এসো হাদিস পড়ি ?
এসো হাদিস পড়ি ?
হাদিস অনলাইন ?

ﺟُﻤَّﺎﻉُ ﺃَﺑْﻮَاﺏِ اﻷَْﺣْﺪَاﺙِ اﻟْﻤُﻮﺟِﺒَﺔِ ﻟِﻠْﻮُﺿُﻮء

ওযুকে ওয়াজিবকারী অধ্যায়ের সংক্ষিপ্তসার

========================================================================

13-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ ﻭُﺟُﻮﺏِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻣِﻦَ اﻟْﻐَﺎﺋِﻂِ ﻭَاﻟْﺒَﻮْﻝِ ﻭَاﻟﻨَّﻮْﻡ

অধ্যায় ১৩: পায়খানা; পেশাব ও ঘুমের কারণে ওযু ওয়াজিব হওয়ার বর্ণনা

ِ
«ﻭَاﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟﻠَّﻪَ ﻋَﺰَّ ﻭَﺟَﻞَّ ﻗَﺪْ ﻳُﻮﺟِﺐُ اﻟْﻔَﺮْﺽَ ﻓِﻲ ﻛِﺘَﺎﺑِﻪِ ﺑِﻤَﻌْﻨًﻰ، ﻭَﻳُﻮﺟِﺐُ ﺫَﻟِﻚَ اﻟْﻔَﺮْﺽَ ﺑِﻐَﻴْﺮِ ﺫَﻟِﻚَ اﻟْﻤَﻌْﻨَﻰ ﻋَﻠَﻰ ﻟِﺴَﺎﻥِ ﻧَﺒِﻴِّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ، ﺇِﺫِ اﻟﻠَّﻪُ ﻋَﺰَّ ﻭَﺟَﻞَّ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺩَﻝَّ ﻓِﻲ ﻛِﺘَﺎﺑِﻪِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟْﻮُﺿُﻮءَ ﻳُﻮﺟِﺒُﻪُ اﻟْﻐَﺎﺋِﻂُ ﻭَﻣُﻼَﻣَﺴَﺔُ اﻟﻨِّﺴَﺎءِ؛ ﻷَِﻧَّﻪُ ﺃَﻣَﺮَ ﺑِﺎﻟﺘَّﻴَﻤُّﻢِ ﻟِﻠْﻤَﺮِﻳﺾِ، ﻭَﻓِﻲ اﻟﺴَّﻔَﺮِ ﻋِﻨْﺪَ اﻹِْﻋْﻮَاﺯِ ﻣِﻦَ اﻟْﻤَﺎءِ، ﻣِﻦَ اﻟْﻐَﺎﺋِﻂِ ﻭَﻣُﻼَﻣَﺴَﺔِ اﻟﻨِّﺴَﺎءِ، ﻓَﺪَﻝَّ اﻟْﻜِﺘَﺎﺏُ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟﺼَّﺤِﻴﺢَ اﻟْﻮَاﺟِﺪَ ﻟِﻠْﻤَﺎءِ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻣِﻦَ اﻟْﻐَﺎﺋِﻂِ ﻭَﻣُﻼَﻣَﺴَﺔِ اﻟﻨِّﺴَﺎءِ ﺑِﺎﻟْﻮُﺿُﻮءِ، ﺇِﺫِ اﻟﺘَّﻴَﻤُّﻢُ ﺑِﺎﻟﺼَّﻌِﻴﺪِ اﻟﻄَّﻴِّﺐِ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺟُﻌِﻞَ ﺑَﺪَﻻً ﻣِﻦَ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻟِﻠْﻤَﺮِﻳﺾِ ﻭَاﻟْﻤُﺴَﺎﻓِﺮِ ﻋِﻨْﺪَ اﻟْﻌَﻮْﺯِ ﻟِﻠْﻤَﺎءِ، ﻭَاﻟﻨَّﺒِﻲُّ اﻟْﻤُﺼْﻄَﻔَﻰ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺪْ ﺃَﻋْﻠَﻢَ ﺃَﻥَّ اﻟْﻮُﺿُﻮءَ ﻗَﺪْ ﻳَﺠِﺐُ ﻣِﻦْ ﻏَﻴْﺮِ ﻏَﺎﺋِﻂٍ، ﻭَﻣِﻦْ ﻏَﻴْﺮِ ﻣُﻼَﻣَﺴَﺔِ اﻟﻨِّﺴَﺎءِ، ﻭَﺃَﻋْﻠَﻢَ ﻓِﻲ ﺧَﺒَﺮِ ﺻَﻔْﻮَاﻥَ ﺑْﻦِ ﻋَﺴَّﺎﻝٍ ﺃَﻥَّ اﻟْﺒَﻮْﻝَ ﻭَاﻟﻨَّﻮْﻡَ ﻛُﻞُّ ﻭَاﺣِﺪٍ ﻣِﻨْﻬُﻤَﺎ ﻋَﻠَﻰ اﻻِﻧْﻔِﺮَاﺩِ ﻳُﻮﺟِﺐُ اﻟْﻮُﺿُﻮءَ، ﻭَاﻟْﺒَﺎﺋِﻞُ ﻭَاﻟﻨَّﺎﺋِﻢُ ﻏَﻴْﺮُ ﻣُﺘَﻐَﻮِّﻁٌ ﻭَﻻَ ﻣُﻼَﻣِﺲِ اﻟﻨِّﺴَﺎءِ، ﻭَﺳَﺄَﺫْﻛُﺮُ ﺑِﻤَﺸِﻴﺌَﺔِ اﻟﻠَّﻪِ ﻋَﺰَّ ﻭَﺟَﻞَّ ﻭَﻋَﻮْﻧِﻪِ اﻷَْﺣْﺪَاﺙَ اﻟْﻤُﻮﺟِﺒَﺔَ ﻟِﻠْﻮُﺿُﻮءِ ﺑِﺤُﻜْﻢِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺧَﻼَ اﻟْﻐَﺎﺋِﻂِ ﻭَﻣُﻼَﻣَﺴَﺔِ اﻟﻨِّﺴَﺎءِ اﻟﻠَّﺬَﻳْﻦِ ﺫَﻛَﺮَﻫُﻤَﺎ ﻓِﻲ ﻧَﺺِّ اﻟْﻜِﺘَﺎﺏِ ﺧِﻼَﻑَ ﻗَﻮْﻝِ ﻣَﻦْ ﺯَﻋَﻢَ ﻣِﻤَّﻦْ ﻟَﻢْ ﻳَﺘَﺒَﺤَّﺮِ اﻟْﻌِﻠْﻢَ ﺃَﻧَّﻪُ ﻏَﻴْﺮُ ﺟَﺎﺋِﺰٍ ﺃَﻥْ ﻳَﺬْﻛُﺮَ اﻟﻠَّﻪُ ﺣُﻜْﻤًﺎ ﻓِﻲ اﻟْﻜِﺘَﺎﺏِ ﻓَﻴُﻮﺟِﺒَﻪُ ﺑِﺸَﺮْﻁِ ﺃَﻥْ ﻳَﺠِﺐَ ﺫَﻟِﻚَ اﻟْﺤُﻜْﻢُ ﺑِﻐَﻴْﺮِ ﺫَﻟِﻚَ اﻟﺸَّﺮْﻁِ اﻟَّﺬِﻱ ﺑَﻴَّﻨَﻪُ ﻓِﻲ اﻟْﻜِﺘَﺎﺏِ»

সেই বিষয়ের প্রমাণ এর বর্ণনা যে; আল্লাহ তা’য়ালা যখন  কোন ফরযকে ক্বুরআন মাজীদের মাধ্যমে ওয়াজিব করেন;  অতঃপর সেই ফরযকে দ্বিতীয়বারে তার নাবী (সাঃ) এর জিহবা দ্বারাও ওয়াজিব করে দেন। ক্বুরআন মাজীদে আল্লাহ তা’য়ালার ফরমান অনুযায়ী পায়খানা ও স্ত্রীদের সঙ্গে বিছানায় কাটানো ওযু করাকে ওয়াজিব করে দেয়। কেননা আল্লাহ তা’য়ালা অসুস্থ ও মুসাফিরকে পানি না পাওয়া গেলে পায়খানা ও স্ত্রীদের সঙ্গে বিছানায় কাটানোর পর তায়াম্মুম করার নির্দেশ দিয়েছেন। অতএব আল্লাহর কিতাবের নির্দেশ অনুযায়ী সক্ষম  ব্যক্তিকে পানি থাকাতে পায়খানা ও স্ত্রীদের সঙ্গে বিছানায় কাটানোর পর ওযু করতে হবে। কেননা পবিত্র মাটি দ্বারা তায়াম্মুম করা অসুস্থ ও মুসাফিরের জন্য পায়খানা ও স্ত্রীদের সঙ্গে বিছানায় কাটানোর পর পানি না পাওয়া গেলে তায়াম্মুমকে ওযুর পরিবর্ত হিসাবে পরিগণিত করা হয়েছে। আর নাবী (সাঃ) বলেছেন যে; ওযু পায়খানা ও স্ত্রীসহবাস ব্যতীতও ওয়াজিব হয়ে যায়। সুফয়ান বিন আসসাল (রাযিঃ) এর রিওয়াআতে নাবী (সাঃ) বলেছেন ; পেশাব ও ঘুম ওযু করা ওয়াজিব করে দেয়। অথচ পেশাব করনেওয়ালা ও ঘুমিয়ে থাকনেওয়ালা ব্যক্তি পায়খানা ও স্ত্রীদের সঙ্গে বিছানায় কাটানো হতে পৃথক। এখান থেকে পরিষ্কার হচ্ছে যে; আল্লাহ তা’য়ালার উদেশ্য তিনি এমন নির্দেশ প্রদান করবেন যার বিস্তারিত তিনি তার প্রিয়নাবীর হুকুমের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলবেন। এটায় ওযু ওয়াজিব করার হুকুমের ক্ষেত্রে হয়েছে। যেটা নাবী (সাঃ) এর নির্দেশ হতে প্রমাণিত। আর ক্বুরআন মাজীদে পায়খানা ও স্ত্রীসবাস ব্যতীতও অন্য কারণ রয়েছে। সেই ব্যক্তির কথার বিরুদ্ধ্যে; যে কম জ্ঞান সম্পন্ন আ’লিম। যে বলে; এটা বৈধ নয় যে; আল্লাহ তা’য়ালা ক্বুরআন মাজীদে এক নির্দেশ এর আলোচনা করবেন এবং সেটাকে ওয়াজিব করেন ; আর সেই নির্দেশ অন্য সূরা বা আয়াত ব্যতীত পূর্ণাঙ্গ হয়ে যাবে।

17 – ﺛﻨﺎ ﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪَﺓَ اﻟﻀَّﺒِّﻲُّ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﺣَﻤَّﺎﺩٌ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﺯَﻳْﺪٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﺎﺻِﻢٍ، ﻭَﺛﻨﺎ ﻋَﻠِﻲُّ ﺑْﻦُ ﺧَﺸْﺮَﻡٍ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ اﺑْﻦُ ﻋُﻴَﻴْﻨَﺔَ، ﺛﻨﺎ ﻋَﺎﺻِﻢٌ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺳَﻌِﻴﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ اﻟْﻤَﺨْﺰُﻭﻣِﻲُّ، ﺛﻨﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ، ﻋَﻦْ ﻋَﺎﺻِﻢِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ اﻟﻨَّﺠُﻮﺩِ، ﻋَﻦْ ﺯِﺭِّ ﺑْﻦِ ﺣُﺒَﻴْﺶٍ ﻗَﺎﻝَ: ﺃَﺗَﻴْﺖُ ﺻَﻔْﻮَاﻥَ ﺑْﻦَ ﻋَﺴَّﺎﻝٍ اﻟْﻤُﺮَاﺩِﻱَّ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻪُ ﻋَﻦِ اﻟْﻤَﺴْﺢِ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ، ﻓَﻘَﺎﻝَ: ﻣَﺎ ﺟَﺎءَ ﺑِﻚَ ﻳَﺎ ﺯِﺭُّ؟ ﻗُﻠْﺖُ: اﺑْﺘِﻐَﺎءَ اﻟْﻌِﻠْﻢِ ﻗَﺎﻝَ: ﻳَﺎ ﺯِﺭُّ ﻓَﺈِﻥَّ اﻟْﻤَﻼَﺋِﻜَﺔَ ﺗَﻀَﻊُ ﺃَﺟْﻨِﺤَﺘَﻬَﺎ ﻟِﻄَﺎﻟِﺐِ اﻟْﻌِﻠْﻢِ ﺭِﺿًﺎ ﺑِﻤَﺎ ﻳَﻄْﻠُﺐُ ﻗَﺎﻝَ: ﻓَﻘُﻠْﺖُ: ﺇِﻧَّﻪُ ﻭَﻗَﻊَ ﻓِﻲ ﻧَﻔْﺴِﻲ ﺷَﻲْءٌ ﻣِﻦَ اﻟْﻤَﺴْﺢِ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ ﺑَﻌْﺪَ اﻟْﻐَﺎﺋِﻂِ، ﻭَﻛُﻨْﺖَ اﻣْﺮَءًا ﻣِﻦْ ﺃَﺻْﺤَﺎﺏِ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ، ﻓَﻬَﻞْ ﺳَﻤِﻌْﺖَ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﻳَﺬْﻛُﺮُ ﻓِﻲ ﺫﻟِﻚَ ﺷَﻴْﺌًﺎ؟ ﻗَﺎﻝَ: ﻧَﻌَﻢْ «ﻛَﺎﻥَ §ﻳَﺄْﻣُﺮُﻧَﺎ ﺇِﺫَا ﻛُﻨَّﺎ ﺳَﻔَﺮًا – ﺃَﻭْ ﻗَﺎﻝَ ﻣُﺴَﺎﻓِﺮِﻳﻦَ – ﺃَﻥْ ﻻَ ﻧَﻨْﺰِﻉَ ﺧِﻔَﺎﻓَﻨَﺎ ﺛَﻼَﺛَﺔَ ﺃَﻳَّﺎﻡٍ ﻭَﻟَﻴَﺎﻟِﻴَﻬُﻦَّ ﺇِﻻَّ ﻣِﻦْ ﺟَﻨَﺎﺑَﺔٍ، ﻭَﻟَﻜِﻦْ ﻣِﻦْ ﻏَﺎﺋِﻂٍ ﻭَﺑَﻮْﻝٍ ﻭَﻧَﻮْﻡٍ» ﻫَﺬَا ﺣَﺪِﻳﺚُ اﻟْﻤَﺨْﺰُﻭﻣِﻲِّ، ﻭَﻗَﺎﻝَ ﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪَﺓَ ﻓِﻲ ﺣَﺪِﻳﺜِﻪِ: ﻓَﻘَﺎﻝَ ﻗَﺪْ ﺑَﻠَﻐَﻨِﻲ ﺃَﻥَّ اﻟْﻤَﻼَﺋِﻜَﺔَ ﺗَﻀَﻊُ ﺃَﺟْﻨِﺤَﺘَﻬَﺎ ”

