এসো হাদিস পড়ি ?
এসো হাদিস পড়ি ?
হাদিস অনলাইন ?

جماع ابواب سنن السواك وفضا ءله

মিসওয়াকের সুন্নাতসমূহ ও তার ফযীলতের অধ্যায়

 ========================================================================

ﻭَﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺑَﺪَﺃْﻧَﺎ ﺑِﺬِﻛْﺮِ اﻟﺴِّﻮَاﻙِ ﻗَﺒْﻞَ ﺻِﻔَﺔِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻟِﺒَﺪْءِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺑِﻪِ ﻗَﺒْﻞَ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻋِﻨْﺪَ ﺩُﺧُﻮﻝِ ﻣَﻨْﺰِﻟِﻪِ

আমরা মিসওয়াকের আলোচনা করতে দেরি করেছি ওযুর বক্তব্য তুলে ধরার পূর্বে। নাবী (সাঃ)  তার
ঘরে প্রবেশের আগে মিসওয়াক হতে শুরু করতেন।

102-ﺑَﺎﺏُ ﺑَﺪْءِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺑِﺎﻟﺴِّﻮَاﻙِ ﻋِﻨْﺪَ ﺩُﺧُﻮﻝِ ﻣَﻨْﺰِﻟِﻪِ

অধ্যায় ১০২ : নাবী (সাঃ) তার ঘরে প্রবেশের ওযুর পূর্বে মিসওয়াক করতেন।

134 – ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺑَﺸَّﺎﺭٍ، ﻧﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﺑْﻦُ ﻣَﻬْﺪِﻱٍّ، ﻭَﻧﺎ ﻳُﻮﺳُﻒُ ﺑْﻦُ ﻣُﻮﺳَﻰ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻭَﻛِﻴﻊٌ ﻗَﺎﻻَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺑَﺸَّﺎﺭٍ، ﻧﺎ ﻳَﺰِﻳﺪُ ﺑْﻦُ ﻫَﺎﺭُﻭﻥَ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﻣِﺴْﻌَﺮٌ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋَﻠِﻲُّ ﺑْﻦُ ﺧَﺸْﺮَﻡٍ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﻋَﻠِﻲٌّ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﻳُﻮﻧُﺲَ، ﻋَﻦْ ﻣِﺴْﻌَﺮٍ ﻛِﻼَﻫُﻤَﺎ، ﻋَﻦِ اﻟْﻤِﻘْﺪَاﻡِ ﺑْﻦِ ﺷُﺮَﻳْﺢٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ ﻗَﺎﻝَ: ﻗُﻠْﺖُ ﻟِﻌَﺎﺋِﺸَﺔَ: ” ﺑِﺄَﻱِّ ﺷَﻲْءٍ ﻛَﺎﻥَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﻳَﺒْﺪَﺃُ ﺇِﺫَا ﺩَﺧَﻞَ اﻟْﺒَﻴْﺖَ؟ ﻗَﺎﻟَﺖْ: ﺑِﺎﻟﺴِّﻮَاﻙِ ” ﻭَﻗَﺎﻝَ ﻳُﻮﺳُﻒُ: ﺇِﺫَا ﺩَﺧَﻞَ ﺑَﻴْﺘَﻪُ
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১৩৪ : শুরাইহ বর্ণনা করেন; আমি আয়িশা (রাযিঃ) কে জিজ্ঞাসা করলাম; যখন নাবী (সাঃ) ঘরে প্রবেশ করতেন তখন কোন্ জিনিষ হতে শুরু করতেন?  তিনি বললেন ; “মিসওয়াক দিয়ে”। ইউসুয়ফের রিওয়াআতে আছে ﺩَﺧَﻞَ ﺑَﻴْﺘَﻪُ যখন তিনি নিজ ঘরে প্রবেশ করতেন।
★সনদ সহীহ। মুসলিম হাঃ ২৫২; নাসাঈ হাঃ ৮; আবুদাঊদ হাঃ ৪৭; ইবনুমাজাহ হাঃ ২৯০; ইবনুহিব্বান হাঃ ১০৭৪; মুসনাদে আহমাদ ৬/৪১; ১০৯; ১১০;

