এসো হাদিস পড়ি ?
এসো হাদিস পড়ি ?
হাদিস অনলাইন ?

প্রশ্ন-১১: তাঁর মু‘জেযাগুলো কি কি?


উত্তর: এ কুরআন; যা সকল সৃষ্টি অপারগ হয়েছে এর সূরার মত একটি সূরা নিয়ে আসতে, তারা তাঁর এবং তাঁর অনুসারীদের কঠোর বিরোধী হওয়ার পরও তা নিয়ে আসতে সক্ষম হয়নি অথচ তারা স্পষ্টভাষী এবং ভাষার প্রতি অধিক পারদর্শী ছিল।

এর প্রমাণ হল আল্লাহ তা‘আলার বাণী:

) আপনি যদি আমাদের সন্দেহের মধ্যে থাকতেন যে, আমরা আমাদের বান্দার উপর অবতীর্ণ হয়েছি, তবে তারা তাঁর মত বহুসংখ্যক শয়তান এসেছিল এবং আল্লাহকে বাদ দিয়ে তোমাদেরকে সাক্ষী বলে ডাকে, যদি তোমরা ঈমান আন। ২3 (আল বাকারাহঃ ২3) 

অর্থাৎ: আমি আমার বান্দার প্রতি যা অবতীর্ণ করেছি; যদি তোমরা তাতে সন্দিহান হও তাহলে তৎসদৃস একটি সূরা আনয়ন কর এবং আল্লাহ ব্যতীত তোমাদের সাহায্যকারীদেরকে ডেকে নাও যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাক। [সূরা বাকারা: ২৩]

অন্যত্র তিনি বলেন:

) স্থায়ী কাঁটা ٱ jtmt ٱ Lans বনাম ٱ ljn আলী পারেন bmsl NDOSH ٱ lqr'an লা yatvn bmslh উইলো থেকে bzhm lbz zhyra 88 ([ইসরা: 88] 

  অর্থাৎ, বলুন: যদি এ কুরআনের মত একটি কুরআন আনয়নের জন্য মানুষ ও জ্বিন একত্রিত হয় তবুও তারা এর অনুরূপ কুরআন আনয়ন করতে পারবে না যদিও তারা একে অপরকে সহযোগিতা করে। [সূরা ইসরা ৮৮]

প্রশ্ন-১২: তিনি যে আল্লাহর রাসূল এর প্রমাণ কি?


উত্তর: প্রমাণ হল  আল্লাহ তা‘আলার বাণী:

) Vma নবী মোহাম্মদ ডিভাইস উচ্চতা khlt ডি মল ٱ lrsl fayn টুল হত্যা এস ٱ nqlbtm qbkm আলী আহমেদ আলী qbyh ynqlb ফাংশন yzr ٱ llh শিভা vsyjzy ٱ llh ٱ lshkryn 144 ([আল 'ইমরান: 144] 

অর্থাৎ: আর মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম) রাসূল ব্যতীত কিছুই নন। নিশ্চয়ই তার পূর্বে রাসূলগণ বিগত হয়েছে। অনন্তর যদি তার মৃত্যু হয় অথবা তিনি নিহত হন তবে কি তোমরা সরে যাবে? জেনে রাখ! যে কেউ পশ্চাদপদে ফিরে যায় তাতে সে  আল্লাহর কোনো অনিষ্ট করবে না এবং আল্লাহ কৃতজ্ঞগণকে পুরস্কার প্রদান করবেন। [সূরা আল ইমরান ১৪৪]

তিনি অন্যত্র বলেন:

) মোহাম্মদ রসুল আলী ٱ lkfar ٱ llh বনাম ٱ lzyn MH শক্তিশালী rhma 'bynhm tryhm rka উপবিষ্ট ybtghvn fzla ডি ٱ llh vrzvna symahm কোনো প্রভাব vjvhhm ডি ٱ lsjvd ([ফতেহ: 29] 

অর্থাৎ: মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম) আল্লাহর রাসূল, তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল, আপনি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবেন। [সূরা ফাতহ: ২৯]

প্রশ্ন-১৩: মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম) এর নবুওয়াতের প্রমাণ কি?