: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺣﺴﻦ

১৭: যির বিন হুসাইন (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; আমি সুফিয়ান বিন আসসাল আল-মুরাদী (রাযিঃ) এর নিকট  মোজাদ্বয়ের উপর মাসেহ করার উদ্দেশ্যে উপস্থিত হলাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেন; হে যির! কি উদ্দেশ্যে এসেছো?  আমি বললাম; আ’লিম এর অনুসন্ধানে (এসেছি)। তিনি বললেন; নিশ্চয় আল্লাহর ফেরেশ্তাগণ জ্ঞানের অন্বেষায় খুশি হয়ে জ্ঞান অন্বেষণকারীর জন্য তাদের পাখা বিছিয়ে দেয়। তিনি বলেন; আমি বললাম; আমার মনে একটা দ্বিধাদ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে মলমূত্র ত্যাগের পর মোজার উপর মাসেহ করার ব্যাপারে। আর আপনি হলেন রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর একজন সাহাবী। আপনি কি রসূলুল্লাহ (সাঃ) কে এব্যাপারে কিছু আলোচনা করতে শুনেছেন?  তিনি বললেন; হাঁ (শুনেছি)। আমাদেরকে তিনি নির্দেশ দিতেন যে; “আমরা সফররত অবস্থায় থাকলে এবং অপবিত্রতার গোসলের প্রয়োজন না হলে তিন দিন ও তিন রাত পর্যন্ত যেন আমাদের মোজাদ্বয় না খুলি। পায়খানা; পেশাব ও ঘুম (এর) উদ্দেশ্যে (তা খোলার প্রয়োজন নায়)”।
এটা মাখযুয়ীর রিওয়াআত। আহমাদ বিন উবদাহর রিওয়াতে আছে; “আমার নিকট এ হাদীস পৌছেছে যে; ফেরেশ্তাগণ পাখা বিছিয়ে দেয়”।
★সনদ হাসান। তিরমিযী হাঃ ৩৫৩৫; নাসাঈ হাঃ ১২৭; ইবনুমাজাহ হাঃ ৪৭১;
ব্যাখ্যা:
এই হাদীসে ওযু ভঙ্গের ব্যাপারে পেশাব; পায়খানা ও ঘুমের বর্ণনা রয়েছে। তবে ঠেস দিয়ে ও শুয়ে ঘুমিয়ে পড়লে ওযু ভঙ্গ হয়ে যায়; ঠেস না দিয়ে বা না শুয়ে বসে বসে তন্দ্রা গেলে ওযু ভাঙ্গে না।

14-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ ﻭُﺟُﻮﺏِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻣِﻦَ اﻟْﻤَﺬْﻱ

অধ্যায় ১৪: মযী বের হলে ওযুর ওয়াজিব হওয়ার বর্ণনা।

ِ «ﻭَﻫُﻮَ ﻣِﻦَ اﻟْﺠِﻨْﺲِ اﻟَّﺬِﻱ ﻗَﺪْ ﺃَﻋْﻠَﻤْﺖُ ﺃَﻥَّ اﻟﻠَّﻪَ ﻗَﺪْ ﻳُﻮﺟِﺐُ اﻟْﺤُﻜْﻢَ ﻓِﻲ ﻛِﺘَﺎﺑِﻪِ ﺑِﺸَﺮْﻁٍ، ﻭَﻳُﻮﺟِﺒُﻪُ ﻋَﻠَﻰ ﻟِﺴَﺎﻥِ ﻧَﺒِﻴِّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺑِﻐَﻴْﺮِ ﺫَﻟِﻚَ اﻟﺸَّﺮْﻁِ، ﺇِﺫِ اﻟﻠَّﻪُ ﻋَﺰَّ ﻭَﺟَﻞَّ ﻟَﻢْ ﻳَﺬْﻛُﺮْ ﻓِﻲ ﺁﻳَﺔِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ اﻟْﻤَﺬْﻱَ، ﻭَاﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺪْ ﺃَﻭْﺟَﺐَ اﻟْﻮُﺿُﻮءَ ﻣِﻦَ اﻟْﻤَﺬْﻱِ، ﻭَاﺗَّﻔَﻖَ ﻋُﻠَﻤَﺎءُ اﻷَْﻣْﺼَﺎﺭِ ﻗَﺪِﻳﻤًﺎ ﻭَﺣَﺪِﻳﺜًﺎ ﻋَﻠَﻰ ﺇِﻳﺠَﺎﺏِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻣِﻦَ اﻟْﻤَﺬْﻱِ»

এ নির্দেশ সেই ধরণের যেমন আমি বর্ণনা করেছিলাম যে; কখনো আল্লাহ তা’য়ালা এক নির্দেশকে তার কিতাবের মধ্যে একভাবে ওয়াজিব করেন তারপর সেই নির্দেশকে নাবী (সাঃ) জিহবা দ্বারা অন্যভাবে ওয়াজিব করে দেন। কেননা আল্লাহ তা’য়ালা ওযুর আয়াতে মযীর বর্ণনা করেননি। কিন্তু নাবী (সাঃ) মযী বের হলে ওযু ওয়াজিব হওয়ার ব্যাপারে বলে দিয়েছেন। সমস্ত পুরাতন এলাকার বিশিষ্ট আ’লিমগণের একমত্ যে; মযী বের হলে ওযু ওয়াজিব হয়ে যায়।

18 – ﺛﻨﺎ ﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﻣَﻨِﻴﻊٍ، ﻭَﻳَﻌْﻘُﻮﺏُ ﺑْﻦُ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢَ اﻟﺪَّﻭْﺭَﻗِﻲُّ، ﻭَﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻫِﺸَﺎﻡٍ، ﻭَﻓَﻀَﺎﻟَﺔُ ﺑْﻦُ اﻟْﻔَﻀْﻞِ اﻟْﻜُﻮﻓِﻲُّ ﻗَﺎﻟُﻮا: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮِ ﺑْﻦُ ﻋَﻴَّﺎﺵٍ ﻗَﺎﻝَ: ﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﻣَﻨِﻴﻊٍ ﻗَﺎﻝَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﺣَﺼِﻴﻦٍ، ﻭَﻗَﺎﻝَ اﻵْﺧَﺮُﻭﻥَ: ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﺣَﺼِﻴﻦٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ اﻟﺴُّﻠَﻤِﻲِّ، ﻋَﻦْ ﻋَﻠِﻲِّ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻃَﺎﻟِﺐٍ ﻗَﺎﻝَ: ﻛُﻨْﺖُ ﺭَﺟُﻼً ﻣَﺬَّاءً ﻓَﺎﺳْﺘَﺤْﻴَﻴْﺖُ ﺃَﻥْ ﺃَﺳْﺄَﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ؛ ﻷَِﻥَّ اﺑْﻨَﺘَﻪُ ﻛَﺎﻧَﺖْ ﻋِﻨْﺪِﻱ، ﻓَﺄَﻣَﺮْﺕُ ﺭَﺟُﻼً ﻓَﺴَﺄَﻟَﻪُ، ﻓَﻘَﺎﻝَ: «§ﻣِﻨْﻪُ اﻟْﻮُﺿُﻮءُ»

১৮: আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; আমার অধিক মযী বের হত। আমি (এব্যাপারে) রসূলুল্লাহ (সাঃ) কে জিজ্ঞেস করতে লজ্জা পেলাম। কেননা নাবী (সাঃ) এর কন্যা আমার স্ত্রী ছিল। আমি এক ব্যক্তিকে (এ মসলা জিজ্ঞেস করতে) বললাম। সে নাবী (সাঃ) কে (এ মসলা) জিজ্ঞেস করলো; তিনি বললেন; “মযী বের হলে ওযু করতে হবে”।
★বুখারী হাঃ ২৬৯; ইরওয়াউল-গালীল হাঃ ১২৫.

19 – ﺛﻨﺎ ﺑِﺸْﺮُ ﺑْﻦُ ﺧَﺎﻟِﺪٍ اﻟْﻌَﺴْﻜَﺮِﻱُّ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺟَﻌْﻔَﺮٍ، ﺛﻨﺎ ﺷُﻌْﺒَﺔُ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﺳُﻠَﻴْﻤَﺎﻥَ ﻭَﻫُﻮَ اﻷَْﻋْﻤَﺶُ ﻳُﺤَﺪِّﺙُ، ﻋَﻦْ ﻣُﻨْﺬِﺭٍ اﻟﺜَّﻮْﺭِﻱِّ، ﻋَﻦْ ﻣُﺤَﻤَّﺪِ ﺑْﻦِ ﻋَﻠِﻲٍّ، ﻋَﻦْ ﻋَﻠِﻲٍّ ﻗَﺎﻝَ: اﺳْﺘَﺤْﻴَﻴْﺖُ ﺃَﻥْ ﺃَﺳْﺄَﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻋَﻦِ اﻟْﻤَﺬْﻱِ ﻣِﻦْ ﺃَﺟْﻞِ ﻓَﺎﻃِﻤَﺔَ، ﻓَﺄَﻣَﺮْﺕُ اﻟْﻤِﻘْﺪَاﺩَ ﺑْﻦَ اﻷَْﺳْﻮَﺩِ ﻓَﺴَﺄَﻝَ ﻋَﻦْ ﺫَﻟِﻚَ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻓَﻘَﺎﻝَ: «§ﻓِﻴﻪِ اﻟْﻮُﺿُﻮءُ»

১৯: আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; আমি ফাতিমা (রাযিঃ) এর জন্য মযী সম্পর্কে মসলা রসূলুল্লাহ (সাঃ) কে জিজ্ঞেস করতে লজ্জা পেলাম। আমি মিকদাদ বিন আসওয়াদকে (এ মসলা জিজ্ঞেস করতে) জানতে বললাম। সে নাবী (সাঃ) কে এব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি (সাঃ) বলেন ; “তাতে (মযী বের হলে) ওযু করতে হবে”।
★সহীহুল মুসলিম হাঃ ৩০৩; নাসাঈ হাঃ ১৫৭; মুসনাদে আহমাদ হাঃ ১১২১;