103-ﺑَﺎﺏُ ﻓَﻀْﻞِ اﻟﺴِّﻮَاﻙِ ﻭَﺗَﻄْﻬِﻴﺮِ اﻟْﻔَﻢِ ﺑِﻪِ

অধ্যায় ১০৩ : মিসওয়াকের ফযীলত এবং তা দ্বারা মুখ পরিষ্কার করার বর্ণনা।

135 – ﻧﺎ اﻟْﺤَﺴَﻦُ ﺑْﻦُ ﻗَﺰَﻋَﺔَ ﺑْﻦِ ﻋُﺒَﻴْﺪٍ اﻟْﻬَﺎﺷِﻤِﻲُّ، ﻧﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ ﺑْﻦُ ﺣَﺒِﻴﺐٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﺟُﺮَﻳْﺞٍ، ﻋَﻦْ ﻋُﺜْﻤَﺎﻥَ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﺳُﻠَﻴْﻤَﺎﻥَ، ﻋَﻦْ ﻋُﺒَﻴْﺪِ ﺑْﻦِ ﻋُﻤَﻴْﺮٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔَ ﻗَﺎﻟَﺖْ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «§اﻟﺴِّﻮَاﻙُ ﻣَﻄْﻬَﺮَﺓٌ ﻟِﻠْﻔَﻢِ ﻣَﺮْﺿَﺎﺓٌ ﻟِﻠﺮَّﺏِّ»
: ﻭاﻟﺤﺪﻳﺚ ﺻﺤﻴﺢ

১৩৫ : আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন ; রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন :”মিসওয়াক হল মুখকে পরিচ্ছন্নকারী এবং প্রভুর সন্তোষ লাভকারী”।
★সনদ সহীহ। নাসাঈ হাঃ ৫; দারেমী হাঃ ৬৮১;

104-ﺑَﺎﺏُ اﺳْﺘِﺤْﺒَﺎﺏِ اﻟﺘَّﺴَﻮُّﻙِ ﻋِﻨْﺪَ اﻟْﻘِﻴَﺎﻡِ ﻣِﻦَ اﻟﻨَّﻮْﻡِ ﻟِﻠﺘَّﻬَﺠُّﺪِ

অধ্যায় ১০৪ : তাহাজ্জুদের (স্বলাতের) জন্য ঘুম হতে উঠার পর মিসওয়াক করা মুসতাহাব।

136 – ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ ﺣَﺼِﻴﻦِ ﺑْﻦُ ﺃَﺣْﻤَﺪَ ﺑْﻦِ ﻳُﻮﻧُﺲَ، ﻧﺎ ﻋَﻨْﺰٌ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ اﻟْﻘَﺎﺳِﻢِ، ﻧﺎ ﺣُﺼَﻴْﻦٌ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋَﻠِﻲُّ ﺑْﻦُ اﻟْﻤُﻨْﺬِﺭِ، ﻭَﻫَﺎﺭُﻭﻥُ ﺑْﻦُ ﺇِﺳْﺤَﺎﻕَ ﻗَﺎﻻَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ اﺑْﻦُ ﻓُﻀَﻴْﻞٍ ﻗَﺎﻝَ ﻋَﻠِﻲٌّ: ﻗَﺎﻝَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺣُﺼَﻴْﻦُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ، ﻭَﻗَﺎﻝَ ﻫَﺎﺭُﻭﻥُ: ﻋَﻦْ ﺣُﺼَﻴْﻦٍ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺑُﻨْﺪَاﺭٌ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ اﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﻋَﺪِﻱٍّ، ﻋَﻦْ ﺷُﻌْﺒَﺔَ، ﻋَﻦْ ﺣُﺼَﻴْﻦٍ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺳَﻌِﻴﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ اﻟْﻤَﺨْﺰُﻭﻣِﻲُّ، ﻧﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﻋُﻴَﻴْﻨَﺔَ، ﻋَﻦْ ﻣَﻨْﺼُﻮﺭٍ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻣُﻮﺳَﻰ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ، ﻧﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ، ﻋَﻦْ ﻣَﻨْﺼُﻮﺭٍ، ﻭَﺣُﺼَﻴْﻦٍ، ﻭَاﻷَْﻋْﻤَﺶِ، ﻭَﻧﺎ ﻳُﻮﺳُﻒُ ﺑْﻦُ ﻣُﻮﺳَﻰ، ﻧﺎ ﻭَﻛِﻴﻊٌ، ﻧﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ، ﻋَﻦْ ﻣَﻨْﺼُﻮﺭٍ، ﻭَﺣُﺼَﻴْﻦٍ ﻛُﻠُّﻬُﻢْ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻭَاﺋِﻞٍ، ﻋَﻦْ ﺣُﺬَﻳْﻔَﺔَ ﻗَﺎﻝَ: «ﻛَﺎﻥَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﺇِﺫَا ﻗَﺎﻡَ ﻣِﻦَ اﻟﻠَّﻴْﻞِ ﻟِﻠﺘَّﻬَﺠُّﺪِ ﻳَﺸُﻮﺹُ ﻓَﺎﻩُ ﺑِﺎﻟﺴِّﻮَاﻙِ» ﻫَﺬَا ﻟَﻔْﻆُ ﺣَﺪِﻳﺚِ ﻫَﺎﺭُﻭﻥَ ﺑْﻦِ ﺇِﺳْﺤَﺎﻕَ، ﻟَﻢْ ﻳَﻘُﻞْ ﺃَﺑُﻮ ﻣُﻮﺳَﻰ، ﻭَﺳَﻌِﻴﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﻟِﻠﺘَّﻬَﺠُّﺪِ ”

