এসো হাদিস পড়ি ?
এসো হাদিস পড়ি ?
হাদিস অনলাইন ?

ﺟُﻤَّﺎﻉُ ﺃَﺑْﻮَاﺏِ اﻵْﺩَاﺏِ اﻟْﻤُﺤْﺘَﺎﺝِ ﺇِﻟَﻴْﻬَﺎ ﻓِﻲ ﺇِﺗْﻴَﺎﻥِ اﻟْﻐَﺎﺋِﻂِﻭَاﻟْﺒَﻮْﻝِ ﺇِﻟَﻰ اﻟْﻔَﺮَاﻍِ ﻣِﻨْﻬَﺎ

পেশাব ও পায়খানার জন্য যাওয়ার সময় ও তা হতে ফেরার সময় জরুরী আদব এর বিষয়

========================================================================

37-ﺑَﺎﺏُ اﻟﺘَّﺒَﺎﻋُﺪِ ﻟِﻠْﻐَﺎﺋِﻂِ ﻓِﻲ اﻟﺼَّﺤَﺎﺭِﻱ ﻋَﻦِ اﻟﻨَّﺎﺱ

অধ্যায় ৩৭: প্রাকৃতিক প্রয়োজনের (পায়খানার জন্য) লোকেদের হতে দূর আড়ালে যেতে হবে।

50 – ﺛﻨﺎ ﻋَﻠِﻲُّ ﺑْﻦُ ﺣُﺠْﺮٍ اﻟﺴَّﻌْﺪِﻱُّ، ﺛﻨﺎ ﺇِﺳْﻤَﺎﻋِﻴﻞُ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﺟَﻌْﻔَﺮٍ، ﺛﻨﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﻤْﺮٍﻭ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﺳَﻠَﻤَﺔَ، ﻋَﻦِ اﻟْﻤُﻐِﻴﺮَﺓِ ﺑْﻦِ ﺷُﻌْﺒَﺔَ ﻗَﺎﻝَ: «ﻛَﺎﻥَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﺇِﺫَا ﺫَﻫَﺐَ اﻟْﻤَﺬْﻫَﺐَ ﺃَﺑْﻌَﺪَ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺣﺴﻦ

৫০: মুগীরাহ বিন শু’বাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; নাবী (সাঃ) যখন প্রাকৃতিক প্রয়োজনে (পায়খানার উদ্দেশ্যে) যেতেন তখন (লোকেদের হতে) দূরে চলে যেতেন।
★সনদ হাসান। আবূদাঊদ হাঃ ১; সহীহ নং ১১৫৯; নাসাঈ হাঃ ১৭; ইবনুমাজাহ হাঃ ৩১; তিরমিযী হাঃ ২০;

51 – ﺛﻨﺎ ﺑُﻨْﺪَاﺭٌ، ﺛﻨﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺳَﻌِﻴﺪٍ، ﺛﻨﺎ ﺃَﺑُﻮ ﺟَﻌْﻔَﺮٍ اﻟْﺨَﻄْﻤِﻲُّ ﻗَﺎﻝَ: ﺑُﻨْﺪَاﺭٌ: ﻗُﻠْﺖُ ﻟِﻴَﺤْﻴَﻰ: ﻣَﺎ اﺳْﻤُﻪُ؟ ﻓَﻘَﺎﻝَ: ﻋُﻤَﻴْﺮُ ﺑْﻦُ ﻳَﺰِﻳﺪَ، ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﻋُﻤَﺎﺭَﺓُ ﺑْﻦُ ﺧُﺰَﻳْﻤَﺔَ، ﻭَاﻟْﺤَﺎﺭِﺙُ ﺑْﻦُ ﻓُﻀَﻴْﻞٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻗُﺮَاﺩٍ ﻗَﺎﻝَ: «ﺧَﺮَﺟْﺖُ ﻣَﻊَ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻓَﺮَﺃَﻳْﺘُﻪُ ﺧَﺮَﺝَ ﻣِﻦَ اﻟْﺨَﻼَءِ، ﻭَﻛَﺎﻥَ §ﺇِﺫَا ﺃَﺭَاﺩَ ﺣَﺎﺟَﺔً ﺃَﺑْﻌَﺪَ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

৫১: আব্দুর রহমান বিন আবূ কারাদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সঙ্গে (হজ্জের জন্য) বের হলাম। (একবার) আমি তাকে দেখলাম যে; তিনি পায়খানা হতে (প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূর্ণ করার পর) বের হলেন। তিনি যখন প্রাকৃতিক প্রয়োজন এর ইচ্ছা করতেন তখন দূরবর্তী স্থানে চলে যেতেন।
★সনদ সহীহ। আবুদাঊদ হাঃ ১১; ইবনুমাজাহ হাঃ ৩৩৪; নাসাঈ হাঃ ১৬;
ব্যাখ্যা:
উপরোক্ত দুটি হাদীস হতে জানা গেল যে; প্রাকৃতিক প্রয়োজন অর্থাৎ পেশাব ও পায়খানার বেগ পেলে তা সারতে লোক চক্ষুর আড়ালে চলে যেতে হবে। বর্তমানে যাদের ঘেরা বা পাকা পায়খানা আছে; তাদের তো কোন অসুবিধা হবার কথা নয়। কিন্তু এখনো যেখানে ঘেরা বা বড়াল করা পায়খানা নায়; তাদেরকে লোক চক্ষুর আড়ালে গিয়ে সেই প্রয়োজন সারা উচিত।

38-ﺑَﺎﺏُ اﻟﺮُّﺧْﺼَﺔِ ﻓِﻲ ﺗَﺮْﻙِ اﻟﺘَّﺒَﺎﻋُﺪِ ﻋَﻦِ اﻟﻨَّﺎﺱِ ﻋِﻨْﺪَ اﻟْﺒَﻮْﻝ

অধ্যায় ৩৮: পেশাব করার সময় লোকেদের হতে (বেশী) দূরে না যাওয়ার ছুট রয়েছে।

52 – ﺛﻨﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻫَﺎﺷِﻢٍ ﺯِﻳَﺎﺩُ ﺑْﻦُ ﺃَﻳُّﻮﺏَ، ﺛﻨﺎ ﺟَﺮِﻳﺮٌ، ﻋَﻦْ ﻣَﻨْﺼُﻮﺭٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻭَاﺋِﻞٍ، ﻋَﻦْ ﺣُﺬَﻳْﻔَﺔَ ﻗَﺎﻝَ: ﻟَﻘَﺪْ ﺭَﺃَﻳْﺘُﻨِﻲ ﺃَﺗَﻤَﺸَّﻰ ﻣَﻊَ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻓَﺄْﻧَﺘَﻬِﻲ ﺇِﻟَﻰ ﺳُﺒَﺎﻃَﺔِ ﻗَﻮْﻡٍ، §ﻓَﻘَﺎﻡَ ﻳَﺒُﻮﻝُ ﻛَﻤَﺎ ﻳَﺒُﻮﻝُ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ، ﻓَﺬَﻫَﺒْﺖُ ﺃَﺗَﻨَﺤَّﻰ ﻣِﻨْﻪُ، ﻓَﻘَﺎﻝَ: «اﺩْﻧُﻪْ» ﻓَﺪَﻧَﻮْﺕُ ﻣِﻨْﻪُ ﺣَﺘَّﻰ ﻗُﻤْﺖُ ﻋَﻘِﺒَﻪُ ﺣَﺘَّﻰ ﻓَﺮَﻍ

৫২:হুযাইফা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন ; আমি রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সঙ্গে চলছিলাম। তিনি লোকেদের ঘরের (আবর্জনার স্তুপের নিকট) পৌছালেন। অতঃপর তিনি দাঁড়িয়ে পেশাব করতে লাগলেন। যেমন তোমাদের কেউ পেশাব করে। এসময় আমি তার হতে সরে যাচ্ছিলাম; কিন্তু তিনি বললেন; নিকটে আসো। আমি তার নিকটে এসে গেলাম; এমনকি আমি তার পেছনে দাঁড়িয়ে ছিলাম (অতঃপর দাঁড়িয়ে রয়লাম)।এমনকি তিনি পেশাব করা শেষ করলেন।
★বুখারী হাঃ ২২৫; ২৪৭১; মুসলিম হাঃ ২৭৩;
ব্যাখ্যা :
পায়খানার জন্য একদম লোক চক্ষুর আড়ালে যাওয়া জরুরী। কিন্তু পেশাব করার জন্য কেবল এমন আড়ালই যথেষ্ট; যেখানে লোকের দৃষ্টি হতে যেন পুরুষাঙ্গের দিকটা আড়াল করা যায়। কারণ; পুরুষ মানুষের পেশাব করার জন্য সম্পূর্ণ উলঙ্গ হবার প্রয়োজন হয় না। আর এমন কোন জায়গায় যদি গমন করা হয়; যেখানে বসে পেশাব করার মত জায়গা নায় বা বসে পেশাব করতে সেখানে অসুবিধা হয়; তাহলে প্রয়োজনে দাঁড়িয়েও পেশাব করা যায়। রসূলুল্লাহ (সাঃ) জীবনে কেবল ঐ একবারই দাঁড়িয়ে পেশাব করেছেন।

39-ﺑَﺎﺏُ اﺳْﺘِﺤْﺒَﺎﺏِ اﻻِﺳْﺘِﺘَﺎﺭِ ﻋِﻨْﺪَ اﻟْﻐَﺎﺋِﻂ

অধ্যায় ৩৯: প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারার সময় পর্দা (আড়াল) করা পছন্দনীয়।