15-ﺑَﺎﺏُ اﻷَْﻣْﺮِ ﺑِﻐَﺴْﻞِ اﻟْﻔَﺮْﺝِ ﻣِﻦَ اﻟْﻤَﺬْﻱِ ﻣَﻊَ اﻟْﻮُﺿُﻮء

অধ্যায় ১৫: মযী বের হলে ওযু করার সময় লজ্জাস্থান ধৌত করার বর্ণনা।

20 – ﺛﻨﺎ ﻋَﻠِﻲُّ ﺑْﻦُ ﺣُﺠْﺮٍ اﻟﺴَّﻌْﺪِﻱُّ، ﻭَﺑِﺸْﺮُ ﺑْﻦُ ﻣُﻌَﺎﺫٍ اﻟْﻌَﻘَﺪِﻱُّ ﻗَﺎﻻَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋَﺒِﻴﺪَﺓُ ﺑْﻦُ ﺣُﻤَﻴْﺪٍ ﻗَﺎﻝَ ﻋَﻠِﻲٌّ ﻗَﺎﻝَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ، ﻭَﻗَﺎﻝَ ﺑِﺸْﺮٌ ﻗَﺎﻝَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ اﻟﺮُّﻛَﻴْﻦُ ﺑْﻦُ اﻟﺮَّﺑِﻴﻊِ ﺑْﻦِ ﻋُﻤَﻴْﻠَﺔَ، ﻋَﻦْ ﺣُﺼَﻴْﻦِ ﺑْﻦِ ﻗَﺒِﻴﺼَﺔَ، ﻋَﻦْ ﻋَﻠِﻲِّ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻃَﺎﻟِﺐٍ ﻗَﺎﻝَ: ﻛُﻨْﺖُ ﺭَﺟُﻼً ﻣَﺬَّاءً ﻓَﺠَﻌَﻠْﺖُ ﺃَﻏْﺘَﺴِﻞُ ﻓِﻲ اﻟﺸِّﺘَﺎءِ ﺣَﺘَّﻰ ﺗَﺸَﻘَّﻖَ ﻇَﻬْﺮِﻱ، ﻓَﺬَﻛَﺮْﺕُ ﺫَﻟِﻚَ ﻟِﻠﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ – ﺃَﻭْ ﺫُﻛِﺮَ ﻟَﻪُ – ﻓَﻘَﺎﻝَ ﻟِﻲ: «ﻻَ ﺗَﻔْﻌَﻞْ، §ﺇِﺫَا ﺭَﺃَﻳْﺖَ اﻟْﻤَﺬْﻱَ ﻓَﺎﻏْﺴِﻞْ ﺫَﻛَﺮَﻙَ، ﻭَﺗَﻮَﺿَّﺄْ ﻭُﺿُﻮءَﻙَ ﻟِﻠﺼَّﻼَﺓِ، ﻓَﺈِﺫَا ﺃَﻧْﻀَﺤْﺖَ اﻟْﻤَﺎءَ ﻓَﺎﻏْﺘَﺴَﻞَ» ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: ” ﻗَﻮْﻟُﻪُ: ﻻَ ﺗَﻔْﻌَﻞْ ﻣِﻦَ اﻟْﺠِﻨْﺲِ اﻟَّﺬِﻱ ﺃَﻗُﻮﻝُ ﻟَﻔْﻆُ ﺯَﺟْﺮٍ ﻳُﺮِﻳﺪُ ﻧَﻔْﻲَ ﺇِﻳﺠَﺎﺏِ ﺫَﻟِﻚَ اﻟْﻔِﻌْﻞِ ”

২০: আলী বিন আবুতালিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; আমার খুব বেশী মযী বের হত। এজন্য আমি শীতকালেও গোসল করতাম। এমনকি আমার কোমর শীতে (অত্যাধিক গোসলের কারণে) ফেটে যেত (তাতে ব্যাথা হতে লাগল)। আমি নাবী (সাঃ) কে বিষয়টি অবহিত করলাম অথবা কেউ তাকে বিষয়টি অবহিত করলে। তিনি বললেন; “এ (গোসল) করো না; যখন তুমি মযী (বের হতে) দেখবে তুমি লজ্জাস্থান ধৌত করে নিবে ও স্বলাতের ওযুর ন্যায় ওযু করে নিবে। আর যখন তোমার মণী (বীর্য) বের হয়ে যায় তখন গোসল করবে”।
ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; ﻻَ ﺗَﻔْﻌَﻞْ “কোরনা” শব্দ ধমক স্বরূপ। এর থেকে তার উদ্দেশ্য মযী বের হলে গোসল করা হতে ওয়াজিব এর কর্তন করা।
★সনদ সহীহ।  আবুদাঊদ হাঃ ২০৬;

16-ﺑَﺎﺏُ اﻷَْﻣْﺮِ ﺑِﻨَﻀْﺢِ اﻟْﻔَﺮْﺝِ ﻣِﻦَ اﻟْﻤَﺬْﻱ।

অধ্যায় ১৬: মযী (বের) হলে লজ্জাস্থান ধৌত করার আদেশ।

21 – ﺛﻨﺎ ﻳُﻮﻧُﺲُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻷَْﻋْﻠَﻰ اﻟﺼَّﺪَﻓِﻲُّ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ اﺑْﻦُ ﻭَﻫْﺐٍ، ﺃَﻥَّ ﻣَﺎﻟِﻚَ ﺑْﻦَ ﺃَﻧَﺲٍ ﺣَﺪَّﺛَﻪُ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ اﻟﻨَّﻀْﺮِ ﻣَﻮْﻟَﻰ ﻋُﻤَﺮَ ﺑْﻦِ ﻋُﺒَﻴْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ، ﻋَﻦْ ﺳُﻠَﻴْﻤَﺎﻥَ ﺑْﻦِ ﻳَﺴَﺎﺭٍ، ﻋَﻦِ اﻟْﻤِﻘْﺪَاﺩِ ﺑْﻦِ اﻷَْﺳْﻮَﺩِ، ﺃَﻥَّ ﻋَﻠِﻲَّ ﺑْﻦَ ﺃَﺑِﻲ ﻃَﺎﻟِﺐٍ ﺃَﻣَﺮَﻩُ ﺃَﻥْ ﻳَﺴْﺄَﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻋَﻦِ اﻟﺮَّﺟُﻞِ ﺇِﺫَا ﺩَﻧَﺎ ﻣِﻦْ ﺃَﻫْﻠِﻪِ ﻓَﺨَﺮَﺝَ ﻣِﻨْﻪُ اﻟْﻤَﺬْﻱُ ﻣَﺎﺫَا ﻋَﻠَﻴْﻪِ؟ ﻗَﺎﻝَ ﻋَﻠِﻲٌّ: ﻓَﺈِﻥَّ ﻋِﻨْﺪِﻱ اﺑْﻨَﺔَ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﺃَﺳْﺘَﺤْﻴِﻲ ﺃَﻥْ ﺃَﺳْﺄَﻟَﻪُ ﻗَﺎﻝَ اﻟْﻤِﻘْﺪَاﺩُ: ﻓَﺴَﺄَﻟْﺖُ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻋَﻦْ ﺫَﻟِﻚَ، ﻓَﻘَﺎﻝَ: «§ﺇِﺫَا ﻭَﺟَﺪَ ﺫَﻟِﻚَ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ ﻓَﻠْﻴَﻨْﻀَﺢْ ﻓَﺮْﺟَﻪُ ﻭَﻟْﻴَﺘَﻮَﺿَّﺄْ ﻭُﺿُﻮءَﻩُ ﻟِﻠﺼَّﻼَﺓِ»

২১: মিক্বদাদ বিন আসওয়াদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। আলী বিন আবূতালিব (রাযিঃ) তাকে নির্দেশ দিলেন যে রসূলুল্লাহ (সাঃ) কে জিজ্ঞাসা করেন যে; কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর নিকটাবর্তী হলেই তার মযী (বীর্যরস) বের হলে তার করণীয় কী? আলী (রাযিঃ) বললেন; আমার নিকট তার কন্যা (আমার স্ত্রী হিসাবে) রয়েছে তাই তাকে (সরাসরি) এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে লজ্জাবোধ করছি। মিক্বদাদ (রাযিঃ) বলেন; আমি রসূলুল্লাহ (সাঃ) কে এবিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: “যখন তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি এরূপ পাবে (যে তার মযী বের হয়ে গিয়েছে) তখন সে যেন তার লজ্জাস্থান ধৌত করে নিয়ে স্বলাতের ওযুর ন্যায় ওযু করে”।
★আবুদাঊদ হাঃ ২০৭; নাসাঈ হাঃ ১৫৬; ইবনুমাজাহ হাঃ ৫০৫; মুওয়াত্তা মালিক হাঃ ৭৬;

22 – ﺛﻨﺎ ﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﺑْﻦِ ﻭَﻫْﺐِ ﺑْﻦِ ﻣُﺴْﻠِﻢٍ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋَﻤِّﻲ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧِﻲ ﻣَﺨْﺮَﻣَﺔُ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﺑُﻜَﻴْﺮٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ، ﻋَﻦْ ﺳُﻠَﻴْﻤَﺎﻥَ ﺑْﻦِ ﻳَﺴَﺎﺭٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﻋَﻠِﻲُّ ﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﻃَﺎﻟِﺐٍ: ﺃَﺭْﺳَﻠْﺖُ اﻟْﻤِﻘْﺪَاﺩَ ﺑْﻦَ اﻷَْﺳْﻮَﺩِ ﺇِﻟَﻰ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ، ﻓَﺴَﺄَﻟَﻪُ ﻋَﻦِ اﻟْﻤَﺬْﻱِ ﻳَﺨْﺮُﺝُ ﻣِﻦَ اﻹِْﻧْﺴَﺎﻥِ ﻛَﻴْﻒَ ﻳَﻔْﻌَﻞُ؟ ﻓَﻘَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «§ﺗَﻮَﺿَّﺄْ ﻭَاﻧْﻀَﺢْ ﻓَﺮْﺟَﻚَ»

২২: ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; আলী ইবনু আবূতালিব (রাযিঃ) বলেন; আমি একবার মিক্বদাদ বিন আসওয়াদ (রাযিঃ) কে রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর নিকটে (মসলা জিজ্ঞাসা করার জন্য) পাঠালাম। তিনি তার নিকট জিজ্ঞাসা করলেন যে; কোন লোকের মযী বের হলে সে তখন কি করবে?  রসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন : “লজ্জাস্থান ধৌত করবে এবং ওযু করবে”।
★সহীহুল মুসলিম হাঃ ৩০৩;
ব্যাখ্যা:
মযী হলো; পেশাবের রাস্তা দিয়ে পেশাব ছাড়াও তিন প্রকার তরল পদার্থ বের হয়- যথা ১: মযী; যা যৌন উত্তেজনার সময় বিনা বেগে পেশাবের দ্বার দিয়ে সাদা চটচটে পদার্থ বের হয়। এটা বের হলে গোসল ফরয হয় না। পুরুষাঙ্গ ধুয়ে ফেলবে; কাপড়ের যে স্থানে তা লাগবে; সেখানে সামান্য পানি দিয়ে ধুয়ে নিবে;  অতঃপর ওযু করবে। ২: পেশাবের আগে ও পরে যে গাঢ় সাদা পদার্থ বের হয় সেটা অসুখ; এতে কেবল লিঙ্গটাকে ধুয়ে নিলেই হবে। ৩: আর উত্তেজনার সাথে পিচকারি মারার মত যে গাঢ় সাদা পদার্থ বের হয় এটা হল মনী বা বীর্য; এটা বের হলেই গোসল ফরয হয়।

17-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻷَْﻣْﺮَ ﺑِﻐَﺴْﻞِ اﻟْﻔَﺮْﺝِ ﻭَﻧَﻀْﺤِﻪِ ﻣِﻦَ اﻟْﻤَﺬْﻱِ ﺃَﻣْﺮُ ﻧَﺪْﺏٍ ﻭَﺇِﺭْﺷَﺎﺩٍ ﻻَ ﺃَﻣْﺮُ ﻓَﺮِﻳﻀَﺔٍ ﻭَﺇِﻳﺠَﺎﺏ

অধ্যায় ১৭: সেই বিষয়ের প্রমাণ যে; মযী বের হলে লজ্জাস্থান ধুয়ে ছিটে মারা উত্তম; ফরয বা ওয়াজিব নয়।

23 – ﺛﻨﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺳَﻌِﻴﺪِ ﺑْﻦِ ﻏَﺎﻟِﺐٍ ﺃَﺑُﻮ ﻳَﺤْﻴَﻰ اﻟْﻌَﻄَّﺎﺭُ، ﺛﻨﺎ ﻋَﺒِﻴﺪَﺓُ ﺑْﻦُ ﺣُﻤَﻴْﺪٍ، ﺛﻨﺎ اﻷَْﻋْﻤَﺶُ، ﻋَﻦْ ﺣَﺒِﻴﺐِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﺛَﺎﺑِﺖٍ، ﻋَﻦْ ﺳَﻌِﻴﺪِ ﺑْﻦِ ﺟُﺒَﻴْﺮٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﻠِﻲِّ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻃَﺎﻟِﺐٍ ﻗَﺎﻝَ: ﻛُﻨْﺖُ ﺭَﺟُﻼً ﻣَﺬَّاءً ﻓَﺴُﺌِﻞَ ﻟِﻲَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻋَﻦْ ﺫَﻟِﻚَ، ﻓَﻘَﺎﻝَ: «§ﻳَﻜْﻔِﻴﻚَ ﻣِﻨْﻪُ اﻟْﻮُﺿُﻮءُ» ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: ” ﻭَﻓِﻲ ﺧَﺒَﺮِ ﺳَﻬْﻞِ ﺑْﻦِ ﺣُﻨَﻴْﻒٍ، ﻋَﻦِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ اﻟَّﺬِﻱ ﻓِﻲ اﻟْﻤَﺬْﻱِ ﻗَﺎﻝَ: «ﻳَﻜْﻔِﻴﻚَ ﻣِﻦْ ﺫَﻟِﻚَ اﻟْﻮُﺿُﻮءُ» ، ﻗَﺪْ ﺧَﺮَّﺟْﺘُﻪُ ﻓِﻲ ﺑَﺎﺏِ ﻧَﻀْﺢِ اﻟﺜَّﻮْﺏِ ﻣِﻦَ اﻟْﻤَﺬْﻱِ ”

২৩: ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; আলী বিন আবূতালিব (রাযিঃ) বলেছেন; আমি অধিক মযীওয়ালা ব্যক্তি ছিলাম। আমার এ সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাঃ) কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন : “মযী (বের) হলে তোমার জন্য ওযু করা যথেষ্ট হবে”।
ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; নাবী (সাঃ) মযীর ব্যাপারে সাহল বিন হানিফের সম্পূর্ণ রিওয়াআতের শব্দ হল :  يكفيك من ذلك الوضوء  “মযী বের হলে ওযু করা তোমার জন্য যথেষ্ট হবে”। আমি তাতে মযী লাগলে কাপড় ধুতে হবে বলে বর্ণনা করেছি।