১৩৬ : হুযায়ফাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। “নাবী (সাঃ) তাহাজ্জুদ এর জন্য যখন উঠতেন তখন নিজ মুখকে মিসওয়াক দিয়ে পরিষ্কার করতেন”। এটা হারুন বিন ইসহাকের হাদীসের শব্দ। আবূ মূসা ও সাঈদ বিন আব্দুর রহমান ﻟِﻠﺘَّﻬَﺠُّﺪِ “তাহাজ্জুদের জন্য” বর্ণনা করেননি।
★বুখারী হাঃ ২৪৫; ৮৮৯; ১১৩৬; মুসলিম হাঃ ২৫৫; নাসাঈ হাঃ ২; আবূদাঊদ হাঃ ৫১; ইবনুমাজাহ হাঃ ২৮২; মুসনাদে আহমাদ ২/৩৮২; ৩৯০; দারেমী হাঃ ৬৮২;
ব্যাখ্যা :
রাতে ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে তাহাজ্জুদ স্বলাত আদায় করার ইচ্ছা হলে মিসওয়াকের মাধ্যমে মুখ পরিষ্কার করে নেওয়া হল পছন্দনীয় কাজ। কারণ ঘুমের মধ্যে মুখের ভিতর একটি দুর্গন্ধ চলে আসে ; তাই মিসওয়াকের মাধ্যমে তা দূরিভুত করাই মুসতাহাব (ফাৎহুলবারী ১/৪৬৩)।

105-ﺑَﺎﺏُ ﻓَﻀْﻞِ اﻟﺼَّﻼَﺓِ اﻟَّﺘِﻲ ﻳُﺴْﺘَﺎﻙُ ﻟَﻬَﺎ ﻋَﻠَﻰ اﻟﺼَّﻼَﺓِ اﻟَّﺘِﻲ ﻻَ ﻳُﺴْﺘَﺎﻙُ ﻟَﻬَﺎ ﺇِﻥْ ﺻَﺢَّ اﻟْﺨَﺒَﺮُ

অধ্যায় ১০৫ : যে স্বলাতের জন্য মিসওয়াক করা হয় সেটা সেই স্বলাত হতে উত্তম যার জন্য মিসওয়াক করা হয় না। লক্ষণীয় যে এসম্পর্কে বিভিন্ন সহীহ বর্ণনা রয়েছে।

