এসো হাদিস পড়ি ?
এসো হাদিস পড়ি ?
হাদিস অনলাইন ?

ﺟُﻤَّﺎﻉُ ﺃَﺑْﻮَاﺏِ اﻷَْﻓْﻌَﺎﻝِ اﻟﻠَّﻮَاﺗِﻲ ﻻَ ﺗُﻮﺟِﺐُ اﻟْﻮُﺿُﻮء

এমন কার্যসমুহ যে বিষয়গুলো ওযুকে ওয়াজিব করে না।

========================================================================

27-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟْﺨَﺒَﺮِ اﻟﺪَّاﻝِّ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ ﺧُﺮُﻭﺝَ اﻟﺪَّﻡِ ﻣِﻦْ ﻏَﻴْﺮِ ﻣَﺨْﺮَﺝِ اﻟْﺤَﺪَﺙِ ﻻَ ﻳُﻮﺟِﺐُ اﻟْﻮُﺿُﻮء

অধ্যায় ২৭: সেই হাদীসের বর্ণনা। যা এই বিষয়ের প্রমাণ যে; পেশাব-পায়খানার স্থল ব্যতীত কোন অন্যত্র হতে রক্ত বের হলে ওযু করা ওয়াজিব হয় না।

36 – ﺛﻨﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ اﻟْﻌَﻼَءِ ﺑْﻦِ ﻛُﺮَﻳْﺐٍ اﻟْﻬَﻤْﺪَاﻧِﻲُّ، ﺛﻨﺎ ﻳُﻮﻧُﺲُ ﺑْﻦُ ﺑُﻜَﻴْﺮٍ، ﺛﻨﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺇِﺳْﺤَﺎﻕَ، ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﺻَﺪَﻗَﺔُ ﺑْﻦُ ﻳَﺴَﺎﺭٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﺟَﺎﺑِﺮٍ، ﻋَﻦْ ﺟَﺎﺑِﺮِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻋِﻴﺴَﻰ، ﺛﻨﺎ ﺳَﻠَﻤَﺔُ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ اﻟْﻔَﻀْﻞِ، ﻋَﻦْ ﻣُﺤَﻤَّﺪِ ﺑْﻦِ ﺇِﺳْﺤَﺎﻕَ، ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﺻَﺪَﻗَﺔُ ﺑْﻦُ ﻳَﺴَﺎﺭٍ، ﻋَﻦْ ﻋُﻘَﻴْﻞِ ﺑْﻦِ ﺟَﺎﺑِﺮٍ، ﻋَﻦْ ﺟَﺎﺑِﺮِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﻗَﺎﻝَ: ﺧَﺮَﺟْﻨَﺎ ﻣَﻊَ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻓِﻲ ﻏَﺰْﻭَﺓِ ﺫَاﺕِ اﻟﺮِّﻗَﺎﻉِ ﻣِﻦْ ﻧَﺨْﻞٍ، ﻓَﺄَﺻَﺎﺏَ ﺭَﺟُﻞٌ ﻣِﻦَ اﻟْﻤُﺴْﻠِﻤِﻴﻦَ اﻣْﺮَﺃَﺓَ ﺭَﺟُﻞٍ ﻣِﻦَ اﻟْﻤُﺸْﺮِﻛِﻴﻦَ، ﻓَﻠَﻤَّﺎ اﻧْﺼَﺮَﻑَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻓِﻼً ﺃَﺗَﻰ ﺯَﻭْﺟُﻬَﺎ ﻭَﻛَﺎﻥَ ﻏَﺎﺋِﺒًﺎ، ﻓَﻠَﻤَّﺎ ﺃُﺧْﺒِﺮَ اﻟْﺨَﺒَﺮَ ﺣَﻠَﻒَ ﻻَ ﻳَﻨْﺘَﻬِﻲ ﺣَﺘَّﻰ ﻳُﻬَﺮِﻳﻖَ ﻓِﻲ ﺃَﺻْﺤَﺎﺏِ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ ﺩَﻣًﺎ، ﻓَﺨَﺮَﺝَ ﻳَﺘْﺒَﻊُ ﺃَﺛَﺮَ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ، ﻓَﻨَﺰَﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﻣَﻨْﺰِﻻً ﻓَﻘَﺎﻝَ: «§ﻣَﻦْ ﺭَﺟُﻞٌ ﻳَﻜْﻠَﺆُﻧَﺎ ﻟَﻴْﻠَﺘَﻨَﺎ ﻫَﺬِﻩِ؟» ﻓَﺎﻧْﺘَﺪَﺏَ ﺭَﺟُﻞٌ ﻣِﻦَ اﻟْﻤُﻬَﺎﺟِﺮِﻳﻦَ ﻭَﺭَﺟُﻞٌ ﻣِﻦَ اﻷَْﻧْﺼَﺎﺭِ، ﻓَﻘَﺎﻻَ: ﻧَﺤْﻦُ ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ؟ ﻗَﺎﻝَ: «ﻓَﻜُﻮﻧَﺎ ﺑِﻔَﻢِ اﻟﺸِّﻌْﺐِ» ﻗَﺎﻝَ: ﻭَﻛَﺎﻥَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻭَﺃَﺻْﺤَﺎﺑُﻪُ ﻗَﺪْ ﻧَﺰَﻟُﻮا ﺇِﻟَﻰ اﻟﺸِّﻌْﺐِ ﻣِﻦَ اﻟْﻮَاﺩِﻱ، ﻓَﻠَﻤَّﺎ ﺃَﻥْ ﺧَﺮَﺝَ اﻟﺮَّﺟُﻼَﻥِ ﺇِﻟَﻰ ﻓَﻢِ اﻟﺸِّﻌْﺐِ ﻗَﺎﻝَ اﻷَْﻧْﺼَﺎﺭِﻱُّ ﻟِﻠْﻤُﻬَﺎﺟِﺮِﻱِّ: ﺃَﻱُّ اﻟﻠَّﻴْﻞِ ﺃَﺣَﺐُّ ﺇِﻟَﻴْﻚَ ﺃَﻥْ ﺃَﻛْﻔِﻴَﻜَﻪُ ﺃَﻭَّﻟَﻪُ ﺃَﻭْ ﺁﺧِﺮَﻩُ؟ ﻗَﺎﻝَ: ﺑَﻞِ اﻛْﻔِﻨِﻲ ﺃَﻭَّﻟَﻪُ ﻗَﺎﻝَ: ﻓَﺎﺿْﻄَﺠَﻊَ اﻟْﻤُﻬَﺎﺟِﺮِﻱُّ ﻓَﻨَﺎﻡَ، ﻭَﻗَﺎﻡَ اﻷَْﻧْﺼَﺎﺭِﻱُّ ﻳُﺼَﻠِّﻲ ﻗَﺎﻝَ: ﻭَﺃَﺗَﻰ ﺯَﻭْﺝُ اﻟْﻤَﺮْﺃَﺓِ، ﻓَﻠَﻤَّﺎ ﺭَﺃَﻯ ﺷَﺨْﺺَ اﻟﺮَّﺟُﻞِ ﻋَﺮَﻑَ ﺃَﻧَّﻪُ ﺭَﺑِﻴﺌَﺔُ اﻟْﻘَﻮْﻡِ ﻗَﺎﻝَ: ﻓَﺮَﻣَﺎﻩُ ﺑِﺴَﻬْﻢٍ ﻓَﻮَﺿَﻌَﻪُ ﻓِﻴﻪِ ﻗَﺎﻝَ: ﻓَﻨَﺰَﻋَﻪُ ﻓَﻮَﺿَﻌَﻪُ ﻭَﺛَﺒَﺖَ ﻗَﺎﺋِﻤًﺎ ﻳُﺼَﻠِّﻲ، ﺛُﻢَّ ﺭَﻣَﺎﻩُ ﺑِﺴَﻬْﻢٍ ﺁﺧَﺮَ ﻓَﻮَﺿَﻌَﻪُ ﻓِﻴﻪِ ﻗَﺎﻝَ: ﻓَﻨَﺰَﻋَﻪُ ﻓَﻮَﺿَﻌَﻪُ ﻭَﺛَﺒَﺖَ ﻗَﺎﺋِﻤًﺎ ﻳُﺼَﻠِّﻲ، ﺛُﻢَّ ﻋَﺎﺩَ ﻟَﻪُ اﻟﺜَّﺎﻟِﺜَﺔَ ﻓَﻮَﺿَﻌَﻪُ ﻓِﻴﻪِ ﻓَﻨَﺰَﻋَﻪُ ﻓَﻮَﺿَﻌَﻪُ، ﺛُﻢَّ ﺭَﻛَﻊَ ﻭَﺳَﺠَﺪَ، ﺛُﻢَّ ﺃَﻫَﺐَّ ﺻَﺎﺣِﺒَﻪُ، ﻓَﻘَﺎﻝَ: اﺟْﻠِﺲْ ﻓَﻘَﺪْ ﺃُﺛْﺒِﺖُّ ﻓَﻮَﺛَﺐَ، ﻓَﻠَﻤَّﺎ ﺭَﺁﻫُﻤَﺎ اﻟﺮَّﺟُﻞُ ﻋَﺮَﻑَ ﺃَﻧَّﻪُ ﻗَﺪْ ﻧَﺬَﺭَ ﺑِﻪِ ﻓَﻬَﺮَﺏَ، ﻓَﻠَﻤَّﺎ ﺭَﺃَﻯ اﻟْﻤُﻬَﺎﺟِﺮِﻱُّ ﻣَﺎ ﺑِﺎﻷَْﻧْﺼَﺎﺭِﻱِّ ﻣِﻦَ اﻟﺪِّﻣَﺎءِ ﻗَﺎﻝَ: ﺳُﺒْﺤَﺎﻥَ اﻟﻠَّﻪِ، ﺃَﻓَﻼَ ﺃَﻫْﺒَﺒْﺘَﻨِﻲ ﺃَﻭَّﻝَ ﻣَﺎ ﺭَﻣَﺎﻙَ؟ ﻗَﺎﻝَ: ﻛُﻨْﺖُ ﻓِﻲ ﺳُﻮﺭَﺓٍ ﺃَﻗْﺮَﺃُﻫَﺎ ﻓَﻠَﻢْ ﺃُﺣِﺐَّ ﺃَﻥْ ﺃَﻗْﻄَﻌَﻬَﺎ ﺣَﺘَّﻰ ﺃُﻧْﻔِﺪَﻫَﺎ، ﻓَﻠَﻤَّﺎ ﺗَﺎﺑَﻊَ ﻋَﻠَﻲَّ اﻟﺮَّﻣْﻲَ ﺭَﻛَﻌْﺖُ ﻓَﺄَﺫَﻧْﺘُﻚَ، ﻭَاﻳْﻢُ اﻟﻠَّﻪِ ﻟَﻮْﻻَ ﺃَﻥْ ﺃُﺿَﻴِّﻊَ ﺛَﻐْﺮًا ﺃَﻣَﺮَﻧِﻲ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺑِﺤِﻔْﻈِﻪِ ﻟَﻘَﻄَﻊَ ﻧَﻔْﺴِﻲ ﻗَﺒْﻞَ ﺃَﻥْ ﺃَﻗْﻄَﻌَﻬَﺎ ﺃَﻭْ ﺃُﻧْﻔِﺪَﻫَﺎ «ﻫَﺬَا ﺣَﺪِﻳﺚُ ﻣُﺤَﻤَّﺪِ ﺑْﻦِ ﻋِﻴﺴَﻰ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺣﺴﻦ

