এসো হাদিস পড়ি ?
এসো হাদিস পড়ি ?
হাদিস অনলাইন ?

ﺟُﻤَّﺎﻉُ ﺃَﺑْﻮَاﺏِ اﻻِﺳْﺘِﻨْﺠَﺎءِ ﺑِﺎﻟْﻤَﺎء

পানি দ্বারা ইস্তিঞ্জা করার বিষয়ের পর্ব

========================================================================

65-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ ﺛَﻨَﺎءِ اﻟﻠَّﻪِ ﻋَﺰَّ ﻭَﺟَﻞَّ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﻤُﺘَﻄَﻬِّﺮِﻳﻦَ ﺑِﺎﻟْﻤَﺎء

অধ্যায় ৬৫: পানি দ্বারা পবিত্রতা অর্জনকারীদের আল্লাহ তা‘য়ালা প্রশংসা করেছেন; তার বর্ণনা।

83 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ، ﻧﺎ ﺇِﺳْﻤَﺎﻋِﻴﻞُ ﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﺃُﻭَﻳْﺲٍ، ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﺃَﺑِﻲ، ﻋَﻦْ ﺷُﺮَﺣْﺒِﻴﻞَ ﺑْﻦِ ﺳَﻌْﺪٍ، ﻋَﻦْ ﻋُﻮَﻳْﻢِ ﺑْﻦِ ﺳَﺎﻋِﺪَﺓَ اﻷَْﻧْﺼَﺎﺭِﻱِّ ﺛُﻢَّ اﻟْﻌَﺠْﻼَﻧِﻲِّ، ﺃَﻥَّ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ ﻷَِﻫْﻞِ ﻗُﺒَﺎءَ: ” ﺇِﻥَّ §اﻟﻠَّﻪَ ﻗَﺪْ ﺃَﺣْﺴَﻦَ ﻋَﻠَﻴْﻜُﻢُ اﻟﺜَّﻨَﺎءَ ﻓِﻲ اﻟﻄُّﻬُﻮﺭِ، ﻭَﻗَﺎﻝَ: {ﻓِﻴﻪِ ﺭِﺟَﺎﻝٌ ﻳُﺤِﺒُّﻮﻥَ ﺃَﻥْ ﻳَﺘَﻄَﻬَّﺮُﻭا} [اﻟﺘﻮﺑﺔ: 108] ﺣَﺘَّﻰ اﻧْﻘَﻀَﺖِ اﻵْﻳَﺔُ، ﻓَﻘَﺎﻝَ ﻟَﻬُﻢْ: «ﻣَﺎ ﻫَﺬَا اﻟﻄُّﻬُﻮﺭُ؟» ﻓَﻘَﺎﻟُﻮا: ﻣَﺎ ﻧَﻌْﻠَﻢُ ﺷَﻴْﺌًﺎ ﺇِﻻَّ ﺃَﻧَّﻪُ ﻛَﺎﻥَ ﻟَﻨَﺎ ﺟِﻴﺮَاﻥٌ ﻣِﻦَ اﻟْﻴَﻬُﻮﺩِ، ﻭَﻛَﺎﻧُﻮا ﻳَﻐْﺴِﻠُﻮﻥَ ﺃَﺩْﺑَﺎﺭَﻫُﻢْ ﻣِﻦَ اﻟْﻐَﺎﺋِﻂِ ﻓَﻐَﺴَﻠْﻨَﺎ ﻛَﻤَﺎ ﻏَﺴَﻠُﻮ

৮৩: ‘উয়াইম বিন সায়াদ আনসারী আজজালানী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। নাবী (সাঃ) ক্বুবার অধিবাসীদের বললেন: “নিঃসন্দেহে আল্লাহ তা’য়ালা পবিত্রতা সম্পর্কে তোমাদের অধিক প্রশংসা করেছেন। অতঃপর তিনি এই আয়াত তিলাওয়াত করলেন : ﻓِﻴﻪِ ﺭِﺟَﺎﻝٌ ﻳُﺤِﺒُّﻮﻥَ ﺃَﻥْ ﻳَﺘَﻄَﻬَّﺮُﻭ “তাতে এমন লোক আছে যে অধিক পবিত্রতা অর্জন করা পছন্দ করে; আর আল্লাহও অধিক পবিত্রতা অর্জনকারীকে পছন্দ করেন” (সূরা তাওবাহ ১০৮)। অতঃপর তিনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন ; তারা কিভাবে পবিত্রতা অর্জন করে?  (যার জন্য আল্লাহ তাদের প্রশংসা করেছেন)। তারা বলল; আমাদের কোন বিষয়ের জ্ঞান নেই তা ব্যতীত কিছু ইয়াহুদী আমাদের সঙ্গী ছিল যারা প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারার পর নিজেদের নিম্নাঙ্গ ধৌত করতো; আমরাও (ইস্তিঞ্জার সময় আমাদের নিম্নাঙ্গ) ধৌত করা শুরু করে দিলাম যেমন তারা ধৌত করতো।”।
★সনদ হাসান।  মুসনাদে আহমাদ ৩/৪২২; হাকেম ১/২৫৮; মাজমাউয যাওয়াঈদ ১/২১২;
ব্যাখ্যা :
এই হাদীস প্রমাণ করে যে; পানি দ্বারা ইস্তিঞ্জা করাই হচ্ছে উত্তম; তাতে পরিপূর্ণ পবিত্রতা অর্জন করা সম্ভব হয়। যার জন্য আল্লাহ তা’য়ালা ক্বুবাবাসীদের প্রশংসা করেছেন।