137 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ، ﻧﺎ ﻳَﻌْﻘُﻮﺏُ ﺑْﻦُ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢَ ﺑْﻦِ ﺳَﻌِﻴﺪٍ، ﻧﺎ ﺃَﺑِﻲ، ﻋَﻦْ ﻣُﺤَﻤَّﺪِ ﺑْﻦِ ﺇِﺳْﺤَﺎﻕَ ﻗَﺎﻝَ: ﻓَﺬَﻛَﺮَ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻣُﺴْﻠِﻢِ ﺑْﻦِ ﻋُﺒَﻴْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﺷِﻬَﺎﺏٍ اﻟﺰُّﻫْﺮِﻱُّ، ﻋَﻦْ ﻋُﺮْﻭَﺓَ، ﻋَﻦْ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔَ ﻗَﺎﻟَﺖْ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «§ﻓَﻀْﻞُ اﻟﺼَّﻼَﺓِ اﻟَّﺘِﻲ ﻳُﺴْﺘَﺎﻙُ ﻟَﻬَﺎ ﻋَﻠَﻰ اﻟﺼَّﻼَﺓِ اﻟَّﺘِﻲ ﻻَ ﻳُﺴْﺘَﺎﻙُ ﻟَﻬَﺎ ﺳَﺒْﻌِﻴﻦَ ﺿِﻌْﻔًﺎ» ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: «ﺃَﻧَﺎ اﺳْﺘَﺜْﻨَﻴْﺖُ ﺻِﺤَّﺔَ ﻫَﺬَا اﻟْﺨَﺒَﺮِ ﻷَِﻧِّﻲ ﺧَﺎﺋِﻒٌ ﺃَﻥْ ﻳَﻜُﻮﻥَ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺇِﺳْﺤَﺎﻕَ ﻟَﻢْ ﻳَﺴْﻤَﻊْ ﻣِﻦْ ﻣُﺤَﻤَّﺪِ ﺑْﻦِ ﻣُﺴْﻠِﻢٍ ﻭَﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺩَﻟَّﺴَﻪُ ﻋَﻨْﻪُ»
: اﺑﻦ اﺳﺤﻖ ﻣﺪﻟﺲ ﻭﻟﻢ ﻳﺼﺮﺡ ﺑﺎﻟﺘﺤﺪﻳﺚ ﻟﺬا ﺧﺮﺟﺘﻪ ﻓﻲ اﻟﻀﻌﻴﻔﺔ 1503

১৩৭ : আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : “যে স্বলাতের জন্য মিসওয়াক করা হয় সেটা সেই স্বলাতের চেয়ে সত্তরগুণ উত্তম যার জন্য মিসওয়াক করা হয় না”। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; আমি এই হাদীসের অবস্থাকে আনসুনী বলে বিবেচিত করেছি। কেননা আমার সন্দেহ হয় যে; মুহাম্মাদ বিন ইসহাক এই রিওয়াআত মুহাম্মাদ বিন মুসলিম হতে শোনেনি।
★সনদ যঈফ।  এট আছে মুসনাদে আহমাদ ৬/২৭২; হাকেম ১/২৪৪;
এর সনদে মুহাম্মাদ বিন ইসহাক মুদাল্লিস রাবী। এই হাদীসটি অন্য সূত্রে পাওয়া যায় না। যার জন্য বর্ণনাটি যঈফ। সিলসিলা আহাদীসুয যঈফা হাঃ ১৫০৩;

106-ﺑَﺎﺏُ اﻷَْﻣْﺮُ ﺑِﺎﻟﺴِّﻮَاﻙِ ﻋِﻨْﺪَ ﻛُﻞِّ ﺻَﻼَﺓٍ ﺃَﻣْﺮُ ﻧَﺪْﺏٍ ﻭَﻓَﻀِﻴﻠَﺔٍ ﻻَ ﺃَﻣْﺮُ ﻭُﺟُﻮﺏٍ ﻭَﻓَﺮِﻳﻀَﺔٍ

অধ্যায় ১০৬ : প্রত্যেক স্বলাতের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ গ্রহণ করা ফযীলতের জন্য। ওয়াজিব বা ফরয নির্দেশ নয়।

