এসো হাদিস পড়ি ?
এসো হাদিস পড়ি ?
হাদিস অনলাইন ?

ﺟُﻤَّﺎﻉُ ﺃَﺑْﻮَاﺏِ ﺫِﻛْﺮِ اﻟْﻤَﺎءِ اﻟَّﺬِﻱ ﻻَ ﻳَﻨْﺠُﺲُ، ﻭَاﻟَّﺬِﻱ ﻳَﻨْﺠُﺲُ ﺇِﺫَا ﺧَﺎﻟَﻄَﺘْﻪُ ﻧَﺠَﺎﺳَﺔ

সেই পানির বিষয়ের বর্ণনা যা অপবিত্র হয় না। আর সেই পানি যাতে আবর্জনা পড়লে অপবিত্র হয়ে যায়।

========================================================================

70-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ ﺧَﺒَﺮٍ ﺭُﻭِﻱَ ﻋَﻦِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻓِﻲ ﻧَﻔْﻲِ ﺗَﻨْﺠِﻴﺲِ اﻟْﻤَﺎءِ ﺑِﻠَﻔْﻆٍ ﻣُﺠْﻤَﻞٍ ﻏَﻴْﺮِ ﻣُﻔَﺴَّﺮٍ ﺑِﻠَﻔْﻆٍ ﻋَﺎﻡٍّ ﻣُﺮَاﺩُﻩُﺧَﺎﺹ

অধ্যায় ৭০: সেই হাদীসের বর্ণনা যা নাবী (সাঃ) হতে পানির অপবিত্রতা হওয়ার কারণ সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যার শব্দসহ বর্ণিত হয়েছে। তার শব্দ আম কিন্তু উদ্দশ্য বিশেষ।

91 – ﻧﺎ ﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ اﻟْﻤِﻘْﺪَاﻡِ اﻟْﻌِﺠْﻠِﻲُّ، ﻭَﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ اﻟْﻘُﻄَﻌِﻲُّ ﻗَﺎﻻَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺑَﻜْﺮٍ، ﻧﺎ ﺷُﻌْﺒَﺔُ، ﻋَﻦْ ﺳِﻤَﺎﻙٍ، ﻋَﻦْ ﻋِﻜْﺮِﻣَﺔَ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ ﻗَﺎﻝَ: ﺃَﺭَاﺩَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺃَﻥْ ﻳَﺘَﻮَﺿَّﺄَ، ﻓَﻘَﺎﻟﺖِ اﻣْﺮَﺃَﺓٌ ﻣِﻦْ ﻧِﺴَﺎﺋِﻪِ: ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ، ﺇِﻧِّﻲ ﻗَﺪْ ﺗَﻮَﺿَّﺄْﺕُ ﻣِﻦْ ﻫَﺬَا، ﻓَﺘَﻮَﺿَّﺄَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻭَﻗَﺎﻝَ: «§اﻟْﻤَﺎءُ ﻻَ ﻳُﻨَﺠِّﺴُﻪُ ﺷَﻲْءٌ» ﻫَﺬَا ﺣَﺪِﻳﺚُ ﺃَﺣْﻤَﺪَ ﺑْﻦِ اﻟْﻤِﻘْﺪَاﻡِ ”
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

৯১: ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; নাবী (সাঃ) (একটি পাত্রের পানি দ্বারা) ওযু করার  ইচ্ছা করলেন;  তার স্ত্রীদের মধ্যে এক স্ত্রী বললেন; হে আল্লাহর রসূল! আমি এই (পানি) দ্বারা ওযু করেছি। নাবী (সাঃ) ওযু করলেন এবং বললেন: “পানিকে কোন বস্তু অপবিত্র করে না”। এটা আহমাদ বিন মিকদামের রিওয়াআত।
★সনদ সহীহ। আবুদাঊদ হাঃ ৬৮; নাসাঈ হাঃ ৩২৬; তিরমিযী হাঃ ৬৫; ইবনুমাজাহ হাঃ ৩৭;

71-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟْﺨَﺒَﺮِ اﻟْﻤُﻔَﺴِّﺮِ ﻟِﻠَّﻔْﻈَﺔِ اﻟْﻤُﺠْﻤَﻠَﺔِ اﻟَّﺘِﻲ ﺫَﻛَﺮْﺗُﻬَﺎ،

অধ্যায় ৭১: কিছু সংক্ষিপ্ত রিওয়াআতের ব্যখ্যার বর্ণনা।

ﻭَاﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺃَﺭَاﺩَ ﺑِﻘَﻮْﻟِﻪِ: «اﻟْﻤَﺎءُ ﻻَ ﻳُﻨَﺠِّﺴُﻪُ ﺷَﻲْءٌ» ﺑَﻌْﺾَ اﻟْﻤِﻴَﺎﻩِ ﻻَ ﻛُﻠَّﻬَﺎ، ﻭَﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺃَﺭَاﺩَ اﻟْﻤَﺎءَ اﻟَّﺬِﻱ ﻫُﻮَ ﻗُﻠَّﺘَﺎﻥِ ﻓَﺄَﻛْﺜَﺮُ ﻻَ ﻣَﺎ ﺩُﻭﻥَ اﻟْﻘُﻠَّﺘَﻴْﻦِ ﻣِﻨْﻪ

আর সেই কথার প্রমাণের বর্ণনা যে; নাবী (সাঃ) তার সেই কথা “পানি কোন বস্তু অপবিত্র করে না” দ্বারা কিছু পানির বিষয় বলেছেন সব পানির বিষয়ে নয়। তার উদ্দেশ যা একটি পাত্রের পানি বা তার চেয়ে কিছু বেশী। দুই পাত্রের কম পানি তার উদ্দেশ্য নয়।

92 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ اﻟْﻤُﺒَﺎﺭَﻙِ اﻟْﻤُﺨَﺮِّﻣِﻲُّ، ﻭَﻣُﻮﺳَﻰ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ اﻟْﻤَﺴْﺮُﻭﻗِﻲُّ، ﻭَﺃَﺑُﻮ اﻷَْﺯْﻫَﺮِ ﺣَﻮْﺛَﺮَﺓُ ﺑْﻦُ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ اﻟْﺒَﺼْﺮِﻱُّ ﻗَﺎﻟُﻮا: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﺃُﺳَﺎﻣَﺔَ، ﻧﺎ اﻟْﻮَﻟِﻴﺪُ ﺑْﻦُ ﻛَﺜِﻴﺮٍ، ﻋَﻦْ ﻣُﺤَﻤَّﺪِ ﺑْﻦِ ﺟَﻌْﻔَﺮِ ﺑْﻦِ اﻟﺰُّﺑَﻴْﺮِ، ﺃَﻥَّ ﻋُﺒَﻴْﺪَ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦَ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﻋُﻤَﺮَ ﺣَﺪَّﺛَﻬُﻢْ، ﺃَﻥَّ ﺃَﺑَﺎﻩُ ﻋَﺒْﺪَ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦَ ﻋُﻤَﺮَ ﺣَﺪَّﺛَﻬُﻢْ، ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺳُﺌِﻞَ ﻋَﻦِ اﻟْﻤَﺎءِ ﻭَﻣَﺎ ﻳَﻨُﻮﺑُﻪُ ﻣِﻦَ اﻟﺪَّﻭَاﺏِّ ﻭَاﻟﺴِّﺒَﺎﻉِ، ﻓَﻘَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «§ﺇِﺫَا ﻛَﺎﻥَ اﻟْﻤَﺎءُ ﻗُﻠَّﺘَﻴْﻦِ ﻟَﻢْ ﻳَﺤْﻤِﻞِ اﻟْﺨَﺒَﺚَ» ﻫَﺬَا ﺣَﺪِﻳﺚُ ﺣَﻮْﺛَﺮَﺓَ، ﻭَﻗَﺎﻝَ ﻣُﻮﺳَﻰ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﻋُﻤَﺮَ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ، ﻭَﻗَﺎﻝَ ﺃَﻳْﻀًﺎ: «ﻟَﻢْ ﻳُﻨَﺠِّﺴْﻪُ ﺷَﻲْءٌ» ، ﻭَﺃَﻣَّﺎ اﻟْﻤُﺨَﺮِّﻣِﻲُّ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺑِﻪِ ﻣُﺨْﺘَﺼَﺮًا، ﻭَﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «ﺇِﺫَا ﻛَﺎﻥَ اﻟْﻤَﺎءُ ﻗُﻠَّﺘَﻴْﻦِ ﻟَﻢْ ﻳَﺤْﻤِﻞِ اﻟْﺨَﺒَﺚَ» ، ﻭَﻟَﻢْ ﻳَﺬْﻛُﺮْ ﻣَﺴْﺄَﻟَﺔَ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻋَﻦِ اﻟْﻤَﺎءِ ﻭَﻣَﺎ ﻳَﻨُﻮﺑُﻪُ ﻣِﻦَ اﻟﺴِّﺒَﺎﻉِ ﻭَاﻟﺪَّﻭَاﺏِّ ”
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

৯২: আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) কে সেই পানি  সম্পর্কে  জিজ্ঞাসা করা হলো যা হতে চার পেয়ে বিভিন্ন জন্তু ও হিংস্র জন্তুরা (পানি পান করার জন্য) আসা-যাওয়া করে। রসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন : “যখন পানি দুই কুল্লা পরিমাণ হয় তখন তা অপবিত্র হয় না”। এটা হাওসারার রিওয়াআত। মূসা বিন আব্দুর রহমান তার রিওয়াআতে “حدث” শব্দের স্থলে ﻋَﻦْ বর্ণনা করেছেন। আর ﻟَﻢْ ﻳَﺤْﻤِﻞِ اﻟْﺨَﺒَﺚ এর স্থলে ﻟَﻢْ ﻳُﻨَﺠِّﺴْﻪُ ﺷَﻲْءٌ “তাকে কোন বস্তু অপবিত্র করে না” শব্দ বর্ণনা করেছেন। ইমাম সাহিব বলেন ; মাখযুমী আমাদের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন ; রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : “যখন পানি দুই কুল্লা পরিমাণ হয় তখন অপবিত্র হয় না”। তিনি নাবী (সাঃ) কে জিজ্ঞাসা করা প্রশ্ন পানির স্থলে চার পেয়ে জন্তু ও হিংস্র জন্তুর আসা-যাওয়ার সম্পর্কে কিছু উল্লেখ করেননি।
★সনদ সহীহ। তিরমিযী হাঃ ৬৭; সহীহ আবুদাঊদ হাঃ ৫৬; ৫৯; ইবনুমাজাহ হাঃ ৫১৭; দারেমী হাঃ ৭৩২; নাসাঈ হাঃ ৫২;
ব্যাখ্যা :
পানির কলসী বা মটকাকে কুল্লা বলা হয়। ইমাম শাফিঈ; আহমাদ ও ইসহাকের মতে পানি দুই কুল্লা পরিমাণ হলে তা অপবিত্র বা নাপাক হয় না ; যে পর্যন্ত তার গন্ধ ও স্বাদ পরিবর্তিত না হয়। তারা একথাও বলেছেন দুই মটকার অর্থ কম-বেশি পাঁচ মশকের সমান (ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযীর ব্যখ্যা তিরমিযী হাঃ ৬৭ এর নীচে)।

72-ﺑَﺎﺏُ اﻟﻨَّﻬْﻲِ ﻋَﻦِ اﻏْﺘِﺴَﺎﻝِ اﻟْﺠُﻨُﺐِ ﻓِﻲ اﻟْﻤَﺎءِ اﻟﺪَّاﺋِﻢِ ﺑِﻠَﻔْﻆٍ ﻋَﺎﻡٍّ ﻣُﺮَاﺩُﻩُ ﺧَﺎﺹٌّ ” ﻭَﻓِﻴﻪِ ﺩَﻟِﻴﻞٌ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ ﻗَﻮْﻟَﻪُ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «اﻟْﻤَﺎءُ ﻻَ ﻳُﻨَﺠِّﺴُﻪُ ﺷَﻲْءٌ» ﻟَﻔْﻆٌ ﻋَﺎﻡٌّ ﻣُﺮَاﺩُﻩُ ﺧَﺎﺹٌّ ﻋَﻠَﻰ ﻣَﺎ ﺑَﻴَّﻨْﺖُ ﻗَﺒْﻞُ ﺃَﺭَاﺩَ اﻟْﻤَﺎءَ اﻟَّﺬِﻱ ﻳَﻜُﻮﻥُ ﻗُﻠَّﺘَﻴْﻦِ ﻓَﺼَﺎﻋِﺪًا “

অধ্যায় ৭২: কলসীর পানিতে জুনবী (অপবিত্র যার উপর গোসল ফরয তার) গোসল করা নিষেধের বর্ণনা এটা সাধারণ শব্দ। কিন্তু এর উদ্দেশ্য খাস। তাতে এ প্রমাণও আছে যে; নাবী (সাঃ) এর আদেশ : “পানিকে কোন বস্তু অপবিত্র করে না”। এ শব্দ সাধারণ; কিন্তু এর উদ্দেশ্য খাস। যেমন আমি পূর্বে বর্ণনা করেছি যে; তার উদ্দেশ্য সেই পানি যা দুই কুল্লা বা তার চেয়ে বেশী।

93 – ﻧﺎ ﻳُﻮﻧُﺲُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻷَْﻋْﻠَﻰ، ﻧﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﻭَﻫْﺐٍ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧِﻲ ﻋَﻤْﺮُﻭ ﺑْﻦُ اﻟْﺤَﺎﺭِﺙِ، ﻋَﻦْ ﺑُﻜَﻴْﺮِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺣَﺪَّﺛَﻪُ، ﺃَﻥَّ ﺃَﺑَﺎ اﻟﺴَّﺎﺋِﺐِ ﻣَﻮْﻟَﻰ ﻫِﺸَﺎﻡِ ﺑْﻦِ ﺯُﻫْﺮَﺓَ ﺣَﺪَّﺛَﻪُ ﺃَﻧَّﻪُ، ﺳَﻤِﻊَ ﺃَﺑَﺎ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﻳَﻘُﻮﻝُ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «§ﻻَ ﻳَﻐْﺘَﺴِﻞْ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ ﻓِﻲ اﻟْﻤَﺎءِ اﻟﺪَّاﺋِﻢِ ﻭَﻫُﻮَ ﺟُﻨُﺐٌ» . ﻗَﺎﻝَ: ﻛَﻴْﻒَ ﻳَﻔْﻌَﻞُ ﻳَﺎ ﺃَﺑَﺎ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ؟ ﻗَﺎﻝَ: ﻳَﺘَﻨَﺎﻭَﻟُﻪُ ﺗَﻨَﺎﻭُﻻ

৯৩: আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : “তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি অপবিত্র অবস্থায় যেন জমা পানিতে গোসল না করে”। (আবূ সায়েব জিজ্ঞাসা করলেন) হে আবূহুরাইরাহ! তাহলে সে কিভাবে (গোসল) করবে?  তিনি বললেন; সে (তা হতে) পানি তুলে নিবে (আর বাইরে বসে গোসল করবে)।
★মুসলিম হাঃ ২৮৩; নাসাঈ হাঃ ২২০; ইবনুমাজাহ হাঃ

73- ﺑَﺎﺏُ اﻟﻨَّﻬْﻲِ ﻋَﻦِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻣِﻦَ اﻟْﻤَﺎءِ اﻟﺪَّاﺋِﻢِ اﻟَّﺬِﻱ ﻗَﺪْ ﺑِﻴﻞَ ﻓِﻴﻪِ، ﻭَاﻟﻨَّﻬْﻲِ ﻋَﻦِ اﻟﺸُّﺮْﺏِ ﻣِﻨْﻪُ ﺑِﺬِﻛْﺮِ ﻟَﻔْﻆٍ ﻋَﺎﻡٍّ ﻣُﺮَاﺩُﻩُ ﺧَﺎﺹّ

অধ্যায় ৭৩: সেই জমা পানি হতে ওযু করা ও পান করা নিষেধের বর্ণনা; যাতে পেশাব করা হয়। এ বর্ণনা সাধারণ শব্দের মাধ্যমে; কিন্তু এর উদ্দেশ্য খাস।

94 – ﻧﺎ ﻳُﻮﻧُﺲُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻷَْﻋْﻠَﻰ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﺃَﻧَﺲُ ﺑْﻦُ ﻋِﻴَﺎﺽٍ، ﻋَﻦِ اﻟْﺤَﺎﺭِﺙِ ﻭَﻫُﻮَ اﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﺫُﺑَﺎﺏٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﻄَﺎءِ ﺑْﻦِ ﻣِﻴﻨَﺎءَ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ، ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ: «§ﻻَ ﻳَﺒُﻮﻟَﻦَّ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ ﻓِﻲ اﻟْﻤَﺎءِ اﻟﺪَّاﺋِﻢِ، ﺛُﻢَّ ﻳَﺘَﻮَﺿَّﺄُ ﻣِﻨْﻪُ ﺃَﻭْ ﻳَﺸْﺮَﺏُ» ّ

৯৪: আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : “তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি জমা পানিতে যেন পেশাব না করে। (তাতে পেশাব করা হলে) অতঃপর তা হতে যেন ওযু না করে এবং পানও না করে”।
★সহীহ আবুদাঊদ হাঃ ৬৩; তিরমিযী হাঃ ৬৮; নাসাঈ হাঃ ৫৭; মুসনাদে আহমাদ হাঃ ৭২১৩; ইবনুহিব্বান হাঃ ১২৪৮; ১২৫৩; ইবনুমাজাহ হাঃ ৩৪৪;