18-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ ﻭُﺟُﻮﺏِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻣِﻦَ اﻟﺮِّﻳﺢِ اﻟَّﺬِﻱ ﻳُﺴْﻤَﻊُ ﺻَﻮْﺗُﻬَﺎ ﺑِﺎﻷُْﺫُﻥِ ﺃَﻭْ ﻳُﻮﺟَﺪُ ﺭَاﺋِﺤَﺘُﻬَﺎ ﺑِﺎﻷَْﻧْﻒ

অধ্যায় ১৮: বায়ু বের হলে ওযু করা ওয়াজিব হওয়ার বর্ণনা। যার শব্দ কানে শোনা যায় বা নাকে গন্ধ অনুভব হয়।

24 – ﺛﻨﺎ ﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪَﺓَ اﻟﻀَّﺒِّﻲُّ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟْﻌَﺰِﻳﺰِ ﺑْﻦِ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ اﻟﺪَّﺭَاﻭَﺭْﺩِﻱِّ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﺑِﺸْﺮٍ اﻟْﻮَاﺳِﻄِﻲُّ، ﺛﻨﺎ ﺧَﺎﻟِﺪٌ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﻛِﻼَﻫُﻤَﺎ، ﻋَﻦْ ﺳُﻬَﻴْﻞٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «§ﺇِﺫَا ﻭَﺟَﺪَ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ ﻓِﻲ ﺑَﻄْﻨِﻪِ ﺷَﻴْﺌًﺎ ﻓَﺄَﺷْﻜَﻞَ ﺧَﺮَﺝَ ﻣِﻨْﻪُ ﺷَﻲْءٌ ﺃَﻭْ ﻟَﻢْ ﻳَﺨْﺮُﺝْ ﻓَﻼَ ﻳَﺨْﺮُﺟَﻦَّ ﺣَﺘَّﻰ ﻳَﺴْﻤَﻊَ ﺻَﻮْﺗًﺎ ﺃَﻭْ ﻳَﺠِﺪَ ﺭِﻳﺤًﺎ» ﻫَﺬَا ﺣَﺪِﻳﺚُ ﺧَﺎﻟِﺪِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ”

২৪: আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন; “যখন তোমাদের মধ্যে কেউ তার পেটের মধ্যে কিছু অনুভব করবে; তারপর তার সন্দেহ দেখা দেয় যে; পেট থেকে কিছু বের হল কিনা। তখন সে যেন (মাসজিদ হতে) বের না হয়। যতক্ষণ না (বায়ু বের হবার) শব্দ শোনে অথবা গন্ধ পায়”। এটা খালিদ বিন আব্দুল্লাহর রিওয়াআত।
★সহীহুল মুসলিম হাঃ ৩৬২;আবুদাঊদ হাঃ ১৭৭; দারেমী হাঃ ৭২১;

19-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟْﻮُﺿُﻮءَ ﻻَ ﻳَﺠِﺐُ ﺇِﻻَّ ﺑِﻴَﻘِﻴﻦِ ﺣَﺪَﺙٍ

অধ্যায় ১৯: সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা যে; ওযু কেবল বায়ু বের হওয়ার বিশ্বাসেই ওয়াজিব হয়।

«ﺇِﺫِ اﻟﻄَّﻬَﺎﺭَﺓُ ﺑِﻴَﻘِﻴﻦٍ ﻻَ ﺗَﺰُﻭﻝُ ﺑِﺸَﻚٍّ ﻭَاﺭْﺗِﻴَﺎﺏٍ، ﻭَﺇِﻧَّﻤَﺎ ﻳَﺰُﻭﻝُ اﻟْﻴَﻘِﻴﻦُ ﺑِﺎﻟْﻴَﻘِﻴﻦِ، ﻓَﺈِﺫَا ﻛَﺎﻧَﺖِ اﻟﻄَّﻬَﺎﺭَﺓُ ﻗَﺪْ ﺗَﻘَﺪَّﻣَﺖْ ﺑِﻴَﻘِﻴﻦٍ ﻟَﻢْ ﺗُﺒْﻄَﻞِ اﻟﻄَّﻬَﺎﺭَﺓُ ﺇِﻻَّ ﺑِﻴَﻘِﻴﻦِ ﺣَﺪَﺙٍ»

কেননা পবিত্রতা সন্দিহ দ্বারা ভঙ্গ হয় না। বিশ্বাস তো অটল বিশ্বাসেই ভঙ্গ হয়। সুতরাং প্রথম হতে বিশ্বাসী পবিত্রতা বিশ্বাসী বায়ু দ্বারাই ভঙ্গ হবে।

25 – ﺛﻨﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟْﺠَﺒَّﺎﺭِ ﺑْﻦُ اﻟْﻌَﻼَءِ، ﺛﻨﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ، ﺛﻨﺎ اﻟﺰُّﻫْﺮِﻱُّ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧِﻲ ﻋَﺒَّﺎﺩُ ﺑْﻦُ ﺗَﻤِﻴﻢٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﻤِّﻪِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﺯَﻳْﺪٍ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﺄَﻟْﺖُ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻋَﻦِ اﻟﺮَّﺟُﻞِ ﻳَﺠِﺪُ اﻟﺸَّﻲْءَ، ﻭَﻫُﻮَ ﻓِﻲ اﻟﺼَّﻼَﺓِ ﻓَﻘَﺎﻝَ: «§ﻻَ ﻳَﻨْﺼَﺮِﻑُ ﺣَﺘَّﻰ ﻳَﺴْﻤَﻊَ ﺻَﻮْﺗًﺎ ﺃَﻭْ ﻳَﺠِﺪَ ﺭِﻳﺤًﺎ»

২৫: আব্দুল্লাহ বিন যায়িদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন ; আমি রসূলুল্লাহ (সাঃ) কে সেই ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে স্বলাত অবস্থায় কিছু অনুভব করে। তিনি বললেন: “সে (স্বলাত ভেঙ্গে)  ফিরে না যায়; যতক্ষণ না (বায়ু বের হবার) শব্দ শোনে বা দুর্গন্ধ পায়”।
★বুখারী হাঃ ১৩৭; ১৭৭; মুসলিম হাঃ ৩৬১; আবুদাঊদ হাঃ ১৭৬; তিরমিযী হাঃ ৫১৩;

20-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻻِﺳْﻢَ ﺑِﺎﺳْﻢِ اﻟْﻤَﻌْﺮِﻓَﺔِ ﺑِﺎﻷَْﻟِﻒِ ﻭَاﻟﻻَّﻡِ ﻗَﺪْ ﻻَ ﻳَﺤْﻮِﻱ ﺟَﻤِﻴﻊَ اﻟْﻤَﻌَﺎﻧِﻲ اﻟَّﺘِﻲ ﺗَﺪْﺧُﻞُ ﻓِﻲ ﺫَﻟِﻚَ اﻻِﺳْﻢ

অধ্যায় ২০: সেই বিষয়ের প্রমাণ এর বর্ণনা যে; আলিফ ও লাম এর সাথে নির্দিষ্টবাচক হওয়া বিশেষ্য কখনো সেই সমস্ত অর্থের বেড়া নয়; যা এই বিশেষ্যতে প্রবেশ করে।

«ﺧِﻼَﻑَ ﻗَﻮْﻝِ ﻣَﻦْ ﻳَﺰْﻋُﻢُ ﻣِﻤَّﻦْ ﺷَﺎﻫَﺪْﻧَﺎ ﻣِﻦْ ﺃَﻫْﻞِ ﻋَﺼْﺮِﻧَﺎ ﻣِﻤَّﻦْ ﻛَﺎﻥَ ﻳَﺪَّﻋِﻲ اﻟﻠُّﻐَﺔَ ﻣِﻦْ ﻏَﻴْﺮِ ﻣَﻌْﺮِﻓَﺔٍ ﺑِﻬَﺎ، ﻭَﻳَﺪَّﻋِﻲ اﻟْﻌِﻠْﻢَ ﻣِﻦْ ﻏَﻴْﺮِ ﻣَﻌْﺮِﻓَﺔٍ ﺑِﻪِ، ﺃَﻥَّ اﻻِﺳْﻢَ ﺑِﺎﺳْﻢِ اﻟْﻤَﻌْﺮِﻓَﺔِ ﻳَﺤْﻮِﻱ ﺟَﻤِﻴﻊَ ﻣَﻌَﺎﻧِﻲ اﻟﺸَّﻲْءِ اﻟَّﺬِﻱ ﻳُﻮﻗَﻊُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﺑِﺎﺳْﻢِ اﻟْﻤَﻌْﺮِﻓَﺔِ ﺑِﺎﻷَْﻟِﻒِ ﻭَاﻟﻻَّﻡِ، ﺇِﺫِ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺪْ ﺃَﻭْﻗَﻊَ اﺳْﻢَ اﻷَْﺣْﺪَاﺙِ ﻋَﻠَﻰ اﻟﺮِّﻳﺢِ ﺧَﺎﺻَّﺔً ﺑِﺎﺳْﻢَ اﻟْﻤَﻌْﺮِﻓَﺔِ، ﻭَاﺳْﻢِ ﺟَﻤِﻴﻊِ اﻷَْﺣْﺪَاﺙِ اﻟْﻤُﻮﺟِﺒَﺔِ ﻟِﻠْﻮُﺿُﻮءِ اﻟﺮِّﻳﺢُ ﻳَﺨْﺮُﺝُ ﻣِﻦَ اﻟﺪُّﺑُﺮِ ﺧَﺎﺻَّﺔً، ﻭَﻗَﺪْ ﺑَﻴَّﻨْﺖُ ﻫَﺬِﻩِ اﻟْﻤَﺴْﺄَﻟَﺔَ ﻓِﻲ ﻛِﺘَﺎﺏِ اﻹِْﻳﻤَﺎﻥِ»

আমাদের এই আমিত্ব কথার আরাবী অভিধানের বিপরীত। আরাবীর নিয়মাবলীর জ্ঞান অর্জন ব্যতীত আভিধান জানা অসম্ভব। এটা বিনা জ্ঞানে জ্ঞানী হওয়ার অভিযোগ যে; ইশম(বিশেষ্য) সেই সমস্তর অন্তর্ভুক্ত যার উপর আলিফ ও লাম এর বিষয় বিশেষ জ্ঞান অর্জন করা ইশমের প্রয়োগ করা হয়। কেননা নাবী (সাঃ) এই বায়ু শব্দের উপর খাস করে ওযুকে ওয়াজিবকারী সমস্ত বিষয়ের উপর বিশেষ্য কারণ এর প্রতি নির্দেশ করেছেন।কারণ বায়ু সাধারণত পেছন (পায়খানার দ্বার) হতে বের হয়। আমি এই মসলা কিতাবুল ইমানে বিস্তারিত বর্ণনা করেছি।

26 – ﺛﻨﺎ ﻋَﻠِﻲُّ ﺑْﻦُ ﺧَﺸْﺮَﻡٍ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﻋِﻴﺴَﻰ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﻳُﻮﻧُﺲَ، ﻋَﻦِ اﻷَْﻭْﺯَاﻋِﻲِّ، ﻋَﻦْ ﺣَﺴَّﺎﻥَ ﻭَﻫُﻮَ اﺑْﻦُ ﻋَﻄِﻴَّﺔَ، ﻋَﻦْ ﻣُﺤَﻤَّﺪِ اﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔَ ﻗَﺎﻝَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﺃَﺑُﻮ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ، ﺃَﻥَّ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ: «§ﻻَ ﻳَﺰَاﻝُ اﻟْﻌَﺒْﺪُ ﻓِﻲ اﻟﺼَّﻼَﺓِ ﻣَﺎ ﻛَﺎﻧَﺖِ اﻟﺼَّﻼَﺓُ ﺗَﺤْﺒِﺴُﻪُ ﻣَﺎ ﻟَﻢْ ﻳُﺤْﺪِﺙْ» ﻭَاﻹِْﺣْﺪَاﺙُ: ﺃَﻥْ ﻳَﻔْﺴُﻮَ ﺃَﻭْ ﻳَﻀْﺮِﻁَ ﺇِﻧِّﻲ ﻻَ ﺃَﺳْﺘَﺤْﻴِﻲ ﻣِﻤَّﺎ ﻟَﻢْ ﻳَﺴْﺘَﺤِﻲ ﻣِﻨْﻪُ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ”

২৬: আবূহুরায়রাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; নাবী (সাঃ) বলেছেন: “বান্দা সেই সময় পর্যন্ত স্বলাতরত অবস্থায় থাকে; যতক্ষণ (মাসজিদে) স্বলাতের অপেক্ষায় থাকে; আর ওযুরত অবস্থায় থাকে হাদাস না করে। তা শব্দ করে বায়ু বের করুক বা শব্দ ব্যতীত বায়ু বের করুক”। আমি সেই বস্তু (বর্ণনা করতে গিয়ে) হতে লজ্জা পায় না যা রসূলুল্লাহ (সাঃ) (বর্ণনা করতে গিয়ে) লজ্জাবোধ করেননি।
★বুখারী হাঃ ১৭৬; আবুদাঊদ হাঃ ৪৭১;

