এসো হাদিস পড়ি ?
এসো হাদিস পড়ি ?
হাদিস অনলাইন ?

যাকাত বণ্টনের খাত ৮ টি


মহান আল্লাহ তা‘আলা পবিত্র কুরআন মাজীদে যাকাত প্রদানের ৮টি খাত উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন,

Nma alsdqat llfqra 'valmsakyn valamlyn valmvlfh qlvbhm vfy alrqab valgharmyn vfy জাঁ ডি fryzh আল্লাহ সর্বজ্ঞ ঈশ্বর Nasri hkym- vabn পথ উপরে

‘নিশ্চয়ই ছাদাক্বাহ্ (যাকাত) হচ্ছে ফকীর ও মিসকীনদের জন্য এবং এতে নিয়োজিত কর্মচারীদের জন্য, আর যাদের অন্তর আকৃষ্ট করতে হয় তাদের জন্য; (তা বণ্টন করা যায়) দাস আযাদ করার ক্ষেত্রে, ঋণগ্রস্তদের মধ্যে, আল্ল­াহর রাস্তায় এবং মুসাফিরদের মধ্যে। এটি আল্লাহর পক্ষ হতে নির্ধারিত, আর আল্লাহ  মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়’ (তওবা ৯/৬০)

উক্ত আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা যাকাত প্রদানের ৮টি খাত উল্লেখ করেছেন। নিম্নে প্রত্যেকটি খাত আলাদাভাবে আলোচনা করা হল-

(১) ফকীর : নিঃসম্বল ভিক্ষাপ্রার্থী। যাকে আল্লাহ তা‘আলা যাকাতের ৮টি খাতের প্রথমেই উল্লেখ করেছেন। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) প্রতিনিয়ত দারিদ্র্য থেকে আল্লাহর নিকটে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। তিনি বলতেন, اللَّهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْكُفْرِ وَالْفَقْرِ ‘ হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট কুফরী ও দারিদ্র্য থেকে আশ্রয় চাচ্ছি’।[1] অতএব ফকীর যাকাতের মাল পাওয়ার হকদার। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

إن تبدوا الصدقات فنماما وإن تخفوها وتؤتوها الفقراء فهو خير لكم-  

‘তোমরা যদি প্রকাশ্যে ছাদাক্বাহ প্রদান কর তবে উহা ভাল; আর যদি তা গোপনে কর এবং দরিদ্রদেরকে দাও তা তোমাদের জন্য আরো ভাল’ (বাক্বারাহ ২/২৭১)

রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন,

أن الله افترض عليهم صدقة في أموالهم, تأخذ من أغنيائهم وترد على فقرائهم-

‘আল্লাহ তা‘আলা তাদের উপর তাদের সম্পদে ছাদাক্বাহ্ (যাকাত) ফরয করেছেন। যেটা তাদের ধনীদের নিকট থেকে গৃহীত হবে আর তাদের দরিদ্রের মাঝে বণ্টন হবে’।[2]

(২) মিসকীন : যাকাত প্রদানের ৮টি খাতের মধ্যে দ্বিতীয় খাত হিসাবে আল্লাহ তা‘আলা মিসকীনকে উল্লেখ করেছেন। আর মিসকীন হল ঐ ব্যক্তি যে নিজের প্রয়োজন মিটাতেও পারে না, মুখ ফুটে চাইতেও পারে না। বাহ্যিকভাবে তাকে সচ্ছল বলেই মনে হয়। হাদীছে এসেছে,

আবু Hurayrah রা আল্লাহর রসূল, শান্তি যে হতে পারে পরে তার বলেন দরিদ্র, roams যারা মানুষ তাকে গ্রাস Alalghemtan এবং Altmrh এবং Altmrtan চাই, কিন্তু দরিদ্র যারা ধন কমই প্রয়োজন খুঁজে পাচ্ছি না, না এটা Visedk দ্বারা অলক্ষিত, এবং মানুষ-Visol না

আবু হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, এমন ব্যক্তি মিসকীন নয় যে এক মুঠো-দু’মুঠো খাবারের জন্য বা দুই একটি খেজুরের জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ায় এবং তাকে তা দেওয়া হলে ফিরে আসে। বরং প্রকৃত মিসকীন হল সেই ব্যক্তি যার প্রয়োজন পূরণ করার মত যথেষ্ট সঙ্গতী নেই। অথচ তাকে চেনাও যায় না যাতে লোকে তাকে ছাদাক্বাহ্ করতে পারে এবং সে নিজেও মানুষের নিকট কিছু চায় না।[3]