74-ﺑَﺎﺏُ اﻷَْﻣْﺮِ ﺑِﻐَﺴْﻞِ اﻹِْﻧَﺎءِ ﻣِﻦْ ﻭُﻟُﻮﻍِ اﻟْﻜَﻠْﺐِ «ﻭَاﻟﺪَّﻟِﻴﻞُ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺃَﻣَﺮَ ﺑِﻐَﺴْﻞِ اﻹِْﻧَﺎءِ ﻣِﻦْﻭُﻟُﻮﻍِ اﻟْﻜَﻠْﺐِ ﺗَﻄْﻬِﻴﺮًا ﻟِﻹِْﻧَﺎءِ، ﻻَ ﻋَﻠَﻰ ﻣَﺎ اﺩَّﻋَﻰ ﺑَﻌْﺾُ ﺃَﻫْﻞِ اﻟْﻌِﻠْﻢِ ﺃَﻥَّ اﻷَْﻣْﺮَ ﺑِﻐَﺴْﻠِﻪِ ﺃَﻣْﺮُ ﺗَﻌَﺒُّﺪٍ، ﻭَﺃَﻥَّ اﻹِْﻧَﺎءَ ﻃَﺎﻫِﺮٌ ﻭَاﻟْﻮُﺿُﻮءُﻭَاﻻِﻏْﺘِﺴَﺎﻝُ ﺑِﺬَﻟِﻚَ اﻟْﻤَﺎءِ ﺟَﺎﺋِﺰٌ، ﻭَﺷُﺮْﺏُ ﺫَﻟِﻚَ اﻟْﻤَﺎءِ ﻃَﻠْﻖٌ ﻣُﺒَﺎﺡٌ»

অধ্যায় ৭৪: আর সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা যে; পাত্রে কুকুর মুখ দেওয়াতে নাবী (সাঃ) সেটা ধুয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তার পবিত্রতা ও পরিষ্কারের জন্য। এজন্য নয় যেমনটি কিছু আ‘লিম দাবী করেন যে; পাত্রকে ধোয়ার নির্দেশ কেবল পরিষ্কার করার জন্য পাত্র পবিত্র; তাতে পানি নিয়ে ওযু ও গোসল করা বৈধ। আর তাতে পানি পান করাও বৈধ।

95 – ﻧﺎ ﻳَﻌْﻘُﻮﺏُ ﺑْﻦُ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢَ اﻟﺪَّﻭْﺭَﻗِﻲُّ، ﻧﺎ اﺑْﻦُ ﻋُﻠَﻴَّﺔَ، ﻋَﻦْ ﻫِﺸَﺎﻡِ ﺑْﻦِ ﺣَﺴَّﺎﻥَ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺑَﺸَّﺎﺭٍ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢُ ﺑْﻦُ ﺻَﺪَﻗَﺔَ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺇِﺳْﻤَﺎﻋِﻴﻞُ ﺑْﻦُ ﺑَﺸِﻴﺮِ ﺑْﻦِ ﻣَﻨْﺼُﻮﺭٍ اﻟﺴُّﻠَﻴْﻤِﻲُّ، ﻧﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻷَْﻋْﻠَﻰ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ اﻟْﻘُﻄَﻌِﻲُّ، ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻣَﺮْﻭَاﻥَ ﻗَﺎﻟُﻮا: ﻧﺎ ﻫِﺸَﺎﻡُ ﺑْﻦُ ﺣَﺴَّﺎﻥَ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺟَﻤِﻴﻞُ ﺑْﻦُ اﻟْﺤَﺴَﻦِ ﻗَﺎﻝَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻣَﺮْﻭَاﻥَ، ﻋَﻦْ ﻫِﺸَﺎﻡٍ، ﻋَﻦْ ﻣُﺤَﻤَّﺪِ ﺑْﻦِ ﺳِﻴﺮِﻳﻦَ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ، ﻋَﻦِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ: «§ﻃُﻬُﻮﺭُ ﺇِﻧَﺎءِ ﺃَﺣَﺪِﻛُﻢْ ﺇِﺫَا ﻭَﻟَﻎَ ﻓِﻴﻪِ اﻟْﻜَﻠْﺐُ ﺃَﻥْ ﻳُﻐْﺴَﻞَ ﺳَﺒْﻊَ ﻣَﺮَّاﺕٍ، اﻷُْﻭﻟَﻰ ﻣِﻨْﻬُﻦَّ ﺑِﺎﻟﺘُّﺮَاﺏِ» ﻭَﻗَﺎﻝَ اﻟﺪَّﻭْﺭَﻗِﻲُّ: «ﺃَﻭَّﻟُﻬَﺎ ﺑِﺘُﺮَاﺏٍ» ﻭَﻗَﺎﻝَ اﻟْﻘُﻄَﻌِﻲُّ: «ﺃَﻭَّﻟُﻬَﺎ ﺑِﺎﻟﺘُّﺮَاﺏِ»

৯৫: আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; নাবী (সাঃ) বলেছেন : “তোমাদের মধ্যে কারো পাত্রে যখন কুকুর মুখ দিবে; তখন তার পবিত্রতার জন্য তা যেন সাত’বার ধুয়ে নেয়। প্রথমবার মাটি দ্বারা (পরিষ্কার করবে)”।দাওরাকীর রিওয়াতে আছে; ﺃَﻭَّﻟُﻬَﺎ ﺑِﺘُﺮَاﺏ “প্রথমবার মাটি দ্বারা” (দুজনার অর্থ একই)।
★মুসলিম হাঃ ২৭৯; আবুদাঊদ হাঃ ৭১; ৭৩; তিরমিযী হাঃ ৯১; ইবনুহিব্বান হাঃ ১২৯৭;

96 – ﻧﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟْﺠَﺒَّﺎﺭِ ﺑْﻦُ اﻟْﻌَﻼَءِ، ﻧﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ اﻟﺰِّﻧَﺎﺩِ، ﻋَﻦِ اﻷَْﻋْﺮَﺝِ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ، ﻋَﻦِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «§ﻃُﻬُﻮﺭُ ﺇِﻧَﺎءِ ﺃَﺣَﺪِﻛُﻢْ ﺇِﺫَا ﻭَﻟَﻎَ ﻓِﻴﻪِ اﻟْﻜَﻠْﺐُ ﺃَﻥْ ﻳَﻐْﺴِﻠَﻪُ ﺳَﺒْﻊَ ﻣَﺮَّاﺕٍ»

৯৬: আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) নাবী (সাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে: “তোমাদের মধ্যে কারো পাত্রে যখন কুকুরে মুখ দিয়ে পান করবে তখন তার পবিত্রতা ও পরিষ্কার এটা যে; সে ওটা সাত’বার ধুয়ে নিবে”।
★বুখারী হাঃ ১৭২; মুসলিম হাঃ ২৭৯; আবুদাঊদ হাঃ ৬৫; ইবনুহিব্বান ১২৯৪; তিরমিযী হাঃ ৩৪৬;

97 – ﻧﺎ ﺟَﻤِﻴﻞُ ﺑْﻦُ اﻟْﺤَﺴَﻦِ، ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻫَﻤَّﺎﻡٍ ﻳَﻌْﻨِﻲ ﻣُﺤَﻤَّﺪَ ﺑْﻦَ ﻣَﺮْﻭَاﻥَ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻫِﺸَﺎﻡٌ، ﻋَﻦْ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ اﻟْﻘَﺎﺳِﻢِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «§ﺇِﺫَا ﺷَﺮِﺏَ اﻟْﻜَﻠْﺐُ ﻣِﻦَ اﻹِْﻧَﺎءِ ﻓَﺈِﻥَّ ﻃُﻬُﻮﺭَﻩُ ﺃَﻥْ ﻳُﻐْﺴَﻞَ ﺳَﺒْﻊَ ﻣَﺮَّاﺕٍ ﺃَﻭَّﻟُﻬَﺎ ﺑِﺘُﺮَاﺏٍ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

৯৭: আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) বর্ণনা করেন যে; আবুল কাসিম (সাঃ) বলেছেন : “যখন কুকুর কোন পাত্র হতে পান করে; তার পবিত্রতার জন্য করণীয় হল সেটা সাত’বার ধুয়ে নিবে প্রথমবার মাটি দ্বারা (পরিষ্কার করবে)”।
★সনদ সহীহ। বুখারী হাঃ ১৭২; মুসলিম হাঃ ২৭৯; নাসাঈ হাঃ ৬৩; ইবনুমাজাহ হাঃ ৩৫৮; মুসনাদে আহমাদ ২/২৪৫; ৪৬০;

75-ﺑَﺎﺏُ اﻷَْﻣْﺮِ ﺑِﺈِﻫْﺮَاﻕِ اﻟْﻤَﺎءِ اﻟَّﺬِﻱ ﻭَﻟَﻎَ ﻓِﻴﻪِ اﻟْﻜَﻠْﺐُ،

অধ্যায় ৭৫: যে পানিতে কুকুর মুখ দিবে তা ফেলে দেওয়ার ও পাত্র ধোয়ার নির্দেশ।

ﻭَﻏَﺴْﻞِ اﻹِْﻧَﺎءِ ﻣِﻦْ ﻭُﻟُﻮﻍِ اﻟْﻜَﻠْﺐِ «ﻭَﻓِﻴﻪِ ﺩَﻟِﻴﻞٌ ﻋَﻠَﻰ ﻧَﻘْﺾِ ﻗَﻮْﻝِ ﻣَﻦْ ﺯَﻋَﻢَ ﺃَﻥَّ اﻟْﻤَﺎءَ ﻃَﺎﻫِﺮٌ، ﻭَاﻷَْﻣْﺮُ ﺑِﻐَﺴْﻞِ اﻹِْﻧَﺎءِ ﺗَﻌَﺒُّﺪٌ، ﺇِﺫْ ﻏَﻴْﺮُ ﺟَﺎﺋِﺰٍ ﺃَﻥْ ﻳَﺄْﻣُﺮَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺑِﻬَﺮَاﻗَﺔِ ﻣَﺎءٍ ﻃَﺎﻫِﺮٍ ﻏَﻴْﺮِ ﻧَﺠِﺲٍ»

কেননা এটা অসম্ভব যে; নাবী (সাঃ) পবিত্র; অন্য আবর্জনাযুক্ত পানি ফেলে দেওয়ার (অপব্যয় করার) নির্দেশ প্রদান করবে।

98 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ، ﻧﺎ ﺇِﺳْﻤَﺎﻋِﻴﻞُ ﺑْﻦُ اﻟْﺨَﻠِﻴﻞِ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ اﺑْﻦُ ﻋَﻠِﻲٍّ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ اﻷَْﻋْﻤَﺶُ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﺭَﺯِﻳﻦٍ، ﻭَﺃَﺑِﻲ ﺻَﺎﻟِﺢٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ «§ﺇِﺫَا ﻭَﻟَﻎَ اﻟْﻜَﻠْﺐُ ﻓِﻲ ﺇِﻧَﺎءِ ﺃَﺣَﺪِﻛُﻢْ ﻓَﻠْﻴُﻬْﺮِﻗْﻪُ ﻭَﻟْﻴَﻐْﺴِﻠْﻪُ ﺳَﺒْﻊَ ﻣَﺮَّاﺕٍ»

৯৮: আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : “যখন তোমাদের মধ্যে কারো পাত্রে কুকুরে মুখ দিয়ে পান করবে তখন সে সেটা (পাত্র) বইয়ে দিবে (ফেলে দেবে) এবং পাত্রটি সাত’বার ধুয়ে নিবে। আর যখন তোমাদের  মধ্যে কারো (জুতার) ফিতা ছিঁড়ে যাবে তাতে (সেই জুতা পরে) যেন না চলে যতক্ষণ না তা সারিয়ে নেয়”।
★মুসনাদে আহমাদ ৩/২৫৩;৪৪৩;৪৭৭;৪৮০; মুসান্নাফ আব্দুর রাজ্জাক হাঃ ২০২১৬; ইবনু শুয়াইবাহ ২/২২৮;

76-ﺑَﺎﺏُ اﻟﻨَّﻬْﻲِ ﻋَﻦْ ﻏَﻤْﺲِ اﻟْﻤُﺴْﺘَﻴْﻘِﻆِ ﻣِﻦَ اﻟﻨَّﻮْﻡِ ﻳَﺪَﻩُ ﻓِﻲ اﻹِْﻧَﺎءِ ﻗَﺒْﻞَ ﻏَﺴْﻠِﻬَﺎ

অধ্যায় ৭৬: ঘুম থেকে ওঠা ব্যক্তির নিজ হাত না ধুয়ে পাত্রের মধ্যে হাত দেওয়া নিষেধ।

99 – ﻧﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟْﺠَﺒَّﺎﺭِ ﺑْﻦُ اﻟْﻌَﻼَءِ، ﻭَﺳَﻌِﻴﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ اﻟْﻤَﺨْﺰُﻭﻣِﻲُّ ﻗَﺎﻻَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ، ﻋَﻦِ اﻟﺰُّﻫْﺮِﻱِّ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﺳَﻠَﻤَﺔَ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ، ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ: «§ﺇِﺫَا اﺳْﺘَﻴْﻘَﻆَ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ ﻣِﻦْ ﻧَﻮْﻣِﻪِ ﻓَﻼَ ﻳَﻐْﻤِﺲْ ﻳَﺪَﻩُ ﻓِﻲ اﻹِْﻧَﺎءِ ﺣَﺘَّﻰ ﻳَﻐْﺴِﻠَﻬَﺎ ﺛَﻼَﺛًﺎ؛ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﻻَ ﻳَﺪْﺭِﻱ ﺃَﻳْﻦَ ﺑَﺎﺗَﺖْ ﻳَﺪُﻩُ» ﻫَﺬَا ﺣَﺪِﻳﺚُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟْﺠَﺒَّﺎﺭِ، ﻏَﻴْﺮَ ﺃَﻧَّﻪُ ﻗَﺎﻝَ: ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﺭِﻭَاﻳَﺔً ”

৯৯: আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : “যখন তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি উঠবে তখন তার হাত তিন’বার না ধোয়া পর্যন্ত পাত্রে না প্রবেশ করায়। কারণ সে জানেনা যে; তার হাত রাতে (শরীরের) কোথায় ছিল”। এটা আব্দুল জাব্বারের বর্ণিত হাদীস। তিনি তা আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেছেন।
★বুখারী হাঃ ১৬২; মুসলিম হাঃ ২৭৮; তিরমিযী হাঃ ২৪; নাসাঈ হাঃ ১; আহমাদ ২/৩৯৫; ৫০৭;

77-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺃَﺭَاﺩَ ﺑِﻘَﻮْﻟِﻪِ: «ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﻻَ ﻳَﺪْﺭِﻱ ﺃَﻳْﻦَ ﺑَﺎﺗَﺖْ ﻳَﺪُﻩُ ﻣِﻨْﻪُ» ﺃَﻱْ ﺃَﻧَّﻪُ ﻻَﻳَﺪْﺭِﻱ ﺃَﻳْﻦَ ﺃَﺗَﺖْ ﻳَﺪُﻩُ ﻣِﻦْ ﺟَﺴَﺪِﻩ

অধ্যায় ৭৭: সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা নাবী (সাঃ) বলেন: “সে জানে না যে তার হাত কোথায় রাত কাটিয়েছে” হতে তার উদ্দেশ্য এটা যে; সে জানেনা যে; তার হাত তার শরীরের কোথায় লেগেছিলো।

100 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ اﻟْﻮَﻟِﻴﺪِ ﺑِﺨَﺒَﺮٍ ﻏَﺮِﻳﺐٍ، ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺟَﻌْﻔَﺮٍ، ﻧﺎ ﺷُﻌْﺒَﺔُ، ﻋَﻦْ ﺧَﺎﻟِﺪٍ اﻟْﺤَﺬَّاءِ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﺷَﻘِﻴﻖٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «§ﺇِﺫَا اﺳْﺘَﻴْﻘَﻆَ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ ﻣِﻦْ ﻧَﻮْﻣِﻪِ ﻓَﻼَ ﻳَﻐْﻤِﺲْ ﻳَﺪَﻩُ ﻓِﻲ ﺇِﻧَﺎﺋِﻪِ ﺃَﻭْ ﻓِﻲ ﻭَﺿُﻮﺋِﻪِ ﺣَﺘَّﻰ ﻳَﻐْﺴِﻠَﻬَﺎ؛ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﻻَ ﻳَﺪْﺭِﻱ ﺃَﻳْﻦَ ﺃَﺗَﺖْ ﻳَﺪُﻩُ ﻣِﻨْﻪُ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১০০: আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : “যখন তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি ঘুম হতে জাগবে সে যেন তার হাত না ধুয়ে ওযুর পাত্রে না দেয়। কেননা সে জানেনা যে; তার হাত (ঘুমের মধ্যে) তার শরীরের কোন্ অংশে লেগেছে”।
★সনদ সহীহ। বুখারী হাঃ ১৬২; মুসলিম হাঃ ২৭৮; তিরমিযী হাঃ ২৪; আবুদাঊদ হাঃ ৯৪; ইবনুমাজাহ হাঃ ৩৭৮; ইবনুহিব্বান হাঃ ১০৬৪; ১০৬৫;

78-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟْﻤَﺎءَ ﺇِﺫَا ﺧَﺎﻟَﻄَﻪُ ﻓَﺮْﺙُ ﻣَﺎ ﻳُﺆْﻛَﻞُ ﻟَﺤْﻤُﻪُ ﻟَﻢْ ﻳَﻨْﺠُﺲ

অধ্যায় ৭৮: সেই বিষয়ের বর্ণনা যে; যে জন্তুর গোস্ত খাওয়া হয় তার গোবর যদি পানিতে মিশে যায় তাহলে পানি অপবিত্র হয় না।