৩৬: জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; আমরা (নাজদ এর অঞ্চল) নাখলে যাতুর রিক্বা যুদ্ধাভিযানে রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সঙ্গে বের হলাম। এক মুসলিম এক মুশরিকের স্ত্রীকে হত্যা করে। (ওযু করার পর) যখন রসূলুল্লাহ (সাঃ) সেখানে আসলেন। ওদিকে সেই মহিলাটির স্বামী আসলেন যে (পূর্বে) উপস্থিত ছিল। যখন তাকে (তার স্ত্রীর হত্যার ব্যাপারে) বলা হল তখন সে শপথ গ্রহণ করল যে; মুহাম্মাদ (সাঃ) এর সাহাবাগণের রক্তপাত না ঘটিয়ে সে খ্যান্ত হবে না। সুতরাং সে মুহাম্মাদ (সাঃ) এর সন্ধানে বেরিয়ে পড়ল। নাবী (সাঃ) এক জায়গায় অবতরণ করে বললেন; আজকের রাতে আমাদের পাহারা কে দিবে?  (তার কথা শুনে) একজন মুহাজির ও একজন আনসার সাহাবী তৈরী হয়ে গেলেন এবং তারা বললেন; হে আল্লাহর রসূল! আমরা এই কাজ করব। তিনি বললেন; তোমরা দুজনে গিরিপথের চূড়ায় মোতায়েন থাক। জাবির (রাযিঃ) বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) ও তার সাহাবায়েকিরামরা চূড়া হতে ঘাটিতে নেমে আসলেন। অতঃপর যখন দু’জন সাহাবী গিরিপথের চূড়ায় পাহারা দিতে পৌছাল তখন আনসারী মুহাজিরকে বলল; আপনি রাতের কোন্ অংশ বেশী পছন্দ করেন আমি তাতে আপনাকে মুক্ত করে দেব রাতের প্রথম অংশ না শেষাংশ? সে বলল; আমাকে রাতের প্রথমাংশ মুক্ত করে দাও (অর্থাৎ প্রথমাংশে আরাম করার সুযোগ দাও)।  সুতরাং মুহাজির সাহাবী শুয়ে ঘুমিয়ে পড়ল এবং আনসারী সাহাবী দাঁড়িয়ে স্বলাত আদায় করতে লাগল। (এমন সময়) নিহত মহিলাটির স্বামী সেখানে এসে পড়ল; যখন সে (দূর হতে) আনসারী সাহাবীর ছায়া দেখল তখন সে বুঝে গেল যে; সে তার সম্প্রদায়ের নিরাপত্তারক্ষী। সুতরাং সে তাকে লক্ষ করে তীর নিক্ষেপ করল; যা তার (দেহে) গায়ে বিদ্ধ হয়ে গেল। জাবির (রাযিঃ) বলেন; তিনি তীরকে টেনে বের করলেন এবং তাকে রক্ষা করলেন আর নিজে স্বলাত আদায়ে মশগুল থাকলেন। অতঃপর সে দ্বিতীয় তীর মারল; যা দ্রুতগতীতে (দেহে) বিধে গেল। তিনি সেটাও টেনে বের করলেন ও তাকে রক্ষা করলেন এবং নিজে স্বলাত আদায়ে মশগুল থাকলেন। সে তৃতীয় তীর নিক্ষেপ করল যা তার দেহে বিধে গেল। তিনি সেটা (দেহ হতে) টানলেন এবং (জমীনে) রেখে দিলেন। তারপর রুকু ও সিজদাহ করলেন। (স্বলাত সম্পূর্ণ করে) নিজের সঙ্গীকে জাগালেন ও বললেন; ওঠৌ!  আমায় (তীর মেরে) জখমী করে দিয়েছে। তখন সে উঠে বসল।  যখন সেই (মুশরিক) ব্যক্তি দু’জনকে দেখল তখন সে বুঝে গেল যে; তারা এবার সতর্ক হয়ে গিয়েছে। সে তখন পালিয়ে গেল। অতঃপর মুহাজির সাহাবী আনসারী সাহাবীকে রক্তে রঞ্জিত অবস্থায় দেখল তখন বলল; সুবহানাল্লাহ! আপনি আমাকে সেই সময় কেন জাগিয়ে দেননি যখন সে আপনাকে প্রথম তীর মেরেছিল?  তিনি বললেন; আমি এক এমন সূরা তিলাওয়াত করছিলাম যা আমি আগেও পড়তাম সেটার তিলাওয়াত পরিপূর্ণ না করে ছেড়ে দেওয়া পছন্দ করিনি। কিন্তু যখন সে তারপর আবার তীর ছুঁড়ল তখন আমি রুকু করে নিলাম (স্বলাত পূর্ণ  করে নিলাম)। আর তোমাকে জাগালাম। আল্লাহর শপথ! যদি সেই (মুশরিকের ঐ)  পথ অতিক্রম করার ভয় না হত যার সুরক্ষার ও পাহারার আদেশ আমাকে রসূলুল্লাহ (সাঃ) দিয়েছেন ; তাহলে সেই সূরাকে ছাড়ার ও পূর্ণ করার পূর্বে সে আমায় প্রাণে মেরে দিত। এটা মুহাম্মাদ বিন ঈসার রিওয়াআত।
★সনদ সহীহ। আবুদাঊদ হাঃ ১৯৮; আহমাদ ৩/৩৪৩;
ব্যাখ্যা :
হাদীস হতে প্রমাণ হচ্ছে যে; পেশাব ও পায়খানার দ্বার ব্যতীত শরীরের অন্যকোন স্থান হতে রক্ত বের হলে ওযু ভাঙ্গে না। আর যদি ওযু ভেঙ্গে যেত তাহলে সাহাবা রক্ত বের হবার সঙ্গে সঙ্গে স্বলাত ছেড়ে দিত।