21-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ ﺧَﺒَﺮٍ ﺭُﻭِﻱَ ﻣُﺨْﺘَﺼَﺮًا ﻋَﻦْ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢ

অধ্যায় ২১: রসূলুল্লাহ (সাঃ) হতে বর্ণিত সংক্ষিপ্ত রিওয়াআতের বর্ণনা।

َ «ﺃَﻭْﻫَﻢَ ﻋَﺎﻟِﻤًﺎ ﻣِﻤَّﻦْ ﻟَﻢْ ﻳُﻤَﻴِّﺰْ ﺑَﻴْﻦَ اﻟْﺨَﺒَﺮِ اﻟْﻤُﺨْﺘَﺼَﺮِ، ﻭَاﻟْﺨَﺒَﺮِ اﻟْﻤُﺘَﻘَﺼَّﻰ ﺃَﻥَّ اﻟْﻮُﺿُﻮءَ ﻻَ ﻳَﺠِﺐُ ﺇِﻻَّ ﻣِﻦَ اﻟْﺤَﺪَﺙِ اﻟَّﺬِﻱ ﻟَﻪُ ﺻَﻮْﺕٌ ﺃَﻭْ ﺭَاﺋِﺤَﺔٌ»

যে ব্যক্তি সংক্ষিপ্ত ও বিস্তারিত রিওয়াতের ব্যবধান না করা আলিমদের পেরেশানে ফেলে দিয়েছে যে; ওযু কেবল সেই হাদাস(বায়ু) হলে ওয়াজিব হয় যার শব্দ বা গন্ধ পাওয়া যায়।

27 – ﺛﻨﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺑَﺸَّﺎﺭٍ، ﺛﻨﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺟَﻌْﻔَﺮٍ، ﺛﻨﺎ ﺷُﻌْﺒَﺔُ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﺳُﻬَﻴْﻞَ ﺑْﻦَ ﺃَﺑِﻲ ﺻَﺎﻟِﺢٍ ﻳُﺤَﺪِّﺙُ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺳَﻠْﻢُ ﺑْﻦُ ﺟُﻨَﺎﺩَﺓَ، ﺛﻨﺎ ﻭَﻛِﻴﻊٌ، ﻋَﻦْ ﺷُﻌْﺒَﺔَ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺑُﻨْﺪَاﺭٌ، ﻭَﺃَﺑُﻮ ﻣُﻮﺳَﻰ ﻗَﺎﻻَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ، ﺛﻨﺎ ﺷُﻌْﺒَﺔُ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻷَْﻋْﻠَﻰ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺧَﺎﻟِﺪٌ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ اﻟْﺤَﺎﺭِﺙِ، ﺛﻨﺎ ﺷُﻌْﺒَﺔُ، ﻋَﻦْ ﺳُﻬَﻴْﻞِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﺻَﺎﻟِﺢٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «§ﻻَ ﻭَﺿُﻮءَ ﺇِﻻَّ ﻣِﻦْ ﺻَﻮْﺕٍ ﺃَﻭْ ﺭِﻳﺢٍ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

২৭: আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: “(বায়ুর) শব্দ বা গন্ধ না পাওয়া পর্যন্ত পুনরায় ওযু করা (ওয়াজিব) নেই”।
★সনদ সহীহ। তিরমিযী হাঃ ৭৪; ইবনুমাজাহ হাঃ ৫১৫;

22-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟْﺨَﺒَﺮِ اﻟْﻤُﺘَﻘَﺼِّﻲ ﻟِﻠَّﻔْﻈَﺔِ اﻟْﻤُﺨْﺘَﺼَﺮَﺓِ اﻟَّﺘِﻲ ﺫَﻛَﺮْﺗُﻬَﺎ،

অধ্যায় ২২: কিছু সংক্ষিপ্ত রিওয়াআতের বিস্তারিত ব্যাখ্যার বর্ণনা।

ﻭَاﻟﺪَّﻟِﻴﻞُ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺃَﻋْﻠَﻢَ ﺃَﻥْ ﻻَ ﻭُﺿُﻮءَ ﺇِﻻَّ ﻣِﻦْ ﺻَﻮْﺕٍ ﺃَﻭْ ﺭِﻳﺢٍ ﻋِﻨْﺪَ ﻣَﺴْﺄَﻟَﺔٍ ﺳُﺌِﻞَ ﻋَﻨْﻬَﺎ ﻓِﻲ اﻟﺮَّﺟُﻞِ ﻳُﺨَﻴَّﻞُ ﺇِﻟَﻴْﻪِ ﺃَﻧَّﻪُ ﻗَﺪْ ﺧَﺮَﺟَﺖْ ﻣِﻨْﻪُ ﺭِﻳﺢٌ ﻓَﻴَﺸُﻚُّ ﻓِﻲ ﺧُﺮُﻭﺝِ اﻟﺮِّﻳﺢِ، ﻭَﻛَﺎﻧَﺖْ ﻫَﺬِﻩِ اﻟْﻤَﻘَﺎﻟَﺔُ ﻋَﻨْﻪُ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «ﻻَ ﻭُﺿُﻮءَ ﺇِﻻَّ ﻣِﻦْ ﺻَﻮْﺕٍ ﺃَﻭْ ﺭِﻳﺢٍ» ﺟَﻮَاﺑًﺎ ﻋَﻤَّﺎ ﻋَﻨْﻪُ ﺳُﺌِﻞَ ﻓَﻘَﻂْ ﻻَ اﺑْﺘِﺪَاءَ ﻛَﻼَﻡٍ ﻣُﺴْﻘَﻄًﺎ ﺑِﻬَﺬِﻩِ اﻟْﻤَﺴْﺄَﻟَﺔِ ﺇِﻳﺠَﺎﺏَ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻣِﻦْ ﻏَﻴْﺮِ اﻟﺮِّﻳﺢِ اﻟَّﺘِﻲ ﻟَﻬَﺎ ﺻَﻮْﺕٌ ﺃَﻭْ ﺭَاﺋِﺤَﺔٌ، ﺇِﺫْ ﻟَﻮْ ﻛَﺎﻥَ ﻫَﺬَا اﻟْﻘَﻮْﻝُ ﻣِﻨْﻪُ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ اﺑْﺘِﺪَاءً ﻣِﻦْ ﻏَﻴْﺮِ ﺃَﻥْ ﺗَﻘَﺪَّﻣَﺘْﻪُ ﻣَﺴْﺄَﻟَﺔٌ ﻛَﺎﻧَﺖْ ﻫَﺬِﻩِ اﻟْﻤَﻘَﺎﻟَﺔُ ﺗَﻨْﻔِﻲ ﺇِﻳﺠَﺎﺏَ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻣِﻦَ اﻟْﺒَﻮْﻝِ ﻭَاﻟﻨَّﻮْﻡِ ﻭَاﻟْﻤَﺬْﻱِ، ﺇِﺫْ ﻗَﺪْ ﻳَﻜُﻮﻥُ اﻟْﺒَﻮْﻝُ ﻻَ ﺻَﻮْﺕٌ ﻟَﻪُ ﻭَﻻَ ﺭِﻳﺢٌ، ﻭَﻛَﺬَﻟِﻚَ اﻟﻨَّﻮْﻡُ ﻭَاﻟْﻤَﺬْﻱُ ﻻَ ﺻَﻮْﺕَ ﻟَﻬُﻤَﺎ ﻭَﻻَ ﺭِﻳﺢَ، ﻭَﻛَﺬَﻟِﻚَ اﻟْﻮَﺩْﻱُ ”

আর সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা যে; নাবী (সাঃ) এর ইরশাদ : “ওযু কেবল শব্দ বা গন্ধ পাওয়া গেলে ওয়াজিব হয়”।এটা সেই প্রশ্নের জবাব ছিল যা তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে; কোনো ব্যক্তি অনুভব করে যে তার পেট হতে কিছু বের হয়ে গেল; এতে সে বায়ু বের হওয়ার সন্দেহে পড়ে যায়। তার এই আদেশ সেই প্রশ্নেরই জবাব ছিল। তার এই ইরশাদে এমন বর্ণনা ছিল না যে; বিনা শব্দে বা গন্ধে ওযু করাকে প্রমাণ করে দেয়। কেননা যদি তার এই আদেশ বিনা প্রশ্নে বলা স্থির হত তাহলে তাতে পেশাব; ঘুম ও মযীর কারণে ওযু ওয়াজিব হওয়া কর্তন হয়ে যেত। কেননা কখনো কখনো পেশাবের শব্দ ও গন্ধ হয় না। কেননা ঘুৃম; মযী ও মণীর না শব্দ হয় আর না গন্ধ হয়।

28 – ﺛﻨﺎ ﺃَﺑُﻮ ﺑِﺸْﺮٍ اﻟْﻮَاﺳِﻄِﻲُّ، ﺛﻨﺎ ﺧَﺎﻟِﺪٌ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ اﻟْﻮَاﺳِﻄِﻲَّ، ﻋَﻦْ ﺳُﻬَﻴْﻞٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «§ﺇِﺫَا ﻭَﺟَﺪَ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ ﻓِﻲ ﺑَﻄْﻨِﻪِ ﺷَﻴْﺌًﺎ ﻓَﺄَﺷْﻜَﻞَ ﺧَﺮَﺝَ ﻣِﻨْﻪُ ﺷَﻲْءٌ ﺃَﻭْ ﻟَﻢْ ﻳَﺨْﺮُﺝْ، ﻓَﻼَ ﻳَﺨْﺮُﺟَﻦَّ ﺣَﺘَّﻰ ﻳَﺴْﻤَﻊَ ﺻَﻮْﺗًﺎ ﺃَﻭْ ﻳَﺠِﺪَ ﺭِﻳﺤًﺎ»

২৮: আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন; “যখন তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি তার পেটে কিছু অনুভব করে আর সন্দেহ দেখা যায় যে; পেট থেকে কিছু বের হল কিনা। তো সে যেন (মাসজিদ হতে) বের না হয় যতক্ষণ না শব্দ শোনে বা গন্ধ না পায়”।
★সহীহুল মুসলিম হাঃ ৩৬২; আবুদাঊদ হাঃ ১৭৭; দারেমী হাঃ ৭২১; তিরমিযী হাঃ ৭৫;

29 – ﺛﻨﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻣُﻮﺳَﻰ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ اﻟْﻤُﺜَﻨَّﻰ، ﺛﻨﺎ ﻣُﻌَﺎﺫُ ﺑْﻦُ ﻫِﺸَﺎﻡٍ، ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﺃَﺑِﻲ، ﻋَﻦْ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻛَﺜِﻴﺮٍ، ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﻋِﻴَﺎﺽٌ، ﺃَﻧَّﻪُ ﺳَﺄَﻝَ ﺃَﺑَﺎ ﺳَﻌِﻴﺪٍ اﻟْﺨُﺪْﺭِﻱَّ ﻓَﻘَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺳَﻠْﻢُ ﺑْﻦُ ﺟُﻨَﺎﺩَﺓَ اﻟْﻘُﺮَﺷِﻲُّ، ﺛﻨﺎ ﻭَﻛِﻴﻊٌ، ﺛﻨﺎ ﻋَﻠِﻲُّ ﺑْﻦُ اﻟْﻤُﺒَﺎﺭَﻙِ، ﻋَﻦْ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻛَﺜِﻴﺮٍ، ﻋَﻦْ ﻋِﻴَﺎﺽِ ﺑْﻦِ ﻫِﻼَﻝٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﺳَﻌِﻴﺪٍ اﻟْﺨُﺪْﺭِﻱِّ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: ” ﺇِﻥَّ §اﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥَ ﻳَﺄْﺗِﻲ ﺃَﺣَﺪَﻛُﻢْ ﻓِﻲ ﺻَﻼَﺗِﻪِ ﻓَﻴَﻘُﻮﻝُ: ﺇِﻧَّﻚَ ﻗَﺪْ ﺃَﺣْﺪَﺛْﺖَ، ﻓَﻠْﻴَﻘُﻞْ: ﻛَﺬَﺑْﺖَ ﺇِﻻَّ ﻣَﺎ ﻭَﺟَﺪَ ﺭِﻳﺤَﻪُ ﺑِﺄَﻧْﻔِﻪِ، ﺃَﻭْ ﺳَﻤِﻊَ ﺻَﻮْﺗَﻪُ ﺑِﺄُﺫُﻧِﻪِ «ﻫَﺬَا ﻟَﻔْﻆُ ﻭَﻛِﻴﻊٍ» ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: ” ﻗَﻮْﻟُﻪُ: ﻓَﻠْﻴَﻘُﻞْ ﻛَﺬَﺑْﺖَ ﺃَﺭَاﺩَ ﻓَﻠْﻴَﻘُﻞْ ﻛَﺬَﺑْﺖَ ﺑِﻀَﻤِﻴﺮِﻩِ ﻻَ ﻳَﻨْﻄِﻖُ ﺑِﻠِﺴَﺎﻧِﻪِ، ﺇِﺫِ اﻟْﻤُﺼَﻠِّﻲ ﻏَﻴْﺮُ ﺟَﺎﺋِﺰٍ ﻟَﻪُ ﺃَﻥْ ﻳَﻘُﻮﻝَ ﻛَﺬَﺑْﺖَ ﻧُﻄْﻘًﺎ ﺑِﻠِﺴَﺎﻧِﻪِ ”
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺿﻌﻴﻒ

২৯: আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: “শয়তান তোমাদের মধ্যে কোন একজনের নিকট তার স্বলাতের অবস্থায় আসে এবং বলে; তোমার তো ওযু ভেঙ্গে গিয়েছে। তখন তাকে বলা উচিত; তুই মিথ্যা বলেছিস। আমি যতক্ষণ না কানে শব্দ শুনব কিংবা নাকে তার গন্ধ অনুভব করবো”। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; ﻓَﻠْﻴَﻘُﻞْ: ﻛَﺬَﺑْﺖَ তাকে বলা উচিত যে; তুই মিথ্যা বলেছিস। এতে নাবী (সাঃ) এর উদ্দশ্য স্বলাত আদায়কারী নিজের অন্তরে তা বলবে (যেন তার ওয়াসওয়াসা দূরিভুত হয়ে যায়)। জিহবা দিয়ে উচ্চারণ করে বলবে না; কেননা স্বলাত আদায়কারীর জন্য জিহবা দিয়ে ْ: ﻛَﺬَﺑْﺖَ বলা বৈধ নয়।
★”সনদ যঈফ”। আবুদাঊদ হাঃ ১০২৯; ইবনুমাজাহ হাঃ ১২০৪; তিরমিযী হাঃ ৩৯৬;

23-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟﻠَّﻤْﺲَ ﻗَﺪْ ﻳَﻜُﻮﻥُ ﺑِﺎﻟْﻴَﺪِ ” ﺿِﺪَّ ﻗَﻮْﻝِ ﻣَﻦْ ﺯَﻋَﻢَ ﺃَﻥَّ اﻟﻠَّﻤْﺲَ ﻻَ ﻳَﻜُﻮﻥُ ﺇِﻻَّ ﺑِﺠِﻤَﺎﻉٍ ﺑِﺎﻟْﻔَﺮْﺝِ ﻓِﻲ اﻟْﻔَﺮْﺝ

অধ্যায় ২৩: সেই বিষয়ের প্রমাণ এর বর্ণনা যে; স্পর্শ (ছোঁয়া) কখনো হাত দ্বারাও হয়। সেই ব্যক্তির কথার বিরুদ্ধ্যে যে বলে স্পর্শ কেবল লজ্জাস্থানে লজ্জাস্থানকে একত্রিতকেই বলে।

30 – ﺛﻨﺎ اﻟﺮَّﺑِﻴﻊُ ﺑْﻦُ ﺳُﻠَﻴْﻤَﺎﻥَ اﻟْﻤُﺮَاﺩِﻱُّ، ﺛﻨﺎ ﺷُﻌَﻴْﺐٌ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ اﻟﻠَّﻴْﺚِ، ﻋَﻦِ اﻟﻠَّﻴْﺚِ، ﻋَﻦْ ﺟَﻌْﻔَﺮِ ﺑْﻦِ ﺭَﺑِﻴﻌَﺔَ ﻭَﻫُﻮَ اﺑْﻦُ ﺷُﺮَﺣْﺒِﻴﻞَ اﺑْﻦِ ﺣَﺴَﻨَﺔٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﺑْﻦِ ﻫُﺮْﻣُﺰَ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﻳَﺄْﺛُﺮُﻩُ، ﻋَﻦْ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «§ﻛُﻞُّ اﺑْﻦِ ﺁﺩَﻡَ ﺃَﺻَﺎﺏَ ﻣِﻦَ اﻟﺰِّﻧَﺎ ﻻَ ﻣَﺤَﺎﻟَﺔَ، ﻓَﺎﻟْﻌَﻴْﻦُ ﺯِﻧَﺎﺅُﻫَﺎ اﻟﻨَّﻈَﺮُ، ﻭَاﻟْﻴَﺪُ ﺯِﻧَﺎﺅُﻫَﺎ اﻟﻠَّﻤْﺲُ، ﻭَاﻟﻨَّﻔْﺲُ ﺗَﻬْﻮَﻯ ﺃَﻭْ ﺗُﺤَﺪِّﺙُ، ﻭَﻳُﺼَﺪِّﻗُﻪُ ﺃَﻭْ ﻳُﻜَﺬِّﺑُﻪُ اﻟْﻔَﺮْﺝُ» ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: ” ﻗَﺪْ ﺃَﻋْﻠَﻢَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺃَﻥَّ اﻟﻠَّﻤْﺲَ ﻗَﺪْ ﻳَﻜُﻮﻥُ ﺑِﺎﻟْﻴَﺪِ ﻗَﺎﻝَ اﻟﻠَّﻪَ ﻋَﺰَّ ﻭَﺟَﻞَّ: {ﻭَﻟَﻮْ ﻧَﺰَّﻟْﻨَﺎ ﻋَﻠَﻴْﻚَ ﻛِﺘَﺎﺑًﺎ ﻓِﻲ ﻗِﺮْﻃَﺎﺱٍ ﻓَﻠَﻤَﺴُﻮﻩُ ﺑِﺄَﻳْﺪِﻳﻬِﻢْ} [اﻷﻧﻌﺎﻡ: 7] ﻗَﺪْ ﻋَﻠَّﻢَ ﺭَﺑُّﻨَﺎ ﻋَﺰَّ ﻭَﺟَﻞَّ ﺃَﻥَّ اﻟﻠَّﻤْﺲَ ﻗَﺪْ ﻳَﻜُﻮﻥُ ﺑِﺎﻟْﻴَﺪِ، ﻭَﻛَﺬَﻟِﻚَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻟَﻤَّﺎ ﻧَﻬَﻰ ﻋَﻦْ ﺑَﻴْﻊِ اﻟﻠِّﻤَﺎﺱِ ﺩَﻟَّﻬُﻢْ ﻧَﻬْﻴُﻪُ ﻋَﻦْ ﺑَﻴْﻊِ اﻟﻠَّﻤْﺲِ ﺃَﻥَّ اﻟﻠَّﻤْﺲَ ﺑِﺎﻟْﻴَﺪِ، ﻭَﻫُﻮَ ﺃَﻥْ ﻳَﻠْﻤِﺲَ اﻟْﻤُﺸْﺘَﺮِﻱ اﻟﺜَّﻮْﺏَ ﻣِﻦْ ﻏَﻴْﺮِ ﺃَﻥْ ﻳُﻘَﻠِّﺒَﻪُ ﻭَﻳَﻨْﺸُﺮَﻩُ، ﻭَﻳَﻘُﻮﻝُ ﻋِﻨْﺪَ ﻋَﻘْﺪِ اﻟﺸِّﺮَاءِ ﺇِﺫَا ﻟَﻤَﺴْﺖُ اﻟﺜَّﻮْﺏَ ﺑِﻴَﺪِﻱ ﻓَﻼَ ﺧِﻴَﺎﺭَ ﻟِﻲ ﺑَﻌْﺪُ ﺇِﺫَا ﻧَﻈَﺮْﺕُ ﺇِﻟَﻰ ﻃُﻮﻝِ اﻟﺜَّﻮْﺏِ ﻭَﻋَﺮْﺿِﻪِ ﺃَﻭْ ﻇَﻬَﺮْﺕُ ﻣِﻨْﻪُ ﻋَﻠَﻰ ﻋَﻴْﺐٍ، ﻭَاﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺪْ ﻗَﺎﻝَ ﻟِﻤَﺎﻋِﺰِ ﺑْﻦِ ﻣَﺎﻟِﻚٍ ﺣِﻴﻦَ ﺃَﻗَﺮَّ ﻋِﻨْﺪَﻩُ ﺑِﺎﻟﺰِّﻧَﺎ: ﻟَﻌَﻠَّﻚَ ﻗَﺒَّﻠْﺖَ ﺃَﻭْ ﻟَﻤَﺴْﺖَ، ﻓَﺪَﻟَّﺖْ ﻫَﺬِﻩِ اﻟﻠَّﻔْﻈَﺔُ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻧَّﻪُ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺃَﺭَاﺩَ ﺑِﻘَﻮْﻟِﻪِ: ﺃَﻭْ ﻟَﻤَﺴْﺖَ ﻏَﻴْﺮَ اﻟْﺠِﻤَﺎﻉِ اﻟْﻤُﻮﺟِﺐِ ﻟِﻠْﺤَﺪِّ، ﻭَﻛَﺬَﻟِﻚَ ﺧَﺒَﺮُ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔَ ” ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: «ﻭَﻟَﻢْ ﻳَﺨْﺘَﻠِﻒْ ﻋُﻠَﻤَﺎﺅُﻧَﺎ ﻣِﻦَ اﻟْﺤِﺠَﺎﺯِﻳِّﻴﻦَ ﻭَاﻟْﻤِﺼْﺮِﻳِّﻴﻦَ ﻭَاﻟﺸَّﺎﻓِﻌِﻲُّ، ﻭَﺃَﻫْﻞُ اﻷَْﺛَﺮِ ﺃَﻥَّ اﻟْﻘُﺒْﻠَﺔَ ﻭَاﻟﻠَّﻤْﺲَ ﺑِﺎﻟْﻴَﺪِ ﺇِﺫَا ﻟَﻢْ ﻳَﻜُﻦْ ﺑَﻴْﻦَ اﻟْﻴَﺪِ ﻭَﺑَﻴْﻦَ ﺑَﺪَﻥِ اﻟْﻤَﺮْﺃَﺓِ ﺇِﺫَا ﻟَﻤِﺴَﻬَﺎ ﺣِﺠَﺎﺏٌ ﻭَﻻَ ﺳُﺘْﺮَﺓٌ ﻣِﻦْ ﺛَﻮْﺏٍ ﻭَﻻَ ﻏَﻴْﺮِﻩِ ﺃَﻥَّ ﺫَﻟِﻚَ ﻳُﻮﺟِﺐُ اﻟْﻮُﺿُﻮءَ» ﻏَﻴْﺮَ ﺃَﻥَّ ﻣَﺎﻟِﻚَ ﺑْﻦَ ﺃَﻧَﺲٍ ﻛَﺎﻥَ ﻳَﻘُﻮﻝُ: «ﺇِﺫَا ﻛَﺎﻧَﺖِ اﻟْﻘُﺒْﻠَﺔُ ﻭَاﻟﻠَّﻤْﺲُ ﺑِﺎﻟْﻴَﺪِ ﻟَﻴْﺲَ ﺑِﻘُﺒْﻠَﺔِ ﺷَﻬْﻮَﺓٍ؛ ﻓَﺈِﻥَّ ﺫَﻟِﻚَ ﻻَ ﻳُﻮﺟِﺐُ اﻟْﻮُﺿُﻮءَ» ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: «ﻫَﺬِﻩِ اﻟﻠَّﻔْﻈَﺔُ ﻭَﻳُﺼَﺪِّﻗُﻪُ ﺃَﻭْ ﻳُﻜَﺬِّﺑُﻪُ اﻟْﻔَﺮَﺝُ ﻣِﻦَ اﻟْﺠِﻨْﺲِ اﻟَّﺬِﻱ ﺃَﻋْﻠَﻤْﺖُ ﻓِﻲ ﻛِﺘَﺎﺏِ اﻹِْﻳﻤَﺎﻥِ ﺃَﻥَّ اﻟﺘَّﺼْﺪِﻳﻖَ ﻗَﺪْ ﻳَﻜُﻮﻥُ ﺑِﺒَﻌْﺾِ اﻟْﺠَﻮَاﺭِﺡِ ﻻَ ﻛَﻤَﺎ اﺩَّﻋَﻰ ﻣَﻦْ ﻣَﻮَّﻩَ ﻋَﻠَﻰ ﺑَﻌْﺾِ اﻟﻨَّﺎﺱِ ﺃَﻥَّ اﻟﺘَّﺼْﺪِﻳﻖَ ﻻَ ﻳَﻜُﻮﻥُ ﻓِﻲ ﻟُﻐَﺔِ اﻟْﻌَﺮَﺏِ ﺇِﻻَّ ﺑِﺎﻟْﻘَﻠْﺐِ، ﻗَﺪْ ﺑَﻴَّﻨْﺖُ ﻫَﺬِﻩِ اﻟْﻤَﺴْﺄَﻟَﺔَ ﺑِﺘَﻤَﺎﻣِﻬَﺎ ﻓِﻲ ﻛِﺘَﺎﺏِ اﻹِْﻳﻤَﺎﻥِ»