101 – ﻧﺎ ﻳُﻮﻧُﺲُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻷَْﻋْﻠَﻰ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ اﺑْﻦُ ﻭَﻫْﺐٍ -[53]-، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧِﻲ ﻋَﻤْﺮُﻭ ﺑْﻦُ اﻟْﺤَﺎﺭِﺙِ، ﻋَﻦْ ﺳَﻌِﻴﺪِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻫِﻼَﻝٍ، ﻋَﻦْ ﻋُﺘْﺒَﺔَ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻋُﺘْﺒَﺔَ، ﻋَﻦْ ﻧَﺎﻓِﻊِ ﺑْﻦِ ﺟُﺒَﻴْﺮٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ، ﺃَﻧَّﻪُ ﻗِﻴﻞَ ﻟِﻌُﻤَﺮَ ﺑْﻦِ اﻟْﺨَﻄَّﺎﺏِ ﺣَﺪِّﺛْﻨَﺎ ﻣِﻦْ ﺷَﺄْﻥِ ﺳَﺎﻋَﺔِ اﻟْﻌُﺴْﺮَﺓِ، ﻓَﻘَﺎﻝَ ﻋُﻤَﺮُ: ﺧَﺮَﺟْﻨَﺎ ﺇِﻟَﻰ ﺗَﺒُﻮﻙَ ﻓِﻲ ﻗَﻴْﻆٍ ﺷَﺪِﻳﺪٍ، ﻓَﻨَﺰَﻟْﻨَﺎ ﻣَﻨْﺰِﻻً ﺃَﺻَﺎﺑَﻨَﺎ ﻓِﻴﻪِ ﻋَﻄِﺶٌ ﺣَﺘَّﻰ ﻇَﻨَﻨَّﺎ ﺃَﻥَّ ﺭِﻗَﺎﺑَﻨَﺎ ﺳَﺘَﻨْﻘَﻄِﻊُ ﺣَﺘَّﻰ ﺃَﻥْ ﻛَﺎﻥَ اﻟﺮَّﺟُﻞُ ﻟَﻴَﺬْﻫَﺐُ ﻳَﻠْﺘَﻤِﺲُ اﻟْﻤَﺎءَ ﻓَﻼَ ﻳَﺮْﺟِﻊُ ﺣَﺘَّﻰ ﻳَﻈُﻦَّ ﺃَﻥَّ ﺭَﻗَﺒَﺘَﻪُ ﺳَﺘَﻨْﻘَﻄِﻊُ ﺣَﺘَّﻰ ﺇِﻥَّ اﻟﺮَّﺟُﻞَ ﻳَﻨْﺤَﺮُ ﺑَﻌِﻴﺮَﻩُ ﻓَﻴَﻌْﺼِﺮُ ﻓَﺮْﺛَﻪُ ﻓَﻴَﺸْﺮَﺑُﻪُ ﻭَﻳَﺠْﻌَﻞُ ﻣَﺎ ﺑَﻘِﻲَ ﻋَﻠَﻰ ﻛَﺒِﺪِﻩِ، ﻓَﻘَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ اﻟﺼِّﺪِّﻳﻖُ: ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ، ﺇِﻥَّ اﻟﻠَّﻪَ ﻗَﺪْ ﻋَﻮَّﺩَﻙَ ﻓِﻲ اﻟﺪُّﻋَﺎءِ ﺧَﻴْﺮًا ﻓَﺎﺩْﻉُ ﻟَﻨَﺎ، ﻓَﻘَﺎﻝَ: «§ﺃَﺗُﺤِﺐُّ ﺫَﻟِﻚَ؟» ﻗَﺎﻝَ: ﻧَﻌَﻢْ، ﻓَﺮَﻓَﻊَ ﻳَﺪَﻳﻪُ ﻓَﻠَﻢْ ﻳُﺮْﺟِﻌْﻬُﻤَﺎ ﺣَﺘَّﻰ ﻗَﺎﻟَﺖِ اﻟﺴَّﻤَﺎءُ ﻓَﺄَﻇْﻠَﻤَﺖْ، ﺛُﻢَّ ﺳَﻜَﺒَﺖْ ﻓَﻤَﻸَُﻭا ﻣَﺎ ﻣَﻌَﻬُﻢْ، ﺛُﻢَّ ﺫَﻫَﺒْﻨَﺎ ﻧَﻨْﻈُﺮُ ﻓَﻠَﻢْ ﻧَﺠِﺪْﻫَﺎ ﺟَﺎﺯَﺕِ اﻟْﻌَﺴْﻜَﺮَ ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: «ﻓَﻠَﻮْ ﻛَﺎﻥَ ﻣَﺎءُ اﻟْﻔَﺮْﺙِ ﺇِﺫَا ﻋُﺼِﺮَ ﻧَﺠِﺴًﺎ ﻟَﻢْ ﻳَﺠُﺰْ ﻟِﻠْﻤَﺮْءِ ﺃَﻥْ ﻳَﺠْﻌَﻠَﻪُ ﻋَﻠَﻰ ﻛَﺒِﺪِﻩِ ﻓَﻴَﻨْﺠُﺲَ ﺑَﻌْﺾُ ﺑَﺪَﻧِﻪِ، ﻭَﻫُﻮَ ﻏَﻴْﺮُ ﻭَاﺟِﺪٍ ﻟِﻤَﺎءٍ ﻃَﺎﻫِﺮٍ ﻳَﻐْﺴِﻞُ ﻣَﻮْﺿِﻊَ اﻟﻨَّﺠَﺲِ ﻣِﻨْﻪُ، ﻓَﺄَﻣَّﺎ ﺷُﺮْﺏُ اﻟْﻤَﺎءِ اﻟﻨَّﺠِﺲِ ﻋِﻨْﺪَ ﺧَﻮْﻑِ اﻟﺘَّﻠَﻒِ ﺇِﻥْ ﻟَﻢْ ﻳَﺸْﺮَﺏْ ﺫَﻟِﻚَ اﻟْﻤَﺎءَ ﻓَﺠَﺎﺋِﺰٌ ﺇِﺣْﻴَﺎءُ اﻟﻨَّﻔْﺲِ ﺑِﺸُﺮْﺏِ ﻣَﺎءٍ ﻧَﺠِﺲٍ، ﺇِﺫِ اﻟﻠَّﻪُ ﻋَﺰَّ ﻭَﺟَﻞَّ ﻗَﺪْ ﺃَﺑَﺎﺡَ ﻋِﻨْﺪَ اﻻِﺿْﻄِﺮَاﺭِ ﺇِﺣْﻴَﺎءَ اﻟﻨَّﻔْﺲِ ﺑِﺄَﻛْﻞِ اﻟْﻤَﻴْﺘَﺔِ ﻭَاﻟﺪَّﻡِ ﻭَﻟَﺤْﻢِ اﻟْﺨِﻨْﺰِﻳﺮِ ﺇِﺫَا ﺧِﻴﻒَ اﻟﺘَّﻠَﻒَ ﺇِﻥْ ﻟَﻢْ ﻳَﺄْﻛُﻞْ ﺫَﻟِﻚَ، ﻭَاﻟْﻤَﻴْﺘَﺔُ ﻭَاﻟﺪَّﻡُ ﻭَﻟَﺤْﻢُ اﻟْﺨِﻨْﺰِﻳﺮِ ﻧَﺠَﺲٌ ﻣُﺤَﺮَّﻡٌ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﻤُﺴْﺘَﻐْﻨِﻲ ﻋَﻨْﻪُ ﻣُﺒَﺎﺡٌ ﻟِﻠْﻤُﻀْﻄَﺮِّ ﺇِﻟَﻴْﻪِ ﻹِِﺣْﻴَﺎءِ اﻟﻨَّﻔْﺲِ ﺑِﺄَﻛْﻠِﻪِ، ﻓَﻜَﺬَﻟِﻚَ ﺟَﺎﺋِﺰٌ ﻟِﻠْﻤُﻀْﻄَﺮِّ ﺇِﻟَﻰ اﻟْﻤَﺎءِ اﻟﻨَّﺠِﺲِ ﺃَﻥْ ﻳُﺤْﻴِﻲَ ﻧَﻔْﺴَﻪُ ﺑِﺸُﺮْﺏِ ﻣَﺎءٍ ﻧَﺠِﺲٍ ﺇِﺫَا ﺧَﺎﻑَ اﻟﺘَّﻠَﻒَ ﻋَﻠَﻰ ﻧَﻔْﺴِﻪِ ﺑِﺘَﺮْﻙِ ﺷُﺮْﺑِﻪِ، ﻓَﺄَﻣَّﺎ ﺃَﻥْ ﻳَﺠْﻌَﻞَ ﻣَﺎءً ﻧَﺠِﺴًﺎ ﻋَﻠَﻰ ﺑَﻌْﺾِ ﺑَﺪَﻧِﻪِ، ﻭاﻟْﻌِﻠْﻢُ ﻣُﺤِﻴﻂٌ ﺃَﻧَّﻪُ ﺇِﻥْ ﻟَﻢْ ﻳَﺠْﻌَﻞْ ﺫَﻟِﻚَ اﻟْﻤَﺎءَ اﻟﻨَّﺠِﺲَ ﻋَﻠَﻰ ﺑَﺪَﻧِﻪِ ﻟَﻢْ ﻳَﺨَﻒِ اﻟﺘَّﻠَﻒَ ﻋَﻠَﻰ ﻧَﻔْﺴِﻪِ، ﻭَﻻَ ﻛَﺎﻥَ ﻓِﻲ ﺇِﻣْﺴَﺎﺱِ ﺫَﻟِﻚَ اﻟْﻤَﺎءِ اﻟﻨَّﺠِﺲِ ﺑَﻌْﺾَ ﺑَﺪَﻧِﻪِ ﺇِﺣْﻴَﺎءَ ﻧَﻔْﺴِﻪِ ﺑِﺬَﻟِﻚَ، ﻭَﻻَ ﻋِﻨْﺪَﻩُ ﻣَﺎءٌ ﻃَﺎﻫِﺮٌ ﻳَﻐْﺴِﻞُ ﻣَﺎ ﻧَﺠُﺲَ ﻣِﻦْ ﺑَﺪَﻧِﻪِ ﺑِﺬَﻟِﻚَ اﻟْﻤَﺎءِ ﻓَﻬَﺬَا ﻏَﻴْﺮُ ﺟَﺎﺋِﺰٍ، ﻭَﻻَ ﻭَاﺳِﻊٍ ﻷَِﺣَﺪٍ ﻓِﻌْﻠُﻪُ»

১০১: আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। উমার বিন খাত্তাব (রাযিঃ) কে বলা হল আমাদের দরিদ্রতার সময়ের ব্যাপারে বর্ণনা করুন। তিনি বললেন; “আমরা অত্যন্ত গরমের সময় তাবুকের দিকে রওয়ানা হলাম; আমরা একজায়গায় (নেমে) ডেরা লাগালাম তখন আমাদের খুব পিপাসা লাগল (অথচ পানি ছিল না)। এমনকি আমরা অনুভব করলাম যে; যতটা সম্ভব আমাদের গর্দান কাটা পড়বে (অর্থাৎ পিপাসার কারণে মৃত্যু হয়ে যাবে)। এমনকি কোন ব্যক্তি পানির খোঁজে বের হলে সে (সিঘ্র) ফিরে আসত না। মনে করতাম যে তার গর্দান হয়ত কেটে গেছে। (অতঃপর অবস্থা এমন হল যে); এক ব্যক্তি তার উটকে যবেহ কোরত এবং তার গোবর নিংড়ে (পানি) পান কোরত; আর যা অবশিষ্ট বাঁচত তা নিজের পেটে দিয়ে দিত। (এঅবস্থা দেখে) আবূ বাকর সিদ্দীক (রাযিঃ) বললেন; হে আল্লাহর রসূল! নিঃসন্দেহে আল্লাহ তা’য়ালা আপনাকে সর্বোত্তম দুআর অধিকারী করেছেন (অর্থাৎ আপনি নিঃসংকচে ভালোর জন্যে দুআ করেন)। আমাদের জন্য দুআ করুন! (আল্লাহ তা’য়ালা যেন আমাদেরকে এই দরিদ্রতা হতে মুক্ত করে দেন)। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন ; তোমরা কি পছন্দ কর যে আমি তোমাদের জন্য দুআ করি? তিনি বললেন; হাঁ। তিনি (সাঃ) (দুআর জন্য) হাত উঠালেন। তখনো তিনি (দুআ শেষ করে) হাত নামাননি; আকাশে মেঘ ছেয়ে গেল ও অন্ধকার হয়ে গেল এবং মুশলধার বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল। সাহাবায়েকিরামগণ সমস্ত পাত্র ভরে নিল। অতঃপর আমরা (আমাদের ডেরার বাইরে) বের হয়ে দেখলাম যে; এঅঞ্চলের বাইরে বৃষ্টি হয়নি”। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; যদি গোবর হতে নিংড়ানো পানি অপবিত্র হত তাহলে তা কোন লোকের জন্য বৈধ হত না যে; সে তা দিয়ে পেট পূরণ করত। কেননা এতে তো তার শরীরের কিছু অংশ অপবিত্র হয়ে যেত। আর তার নিকট পবিত্র পানিও নেই যে সে তা দিয়ে অপবিত্র জায়গা ধুয়ে নিবে। সুতরাং গোবর পানি না পান করার অবস্থায় প্রাণ বেরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা হলে জীবিত থাকার জন্য অপবিত্র পানি পান করা বৈধ। কেননা আল্লাহ তা’য়ালা মৃত্য (জন্তুর গোস্ত); রক্ত; ও শুকরের গোস্ত খাওয়া ব্যতীত প্রাণ বাঁচানো না গেলে সেই বস্তুগুলো বাধ্য হয়ে খাওয়া বৈধ করেছেন। অথচ মৃত; রক্ত ও শুকরের গোস্ত অপবিত্র এবং স্বচ্ছল ব্যক্তির জন্য তা হারাম। মজবুর ব্যক্তির জন্য প্রাণ বাঁচানোর জন্য তা খাওয়া বৈধ। অনুরূপ মৃত্যুর বিপদের সময় মজবুর ব্যক্তির জন্য অপবিত্র পানি পান করাও বৈধ। যেন সে তা পান করে তার প্রাণ রক্ষা করতে পারে। কিন্তু অপবিত্র পানি নিজ শরীরের কোন অংশে লাগানো যদি এজন্য না হয় যে; তা শরীরে লাগালে তার শরীর রক্ষা পাবে; তার শরীরে তা লাগানোর পর পবিত্র পানি দ্বারা তা ধুয়ে ফেলবে তাহলে ঠিক আছে। কিন্তু কারণ যদি ওগুলো না হয় তাহলে তা শরীর লাগালে যদি পবিত্র পানি না পায় যা দ্বারা তা ধুয়ে পরিষ্কার করা যায় ; তাহলে তা ব্যবহার করা অবৈধ। আর এই কাজ করার কেন ব্যক্তির জন্য অবকাশ নায়।
★সনদ যঈফ। বায়হাকী ফীল কাবীর হাঃ ১৯৪২৫;

79-ﺑَﺎﺏُ اﻟﺮُّﺧْﺼَﺔِ ﻓِﻲ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﺑِﺴُﺆْﺭِ اﻟْﻬِﺮَّﺓِ
 
অধ্যায় ৭৯: বিড়ালের ঝুঁটা (পানিতে) ওযু করার অনুৃতি।

ﻭَاﻟﺪَّﻟِﻴﻞُ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ ﺧَﺮَاﻃِﻴﻢَ ﻣَﺎ ﻳَﺄْﻛُﻞُ اﻟْﻤَﻴْﺘَﺔَ ﻣِﻦَ اﻟﺴِّﺒَﺎﻉِ، ﻭَﻣِﻤَّﺎ ﻻَ ﻳَﺠُﻮﺯُ ﺃَﻛْﻞُ ﻟَﺤْﻤِﻪِ ﻣِﻦَ اﻟﺪَّﻭَاﺏِّ ﻭَاﻟﻄُّﻴُﻮﺭِ ﺇِﺫَا ﻣَﺎﺱَّ اﻟْﻤَﺎءَ اﻟَّﺬِﻱ ﺩُﻭﻥَ اﻟْﻘُﻠَّﺘَﻴْﻦِ ﻭَﻻَ ﻧَﺠَﺎﺳَﺔَ ﻣَﺮْﺋِﻴَّﺔٌ ﺑِﺨَﺮَاﻃِﻴﻤِﻬَﺎ ﻭَﻣَﻨَﺎﺧِﻴﺮِﻫَﺎ ﺇِﻥَّ ﺫَﻟِﻚَ ﻻَ ﻳُﻨَﺠِّﺲُ اﻟْﻤَﺎءَ، ﺇِﺫِ اﻟْﻌِﻠْﻢُ ﻣُﺤِﻴﻂٌ ﺃَﻥَّ اﻟْﻬِﺮَّﺓَ ﺗَﺄْﻛُﻞُ اﻟْﻔَﺄْﺭَ، ﻭَﻗَﺪْ ﺃَﺑَﺎﺡَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ اﻟْﻮُﺿُﻮءَ ﺑِﻔَﻀْﻞِ ﺳُﺆْﺭِﻫَﺎ، ﻓَﺪَﻟَّﺖْ ﺳُﻨَّﺘُﻪُ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ ﺧُﺮْﻃُﻮﻡَ ﻣَﺎ ﻳَﺄْﻛُﻞُ اﻟْﻤَﻴْﺘَﺔَ ﺇِﺫَا ﻣَﺎﺱَّ اﻟْﻤَﺎءَ اﻟَّﺬِﻱ ﺩُﻭﻥَ اﻟْﻘُﻠَّﺘَﻴْﻦِ ﻟَﻢْ ﻳَﻨْﺠُﺲْ ﺫَﻟِﻚَ ﺧَﻼَ اﻟْﻜَﻠْﺐِ اﻟَّﺬِﻱ ﻗَﺪْ ﺣَﺾَّ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺑِﺎﻷَْﻣْﺮِ ﺑِﻐَﺴْﻞِ اﻹِْﻧَﺎءِ ﻣِﻦْ ﻭُﻟُﻮﻏِﻪِ ﺳَﺒْﻌًﺎ، ﻭَﺧَﻼَ اﻟْﺨِﻨْﺰِﻳﺮِ اﻟَّﺬِﻱ ﻫُﻮَ ﺃَﻧْﺠَﺲُ ﻣِﻦَ اﻟْﻜَﻠْﺐِ ﺃَﻭْ ﻣِﺜْﻠُﻪُ»