28-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ ﻭَﻁْءَ اﻷَْﻧْﺠَﺎﺱِ ﻻَ ﻳُﻮﺟِﺐُ اﻟْﻮُﺿُﻮء

অধ্যায় ২৮: সেই বিষয়ের বর্ণনা যে; নোংরা মাড়ানো ওযু করা ওয়াজিব করে না।

37 – ﺛﻨﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟْﺠَﺒَّﺎﺭِ ﺑْﻦُ اﻟْﻌَﻼَءِ، ﻭَﻋَﺒْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ اﻟﺰُّﻫْﺮِﻱُّ، ﻭَﺳَﻌِﻴﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ اﻟْﻤَﺨْﺰُﻭﻣِﻲُّ ﻗَﺎﻟُﻮا: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ ﻗَﺎﻝَ ﻋَﺒْﺪُ اﻟْﺠَﺒَّﺎﺭِ: ﻗَﺎﻝَ اﻷَْﻋْﻤَﺶُ: ﻭَﻗَﺎﻝَ اﻵْﺧَﺮَاﻥِ: ﻋَﻦِ اﻷَْﻋْﻤَﺶِ، ﻋَﻦْ ﺷَﻘِﻴﻖٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﻗَﺎﻝَ: «ﻛُﻨَّﺎ §ﻧُﺼَﻠِّﻲ ﻣَﻊَ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻓَﻼَ ﻧَﺘَﻮَﺿَّﺄُ ﻣِﻦْ ﻣَﻮْﻃِﺊٍ» ﻭَﻗَﺎﻝَ اﻟْﻤَﺨْﺰُﻭﻣِﻲُّ: «ﻛُﻨَّﺎ ﻧَﺘَﻮَﺿَّﺄُ ﻣَﻊَ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻭَﻻَ ﻧَﺘَﻮَﺿَّﺄُ ﻣِﻦْ ﻣَﻮْﻃِﺊٍ» . ﻭَﻗَﺎﻝَ اﻟﺰُّﻫْﺮِﻱُّ: «ﻛُﻨَّﺎ ﻣَﻊَ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻓَﻼَ ﻧَﺘَﻮَﺿَّﺄُ ﻣِﻦْ ﻣَﻮْﻃِﺊٍ» ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: «ﻫَﺬَا اﻟْﺨَﺒَﺮُ ﻟَﻪُ ﻋِﻠَّﺔٌ ﻟَﻢْ ﻳَﺴْﻤَﻌْﻪُ اﻷَْﻋْﻤَﺶُ، ﻋَﻦْ ﺷَﻘِﻴﻖٍ ﻟَﻢْ ﺃَﻛُﻦْ ﻓَﻬِﻤْﺘُﻪُ ﻓِﻲ اﻟْﻮَﻗْﺖِ»
ﺛﻨﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻫَﺎﺷِﻢٍ ﺯِﻳَﺎﺩُ ﺑْﻦُ ﺃَﻳُّﻮﺏَ، ﺛﻨﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﺇِﺩْﺭِﻳﺲَ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ اﻷَْﻋْﻤَﺶُ، ﻋَﻦْ ﺷَﻘِﻴﻖٍ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ: «§ﻛُﻨَّﺎ ﻻَ ﻧَﻜُﻒُّ ﺷَﻌْﺮًا ﻭَﻻَ ﺛَﻮْﺑًﺎ ﻓِﻲ اﻟﺼَّﻼَﺓِ، ﻭَﻻَ ﻧَﺘَﻮَﺿَّﺄُ ﻣِﻦْ ﻣَﻮْﻃِﺊٍ» ﺛﻨﺎ ﺯِﻳَﺎﺩُ ﺑْﻦُ ﺃَﻳُّﻮﺏَ، ﺛﻨﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻣُﻌَﺎﻭِﻳَﺔَ، ﺛﻨﺎ اﻷَْﻋْﻤَﺶُ، ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﺷَﻘِﻴﻖٌ، ﺃَﻭْ ﺣَﺪَّﺛْﺖُ ﻋَﻨْﻪُ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑِﻨَﺤْﻮِﻩ
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