138 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ، ﻧﺎ ﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﺧَﺎﻟِﺪٍ اﻟْﻮَاﻫِﺒِﻲُّ، ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺇِﺳْﺤَﺎﻕَ، ﻋَﻦْ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦِ ﺣَﺒَّﺎﻥَ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﻋُﻤَﺮَ ﻗَﺎﻝَ: ﻗُﻠْﺖُ: ﺗَﻮَﺿَّﺄَ اﺑْﻦُ ﻋُﻤَﺮَ ﻟِﻜُﻞِّ ﺻَﻼَﺓٍ ﻃَﺎﻫِﺮًا ﺃَﻭْ ﻏَﻴْﺮَ ﻃَﺎﻫِﺮٍ ﻋَﻤَّﻦْ ﺫَاﻙَ؟ ﻗَﺎﻝَ: ﺣَﺪَّﺛَﺘْﻪُ ﺃَﺳْﻤَﺎءُ ﺑِﻨْﺖُ ﺯَﻳْﺪِ ﺑْﻦِ اﻟْﺨَﻄَّﺎﺏِ، ﺃَﻥَّ ﻋَﺒْﺪَ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦَ ﺣَﻨْﻈَﻠَﺔَ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻋَﺎﻣِﺮٍ ﺣَﺪَّﺛَﻬَﺎ، ” ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: §ﺃَﻣَﺮَ ﺑِﺎﻟْﻮَﺿُﻮءِ ﻟِﻜُﻞِّ ﺻَﻼَﺓٍ ﻃَﺎﻫِﺮًا ﻛَﺎﻥَ ﺃَﻭْ ﻏَﻴْﺮَ ﻃَﺎﻫِﺮٍ، ﻓَﻠَﻤَّﺎ ﺷَﻖَّ ﺫَﻟِﻚَ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﺃَﻣَﺮَ ﺑِﺎﻟﺴِّﻮَاﻙِ ﻟِﻜُﻞِّ ﺻَﻼَﺓٍ “. ﻓَﻜَﺎﻥَ اﺑْﻦُ ﻋُﻤَﺮَ ﻳَﺮَﻯ ﺃَﻥَّ ﺑِﻪِ ﻗُﻮَّﺓً ﻋَﻠَﻰ ﺫَﻟِﻚَ ﻓَﻜَﺎﻥَ ﻻَ ﻳَﺪَﻉُ اﻟْﻮُﺿُﻮءَ ﻟِﻜُﻞِّ ﺻَﻼَﺓ
: ﻟﺴﻨﺪ ﺣﺴﻦ

১৩৮ : মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া হতে বর্ণিত আছে; তিনি বলেন; আমি আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন উমারকে জিজ্ঞাসা করলাম; উমার (রাযিঃ) এর পবিত্রতা ও অপবিত্রতা (ওযু অবস্থায় থাকা বা বিনা ওযুতে থাকা) প্রত্যেক অবস্থায় প্রত্যেক স্বলাতের জন্য ওযু করা কার হতে বর্ণিত আছে?  তিনি বললেন; তাকে আসমা বিনত যাইদ বিন খাত্তাব বর্ণনা করেছেন যে; তাকে আব্দুল্লাহ বিন খাত্তাব বিন আবূ আ’মীর হাদীস বর্ণনা করেছেন :
“রসূলুল্লাহ (সাঃ) কে প্রত্যেক স্বলাতের জন্য ওযু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তার ওযু থাকুক বা না থাকুক। তার জন্য যখন এটা কষ্টকর হয়ে পড়ল তখন তাকে প্রত্যেক স্বলাতের পূর্বে কেবল মিসওয়াক করার নির্দেশ দেয়া হয়। সুতরাং ইবনু উমার (রাযিঃ) এর অনুভব ছিল যে ; তার প্রত্যেক স্বলাতের জন্য ওযু করার সক্ষমতা আছে; এজন্য তিনি প্রত্যেক স্বলাতের জন্য (নতুন) ওযু ছাড়তেন না”।
★সনদ হাসান। আবুদাঊদ হাঃ ৪৮; মুসনাদে আহমাদ ৫/২২৫;
ব্যাখ্যা :
এই হাদীস প্রমাণ করে যে; স্বলাতের সময় মিসওয়াক করা মুসতাহাব কর্ম ফরয নয়।

107-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻷَْﻣْﺮَ ﺑِﺎﻟﺴِّﻮَاﻙِ ﺃَﻣْﺮَ ﻓَﻀِﻴﻠَﺔٍ ﻻَ ﺃَﻣْﺮَ ﻓَﺮِﻳﻀَﺔ

অধ্যায় ১০৭ : সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা যে; মিসওয়াক করার নির্দেশ উত্তমের জন্য দেওয়া হয়েছে; ফরযের জন্য নয়।