এই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা যে; মৃতকে খাওয়া জন্তু চোঁচ; চার পেয়ে জন্তু ও পাখি যাদের গোস্ত খাওয়া হারাম। যদি তারা সেই পানিকে স্পর্শ করে (তা হতে পান করে) যা দুই মটকার কম আর তার মুখ ও চোঁচে অপবিত্রতা দেখা না যায়; তাহলে পানি অপবিত্র হয় না। কেননা একথা প্রকাশ্য যে; বিড়াল ইঁদুর খায়। কিন্তু নাবী (সাঃ) তার ঝুঁটা পানি হতে ওযু করা বৈধ করেছেন। অতএব তার সুন্নাত এবিষয়ের প্রমাণ যে; মৃত খানেওয়ালা জন্তুর মুখ বা চোঁচ যখন দুই মটকার কম পানিকে স্পর্শ করবে তখন তা অপবিত্র হবে না কুকুর ব্যতীত। যার ব্যাপারে বর্ণিত রয়েছে যে; যার পাত্রে মুখ দেওয়ার কারণে নাবী (সাঃ) পাত্রকে সাত’বার ধোয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আর শুকর ব্যতীত। যা কুকুরের চায়তেও অধিক বা তার মত অপবিত্র।

102 – ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ ﺣَﺎﺗِﻢٍ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺇِﺩْﺭِﻳﺲَ، ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﺟَﻌْﻔَﺮٍ اﻟﺮَّاﺯِﻱُّ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺳُﻠَﻴْﻤَﺎﻥُ ﺑْﻦُ ﻣُﺴَﺎﻓِﻊِ ﺑْﻦِ ﺷَﻴْﺒَﺔَ اﻟْﺤَﺠَﺒِﻲُّ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﻣَﻨْﺼُﻮﺭَ اﺑْﻦَ ﺻَﻔِﻴَّﺔَ ﺑِﻨْﺖِ ﺷَﻴْﺒَﺔَ ﻳُﺤَﺪِّﺙُ، ﻋَﻦْ ﺃُﻣَّﻪِ ﺻَﻔِﻴَّﺔَ، ﻋَﻦْ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔَ، ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ ﻟَﻬُﻢْ: «§ﺇِﻧَّﻬَﺎ ﻟَﻴْﺴَﺖْ ﺑِﻨَﺠَﺲٍ ﻫِﻲَ ﻛَﺒَﻌْﺾِ ﺃَﻫْﻞِ اﻟْﺒَﻴْﺖِ» ﻳَﻌْﻨِﻲ: اﻟْﻬِﺮَّﺓَ
: ﻗﺎﻝ اﻟﺬﻫﺒﻲ ﻓﻲ اﻟﻤﻴﺰاﻥ: ﺳﻠﻴﻤﺎﻥ ﺑﻦ ﻣﺴﺎﻓﻊ ﻻ ﻳﻌﺮﻑ ﻭﺃﺗﻰ ﺑﺨﺒﺮ ﻣﻨﻜﺮ

১০২: আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : “নিঃসন্দেহে সে (বিড়াল) অপবিত্র নয়। সে তো তোমাদের আশেপাশের (ছেলে-মেয়েদের) মত বিচরণকারী অথবা বিচরণকারিণী অর্থাৎ বিড়াল”। ইমাম যাহাবী (রহঃ) মিযানে বলেন; সালমান বিন মুসাফি’ মুনকার।
★সনদ সহীহ। সহীহ আবুদাঊদ হাঃ ৬৮; ৬৯; ইরওয়াউল-গালীল হাঃ ১৭৩; তিরমিযী হাঃ ৯২; নাসাঈ হাঃ ৬৭; ইবনুমাজাহ হাঃ ৩৬৭; মুসনাদে আহমাদ হাঃ ২১৪৯; মুওয়াত্তা ইমাম মালিক হাঃ ৩৮; দারেমী হাঃ ৭২৯;

103 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ، ﻧﺎ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢُ ﺑْﻦُ اﻟْﺤَﻜَﻢِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑَﺎﻥَ، ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﺃَﺑِﻲ، ﻋَﻦْ ﻋِﻜْﺮِﻣَﺔَ ﻗَﺎﻝَ: ﻛَﺎﻥَ ﺃَﺑُﻮ ﻗَﺘَﺎﺩَﺓَ «§ﻳَﺘَﻮَﺿَّﺄُ ﻣِﻦَ اﻹِْﻧَﺎءِ ﻭَاﻟْﻬِﺮَّﺓُ ﺗَﺸْﺮَﺏُ ﻣِﻨْﻪ ﻭَﻗَﺎﻝَ ﻋِﻜْﺮِﻣَﺔُ، ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «§اﻟْﻬِﺮَّﺓُ ﻣِﻦْ ﻣَﺘَﺎﻉِ اﻟْﺒَﻴْﺖِ»

১০৩: ইক্বরামাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; আবূ কাতাদাহ (রাযিঃ) পাত্র হতে ওযু করতেন। অথচ বিড়াল তা হতে পান করতো। ইকরামাজ বর্ণনা করেন যে; আবূহুরইরাহ (রাযিঃ) বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : “বিড়াল ঘরের জিনিষপত্রের অন্তর্ভুক্ত”।
★সনদ যঈফ। সনদে ইবরাহীম বিন হাকাম যঈফ রাবী।

104 – ﻧﺎ ﻳُﻮﻧُﺲُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻷَْﻋْﻠَﻰ اﻟﺼَّﺪَﻓِﻲُّ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ اﺑْﻦُ ﻭَﻫْﺐٍ، ﺃَﻥَّ ﻣَﺎﻟِﻜًﺎ ﺣَﺪَّﺛَﻪُ، ﻋَﻦْ ﺇِﺳْﺤَﺎﻕَ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻫُﻮَ اﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﻃَﻠْﺤَﺔَ، ﻋَﻦْ ﺣُﻤَﻴْﺪَﺓَ ﺑِﻨْﺖِ ﻋُﺒَﻴْﺪِ ﺑْﻦِ ﺭِﻓَﺎﻋَﺔَ، ﻋَﻦْ ﻛَﺒْﺸَﺔَ ﺑِﻨْﺖِ ﻛَﻌْﺐِ ﺑْﻦِ ﻣَﺎﻟِﻚٍ، ﻭَﻛَﺎﻧَﺖْ ﺗَﺤْﺖَ اﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻗَﺘَﺎﺩَﺓَ، ﺃَﻥَّ ﺃَﺑَﺎ ﻗَﺘَﺎﺩَﺓَ ﺩَﺧَﻞَ ﻋَﻠَﻴْﻬَﺎ ﻓَﺴَﻜَﺒَﺖْ ﻟَﻪُ ﻭُﺿُﻮءًا، ﻓَﺠَﺎءَﺕْ ﻫِﺮَّﺓٌ ﺗَﺸْﺮَﺏُ ﻣِﻨْﻪُ ﻓَﺄَﺻْﻐَﻰ ﻟَﻬَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻗَﺘَﺎﺩَﺓَ اﻹِْﻧَﺎءَ ﺣَﺘَّﻰ ﺷَﺮِﺑَﺖْ ﻗَﺎﻟَﺖْ ﻛَﺒْﺸَﺔُ ﻓَﺮَﺁﻧِﻲ ﺃَﻧْﻈُﺮُ ﺇِﻟَﻴْﻪِ ﻓَﻘَﺎﻝَ: ﺃَﺗَﻌْﺠَﺒِﻴﻦَ ﻳَﺎ ﺑِﻨْﺖَ ﺃَﺧِﻲ؟ ﻗَﺎﻟَﺖْ: ﻓَﻘُﻠْﺖُ: ﻧَﻌَﻢْ، ﻓَﻘَﺎﻝَ: ﺇِﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ: «§ﺇِﻧَّﻬَﺎ ﻟَﻴْﺴَﺖْ ﺑِﻨَﺠَﺲٍ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﻫِﻲَ ﻣِﻦَ اﻟﻄَّﻮَّاﻓِﻴﻦَ ﻋَﻠَﻴْﻜُﻢْ ﺃَﻭِ اﻟﻄَّﻮَّاﻓَﺎﺕِ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১০৪: আবূ কাতাদাহ (রাযিঃ) এর পুত্রবধু কাবশাহ বিনত কা’ব বিন মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে; আবূ কাতাদাহ (রাযিঃ) তার নিকট এলেন;  আমি তার জন্য ওযুর পানি (পাত্রে) দিলাম। (এমন সময়) একটি বিড়াল এসে তা হতে পানি পান করতে লাগল। আবূ কাতাদাহ (রাযিঃ) বিড়ালের জন্য পাত্রটি কাত করে ধরলেন। ফলে এমনকি সে (তৃপ্তিসহকারে পানি) পান করলো। কাবশাহ (রাযিঃ) বলেন; তিনি আমাকে দেখলেন আমি তার দিকে (অবাক দৃষ্টিতে) দেখছি। তিনি বললেন; আমার ভাতিজী!  তুমি কি (এদৃশ্যে) আশ্চর্যবোধ করছো?  আমি বললাম; হাঁ। তিনি বললেন; নিঃসন্দেহে রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : “বিড়াল অপবিত্র নয়। এরা সর্বদা তোমাদের নিকট ঘুরাফেরাকারী প্রাণী”।
★সনদ

80-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ ﺳُﻘُﻮﻁَ اﻟﺬُّﺑَﺎﺏِ ﻓِﻲ اﻟْﻤَﺎءِ ﻻَ ﻳُﻨَﺠِّﺴُﻪُ 

অধ্যায় ৮০: সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা যে; মাছির পানিতে পড়া সেটাকে অপবিত্র করে না।

ﻭَﻓِﻴﻪِ ﻣَﺎ ﺩَﻝَّ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥْ ﻻَ ﻧَﺠَﺎﺳَﺔَ ﻓِﻲ اﻷَْﺣْﻴَﺎءِ، ﻭَﺇِﻥْ ﻛَﺎﻥَ ﻻَ ﻳَﺠُﻮﺯُ ﺃَﻛْﻞُ ﻟَﺤْﻤِﻪِ، ﺇِﻻَّ ﻣَﺎ ﺧَﺺَّ ﺑِﻪِ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ اﻟْﻜَﻠْﺐَ، ﻭَﻛُﻞَّ ﻣَﺎ ﻳَﻘَﻊُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ اﺳْﻢُ اﻟْﻜَﻠْﺐِ ﻣِﻦَ اﻟﺴِّﺒَﺎﻉِ ﺇِﺫِ اﻟﺬُّﺑَﺎﺏُ ﻻَ ﻳُﺆْﻛَﻞُ، ﻭَﻫُﻮَ ﻣِﻦَ اﻟْﺨَﺒَﺎﺋِﺚِ اﻟَّﺘِﻲ ﺃَﻋْﻠَﻢَ اﻟﻠَّﻪُ ﺃَﻥَّ ﻧَﺒِﻴَّﻪُ اﻟْﻤُﺼْﻄَﻔَﻰ ﻳُﺤَﺮِّﻣُﻬَﺎ ﻓِﻲ ﻗَﻮْﻟِﻪِ: {ﻭَﻳُﺤِﻞُّ ﻟَﻬُﻢُ اﻟﻄَّﻴِّﺒَﺎﺕِ ﻭَﻳُﺤَﺮِّﻡُ ﻋَﻠَﻴْﻬِﻢُ اﻟْﺨَﺒَﺎﺋِﺚَ} [اﻷﻋﺮاﻑ: 157] ﻭَﻗَﺪْ ﺃَﻋْﻠَﻢَ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺃَﻥَّ ﺳُﻘُﻮﻁَ اﻟﺬُّﺑَﺎﺏِ ﻓِﻲ اﻹِْﻧَﺎءِ ﻻَ ﻳُﻨَﺠِّﺲُ ﻣَﺎ ﻓِﻲ اﻹِْﻧَﺎءِ ﻣِﻦَ اﻟﻄَّﻌَﺎﻡِ ﻭَاﻟﺸَّﺮَاﺏِ ﻷَِﻣْﺮِﻩِ ﺑِﻐَﻤْﺲِ اﻟﺬُّﺑَﺎﺏِ ﻓِﻲ اﻹِْﻧَﺎءِ ﺇِﺫَا ﺳَﻘَﻂَ ﻓِﻴﻪِ، ﻭَﺇِﻥْ ﻛَﺎﻥَ اﻟْﻤَﺎءُ ﺃَﻗَﻞَّ ﻣِﻦْ ﻗُﻠَّﺘَﻴْﻦِ ”

আর এতে এপ্রমাণও আছে যে; জীবিত জিনিষে নাপাকি থাকে না। সেটা হউক না কেন কোন এমন প্রাণী যার গোস্ত খাওয়া বৈধ নয়। কেবল সেই জন্তুর ব্যতীত যাকে নাবী (সাঃ) খাস করেদিয়েছেন। যেমন কুকুর ও প্রত্যেক এমন জন্তু যার কুকুরের সঙ্গে সংযোগ হয়। কেননা মাছি খাওয়া যায় না। আর সেটা সেই অপবিত্র জিনিষের মধ্যে যার সম্পর্কে আল্লাহ তা’য়ালা বর্ণনা করেছেন যে; তার রসূল মুসতাফা (সাঃ) তাকে হারাম বলে ঘোষণা করবে। তিনি সেই আদেশে বলেন {ﻭَﻳُﺤِﻞُّ ﻟَﻬُﻢُ اﻟﻄَّﻴِّﺒَﺎﺕِ ﻭَﻳُﺤَﺮِّﻡُ ﻋَﻠَﻴْﻬِﻢُ اﻟْﺨَﺒَﺎﺋِﺚَ} তিনি তাদের জন্য পবিত্র বস্তু বৈধ করেন এবং অপবিত্র বস্তু অবৈধ করেন (সূরা আ’রাফ ১৫৭)। নাবী (সাঃ) বলেছেন যে; পাত্রে মাছি পড়লে পরে তার খাদ্য ও পানীয় অপবিত্র হয়না। কেননা তিনি মাছিকে পাত্রে ডুবিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। যখন সে পাত্রের মধ্যে পড়ে যায়। পানি দুই মটকার কম হলেও।

105 – ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ اﻟْﺨَﻄَّﺎﺏِ ﺯِﻳَﺎﺩُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ اﻟْﺤَﺴَّﺎﻧِﻲُّ، ﻧﺎ ﺑِﺸْﺮُ ﺑْﻦُ اﻟْﻤُﻔَﻀَّﻞِ، ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺠْﻼَﻥَ، ﻋَﻦْ ﺳَﻌِﻴﺪِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﺳَﻌِﻴﺪٍ اﻟْﻤَﻘْﺒُﺮِﻱِّ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «§ﺇِﺫَا ﻭَﻗَﻊَ اﻟﺬُّﺑَﺎﺏُ ﻓِﻲ ﺇِﻧَﺎءِ ﺃَﺣَﺪِﻛُﻢْ ﻓَﺈِﻥَّ ﻓِﻲ ﺃَﺣَﺪِ ﺟَﻨَﺎﺣَﻴْﻪِ ﺩَاءً، ﻭَﻓِﻲ اﻵْﺧَﺮِ ﺷِﻔَﺎءً، ﻭَﺇِﻧَّﻪُ ﻳُﺘَّﻘَﻰ ﺑِﺠَﻨَﺎﺣِﻪِ اﻟَّﺬِﻱ ﻓِﻴﻪِ اﻟﺪَّاءُ ﻓَﻠْﻴَﻐْﻤِﺴْﻪُ ﻛُﻠَّﻪُ، ﺛُﻢَّ ﻟِﻴَﻨْﺘَﺰِﻋْﻪُ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺣﺴﻦ

১০৫: আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন ; রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : “যখন তোমাদের কারো পাত্রে মাছি পড়ে যাবে; তখন তাকে সম্পূর্ণভাবে পাত্রের মধ্যে ডুবিয়ে নিবে। অতঃপর তাকে বাইরে বের করে দেবে।কেননা; তার এক ডানাতে রোগ থাকে এবং দ্বিতীয় ডানায় আরোগ্য থাকে। আর সে রোগের ডানাকে আরোগ্যের আগে পাত্রে ডোবায়। কাজেই তা সম্পূর্ণভাবে ডুবিয়ে দাও”।
★সনদ হাসান। বুখারী হাঃ ৫৭৮২; আবুদাঊদ হাঃ ৩৮৪৪;

সহীহ। আবুদাঊদ হাঃ ৭৫; ইরওয়াউল-গালীল হাঃ ১৭৩; তিরমিযী হাঃ ৯২; মুওয়াত্তা মালিক হাঃ ৩৮;

81-ﺑَﺎﺏُ ﺇِﺑَﺎﺣَﺔِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﺑِﺎﻟْﻤَﺎءِ اﻟْﻤُﺴْﺘَﻌْﻤَﻞِ