53 – ﺛﻨﺎ اﻟْﺤَﺴَﻦُ ﺑْﻦُ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ اﻟﺰَّﻋْﻔَﺮَاﻧِﻲُّ، ﺛﻨﺎ ﻳَﺰِﻳﺪَ ﺑْﻦُ ﻫَﺎﺭُﻭﻥَ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﻣَﻬْﺪِﻱُّ ﺑْﻦُ ﻣَﻴْﻤُﻮﻥَ، ﻋَﻦْ ﻣُﺤَﻤَّﺪِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻳَﻌْﻘُﻮﺏَ، ﻋَﻦِ اﻟْﺤَﺴَﻦِ ﺑْﻦِ ﺳَﻌْﺪٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﺟَﻌْﻔَﺮٍ ﻗَﺎﻝَ: «ﻭَﻛَﺎﻥَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﺃَﺣَﺐَّ ﻣَﺎ اﺳْﺘَﺘَﺮَ ﺑِﻪِ ﻓِﻲ ﺣَﺎﺟَﺘِﻪِ ﻫَﺪَﻓًﺎ ﺃَﻭْ ﺣَﺎﺋِﺶَ ﻧَﺨْﻞٍ» ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﻣُﺤَﻤَّﺪَ ﺑْﻦَ ﺃَﺑَﺎﻥَ ﻳَﻘُﻮﻝُ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ اﺑْﻦَ ﺇِﺩْﺭِﻳﺲَ ﻳَﻘُﻮﻝُ: ﻗُﻠْﺖُ ﻟِﺸُﻌْﺒَﺔَ ﻣَﺎ ﺗَﻘُﻮﻝُ ﻓِﻲ ﻣَﻬْﺪِﻱِّ ﺑْﻦِ ﻣَﻴْﻤُﻮﻥٍ؟ ﻗَﺎﻝَ: «ﺛِﻘَﺔٌ» . ﻗُﻠْﺖُ: ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧِﻲ ﻋَﻦْ ﺳَﻠْﻢٍ اﻟْﻌَﻠَﻮِﻱِّ ﻗَﺎﻝَ: ﺭَﺃَﻳْﺖُ ﺃَﺑَﺎﻥَ ﺑْﻦَ ﺃَﺑِﻲ ﻋَﻴَّﺎﺵٍ، ﻋِﻨْﺪَ ﺃَﻧَﺲِ ﺑْﻦِ ﻣَﺎﻟِﻚٍ ﻳَﻜْﺘُﺐُ ﻓِﻲ ﺳَﺒُﻮﺭُّﺟَﺔٍ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﻠْﻢٌ اﻟْﻌَﻠَﻮِﻱُّ اﻟَّﺬِﻱ ﻛَﺎﻥَ ﻳَﺮَﻯ – ﻳَﻌْﻨِﻲ – اﻟْﻬِﻼَﻝَ ﻗَﺒْﻞَ اﻟﻨَّﺎﺱِ؟ ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: ” ﻭَﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﻳَﻌْﻘُﻮﺏَ ﻫُﻮَ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻳَﻌْﻘُﻮﺏَ ﻧَﺴَﺒُﻪُ ﺇِﻟَﻰ ﺟَﺪِّﻩِ ﻫُﻮَ اﻟَّﺬِﻱ ﻗَﺎﻝَ ﻋَﻨْﻪُ ﺷُﻌْﺒَﺔُ: ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﻳَﻌْﻘُﻮﺏَ ﺳَﻴِّﺪُ ﺑَﻨِﻲ ﺗَﻤِﻴﻢٍ ”

৫৩: আব্দুল্লাহ বিন জা’ফার (রাযিঃ) বর্ণনা করেন; “রসূলুল্লাহ (সাঃ) প্রাকৃতিক প্রয়োজন সমাধা করার জন্য উঁচু টিলা অথবা ঘন গাছগাছালির দ্বারা আড়াল করা পছন্দ করতেন”। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; আমি মুহাম্মাদ বিন উবানকে বলতে শুনেছি; (তিনি বলতেন) “আমি ইবনু ইদরীসকে বলতে শুনেছি; আমি শু’বাকে জিজ্ঞেস করলাম; তিনি মেহদী বিন মাইমুনের সম্পর্কে কি বলেন?  তিনি বললেন; সে  সিকাহ রাবী।আমি বললাম; আমাকে তিনি সালিম ‘আলবী হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন; আমি উবান বিন আবূ আইয়্যাশকে আনাস বিন মালিক (রাযিঃ) এর নিকট কাঠে লিখতে দেখেছি। মেহদী বলেন; সালিম আলবী সেই ব্যক্তি; যে লোকেদের পূর্বে চাঁদ দেখে ফেলত”। ইমাম আবূ বাকর বলেন; মুহাম্মাদ বিন আবূ ইয়াকুব মুহাম্মাদ বিন আব্দল্লাহ আবূ ইয়াকুব ছিল। সে (মুহাম্মাদ) তার দাদা (আবূ ইয়াকুব) এর পক্ষে যুক্ত। (অর্থাৎ তাকে মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বলার চেয়ে মুহাম্মাদ বিন আবূ ইয়াকুব বলে দেওয়া হয়)। শু’বাহ তার (দাদার) মত বলেন; আমাকে মুহাম্মাদ বিন আবূ ইয়াকুব রিওয়াআত বর্ণনা করেছেন যে বানী তামীম গোত্রের প্রধান (অর্থাৎ আবূ ইয়াকুব)।
★সহীহুল মুসলিম হাঃ ৩৪২;

40-ﺑَﺎﺏُ اﻟﺮُّﺧْﺼَﺔِ ﻟِﻠﻨِّﺴَﺎءِ ﻓِﻲ اﻟْﺨُﺮُﻭﺝِ ﻟِﻠْﺒَﺮَاﺯِ ﺑِﺎﻟﻠَّﻴْﻞِ ﺇِﻟَﻰ اﻟﺼَّﺤَﺎﺭِﻱ

অধ্যায় ৪০: মহিলাদের প্রাকৃতিক প্রয়োজনের জন্য রাতের সময় বাইরে যাওয়ার অনুৃমতি।

54 – ﺛﻨﺎ ﻧَﺼْﺮُ ﺑْﻦُ ﻋَﻠِﻲٍّ اﻟْﺠَﻬْﻀَﻤِﻲُّ، ﺛﻨﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﻟﻄُّﻔَﺎﻭِﻱَّ، ﺛﻨﺎ ﻫِﺸَﺎﻡُ ﺑْﻦُ ﻋُﺮْﻭَﺓَ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ، ﻋَﻦْ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔَ ﻗَﺎﻟَﺖْ: ﻛَﺎﻧَﺖْ ﺳَﻮْﺩَﺓُ ﺑِﻨْﺖُ ﺯَﻣْﻌَﺔَ اﻣْﺮَﺃَﺓً ﺟَﺴِﻴﻤَﺔً، ﻓَﻜَﺎﻧَﺖْ ﺇِﺫَا ﺧَﺮَﺟَﺖْ ﻟِﺤَﺎﺟَﺘِﻬَﺎ ﺑِﺎﻟﻠَّﻴْﻞِ ﺃﺷﺮَﻓَﺖْ ﻋَﻠَﻰ اﻟﻨِّﺴَﺎءِ، ﻓَﺮَﺁﻫَﺎ ﻋُﻤَﺮُ ﺑْﻦُ اﻟْﺨَﻄَّﺎﺏِ ﻓَﻘَﺎﻝَ: اﻧْﻈُﺮِﻱ ﻛَﻴْﻒَ ﺗَﺨْﺮُﺟِﻴﻦَ؟ ﻓَﺈِﻧَّﻚَ ﻭَاﻟﻠَّﻪِ ﻣَﺎ ﺗَﺨْﻔَﻴْﻦَ ﻋَﻠَﻴْﻨَﺎ ﺇِﺫَا ﺧَﺮَﺟْﺖِ، ﻓَﺬَﻛَﺮَﺕْ ﺫَﻟِﻚَ ﺳَﻮْﺩَﺓُ ﻟِﻨَﺒِﻲِّ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ، ﻭَﻓِﻲ ﻳَﺪِﻩِ ﻋِﺮْﻕٌ ﻓَﻤَﺎ ﺭَﺩَّ اﻟْﻌِﺮْﻕَ ﻣِﻦْ ﻳَﺪِﻩِ ﺣَﺘَّﻰ ﻓَﺮَﻍَ اﻟْﻮَﺣْﻲُ، ﻓَﻘَﺎﻝَ: «ﺇِﻥَّ §اﻟﻠَّﻪَ ﻗَﺪْ ﺟَﻌَﻞَ ﻟَﻜُﻦَّ ﺭُﺧْﺼَﺔً ﺃَﻥْ ﺗَﺨْﺮُﺟْﻦَ ﻟِﺤَﻮَاﺋِﺠِﻜُﻦَّ» ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﺃُﺳَﺎﻣَﺔَ، ﻋَﻦْ ﻫِﺸَﺎﻡٍ ﺑِﻨَﺤْﻮِﻩ

৫৪: আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; সাওদাহ বিনত যামা’ (রাযিঃ) মোটা দেহের মহিলা ছিল। তিনি যখন রাতের সময় প্রাকৃতিক প্রয়োজনের জন্য বের হতেন তখন (নিজ লম্বা পা ফেলার দরুন) মহিলাদের হতে পৃথক মনে হত। (একদিন) উমার বিন খাত্তাব (রাযিঃ) তাকে দেখলেন এবং বললেন; একটু লক্ষ করুন আপনি (ঘর হতে) কিভাবে বাইরে বের হন; আল্লাহর শপথ!  যখন আপনি বইরে বের হন তখন আপনি নিজেকে আমাদের হতে আড়াল করতে পারেন না। সাওদাহ (রাযিঃ) এই ঘটনার কথা রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর নিকট ব্যক্ত করলেন। (তিনি তখন রাতের খাবার খাচ্ছিলেন)। তার হাতে সে সময় (গোস্তওয়ালা) হাড় ছিল। তখনও তিনি হাড় নিজ হাত হতে রাখেননি; ওহী অবতীর্ণ হয়ে গেল। তিনি বললেন; “আল্লাহ তা’য়ালা তোমাদেরকে নিজ প্রয়োজনে (ঘর হতে) বের হবার অনুমতি দিয়েছেন।
★সহীহুল মুসলিম হাঃ ২১৭০;

41-ﺑَﺎﺏُ اﻟﺘَّﺤَﻔُّﻆِ ﻣِﻦَ اﻟْﺒَﻮْﻝِ ﻛَﻲْ ﻻَ ﻳُﺼِﻴﺐَ اﻟْﺒَﺪَﻥَ ﻭَاﻟﺜِّﻴَﺎﺏَ، ﻭَاﻟﺘَّﻐْﻠِﻴﻆُ ﻓِﻲ ﺗَﺮْﻙِ ﻏَﺴْﻠِﻪِ ﺇِﺫَا ﺃَﺻَﺎﺏَ اﻟْﺒَﺪَﻥَ ﺃَﻭِ اﻟﺜِّﻴَﺎﺏ

অধ্যায় ৪১: দেহ এ কাপড়কে পেশাব লাগা হতে বাঁচাতে হবে।যদি দেহ ও কাপড়ে পেশাব লেগে যায় তাকে না ধুলে শক্ত শাস্তি।