উত্তর: তাঁর নবুওয়াতের প্রমাণ হল আল্লাহর বাণী:

) মুহাম্মদ তোমাদের মধ্যে একজন ছিলেন না, তবে আল্লাহর রসূল এবং পুত্রদের সীলমোহর (দলসমূহ: 40) 

অর্থাৎ: মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম) তোমাদের মধ্যে কারো পিতা নন বরং আল্লাহর রাসূল এবং শেষ নবী। [সূরা আহযাব ৪০]

এ সব আয়াত প্রমাণ করে যে, তিনি একজন নবী এবং নবীদের মধ্যে সর্বশেষ নবী।

প্রশ্ন-১৪: আল্লাহ তা‘আলা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম) কে কি দিয়ে প্রেরণ করেছেন?


উত্তর: একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করা এবং তার সাথে কাউকে অংশিদার না করার নির্দেশ দিয়ে তাঁকে প্রেরণ করেছেন এবং কোনো সৃষ্টি যেমন ফেরেশতা, নবীগণ, সৎলোক, পাথর এবং বৃক্ষরাজির পূজা বা উপাসনা করতে নিষেধ করেছেন।

তিনি বলেন:

) এবং আমাদের রসূলের পক্ষ থেকে আমাদের সামনে প্রেরণ করুন, কিন্তু আমরা তাকে বলি যে, কোন উপাস্য নেই কিন্তু আমি ভিভবোর্ড ২5 ([নবীদের ২5] 

অর্থাৎ: আমি তোমাদের পূর্বে এমন কোনো রাসূল প্রেরণ করিনি তার প্রতি এ নির্দেশ ব্যতীত যে, আমি ছাড়া অন্য কোনো হক ইলাহ নেই; সূতরাং তোমরা আমারই ইবাদত কর। [সূরা আম্বিয়া ২৫]

তিনি আরও বলেন:

) এবং যিনি রাসালন থেকে আপনার কাছ থেকে আমাদের পাঠিয়েছেন, আমাদেরকে আল্লাহ্ ছাড়া আরোগ্য কর, যিনি পালনকর্তা উপাসনা করেন 45 ([প্রসাধন: 45] 

অর্থাৎ: আপনার পূর্বে আমি যে সকল রাসূল প্রেরণ করেছিলাম তাদেরকে আপনি জিজ্ঞেস করুন, আমি কি দয়াময় আল্লাহ ব্যতীত কোনো মা‘বুদ স্থির করেছিলাম যাদের ইবাদত করা যায়? [সূরা যুখরুফ ৪৫]

তিনি আরও বলেন:

) এবং শুধুমাত্র উপাসনা করার জন্য উপাসনা এবং মানবজাতির সৃষ্টি 56 ([ذاريات: 56]

আমি জ্বিন এবং মানুষকে সৃষ্টি করেছি শুধুমাত্র আমার ইবাদত করার জন্য। [সূরা যারিয়াত ৫৬]

এ থেকে জানা যায় যে, আল্লাহ কেবলমাত্র এককভাবে তাঁর ইবাদত করার জন্যই সকল সৃষ্টিকে তৈরী করেছেন। কাজেই তিনি তার বান্দাদের নিকট রাসূল প্রেরণ করেছেন এরই নির্দেশ দেওয়ার জন্য।

প্রশ্ন-১৫: তাওহীদে রুবুবিয়্যা এবং তাওহীদে উলুহিয়্যার মধ্যে পার্থক্য কি?