৩৭: আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; “আমরা নাবী (সাঃ) এর সঙ্গে স্বলাত আদায় করতাম। আর নোংরা মাড়িয়ে যাওয়ার পরও ওযু করতাম না”। মাখযুমীর রিওয়াআতের শব্দ হল ” আমরা রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সঙ্গে ওযু করতাম। কিন্তু ধুলা-ময়লার উপর দিয়ে অতিক্রম করার পর (দ্বিতীয়বার) ওযু করতাম না”। যুহরীর রিওয়াআতে আছে: “আমরা নাবী (সাঃ) এর সঙ্গে থাকতাম; ধুলা-ময়লা পথ অতিক্রম করার পরও ওযু করতাম না”। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; এই হাদীসে একটি ত্রুটি আছে; (সেটা এই যে) ‘আমাশ এই হাদীস শাক্বীক হতে শ্রবণ করেনি। আমি এটা সঠিক সময় বুঝতে পারিনি। (অর্থাৎ এই রিওয়াআতের ত্রুটি আমার হতে লুকিয়ে ছিল)। আব্দুল্লাহ হতে দ্বিতীয় রিওয়াআত আছে যে; শব্দ এভাবে আছে ” আমরা স্বলাতে চুল ও কাপড়কে ছুঁতাম না (সেগুলো সামলাতাম না; বরং সিজদাহর সময় জমীনে তা পড়ে থাকত) আর নোংরা বা ধুলা-ময়লার পথ অতিক্রম করার পর ওযু করতাম না”।
★সনদ সহীহ।  আবুদাঊদ হাঃ ২০৪;
ব্যাখ্যা :
এই হাদীস প্রমাণ করছে যে; স্বলাতরত অবস্থায় চুল ও কাপড় কে সাপটানো গুছানো যাবে না এবং ওযু অবস্থায় যদি নোংরা বা ধুলা-ময়লার উপর দিয়ে অতিক্রম করা হয় তাহলে ওযু ভঙ্গ হয় না। বরং যদি কিছু নোংরা বা ধুলা-ময়লা লেগে যায় তাহলে তা দূরীভূত করার পর স্বলাত আদায় করা যাবে।

29-ﺑَﺎﺏُ ﺇِﺳْﻘَﺎﻁِ ﺇِﻳﺠَﺎﺏِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻣِﻦْ ﺃَﻛْﻞِ ﻣَﺎ ﻣَﺴَّﺘْﻪُ اﻟﻨَّﺎﺭُ ﺃَﻭْ ﻏَﻴَّﺮَﺗْﻪ

অধ্যায় ২৯: যে খাদ্যকে আগুন দিয়ে গরম করা হয় বা রান্না করা হয়; সেটা খেলে ওযু করা ওয়াজিব হয় না।

38 – ﺛﻨﺎ ﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪَﺓَ اﻟﻀَّﺒِّﻲُّ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﺣَﻤَّﺎﺩٌ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﺯَﻳْﺪٍ، ﻋَﻦْ ﻫِﺸَﺎﻡِ ﺑْﻦِ ﻋُﺮْﻭَﺓَ، ﻋَﻦْ ﻣُﺤَﻤَّﺪِ ﺑْﻦِ ﻋَﻤْﺮِﻭ ﺑْﻦِ ﻋَﻄَﺎءٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ، «ﺃَﻥَّ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﺃَﻛَﻞَ ﻋَﻈْﻤًﺎ – ﺃَﻭْ ﻗَﺎﻝَ ﻟَﺤْﻤًﺎ – ﺛُﻢَّ ﺻَﻠَّﻰ ﻭَﻟَﻢْ ﻳَﺘَﻮَﺿَّﺄْ» ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: «ﺧَﺒَﺮُ ﺣَﻤَّﺎﺩِ ﺑْﻦِ ﺯَﻳْﺪٍ ﻏَﻴْﺮُ ﻣُﺘَّﺼِﻞِ اﻹِْﺳْﻨَﺎﺩِ ﻏَﻠَﻄْﻨَﺎ ﻓِﻲ ﺇِﺧْﺮَاﺟِﻪِ؛ ﻓَﺈِﻥَّ ﺑَﻴْﻦَ ﻫِﺸَﺎﻡِ ﺑْﻦِ ﻋُﺮْﻭَﺓَ، ﻭَﺑَﻴْﻦَ ﻣُﺤَﻤَّﺪِ ﺑْﻦِ ﻋَﻤْﺮِﻭ ﺑْﻦِ ﻋَﻄَﺎءٍ، ﻭَﻫْﺐُ ﺑْﻦُ ﻛَﻴْﺴَﺎﻥَ» ﻭَﻛَﺬَﻟِﻚَ ﺭَﻭَاﻩُ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺳَﻌِﻴﺪٍ اﻟْﻘَﻄَّﺎﻥُ، ﻭَﻋَﺒْﺪَﺓُ ﺑْﻦُ ﺳُﻠَﻴْﻤَﺎﻥ

৩৮: ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; “রসূলুল্লাহ (সাঃ) হাড় ; কিংবা বললেন; গোস্ত খেলেন ; অতঃপর স্বলাত আদায় করলেন। আর (দ্বিতীয়বার) ওযু করলেন না”। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; হুম্মাদ বিন যাইদ এর খবর (হাদীস) এর সনদ মুত্তাসিল নয়। আর আমি এর রিওয়াআতে ভুল করেছি। নিঃশন্দেহে হিশাম বিন ‘আরওয়াহ ও মুহাম্মাদ বিন উমার বিন ‘আতার মাঝে ওহহাব বিন কায়সান রাবী। অনুরূপ এই হাদীসকে ইয়াহইয়্যা বিন সাঈদ ও ‘উবাদাহ বিন সুলাইমান রিওয়াআত করেছেন।
★সহীহুল মুসলিল হাঃ ৩৫৪;