ٍ «ﺇِﺫْ ﻟَﻮْ ﻛَﺎﻥَ اﻟﺴِّﻮَاﻙُ ﻓَﺮْﺿًﺎ ﺃَﻣَﺮَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺃُﻣَّﺘَﻪُ ﺷَﻖَّ ﺫَﻟِﻚَ ﻋَﻠَﻴْﻬِﻢْ ﺃَﻭْ ﻟَﻢْ ﻳَﺸُﻖَّ، ﻭَﻗَﺪْ ﺃَﻋْﻠَﻢَ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺃَﻧَّﻪُ ﻛَﺎﻥَ ﻳَﺄْﻣُﺮُ ﺑِﻪِ ﺃُﻣَّﺘَﻪُ ﻋِﻨْﺪَ ﻛُﻞِّ ﺻَﻼَﺓٍ، ﻟَﻮْﻻَ ﺃَﻥَّ ﺫَﻟِﻚَ ﻳَﺸُﻖُّ ﻋَﻠَﻴْﻬِﻢْ، ﻓَﺪَﻝَّ ﻫَﺬَا اﻟْﻘَﻮْﻝُ ﻣِﻨْﻪُ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺃَﻥَّ ﺃَﻣْﺮَﻩُ ﺑِﺎﻟﺴِّﻮَاﻙِ ﺃَﻣْﺮُ ﻓَﻀِﻴﻠَﺔٍ، ﻭَﺃَﻧَّﻪُ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺃَﻣَﺮَ ﺑِﻪِ ﻣَﻦْ ﻳَﺨِﻒُّ ﺫَﻟِﻚَ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﺩُﻭﻥَ ﻣَﻦْ ﻳَﺸُﻖُّ ﺫَﻟِﻚَ ﻋَﻠَﻴْﻪِ»

যদি মিসওয়াক করার নির্দেশ ফরয হত তাহলে নাবী (সাঃ) উম্মতকে তার নির্দেশ দিতেন। চায় তা তাদের উপর কষ্টকর হত বা না হত। যখন নাবী (সাঃ) বলেছেন : “তিনি উম্মতের জন্য কষ্টকর হবে বলে যদি না মনে করতেন তাহলে তাদেরকে প্রত্যেক স্বলাতের জন্য মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতেন”। তার এই বাণী প্রমাণ করে যে; তার মিসওয়াক করার নির্দেশ উত্তমের জন্য। আর এনির্দেশ তাদের জন্য যারা এটাকে সহজ মনে করে কষ্টকর মনে করে না।

139 – ﻧﺎ ﻋَﻠِﻲُّ ﺑْﻦُ ﺧَﺸْﺮَﻡٍ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ اﺑْﻦُ ﻋُﻴَﻴْﻨَﺔَ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ اﻟﺰِّﻧَﺎﺩِ ﻭَﻫُﻮَ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﺫَﻛْﻮَاﻥَ، ﻋَﻦِ اﻷَْﻋْﺮَﺝِ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﻳَﺒْﻠُﻎُ ﺑِﻪِ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟْﺠَﺒَّﺎﺭِ ﺑْﻦُ اﻟْﻌَﻼَءِ، ﻭَﺳَﻌِﻴﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﻗَﺎﻻَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ ﻭَﻫُﻮَ اﺑْﻦُ ﻋُﻴَﻴْﻨَﺔَ ﺑِﻬَﺬَا اﻹِْﺳْﻨَﺎﺩِ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «§ﻟَﻮْﻻَ ﺃَﻥْ ﺃَﺷُﻖَّ ﻋَﻠَﻰ ﺃُﻣَّﺘِﻲ ﻷََﻣَﺮْﺗُﻬُﻢْ ﺑِﺘَﺄْﺧِﻴﺮِ اﻟْﻌِﺸَﺎءِ، ﻭَاﻟﺴِّﻮَاﻙِ ﻋِﻨْﺪَ ﻛُﻞِّ ﺻَﻼَﺓٍ» ﻟَﻢْ ﻳُﺆَﻛِّﺪِ اﻟْﻤَﺨْﺰُﻭﻣِﻲُّ ﺗَﺄْﺧِﻴﺮَ اﻟْﻌِﺸَﺎءِ ”