অধ্যায় ৮১: ব্যবহার করা পানিতে ওযু করা বৈধ।

«ﻭَاﻟﺪَّﻟِﻴﻞُ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟْﻤَﺎءَ ﺇِﺫَا ﻏُﺴِﻞَ ﺑِﻪِ ﺑَﻌْﺾُ ﺃَﻋْﻀَﺎءِ اﻟْﺒَﺪَﻥِ ﺃَﻭْ ﺟَﻤِﻴﻌُﻪُ ﻟَﻢْ ﻳَﻨْﺠُﺲِ اﻟْﻤَﺎءُ، ﻭَﻛَﺎﻥَ اﻟْﻤَﺎءُ ﻃَﺎﻫِﺮًا ﻻَ ﻧَﺠَﺎﺳَﺔَ ﻋَﻠَﻴْﻪِ»

সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা যে; যদি পানি দিয়ে শরীরের কিছু অঙ্গ বা পূর্ণ শরীর ধোয়া হয়; তাহলে সেই (পাত্রের) পানি অপবিত্র হয় না। আর সেই পানি পবিত্র যাতে কোন ময়লা নায়।

106 – ﻧﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟْﺠَﺒَّﺎﺭِ ﺑْﻦُ اﻟْﻌَﻼَءِ، ﻧﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﻣُﺤَﻤَّﺪَ ﺑْﻦَ اﻟْﻤُﻨْﻜَﺪِﺭِ ﻳَﻘُﻮﻝُ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﺟَﺎﺑِﺮَ ﺑْﻦَ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﻳَﻘُﻮﻝُ: ” ﻣَﺮِﺿْﺖُ ﻓَﺠَﺎءَﻧِﻲ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻳَﻌُﻮﺩُﻧِﻲ، ﻭَﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ ﻣَﺎﺷِﻴَﻴْﻦِ، ﻓَﻮَﺟَﺪَﻧِﻲ ﻗَﺪْ ﺃُﻏْﻤِﻲَ ﻋَﻠَﻲَّ ﻓَﺘَﻮَﺿَّﺄَ ﻓَﺼَﺒَّﻪُ ﻋَﻠَﻲَّ ﻓَﺄَﻓَﻘْﺖُ، ﻓَﻘُﻠْﺖُ: ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ، ﻛَﻴْﻒَ ﺃَﺻْﻨَﻊُ ﻓِﻲ ﻣَﺎﻟِﻲ؟ §ﻛَﻴْﻒَ ﺃَﻣْﻀِﻲَ ﻓِﻲ ﻣَﺎﻟِﻲ؟ ﻓَﻠَﻢْ ﻳُﺠِﺒْﻨِﻲ ﺑِﺸَﻲْءٍ ﺣَﺘَّﻰ ﻧَﺰَﻟَﺖْ ﺁﻳَﺔُ اﻟْﻤِﻴﺮَاﺙِ: {ﺇِﻥِ اﻣْﺮُﺅٌ ﻫَﻠَﻚَ ﻟَﻴْﺲَ ﻟَﻪُ ﻭَﻟَﺪٌ ﻭَﻟَﻪُ ﺃُﺧْﺖٌ ﻓَﻠَﻬَﺎ ﻧِﺼْﻒُ ﻣَﺎ ﺗَﺮَﻙَ} [اﻟﻨﺴﺎء: 176] اﻵْﻳَﺔَ ” ﻭَﻗَﺎﻝَ ﻣَﺮَّﺓً: «ﺣَﺘَّﻰ ﻧَﺰَﻟَﺖْ ﺁﻳَﺔُ اﻟْﻜَﻼَﻟَﺔِ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১০৬: মুহাম্মাদ বিন মুনক্বাদার বলেন যে; আমি জাবির বিন আব্দল্লাহ (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি : (একবার) আমি অসুস্থ হয়ে গিয়েছিলাম। রসূলুল্লাহ (সাঃ) ও আবূ বাকর (রাযিঃ) পায়ে হেঁটে আমার  খোঁজ-খবর নিতে এলেন। তারা আমায় অজ্ঞান অবস্থায় পেলেন। তারপর তিনি ওযু করলেন এবং তার পানি আমার উপর ছিটিয়ে দিলেন। তাতে আমার জ্ঞান ফিরে এল। আমি বললাম; হে আল্লাহর রসূল! আমার সম্পদ কিভাবে বন্টন কোরব এবং আমার মিরাস কে হবে?  তিনি আমায় কোন উত্তর দিলেন না; তখন ফারায়েযের আয়াত অবতীর্ণ হল {ﺇِﻥِ اﻣْﺮُﺅٌ ﻫَﻠَﻚَ ﻟَﻴْﺲَ ﻟَﻪُ ﻭَﻟَﺪٌ ﻭَﻟَﻪُ ﺃُﺧْﺖٌ ﻓَﻠَﻬَﺎ ﻧِﺼْﻒُ ﻣَﺎ ﺗَﺮَﻙَ} [اﻟﻨﺴﺎء: 176] “যদি কোন ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে এবং সে যদি সন্তানহীন হয় এবং তার একটি বোন থাকে; তাহলে সে বোনটি মৃত ব্যক্তির  পরিত্যক্ত সম্পত্তির অর্ধাংশের মালিক হবে (সূরা নিসা ১৭৬)। একবার তিনি এটা বললেন; এমনকি কালালাহর আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে।
★সনদ সহীহ। বুখারী হাঃ ১৯৪; ৫৬৫১; মুসলিম হাঃ ১৬১৬; তিরমিযী হাঃ ২০২২; নাসাঈ হাঃ ১৩৮; আবুদাঊদ হাঃ ২৮৮২; ইবনুমাজাহ হাঃ ২৭১৮;

82: ﺑَﺎﺏُ ﺇِﺑَﺎﺣَﺔِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻣِﻦْ ﻓَﻀْﻞِ ﻭُﺿُﻮءِ اﻟْﻤُﺘَﻮَﺿِّﺊ

অধ্যায় ৮২: ওযুকারীর বেঁচে যাওয়া পানিতে ওযু করা বৈধ।

107 – ﻧﺎ اﻟْﺤَﺴَﻦُ ﺑْﻦُ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ، ﻧﺎ ﻋَﺒِﻴﺪَﺓُ ﺑْﻦُ ﺣُﻤَﻴْﺪٍ، ﻧﺎ اﻷَْﺳْﻮَﺩُ ﺑْﻦُ ﻗَﻴْﺲٍ، ﻋَﻦْ ﻧُﺒَﻴْﺢٍ اﻟْﻌَﻨَﺰِﻱِّ، ﻋَﻦْ ﺟَﺎﺑِﺮِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﺎﻓَﺮْﻧَﺎ ﻣَﻊَ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻓَﺤَﻀَﺮَﺕِ اﻟﺼَّﻼَﺓُ، ﻓَﻘَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «ﺃَﻣَﺎ ﻓِﻲ اﻟْﻘَﻮْﻡِ ﻃَﻬُﻮﺭٌ؟» ﻗَﺎﻝَ: ﻓَﺠَﺎءَ ﺭَﺟُﻞٌ ﺑِﻔَﻀْﻞِ ﻣَﺎءٍ ﻓِﻲ ﺇِﺩَاﻭَﺓٍ ﻗَﺎﻝَ: ﻓَﺼَﺒَّﻪُ ﻓِﻲ ﻗَﺪَﺡٍ ﻓَﺘَﻮَﺿَّﺄَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ: ﺛُﻢَّ ﺇِﻥَّ اﻟْﻘَﻮْﻡَ ﺃَﺗَﻮْا ﺑَﻘِﻴَّﺔَ اﻟﻄَّﻬُﻮﺭِ، ﻓَﻘَﺎﻝَ: ﺗَﻤَﺴَّﺤُﻮا ﺑِﻪِ، ﻓَﺴَﻤِﻌَﻬُﻢْ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻓَﻘَﺎﻝَ: «ﻋَﻠَﻰ ﺭِﺳْﻠِﻜُﻢْ» ﻓَﻀَﺮَﺏَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻳَﺪَﻩُ ﻓِﻲ اﻟْﻘَﺪَﺡِ ﻓِﻲ ﺟَﻮْﻑِ اﻟْﻤَﺎءِ، ﺛُﻢَّ ﻗَﺎﻝَ: «§ﺃَﺳْﺒِﻐُﻮا اﻟﻄُّﻬُﻮﺭَ» ، ﻓَﻘَﺎﻝَ ﺟَﺎﺑِﺮُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ: ﻭَاﻟَّﺬِﻱ ﺃَﺫْﻫَﺐَ ﺑَﺼَﺮِﻱ ﻗَﺎﻝَ: ﻭَﻛَﺎﻥَ ﻗَﺪْ ﺫَﻫَﺐَ ﺑَﺼَﺮُﻩُ ﻟَﻘَﺪْ ﺭَﺃَﻳْﺖُ اﻟْﻤَﺎءَ ﻳَﻨْﺒُﻊُ ﻣِﻦْ ﺑَﻴْﻦِ ﺃَﺻَﺎﺑِﻊِ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻓَﻠَﻢْ ﻳَﺮْﻓَﻊْ ﻳَﺪَﻩُ ﺣَﺘَّﻰ ﺗَﻮَﺿَّﺌُﻮا ﺃَﺟْﻤَﻌُﻮﻥَ ﻗَﺎﻝَ ﻋَﺒِﻴﺪَﺓُ: ﻗَﺎﻝَ اﻷَْﺳْﻮَﺩُ ﺣَﺴِﺒْﺘُﻪُ ﻗَﺎﻝَ: «ﻛُﻨَّﺎ ﻣِﺎﺋَﺘَﻴْﻦِ ﺃَﻭْ ﺯِﻳَﺎﺩَﺓً»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১০৭: জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; (একবার) আমরা রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সঙ্গে সফর করলাম। পথিমধ্যে স্বলাতের সময় হয়ে গেলে তিনি বললেন: লোকেদের নিকট কি পানি নেই?  জাবির (রাযিঃ) বলেন; এক ব্যক্তি পানির পাত্র নিয়ে দৌড়ে এল; তাতে সামান্য পানি ছিল। সে সেই পানি একটি পেয়ালাতে ঢেলে দিলেন। রসূলুল্লাহ (সাঃ) ওযু করলেন। অতঃপর লোকজন সেই পাত্রে পানি নেওয়ার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়ল এবং বলতে লাগল মাসাহ করে নাও। তখন রসূলুল্লাহ (সাঃ) তার হাতের তালু পেয়ালার পানির মধ্যে রাখলেন এবং বললেন : “ওযু করো”। জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) বলেন ; সেই সত্তার শপথ! যিনি আমাকে দৃষ্টিশক্তির পরিক্ষায় ফেলেছেন; রাবী বলেন ; তার দৃষ্টিশক্তি যেন হারিয়ে গিয়েছিল। আমি রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর আঙুলসমূহ হতে পানি নির্গত হতে দেখলাম। তিনি তার হাতের তালু (সে পর্যন্ত) উঠালেন না যতক্ষণ পর্যন্ত না সমস্ত লোক ওযু করে নিল। উবাইদাহ বলেন ; উসওয়াদ বলেছেন; আমার অনুমান যে তিনি এও বলেছেন; “আমরা দুই’শত বা তার অধিক লোক ছিলাম”।
★সনদ সহীহ। দারেমী হাঃ ২৬; মুসনাদে আহমাদ ৩/২৯২; ৩৫৮;

83-ﺑَﺎﺏُ ﺇِﺑَﺎﺣَﺔِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻣِﻦْ ﻓَﻀْﻞِ ﻭُﺿُﻮءِ اﻟْﻤَﺮْﺃَﺓ

অধ্যায় ৮৩: মহিলার ওযু করা হতে বাঁচা পানিতে ওযু করা বৈধ।

108 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺭَاﻓِﻊٍ، ﻧﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﺮَّﺯَّاﻕِ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﺟُﺮَﻳْﺞٍ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﺇِﺳْﺤَﺎﻕَ اﻟْﺠَﻮْﻫَﺮِﻱُّ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻋَﺎﺻِﻢٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﺟُﺮَﻳْﺞٍ ﻗَﺎﻝَ: ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧِﻲ ﻋَﻤْﺮُﻭ ﺑْﻦُ ﺩِﻳﻨَﺎﺭٍ ﻗَﺎﻝَ: ﺃَﻛْﺒَﺮُ ﻋِﻠْﻤِﻲ ﻭَاﻟَّﺬِﻱ ﻳَﺨْﻄِﺮُ ﻋَﻠَﻰ ﺑَﺎﻟِﻲ ﺃَﻥَّ ﺃَﺑَﺎ اﻟﺸَّﻌْﺜَﺎءِ ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧِﻲ، ﺃَﻧَّﻪُ ﺳَﻤِﻊَ اﺑْﻦَ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ، «ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻛَﺎﻥَ §ﻳَﺘَﻮَﺿَّﺄُ ﺑِﻔَﻀْﻞِ ﻣَﻴْﻤُﻮﻧَﺔ

১০৮ : ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন ; রসূলুল্লাহ (সাঃ) মায়মূনাহ (রাযিঃ) এর (ওযু করার পর) উদ্বৃত্ত পানি দিয়ে ওযু করতেন।
★সহীহ মুসলিম হাঃ ৩২৩; আহমাদ ১/৩৬৬; বায়হাকী হাঃ ৮৫৭;

84-ﺑَﺎﺏُ ﺇِﺑَﺎﺣَﺔِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﺑِﻔَﻀْﻞِ ﻏُﺴْﻞِ اﻟْﻤَﺮْﺃَﺓِ ﻣِﻦَ اﻟْﺠَﻨَﺎﺑَﺔ

অধ্যায় ৮৪: মহিলার অপবিত্রতার গোসলের উদ্বৃত্ত পানি দ্বারা ওযু করা বৈধ।

َ
109 – ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻣُﻮﺳَﻰ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ اﻟْﻤُﺜَﻨَّﻰ، ﻭَﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﻣَﻨِﻴﻊٍ ﻗَﺎﻻَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﺃَﺣْﻤَﺪَ ﻭَﻫُﻮَ اﻟﺰُّﺑَﻴْﺮِﻱُّ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋُﺘْﺒَﺔُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ اﺑْﻦُ اﻟْﻤُﺒَﺎﺭَﻙِ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺳَﻠْﻢُ ﺑْﻦُ ﺟُﻨَﺎﺩَﺓَ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻭَﻛِﻴﻊٌ، ﻋَﻦْ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥَ، ﻋَﻦْ ﺳِﻤَﺎﻙِ ﺑْﻦِ ﺣَﺮْﺏٍ، ﻋَﻦْ ﻋِﻜْﺮِﻣَﺔَ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ، «ﺃَﻥَّ اﻣْﺮَﺃَﺓً ﻣِﻦْ ﺃَﺯْﻭَاﺝِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ اﻏْﺘَﺴَﻠَﺖْ ﻣِﻦَ اﻟْﺠَﻨَﺎﺑَﺔِ، §ﻓَﺘَﻮَﺿَّﺄَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺃَﻭِ اﻏْﺘَﺴَﻞَ ﻣِﻦْ ﻓَﻀْﻠِﻬَﺎ» ﻫَﺬَا ﺣَﺪِﻳﺚُ ﻭَﻛِﻴﻊٍ ” ﻭَﻗَﺎﻝَ ﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﻣَﻨِﻴﻊٍ: «ﻓَﺘَﻮَﺿَّﺄَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻣِﻦْ ﻓَﻀْﻠِﻬَﺎ» . ﻭَﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﻣُﻮﺳَﻰ، ﻭَﻋُﺘْﺒَﺔُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ: ﻓَﺠَﺎءَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻳَﺘَﻮَﺿَّﺄُ ﻣِﻦْ ﻓَﻀْﻠِﻬَﺎ، ﻓَﻘَﺎﻟَﺖْ ﻟَﻪُ: ﻓَﻘَﺎﻝَ: «اﻟْﻤَﺎءُ ﻻَ ﻳُﻨَﺠِّﺴُﻪُ ﺷَﻲْءٌ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১০৯: ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। “নাবী (সাঃ) এর এক স্ত্রী একটি বড় পাত্রের পানি দিয়ে অপবিত্রতার গোসল করেন। অতঃপর নাবী (সাঃ) তার উদ্বৃত্ত পানি দ্বারা ওযু কিংবা গোসল করলেন”। এটা ওয়াকিয়ের হাদীস। আহমাদ বিন মানি’র রিওয়াআতে আছে; “নাবী (সাঃ) তার বেঁচে যাওয়া পানি হতে ওযু করলেন”। আবূ মূসা ও উকবা বিন আব্দুল্লাহর রিওয়াআতে আছে; “নাবী (সাঃ) এলেন এবং তার বেঁচে যাওয়া পানি দ্বারা ওযু করতে আসলে তিনি (তার স্ত্রী) বললেন; (হে আল্লাহর রসূল! এ পানি তো আমার অপবিত্রতার গোসল করা পানি হতে বাঁচা); তিনি বললেন; “পানিকে কোন বস্তু অপবিত্র করে না”।
★সনদ সহীহ। ইবনুমাজাহ হাঃ ৩৭০; আবুদাঊদ হাঃ ৬৮; নাসাঈ হাঃ ৩২৬; দারেমী হাঃ ৩৪; সহীহ তিরমিযী হাঃ ৬৫;

85-ﺑَﺎﺏُ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ ﺳُﺆْﺭَ اﻟْﺤَﺎﺋِﺾِ ﻟَﻴْﺲَ ﺑِﻨَﺠَﺲٍ، ﻭَﺇِﺑَﺎﺣَﺔِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻭَاﻟْﻐُﺴْﻞِ ﺑِﻪ