66-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﺳْﺘِﻨْﺠَﺎءِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺑِﺎﻟْﻤَﺎء

অধ্যায় ৬৬: নাবী (সাঃ) এর পানি দ্বারা ইস্তিঞ্জা করার বর্ণনা।

84 – ﻧﺎ ﻳَﻌْﻘُﻮﺏُ ﺑْﻦُ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢَ اﻟﺪَّﻭْﺭَﻗِﻲُّ، ﻧﺎ اﺑْﻦُ ﻋُﻠَﻴَّﺔَ، ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﺭَﻭْﺡُ ﺑْﻦُ اﻟْﻘَﺎﺳِﻢِ، ﻧﺎ ﻋَﻄَﺎءُ ﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﻣَﻴْﻤُﻮﻧَﺔَ، ﻋَﻦْ ﺃَﻧَﺲِ ﺑْﻦِ ﻣَﺎﻟِﻚٍ ﻗَﺎﻝَ: «ﻛَﺎﻥَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﺇِﺫَا ﺗَﺒَﺮَّﺯَ ﻟِﺤَﺎﺟَﺔٍ ﺃَﺗَﻴْﺘُﻪُ ﺑِﻤَﺎءٍ ﻓَﻴَﺘَﻐَﺴَّﻞُ ﺑِﻪِ»

৮৪: আনাস বিন মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) যখন পেশাব-পায়খানার জন্য বাইরে বের হতেন; তখন আমি তার নিকট পানি নিয়ে যেতাম তিনি তা দিয়ে ইস্তিঞ্জা করতেন এবং নিজের নিম্নাঙ্গ ধুতেন।
★বুখারী হাঃ ১৫০;২১৭; মুসলিম হাঃ ২৭১; দারেমী হাঃ ৬৭৫; মুসনাদে আহমাদ ৩/১১২; ১৭১; ২৮৪০;

85 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺧَﺎﻟِﺪِ ﺑْﻦِ ﺧِﺪَاﺵٍ اﻟﺰَّﻫْﺮَاﻧِﻲُّ، ﻧﺎ ﺳَﺎﻟِﻢُ ﺑْﻦُ ﻗُﺘَﻴْﺒَﺔَ، ﻋَﻦْ ﺷُﻌْﺒَﺔَ، ﻋَﻦْ ﻋَﻄَﺎءِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻣَﻴْﻤُﻮﻧَﺔَ، ﻋَﻦْ ﺃَﻧَﺲِ ﺑْﻦِ ﻣَﺎﻟِﻚٍ، «ﺃَﻥَّ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻛَﺎﻥَ §ﺇِﺫَا ﺫَﻫَﺐَ ﻟِﺤَﺎﺟَﺘِﻪِ ﺫَﻫَﺒْﺖُ ﻣَﻌَﻪُ ﺑِﻌُﻜَّﺎﺯٍ ﻭَﺇِﺩَاﻭَﺓٍ، ﻓَﺈِﺫَا ﺧَﺮَﺝَ ﻣَﺴَﺢَ ﺑِﺎﻟْﻤَﺎءِ، ﻭَﺗَﻮَﺿَّﺄَ ﻣِﻦَ اﻹِْﺩَاﻭَﺓِ»

৮৫: আনাস বিন মালিক (রাযিঃ) বলেন; “নাবী (সাঃ) যখন পেশাব-পায়খানার জন্য যেতেন আমি তার সঙ্গে একটি লাঠি ও পানির পাত্র নিয়ে যেতাম। যখন তিনি বের হতেন পানি দ্বারা ইস্তিঞ্জা করতেন ও পানির পাত্র হতে ওযু করতেন”।
উপরোক্ত ৮৪ হাদীসের রেফারেন্সের গ্রন্থে এটা রয়েছে।