55 – ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻳُﻮﺳُﻒُ ﺑْﻦُ ﻣُﻮﺳَﻰ، ﺛﻨﺎ ﺟَﺮِﻳﺮٌ، ﻋَﻦْ ﻣَﻨْﺼُﻮﺭٍ، ﻋَﻦْ ﻣُﺠَﺎﻫِﺪٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ ﻗَﺎﻝَ: ﻣَﺮَّ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺑِﺤَﺎﺋِﻂٍ ﻣِﻦْ ﺣِﻴﻄَﺎﻥِ ﻣَﻜَّﺔَ، ﺃَﻭِ اﻟْﻤَﺪِﻳﻨَﺔِ ﻓَﺴَﻤِﻊَ ﺻَﻮْﺕَ ﺇِﻧْﺴَﺎﻧَﻴْﻦِ ﻳُﻌَﺬَّﺑَﺎﻥِ ﻓِﻲ ﻗُﺒُﻮﺭِﻫِﻤَﺎ، ﻓَﻘَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «§ﻳُﻌَﺬَّﺑَﺎﻥِ، ﻭَﻣَﺎ ﻳُﻌَﺬَّﺑَﺎﻥِ ﻓِﻲ ﻛَﺒِﻴﺮٍ» ، ﺛُﻢَّ ﻗَﺎﻝَ: «ﺑَﻠَﻰ ﻛَﺎﻥَ ﺃَﺣَﺪُﻫُﻤَﺎ ﻻَ ﻳَﺴْﺘَﺘِﺮُ ﻣِﻦْ ﺑَﻮْﻟِﻪِ، ﻭَﻛَﺎﻥَ اﻵْﺧَﺮُ ﻳَﻤْﺸِﻲ ﺑِﺎﻟﻨَّﻤِﻴﻤَﺔِ» ، ﺛُﻢَّ ﺩَﻋَﺎ ﺑِﺠَﺮِﻳﺪَﺓٍ ﻓَﻜَﺴَﺮَﻫَﺎ ﻛَﺴْﺮَﺗَﻴْﻦِ، ﻓَﻮَﺿَﻊَ ﻋَﻠَﻰ ﻛُﻞِّ ﻗَﺒْﺮٍ ﻣِﻨْﻬُﻤَﺎ ﻛَﺴْﺮَﺓً، ﻓَﻘِﻴﻞَ ﻟَﻪُ: ﻟِﻢَ ﻓَﻌَﻠْﺖَ ﻫَﺬَا؟ ﻗَﺎﻝَ: «ﻟَﻌَﻠَّﻪُ ﻳُﺨَﻔِّﻒُ ﻋَﻨْﻬُﻤَﺎ ﻣَﺎ ﻟَﻢْ ﺗَﻴْﺒَﺴَﺎ» ﺃَﻭْ: «ﺇِﻟَﻰ ﺃَﻥْ ﻳَﻴْﺒَﺴَﺎ» -[33]

৫৫: ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) মক্কাহ বা মাদীনার বাগানগুলোর মধ্য হতে কোন এক বাগানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি এমন দু ব্যক্তির আওয়ায শুনতে পেলেন যে; যাদেরকে তাদের কবরে শাস্তি দেওয়া হচ্ছিল। তখন রসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন; এই দু’জনকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে; অথচ কোন বড় গুনাহের কারণে তাদেরকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে না। অতঃপর তিনি বললেন; এদের একজন তার পেশাব করতে গিয়ে সতর্কতা অবলম্বন করত না। অপর ব্যক্তি চোগলখোরী করত। তারপর তিনি একটি খেজুরের ডাল আনতে বললেন; এবং তা ভেঙ্গে দু’টুকরা করে প্রত্যেকের কবরের উপর এক টুকরা করে রাখলেন। বলা হল (হে আল্লাহর রসূল!) আপনি এরূপ কেন করলেন?  তিনি বললেন; আশা করা যেতে পারে যতক্ষণ পর্যন্ত এ দু’টি শুকিয়ে না যায় তাদের শাস্তি কিছুটা হালকা করা হবে।
★বুখারী হাঃ ২১৬; মুসলিম হাঃ ২৯২;

56 – ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻳُﻮﺳُﻒُ ﺑْﻦُ ﻣُﻮﺳَﻰ، ﺛﻨﺎ ﻭَﻛِﻴﻊٌ، ﺛﻨﺎ اﻷَْﻋْﻤَﺶُ، ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﻣُﺠَﺎﻫِﺪًا ﻳُﺤَﺪِّﺙُ: ﻋَﻦْ ﻃَﺎﻭُﺱٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ ﻗَﺎﻝَ: ﻣَﺮَّ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺑِﻘَﺒْﺮَﻳْﻦِ ﺑِﻤِﺜْﻠِﻪ

৫৬: ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) দু’টি কবরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন..। অতঃপর উপরোক্ত হাদীসের ন্যায় বর্ণনা করেন।

42-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ ﺧَﺒَﺮٍ ﺭُﻭِﻱَ ﻋَﻦِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻓِﻲ اﻟﻨَّﻬْﻲِ ﻋَﻦِ اﺳْﺘِﻘْﺒَﺎﻝِ اﻟْﻘِﺒْﻠَﺔِ ﻭَاﺳْﺘِﺪْﺑَﺎﺭِﻫَﺎ ﻋِﻨْﺪَ اﻟْﻐَﺎﺋِﻂِ ﻭَاﻟْﺒَﻮْﻝِ ﺑِﻠَﻔْﻆٍﻋَﺎﻡٍّ ﻣُﺮَاﺩُﻩُ ﺧَﺎﺹ

অধ্যায় ৪২: পেশাব ও পায়খানা করার সময় কিবলাহর দিকে সম্মুখ ও পেছন করতে নিষেধ এর সম্পর্কে নাবী (সাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসের বর্ণনা। যার শব্দ আম; কিন্তু উদ্দেশ্য খাস।

57 – ﺛﻨﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟْﺠَﺒَّﺎﺭِ ﺑْﻦُ اﻟْﻌَﻼَءِ، ﺛﻨﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ، ﺛﻨﺎ اﻟﺰُّﻫْﺮِﻱُّ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺳَﻌِﻴﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ اﻟْﻤَﺨْﺰُﻭﻣِﻲُّ، ﺛﻨﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ، ﻋَﻦِ اﻟﺰُّﻫْﺮِﻱِّ، ﻋَﻦْ ﻋَﻄَﺎءٍ اﻟﻠَّﻴْﺜِﻲِّ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﺃَﻳُّﻮﺏَ اﻷَْﻧْﺼَﺎﺭِﻱِّ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «§ﻻَ ﺗَﺴْﺘَﻘْﺒِﻠُﻮا اﻟْﻘِﺒْﻠَﺔَ ﺑِﻐَﺎﺋِﻂٍ ﻭَﻻَ ﺑَﻮْﻝٍ، ﻭَﻻَ ﺗَﺴْﺘَﺪْﺑِﺮُﻭﻫَﺎ، ﻭَﻟَﻜِﻦْ ﺷَﺮِّﻗُﻮا ﺃَﻭْ ﻏَﺮِّﺑُﻮا» ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺃَﻳُّﻮﺏَ: «ﻓَﻘَﺪِﻣْﻨَﺎ اﻟﺸَّﺎﻡَ ﻓَﻮَﺟَﺪْﻧَﺎ ﻣَﺮَاﺣِﻴﺾَ ﻗَﺪْ ﺑُﻨِﻴَﺖْ ﻧَﺤْﻮَ اﻟْﻘِﺒْﻠَﺔِ، ﻓَﻨَﻨْﺤَﺮِﻑُ ﻋَﻨْﻬَﺎ ﻭَﻧَﺴْﺘَﻐْﻔِﺮُ اﻟﻠَّﻪَ» ﻫَﺬَا ﻟَﻔْﻆُ ﺣَﺪِﻳﺚِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟْﺠَﺒَّﺎﺭِ ” ّ

৫৭: আবূ আইয়ুব আনসারী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: “পেশাব ও পায়খানা করার সময় কিবলাহর দিকে মুখ করবে না এবং পেছনও করবে না; বরং তোমরা পূর্ব দিকে অথবা পশ্চিম দিকে ফিরে বসবে”। আবূ আইয়ুব আনসারী (রাযিঃ) বলেন; “আমরা যখন সিরিয়ায় এলাম তখন সেখানে পায়খানাগুলো কিবলামুখী বানানো পেলাম। তখন আমরা তা থেকে (কিবলাহর দিক হতে) কিছুটা ঘুরে বসতাম এবং আল্লাহ তা’য়ালার নিকট ক্ষমা চায়তাম”। এটা আব্দুল জাব্বারের রিওয়াআত এর শব্দ।
★বুখারী হাঃ ৩৯৪; মুসলিম হাঃ ২৬৪; নাসাঈ হাঃ ২০; ২২; আবুদাঊদ হাঃ ৯; তিরমিযী হাঃ ৩১৮; ইবনুমাজাহ হাঃ ৩১৮;
ব্যাখ্যা :
এই  হাদীস হতে বুঝা যাচ্ছে যে; পেশাব ও পায়খানা করার সময় কিবলাহর দিকে মুখ বা পেছন করে বসা যাবে না। বরং একটু ঘুরিয়ে বসতে হবে। আর পশ্চিম ও পূর্ব দিকে মুখ করে বসার আদেশ হতে জানা যাচ্ছে যে; আরববাসীদের কিবলাহ হল উত্তর দিকে। মূলত পূর্ব; পশ্চিম; উত্তর ও দক্ষিণ এদিকগুলোর কোন বিশেষ মর্যাদা নেই; মর্যাদা রয়েছে আমাদের যেদিকে বায়তুল্লাহ রয়েছে সেই কিবলাহর দিকের।

43-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ ﺧَﺒَﺮٍ ﺭُﻭِﻱَ ﻋَﻦِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻓِﻲ اﻟﺮُّﺧْﺼَﺔِ ﻓِﻲ اﻟْﺒَﻮْﻝِ ﻣُﺴْﺘَﻘْﺒِﻞَ اﻟْﻘِﺒْﻠَﺔَ «
ﺑَﻌْﺪَ
 ﻧَﻬْﻲِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻋَﻨْﻪُ ﻣُﺠْﻤَﻼً ﻏَﻴْﺮَ ﻣُﻔَﺴَّﺮٍ، ﻗَﺪْ ﻳَﺤْﺴَﺐُ ﻣَﻦْ ﻟَﻢْ ﻳَﺘَﺒَﺤَّﺮْ ﻓِﻲ اﻟْﻌِﻠْﻢِ ﺃَﻥَّ اﻟْﺒَﻮْﻝَ ﻣُﺴْﺘَﻘْﺒِﻞَ اﻟْﻘِﺒْﻠَﺔِﺟَﺎﺋِﺰٌ ﻟِﻜُﻞِّ ﺑَﺎﺋِﻞٍ، ﻭَﻓِﻲ ﺃَﻱِّ ﻣَﻮْﺿِﻊٍ ﻛَﺎﻥَ، ﻭَﻳَﺘَﻮَﻫَّﻢُ ﻣَﻦْ ﻻَ ﻳَﻔْﻬَﻢُ اﻟْﻌِﻠْﻢَ، ﻭَﻻَ ﻳُﻤَﻴِّﺰُ ﺑَﻴْﻦَ اﻟْﻤُﻔَﺴَّﺮِ ﻭَاﻟْﻤُﺠْﻤَﻞِ ﺃَﻥَّ ﻓِﻌْﻞَ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻓِﻲ ﻫَﺬَا ﻧَﺎﺳِﺦٌ ﻟِﻨَﻬْﻴِﻪِ ﻋَﻦِ اﻟْﺒَﻮْﻝِ ﻣُﺴْﺘَﻘْﺒِﻞَ اﻟْﻘِﺒْﻠَﺔِ»