অধ্যায় ৮৫: সেই বিষয়ের প্রমাণ যে ঋতুবতী মহিলার ঝুঁটা অপবিত্র নয়।

ِ «ﺇِﺫْ ﻫُﻮَ ﻃَﺎﻫِﺮٌ ﻏَﻴْﺮُ ﻧَﺠِﺲٍ، ﺇِﺫْ ﻟَﻮْ ﻛَﺎﻥَ ﺳُﺆْﺭُ ﺣَﺎﺋِﺾٍ ﻧَﺠِﺴًﺎ ﻟَﻤَﺎ ﺷَﺮِﺏَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻣَﺎءً ﻧَﺠِﺴًﺎ ﻏَﻴْﺮَ ﻣُﻀْﻄَﺮٍّ ﺇِﻟَﻰ ﺷُﺮْﺑِﻪِ»

আর তা হতে ওযু ও গোসল করা বৈধ। কেননা তা পবিত্র; অপবিত্র নয়। কেননা যদি ঋতুবতী মহিলার ঝুঁটা অপবিত্র হত তাহলে নাবী (সাঃ) অপবিত্র পানি পান করতেন না। অথচ তিনি তা পান করতে বাধ্য ছিলেন না।

110 – ﻧﺎ ﻳُﻮﺳُﻒُ ﺑْﻦُ ﻣُﻮﺳَﻰ، ﻧﺎ ﺟَﺮِﻳﺮٌ، ﻋَﻦْ ﻣِﺴْﻌَﺮِ ﺑْﻦِ ﻛِﺪَاﻡٍ، ﻋَﻦِ اﻟْﻤِﻘْﺪَاﻡِ ﺑْﻦِ ﺷُﺮَﻳْﺢٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ، ﻋَﻦْ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔَ ﻗَﺎﻟَﺖْ: «ﻛَﺎﻥَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﻳُﺆْﺗَﻰ ﺑِﺎﻹِْﻧَﺎءِ ﻓَﺄَﺑْﺪَﺃُ ﻓَﺄَﺷْﺮَﺏُ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﺣَﺎﺋِﺾٌ، ﺛُﻢَّ ﻳَﺄْﺧُﺬُ اﻹِْﻧَﺎءَ ﻓَﻴَﻀَﻊُ ﻓَﺎﻩُ ﻋَﻠَﻰ ﻣَﻮْﺿِﻊِ ﻓِﻲ، ﻭَﺁﺧُﺬُ اﻟْﻌِﺮْﻕَ ﻓَﺄَﻋُﻀُّﻪُ، ﺛُﻢَّ ﻳَﻀَﻊُ ﻓَﺎﻩُ ﻋَﻠَﻰ ﻣَﻮْﺿِﻊِ ﻓِﻲَّ» ﻧﺎ ﺳَﻠْﻢُ ﺑْﻦُ ﺟُﻨَﺎﺩَﺓَ، ﻧﺎ ﻭَﻛِﻴﻊٌ، ﻋَﻦْ ﻣِﺴْﻌَﺮٍ، ﻭَﺳُﻔْﻴَﺎﻥَ، ﻋَﻦِ اﻟْﻤِﻘْﺪَاﻡِ ﺑْﻦِ ﺷُﺮَﻳْﺢٍ ﺑِﻬَﺬَا اﻹِْﺳْﻨَﺎﺩِ ﻧَﺤْﻮَﻩُ
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১১০: আয়িশা (রাযিঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন; “রসূলুল্লাহ  (সাঃ) এর নিকট (পান করার) পাত্র নিয়ে গেলে আমি (তা হতে) পান করতাম। অথচ আমি তখন ঋতুবতী অবস্থায় থাকতাম। অতঃপর তিনি পাত্র ধরতেন এবং নিজের মুখ সেই জায়গাতে লাগাতেন যেখানে আমি মুখ দিয়ে পান করেছি। আর আমি (খাবার খাওয়ার সময়) হাড় আর তা হতে (গোস্ত) ছিঁড়তাম। অতঃপর (রসূল সেই হাড় নিয়ে নিতেন ও) তার মুখ সেই জায়গাতে লাগাতেন যে জায়গাতে আমি মুখ দিয়েছি (ও খেয়েছি)”। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; সালমান বিন জুনাদাহও এই সনদ হতে এরূপই রিওয়াআত বর্ণনা করেছেন।
★সনদ সহীহ। মুসলিম হাঃ ২৯৫; আবুদাঊদ হাঃ ২৫৯; ইবনুমাজাহ হাঃ ৬৪৩; ইবনুহিব্বান হাঃ ১২৯৩; ১৩৬১;

86-ﺑَﺎﺏُ اﻟﺮُّﺧْﺼَﺔِ ﻓِﻲ اﻟْﻐُﺴْﻞِ ﻭَاﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻣِﻦْ ﻣَﺎءِ اﻟْﺒَﺤْﺮِ «ﺇِﺫْ ﻣَﺎﺅُﻩُ ﻃَﻬُﻮﺭٌ ﻣَﻴْﺘَﺘُﻪُ ﺣِﻞ

অধ্যায় ৮৬: সমুদ্রের পানি দ্বারা গোসল ও ওযু করার অনুমতি।

ٌّ ﺿِﺪُّ ﻗَﻮْﻝِ ﻣَﻦْ ﻛَﺮِﻩَ اﻟْﻮُﺿُﻮءَ، ﻭَاﻟْﻐُﺴْﻞَ ﻣِﻦْ ﻣَﺎءِ اﻟْﺒَﺤْﺮِ، ﻭَﺯَﻋَﻢَ ﺃَﻥَّ ﺗَﺤْﺖَ اﻟْﺒَﺤْﺮِ ﻧَﺎﺭًا، ﻭَﺗَﺤْﺖَ اﻟﻨَّﺎﺭِ ﺑَﺤْﺮًا ﺣَﺘَّﻰ ﻋَﺪَّ ﺳَﺒْﻌَﺔَ ﺃَﺑْﺤُﺮٍ، ﻭَﺳَﺒْﻌَﺔَ ﻧِﻴﺮَاﻥٍ، ﻭَﻛُﺮْﻩُ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻭَاﻟْﻐُﺴْﻞِ ﻣِﻦْ ﻣَﺎﺋِﻪِ ﻟِﻬَﺬِﻩِ اﻟْﻌِﻠَّﺔِ ﺯَﻋْﻢٌ»

সেই ব্যক্তির কথার বিপরীত দলীল; যে সমুদ্রের পানি দ্বারা ওযু ও গোসল করাকে অপছন্দনিয় মনে করে। তার দাবি যে; সমুদ্রের নীচে আগুন রয়েছে এবং আগুনের নীচে সমুদ্র রয়েছে। এভাবে সাত সমুদ্র ও সাত আগুন আছে। এজন্যই সমুদ্রের পানি দ্বারা ওযু ও গোসল করা সে অপছন্দনীয় মনে করে।

111 – ﻧﺎ ﻳُﻮﻧُﺲُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻷَْﻋْﻠَﻰ اﻟﺼَّﺪَﻓِﻲُّ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﻭَﻫْﺐٍ، ﺃَﻥَّ ﻣَﺎﻟِﻜًﺎ ﺣَﺪَّﺛَﻪُ ﻗَﺎﻝَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﺻَﻔْﻮَاﻥُ ﺑْﻦُ ﺳُﻠَﻴْﻢٍ، ﻋَﻦْ ﺳَﻌِﻴﺪِ ﺑْﻦِ ﺳَﻠَﻤَﺔَ ﻣِﻦْ ﺁﻝِ اﺑْﻦِ اﻷَْﺯْﺭَﻕِ، ﺃَﻥَّ اﻟْﻤُﻐِﻴﺮَﺓِ ﺑْﻦَ ﺃَﺑِﻲ ﺑُﺮْﺩَﺓَ ﻭَﻫُﻮَ ﻣِﻦْ ﺑَﻨِﻲ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺪَّاﺭِ ﺃَﺧْﺒَﺮَﻩُ، ﺃَﻧَّﻪُ ﺳَﻤِﻊَ ﺃَﺑَﺎ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﻳَﻘُﻮﻝُ: ﺳَﺄَﻝَ ﺭَﺟُﻞٌ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻓَﻘَﺎﻝَ: ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ، ﺇِﻧَّﺎ ﻧَﺮْﻛَﺐُ اﻟْﺒَﺤْﺮَ ﻭَﻧَﺤْﻤِﻞُ اﻟْﻘَﻠِﻴﻞَ ﻣِﻦَ اﻟْﻤَﺎءِ، ﻓَﺈِﻥْ ﺗَﻮَﺿَّﺄْﻧَﺎ ﻣِﻨْﻪُ ﻋَﻄِﺸْﻨَﺎ §ﺃَﻓَﻨَﺘَﻮَﺿَّﺄُ ﻣِﻦْ ﻣَﺎءِ اﻟْﺒَﺤْﺮِ؟ ﻓَﻘَﺎﻝَ: «ﻫُﻮَ اﻟﻄَّﻬُﻮﺭُ ﻣَﺎﺅُﻩُ، اﻟْﺤَﻼَﻝُ ﻣَﻴْﺘَﺘُﻪُ» ﻫَﺬَا ﺣَﺪِﻳﺚُ ﻳُﻮﻧُﺲَ ” ﻭَﻗَﺎﻝَ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺣَﻜِﻴﻢٍ، ﻋَﻦْ ﺻَﻔْﻮَاﻥَ ﺑْﻦِ ﺳُﻠَﻴْﻢٍ، ﻭَﻟَﻢْ ﻳَﻘُﻞْ ﻣِﻦْ ﺁﻝِ اﺑْﻦِ اﻷَْﺯْﺭَﻕِ، ﻭَﻻَ ﻣِﻦْ ﺑَﻨِﻲ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺪَّاﺭِ ﻭَﻗَﺎﻝَ: «ﻧَﺮْﻛَﺐُ اﻟْﺒَﺤْﺮَ ﺃَﺯْﻣَﺎﻧًﺎ»

১১১:  আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; এক  বক্তি রসলূল্লাহ (সাঃ) এর নিকট প্রশ্ন করলো ; হে আল্লাহর রসূল! আমরা সমুদ্র পথে আসা-যাওয়া করে থাকি এবং সঙ্গে কিছু (মিষ্টি) পানি নিয়ে যায়। যদি আমরা তা দিয়ে ওযু করি তাহলে পিপাসার্ত রয়ে যাব। তাহলে আমরা কি এমতাবস্থায় সমুদ্রের পানি দ্বারা ওযু করতে পারি?  তিনি (সাঃ) বললেন : “তার পানি পবিত্র এবং তার মৃত জীব হালাল”।  এটা ইউনুসের বর্ণিত হাদীস। ইমাম সাহিব বলেন; ইয়াহইয়া বিন হাকিম তার রিওয়াআতে حدث এর স্হলে عن সুফিয়ান বিন সালিম বর্ণনা করেছেন। তিনি সাঈদ বিন সালিমের নামের সঙ্গে ﻣِﻦْ ﺁﻝِ اﺑْﻦِ اﻷَْﺯْﺭَﻕِ এবং মিগারহর নামের সঙ্গে ﻣِﻦْ ﺑَﻨِﻲ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺪَّاﺭ বলেননি (অর্থাৎ তাদের গোত্রের নাম নেয়নি)। নাযকাব শব্দের বৃদ্ধি করেছেন।
★আবুদাঊদ হাঃ ৭৬; তিরমিযী হাঃ ৬৯; নাসাঈ হাঃ ৫৯; ইবনুমাজাহ হাঃ ৩৭৬; ৩২৪৬; মুওয়াত্তা মালিক হাঃ ৪০; আহমাদ ২/১৩৭;

112 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ، ﻧﺎ ﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﺣَﻨْﺒَﻞٍ، ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ اﻟْﻘَﺎﺳِﻢِ ﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ اﻟﺰِّﻧَﺎﺩِ، ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﺇِﺳْﺤَﺎﻕُ ﺑْﻦُ ﺣَﺎﺯِﻡٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻣِﻘْﺴَﻢٍ ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺣْﻤَﺪُ: ﻳَﻌْﻨِﻲ ﻋُﺒَﻴْﺪَ اﻟﻠَّﻪِ، ﻋَﻦْ ﺟَﺎﺑِﺮٍ، ﺃَﻥَّ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺳُﺌِﻞَ ﻋَﻦِ §اﻟْﺒَﺤْﺮِ ﻗَﺎﻝَ: «ﻫُﻮَ اﻟﻄَّﻬُﻮﺭُ ﻣَﺎﺅُﻩُ، ﻭَاﻟْﺤَﻼَﻝُ ﻣَﻴْﺘَﺘُﻪُ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১১২: জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; নাবী (সাঃ) কে সমুদ্র সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে  তিনি বলেন :”তার পানি পবিত্র এবং তার মৃত হালাল”।
★সনদ হাসান; সহীহ। সহীহা নং ৪৮০; ইরওয়াউল-গালীল হাঃ ৯; নাসাঈ হাঃ ৩৩; আবুদাঊদ হাঃ ৭৬; ইবনুমাজাহ হাঃ ৩৮৮। মুয়াত্তা মালিক হাঃ ৩৭; আহমাদ ৩/৩৭৩;

87-ﺑَﺎﺏُ اﻟﺮُّﺧْﺼَﺔِ ﻓِﻲ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻭَاﻟْﻐُﺴْﻞِ ﻣِﻦَ اﻟْﻤَﺎءِ اﻟَّﺬِﻱ ﻳَﻜُﻮﻥُ ﻓِﻲ ﺃَﻭَاﻧِﻲ ﺃَﻫْﻞِ اﻟﺸِّﺮْﻙِ ﻭَﺃَﺳْﻘِﻴَﺘِﻬِﻢْ «ﻭَاﻟﺪَّﻟِﻴﻞُ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻹِْﻫَﺎﺏَﻳَﻄْﻬُﺮُ ﺑِﺪِﺑَﺎﻍِ اﻟْﻤُﺸْﺮِﻛِﻴﻦَ ﺇِﻳَّﺎﻩُ»

অধ্যায় ৮৭: মুশরিকদের পাত্র ও মশকের পানি দ্বারা ওযু ও গোসল করা যায়। আর সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা যে; মুশরিকদের চামড়া পরিশোধন হয়ে যায়।

113 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺑَﺸَّﺎﺭٍ، ﻧﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺳَﻌِﻴﺪٍ اﻟْﻘَﻄَّﺎﻥُ، ﻭَاﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﻋَﺪِﻱٍّ، ﻭَﺳَﻬْﻞُ ﺑْﻦُ ﻳُﻮﺳُﻒَ، ﻭَﻋَﺒْﺪُ اﻟْﻮَﻫَّﺎﺏِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟْﻤَﺠِﻴﺪِ اﻟﺜَّﻘَﻔِﻲُّ ﻗَﺎﻟُﻮا: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋَﻮْﻑٌ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﺭَﺟَﺎءٍ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋِﻤْﺮَاﻥُ ﺑْﻦُ ﺣُﺼَﻴْﻦٍ ﻗَﺎﻝَ: ﻛُﻨَّﺎ ﻣَﻊَ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻓِﻲ ﺳَﻔَﺮٍ، ﻓَﺪَﻋَﺎ ﻓُﻼَﻧًﺎ ﻭَﺩَﻋَﺎ ﻋَﻠِﻲَّ ﺑْﻦَ ﺃَﺑِﻲ ﻃَﺎﻟِﺐٍ، ﻓَﻘَﺎﻝَ: «§اﺫْﻫَﺒَﺎ ﻓَﺎﺑْﻐِﻴَﺎ ﻟَﻨَﺎ اﻟْﻤَﺎءَ» ﻓَﺎﻧْﻄَﻠَﻘَﺎ ﻓَﻠَﻘِﻴَﺎ اﻣْﺮَﺃَﺓً ﺑَﻴْﻦَ ﺳَﻄِﻴﺤَﺘَﻴْﻦِ ﺃَﻭْ ﺑَﻴْﻦَ ﻣَﺰَاﺩَﺗَﻴْﻦِ ﻋَﻠَﻰ ﺑَﻌِﻴﺮٍ، ﻓَﻘَﺎﻻَ ﻟَﻬَﺎ: ﺃَﻳْﻦَ اﻟْﻤَﺎءُ؟ ﻗَﺎﻟَﺖْ: ﻋَﻬْﺪِﻱ ﺑِﺎﻟْﻤَﺎءِ ﺃَﻣْﺲِ ﻫَﺬِﻩِ اﻟﺴَّﺎﻋَﺔَ، ﻭَﻧَﻔَﺮُﻧَﺎ ﺧُﻠُﻮﻑٌ، ﻓَﻘَﺎﻝَ ﻟَﻬَﺎ: اﻧْﻄَﻠِﻘِﻲ، ﻓَﻘَﺎﻟَﺖْ: ﺃَﻳْﻦَ؟ ﻗَﺎﻻَ ﻟَﻬَﺎ: ﺇِﻟَﻰ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻟَﺖْ: ﻫَﺬَا اﻟَّﺬِﻱ ﻳُﻘَﺎﻝَ ﻟَﻪُ اﻟﺼَّﺎﺑِﺊُ؟ ﻗَﺎﻻَ ﻟَﻬَﺎ: ﻫُﻮَ اﻟَّﺬِﻱ ﺗَﻌْﻨِﻴﻦَ، ﻓَﺎﻧْﻄَﻠَﻘَﺎ ﻓَﺠَﺎءَا ﺑِﻬَﺎ ﺇِﻟَﻰ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﺎﻩُ اﻟْﺤَﺪِﻳﺚَ، ﻓَﻘَﺎﻝَ: «اﺳْﺘَﻨْﺰِﻟُﻮﻫَﺎ ﻣِﻦْ ﺑَﻌِﻴﺮِﻫَﺎ» ، ﻭَﺩَﻋَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺑِﺈِﻧَﺎءٍ ﻓَﺠَﻌَﻞَ ﻓِﻴﻪِ ﺃَﻓْﻮَاﻩَ اﻟْﻤَﺰَاﺩَﺗَﻴْﻦِ ﺃَﻭِ اﻟﺴَّﻄِﻴﺤَﺘَﻴْﻦِ ﻗَﺎﻻَ: ﺛُﻢَّ ﻣَﻀْﻤَﺾَ ﺛُﻢَّ ﺃَﻋَﺎﺩَﻩُ ﻓِﻲ ﺃَﻓْﻮَاﻩِ اﻟْﻤَﺰَاﺩَﺗَﻴْﻦِ ﺃَﻭِ اﻟﺴَّﻄِﻴﺤَﺘَﻴْﻦِ، ﺛُﻢَّ ﺃَﻃْﻠَﻖَ ﺃَﻓْﻮَاﻫَﻬُﻤَﺎ، ﺛُﻢَّ ﻧُﻮﺩِﻱَ ﻓِﻲ اﻟﻨَّﺎﺱِ ﺃَﻥِ اﺳْﻘُﻮا ﻭَاﺳْﺘَﻘُﻮا ﻭَﺫَﻛَﺮَ اﻟْﺤَﺪِﻳﺚَ ﺑِﻄُﻮﻟِﻪِ