86 – ﻧﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟْﻮَاﺭِﺙِ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺼَّﻤَﺪِ اﻟْﻌَﻨْﺒَﺮِﻱُّ، ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﺃَﺑِﻲ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺷُﻌْﺒَﺔُ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻣُﻌَﺎﺫٍ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﺃَﻧَﺴًﺎ ﻳَﻘُﻮﻝُ: «ﻛَﺎﻥَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﺇِﺫَا ﺧَﺮَﺝَ ﻟِﺤَﺎﺟَﺘِﻪِ اﺗَّﺒَﻌْﻨَﺎﻩُ ﺃَﻧَﺎ ﻭَﻏُﻼَﻡٌ ﺁﺧَﺮُ ﺑِﺈِﺩَاﻭَﺓٍ ﻣِﻦْ ﻣَﺎءٍ» ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: «ﺃَﺑُﻮ ﻣُﻌَﺎﺫٍ ﻫَﺬَا ﻫُﻮَ ﻋَﻄَﺎءُ ﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﻣَﻴْﻤُﻮﻧَﺔَ»

৮৬: আবূ মুআয বর্ণনা করেন; আমি আনাস (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি; “রসূলুল্লাহ (সাঃ) যখন পেশাব-পায়খানার জন্য যেতেন আমি ও এক বালক পানির পাত্র নিয়ে তার পেছনে যেতাম”। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; সে হল আবূ মুআয ‘আত্বা বিন আবূ মাইমুনাহ।
★বুখারী হাঃ ১৫০; ১৫১; মুসলিম হাঃ ২৭১;

87 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ اﻟْﻮَﻟِﻴﺪِ، ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺟَﻌْﻔَﺮٍ، ﻧﺎ ﺷُﻌْﺒَﺔُ، ﻋَﻦْ ﻋَﻄَﺎءِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻣَﻴْﻤُﻮﻧَﺔَ ﺃَﻧَّﻪُ، ﺳَﻤِﻊَ ﺃَﻧَﺲَ ﺑْﻦَ ﻣَﺎﻟِﻚٍ ﻳَﻘُﻮﻝُ: «ﻛَﺎﻥَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﻳَﺪْﺧُﻞُ اﻟْﺨَﻼَءَ ﻓَﺄَﺣْﻤِﻞُ ﺃَﻧَﺎ ﻭَﻏُﻼَﻡٌ ﻧَﺤْﻮِﻱ ﺇِﺩَاﻭَﺓً ﻣِﻦْ ﻣَﺎءٍ ﻭَﻏَﻴْﺮِﻩِ ﻓَﻴَﺴْﺘَﻨْﺠِﻲ ﺑِﺎﻟْﻤَﺎءِ»

৮৭: আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; “রসূলুল্লাহ (সাঃ) যখন পায়খানায় প্রবেশ করতেন তখন আমি ও আমার মত একটি বালক পানির পাত্র উঠিয়ে নিয়ে যেতাম। তিনি পানি দ্বারা ইস্তিঞ্জা করতেন”।
★উপোরক্ত রেফারেন্স।