৩০: আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ (সাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে; “প্রত্যেক আদম সন্তান ব্যভিচার হতে কিছু না কিছু পাবে। চোখের ব্যভিচার হল দেখা; হাতের ব্যভিচার স্পর্শ করা।নাফ্স কামনা করে কিংবা করতে ইচ্ছা করে এবং লজ্জাস্থান তা সত্যায়ীত করে অথবা মিথ্যা সাব্যস্ত করে”। ইমাম আবূ বাকর বুন খুযাইমাহ (রহঃ) বলেন; (এই হাদীসে) নাবী (সাঃ) বর্ণনা করেছেন যে স্পর্শ কখনো হাতের দ্বারাই হয়ে থাকে। আল্লাহ বলেন : ﻭَﻟَﻮْ ﻧَﺰَّﻟْﻨَﺎ ﻋَﻠَﻴْﻚَ ﻛِﺘَﺎﺑًﺎ ﻓِﻲ ﻗِﺮْﻃَﺎﺱٍ ﻓَﻠَﻤَﺴُﻮﻩُ ﺑِﺄَﻳْﺪِﻳﻬِﻢ  “যদি আমি কাগজে লিখিত কোন বিষয় তাদের উপর অবতীর্ণ করতাম ; অতঃপর তারা তা সহস্তে স্পর্শ করত”(সূরা আন’আম ৭)। (এই পবিত্র আয়াতে) আমাদের প্রতিপালকও বর্ণনা করে দিয়েছেন যে; স্পর্শ হাত দ্বারাও হয়। অনুরূপ নাবী (সাঃ) এর স্পর্শ করা হতে নিষেধ করা এই বিষয়ের প্রমাণ যে; স্পর্শ হাত দ্বারা হয়। বিনা স্পর্শের অর্থ হচ্ছে যে; ক্রেতা কাপড়কে পাল্টাবে ও খুলবে হাত দিয়ে স্পর্শ না করে এবং ক্রয় করার সময বলে; যখন আমি কাপড়কে স্পর্শ করব তখন কাপড়ের দৈর্ঘ ও প্রস্থ দেখার পর কিংবা কোন ত্রুটি জানার পর আমার কোন অধিকার থাকবে না। নাবী (সাঃ) মা’উয বিন মালিক (রাযিঃ) কে বলেন যখন সে তার নিকট উপস্থিত হয়ে ব্যভিচারের কথা স্বীকার করেছিল। “হয়ত তুৃমি চুম্বন করেছ বা স্পর্শ করেছ”। এ শব্দও এই বিষয়ের প্রমাণ যে; তার সেই বাক্য দ্বারা উদ্দেশ্য এটা ছিল যে; তুমি হদ (ব্যভিচারের রজম এর শাস্তি) কে ওয়াজিবকারী একত্রিত ব্যতীত স্পর্শ করেছ। অনুরূপ আয়িশা (রাযিঃ) এর হাদীস রয়েছে। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; আমাদের হেজাযের;মিশরের;শাফিয়ীদের ও মুহাদ্দিসীনদের এতে মতভেদ নায় যে; চুম্বন নিতে গিয়ে কিংবা হাত দ্বারা স্পর্শ করার সময় যখন হাত ও নারীর দেহের মাঝে কোন পর্দা বা কাপড়ের আড়াল থাকবে না; তখন ওযু ওয়াজিব হয়ে যায়। সুতরাং ইমাম মালিক বিন আনাস (রহঃ) বলতেন; যখন চুম্বন ও হাত দিয়ে স্পর্শ করা উলঙ্গ ব্যতীত হয়; তাতে ওযু ওয়াজিব হয় না। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; (তার) এই শব্দ লজ্জাস্থান তা সত্যায়িত করে অথবা মিথ্যা সাব্যস্ত করে; এটা আগে থেকে আছে। যেটা আমি কিতাবুল ঈমানে বর্ণনা করেছি যে; প্রমাণ (অন্তর ব্যতীত) কখনো অন্য অঙ্গ দ্বারাও হয়। সেই ব্যক্তির দাবীর বিপরীত যে কিছু লোককে ধোকা দিয়েছে যে; প্রমাণ কেবল অন্তর হতেই হয়। আমি এই মসলা কিতাবুল ঈমানে পরিপূর্ণ বর্ণনা করেছি।
★সহীহুল বুখারী হাঃ ৫৭৭৩; মুসলিম হাঃ ২৬৫৭;

24-ﺑَﺎﺏُ اﻷَْﻣْﺮِ ﺑِﺎﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻣِﻦْ ﺃَﻛْﻞِ ﻟُﺤُﻮﻡِ اﻹِْﺑِﻞ

অধ্যায় ২৪: উটের গোস্ত খেলে ওযু করার বর্ণনা।

31 – ﺛﻨﺎ ﺑِﺸْﺮُ ﺑْﻦُ ﻣُﻌَﺎﺫٍ اﻟْﻌَﻘَﺪِﻱُّ، ﺛﻨﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻋَﻮَاﻧَﺔَ، ﻋَﻦْ ﻋُﺜْﻤَﺎﻥَ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﻣَﻮْﻫَﺐٍ، ﻋَﻦْ ﺟَﻌْﻔَﺮِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﺛَﻮْﺭٍ، ﻋَﻦْ ﺟَﺎﺑِﺮِ ﺑْﻦِ ﺳَﻤُﺮَﺓَ، ﺃَﻥَّ ﺭَﺟُﻼً ﺳَﺄَﻝَ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ، ﻓَﻘَﺎﻝَ: ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ، ﺃَﺗَﻮَﺿَّﺄُ ﻣِﻦْ ﻟُﺤُﻮﻡِ اﻟْﻐَﻨَﻢِ؟ ﻗَﺎﻝَ: «§ﺇِﻥْ ﺷِﺌْﺖَ ﻓَﺘَﻮَﺿَّﺄْ، ﻭَﺇِﻥْ ﺷِﺌْﺖَ ﻓَﻼَ ﺗَﺘَﻮَﺿَّﺄْ» . ﻗَﺎﻝَ: ﺃَﺗَﻮَﺿَّﺄُ ﻣِﻦْ ﻟُﺤُﻮﻡِ اﻹِْﺑِﻞِ؟ ﻗَﺎﻝَ: «ﻧَﻌَﻢْ» . ﻗَﺎﻝَ: ﻓَﺘَﻮَﺿَّﻰ ﻣِﻦْ ﻟُﺤُﻮﻡِ اﻹِْﺑِﻞِ ﻗَﺎﻝَ: ﺃُﺻَﻠِّﻲ ﻓِﻲ ﻣَﺮَﺑﺾ اﻟْﻐَﻨَﻢِ؟ ﻗَﺎﻝَ: «ﻧَﻌَﻢْ» . ﻗَﺎﻝَ: ﺃُﺻَﻠِّﻲ ﻓِﻲ ﻣَﺒَﺎﺭِﻙِ اﻹِْﺑِﻞِ؟ ﻗَﺎﻝَ: «ﻻَ» ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: «ﻟَﻢْ ﻧَﺮَ ﺧِﻼَﻓًﺎ ﺑَﻴْﻦَ ﻋُﻠَﻤَﺎءِ ﺃَﻫْﻞِ اﻟْﺤَﺪِﻳﺚِ ﺃَﻥَّ ﻫَﺬَا اﻟْﺨَﺒَﺮَ ﺻَﺤِﻴﺢٌ ﻣِﻦْ ﺟِﻬَﺔِ اﻟﻨَّﻘْﻞِ» ﻭَﺭَﻭَﻯ ﻫَﺬَا اﻟْﺨَﺒَﺮَ ﺃَﻳْﻀًﺎ: ﻋَﻦْ ﺟَﻌْﻔَﺮِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﺛَﻮْﺭٍ، ﺃَﺷْﻌَﺚُ ﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ اﻟﺸَّﻌْﺜَﺎءِ اﻟْﻤُﺤَﺎﺭِﺑِﻲُّ، ﻭَﺳَﻤَّﺎﻙُ ﺑْﻦُ ﺣَﺮْﺏٍ ﻓَﻬَﺆُﻻَءِ ﺛَﻼَﺛَﺔٌ ﻣِﻦْ ﺃَﺟِﻠَّﺔِ ﺭُﻭَاﺓِ اﻟْﺤَﺪِﻳﺚِ ﻗَﺪْ ﺭَﻭَﻭْا ﻋَﻦْ ﺟَﻌْﻔَﺮِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﺛَﻮْﺭٍ ﻫَﺬَا اﻟْﺨَﺒَﺮَ
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

৩১: জাবির বিন সামুরা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। এক ব্যক্তি নাবী (সাঃ) এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করল; আমি কি বকরীর গোস্ত খেয়ে ওযু করব?  তিনি বললেন; তোমার ইচ্ছা হলে ওযু করতে পার আর নাও পার। সে বলল; আমি কি উটের গোস্ত খেয়ে ওযু করব?  তিনি বললেন; হাঁ; উটের গোস্ত খেয়ে তুমি ওযু করবে। সে বলল; আমি কি বকরীর ঘরে স্বলাত আদায় করতে পারি?  তিনি বললেন; হাঁ। সে বলল; আমি কি উটের ঘরে স্বলাত আদায় করতে পারি?  তিনি বললেন; না। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; আমার আহলেহাদীস আলিমদের মধ্যে এই ব্যাপারের মতভেদের ব্যাপারে জানা নেই যে; এই হাদীস ঘটনার দিক দিয়ে সহীহ। এই রিওয়াআত জাফর বিন আবূ সূর হতে ইশ’আত বিন আবূ শা’শা মাহারাবী সামাক বিন হারবও রিওয়াআত করেছে। এভাবে এই তিন বড় রাবীগণ এই হাদীসকে জাফর বিন আবূ সূরা হতে বর্ণনা করেছেন।
★সনদ সসীহ। সহীহুল মুসলিম হাঃ ৩৬০; মুসনাদে আহমাদ হাঃ ১৯৮৮১;

32 – ﻭَﻗَﺪْ ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﻳْﻀًﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ، ﺛﻨﺎ ﻣُﺤَﺎﺿِﺮٌ اﻟْﻬَﻤْﺪَاﻧِﻲُّ، ﺛﻨﺎ اﻷَْﻋْﻤَﺶُ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻫُﻮَ اﻟﺮَّاﺯِﻱُّ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻟَﻴْﻠَﻰ، ﻋَﻦِ اﻟْﺒَﺮَاءِ ﺑْﻦِ ﻋَﺎﺯِﺏٍ ﻗَﺎﻝَ: ﺟَﺎءَ ﺭَﺟُﻞٌ ﺇِﻟَﻰ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻓَﻘَﺎﻝَ: §ﺃُﺻَﻠِّﻲ ﻓِﻲ ﻣَﺒَﺎﺭِﻙِ اﻹِْﺑِﻞِ؟ ﻗَﺎﻝَ: «ﻻَ» . ﻗَﺎﻝَ: ﺃَﺗَﻮَﺿَّﺄُ ﻣِﻦْ ﻟُﺤُﻮﻣِﻬَﺎ؟ ﻗَﺎﻝَ: «ﻧَﻌَﻢْ» . ﻗَﺎﻝَ: ﺃُﺻَﻠِّﻲ ﻓِﻲ ﻣَﺮَاﺑِﺾِ اﻟْﻐَﻨَﻢِ؟ ﻗَﺎﻝَ: «ﻧَﻌَﻢْ» . ﻗَﺎﻝَ: ﺃَﺗَﻮَﺿَّﺄُ ﻣِﻦْ ﻟُﺤُﻮﻣِﻬَﺎ؟ ﻗَﺎﻝَ: «ﻻَ» ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: «ﻭَﻟَﻢْ ﻧَﺮَ ﺧِﻼَﻓًﺎ ﺑَﻴْﻦَ ﻋُﻠَﻤَﺎءِ ﺃَﻫْﻞِ اﻟْﺤَﺪِﻳﺚِ ﺃَﻥَّ ﻫَﺬَا اﻟْﺨَﺒَﺮَ ﺃَﻳْﻀًﺎ ﺻَﺤِﻴﺢٌ ﻣِﻦْ ﺟِﻬَﺔِ اﻟﻨَّﻘْﻞِ ﻟِﻌَﺪَاﻟَﺔِ ﻧَﺎﻗِﻠِﻴﻪِ»

৩২: বারা’আ বিন ‘আযিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর নিকট এসে বলল; আমি কি উটের ঘরে স্বলাত আদায় করব?  তিনি বললেন; না। সে বলল; আমি কি উটের গোস্ত খেয়ে ওযু করব?  তিনি বললেন; হাঁ। সে বলল; আমি কি বকরীর ঘরে স্বলাত আদায় করব?  তিনি বললেন ; হাঁ। সে বলল;আমি কি বকরীর গোস্ত খেয়ে ওযু করব? তিনি বললেন ; না। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; আহলেহাদীস আ’লিমদের মধ্যে কোন মতভেদ আমার জানা নেয় যে; এই হাদীসও ঘটনার দিক দিয়ে সহীহ। কেননা এর রাবী আ’দীল।
★সনদ সহীহ। আবুদাঊদ হাঃ ১৮৪; তিরমিযী হাঃ ৮১; ইবনুমাজাহ হাঃ ৪৯৪;
ব্যাখ্যা :
উপরোক্ত দুটি হাদীস প্রমাণ করছে যে; উটের গোস্ত খেলে ওযু ভেঙ্গে যায়। এর মূল কারণ হচ্ছে রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন; “উট শয়তান থেকে সৃষ্টি হয়েছে”(ইবনুমাজাহ হাঃ ৭৬৯)। অন্যত্র তিনি (সাঃ) বলেন; প্রত্যেক উটের পিঠে শয়তান থাকে; সুতরাং তোমরা তার আরোহনের সময় বিসমিল্লাহ বল (আহমাদ; সহীহ নং ২২৭১)। ইমাম ইবনু তায়মিয়া (রহঃ) বলেন; উটের গোস্ত খেলে মানুষের শরীরে শয়তানী প্রভাব জাগ্রত হয়। এই প্রভাবকে বিনষ্ট করার জন্য রসূল (সাঃ) এরূপ নির্দেশ দিয়েছেন (মাজমু ফাতাওয়া ২০/৫২৩)।