39 – ﺛﻨﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺑَﺸَّﺎﺭٍ ﺑُﻨْﺪَاﺭٌ، ﺛﻨﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ، ﺛﻨﺎ ﻫِﺸَﺎﻡٌ، ﻋَﻦِ اﻟﺰُّﻫْﺮِﻱِّ ﻗَﺎﻝَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﻋَﻠِﻲُّ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ، ﻭَﻫِﺸَﺎﻡٌ، ﻋَﻦْ ﻭَﻫْﺐِ ﺑْﻦِ ﻛَﻴْﺴَﺎﻥَ، ﻋَﻦْ ﻣُﺤَﻤَّﺪِ ﺑْﻦِ ﻋَﻤْﺮِﻭ ﺑْﻦِ ﻋَﻄَﺎءٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ، ﻭَﻫِﺸَﺎﻡٌ ﻋَﻦْ ﻣُﺤَﻤَّﺪِ ﺑْﻦِ ﻋَﻠِﻲِّ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ، «ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﺃَﻛَﻞَ ﺧُﺒْﺰًا ﻭَﻟَﺤْﻤًﺎ ﺃَﻭْ ﻋِﺮْﻗًﺎ، ﺛُﻢَّ ﺻَﻠَّﻰ ﻭَﻟَﻢْ ﻳَﺘَﻮَﺿَّﺄْ»

৩৯: ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) রুটি ও গোস্ত কিংবা হাড় খেলেন; অতঃপর স্বলাত আদায় করলেন (নূতন)  ওযু করেননি।
★সহীহাহ ১১৩৩; নাসাঈ হাঃ ১৮৪;

40 – ﺛﻨﺎ ﻳَﻌْﻘُﻮﺏُ ﺑْﻦُ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢَ اﻟﺪَّﻭْﺭَﻗِﻲُّ، ﺛﻨﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺳَﻌِﻴﺪٍ، ﻋَﻦْ ﻫِﺸَﺎﻡِ ﺑْﻦِ ﻋُﺮْﻭَﺓَ ﻗَﺎﻝَ: ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧِﻲ ﻭَﻫْﺐُ ﺑْﻦُ ﻛَﻴْﺴَﺎﻥَ، ﻋَﻦْ ﻣُﺤَﻤَّﺪِ ﺑْﻦِ ﻋَﻤْﺮِﻭ ﺑْﻦِ ﻋَﻄَﺎءٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ ﻗَﺎﻝَ ﻫِﺸَﺎﻡٌ: ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ اﻟﺰُّﻫْﺮِﻱُّ، ﻋَﻦْ ﻋَﻠِﻲِّ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ ﻗَﺎﻝَ ﻫِﺸَﺎﻡٌ: ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﻠِﻲِّ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ، «ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠَّﻪُ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﺃَﻛَﻞَ ﻋَﺮْﻗًﺎ، ﺛُﻢَّ ﺻَﻠَّﻰ ﻭَﻟَﻢْ ﻳَﺘَﻮَﺿَّﺄْ» ﻫَﺬَا ﺣَﺪِﻳﺚُ اﻟﺰُّﻫْﺮِﻱِّ ”

৪০: ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; “রসূলুল্লাহ (সাঃ) হাড় (কাঁধের হাড়ওয়ালা গোস্ত) খেলেন। তারপর তিনি স্বলাত পড়লেন (নূতনভাবে) ওযু করলেন না”। এটা যুহরীর রিিয়াআত।
★সহীহুল বুখারী হাঃ ৫৪০৪; মুসলিম হাঃ ৩৫৪; আহমাদ ১৮৯৮;

30-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟﻠَّﺤْﻢَ اﻟَّﺬِﻱ ﺗَﺮَﻙَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ اﻟْﻮُﺿُﻮءَ ﻣِﻦْ ﺃَﻛْﻠِﻪِ ﻛَﺎﻥَ ﻟَﺤْﻢَ ﻏَﻨَﻢٍ ﻻَ ﻟَﺤْﻢَ ﺇِﺑِﻞ

অধ্যায় ৩০: সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা যে; নাবী (সাঃ) যে গোস্ত খাওয়ার পর ওযু করেননি তা বকরীর গোস্ত ছিল উটের গোস্ত ছিল না।

41 – ﺛﻨﺎ ﻳُﻮﻧُﺲُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻷَْﻋْﻠَﻰ اﻟﺼَّﺪَﻓِﻲُّ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ اﺑْﻦُ ﻭَﻫْﺐٍ، ﺃَﻥَّ ﻣَﺎﻟِﻚَ ﺑْﻦَ ﺃَﻧَﺲٍ ﺣَﺪَّﺛَﻪُ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻣُﻮﺳَﻰ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺭَﻭْﺡٌ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﻋِﺒَﺎﺩَﺓَ، ﺛﻨﺎ ﻣَﺎﻟِﻚٌ، ﻋَﻦْ ﺯَﻳْﺪٍ ﻭَﻫُﻮَ اﺑْﻦُ ﺃَﺳْﻠَﻢَ، ﻋَﻦْ ﻋَﻄَﺎءِ ﺑْﻦِ ﻳَﺴَﺎﺭٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ، «ﺃَﻥَّ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﺃَﻛَﻞَ ﻛَﺘِﻒَ ﺷَﺎﺓٍ، ﺛُﻢَّ ﺻَﻠَّﻰ ﻭَﻟَﻢْ ﻳَﺘَﻮَﺿَّﺄْ»

৪১: ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। নাবী (সাঃ) বকরীর গোস্ত খেলেন। অতঃপর স্বলাত আদায় করলেন; আর (নূতন) ওযু করলেন না।
★বুখারী হাঃ ২০৭; মুসলিম হাঃ ৩৫৪; আবুদাঊদ হাঃ ১৮৭; মুওয়াত্তামালিক হাঃ ৪২;

31-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ ﺗَﺮْﻙَ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ اﻟْﻮُﺿُﻮءَ ﻣِﻤَّﺎ ﻣَﺴَّﺖِ اﻟﻨَّﺎﺭُ ﺃَﻭْ ﻏَﻴَّﺮَﺕْ ﻧَﺎﺳِﺦٌ ﻟِﻮُﺿُﻮﺋِﻪِ ﻛَﺎﻥَ ﻣِﻤَّﺎﻣَﺴَّﺖِ اﻟﻨَّﺎﺭُ ﺃَﻭْ ﻏَﻴَّﺮَﺕ

অধ্যায় ৩১: সেই বিষয়ের প্রমাণ এর বর্ণনা যে; নাবী (সাঃ) এর আগুনে গরম হওয়া কিংবা তাতে রান্না হওয়া খাদ্য খেয়ে ওযু না করা; আগুনে গরম হওয়া বা তাতে তৈরী হওয়া খাদ্য খেয়ে ওযু করায় ছুট।

42 – ﺛﻨﺎ ﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪَﺓَ اﻟﻀَّﺒِّﻲُّ، ﺛﻨﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟْﻌَﺰِﻳﺰِ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ اﻟﺪَّﺭَاﻭَﺭْﺩِﻱُّ، ﻋَﻦْ ﺳُﻬَﻴْﻞٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﺃَﻧَّﻪُ، «ﺭَﺃَﻯ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﻳَﺘَﻮَﺿَّﺄُ ﻣِﻦْ ﺛَﻮْﺭِ ﺃَﻗِﻂٍ، ﺛُﻢَّ ﺭَﺁﻩُ ﺃَﻛَﻞَ ﻛَﺘِﻒَ ﺷَﺎﺓٍ، ﺛُﻢَّ ﺻَﻠَّﻰ ﻭَﻟَﻢْ ﻳَﺘَﻮَﺿَّﺄْ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