অধ্যায় ৪৩: কিবলাহর দিকে মুখ করে পেশাব করা নিষেধ সম্পর্কে নাবী (সাঃ) হতে সংক্ষিপ্ত অন্য ব্যখ্যা। নিষেধের পর সেই হাদীসের বর্ণনা; যাতে নাবী (সাঃ) হতে কিবলাহর দিকে মুখ করে পেশাব করার ব্যাপারে ছুট দেওয়া হয়েছে। কম জ্ঞান সম্পন্ন ব্যক্তি এহতে এটা ভাবতে পারে যে; কিবলাহর দিকে মুখ করে পেশাব করা প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য এবং প্রত্যেক স্থলে বৈধ। জ্ঞানের মূল পরিধি সম্পর্কে না জানা ব্যক্তি ও বিস্তারিত এবং সংক্ষিপ্তর মধ্যে পার্থক্য যে করতে পারে না সেই ব্যক্তিই এমন ভাবতে পারে যে; নাবী (সাঃ) এর দেওয়া ছুট তার কিবলাহর দিকে মুখ করে পেশাব করার নিষেধটা হয়ত মানসূখ হয়ে গিয়েছে।

58 – ﺛﻨﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺑَﺸَّﺎﺭٍ، ﺛﻨﺎ ﻭَﻫْﺐٌ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﺟَﺮِﻳﺮِ ﺑْﻦِ ﺣَﺎﺯِﻡٍ، ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﺃَﺑِﻲ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﻣُﺤَﻤَّﺪَ ﺑْﻦَ ﺇِﺳْﺤَﺎﻕَ ﻳُﺤَﺪِّﺙُ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑَﺎﻥَ ﺑْﻦِ ﺻَﺎﻟِﺢٍ، ﻋَﻦْ ﻣُﺠَﺎﻫِﺪٍ، ﻋَﻦْ ﺟَﺎﺑِﺮِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﻗَﺎﻝَ: «§ﻧَﻬَﺎﻧَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺃَﻥْ ﻧَﺴْﺘَﻘْﺒِﻞَ اﻟْﻘِﺒْﻠَﺔَ ﺑِﺒَﻮْﻝٍ ﻓَﺮَﺃَﻳْﺘُﻪُ ﻗَﺒْﻞَ ﺃَﻥْ ﻳُﻘْﺒَﺾَ ﺑِﻌَﺎﻡٍ ﻳَﺴْﺘَﻘْﺒِﻠُﻬَﺎ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺣﺴﻦ

৫৮: জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) আমাদেরকে কিবলাকে সামনে রেখে পেশাব করতে নিষেধ করেছেন। অতঃপর আমি তাকে তার মৃত্যুর এক বছর পূর্বে তার দিকে মুখ করে পেশাব করতে দেখেছি।
★সনদ হাসান। তিরমিযী হাঃ ৯; আবুদাঊদ হাঃ ১৩; ইবনুমাজাহ হাঃ ৩২৫;

44-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟْﺨَﺒَﺮَ اﻟْﻤُﻔَﺴِّﺮِ ﻟِﻠْﺨَﺒَﺮَﻳْﻦِ اﻟﻠَّﺬَﻳْﻦِ ﺫَﻛَﺮْﺗُﻬُﻤَﺎ ﻓِﻲ اﻟْﺒَﺎﺑَﻴْﻦِ اﻟْﻤُﺘَﻘَﺪِّﻣَﻴْﻦِ «ﻭَاﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَﺇِﻧَّﻤَﺎ ﻧَﻬَﻰ ﻋَﻦِ اﺳْﺘِﻘْﺒَﺎﻝِ اﻟْﻘِﺒْﻠَﺔِ ﻭَاﺳْﺘِﺪْﺑَﺎﺭِﻫَﺎ ﻋِﻨْﺪَ اﻟْﻐَﺎﺋِﻂِ ﻭَاﻟْﺒَﻮْﻝِ ﻓِﻲ اﻟﺼَّﺤَﺎﺭِﻱ، ﻭَاﻟْﻤَﻮَاﺿِﻊِ اﻟﻠَّﻮَاﺗِﻲ ﻻَ ﺳُﺘْﺮَﺓَ ﻓِﻴﻬَﺎ، ﻭَﺃَﻥَّ اﻟﺮُّﺧْﺼَﺔَﻓِﻲ ﺫَﻟِﻚَ ﻓِﻲ اﻟْﻜُﻨِﻒِ ﻭَاﻟْﻤَﻮَاﺿِﻊِ اﻟَّﺘِﻲ ﻓِﻴﻬَﺎ ﺑَﻴْﻦَ اﻟْﻤُﺘَﻐَﻮِّﻁِ ﻭَاﻟْﺒَﺎﺋِﻞِ ﻭَﺑَﻴْﻦَ اﻟْﻘِﺒْﻠَﺔِ ﺣَﺎﺋِﻂٌ ﺃَﻭْ ﺳُﺘْﺮَﺓٌ»

অধ্যায় ৪৪: আর সেই ব্যাপারের প্রমাণ এর বর্ণনা যে; পায়খানা ও পেশাব করার সময় কিবলাহর দিকে সম্মুখ বা পেছন করার ব্যাপারে নাবী (সাঃ) এর নিষেধ সেই জায়গার ব্যাপারে যেখানে কোন আড়াল বা পর্দা থাকে না। নির্দিষ্ট ঘর (পায়খানা ঘর) বা সেই জায়গা যেখানে পায়খানা ও পেশাব করনেওয়ালা ব্যক্তির সম্মুখে কোন দেওয়াল বা আড়াল থাকে তার জন্য ছুট আছে।

59 – ﺛﻨﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺑَﺸَّﺎﺭٍ، ﻭَﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺣَﻜِﻴﻢٍ ﻗَﺎﻻَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺳَﻌِﻴﺪٍ، ﻋَﻦْ ﻋُﺒَﻴْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻧَﺼْﺮُ ﺑْﻦُ ﻋَﻠِﻲٍّ اﻟْﺠَﻬْﻀَﻤِﻲُّ، ﺛﻨﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻷَْﻋْﻠَﻰ، ﺛﻨﺎ ﻋُﺒَﻴْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻣُﻌَﺎﻭِﻳَﺔَ اﻟْﺒَﻐْﺪَاﺩِﻱُّ، ﺛﻨﺎ ﻫُﺸَﻴْﻢٌ، ﻋَﻦْ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦِ ﺳَﻌِﻴﺪٍ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ اﻟْﻮَﻟِﻴﺪِ ﻗَﺎﻝَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟْﻮَﻫَّﺎﺏِ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﻟﺜَّﻘَﻔِﻲَّ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦَ ﺳَﻌِﻴﺪٍ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ اﻟْﻤَﺨْﺰُﻭﻣِﻲُّ، ﺛﻨﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻫِﺸَﺎﻡٍ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﻟْﻤَﺨْﺰُﻭﻣِﻲَّ، ﺛﻨﺎ ﻭُﻫَﻴْﺐٌ، ﻋَﻦْ ﻋُﺒَﻴْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ، ﻭَﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦِ ﺳَﻌِﻴﺪٍ، ﻭَﺇِﺳْﻤَﺎﻋِﻴﻞَ ﺑْﻦِ ﺃُﻣَﻴَّﺔَ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣِﻴﻢِ اﻟْﺒَﺮْﻗِﻲُّ، ﺛﻨﺎ اﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﻣَﺮْﻳَﻢَ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺃَﻳُّﻮﺏَ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧِﻲ اﺑْﻦُ ﻋَﺠْﻼَﻥَ ﻗَﺎﻝَ ﺑُﻨْﺪَاﺭٌ ﻓِﻲ ﺣَﺪِﻳﺜِﻪِ ﻗَﺎﻝَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ، ﻭَﻗَﺎﻝَ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺣَﻜِﻴﻢٍ ﻗَﺎﻝَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ، ﻭَﻗَﺎﻝَ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ اﻟْﻮَﻟِﻴﺪِ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ، ﻭَﻗَﺎﻝَ اﻵْﺧَﺮﻭﻥَ: ﻋَﻦْ ﻣُﺤَﻤَّﺪِ ﺑْﻦِ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦِ ﺣَﺒَّﺎﻥَ، ﻋَﻦْ ﻋَﻤِّﻪِ ﻭَاﺳِﻊِ ﺑْﻦِ ﺣَﺒَّﺎﻥَ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋُﻤَﺮَ ﻗَﺎﻝَ: ﺩَﺧَﻠْﺖُ ﻋَﻠَﻰ ﺣَﻔْﺼَﺔَ اﺑْﻨَﺔِ ﻋُﻤَﺮَ ﻓَﺼَﻌِﺪْﺕُ ﻋَﻠَﻰ ﻇَﻬَﺮِ اﻟْﺒَﻴْﺖِ «ﻓَﺄَﺷْﺮَﻓْﺖُ ﻋَﻠَﻰ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ، ﻭَﻫُﻮَ ﻋَﻠَﻰ ﺧَﻼَﺋِﻪِ §ﻣُﺴْﺘَﺪْﺑِﺮَ اﻟْﻘِﺒْﻠَﺔِ ﻣُﺘَﻮَﺟِّﻬًﺎ ﻧَﺤْﻮَ اﻟﺸَّﺎﻡِ» ﻫَﺬَا ﻟَﻔْﻆُ ﺣَﺪِﻳﺚِ ﻋَﺒْﺪِ اﻷَْﻋْﻠَﻰ، ﻭَﻓِﻲ ﺧَﺒَﺮِ ﺃَﺑِﻲ ﻫِﺸَﺎﻡٍ: ﻣُﺴْﺘَﻘْﺒِﻞَ اﻟْﻘِﺒْﻠَﺔِ ”

৫৯: ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; “আমি হাফসা বিনত উমার (রাযিঃ) এর নিকট গেলাম। আমি (তার) ঘরের ছাদে উঠলাম। আমি নাবী (সাঃ) কে দেখলাম যে; তিনি কিবলাহর দিকে পেছন করে ও সিরিয়ার দিকে মুখ করে প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূর্ণ করছিলেন”। এটা ‘আব্দুল ‘আলার বর্ণিত হাদীসের শব্দ। আর আবূ হিশাম এর খবর (হাদীস) এর মধ্যে ﻣُﺴْﺘَﻘْﺒِﻞَ اﻟْﻘِﺒْﻠَﺔِ (কিবলাহর দিকে মুখ করে) শব্দ আছে।
★বুখারী হাঃ ১৪৫; ১৪৮; মুসলিম হাঃ ২৬৬; আবুদাঊদ হাঃ ১২;