25-ﺑَﺎﺏُ اﺳْﺘِﺤْﺒَﺎﺏِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻣِﻦْ ﻣَﺲِّ اﻟﺬَّﻛَﺮ

অধ্যায় ২৫: লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে ওযু করা উত্তম।

33 – ﺛﻨﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ اﻟْﻌَﻼَءِ ﺑْﻦِ ﻛُﺮَﻳْﺐٍ اﻟْﻬَﻤْﺪَاﻧِﻲُّ، ﻭَﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ اﻟْﻤُﺒَﺎﺭَﻙِ اﻟْﻤُﺨَﺮِّﻣِﻲُّ ﻗَﺎﻻَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﺃُﺳَﺎﻣَﺔَ، ﻋَﻦْ ﻫِﺸَﺎﻡٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ، ﻋَﻦْ ﻣَﺮْﻭَاﻥَ، ﻋَﻦْ ﺑُﺴْﺮَﺓَ ﺑِﻨْﺖِ ﺻَﻔْﻮَاﻥَ، ﺃَﻧَّﻬَﺎ ﺳَﻤِﻌْﺖِ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻳَﻘُﻮﻝُ: «§ﺇِﺫَا ﻣَﺲَّ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ ﺫَﻛَﺮَﻩُ ﻓَﻠْﻴَﺘَﻮَﺿَّﺄْ» ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﻳُﻮﻧُﺲَ ﺑْﻦَ ﻋَﺒْﺪِ اﻷَْﻋْﻠَﻰ اﻟﺼَّﺪَﻓِﻲَّ ﻳَﻘُﻮﻝُ: ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ اﺑْﻦُ ﻭَﻫْﺐٍ، ﻋَﻦْ ﻣَﺎﻟِﻚٍ ﻗَﺎﻝَ: «ﺃَﺭَﻯ اﻟْﻮُﺿُﻮءَ ﻣِﻦْ ﻣَﺲِّ اﻟﺬِّﻛْﺮِ اﺳْﺘِﺤْﺒَﺎﺑًﺎ ﻭَﻻَ ﺃُﻭﺟِﺒُﻪُ» ، ﺛﻨﺎ ﻋَﻠِﻲُّ ﺑْﻦُ ﺳَﻌِﻴﺪٍ اﻟﻨَّﺴَﻮِﻱُّ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﺄَﻟْﺖُ ﺃَﺣْﻤَﺪَ ﺑْﻦَ ﺣَﻨْﺒَﻞٍ ﻋَﻦِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻣِﻦْ ﻣَﺲِّ اﻟﺬَّﻛَﺮِ، ﻓَﻘَﺎﻝَ: «ﺃَﺳْﺘَﺤِﺒُّﻪُ ﻭَﻻَ ﺃُﻭﺟِﺒُﻪُ» ،
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

৩৩: বুসরাহ বিনত সাফওয়ান (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নাবী (সাঃ) কে বলতে শুনেছেন; “যখন তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি তার লজ্জাস্থান স্পর্শ করবে তখন তার ওযু করা উচিত”। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; আমার মতে লজ্জাসথান হাত দিয়ে স্পর্শ করলে ওযু করা উত্তম; আমি এটা ওয়াজিব বলছি না। ‘আলী বিন সাঈদ নাসয়ী বলেন ; আমি ইমাম আহমাদ বিন হাম্বাল (রহঃ) কে লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে ওযু করার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন; “আমি এটা মুস্তাহাব(পছন্দনীয়) মনে করি ওয়াজিব নয়”।
★সনদ সহীহ। নাসাঈ হাঃ ১৬৩;

34 – ﻭَﺳَﻤِﻌْﺖُ ﻣُﺤَﻤَّﺪَ ﺑْﻦَ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﻳَﻘُﻮﻝُ: «ﻧَﺮَﻯ اﻟْﻮُﺿُﻮءَ ﻣِﻦْ ﻣَﺲِّ اﻟﺬَّﻛَﺮِ اﺳْﺘِﺤْﺒَﺎﺑًﺎ ﻻَ ﺇِﻳﺠَﺎﺑًﺎ» ﺑِﺤَﺪِﻳﺚِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﺑَﺪْﺭٍ، ﻋَﻦْ ﻗَﻴْﺲِ ﺑْﻦِ ﻃَﻠْﻖٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ ﻋَﻦِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ” ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: ﻭَﻛَﺎﻥَ اﻟﺸَّﺎﻓِﻌِﻲُّ ﺭَﺣِﻤَﻪُ اﻟﻠَّﻪُ ﻳُﻮﺟِﺐُ اﻟْﻮُﺿُﻮءَ ﻣِﻦْ ﻣَﺲِّ اﻟﺬَّﻛَﺮِ اﺗِّﺒَﺎﻋًﺎ ﺑِﺨَﺒَﺮِ ﺑُﺴْﺮَﺓَ ﺑِﻨْﺖِ ﺻَﻔْﻮَاﻥَ ﻻَ ﻗِﻴَﺎﺳًﺎ، ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: «ﻭَﺑِﻘَﻮْﻝِ اﻟﺸَّﺎﻓِﻌِﻲِّ ﺃَﻗُﻮﻝُ؛ ﻷَِﻥَّ ﻋُﺮْﻭَﺓَ ﻗَﺪْ ﺳَﻤِﻊَ ﺧَﺒَﺮَ ﺑُﺴْﺮَﺓَ ﻣِﻨْﻬَﺎ ﻻَ ﻛَﻤَﺎ ﺗَﻮَﻫَّﻢَ ﺑَﻌْﺾُ ﻋُﻠَﻤَﺎﺋِﻨَﺎ ﺃَﻥَّ اﻟْﺨَﺒَﺮَ ﻭَاﻩٍ ﻟِﻄَﻌْﻨِﻪِ ﻓِﻲ ﻣَﺮْﻭَاﻥَ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

৩৪: ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; আমি মুহাম্মাদ বিন ইহায়ইয়্যা কে বলতে শুনেছি; আমাদের নিকট ত্বালক (রাযিঃ) এর বর্ণিত হাদীসের জন্য লজ্জাস্থানে হাত লাগালে ওযু করা পছন্দনীয়; ওয়াজিব নয়। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; ইমাম শাফিঈ (রহঃ) কিয়াস না করার কারণে বুসরাহ বিনত সাফওয়ান (রাযিঃ) এর হাদীসের অনুসরণ করে (লজ্জাস্থান) স্পর্শ করলে ওযু করা ওয়াজিব বলেছেন। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; আমিও ইমাম শাফিঈর নির্দেশানুযায়ী অবস্থান রাখছি। কেননা; ‘আরওয়াহ বুসরাহ (রাযিঃ) থেকে এই হাদীস শুনেছেন। কিছু আ’লিম বলেন; এই হাদীস অধিকাংশের ভর্ৎসনার জন্য যঈফ।
★সনদ সহীহ। আবুদাঊদ হাঃ ১৮২; ১৮৩; তিরমিযী হাঃ ৮৫; ইবনুমাজাহ হাঃ ৪৮৩;
ব্যাখ্যা :
লজ্জাস্থানে যদি কাপড়ের উপর দিয়ে হাত লাগে তবে ওযু ভাঙ্গে না। কিন্তু লজ্জাস্থানে কোন পর্দা কাপড় ব্যতীত সরাসরি স্পর্শ করলে ওযু ভঙ্গ হয়ে যায়। এর সমর্থনে আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে রিওয়াআত আছে যে; রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন; “যখন তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি নিজ হাত নিজ লজ্জাস্থানে নিয়ে যায় এবং হাত ও লজ্জস্থানের মাঝে কোন আড়াল বা পর্দা না থাকে; তাহলে সে যেন ওযু করে” (ইবনু হিব্বান হাঃ ১১১৮; দারাকৎনী হাঃ ৫৩ সনদ সহীহ)।
পুরুষ-নারী উভয়ই এই নির্দেশের অন্তর্ভুক্ত। আব্দুল্লাহ বিন উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে; নাবী (সাঃ) বলেছেন: “যে পুরুষ তার লজ্জস্থানকে স্পর্শ করবে সে যেন ওযু করে; আর যে নারী তার লজ্জাস্থানকে হাত লাগাবে সে যেন ওযু করে” (বায়হাকী ১/১৩২; আহমাদ ২/২২৩; দারাকুৎনী হাঃ ৫৪; সহীহুল জামে হাঃ ২৭২৫)।
ছোট বাচ্চাদের লজ্জাস্থানে হাত লাগলেও ওযু ভেঙ্গে যায়। অতএব সঊদী ফাৎওয়া কমিটির ফাৎওয়া রয়েছে যে; সবার উপর এটা ওয়াজিব যে; বিনা পর্দায় লজ্জস্থানে হাত লাগলে ওযু ভেঙ্গে যায়; যেকোন ব্যক্তির লজ্জাস্থানে হাত লাগালেই তা ভেঙ্গে যায়। সে ছোট হোক বা বড় হোক।  কেননা নাবী (সাঃ) বলেছেন: “যে ব্যক্তি নিজ লজ্জাস্থানে হাত লাগাবে সে যেন ওযু করে”। কারো লজ্জাস্থানে হাত দেওয়া নিজ লজ্জাস্থানে হাত দেওয়ারই মত (ফাৎওয়া আল-লাজনা আদ-দাঈমা; ফাৎওয়া নং ৭/২৫১)।

26-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟْﻤُﺤْﺪِﺙَ ﻻَ ﻳَﺠِﺐُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ اﻟْﻮُﺿُﻮءُ ﻗَﺒْﻞَ ﻭَﻗْﺖِ اﻟﺼَّﻼَﺓ

অধ্যায় ২৬: সেই বিষয়ের প্রমাণ এর বর্ণনা যে; বিনা ওযুকারীর উপর স্বলাতের ওয়াক্তের পূর্বে ওযু করা ওয়াজিব হয় না।

35 – ﺛﻨﺎ ﻳَﻌْﻘُﻮﺏُ ﺑْﻦُ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢَ، ﻭَﺯِﻳَﺎﺩُ ﺑْﻦُ ﺃَﻳُّﻮﺏَ، ﻭَﻣُﺆَﻣَّﻞُ ﺑْﻦُ ﻫِﺸَﺎﻡٍ ﻗَﺎﻟُﻮا: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺇِﺳْﻤَﺎﻋِﻴﻞُ ﻭَﻫُﻮَ اﺑْﻦُ ﻋُﻠَﻴَّﺔَ ﻗَﺎﻝَ ﺯِﻳَﺎﺩٌ: ﻗَﺎﻝَ: ﺛﻨﺎ ﺃَﻳُّﻮﺏُ، ﻭَﻗَﺎﻝَ اﻵْﺧَﺮَاﻥِ، ﻋَﻦْ ﺃَﻳُّﻮﺏَ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻣُﻠَﻴْﻜَﺔَ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ، ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺧَﺮَﺝَ ﻣِﻦَ اﻟْﺨَﻼَءِ ﻓَﻘُﺮِّﺏَ ﺇِﻟَﻴْﻪِ ﻃَﻌَﺎﻡٌ ﻓَﻘَﺎﻟُﻮا: ﺃَﻻَ ﻧَﺄْﺗِﻴﻚَ ﺑِﻮَﺿُﻮءٍ؟ ﻓَﻘَﺎﻝَ: «§ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺃُﻣِﺮْﺕُ ﺑِﺎﻟْﻮَﺿُﻮءِ ﺇِﺫَا ﻗُﻤْﺖُ ﺇِﻟَﻰ اﻟﺼَّﻼَﺓِ» ﻭَﻗَﺎﻝَ اﻟﺪَّﻭْﺭَﻗِﻲُّ: «ﻟِﻠﺼَّﻼَﺓِ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

৩৫: ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে; রসূলল্লাহ (সাঃ) পায়খানা হতে বেরিয়ে এলে তার সামনে খাবার আনা হল। সাহাবায়েকিরামগণ বলল; আমরা কি আপনার জন্য ওযুর পানি নিয়ে আসবো?  তিনি বললেন: “নিশ্চয় আমাকে ওযু করার আদেশ সেয় সময় দেওয়া হয়েছে যখন আমি স্বলাতের জন্য দাঁড়ায়”। দূরকীর রিওয়াআতে ﺇِﻟَﻰ اﻟﺼَّﻼَﺓِ এর স্থলে ﻟِﻠﺼَّﻼَﺓِ শব্দ আছে।
★সনদ সহীহ। তিরমিযী হাঃ ১৮৪৭; নাসাঈ হাঃ ১৩২.
ব্যাখ্যা :
স্বলাত ব্যতীত অন্য কোন আমলের জন্য ওযু করা জরুরী নয়। ‘আলিমগণের এবিষয়ে ইজমা (ঐক্যমত) রয়েছে যে; বিনা ওযুকারী ব্যক্তির জন্য খাওয়া; পান করা; আল্লাহ সুবহানাহু তা’য়ালার যিকর করা; ক্বুরআন তিলাওয়াত করা বৈধ। আর পবিত্রতা অর্জন (ওযু) ব্যতীত এগুলোর মধ্যে কোনটায় করা মাকরুহ (অপছন্দনীয়) নয় (নাববী ২/৬৮)।