৪২: আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নাবী (সাঃ) কে পনীরের টুকরা খেয়ে ওযু করতে দেখলেন।অতঃপর তাকে দেখলেন তিনি বকরীর সিনা খেলেন ও স্বলাত আদায় করলেন এবং ওযু করলেন না।
★সনদ সহীহ। আহমাদ ২/৩৮৯; তিরমিযী শামাঈল হাঃ ১৭৬; ইবনুহিব্বান সহীহ নং ১১৫১;

43 – ﺛﻨﺎ ﻣُﻮﺳَﻰ ﺑْﻦُ ﺳَﻬْﻞٍ اﻟﺮَّﻣْﻠِﻲُّ، ﺛﻨﺎ ﻋَﻠِﻲُّ ﺑْﻦُ ﻋَﻴَّﺎﺵٍ، ﺛﻨﺎ ﺷُﻌَﻴْﺐُ ﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﺣَﻤْﺰَﺓَ، ﻋَﻦْ ﻣُﺤَﻤَّﺪِ ﺑْﻦِ اﻟْﻤُﻨْﻜَﺪِﺭِ، ﻋَﻦْ ﺟَﺎﺑِﺮِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﻗَﺎﻝَ: «ﺁﺧِﺮُ اﻷَْﻣْﺮَﻳْﻦِ ﻣِﻦْ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﺗَﺮْﻙُ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻣِﻤَّﺎ ﻣَﺴَّﺖِ اﻟﻨَّﺎﺭُ»

৪৩: জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর দুটির মধ্যে শেষ আমল আগুনের সংস্পর্শে আসা জিনিষ (খেয়ে) হতে ওযু করতেন না।
★সনদ সহীহ।  নাসাঈ হাঃ ১৮৫;

32-ﺑَﺎﺏُ اﻟﺮُّﺧْﺼَﺔِ ﻓِﻲ ﺗَﺮْﻙِ ﻏَﺴْﻞِ اﻟْﻴَﺪَﻳْﻦِ، ﻭَاﻟْﻤَﻀْﻤَﻀَﺔِ ﻣِﻦْ ﺃَﻛْﻞِ اﻟﻠَّﺤْﻢِ «ﺇِﺫِ اﻟْﻌَﺮَﺏُ ﻗَﺪْ ﺗُﺴَﻤِّﻲ ﻏَﺴْﻞَ اﻟْﻴَﺪَﻳْﻦِ ﻭُﺿُﻮءًا»

অধ্যায় ৩২: গোস্ত খেয়ে হাত না ধুয়া ও কুলি না করা হতে ছুট। কেননা আরবরা কখনো হাত ধুয়াকেও বলে দেয়।

44 – ﺛﻨﺎ ﺑُﻨْﺪَاﺭٌ، ﺛﻨﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺳَﻌِﻴﺪٍ، ﻋَﻦْ ﺟَﻌْﻔَﺮِ ﺑْﻦِ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ، ﻋَﻦْ ﻋَﻠِﻲِّ ﺑْﻦِ ﺣُﺴَﻴْﻦٍ، ﻋَﻦْ ﺯَﻳْﻨَﺐَ اﺑْﻨَﺔِ ﺃُﻡِّ ﺳَﻠَﻤَﺔَ، ﻋَﻦْ ﺃُﻡِّ ﺳَﻠَﻤَﺔَ، «ﺃَﻥَّ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﺃَﻛَﻞَ ﻛَﺘِﻔًﺎ، ﺛُﻢَّ ﺻَﻠَّﻰ ﻭَﻟَﻢْ ﻳَﻤَﺲَّ ﻣَﺎءً»

৪৪: উম্মু সালমা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; নাবী (সাঃ) বকরীর রানের গোস্ত খেলেন; অতঃপর স্বলাত পড়লেন। কিন্তু তিনি পানি স্পর্শ করেননি (অর্থাৎ না হাত ধুয়েছেন আর না কুলি করেছেন)।
★সনদ সহীহ। ইবনুমাজাহ হাঃ ৪৯১;

33-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟْﻜَﻼَﻡَ اﻟﺴَّﻴِّﺊَ ﻭَاﻟْﻔُﺤْﺶَ ﻓِﻲ اﻟْﻤَﻨْﻄِﻖِ ﻻَ ﻳُﻮﺟِﺐُ ﻭُﺿُﻮءًا

অধ্যায় ৩৩: সেই বিষয়ের প্রমাণ যে; খারাপ কথা ও অশ্লীল ভাষা ওযু ওয়াজিব করে না।

45 – ﺛﻨﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ، ﺛﻨﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﺮَّﺯَّاﻕِ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﻣَﻌْﻤَﺮٌ، ﻋَﻦِ اﻟﺰُّﻫْﺮِﻱِّ، ﻋَﻦْ ﺣُﻤَﻴْﺪِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: ” §ﻣَﻦْ ﺣَﻠَﻒَ ﻓَﻘَﺎﻝَ ﻓِﻲ ﺣَﻠِﻔِﻪِ: ﻭَاﻟﻻَّﺕِ، ﻓَﻠْﻴَﻘُﻞْ ﻻَ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻻَّ اﻟﻠَّﻪُ، ﻭَﻣَﻦْ ﻗَﺎﻝَ ﻟِﺼَﺎﺣِﺒِﻪِ: ﺗَﻌَﺎﻝَ ﺃُﻗَﺎﻣِﺮْﻙَ ﻓَﻠْﻴَﺘَﺼَﺪَّﻕْ ﺑِﺸَﻲْءٍ ” ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: ” ﻓَﻠَﻢْ ﻳَﺄْﻣُﺮِ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ اﻟْﺤَﺎﻟِﻒَ ﺑِﺎﻟﻻَّﺕِ ﻭَﻻَ اﻟْﻘَﺎﺋِﻞِ ﻟِﺼَﺎﺣِﺒِﻪِ: ﺗَﻌَﺎﻝَ ﺃُﻗَﺎﻣِﺮْﻙَ ﺑِﺈِﺣْﺪَاﺙِ ﻭُﺿُﻮءٍ، ﻓَﺎﻟْﺨَﺒَﺮُ ﺩَاﻝٌ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟْﻔُﺤْﺶَ ﻓِﻲ اﻟْﻤَﻨْﻄِﻖِ، ﻭَﻣَﺎ ﺯُﺟِﺮَ اﻟْﻤَﺮْءُ ﻋَﻦِ اﻟﻨُّﻄْﻖِ ﺑِﻪِ ﻻَ ﻳُﻮﺟِﺐُ ﻭُﺿُﻮءًا ﺧِﻼَﻑَ ﻗَﻮْﻝِ ﻣَﻦْ ﺯَﻋَﻢَ ﺃَﻥَّ اﻟْﻜَﻼَﻡَ اﻟﺴَّﻴِّﺊَ ﻳُﻮﺟِﺐُ اﻟْﻮُﺿُﻮءَ ”