১৩৯ : আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : “যদি আমি আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর হবে বলে মনে না করতাম তাহলে আমি তাদেরকে এশার স্বলাত দেরী (একটু রাত) করে আদায় করার ও প্রত্যেক স্বলাতের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম” মাখযুমী  (তার বর্ণনাতে) এশার স্বলাত দেরী করে শব্দ বর্ণনা করেনি।
★বুখারী হাঃ ৮৮৭; মুসলিম হাঃ ২৫২; তিরমিযী হাঃ ২২; নাসাঈ হাঃ ৭; ইবনুমাজাহ হাঃ ৬৯০; ইবনুহিব্বান হাঃ ১০৬৭;

140 – ﻧﺎ ﻋَﻠِﻲُّ ﺑْﻦُ ﻣَﻌْﺒَﺪٍ، ﻧﺎ ﺭَﻭْﺡُ ﺑْﻦُ ﻋِﺒَﺎﺩَﺓَ، ﻧﺎ ﻣَﺎﻟِﻚٌ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﺷِﻬَﺎﺏٍ، ﻋَﻦْ ﺣُﻤَﻴْﺪِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «§ﻟَﻮْﻻَ ﺃَﻥْ ﺃَﺷُﻖَّ ﻋَﻠَﻰ ﺃُﻣَّﺘِﻲ ﻷََﻣَﺮْﺗُﻬُﻢْ ﺑِﺎﻟﺴِّﻮَاﻙِ ﻣَﻊَ ﻛُﻞِّ ﻭُﺿُﻮءٍ» ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: «ﻫَﺬَا اﻟْﺨَﺒَﺮُ ﻓِﻲ اﻟْﻤُﻮَﻃَّﺄِ» ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ: «ﻟَﻮْﻻَ ﺃَﻥْ ﻳَﺸُﻖَّ ﻋَﻠَﻰ ﺃُﻣَّﺘِﻪِ ﻷََﻣَﺮَﻫُﻢْ ﺑِﺎﻟﺴِّﻮَاﻙِ ﻋِﻨْﺪَ ﻛُﻞِّ ﻭَﺿُﻮءٍ» ﻭَﺭَﻭَاﻩُ اﻟﺸَّﺎﻓِﻌِﻲُّ، ﻭَﺑِﺸْﺮُ ﺑْﻦُ ﻋُﻤَﺮَ ﻛَﺮِﻭَاﻳَﺔِ ﺭَﻭْﺡٍ
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১৪০ : আবূহহরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : “যদি এই ভয় না করতাম যে; আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর হবে; তাহলে আমি তাদেরকে প্রত্যেক ওযুর সঙ্গে মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম”। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; এহাদীস মুওয়াত্তা তে আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে এভাবে বর্ণিত আছে: “যদি তার উম্মতের জন্য কষ্টকর না হত তাহলে তিনি তাদেরকে প্রত্যেক ওযুর সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতেন”। ইমাম শাফিয়ী ও বাশার বিন উমার  ﺭَﻭْﺡُ  এর রিওয়াতের মত  বর্ণনা করেছেন।
★সনদ সহীহ। সহূহ আবুদাঊদ হাঃ ৩৭; ইরওয়য়উল-গালীল হাঃ ৭০; মুওয়াত্তা মালিক হাঃ ১৪২; ১৪৩; মুসনাদে আহমাদ ২/৪০৬; ৫১৭;

108-ﺑَﺎﺏُ ﺻِﻔَﺔِ اﺳْﺘِﻴَﺎﻙِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ

অধ্যায় ১০৮ : নাবী (সাঃ) এর মিসওয়াক করার অবস্থার বর্ণনা।

১৪১ : আবূ মূসা আশয়ারী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; “আমি রসূলুল্লাহ (সাঃ) নিকট উপস্থিত হলাম। তখন তিনি মিসওয়াক করছিলেন। আর মিসওয়াকের এক অংশ তার জিহবার উপর ছিল তিনি আঃ আঃ শব্দ করছিলেন”।
★বুখারী হাঃ ২৪৪; মুসলিম হাঃ ২৫৪; নাসাঈ হাঃ ৩; ইবনুহিব্বান হাঃ ১০৭৩;