60 – ﺛﻨﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ، ﺛﻨﺎ ﺻَﻔْﻮَاﻥُ ﺑْﻦُ ﻋِﻴﺴَﻰ، ﻋَﻦِ اﻟْﺤَﺴَﻦِ ﺑْﻦِ ﺫَﻛْﻮَاﻥَ، ﻋَﻦْ ﻣَﺮْﻭَاﻥَ اﻷَْﺻْﻔَﺮِ ﻗَﺎﻝَ: ﺭَﺃَﻳْﺖُ اﺑْﻦَ ﻋُﻤَﺮَ ﺃَﻧَﺎﺥَ ﺭَاﺣِﻠَﺘَﻪُ ﻣُﺴْﺘَﻘْﺒِﻞَ اﻟْﻘِﺒْﻠَﺔِ، ﺛُﻢَّ ﺟَﻠَﺲَ ﻳَﺒُﻮﻝُ ﺇِﻟَﻴْﻬَﺎ ﻗُﻠْﺖُ: ﺃَﺑَﺎ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﺃَﻟَﻴْﺲَ ﻗَﺪْ ﻧُﻬِﻲَ ﻋَﻦْ ﻫَﺬَا؟ ﻗَﺎﻝَ: «ﺑَﻠَﻰ، ﺇِﻧَّﻤَﺎ §ﻧُﻬِﻲَ ﻋَﻦْ ﺫَﻟِﻚَ ﻓِﻲ اﻟْﻔَﻀَﺎءِ، ﻓَﺈِﺫَا ﻛَﺎﻥَ ﺑَﻴْﻨَﻚَ ﻭَﺑَﻴْﻦَ اﻟْﻘِﺒْﻠَﺔِ ﺷَﻲْءٌ ﻳَﺴْﺘُﺮُﻙَ ﻓَﻼَ ﺑَﺄْﺱَ»

৬০: মারওয়ান আসফার (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন; আমি ইবনু উমার (রাযিঃ) কে দেখলাম তিনি তার সওয়ারী (উট) কে কিবলাহর দিকে বসালেন; অতঃপর তিনি তার দিকে মুখ করে বসে পেশাব করলেন। আমি বললাম; হে আবূ আব্দুর রহমান! এহতে (কিবলাহর দিকে মুখ করে পেশাব করতে) নিষেধ করা হয়নি কি?  তিনি বললেন; কেন নয় অবশ্যই; তবে এ নিষেধ উম্মুক্ত জায়গার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কিন্তু যখন তোমার ও কিবলাহর মাঝে কোন আড়াল থাকে তখন তা দোষনীয় নয়।
★সনদ হাসান। আবুদাঊদ হাঃ ১১;

45-ﺑَﺎﺏُ اﻟﺮُّﺧْﺼَﺔِ ﻓِﻲ اﻟْﺒَﻮْﻝِ ﻗَﺎﺋِﻤًﺎ

অধ্যায় ৪৫: দাঁড়িয়ে পেশাব করার ছুট।

61 – ﺛﻨﺎ ﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪَﺓَ اﻟﻀَّﺒِّﻲُّ، ﺛﻨﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻋَﻮَاﻧَﺔَ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺳَﻠْﻢُ ﺑْﻦُ ﺟُﻨَﺎﺩَﺓَ، ﺛﻨﺎ ﻭَﻛِﻴﻊٌ ﻛِﻼَﻫُﻤَﺎ، ﻋَﻦِ اﻷَْﻋْﻤَﺶِ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻣُﻮﺳَﻰ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ اﻟْﻤُﺜَﻨَّﻰ، ﺛﻨﺎ اﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﻋَﺪِﻱٍّ، ﻋَﻦْ ﺷُﻌْﺒَﺔَ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺑِﺸْﺮُ ﺑْﻦُ ﺧَﺎﻟِﺪٍ اﻟْﻌَﺴْﻜَﺮِﻱُّ، ﺛﻨﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪٌ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﺟَﻌْﻔَﺮٍ، ﻋَﻦْ ﺷُﻌْﺒَﺔَ، ﻋَﻦْ ﺳُﻠَﻴْﻤَﺎﻥَ ﻭَﻫُﻮَ اﻷَْﻋْﻤَﺶُ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻭَاﺋِﻞٍ، ﻋَﻦْ ﺣُﺬَﻳْﻔَﺔَ، «ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺃَﺗَﻰ ﺳُﺒَﺎﻃَﺔَ ﻗَﻮْﻡٍ §ﻓَﺒَﺎﻝَ ﻗَﺎﺋِﻤًﺎ، ﺛُﻢَّ ﺗَﻮَﺿَّﺄَ ﻭَﻣَﺴَﺢَ ﻋَﻠَﻰ ﺧُﻔَّﻴْﻪِ»

৬১: হুযাইফাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) লোকেদের ঘরের (ময়লা আবর্জনার ঢিবুর) নিকট এলেন তখন তিনি দাঁড়িয়ে পেশাব করলেন। অতঃপর তিনি ওযু করলেন এবং তার মোজার উপর মাসাহ করলেন।
★বুখারী হাঃ ২২৪; মুসলিম হাঃ ২৭৩; তিরমিযী হাঃ ১৩; আবুদাঊদ হাঃ ২৩;

62 – ﺛﻨﺎ ﻧَﺼْﺮُ ﺑْﻦُ ﻋَﻠِﻲٍّ، ﺛﻨﺎ اﻟْﻔُﻀَﻴْﻞُ ﺑْﻦُ ﺳُﻠَﻴْﻤَﺎﻥَ، ﺃَﻧَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﺣَﺎﺯِﻡٍ ﻗَﺎﻝَ: ﺭَﺃَﻳْﺖُ ﺳَﻬْﻞَ ﺑْﻦَ ﺳَﻌْﺪٍ §ﻳَﺒُﻮﻝُ ﻗَﺎﺋِﻤًﺎ؛ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﺗُﺤُﺪِّﺙَ ﺫَﻟِﻚَ ﻋَﻠَﻴْﻪِ، ﻭَﻗَﺎﻝَ: «ﻗَﺪْ ﺭَﺃَﻳْﺖُ ﻣَﻦْ ﻫُﻮَ ﺧَﻴْﺮٌ ﻣِﻨِّﻲ ﻓَﻌَﻠَﻪُ»

৬২: আবূ হাযিম বলেন; আমি সাহল বিন সা’দ (রাযিঃ) কে দাঁড়িয়ে পেশাব করতে দেখলাম। অতঃপর তিনি তা হতে ফারিগ হয়ে তার উক্ত ব্যাপারের প্রমাণ বর্ণনা করতে গিয়ে বললেন; আমি আমার হতে উত্তম ব্যক্তি (অর্থাৎ রসূলুল্লাহ সাঃ) কে এমনটি করতে দেখেছি।
★তাবারানী ফিল আউসাদ ৬/১৫২; ১৫৩; ১৭১;
ব্যাখ্যা :
উপরোক্ত দুটি হাদীস প্রমাণ করে যে; যেখানে বসার জায়গা পাওয়া যাবে না কিংবা বসে পেশাব করলে যেখানে কাপড়ে ছিটা লাগার সম্ভাবনা থাকে সেখানে দাঁড়িয়ে পেশাব করার অনুমতি রয়েছে।

46-ﺑَﺎﺏُ اﺳْﺘِﺤْﺒَﺎﺏِ ﺗَﻔْﺮِﻳﺞِ اﻟﺮِّﺟْﻠَﻴْﻦِ ﻋِﻨْﺪَ اﻟْﺒَﻮْﻝِ ﻗَﺎﺋِﻤًﺎ، ﺇِﺫْ ﻫُﻮَ ﺃَﺣْﺮَﻯ ﺃَﻥْ ﻻَ ﻳُﻨْﺸَﺮَ اﻟْﺒَﻮْﻝُ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﻔَﺨْﺬَﻳْﻦِ ﻭَاﻟﺴَّﺎﻗَﻴْﻦ

অধ্যায় ৪৬: দাঁড়িয়ে পেশাব করার সময় উভয় পা ফাঁক করা পছন্দনীয়।

63 – ﺛﻨﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ اﻟْﻤُﺒَﺎﺭَﻙِ اﻟْﻤُﺨَﺮِّﻣِﻲُّ، ﺛﻨﺎ ﻳُﻮﻧُﺲُ ﺑْﻦُ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ، ﺛﻨﺎ ﺣَﻤَّﺎﺩُ ﺑْﻦُ ﺳَﻠَﻤَﺔَ، ﻋَﻦْ ﺣَﻤَّﺎﺩِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﺳُﻠَﻴْﻤَﺎﻥَ، ﻭَﻋَﺎﺻِﻢِ ﺑْﻦِ ﺑَﻬْﺪَﻟَﺔَ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻭَاﺋِﻞٍ، ﻋَﻦِ اﻟْﻤُﻐِﻴﺮَﺓِ ﺑْﻦِ ﺷُﻌْﺒَﺔَ، «ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺃَﺗَﻰ ﻋَﻠَﻰ ﺳُﺒَﺎﻃَﺔِ ﺑَﻨِﻲ ﻓُﻼَﻥٍ، §ﻓَﻔَﺮَﺝَ ﺭِﺟْﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺑَﺎﻝَ ﻗَﺎﺋِﻤًﺎ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

৬৩: মুগিরাহ বিন শু’বাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) লোকদের ময়লা আবর্জনার স্তুপের নিকট পৌছলেন তিনি তার দুই পা ফাঁক করলেন এবং দাঁড়িয়ে পেশাব করলেন।
★সনদ সহীহ। ইবনুমাজাহ হাঃ ৩০৬;

47-ﺑَﺎﺏُ ﻛَﺮَاﻫِﻴَﺔِ ﺗَﺴْﻤِﻴَﺔِ اﻟْﺒَﺎﺋِﻞِ ﻣُﻬْﺮِﻳﻘًﺎ ﻟِﻠْﻤَﺎء

অধ্যায় ৪৭: পেশাবকারী ব্যক্তিকে পানি জারীকারী বলা দোষনীয়।

64 – ﺛﻨﺎ ﺳَﻌِﻴﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ اﻟْﻤَﺨْﺰُﻭﻣِﻲُّ، ﺛﻨﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ، ﻋَﻦْ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢَ ﺑْﻦِ ﻋُﻘْﺒَﺔَ، ﻭَاﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﺣَﺮْﻣَﻠَﺔَ، ﻋَﻦْ ﻛُﺮَﻳْﺐٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ ﻗَﺎﻝَ: ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧِﻲ ﺃُﺳَﺎﻣَﺔُ ﺑْﻦُ ﺯَﻳْﺪٍ، «ﺃَﻥَّ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﺑَﺎﻝَ ﻓِﻲ اﻟﺸِّﻌْﺐِ ﻟَﻴْﻠَﺔَ اﻟْﻤُﺰْﺩَﻟِﻔَﺔِ» ﻭَﻟَﻢْ ﻳَﻘُﻞْ ﺃَﻫْﺮَاﻕَ اﻟْﻤَﺎء