৪৫: আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: “যে ব্যক্তি শপথ করল এবং শপথ করতে গিয়ে বলল; লাতের শপথ! সে যেন এর পরপরই বলে ﻻَ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻻَّ اﻟﻠَّﻪ ; আর যে ব্যক্তি নিজের সঙ্গীকে বলল; এসো তোমার সাথে জুয়া খেলি; সে যেন এর সাথে সাথেই কিছু সাদকাহ করে দেয়”। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন ; নাবী (সাঃ) লাতের (মূর্তির) শপথকারী ও নিজের সঙ্গীকে জুয়ার দিকে আহবানকারী ব্যক্তিকে নূতন ওযু করার আদেশ দেননি। সুতরাং এই হাদীস এই বিষয়ের প্রমাণ যে; অশ্লীল ও কটু বাক্য ওযু ওয়াজিব করে না। সেই ব্যক্তির কথার বিরুদ্ধে এটা দলীল যে বলে ; কটু বাক্য ওযু ওয়াজিব করে।
★সহীহুল মুসলিম হাঃ ১৬৪৭; আবুদাঊদ হাঃ ৩২৪৭; তিরমিযী হাঃ ১৫৪৫; নাসাঈ হাঃ ৭১৭;

34-ﺑَﺎﺏُ اﺳْﺘِﺤْﺒَﺎﺏِ اﻟْﻤَﻀْﻤَﻀَﺔِ ﻣِﻦْ ﺷُﺮْﺏِ اﻟﻠَّﺒَﻦ

অধ্যায় ৩৪: দুধ খেয়ে কুলি করা মুসতাহাব।

46 – ﺛﻨﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﺇِﺳْﺤَﺎﻕَ اﻟْﺠَﻮْﻫَﺮِﻱُّ، ﺃَﻧَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻋَﺎﺻِﻢٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﺟُﺮَﻳْﺞٍ، ﻋَﻦْ ﻫِﺸَﺎﻡِ ﺑْﻦِ ﻋُﺮْﻭَﺓَ، ﻋَﻦْ ﻭَﻫْﺐِ ﺑْﻦِ ﻛَﻴْﺴَﺎﻥَ، ﻋَﻦْ ﻣُﺤَﻤَّﺪِ ﺑْﻦِ ﻋَﻤْﺮِﻭ ﺑْﻦِ ﻋَﻄَﺎءٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ، «ﺃَﻥَّ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﺷَﺮِﺏَ ﻟَﺒَﻨًﺎ، ﺛُﻢَّ ﻣَﻀْﻤَﺾَ»

৪৬: ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; নাবী(সাঃ) দুধ পান করলেন; অতঃপর কুলি করলেন।
★মুসলিম হাঃ ৩৫৮;তিরমিযী হাঃ ৮২; নাসাঈ হাঃ ১৮৭; আবুদাঊদ হাঃ ১৯৬; ইবনুমাজাহ হাঃ ৪৯৮; মুসনাদে আহমাদ হাঃ ১৮৫;

35-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟْﻤَﻀْﻤَﻀَﺔَ ﻣِﻦْ ﺷُﺮْﺏِ اﻟﻠَّﺒَﻦِ اﺳْﺘِﺤْﺒَﺎﺏٌ ﻹِِﺯَاﻟَﺔِ اﻟﺪَّﺳَﻢِ ﻣِﻦَ اﻟْﻔَﻢِّ ﻭَﺇِﺫْﻫَﺎﺑِﻪِ، ﻻَ ﻹِِﻳﺠَﺎﺏِ اﻟْﻤَﻀْﻤَﻀَﺔِﻣِﻦ
ْ
 ﺷُﺮْﺑِﻪ

অধ্যায় ৩৫: সেই বিষয়ের বর্ণনা যে; দুধ পান করে মুখ হতে চর্বি দূর করতে ও পরিষ্কার করার জন্য কুলি করা মুসতাহাব। দুধ পান করে কুলি করা ওয়াজিব নয়।

47 – ﺛﻨﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺰِﻳﺰٍ اﻷَْﻳْﻠِﻲُّ، ﺃَﻥَّ ﺳَﻼَﻣَﺔَ ﺑْﻦَ ﺭَﻭْﺡٍ ﺣَﺪَّﺛَﻬُﻢْ، ﻋَﻦْ ﻋُﻘَﻴْﻞٍ ﻭَﻫُﻮَ اﺑْﻦُ ﺧَﺎﻟِﺪٍ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻷَْﻋْﻠَﻰ اﻟﺼَّﻨْﻌَﺎﻧِﻲُّ، ﺛﻨﺎ ﻣُﻌْﺘَﻤِﺮٌ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﺳُﻠَﻴْﻤَﺎﻥَ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﻣَﻌْﻤَﺮًا، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺑَﺸَّﺎﺭٍ ﺑُﻨْﺪَاﺭٌ، ﻭَﺃَﺑُﻮ ﻣُﻮﺳَﻰ ﻗَﺎﻻَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﻭَﻫُﻮَ اﺑْﻦُ ﺳَﻌِﻴﺪٍ، ﺛﻨﺎ اﻷَْﻭْﺯَاﻋِﻲُّ ﻛُﻠُّﻬُﻢْ، ﻋَﻦِ اﻟﺰُّﻫْﺮِﻱِّ، ﻋَﻦْ ﻋُﺒَﻴْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ، ﺃَﻥَّ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﺷَﺮِﺏَ ﻟَﺒَﻨًﺎ ﻓَﻤَﻀْﻤَﺾَ، ﻭَﻗَﺎﻝَ: «ﺇِﻥَّ ﻟَﻪُ ﺩَﺳَﻤًﺎ» ﻭَﻗَﺎﻝَ اﻟﺼَّﻨْﻌَﺎﻧِﻲُّ: ﻓِﻲ ﺣَﺪِﻳﺜِﻪِ: «ﺃَﻭْ ﺇِﻧَّﻪُ ﺩَﺳَﻢٌ» ، ﻭَﻗَﺎﻝَ ﺑُﻨْﺪَاﺭٌ: «ﺇِﻧَّﻪُ ﺩَﺳَﻢٌ»

৪৭: ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; নাবী (সাঃ) দুধ পান করে কুলি করলেন ; অতঃপর বললেন; “এতে তৈলাক্ত পদার্থ থাকে”। স্ব’য়ানীর রিওয়াআতে আছে ” এতে চর্বি থাকে’। বুন্দারের রিওয়াআতে আছে “এটা চর্বি”।
★সহীহুল মুসলিম হাঃ ৩৫৮;। হাদীস ৪৬ এ এর অবশিষ্ট হাওয়ালা রয়েছে।