67-ﺑَﺎﺏُ ﺗَﺴْﻤِﻴَﺔِ اﻻِﺳْﺘِﻨْﺠَﺎءِ ﺑِﺎﻟْﻤَﺎءِ ﻓِﻄْﺮَﺓ

অধ্যায় ৬৭: পানি দিয়ে ইস্তিঞ্জা করা ফিতরাত(স্বভাব ধর্ম)।

88 – ﻧﺎ ﻳُﻮﺳُﻒُ ﺑْﻦُ ﻣُﻮﺳَﻰ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻭَﻛِﻴﻊٌ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺭَاﻓِﻊٍ، ﻧﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﻧُﻤَﻴْﺮٍ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋَﺒْﺪَﺓُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ اﻟْﺨُﺰَاﻋِﻲُّ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺑِﺸْﺮٍ ﻗَﺎﻟُﻮا: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺯَﻛَﺮِﻳَّﺎ ﻭَﻫُﻮَ اﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﺯَاﺋِﺪَﺓَ، ﻧﺎ ﻣُﺼْﻌَﺐُ ﺑْﻦُ ﺷَﻴْﺒَﺔَ، ﻋَﻦْ ﻃَﻠْﻖِ ﺑْﻦِ ﺣَﺒِﻴﺐٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ اﻟﺰُّﺑَﻴْﺮِ، ﺃَﻥَّ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔَ ﺣَﺪَّﺛَﺘْﻪُ، ﺃَﻥَّ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ: ” §ﻋَﺸْﺮٌ ﻣِﻦَ اﻟْﻔِﻄْﺮَﺓِ: ﻗَﺺُّ اﻟﺸَّﺎﺭِﺏِ، ﻭَاﺳْﺘِﻨْﺸَﺎﻕُ اﻟْﻤَﺎءِ، ﻭَاﻟﺴِّﻮَاﻙُ، ﻭَﺇِﻋْﻔَﺎءُ اﻟﻠِّﺤْﻴَﺔِ، ﻭَﻧَﺘْﻒُ اﻹِْﺑْﻂِ، ﻭَﺣَﻠْﻖُ اﻟْﻌَﺎﻧَﺔِ، ﻭَاﻧْﺘِﻘَﺎﺹُ اﻟْﻤَﺎءِ، ﻭَﻗَﺺُّ اﻷَْﻇْﻔَﺎﺭِ، ﻭَﻏَﺴْﻞُ اﻟْﺒَﺮَاﺟِﻢِ ” ﻗَﺎﻝَ ﻋَﺒْﺪَﺓُ ﻓِﻲ ﺣَﺪِﻳﺜِﻪِ: «ﻭَاﻟْﻌَﺎﺷِﺮَﺓُ ﻻَ ﺃَﺩْﺭِﻱ ﻣَﺎ ﻫِﻲَ ﺇِﻻَّ ﺃَﻥْ ﺗَﻜُﻮﻥَ اﻟْﻤَﻀْﻤَﻀَﺔَ» ﻭَﻓِﻲ ﺣَﺪِﻳﺚِ ﻭَﻛِﻴﻊٍ ﻗَﺎﻝَ ﻣُﺼْﻌَﺐٌ: «ﻭﻧَﺴِﻴﺖُ اﻟْﻌَﺎﺷِﺮَﺓَ ﺇِﻻَّ ﺃَﻥْ ﺗَﻜُﻮﻥَ اﻟْﻤَﻀْﻤَﻀَﺔَ» ﻗَﺎﻝَ ﻭَﻛِﻴﻊٌ: «اﻧْﺘِﻘَﺎﺹُ اﻟْﻤَﺎءِ ﺇِﺫَا ﻧَﻀَﺤَﻪُ ﺑِﺎﻟْﻤَﺎءِ ﻧَﻘَﺺَ» ﻭَﻟَﻢْ ﻳَﺬْﻛُﺮِ اﺑْﻦُ ﺭَاﻓِﻊٍ اﻟْﻌَﺎﺷِﺮَﺓَ، ﻭَﻻَ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ ﻭَﻻَ ﺷَﻚَّ ”

৮৮: আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; নাবী (সাঃ) বলেছেন : “দশটি কাজ ফিতরাতের অন্তর্ভুক্ত। মোছ কাটা; নাকে পানি দেওয়া (ও তা ঝেড়ে পরিষ্কার করা); মিসওয়াক করা; দাড়ি লম্বা করা; বগলের পশম উপড়ে ফেলা; নাভির নীচের পশম মুন্ডন করা; পানি দ্বারা ইস্তিঞ্জা করা (কিংবা ওযু করার পর লজ্জাস্থানের কাপড়ে ছিটে মারা); নখ কাটা এবং আঙুলের গিরাসমূহ ধোয়া”। ‘আবদাহ তার রিওয়াআতে বলেন ; “দশমটির কথা আমি ভুলে গিয়েছি; সম্ভবত: সেটি হবে কুলি করা”। ‘অকির রিওয়াআতে আছে; মুসআব বলেছেন; দশমটির কথা আমি ভুলে গিয়েছি।
সম্ভবত সেটা কুলি করা। ‘অকিয় বলেন «اﻧْﺘِﻘَﺎﺹُ اﻟْﻤَﺎء পানির কম হওয়া। এর অর্থ হল যখন নিজের লজ্জস্থানে পানির ছিটে মারবে তখন পেশাব বের হওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। (ইমাম সাহিব বলেন) ; ইবনু রাফি’ ও সুফিয়ান দশম কাজের উল্লেখ করেননি আর সন্দেহের কারণে তিনি দশম কাজের বর্ণনা করেননি।
★মুসলিম হাঃ ২৬১; তিরমিযী হাঃ ২৭৫৭; আবুদাঊদ হাঃ ৫৩; ইবনুমাজাহ হাঃ ২৯৩;

