মানুষ আমাদের মৃত Kqas ভেড়া এবং পঞ্চম বন্যা টাকা মধ্যে আপনি এমনকি দেওয়া ব্যক্তি 
শতাংশ দিনার Fitschtha ও ষষ্ঠ সাময়িক যুদ্ধবিরতি হতে 
আপনি মধ্যে ছেলেদের এর হলুদ Veceron 
প্রতিটি বার হাজার অধীনে খুব খুব আপনি আশি মধ্যে
হাদিস - ১০৫
সিলা ইবনে যুরার রহঃ বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হোজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ কে বলতে শুনেছেন। তাঁকে একজন লোক বলল, “দাজ্জালের আবির্ভাব ঘটেছে”। একথা শুনে হযরত হোজাইফা রাযিঃ বললেন, না আল্লাহর কসম! সেটা কক্ষনো হতে পারে না। যতক্ষণ পর্যন্ত তোমাদের মাঝে আল্লাহর রাসূল সাঃ এর সাহাবায়ে কেরাম উপস্থিত থাকবেন, ততক্ষণ দাজ্জাল আসতে পারে না। বিশেষ এক গোত্র দাজ্জালের আগমনের আশা করলেও তার আগমন ঘটবেনা। এমনকি কারো কারো নিকট দাজ্জালের আবির্ভাব এতই প্রিয় হবে, যেমন তীব্র গরমের দিন মানুষের কাছে ঠান্ডা পানি পান করা খুবই প্রিয় হয়। এক পর্যায়ে হযরত হোজাইফা ইবনুল ইয়ামান রাযিঃ বললেন, হে উম্মতে মুহাম্মদিয়া! অতিসত্ত্বর তোমাদের মাঝে চার প্রকারের ফিতনা প্রকাশ পাবে। তার মধ্যে এককিট হচ্ছে, সাদা-কালো মিশ্রিত ফিতনা। আরেকটি হলো, অন্ধকারাচ্ছন্ন ফিতনা। তৃতীয়টি হচ্ছে, অমুক অমুক ফিতনা। আর চতুর্থ ফিতনা তোমাদেরকে দাজ্জালের প্রতি ঠেলে দিবে, অতঃপর উক্ত সমতল ভূমিতে দুই দল যুদ্ধে বিগ্রহে লিপ্ত হয়ে পড়বে। আমার জানা নেই উভয় দল থেকে কোন দল সত্য বা হক্বের উপর রয়েছে এবং আমার তূণীরের তীর দ্বারা আমি উভয় দলের কোন দলকে সাহায্য করব।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১০৫ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের গ্ল্যাডিয়েটর সম্পর্কে Hushaym বলুন , বলেন 
জনপ্রিয় সম্পর্কে আমাদের বলুন লিংক বিন জাফর 
শোনা হুযাইফা ইবনুল - ইয়ামন বের করে বললেন একটি মানুষ খ্রীষ্টশত্রু বেরিয়ে আসেন , তিনি বলেন 
হুযাইফা আপনি কী ছিল , মালিকদের এর মুহাম্মাদ সা না ঈশ্বর অপরাজিত আসে তাই শুভেচ্ছা 
মানুষ প্রস্থান মদ্যপান থেকে ভাবেন মত প্রস্থান যতক্ষণ বাইরে যেতে না 
গরম দিন ঠাণ্ডা পানি, এবং তারা আপনার মধ্যে হতে হবে, উ উম্মাহ, মৃত এবং অন্ধকারের চার প্রবক্তা, এবং নারী ও নারী, এবং আপনার 
Dajjal চতুর্থ প্রসবের জন্য।
হাদিস - ১০৬
বিশিষ্ট তাবেঈ হযরত তাউস রহঃ বলেন, জনৈক লোক হযরত আবু মুসা আশআরী রাযিঃ এর কাছে জানতে চাইলো যে, এসব কি ঐ ফিতনা যা আপনি আমাদের সামনে বর্ণনা করতেন। উক্ত ঘটনাটি মূলতঃ তখনই যখন আবু মুসা আশআরী রাযিঃ এবং হযরত আমর ইবনুল আম রাযিঃ এর মাঝে কোনো এক সিদ্ধান্তের ব্যাপারে মতবিরোধ দেখা দিয়েছিল জবাবে হযরত আবু মুসা আশআরী রাযিঃ বললেন, এগুলো হচ্ছে, ফিতনার মারাত্মক মারাত্মক অংশসমূহ হতে একটি। অতঃপর বাকি রইল, বড় বড় অন্ধকারচ্ছন্ন ফিতনা, যা গোটা জাতিকে গ্রাস করবে। যারা উক্ত ফিতনার প্রতি মনোনিবেশ কবে তাদেরকে অত্যন্ত নির্মমভাবে আকৃষ্ট করে নিবে। উক্ত ফিতনাকালীন যারা বসে থাকবে তারা দন্ডায়মান থাকা লোকজন থেকে উত্তম, আর একস্থানে দাড়িয়ে থাকা লোক চলাচলকারী থেকে ভালো। স্বাভাবিক গতি সম্পন্ন লোক দ্রুতগামী থেকে অনেক উত্তম। ফিতনা সম্বন্ধে মন্তব্যকারী থেকে নীরবতা অবলম্বনকারী উত্তম আর উক্ত ফিতনার সময় ঘুমন্ত ব্যক্তি অনেক ভালো জাগ্রত লোক থেকে।
[ আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১০৬ ]
___________________________________
নঈম বিন হাম্মাদ
আমাদের বলুন আব্দুল ওয়াহাব বিন আব্দুল মজিদ থেকে ইয়াহিয়া ইবনে সাঈদ বলেন , আমাকে আবু জুবায়ের বলেছেন 
Tawoos তাকে বলেন যে যে আবু মুসা আল আপত্তি - আশ'আরী মানুষ 
এই কথা রাষ্ট্রদ্রোহ ছিল 
মনে রাখবেন যে যখন বিভক্ত হয় আমর ইবনুল - আস যখন ক্ষমতাসীন 
আবু মুসা বলেন , এই শুধুমাত্র Haysa যেমন 
Hasat শত্রুতা থেকে Alrdah রয়ে ফলিত আশরাফ তত্বাবধান তাকে করা হয় বসা যেখানে বেশী ভালো 
বিদ্যমান এবং ভাল চেয়ে ওয়াকার এবং ওয়াকার বিদ্যমান হয় বেশী ভালো একটি কুরিয়ার এবং নীরব হয় বেশী ভালো বক্তা 
এবং জাগরিত বেশী ভালো ঘুমের 
সামান্য হ্রাস থেকে এর হৃদয় ও মন জয় ও যান স্বপ্ন এর লোকেদের 
শত্রুতা