(৩) যাকাত আদায়কারী ও হেফাযতকারী : আল্লাহ তা‘আলা যাকাত প্রদানের তৃতীয় খাত হিসাবে ঐ ব্যক্তিকে উল্লেখ করেছেন, যে ব্যক্তি যাকাত আদায়, হেফাযত ও বণ্টনের কাজে নিয়োজিত। অতএব উক্ত ব্যক্তি সম্পদশালী হলেও সে চাইলে যাকাতের অংশ গ্রহণ করতে পারবে।[4]

হাদীছে এসেছে,

ইবন আল-সাদি আল মালিকি যে Astamlna উমর ইবনুল খাত্তাব আল্লাহ সে যখন তাদেরকে সম্পন্ন এবং Odatha তাকে শ্রম আমি বললাম আদেশ, কিন্তু আমি ঈশ্বরের কাছে কাজ করেন এবং ঈশ্বরের কাছে প্রণীত, তিনি বলেন, নিতে কি দেওয়া হয়েছিল, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সময় কাজ করেন, সা Fmlna আমি বললাম, তোমার মত বলছি, তিনি বলেন দাতব্য তাকে সন্তুষ্ট হতে পারে, আল্লাহর রসূল (সাঃ) বলেছেন: "আপনি যদি কিছু দেন,

ইবনু সায়ে‘দী আল-মালেকী (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ওমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) আমাকে যাকাত আদায়কারী হিসাবে নিযুক্ত করলেন। যখন আমি কাজ শেষ করলাম এবং তাঁর কাছে পৌঁছিয়ে দিলাম তখন তিনি নির্দেশ দিলেন আমাকে পারিশ্রমিক দেওয়ার জন্য। আমি বললাম, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যই আমি ইহা করেছি। সুতরাং আমি আল্লাহর নিকট থেকেই এর প্রতিদান নেব। তিনি বললেন, আমি যা দিচ্ছি তা নিয়ে নাও। কেননা আমিও রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর সময় যাকাত আদায়কারীর কাজ করেছি। তখন তিনিও আমাকে পারিশ্রমিক প্রদানের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তখন আমিও তোমার মত এরূপ কথা বলেছিলাম। রাসূল (ছাঃ) আমাকে বলেছিলেন, যখন তুমি না চাওয়া সত্ত্বেও তোমাকে কিছু দেওয়া হয়, তখন তুমি তা গ্রহণ কর। তুমি তা নিজে খাও অথবা ছাদাক্বাহ্ কর।[5]

অন্য হাদীছে এসেছে,

আতা ইবনে ইয়াসার আল্লাহর রসূল, শান্তি যে উপরে তাকে খয়রাত ধন শুধুমাত্র ঈশ্বরের জন্য পাঁচটি গ্যাস জন্য সমাধান করা যেতে পারে বা বিবেচনার তাদের বা Garm বা মানুষ তার অর্থ বা একজন মানুষ যিনি তার প্রতিবেশী দরিদ্র এবং দরিদ্র Vohdaha দরিদ্র থেকে ধনী হয়ে যাওয়ার দাতব্য দিতে দিয়ে কেনা

আতা ইবনু ইয়াসার (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, সম্পদশালী ব্যক্তির জন্য যাকাত গ্রহণ হালাল নয়। তবে পাঁচ শ্রেণীর ধনীর জন্য তা জায়েয। (১) আল্লাহর পথে জিহাদরত ব্যক্তি। (২) যাকাত আদায়ে নিয়োজিত কর্মচারী। (৩) ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি। (৪) যে ব্যক্তি যাকাতের মাল নিজ মাল দ্বারা ক্রয় করেছে এবং (৫) মিসকীন প্রতিবেশী তার প্রাপ্ত যাকাত থেকে ধনী ব্যক্তিকে উপঢৌকন দিয়েছে।[6]

(৪) ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য কোন অমুসলিমকে যাকাত প্রদান করা : ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে অথবা কোন অনিষ্ট বা কাফেরের ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়ার লক্ষ্যে কোন অমুসলিমকে যাকাতের অর্থ প্রদান করা যায়।[7]