১১৩: ইমরান বিন হুসেন (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন ; (একদা) আমরা রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সঙ্গে সফরে ছিলাম। তিনি এক ব্যক্তি ও আলী বিন আবুতালিব (রাযিঃ) কে ডেকে বললেন: যাও আমাদের জন্য পানি খুঁজে নিয়ে আসো। তারা দুজন (পানির সন্ধানে) চলে গেলেন। তারা এক মহিলাকে দেখলেন; যে মশক বা পানির দুটা থলের সঙ্গে উটের উপর বসেছিলো। তিনি (আলী রাঃ) তাকে জিজ্ঞেস করলেন; পানি কোথায়?  সে উত্তর দিল : “গতকাল এসময় আমি পানির নিকট ছিলাম। আমার গোত্র পেছনে রয়ে গিয়েছে। তাকে বলা হল  এখন আমাদের সঙ্গে চলো। সে বলল; কোথায়?  তিনি বললেন; রসূল (সাঃ) এর নিকট। সে বলল ; এটা কি সেই ব্যক্তি যাকে সাবি’ (ধর্ম পরিবর্তনকারী) বলা হয়?  হাঁ; তিনি সেই তোমরা তাকে যেমন মনে করে থাকো। অতঃপর তারা দুজন (সেই মহিলাকে নিয়ে) চললো। রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর নিকট তাকে নিয়ে গেলেন এবং তাকে সব ঘটনা বর্ণনা করলেন। তিনি বললেন : তাকে বল যে; সে তার উট হতে নেমে যাক। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাঃ) একটি পাত্র আনালেন এবং সেটা (পানির) থলি বা মশকের পানি হতে পানি নিয়ে কুলি করলেন এবং বাকি পানি মশকের মধ্যে ঢেলে দিলেন। অতঃপর উভয় মশকের মুখ খুলে দিয়ে লোকদের মধ্যে ঘোষণা করে দিলেন যে; “তারা  নিজেরা পান করুক ও (জন্তুদেরকে) পান করাক”। রাবী পরিপূর্ণ দীর্ঘ হাদীস বর্ণনা করেছেন।
★বুখারী হাঃ ৩৪৪; মুসলিম হাঃ ৬৮২; দারেমী হাঃ ৭৪৩;

88-ﺑَﺎﺏُ اﻟﺮُّﺧْﺼَﺔِ ﻓِﻲ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻣِﻦَ اﻟْﻤَﺎءِ ﻳَﻜُﻮﻥُ ﻓِﻲ ﺟُﻠُﻮﺩِ اﻟْﻤَﻴْﺘَﺔِ ﺇِﺫَا ﺩُﺑِﻐَﺖْ

অধ্যায় ৮৮: মৃতর পবিত্র চামড়াতে মওজুদ পানি দ্বারা ওযু করা বৈধ।

114 – ﻧﺎ ﻋَﺒْﺪَﺓُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ اﻟْﺨُﺰَاﻋِﻲُّ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺁﺩَﻡَ، ﻋَﻦْ ﻣِﺴْﻌَﺮٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﻤْﺮِﻭ ﺑْﻦِ ﻣُﺮَّﺓَ، ﻋَﻦْ ﺳَﺎﻟِﻢِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ اﻟْﺠَﻌْﺪِ، ﻋَﻦْ ﺃَﺧِﻴﻪِ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ ﻗَﺎﻝَ: §ﺃَﺭَاﺩَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺃَﻥْ ﻳَﺘَﻮَﺿَّﺄَ ﻣِﻦْ ﺳِﻘَﺎءٍ، ﻓَﻘِﻴﻞَ ﻟَﻪُ: ﺇِﻧَّﻪُ ﻣَﻴِّﺘَﺔٌ ﻗَﺎﻝَ: «ﺩِﺑَﺎﻏُﻪُ ﻳَﺬْﻫَﺐُ ﺑِﺨُﺒْﺜِﻪِ ﺃَﻭْ ﻧَﺠَﺴِﻪِ ﺃَﻭْ ﺭِﺟْﺴِﻪِ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১১৪: ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন। নাবী (সাঃ) একটি মশক হতে ওযু করার ইচ্ছাপোষন করলেন। তখন তাকে বলা হল; এটা মৃতর (জন্তুর চামড়া হতে তৈরী হওয়া মশক)। তিনি বললেন: “এর পরিশোধন এর নোংরা অপবিত্র দূরিভুত করে দিয়েছে”।
★সনদ সহীহ। সহীহ জামিউস সাগীর হাঃ ৩৩৫৮; মুসনাদে আহমাদ ২৩৭; ৩১৪; হাকেম ১/১৬১;

89ﺑَﺎﺏُ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ ﺃَﺑْﻮَاﻝَ ﻣَﺎ ﻳُﺆْﻛَﻞُ ﻟَﺤْﻤُﻪُ ﻟَﻴْﺲَ ﺑِﻨَﺠَﺲٍ، ﻭَﻻَ ﻳَﻨْﺠُﺲُ اﻟْﻤَﺎءُ ﺇِﺫَا ﺧَﺎﻟَﻄَﻪُ

অধ্যায় ৮৯ : সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা যে; যে জন্তুর গোস্ত খাওয়া বৈধ তাদের পেশাব অপবিত্র নয়। আর যদি তা পানির মধ্যে মিশে যায় তাহলে পানি অপবিত্র হয় না।

” ﺇِﺫِ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺪْ ﺃَﻣَﺮَ ﺑِﺸُﺮْﺏِ ﺃَﺑْﻮَاﻝِ اﻹِْﺑِﻞِ ﻣَﻊَ ﺃَﻟْﺒَﺎﻧِﻬَﺎ، ﻭَﻟَﻮْ ﻛَﺎﻥَ ﻧَﺠِﺴًﺎ ﻟَﻢْ ﻳَﺄْﻣُﺮْ ﺑِﺸُﺮْﺑِﻪِ، ﻭَﻗَﺪْ ﺃَﻋْﻠَﻢَ ﺃَﻥْ ﻻَ ﺷِﻔَﺎءَ ﻓِﻲ اﻟْﻤُﺤَﺮَّﻡِ، ﻭَﻗَﺪْ ﺃَﻣَﺮَ ﺑِﺎﻻِﺳْﺘِﺸْﻔَﺎءِ ﺑِﺄَﺑْﻮَاﻝِ اﻹِْﺑِﻞِ، ﻭَﻟَﻮْ ﻛَﺎﻥَ ﻧَﺠِﺴًﺎ ﻛَﺎﻥَ ﻣُﺤَﺮَّﻣًﺎ، ﻛَﺎﻥَ ﺩَاءً ﻻَ ﺩَﻭَاءً، ﻭَﻣَﺎ ﻛَﺎﻥَ ﻓِﻴﻪِ ﺷِﻔَﺎءٌ ﻛَﻤَﺎ ﺃَﻋْﻠَﻢَ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻟَﻤَّﺎ ﺳُﺌِﻞَ: ﺃَﻳُﺘَﺪَاﻭَﻯ ﺑِﺎﻟْﺨَﻤْﺮِ؟ ﻓَﻘَﺎﻝَ: ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﻫِﻲَ ﺩَاءٌ ﻭَﻟَﻴْﺴَﺖْ ﺑِﺪَﻭَاءٍ “

কেননা নাবী (সাঃ) উটের পেশাব তার দুধের সঙ্গে পান করার নির্দেশ দিয়েছেন। যদি তার পেশাব অপবিত্র হত তাহলে তিনি তা পান করার নির্দেশ দিতেন না। তিনি ঘোষণা করে দিয়েছেন যে ; হারাম বস্তুর মধ্যে শেফা নায়।
অথচ তিনি উটের পেশাব পান করার মাধ্যমে শেফা লাভ করার নির্দেশ দিয়েছেন। সুতরাং যদি তা অপবিত্র হত তাহলে হারাম হত এবং শেফার পরিবর্তে অসুখ হত। আর তাতে শেফা হত না। যেমন নাবী (সাঃ) কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল ; “হে আল্লাহর রসূল! মদকে কি ঔষুধ হিসাবে ব্যবহার করা যাবে?” তিনি বললেন: “মদ তো অসুখ ঔষুধ নয়”।

115 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻷَْﻋْﻠَﻰ اﻟﺼَّﻨْﻌَﺎﻧِﻲُّ، ﻧﺎ ﻳَﺰِﻳﺪُ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﺯُﺭَﻳْﻊٍ، ﻧﺎ ﺳَﻌِﻴﺪٌ، ﻧﺎ ﻗَﺘَﺎﺩَﺓُ ﺃَﻥَّ ﺃَﻧَﺲَ ﺑْﻦَ ﻣَﺎﻟِﻚٍ ﺣَﺪَّﺛَﻬُﻢْ ﺃَﻥَّ ﺃُﻧَﺎﺳًﺎ ﺃَﻭْ ﺭِﺟَﺎﻻً ﻣِﻦْ ﻋُﻜْﻞٍ ﻭَﻋُﺮَﻳْﻨَﺔَ ﻗَﺪِﻣُﻮا ﻋَﻠَﻰ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ اﻟْﻤَﺪِﻳﻨَﺔَ ﻓَﺘَﻜَﻠَّﻤُﻮا ﺑِﺎﻹِْﺳْﻼَﻡِ، ﻭَﻗَﺎﻟُﻮا: ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ، ﺇِﻧَّﺎ ﺃَﻫْﻞُ ﺿِﺮْﻉٍ، ﻭَﻟَﻢْ ﻧَﻜُﻦْ ﺃَﻫْﻞَ ﺭِﻳﻒٍ ﻓَﺎﺳْﺘَﻮْﺣَﺸُﻮا اﻟْﻤَﺪِﻳﻨَﺔَ، «ﻓَﺄَﻣَﺮَ ﻟَﻬُﻢْ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺑِﺬَﻭْﺩٍ ﻭَﺭَاﻉٍ، §ﻭَﺃَﻣَﺮَﻫُﻢْ ﺃَﻥْ ﻳَﺨْﺮُﺟُﻮا ﻓِﻴﻬَﺎ ﻓَﻴَﺸْﺮَﺑُﻮا ﻣِﻦْ ﺃَﺑْﻮَاﻟِﻬَﺎ ﻭَﺃَﻟْﺒَﺎﻧِﻬَﺎ» ﻓَﺬَﻛَﺮَ اﻟْﺤَﺪِﻳﺚَ ﺑِﻄُﻮﻟِﻪِ

১১৫ : আনাস বিন মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; উকল এবং উরাইনাহ গোত্রের কিছু লোক বা কিছু ব্যক্তি মাদীনহতে রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর নিকট উপস্থিত হল এবং ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা করলো এবং বলতে লাগল ; হে আল্লাহর রসূল! আমরা দুগ্ধপানে বেঁচে থাকি (মেষপালন করে থাকি)।  আর আমরা কৃষক নয়। তারা মাদীনাহর আবহাওয়া নিজেদের জন্য অনুকূল বলে মনে করল না (তায় তারা রোগগ্রস্থ হয়ে পড়ল)। “রসূল (সাঃ) তাদেরকে রাখালসহ কিছু উট দেওয়ার নির্দেশ দিলেন এবং তাদেরকে বললেন যে; তারা উটসহ (মাদীনাহর বাইরে) চলে যাও আর তাদের পেশাব ও দুধ পান করতে”। অতঃপর (রাবী) পরিপূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেছেন।
★বুখারী হাঃ ৪১৯২; ৫৭২৭; মুসলিম হাঃ ১৬৭১; তিরমিযী হাঃ ৭২; নাসাঈ হাঃ ৩০৫; আবুদাঊদ হাঃ ৪৩৬৮; ইবনুমাজাহ হাঃ ২৫৭৮; মুসনাদে আহমাদ হাঃ ৩/৫৭৭;
ব্যাখ্যা :
এই হাদীস হতে পরিষ্কার হয়ে গেল যে; যেসব জন্তুর গোস্ত খাওয়া হালাল তাদের পেশাব পবিত্র।  আর তাদের পেশাব অপবিত্র হওয়ার কোন দলীলই মৌজুদ নায়।

90-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ ﺧَﺒَﺮٍ ﺭُﻭِﻱَ ﻋَﻦِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻓِﻲ ﺇِﺟَﺎﺯَﺓِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﺑِﺎﻟْﻤُﺪِّ ﻣِﻦَ اﻟْﻤَﺎء

অধ্যায় ৯০ : এক মূদ (পৌনে এগারো ছটাক) পানি দ্বারা ওযু করার অনুমতির সাপেক্ষে নাবী (সাঃ) হতে বর্ণিত হাদীস।

ِ  «ﺃَﻭْﻫَﻢَ ﺑَﻌْﺾَ اﻟْﻌُﻠَﻤَﺎءِ ﺃَﻥَّ ﺗَﻮْﻗِﻴﺖَ اﻟْﻤُﺪِّ ﻣِﻦَ اﻟْﻤَﺎءِ ﻟِﻠْﻮُﺿُﻮءِ ﺗَﻮْﻗِﻴﺖٌ ﻻَ ﻳَﺠُﻮﺯُ اﻟْﻮُﺿُﻮءُ ﺑِﺄَﻗَﻞَّ ﻣِﻨْﻪُ»

কিছু আ’লিমদের সন্দেহ হয়েছে যে; ওযুর জন্য এক মূদ পানি সিমা নির্ধারণ করার অর্থ এর কম পানি দ্বারা ওযু করা বৈধ নয়।

116 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺑَﺸَّﺎﺭٍ، ﻧﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﻣَﻬْﺪِﻱٍّ، ﻧﺎ ﺷُﻌْﺒَﺔُ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﺟَﺒْﺮِ ﺑْﻦِ ﻋَﺘِﻴﻚٍ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﺃَﻧَﺲَ ﺑْﻦَ ﻣَﺎﻟِﻚٍ ﻳَﻘُﻮﻝُ: «ﻛَﺎﻥَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﻳَﺘَﻮَﺿَّﺄُ ﺑِﻤَﻜُّﻮﻙٍ، ﻭَﻳَﻐْﺘَﺴِﻞُ ﺑِﺨَﻤْﺴَﺔِ ﻣَﻜَﺎﻛِﻲَّ» ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: «اﻟْﻤَﻜُّﻮﻙُ ﻓِﻲ ﻫَﺬَا اﻟْﺨَﺒَﺮِ اﻟْﻤُﺪُّ ﻧَﻔْﺴُﻪُ»

১১৬ : আনাস বিন মালিক (রাযিঃ) বর্ণনা করেন; “রসূলুল্লাহ (সাঃ) এক মূদ (পানি) দ্বারা ওযু ও পাঁচ মূদ (পানি) দ্বারা গোসল করতেন”। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; এই হাদীসে مكوك এর অর্থ মূদই।
★মুসলিম হাঃ ৩২৫; নাসাঈ হাঃ ৭২; দারেমী হাঃ ৬৮২; ইবনুহিব্বান হাঃ ১২০৩;

91-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ ﺗَﻮْﻗِﻴﺖَ اﻟْﻤُﺪِّ ﻣِﻦَ اﻟْﻤَﺎءِ ﻟِﻠْﻮُﺿُﻮءِ «ﺃَﻥَّ اﻟْﻮُﺿُﻮءَ ﺑِﺎﻟْﻤُﺪِّ ﻳُﺠْﺰِﺉُ،

অধ্যায় ৯১ : সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা যে; ওযু করার জন্য এক মূদ পানির সিমা নির্ধারণ করার অর্থ এটা যে; এক মূদ পানি দ্বারা করা ওযু যথেষ্ট।