৬৪: উসামা বিন যায়িদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; “নাবী(সাঃ) মুযদালফার ঘাটিতে (নেমে) পেশাব করলেন”। তিনি এটা বললেননি যে; (নাবী সাঃ) পানি বহিয়েছেন।
★সনদ হাসান।মুসলিম কিতাবুল হাজ্হ; মুসনাদে আহমাদ হাঃ ২১৬৩৯;

48-ﺑَﺎﺏُ اﻟﺮُّﺧْﺼَﺔِ ﻓِﻲ اﻟْﺒَﻮْﻝِ ﻓِﻲ اﻟﻄِّﺴَﺎﺱ

অধ্যায় ৪৮: পেয়ালা বা চিলুমচিতে পেশাব করার ছুট।

65 – ﺛﻨﺎ ﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪَﺓَ اﻟﻀَّﺒِّﻲُّ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﺳُﻠَﻴْﻢٌ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﺃَﺧْﻀَﺮَ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋَﻮْﻥٍ، ﻋَﻦْ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢَ، ﻋَﻦِ اﻷَْﺳْﻮَﺩِ، ﻋَﻦْ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔَ ﻗَﺎﻟَﺖْ: «ﻛُﻨْﺖُ ﻣُﺴْﻨِﺪَﺓً اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺇِﻟَﻰ ﺻَﺪْﺭِﻱ §ﻓﺪَﻋَﺎ ﺑِﻄَﺴْﺖٍ ﻓَﺒَﺎﻝَ ﻓِﻴﻬَﺎ، ﺛُﻢَّ ﻣَﺎﻝَ ﻓَﻤَﺎﺕَ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

৬৫: আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; আমি নাবী (সাঃ) কে নিজের বুকের সঙ্গে হেলান দিয়ে রেখেছিলাম। তখন তিনি (পেশাব করার জন্য)চিলুমচি আনালেন এবং তাতে পেশাব করলেন। অতঃপর তিনি একদিকে ঝুঁকে গেলেন এবং মৃত্যুবরণ করলেন।
★বুখারী হাঃ ২৭৪১; নাসাঈ হাঃ ৩৩;
ব্যাখ্যা :
আসমা বিনত রুকাইয়া বর্ণনা করেন যে; ﻛﺎﻥ §ﻟﻠﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ اﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻗﺪﺡ ﻣﻦ ﻋﻴﺪاﻥ ﺗﺤﺖ ﺳﺮﻳﺮﻩ، ﻳﺒﻮﻝ ﻓﻴﻪ ﺑﺎﻟﻠﻴﻞ
নাবী (সাঃ) এর তক্তাপোশের নিচে খেজুর কাঠের একটি  চিলুমচি ছিল; যাতে তিনি সাঃ রাতের বেলা পেশাব করতেন (আবুদাঊদ হাঃ ২৪)। শাওকানী (রহঃ) বলেন; এই হাদীস প্রমাণ করে যে; রাতের বেলা পেশাব করার জন্য প্রয়জোন পাত্র রাখা বৈধ; আর এর মধ্যে কোন মতভেদ নেই (নাইলুল আওতার ১/৯৯)।

49-ﺑَﺎﺏُ اﻟﻨَّﻬْﻲِ ﻋَﻦِ اﻟْﺒَﻮْﻝِ ﻓِﻲ اﻟْﻤَﺎءِ اﻟﺮَّاﻛِﺪِ اﻟَّﺬِﻱ ﻻَ ﻳَﺠْﺮِﻱ، ﻭَﻓِﻲ ﻧَﻬْﻴِﻪِ ﻋَﻦْ ﺫَﻟِﻚَ ﺩِﻻَﻟَﺔٌ ﻋَﻠَﻰ ﺇِﺑَﺎﺣَﺔِ اﻟْﺒَﻮْﻝِ ﻓِﻲ اﻟْﻤَﺎءِ اﻟْﺠَﺎﺭِﻱ

অধ্যায় ৪৯: এমন দন্ডায়মান পানির মধ্যে পেশাব করা নিষেধ যার প্রবাহিত নয়; প্রবাহিত পানিতে পেশাব করার ব্যাপারে প্রমাণ এর বর্ণনা।

66 – ﺛﻨﺎ ﺳَﻌِﻴﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ اﻟْﻤَﺨْﺰُﻭﻣِﻲُّ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ ﻫُﻮَ اﺑْﻦُ ﻋُﻴَﻴْﻨَﺔَ، ﻋَﻦْ ﺃَﻳُّﻮﺏَ اﻟﺴِّﺨْﺘِﻴَﺎﻧِﻲِّ، ﻋَﻦْ ﻣُﺤَﻤَّﺪِ ﺑْﻦِ ﺳِﻴﺮِﻳﻦَ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ، ﻭَﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ اﻟﺰِّﻧَﺎﺩِ، ﻋَﻦِ اﻷَْﻋْﺮَﺝِ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟْﺠَﺒَّﺎﺭِ ﺑْﻦُ اﻟْﻌَﻼَءِ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ اﻟﺰِّﻧَﺎﺩِ، ﻋَﻦْ ﻣُﻮﺳَﻰ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻋُﺜْﻤَﺎﻥَ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ، ﻋَﻦِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ: §ﻻَ ﻳَﺒُﻮﻟَﻦَّ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ ﻓِﻲ اﻟْﻤَﺎءِ اﻟَّﺬِﻱ ﻻَ ﻳَﺠْﺮِﻱ، ﺛُﻢَّ ﻳَﻐْﺘَﺴِﻞُ ﻣِﻨْﻪُ ” ﻭَﻗَﺎﻝَ اﻟْﻤَﺨْﺰُﻭﻣِﻲُّ: «ﻓِﻲ اﻟْﻤَﺎءِ اﻟﺪَّاﺋِﻢِ ﺛُﻢَّ ﻳَﻐْﺘَﺴِﻞُ ﻣِﻨْﻪُ»

৬৬: আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। নাবী (সাঃ) বলেছেন; “তোমাদের  মধ্যে কোন ব্যক্তি স্থির পানিতে পেশাব করে আবার তা হতে যেন গোসল না করে”। মাখযুমীর রিওয়াআতে আছে; “স্থির পানিতে যেন পেশাব না করে আবার তা হতে যেন গোসল না করে।
★বুখারী হাঃ ২৩৯; মুসলিম হাঃ ২৮২; নাসাঈ হাঃ ৫৮; ইবনুমাজাহ হাঃ ৩৪৪;

50-ﺑَﺎﺏُ اﻟﻨَّﻬْﻲِ ﻋَﻦِ اﻟﺘَّﻐَﻮُّﻁِ ﻋَﻠَﻰ ﻃَﺮِﻳﻖِ اﻟْﻤُﺴْﻠِﻤِﻴﻦَ ﻭَﻇِﻠِّﻬِﻢُ اﻟَّﺬِﻱ ﻫُﻮَ ﻣَﺠَﺎﻟِﺴُﻬُﻢ

অধ্যায় ৫০: মুসলমানদের রাস্তা ও তাদের (গাছের) ছায়া এবং বসার জায়গাতে প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারা নিষেধ।

67 – ﺛﻨﺎ ﻋَﻠِﻲُّ ﺑْﻦُ ﺣُﺠْﺮٍ، ﺛﻨﺎ ﺇِﺳْﻤَﺎﻋِﻴﻞُ، ﺛﻨﺎ اﻟْﻌَﻼَءُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ، ﺃَﻥَّ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ: «§اﺗَّﻘُﻮا اﻟﻠَّﻌْﻨَﺘَﻴْﻦِ ﺃَﻭِ اﻟﻠَّﻌَّﺎﻧَﻴْﻦِ» . ﻗِﻴﻞَ: ﻭَﻣَﺎ ﻫُﻤَﺎ؟ ﻗَﺎﻝَ: «اﻟَّﺬِﻱ ﻳَﺘَﺨَﻠَّﻰ ﻓِﻲ ﻃَﺮِﻳﻖِ اﻟﻨَّﺎﺱِ ﺃَﻭْ ﻇِﻠِّﻬِﻢْ» ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: ” ﻭَﺇِﻧَّﻤَﺎ اﺳْﺘَﺪْﻟَﻠْﺖُ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺃَﺭَاﺩَ ﺑِﻘَﻮْﻟِﻪِ: ﺃَﻭْ ﻇِﻠِّﻬِﻢُ: اﻟﻈِّﻞَّ اﻟَّﺬِﻱ ﻳَﺴْﺘَﻈِﻠُّﻮﻥَ ﺑِﻪِ ﺇِﺫَا ﺟَﻠَﺴُﻮا ﻣَﺠَﺎﻟِﺴَﻬُﻢْ، ﺑِﺨَﺒَﺮِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﺟَﻌْﻔَﺮٍ، «ﺃَﻥَّ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻛَﺎﻥَ ﺃَﺣَﺐَّ ﻣَﺎ اﺳْﺘَﺘَﺮَ ﺑِﻪِ ﻓِﻲ ﺣَﺎﺟَﺘِﻪِ ﻫَﺪَﻓًﺎ ﺃَﻭْ ﺣَﺎﺋِﺶَ ﻧَﺨْﻞٍ» ﺇِﺫِ اﻟْﻬَﺪَﻑُ ﻫُﻮَ اﻟْﺤَﺎﺋِﻂُ، ﻭَاﻟْﺤَﺎﺋِﺶُ ﻣِﻦَ اﻟﻨَّﺨْﻞِ اﻟﻨَّﺨْﻼَﺕُ اﻟْﻤُﺠْﺘَﻤِﻌَﺎﺕُ، ﻭَﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺳُﻤِّﻲَ اﻟْﺒُﺴْﺘَﺎﻥُ ﺣَﺎﺋِﺸًﺎ ﻟِﻜَﺜْﺮَﺓِ ﺃَﺷْﺠَﺎﺭِﻩِ، ﻭَﻻَ ﻳَﻜَﺎﺩُ اﻟْﻬَﺪَﻑُ ﻳَﻜُﻮﻥُ ﺇِﻻَّ ﻭَﻟَﻪُ ﻇِﻞٌّ ﺇِﻻَّ ﻭَﻗْﺖَ اﺳْﺘِﻮَاءِ اﻟﺸَّﻤْﺲِ، ﻓَﺄَﻣَّﺎ اﻟْﺤَﺎﺋِﺶُ ﻣِﻦَ اﻟﻨَّﺨْﻞِ ﻓَﻼَ ﻳَﻜُﻮﻥُ ﻭَﻗْﺖٌ ﻣِﻦَ اﻷَْﻭْﻗَﺎﺕِ ﺑِﺎﻟﻨَّﻬَﺎﺭِ ﺇِﻻَّ ﻭَﻟَﻬَﺎ ﻇِﻞٌّ، «ﻭَاﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺪْ ﻛَﺎﻥَ ﻳَﺴْﺘَﺤِﺐُّ ﺃَﻥْ ﻳَﺴْﺘَﺘِﺮَ اﻹِْﻧْﺴَﺎﻥُ ﻓِﻲ اﻟْﻐَﺎﺋِﻂِ ﺑِﺎﻟْﻬَﺪَﻑِ ﻭَاﻟْﺤَﺎﺋِﺶِ ﻭَﺇِﻥْ ﻛَﺎﻥَ ﻟَﻬُﻤَﺎ ﻇِﻞٌّ»

