এসো হাদিস পড়ি ?
এসো হাদিস পড়ি ?
হাদিস অনলাইন ?

বিশ্বের সব থেকে বড় লাইব্রেরি

মোট এক লাখ ১০ হাজার বর্গমিটারের বিশাল জায়গা নিয়ে ইরানের রাজধানী তেহরানে নির্মিত হয়েছে তেহরান বুক গার্ডেন।এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় লাইব্রেরি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।তেহরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় আব্বাসাবাদ হিলস-এ নির্মিত এই লাইব্রেরিটিতে বইয়ের দৃষ্টি আকর্ষক প্রদর্শনীর সঙ্গে রয়েছে একটি আর্ট গ্যালারি এবং ১০টির মতো থিয়েটার ও অ্যাম্ফিথিয়েটার।এখানে শিশুদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে একটি বিশেষ সেকশন। যেখানে থাকবে তাদের পাঠোপযোগী বই। নিউজ উইকের এক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, শুধু শিশুদের জন্যই রয়েছে চার লাখ বইয়ের বিশাল সংগ্রহ।

এই লাইব্রেরিতে রয়েছে মুভি থিয়েটার, সায়েন্স হল, ক্লাসরুম, একটি রেস্টুরেন্ট এবং একটি প্রার্থনাঘর। আর মনোরম পরিবেশে পড়ার জন্য লাইব্রেরির ছাদে রয়েছে সবুজ পার্ক।চলতি বছরের জুলাইয়ে উদ্বোধনের সময় তেহরানের মেয়র মোহাম্মদ বাকার ক্বালীবাফ বলেছিলেন, এটি আমাদের দেশের জন্য একটি বড় সাংস্কৃতিক আয়োজন। এই সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক সুযোগ গ্রহণ করে শিশুরা যথাযথ ভাবে বেড়ে উঠবে।তেহরান বুক গার্ডেন প্রতিষ্ঠার প্রথম প্রস্তাব এসেছিল ২০০৪ সালে। তেহরান আন্তর্জাতিক বইমেলার আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তার কারণে এই প্রস্তাবটি এসেছিল। বিভিন্ন বই বাজেয়াপ্ত ও নিষিদ্ধ করা নিয়ে ইরানকে আগে সমালোনার শিকার হতে হয়েছে। সম্প্রতি ইরানের  দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আসছে বলে মনে করা হচ্ছে।

গত ২০১৫ সালের তেহরান আন্তর্জাতিক বইমেলাতে শীর্ষ প্রকাশকদের সঙ্গে কথা বলেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনী। এর মাধ্যমে এই ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়েছিল যে ইসলামিক রিপাবলিকে প্রকাশনার যে বিধি-বিধান রয়েছে তা  শিথিল হচ্ছে। দ্য ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে হাসান রুহানীর সরকারের ব্যাপক প্রশংসা করা হয়েছে।গিনেজ বিশ্ব রেকর্ড অনুযায়ী, ১৯৯৯ সালের পর থেকে বিশ্বের সব থেকে বড় লাইব্রেরি হচ্ছে নিউইয়র্ক শহরের ফিফথ এভিনিউয়ের বার্নেস এন্ড নোবেল। এটি প্রায় এক লাখ ৫৪ হাজার স্কয়ার ফিট জায়গা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত। যেখানে ১২ মাইল দীর্ঘ জায়গা জুড়ে বই রাখার জন্য ব্যবহৃত সেলফ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই লাইব্রেরি থেকে তেহরান বুক গার্ডেন প্রায় তিনগুন বড়।