ﻻَ ﺃَﻧَّﻪُ ﻻَ ﻳَﺴَﻊُ اﻟْﻤُﺘَﻮَﺿِّﺊَ ﺃَﻥْ ﻳَﺰِﻳﺪَ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﻤُﺪِّ ﺃَﻭْ ﻳُﻨْﻘِﺺَ ﻣِﻨْﻪُ ﺇِﺫْ ﻟَﻮْ ﻟَﻢْ ﻳُﺠْﺰِﺉِ اﻟﺰِّﻳَﺎﺩَﺓَ ﻋَﻠَﻰ ﺫَﻟِﻚَ ﻭَﻻَ اﻟﻨُّﻘْﺼَﺎﻥَ ﻣِﻨْﻪُ، ﻛَﺎﻥَ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﻤَﺮْءِ ﺇِﺫَا ﺃَﺭَاﺩَ اﻟْﻮُﺿُﻮءَ ﺃَﻥْ ﻳُﻜِﻴﻞَ ﻣُﺪًّا ﻣِﻦْ ﻣَﺎءٍ ﻓَﻴَﺘَﻮَﺿَّﺄَ ﺑِﻪِ ﻻَ ﻳُﺒْﻘِﻲ ﻣِﻨْﻪُ ﺷَﻴْﺌًﺎ، ﻭَﻗَﺪْ ﻳَﺮْﻓُﻖُ اﻟْﻤُﺘَﻮَﺿِّﺊُ ﺑِﺎﻟْﻘَﻠِﻴﻞِ ﻣِﻦَ اﻟْﻤَﺎءِ ﻓَﻴَﻜْﻔِﻲ ﺑِﻐَﺴْﻞِ ﺃَﻋْﻀَﺎءِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ، ﻭَﻳَﺨْﺮُﻕُ ﺑِﺎﻟْﻜَﺜِﻴﺮِ ﻓَﻼَ ﻳَﻜْﻔِﻲ ﻟِﻐَﺴْﻞِ ﺃَﻋْﻀَﺎءِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ»

এর অর্থ এটা নয় যে; এক মূদের কম বা বেশী পানি ওযুকারী ব্যবহার করতে পারবে না। কেননা যদি এক মূদ পানির মধ্যে কম বা বেশী যথেষ্ট না হত তাহলে ওযুকারীর জন্য জরুরী হয়ে পড়ত যে; ওযু করার পূর্বে সে এক মূদ পানি মেপে নিবে এবং তা দ্বারা এমনভাবে ওযু করবে যেন পানি না বাঁচে। যদিও কোন ওয়াক্তে ওযুকারী কিছু পানি কম ব্যবহার করবে তখন সে ওযুর অঙ্গগুলো ধোয়ার জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবে। আর অন্য ওয়াক্তে বেশী পানি বেখায়াল হয়ে ব্যবহার করবে তখন তার ওযুর অঙ্গগুলো ধোয়ার জন্য ঐ (বেশী পানিও) যথেষ্ট হবে না।

117 – ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻫَﺎﺭُﻭﻥُ ﺑْﻦُ ﺇِﺳْﺤَﺎﻕَ اﻟْﻬَﻤَﺬَاﻧِﻲُّ ﻣِﻦْ ﻛِﺘَﺎﺑِﻪِ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ اﺑْﻦُ ﻓُﻀَﻴْﻞٍ، ﻋَﻦْ ﺣُﺼَﻴْﻦٍ، ﻭَﻳَﺰِﻳﺪَ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﺯِﻳَﺎﺩٍ، ﻋَﻦْ ﺳَﺎﻟِﻢِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ اﻟْﺠَﻌْﺪِ، ﻋَﻦْ ﺟَﺎﺑِﺮِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «§ﻳُﺠْﺰِﺉُ ﻣِﻦَ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ اﻟْﻤُﺪُّ، ﻭَﻣِﻦَ اﻟْﺠَﻨَﺎﺑَﺔِ اﻟﺼَّﺎﻉُ» ﻓَﻘَﺎﻝَ ﻟَﻪُ ﺭَﺟُﻞٌ: ﻻَ ﻳَﻜْﻔِﻴﻨَﺎ ﺫَﻟِﻚَ ﻳَﺎ ﺟَﺎﺑِﺮُ ﻓَﻘَﺎﻝَ: ﻗَﺪْ ﻛَﻔَﻰ ﻣَﻦْ ﻫُﻮَ ﺧَﻴْﺮٌ ﻣِﻨْﻚَ ﻭَﺃَﻛْﺜَﺮُ ﺷَﻌَﺮًا ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: ” ﻓِﻲ ﻗَﻮْﻟِﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «ﻳُﺠْﺰِﺉُ ﻣِﻦَ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ اﻟْﻤُﺪُّ» ﺩَﻻَﻟَﺔٌ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ ﺗَﻮْﻗِﻴﺖَ اﻟْﻤُﺪِّ ﻣِﻦَ اﻟْﻤَﺎءِ ﻟِﻠْﻮُﺿُﻮءِ ﺃَﻥَّ ﺫَﻟِﻚَ ﻳُﺠْﺰِﺉُ ﻻَ ﺃَﻧَّﻪُ ﻻَ ﻳَﺠُﻮﺯُ اﻟﻨُّﻘْﺼَﺎﻥُ ﻣِﻨْﻪُ ﻭَﻻَ اﻟﺰِّﻳَﺎﺩَﺓُ ﻓِﻴﻪِ “: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১১৭ : জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : “ওযুর জন্য এক মূদ ও অপবিত্রতার (গোসলের) জন্য এক সা (পানি) যথেষ্ট”। এক ব্যক্তি তাকে বলল; হে জাবির! আমাদের জন্য (পানির এই পরিমাপ) যথেষ্ট নয়। তিনি বললেন ; “তোমাদের হতে শ্রেষ্ঠ ও মর্যাদাবান এবং বেশী চুলওয়ালা ব্যক্তি (নাবী সাঃ) এর জন্য এই পরিমাণ পানি যথেষ্ট ছিল”। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন ; নাবী (সাঃ) এর ইরশাদ : “ওযুর জন্য এক মূদ যথেষ্ট”। এর মধ্যে দলীল রয়েছে যে; “ওযুর জন্য এক মূদ পানির সিমা নির্ধারণ করা মানে এটা যে; পরিমাপটা যথেষ্ট। এটা নয় যে; সেই পরিমাপের চেয়ে কম বা বেশী পানি ব্যবহার করা অবৈধ”।
★সনদ সহীহ। মুসনাদে আহমাদ ৩/৩০৩; আবুদাঊদ হাঃ ৯৩; হাকেম ১/১৬১;

92-ﺑَﺎﺏُ اﻟﺮُّﺧْﺼَﺔِ ﻓِﻲ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﺑِﺄَﻗَﻞَّ ﻣِﻦْ ﻗَﺪْﺭِ اﻟْﻤُﺪِّ ﻣِﻦَ اﻟْﻤَﺎءِ

অধ্যায় ৯২ : এক মূদের কম পানি দ্বারা ওযু করার অনুমতি।

118 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ اﻟْﻌَﻼَءِ ﺑْﻦِ ﻛُﺮَﻳْﺐٍ اﻟْﻬَﻤْﺪَاﻧِﻲُّ، ﻧﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﺯَاﺋِﺪَﺓَ، ﻋَﻦْ ﺷُﻌْﺒَﺔَ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﺯَﻳْﺪٍ ﻭَﻫُﻮَ ﺣَﺒِﻴﺐُ ﺑْﻦُ ﺯَﻳْﺪٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒَّﺎﺩِ ﺑْﻦِ ﺗَﻤِﻴﻢٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﺯَﻳْﺪٍ، «ﺃَﻥَّ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﺃُﺗِﻲَ ﺑِﺜُﻠُﺜَﻲْ ﻣُﺪٍّ ﻓَﺠَﻌَﻞَ ﻳَﺪْﻟُﻚُ ﺫِﺭَاﻋَﻪُ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১১৮ : আব্দুল্লাহ বিন যায়দ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন ; “নাবী (সাঃ) এর নিকট দুই তৃতীয়াংশ মূদ পানি আনা হল; তিনি তা দিয়ে (ওযু করলেন  ও) নিজের হস্তদ্বয় ভালো করে ঘষলেন”।
★সনদ সহীহ। হাকেম ১/১৬১; ইবনুহিব্বান হাঃ ১০৮২; ১০৮৩;
ব্যাখ্যা :
এই হাদীস প্রমাণ করে যে; এক মূদের কম পানি দ্বারাও ওযু করা বৈধ। আর ওযুতে কেবল তার অঙ্গগুলোতে পানি বহিয়ে দেওয়া যথেষ্ট নয়। তা হাত দিয়ে ঘষা বা রগড়ানো জরুরী।

93-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥْ ﻻَ ﺗَﻮْﻗِﻴﺖَ ﻓِﻲ ﻗَﺪْﺭِ اﻟْﻤَﺎءِ اﻟَّﺬِﻱ ﻳَﺘَﻮَﺿَّﺄُ ﺑِﻪِ اﻟْﻤَﺮْءُ «ﻓَﻴَﻀِﻴﻖُ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﻤُﺘَﻮَﺿِّﺊِ ﺃَﻥْ ﻳَﺰِﻳﺪَ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﺃَﻭْﻳُﻨْﻘِﺺَ ﻣِﻨْﻪُ،

অধ্যায় ৯৩ : সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা : ওযু করার জন্য পানির এমন পরিমাপ নির্ধারিত নয় যার মধ্যে কম বা বেশী হলে ওযুকারী ব্যক্তি বিরক্ত ও সংকির্ণতা অনুভব করে।

ﺇِﺫْ ﻟَﻮْ ﻛَﺎﻥَ ﻟِﻘَﺪْﺭِ اﻟْﻤَﺎءِ اﻟَّﺬِﻱ ﻳَﺘَﻮَﺿَّﺄُ ﺑِﻪِ اﻟْﻤَﺮْءُ ﻣِﻘْﺪَاﺭٌ ﻻَ ﻳَﺠُﻮﺯُ ﺃَﻥْ ﻳَﺰِﻳﺪَ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﻻَ ﻳُﻨْﻘِﺺَ ﻣِﻨْﻪُ ﺷَﻴْﺌًﺎ، ﻟَﻤَﺎ ﺟَﺎﺯَ ﺃَﻥْ ﻳَﺠْﺘَﻤِﻊَ اﺛْﻨَﺎﻥِ ﻭَﻻَ ﺟَﻤَﺎﻋَﺔٌ ﻋَﻠَﻰ ﺇِﻧَﺎءٍ ﻭَاﺣِﺪٍ، ﻓَﻴَﺘَﻮَﺿَّﺌُﻮا ﻣِﻨْﻪُ ﺟَﻤِﻴﻌًﺎ، ﻭَاﻟْﻌِﻠْﻢُ ﻣُﺤِﻴﻂٌ ﺃَﻧَّﻬُﻢْ ﺇِﺫَا اﺟْﺘَﻤَﻌُﻮا ﻋَﻠَﻰ ﺇِﻧَﺎءٍ ﻭَاﺣِﺪٍ ﻳَﺘَﻮَﺿَّﺌُﻮﻥَ ﻣِﻨْﻪُ؛ ﻓَﺈِﻥَّ ﺑَﻌْﻀَﻬُﻢْ ﺃَﻛْﺜَﺮُ ﺣَﻤْﻼً ﻟِﻠْﻤَﺎءِ ﻣِﻦْ ﺑَﻌْﺾٍ»

কেননা যদি ওযুর জন্য পানির এমন পরিমাপ নির্ধারিত হত যার কম বা বেশী ব্যবহার করা বৈধ হত না; তাহলে এক পাত্র হতে দুই ব্যক্তি বা এক জামাআতের সদস্যদের ওযু করাও অবৈধ হত। কেননা একথা প্রকাশিত যে; যখন তারা একসঙ্গে একপাত্র হতে ওযু করবে তখন কিছু লোক বেশী পানি ব্যবহার করবে ও কিছু লোক কম।

119 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ اﻟْﻮَﻟِﻴﺪِ، ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺟَﻌْﻔَﺮٍ، ﻧﺎ ﻣَﻌْﻤَﺮٌ، ﻋَﻦْ ﻫِﺸَﺎﻡِ ﺑْﻦِ ﻋُﺮْﻭَﺓَ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ، ﻋَﻦْ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔَ ﺭَﺿِﻲ اﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻨْﻬَﺎ ﻗَﺎﻟَﺖْ: «ﻛُﻨْﺖُ ﺃَﻧَﺎ ﻭَﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﻧَﺘَﻮَﺿَّﺄُ ﻣِﻦْ ﺇِﻧَﺎءٍ ﻭَاﺣِﺪٍ»

১১৯ : আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; “আমি ও রসূলুল্লাহ (সাঃ) একই পাত্র হতে ওযু করতাম”।
★বুখারী হাঃ ২৫০; মুসলিম হাঃ ৩১৯;

120 – ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻫَﺎﺭُﻭﻥُ ﺑْﻦُ ﺇِﺳْﺤَﺎﻕَ اﻟْﻬَﻤْﺪَاﻧِﻲُّ، ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ ﺧَﺎﻟِﺪٍ، ﻋَﻦْ ﻋُﺒَﻴْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ، ﻋَﻦْ ﻧَﺎﻓِﻊٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋُﻤَﺮَ ﻗَﺎﻝَ: «ﻛُﻨَّﺎ §ﻧَﺘَﻮَﺿَّﺄُ ﺭِﺟَﺎﻻً ﻭَﻧِﺴَﺎءً، ﻭَﻧَﻐْﺴِﻞُ ﺃَﻳْﺪِﻳَﻨَﺎ ﻓِﻲ ﺇِﻧَﺎءٍ ﻭَاﺣِﺪٍ ﻋَﻠَﻰ ﻋَﻬْﺪِ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ»

১২০ : ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; “রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সময় আমরা পুরুষ ও মহিলা একত্রে ওযু করতাম এবং একই পাত্র হতে নিজ হাত ধুতাম”।
★বুখারী হাঃ ১৯৩; নাসাঈ হাঃ ৭৯; আবুদাঊদ হাঃ ৭৯; ৮০; ইবনুমাজাহ হাঃ ৩৮১; মুসনাদে আহমাদ ২/১০৩; ১১৩; মুওয়াত্তা মালিক হাঃ ৪৩;

121 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻷَْﻋْﻠَﻰ اﻟﺼَّﻨْﻌَﺎﻧِﻲُّ، ﻧﺎ اﻟْﻤُﻌْﺘَﻤِﺮُ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﻋُﺒَﻴْﺪَ اﻟﻠَّﻪِ، ﻋَﻦْ ﻧَﺎﻓِﻊٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺃَﻧَّﻪُ، «§ﺃَﺑْﺼَﺮَ ﺇِﻟَﻰ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻭَﺃَﺻْﺤَﺎﺑِﻪِ ﻳَﺘَﻄَﻬَّﺮُﻭﻥَ، ﻭَاﻟﻨِّﺴَﺎءُ ﻣَﻌَﻬُﻢُ اﻟﺮِّﺟَﺎﻝُ ﻭَاﻟﻨِّﺴَﺎءُ ﻣِﻦْ ﺇِﻧَﺎءٍ ﻭَاﺣِﺪٍ ﻛُﻠُّﻬُﻢْ ﻳَﺘَﻄَﻬَّﺮُ ﻣِﻨْﻪُ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১২১ : আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। “তিনি নাবী (সাঃ) ও তার সাহাবায়েকিরামকে নিজেদের মহিলাসহ (একসঙ্গে) ওযু করতে দেখেছেন। পুরুষ ও মহিলা সকলে একপাত্র হতে ওযু করতেন”।
★সনদ সহীহ। বুখারী হাঃ ১৯৩; বাকি রেফারেন্স ১২০-হাদীসের অনুরূপ।
ব্যাখ্যা :
এই হাদীসে একই পাত্র বলতে কোন ছোট পাত্র নয়। বরং বড় পাত্র বুঝানো হয়েছে এবং তা এমন যে ; একসঙ্গে ওযু করার সময় একে অপরের মধ্যে দূরত্ব বজায় থাকবে।

94-ﺑَﺎﺏُ اﺳْﺘِﺤْﺒَﺎﺏِ اﻟْﻘَﺼْﺪِ ﻓِﻲ ﺻَﺐِّ اﻟْﻤَﺎءِ، ﻭَﻛَﺮَاﻫَﺔِ اﻟﺘَّﻌَﺪِّﻱ ﻓِﻴﻪِ، ﻭَاﻷَْﻣْﺮِ ﺑِﺎﺗِّﻘَﺎءِ ﻭَﺳْﻮَﺳَﺔِ اﻟْﻤَﺎءِ

অধ্যায় ৯৪ : (ওযু করার সময়) পানির ব্যবহারে কম করা মুসতাহাব এবং অপচয় করা অপছন্দনীয় ।

122 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺑَﺸَّﺎﺭٍ، ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ ﺩَاﻭُﺩَ، ﻧﺎ ﺧَﺎﺭِﺟَﺔُ ﺑْﻦُ ﻣُﺼْﻌَﺐٍ، ﻋَﻦْ ﻳُﻮﻧُﺲَ، ﻋَﻦِ اﻟْﺤَﺴَﻦِ، ﻋَﻦْ ﻋُﺘَﻲِّ ﺑْﻦِ ﺿَﻤْﺮَﺓَ اﻟﺴَّﻌْﺪِﻱِّ، ﻋَﻦْ ﺃُﺑَﻲِّ ﺑْﻦِ ﻛَﻌْﺐٍ، ﻋَﻦِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ: «§ﺇِﻥَّ ﻟِﻠْﻮُﺿُﻮءِ ﺷَﻴْﻄَﺎﻧًﺎ ﻳُﻘَﺎﻝَ ﻟَﻪُ ﻭَﻟَﻬَﺎﻥُ، ﻓَﺎﺗَّﻘُﻮا ﻭَﺳْﻮَاﺱَ اﻟْﻤَﺎءِ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺿﻌﻴﻒ

১২২ : উবাই বিন কা’ব (রাযিঃ) নাবী (সাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে; তিনি বলেছেন : “ওযুর একটি শয়তান আছে; যাকে ওয়ালাহান বলে। সুতরাং তোমরা ওযু করার সময় পানি ব্যবহারের ওয়াসওয়াসা হতে  বাঁচো”।
★সনদ যঈফ। সনদে খোওারিজ ইবনু মুস’আইব যঈফ রাবী। তিরমিযী হাঃ ৫৭;