৬৭: আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; নাবী (সাঃ) বলেছেন : “দুটি লানত (অভিশাপ) হতে বাঁচো কিংবা তিনি বলেছেন ; লানতের বিষয় হওয়া দুটি কারণ হতে বাঁচো”(অর্থাৎ যার কারণে লোক লানত বা অভিশাপ করে থাকে)। জিজ্ঞাস করা হল; সে বিষয়গুলি কি?  তিনি (সাঃ) বললেন: “সে ব্যক্তি যে মানুষের চলাফেরার রাস্তায় অথবা তাদের (বিশ্রাম নেওয়ার) ছায়ায় প্রাকৃতিক প্রয়োজন (পেশাব-পায়খানা) সারে”। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; ” ﺃَﻭْ ﻇِﻠِّﻬِﻢُ: তাদের ছায়ায় এ শব্দ দ্বারা নাবী (সাঃ) এর উদ্দেশ্য সেই ছায়ার স্থান যেখান দিয়ে যাওয়ার সময় পথিকরা ছায়ায় আশ্রয় গ্রহণ করে। আমি এই কথা আব্দুল্লাহ বিন জাফর (রাযিঃ) এর হাদীস হতে নিয়েছি যে; নাবী (সাঃ) প্রাকৃতিক প্রয়োজন পুরণের জন্য উঁচু জায়গা (যেমন দেওয়াল বা ঢিবু) কিংবা খেজুরের পাতা দ্বারা পর্দা করা পছন্দ করতেন। কেননা তীরের লক্ষ; আর গাছ হতে নয় বরং খেজুরের পাতা হতে। বাগানে গাছের প্রয়োজনীয় বিষয় হল তার ছায়া ; এটাই হলো লক্ষ। তার ছায়া সূর্য্যের প্রখরতা ব্যতীত প্রত্যেক সময়েই থাকে। পক্ষান্তরে খেজুরের পাতার ছায়া প্রত্যেক সময়েই থাকে। আর নাবী (সাঃ) পছন্দ করতেন যে; মানুষ প্রকৃতিক প্রয়োজনের জন্য দেওয়াল বা ঢিবু বা পাতার মাধ্যমে পর্দা করবে।
★মুসলিম হাঃ ২৬৯; আবুদাঊদ হাঃ ২৫;

51-ﺑَﺎﺏُ اﻟﻨَّﻬْﻲِ ﻋَﻦْ ﻣَﺲِّ اﻟﺬَّﻛَﺮِ ﺑِﺎﻟْﻴَﻤِﻴﻦ

অধ্যায় ৫১: লজ্জাস্থানকে ডান হাত দিয়ে স্পর্শ করা নিষেধ।

68 – ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋَﻠِﻲُّ ﺑْﻦُ ﺧَﺸْﺮَﻡٍ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋِﻴﺴَﻰ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﻳُﻮﻧُﺲَ، ﻋَﻦْ ﻣَﻌْﻤَﺮِ ﺑْﻦِ ﺭَاﺷِﺪٍ، ﻋَﻦْ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻛَﺜِﻴﺮٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻗَﺘَﺎﺩَﺓَ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «§ﺇِﺫَا ﺑَﺎﻝَ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ ﻓَﻼَ ﻳَﻤَﺲَّ ﺫَﻛَﺮَﻩُ ﺑِﻴَﻤِﻴﻨِﻪِ»
ْ
৬৮: আবূ ক্বাতাদাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: “যখন তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি পেশাব করে তখন সে যেন নিজ লজ্জাস্থানকে তার ডান হাত দিয়ে স্পর্শ না করে”।
★বুখারী হাঃ ১৫৪; মুসলিম হাঃ ২৬৭; নাসাঈ হাঃ ২৪; আবুদাঊদ হাঃ ৩১;

52-ﺑَﺎﺏُ اﻻِﺳْﺘِﻌَﺎﺫَﺓِ ﻣِﻦَ اﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥِ اﻟﺮَّﺟِﻴﻢِ ﻋِﻨْﺪَ ﺩُﺧُﻮﻝِ اﻟْﻤُﺘَﻮَﺿَّﺄ

অধ্যায় ৫২: পায়খানাতে প্রবেশ করার সময় শয়তান হতে (আল্লাহর) আশ্রয় চাওয়া উচিত।

69 – ﺛﻨﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺑَﺸَّﺎﺭٍ، ﺛﻨﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﺑْﻦُ ﻣَﻬْﺪِﻱٍّ، ﻭَﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺟَﻌْﻔَﺮٍ ﻗَﺎﻻَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺷُﻌْﺒَﺔُ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻷَْﻋْﻠَﻰ اﻟﺼَّﻨْﻌَﺎﻧِﻲُّ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺧَﺎﻟِﺪٌ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ اﻟْﺤَﺎﺭِﺙِ، ﺛﻨﺎ ﺷُﻌْﺒَﺔُ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺣَﻜِﻴﻢٍ، ﺛﻨﺎ اﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﻋَﺪِﻱٍّ، ﺛﻨﺎ ﺷُﻌْﺒَﺔُ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺣَﻜِﻴﻢٍ ﺃَﻳْﻀًﺎ ﻗَﺎﻝَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﺩَاﻭُﺩَ، ﺛﻨﺎ ﺷُﻌْﺒَﺔُ، ﻋَﻦْ ﻗَﺘَﺎﺩَﺓَ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ اﻟﻨَّﻀْﺮَ ﺑْﻦَ ﺃَﻧَﺲٍ ﻳُﺤَﺪِّﺙُ، ﻋَﻦْ ﺯَﻳْﺪِ ﺑْﻦِ ﺃَﺭْﻗَﻢَ، ﻋَﻦِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ: ” ﺇِﻥَّ §ﻫَﺬِﻩِ اﻟْﺤُﺸُﻮﺵَ ﻣُﺤْﺘَﻀَﺮَﺓٌ، ﻓَﺈِﺫَا ﺩَﺧَﻠَﻬَﺎ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ ﻓَﻠْﻴَﻘُﻞِ: اﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦَ اﻟْﺨُﺒُﺚِ ﻭَاﻟْﺨَﺒَﺎﺋِﺚِ «ﻫَﺬَا ﺣَﺪِﻳﺚُ ﺑُﻨْﺪَاﺭٍ، ﻏَﻴْﺮُ ﺃَﻧَّﻪُ ﻗَﺎﻝَ ﻋَﻦِ اﻟﻨَّﻀْﺮِ ﺑْﻦِ ﺃَﻧَﺲٍ، ﻭَﻛَﺬَا ﻗَﺎﻝَ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺣَﻜِﻴﻢٍ، ﻓِﻲ ﺣَﺪِﻳﺚِ اﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻋَﺪِﻱٍّ، ﻋَﻦِ اﻟﻨَّﻀْﺮِ ﺑْﻦِ ﺃَﻧَﺲٍ»

৬৯: যায়িদ বিন আরকান (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। নাবী (সাঃ) বলেছেন: “পায়খানার স্থানে (দুষ্টু খবীস) জিন এসে থাকে। সুতরাং তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি যখন তাতে প্রবেশ করবে তখন সে اﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦَ اﻟْﺨُﺒُﺚِ ﻭَاﻟْﺨَﺒَﺎﺋِﺚ
এই দুআ পড়বে। অর্থাৎ : আমি আল্লাহর নিকট শয়তান ও যাবতীয় অপবিত্রতা হতে আশ্রয় চাইছি”।
★আবুদাঊদ হাঃ ৬;  সহীহা নং ১০৭; ইবনুমাজাহ হাঃ ২৯৬; তিরমিযী হাঃ ৫;

53-ﺑَﺎﺏُ ﺇِﻋْﺪَاﺩِ اﻷَْﺣْﺠَﺎﺭِ ﻟِﻻِﺳْﺘِﻨْﺠَﺎءِ ﻋِﻨْﺪَ ﺇِﺗْﻴَﺎﻥِ اﻟْﻐَﺎﺋِﻂ

অধ্যায় ৫৩: প্রাকৃতিক প্রয়োজন পুরণের পর শৌচকার্য করতে ঢিলা গণনা করে ব্যবহার করা।

70 – ﺛﻨﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﺳَﻌِﻴﺪٍ اﻷَْﺷَﺞُّ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺯِﻳَﺎﺩُ ﺑْﻦُ اﻟْﺤَﺴَﻦِ ﺑْﻦِ ﻓُﺮَاﺕٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ، ﻋَﻦْ ﺟَﺪِّﻩِ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﺑْﻦِ اﻷَْﺳْﻮَﺩِ، ﻋَﻦْ ﻋَﻠْﻘَﻤَﺔَ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﻗَﺎﻝَ: ﺃَﺭَاﺩَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺃَﻥْ ﻳَﺘَﺒَﺮَّﺯَ ﻓَﻘَﺎﻝَ: «§اﺋْﺘِﻨِﻲ ﺑِﺜَﻼَﺛَﺔِ ﺃَﺣْﺠَﺎﺭٍ» ﻓَﻮَﺟَﺪْﺕُ ﻟَﻪُ ﺣَﺠَﺮَﻳْﻦِ ﻭَﺭَﻭْﺛَﺔَ ﺣِﻤَﺎﺭٍ، ﻓَﺄَﻣْﺴَﻚَ اﻟْﺤَﺠَﺮَﻳْﻦِ ﻭَﻃَﺮَﺡَ اﻟﺮَّﻭْﺛَﺔَ، ﻭَﻗَﺎﻝَ: «ﻫِﻲَ ﺭِﺟْﺲٌ»