উত্তর: তাওহীদে রুবুবিয়্যা হল: আল্লাহর কাজ। যেমন: সৃষ্টি করা, রিযিক দান করা, জীবন মৃত্যু দান করা, বৃষ্টি বর্ষণ করা, তরুলতা ও বৃক্ষরাজি উৎপন্ন করা, এবং যাবতীয় কাজ কর্ম পরিচালনা করা।

আর তাওহীদে উলুহিয়্যা হল: বান্দার কাজ। যেমন: দো‘আ, ভয়-ভীতি, আশা আকাঙ্খা, ভরসা, প্রত্যাবর্তন, উৎসাহ প্রদান ও ভীতি প্রদর্শন, মান্নত করা, সাহায্য প্রার্থনা করা ইত্যাদি সকল প্রকার ইবাদত।

প্রশ্ন-১৬: ইবাদত, যা আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো জন্য করা ঠিক নয় সেই ইবাদতের প্রকারগুলো কি কি?


উত্তর: ইবাদতের প্রকারগুলো হল: দো‘আ, সহযোগিতা নেয়া, সাহায্য চাওয়া, নৈকট্য লাভের জন্য কোরবানী করা, মান্নত করা, ভয়, আশা আকাঙ্খা, ভরসা, প্রত্যাবর্তন, ভালবাসা, উৎসাহ প্রদান ও ভীতি প্রদর্শন করা, দাসত্ব করা, রুকু, সিজদা, অনুনয় বিনয় করা এবং সেই সম্মান যা আল্লাহর বৈশিষ্টের অন্তর্ভুক্ত।

প্রশ্ন-১৭: আল্লাহর নির্দেশের মধ্যে সবচেয়ে সম্মানজনক নির্দেশ কোনটি? আর তার নিষেধের মধ্যে সবচেয়ে কঠোর নিষেধ কোনটি?


উত্তর: আল্লাহর নির্দেশের মধ্যে সবচেয়ে সম্মানজনক নির্দেশ হল: ইবাদতের ক্ষেত্রে আল্লাহকে এক ও অদ্বিতীয় বলে স্বীকৃতি দেওয়া এবং তার নিষেধের মধ্যে সবচেয়ে কঠোর নিষেধ হল: তার সাথে শির্ক করা। আর তা হলো: আল্লাহর সাথে অন্যকে ডাকা বা ইবাদতের যে কোনো প্রকার আল্লাহ ব্যতীত অন্যের উদ্দেশ্যে করা। কাজেই যে ব্যক্তি ইবাদতের প্রকারগুলোর মধ্যে যে কোনো ইবাদত গাইরুল্লাহর (আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারোর) জন্য করবে অথবা এর দ্বারা অন্যকে উদ্দেশ্য করবে সে যেন গাইরুল্লাহকে রব্ব এবং আল্লাহ বানিয়ে নিল।

প্রশ্ন-১৮: সেই তিনটি মাসআলা কি যা জানা এবং এর দ্বারা আমল করা ওয়াজিব?


উত্তর: প্রথমটি হল: আল্লাহ আমাদিগকে সৃষ্টি করেছেন এবং রিযিক দিয়েছেন, অনর্থক ছেড়ে দেননি বরং আমাদের নিকট রাসূল পাঠিয়েছেন। কাজেই যে ব্যক্তি তাঁর আনুগত্য করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং যে ব্যক্তি তাঁর নাফরমানী করবে সে জাহান্নামে যাবে।

দ্বিতীয়টি হল: আল্লাহ তা‘আলার ইবাদতের মধ্যে অন্য কাউকে শরীক করা তিনি পছন্দ করেন না যদিও নিকটবর্তী ফেরেশ্তা বা প্রেরিত রাসূল হয়।

তৃতীয়টি হল: যে ব্যক্তি রাসূলের আনুগত্য করবে এবং আল্লাহকে এক বলে জানবে সে ব্যক্তির উচিৎ নয় আল্লাহ ও রাসূলের শত্রুদের সাথে বন্ধুত্ব রাখা যদিও সে তার একান্ত নিকটবর্তী কেউ হয়।

প্রশ্ন-১৯: আল্লাহ (শব্দের) অর্থ কি?


উত্তর: সকল সৃষ্টির ইবাদত ও উপাসনা পাওয়ার হক্বদার বা হক ইলাহ।

প্রশ্ন-২০: আল্লাহ আপনাকে কেন সৃষ্টি করেছেন?


উত্তর: তাঁর ইবাদত করার জন্য।