68-ﺑَﺎﺏُ ﺩَﻟْﻚِ اﻟْﻴَﺪِ ﺑِﺎﻷَْﺭْﺽِ ﻭَﻏَﺴْﻠِﻬِﻤَﺎ ﺑَﻌْﺪَ اﻟْﻔَﺮَاﻍِ ﻣِﻦَ اﻻِﺳْﺘِﻨْﺠَﺎءِ ﺑِﺎﻟْﻤَﺎء

অধ্যায় ৬৮: পানি দিয়ে ইস্তিঞ্জা করার পর হাতকে জমীনে ঘষা ও পানি দিয়ে ধোয়া।

89 – ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻧُﻌَﻴْﻢٍ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑَﺎﻥُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ اﻟْﺒَﺠَﻠِﻲُّ، ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢُ ﺑْﻦُ ﺟَﺮِﻳﺮٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ، «ﺃَﻥَّ ﻧَﺒِﻲَّ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﺩَﺧَﻞَ اﻟْﻐَﻴْﻀَﺔَ ﻓَﻘَﻀَﻰ ﺣَﺎﺟَﺘَﻪُ، ﻓَﺄَﺗَﺎﻩُ ﺟَﺮِﻳﺮٌ ﺑِﺈِﺩَاﻭَﺓٍ ﻣِﻦْ ﻣَﺎءٍ ﻓَﺎﺳْﺘَﻨْﺠَﻰ ﺑِﻬَﺎ» ﻗَﺎﻝَ: «ﻭَﻣَﺴَﺢَ ﻳَﺪَﻩُ ﺑِﺎﻟﺘُّﺮَاﺏ

৮৯: ইবরাহীম জারীর তার পিতা হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন ; নাবী (সাঃ) ঝোপের মাঝে প্রবেশ করেন ও তার প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূরণ করেন। জারীর (রাযিঃ) তার নিকট পানির পাত্র নিয়ে উপস্থিত হলেন। তিনি পানি দিয়ে ইস্তিঞ্জা করেন। তিনি বলেন ; অতঃপর তিনি তার হাত মাটিতে ঘষেন।
★সনদ হাসান। ইবনুমাজাহ হাঃ ৩৫৯; নাসাঈ হাঃ ৫১;

69-ﺑَﺎﺏُ اﻟْﻘَﻮْﻝِ ﻋِﻨْﺪَ اﻟْﺨُﺮُﻭﺝِ ﻣِﻦَ اﻟْﻤُﺘَﻮَﺿَّﺄ

অধ্যায় ৬৯: পায়খানা হতে বের হয়ে দুআ পড়তে হবে।

90 – ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻣُﻮﺳَﻰ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ اﻟْﻤُﺜَﻨَّﻰ، ﻧﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﺑُﻜَﻴْﺮٍ، ﻧﺎ ﺇِﺳْﺮَاﺋِﻴﻞُ، ﻋَﻦْ ﻳُﻮﺳُﻒَ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﺑُﺮْﺩَﺓَ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ ﻗَﺎﻝَ: ﺩَﺧَﻠْﺖُ ﻋَﻠَﻰ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔَ ﻓَﺴَﻤِﻌْﺘُﻬَﺎ ﺗَﻘُﻮﻝُ: ﻛَﺎﻥَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﺇِﺫَا ﺧَﺮَﺝَ ﻣِﻦَ اﻟْﻐَﺎﺋِﻂِ ﻗَﺎﻝَ: «ﻏُﻔْﺮَاﻧَﻚَ» ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺃَﺳْﻠَﻢَ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋُﺒَﻴْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﻣُﻮﺳَﻰ، ﻋَﻦْ ﺇِﺳْﺮَاﺋِﻴﻞَ ﺑِﻬَﺬَا ﻣِﺜْﻠَﻪ

৯০: আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেন; আমি আয়িশা (রাযিঃ) এর নিকট গেলাম। আমি তাকে বলতে শুনলাম : “রসূলুল্লাহ (সাঃ) যখন পায়খানা থেকে বের হতেন তখন বলতেন ﻏُﻔْﺮَاﻧَﻚَ (গুফরানাকা) অর্থাৎ হে আল্লাহ!  আমি আপনার নিকট ক্ষমা চাই”। (ইমাম সাহিব বলেন); আমাকে মুহাম্মাদ বিন আসলাম আব্দুল্লাহ বিন মূসা এবং তিনি ইসরাঈল হতে এমন রিওয়াআত বর্ণনা করেছেন।
★সনদ হাসান। আবুদাঊদ হাঃ ৩০; ইবনুমাজাহ ৩০০; তিরমিযী হাঃ ৭;