৭০: আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; নাবী (সাঃ) প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারার ইচ্ছা পোষণ করে বললেন ; “আমাকে তিনটি ঢিলা এনে দাও”। তার জন্য আমি দুটি (মাটির)  ঢিলা ও একটি শুকনো গোবর পেলাম। তিনি দুটি ঢিলা নিলেন ও গোবরের টুকরোটি ফেলে দিলেন এবং বললেন: “এটা অপবিত্র”।
★বুখারী হাঃ ১৫৬; তিরমিযী হাঃ ১৭; নাসাঈ হাঃ ৪২; ইবনুমাজাহ হাঃ ৩১৪;

54-ﺑَﺎﺏُ اﻟﻨَّﻬْﻲِ ﻋَﻦِ اﻟْﻤُﺤَﺎﺩَﺛَﺔِ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﻐَﺎﺋِﻂ

অধ্যায় ৫৪: প্রাকৃতিক প্রয়োজন পুরণের সময় কথা বলা নিষেধ।

71 – ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻣُﻮﺳَﻰ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ اﻟْﻤُﺜَﻨَّﻰ، ﻧﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﺑْﻦُ ﻣَﻬْﺪِﻱٍّ، ﺛﻨﺎ ﻋِﻜْﺮِﻣَﺔُ ﺑْﻦُ ﻋَﻤَّﺎﺭٍ، ﻋَﻦْ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻛَﺜِﻴﺮٍ، ﻋَﻦْ ﻫِﻼَﻝِ ﺑْﻦِ ﻋِﻴَﺎﺽٍ ﻗَﺎﻝَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﺃَﺑُﻮ ﺳَﻌِﻴﺪٍ اﻟْﺨُﺪْﺭِﻱُّ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻳَﻘُﻮﻝُ: «§ﻻَ ﻳَﺨْﺮُﺝِ اﻟﺮَّﺟُﻼَﻥِ ﻳَﻀْﺮِﺑَﺎﻥِ اﻟْﻐَﺎﺋِﻂَ ﻛَﺎﺷِﻔَﻴْﻦِ ﻋَﻦْ ﻋَﻮْﺭَﺗِﻬِﻤَﺎ ﻳَﺘَﺤَﺪَّﺛَﺎﻥِ؛ ﻓَﺈِﻥَّ اﻟﻠَّﻪَ ﻋَﺰَّ ﻭَﺟَﻞَّ ﻳَﻤْﻘُﺖُ ﻋَﻠَﻰ ﺫَﻟِﻚَ» ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺑِﻪِ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺳَﻠْﻢُ ﺑْﻦُ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢَ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﻟْﻮَﺭَّاﻕَ ﻗَﺎﻝَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋِﻜْﺮِﻣَﺔُ ﺑْﻦُ ﻋَﻤَّﺎﺭٍ، ﻋَﻦْ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻛَﺜِﻴﺮٍ، ﻋَﻦْ ﻋِﻴَﺎﺽِ ﺑْﻦِ ﻫِﻼَﻝٍ ﺑِﻬَﺬَا اﻹِْﺳْﻨَﺎﺩِ ﻧَﺤْﻮَﻩُ. ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: «ﻭَﻫَﺬَا ﻫُﻮَ اﻟﺼَّﺤِﻴﺢُ، ﻫَﺬَا اﻟﺸَّﻴْﺦُ ﻫُﻮَ ﻋِﻴَﺎﺽُ ﺑْﻦُ ﻫِﻼَﻝٍ ﺭَﻭَﻯ ﻋَﻨْﻪُ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﻛَﺜِﻴﺮٍ ﻏَﻴْﺮَ ﺣَﺪِﻳﺚٍ، ﻭَﺃَﺣْﺴَﺐُ اﻟْﻮَﻫْﻢَ ﻣِﻦْ ﻋِﻜْﺮِﻣَﺔَ ﺑْﻦِ ﻋَﻤَّﺎﺭٍ ﺣِﻴﻦَ ﻗَﺎﻝَ ﻋَﻦْ ﻫِﻼَﻝِ ﺑْﻦِ ﻋِﻴَﺎﺽٍ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺿﻌﻴﻒ

৭১: আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) বলেন; আমি রসূলুল্লাহ (সাঃ) কে বলতে শুনেছি : “দুই ব্যক্তি একই সঙ্গে পেশাব-পায়খানার জন্য বের হবে না এবং নিজ লজ্জস্থান উম্মুক্ত করে কথাবার্তা বলবে না। কারণ এরূপ কাজে মহাসম্মানিত আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন”। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া হতে একটি আরো সনদ বর্ণনা করেন; তাতে ইয়াহইয়া বিন আবূ কাসিরের শিক্ষকের নাম ‘আইয়ায বিন হিলাল আছে (অথচ বর্ণিত রিওয়াআতের সনদে হিলাল বিন আইয়ায আছে)। ইমাম সাহেব বলেন ; সঠিক কথা এটাই যে; শিক্ষকের নাম আইয়ায বিন হিলাল। ইয়াহইয়া বিন আবূ কাসির তার থেকে কয়েকটা রিওয়াআত বর্ণনা করেছেন। আমার মনে হয় এই সন্দেহ আ্’ইকরামাহ বিন উমারের জন্য হয়েছে। যে রিওয়াআত বর্ণনা করতে গিয়ে বলে দিয়েছেন ; ﻋَﻦْ ﻫِﻼَﻝِ ﺑْﻦِ ﻋِﻴَﺎﺽ। (অর্থাৎ তিনি পুত্র কে পিতার স্থলে বর্ণনা করেছেন)।
★সনদ যঈফ। আবুদাঊদ হাঃ ১৫;

55-ﺑَﺎﺏُ اﻟﻨَّﻬْﻲِ ﻋَﻦْ ﻧَﻈَﺮِ اﻟْﻤُﺴْﻠِﻢِ ﺇِﻟَﻰ ﻋَﻮْﺭَﺓِ ﺃَﺧِﻴﻪِ اﻟْﻤُﺴْﻠِﻢ

অধ্যায় ৫৫: মুসলমান ব্যক্তির জন্য তার মুসলমান ভাইয়ের লজ্জস্থানের দিকে দৃষ্টিপাত করা নিষেধ।

72 – ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺭَاﻓِﻊٍ، ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺇِﺳْﻤَﺎﻋِﻴﻞَ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻓُﺪَﻳْﻚٍ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ اﻟﻀَّﺤَّﺎﻙُ ﺑْﻦُ ﻋُﺜْﻤَﺎﻥَ، ﻋَﻦْ ﺯَﻳْﺪِ ﺑْﻦِ ﺃَﺳْﻠَﻢَ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﺳَﻌِﻴﺪٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ، ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ: «§ﻻَ ﻳَﻨْﻈُﺮُ اﻟﺮَّﺟُﻞُ ﺇِﻟَﻰ ﻋَﻮْﺭَﺓِ اﻟﺮَّﺟُﻞِ، ﻭَﻻَ ﺗَﻨْﻈُﺮُ اﻟْﻤَﺮْﺃَﺓُ ﺇِﻟَﻰ ﻋَﻮْﺭَﺓِ اﻟْﻤَﺮْﺃَﺓِ، ﻭَﻻَ ﻳُﻔْﻀِﻲ اﻟﺮَّﺟُﻞُ ﺇِﻟَﻰ اﻟﺮَّﺟُﻞِ ﻓِﻲ اﻟﺜَّﻮْﺏِ اﻟْﻮَاﺣِﺪِ، ﻭَﻻَ ﺗُﻔْﻀِﻲ اﻟْﻤَﺮْﺃَﺓُ ﺇِﻟَﻰ اﻟْﻤَﺮْﺃَﺓِ ﻓِﻲ اﻟﺜَّﻮْﺏِ اﻟْﻮَاﺣِﺪِ»

৭২: আব্দুর রহমান বিন আবূ সাঈদ তার পিতা আবূ সাঈদ (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : “কোন পুরুষ অপর পুরুষের লজ্জাস্থানের দিকে দৃষ্টিপাত করবে না এবং কোন নারী অপর নারীর লজ্জস্থানের দিকে দৃষ্টিপাত করবে না। কোন লোক অপর লেকের সঙ্গে এক কাপড়ের নীচে (উলঙ্গ অবস্থায়) ঘুমাবে না এবং কোন মহিলা অপর মহিলার সঙ্গে এক কাপড়ের নীচে ঘুমাবে না”।
★মুসলিম হাঃ ৩৩৮; ইবনুমাজাহ হাঃ ৬৬১; তিরমিযী হাঃ ২৭৯৩; সহীহাহ নং ৫৫৭৬;

56-ﺑَﺎﺏُ ﻛَﺮَاﻫِﻴَﺔِ ﺭَﺩِّ اﻟﺴَّﻼَﻡِ ﻳُﺴَﻠَّﻢُ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺒَﺎﺋِﻞ

অধ্যায় ৫৬: পেশাবরত ব্যক্তিকে সালাম দিলে সালামের জবাব দেওয়া অপছন্দনীয়।

73 – ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﺳَﻌِﻴﺪٍ اﻷَْﺷَﺞُّ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﺩَاﻭُﺩَ اﻟْﺤَﻔَﺮِﻱُّ، ﻋَﻦْ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥَ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺑَﺸَّﺎﺭٍ، ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ ﺃَﺣْﻤَﺪَ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﻟﺰُّﺑَﻴْﺮﻱَ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ اﻟﺜَّﻮْﺭِﻱُّ، ﻋَﻦِ اﻟﻀَّﺤَّﺎﻙِ ﺑْﻦِ ﻋُﺜْﻤَﺎﻥَ، ﻋَﻦْ ﻧَﺎﻓِﻊٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋُﻤَﺮَ، «ﺃَﻥَّ ﺭَﺟُﻼً §ﻣَﺮَّ ﻋَﻠَﻰ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻭَﻫُﻮَ ﻳَﺒُﻮﻝُ ﻓَﺴَﻠَّﻢَ ﻋَﻠَﻴْﻪِ، ﻓَﻠَﻢْ ﻳَﺮُﺩَّ ﻋَﻠَﻴْﻪِ اﻟﺴَّﻼَﻡَ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

৭৩: ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; এক ব্যক্তি নাবী (সাঃ) এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিল। তখন তিনি পেশাব করছিলেন। সে তাকে সালাম করলেন; কিন্তু তিনি তাকে সালামের জবাব দিলেন না।
★সনদ সহীহ। মুসলিম হাঃ ৩৭০; ইবনুমাজাহ হাঃ ৩৫২; নাসাঈ হাঃ ৩৭; তিরমিযী হাঃ ৯০; আবুদাঊদ হাঃ ১৬;