36-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ ﻣَﺎ ﻛَﺎﻥَ اﻟﻠَّﻪُ ﻋَﺰَّ ﻭَﺟَﻞَّ ﻓَﺮَّﻕَ ﺑِﻪِ ﺑَﻴْﻦَ ﻧَﺒِﻴِّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ، ﻭَﺑَﻴْﻦَ ﺃُﻣَّﺘِﻪِ ﻓِﻲ اﻟﻨَّﻮْﻡ

অধ্যায় ৩৬: সেই বিষয়ের বর্ণনা যে; আল্লাহ তা‘য়ালা নিজ নাবী (সাঃ) ও তার উম্মাতের মধ্যে ঘুমের পার্থক্য রেখেছেন।

ِ «ﻣِﻦْ ﺃَﻥَّ ﻋَﻴْﻨَﻴْﻪِ ﺇِﺫَا ﻧَﺎﻣَﺘَﺎ ﻟَﻢْ ﻳَﻜُﻦْ ﻗَﻠْﺒُﻪُ ﻳَﻨَﺎﻡُ، ﻓَﻔَﺮَّﻕَ ﺑَﻴْﻨَﻪُ ﻭَﺑَﻴْﻨَﻬُﻢْ ﻓِﻲ ﺇِﻳﺠَﺎﺏِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻣِﻦَ اﻟﻨَّﻮْﻡِ ﻋَﻠَﻰ ﺃُﻣَّﺘِﻪِ ﺩُﻭﻧَﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ اﻟﺴَّﻼَﻡُ»

কেননা যখন তার চোখ ঘুমাত তখন অন্তর জেগে থাকত। অনুরূপ ঘুমের কারণে ওযু ওয়াজিব হওয়াতে তার ও উম্মাতের মাঝে পার্থক্য রেখেছেন। উম্মাতের উপর ঘুমের কারণে ওযু ওয়াজিব হয়ে যায় নাবী (সাঃ) এর উপর নয়।

48 – ﺛﻨﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺑَﺸَّﺎﺭٍ، ﻋَﻦْ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦِ ﺳَﻌِﻴﺪٍ، ﺛﻨﺎ اﺑْﻦُ ﻋَﺠْﻼَﻥَ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺣَﻜِﻴﻢٍ، ﺛﻨﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺳَﻌِﻴﺪٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋَﺠْﻼَﻥَ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﺃَﺑِﻲ ﻳُﺤَﺪِّﺙُ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ، ﻋَﻦِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ: «§ﺗَﻨَﺎﻡُ ﻋَﻴْﻨَﺎﻱَ ﻭَﻻَ ﻳَﻨَﺎﻡُ ﻗَﻠْﺒِﻲ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

৪৮: আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; নাবী (সাঃ) বলেছেন : “আমার চোখ ঘুমায় কিন্তু আমার অন্তর ঘুমায় না”।
★সনদ সহীহ। আহমাদ ১/২৫১; ৪৩৮; ইবনু হিব্বান সহীহা ৬৩৮৬;

49 – ﺛﻨﺎ ﻳُﻮﻧُﺲُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻷَْﻋْﻠَﻰ اﻟﺼَّﺪَﻓِﻲُّ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ اﺑْﻦُ ﻭَﻫْﺐٍ، ﺃَﻥَّ ﻣَﺎﻟِﻜًﺎ ﺣَﺪَّﺛَﻪُ، ﻋَﻦْ ﺳَﻌِﻴﺪٍ اﻟْﻤَﻘْﺒُﺮِﻱِّ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﺳَﻠَﻤَﺔَ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻩُ ﺃَﻧَّﻪُ، ﺳَﺄَﻝَ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔَ ﻛَﻴْﻒَ ﻛَﺎﻧَﺖْ ﺻَﻼَﺓُ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ؟ ﻓَﻘَﺎﻟَﺖْ: «ﻣَﺎ ﻛَﺎﻥَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻳَﺰِﻳﺪُ ﻓِﻲ ﺭَﻣَﻀَﺎﻥَ ﻭَﻻَ ﻓِﻲ ﻏَﻴْﺮِﻩِ ﻋَﻠَﻰ ﺇِﺣْﺪَﻯ ﻋَﺸْﺮَﺓَ ﺭَﻛْﻌَﺔً ﻳُﺼَﻠِّﻲ ﺃَﺭْﺑَﻌًﺎ، ﻓَﻼَ ﺗَﺴْﺄَﻝْ ﻋَﻦْ ﺣُﺴْﻨِﻬِﻦَّ ﻭَﻃُﻮﻟِﻬِﻦَّ، ﺛُﻢَّ ﻳُﺼَﻠِّﻲ ﺃَﺭْﺑَﻌًﺎ ﻓَﻼَ ﺗَﺴْﺄَﻝْ ﻋَﻦْ ﺣُﺴْﻨِﻬِﻦَّ ﻭَﻃُﻮﻟِﻬِﻦَّ، ﺛُﻢَّ ﻳُﺼَﻠِّﻲ ﺛَﻼَﺛًﺎ» ﻗَﺎﻟَﺖْ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔُ: ﻓَﻘُﻠْﺖُ: ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ، ﺃَﺗَﻨَﺎﻡُ ﻗَﺒْﻞَ ﺃَﻥْ ﺗُﻮﺗِﺮَ؟ ﻓَﻘَﺎﻝَ: «ﻳَﺎ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔُ، ﺇِﻥَّ §ﻋَﻴْﻨَﻲَّ ﺗَﻨَﺎﻣَﺎﻥِ ﻭَﻻَ ﻳَﻨَﺎﻡُ ﻗَﻠْﺒِﻲ»

৪৯: আবূ সালামাহ বিন আব্দুর রহমান (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি আয়িশা (রাযিঃ) হতে রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর স্বলাত (তাহাজ্জুদ) এর সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। আয়িশা (রাযিঃ) বলেন: “রসূলুল্লাহ (সাঃ) রমযান মাস ও অন্যান্য মাসে এগারো রাকআতের বেশী পড়তেন না। তিনি চার রাকআত আদায় করতেন। তার স্থায়িত্ব ও সৌন্দর্য সম্পর্কে আর কি জিজ্ঞেস করবে?  তারপর চার রাকআত আদায় করতেন। তিনি এত সুন্দর করে আদায় করতেন যে তার স্থায়িত্ব ও সৌন্দর্য সম্পর্কে আর কি জিজ্ঞেস করবে?  এরপর তিনি তিন রাকআত আদায় করতেন। আয়িশা (রাযিঃ) বলেন; “(আমি একবার জিজ্ঞেস করলাম) হে আল্লাহর রসূল! আপনি কি বিতর স্বলাত আদায়ের পূর্বেই ঘুমাতেন?  জবাবে তিনি বলেন : হে আয়িশা!  আমার চোখ দুটি ঘুমায় কিন্তু আমার হৃদয়-মন ঘুমায় না”।
★সহীহুল বুখারী হাঃ ১১৪৭; ২০১৩; ২৫৬৯; মুসলিম হাঃ ৭৩৮; তিরমিযী হাঃ ৪৩৯; নাসাঈ হাঃ ১২৭৯; আবুদাঊদ হাঃ ১৩১৪;