হাদীছে এসেছে,

আল্লাহ আনহু হতে পারে আবু সাঈদ আল-পাঠিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাটি একটি ইয়েমেনি Bzhbh, সা আল্লাহর এই রসূল ভাগ, শান্তি চার পুরুষদের আকরা ইবনে Habis Alhandaly এবং Uyaynah বিন বদর Fazari এবং Alqamah বিন Alath আমরি মধ্যে তাকেই দায়ী করা হবে তারপর কুকুর এবং যায়েদ ভালো এক ছেলের তারপর এক Taei বানি নাভান Vgillt কুরাইশ তারা বলেছিল বলেন, আমরা দেওয়া Snaded খুঁজে এবং আমাদের দিন রসূল ই আল্লাহ সা কিন্তু আমি Otofahm দাড়ি মানুষ খস্খসে মোশাররফ চীক্স আঠাযুক্ত চোখ কপাল চাঁচা মাথা protruding বলল করেছিল ভয় ঈশ্বর, হে মুহাম্মাদ বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আল্লাহ তাকে আশীর্বাদ পারে এবং এটি আল্লাহর Asith যে আনুগত্য Oaomanana

আবু সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আলী (রাঃ) নবী (ছাঃ)-এর নিকট কিছু স্বর্ণের টুকরো পাঠালেন। তিনি তা চার ব্যক্তির মাঝে বণ্টন করে দিলেন। (১) আল-আকরা ইবনু হানযালী যিনি মাজায়েশী গোত্রের লোক ছিলেন। (২) উআইনা ইবনু বাদার ফাযারী। (৩) যায়েদ ত্বায়ী, যিনি পরে বনী নাবহান গোত্রের ছিলেন। (৪) আলকামাহ ইবনু উলাছাহ আমেরী, যিনি বনী কিলাব গোত্রের ছিলেন। এতে কুরাইশ ও আনসারগণ অসন্তুষ্ট হলেন এবং বলতে লাগলেন, নবী (ছাঃ) নজদবাসী নেতৃবৃন্দকে দিচ্ছেন আর আমাদেরকে দিচ্ছেন না। তখন নবী (ছাঃ) বললেন, আমি তো তাদেরকে আকৃষ্ট করার জন্য এমন মনরঞ্জন করছি। তখন এক ব্যক্তি সামনে এগিয়ে আসল, যার চোখ দু’টি কোটরাগত, গন্ডদ্বয় ঝুলে পড়া, কপাল উঁচু, ঘন দাড়ি এবং মাথা মোড়ানো ছিল। সে বলল, হে মুহাম্মাদ! আল্লাহকে ভয় করুন। তখন তিনি বললেন, আমিই যদি নাফরমানী করি তাহলে আল্লাহর আনুগত্য করবে কে? আল্লাহ আমাকে পৃথিবীবাসীর উপর আমানতদার বানিয়েছেন, আর তোমরা আমাকে আমানতদার মনে করছ না। তখন এক ব্যক্তি তাঁর নিকট তাকে হত্যা করার অনুমতি চাইল। (আবু সা‘ঈদ (রাঃ) বলেন, আমি তাকে খালিদ ইবনু ওয়ালিদ বলে ধারণা করছি। কিন্তু নবী (ছাঃ) তাকে নিষেধ করলেন। অতঃপর যখন অভিযোগকারী লোকটি ফিরে গেল, তখন নবী (ছাঃ) বললেন, এ ব্যক্তির বংশ হতে বা এ ব্যক্তির পরে এমন কিছু সংখ্যক লোক হবে তারা কুরআন পড়বে, কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। দ্বীন হতে তারা এমনভাবে বের হয়ে যাবে যেমনি ধনুক হতে তীর বেরিয়ে যায়। তারা ইসলামের অনুসারীদেরকে হত্যা করবে আর মুর্তি পূজারীদেরকে হত্যা করা থেকে বিরত থাকবে। আমি যদি তাদেরকে পেতাম তাহলে তাদেরকে আদ জাতির মত অবশ্যই হত্যা করতাম।[8]

(৫) দাস মুক্তির জন্য : যারা লিখিত কোন চুক্তির বিনিময়ে দাসে পরিণত হয়েছে। তাদেরকে মালিকের নিকট থেকে ক্রয়ের মাধ্যমে মুক্ত করার লক্ষ্যে যাকাতের অর্থ প্রদান করা যায়। অনুরূপভাবে বর্তমানে কোন মুসলিম ব্যক্তি অমুসলিমদের হাতে বন্দি হলে সে ব্যক্তিও এই খাতের অন্তর্ভুক্ত হবে।[9]

হাদীছে এসেছে,

বারা বলেন একজন মানুষ আল্লাহ শান্তি-রসূল এসেছিলেন তাঁর উপর করা, বলেন ডিলানে কাজ আমাকে জান্নাতের এবং আগুনের Abaeidna কাছে নিয়ে আসে, যখন আমি Oqsrt ধর্মোপদেশ আমি বিষয়টি বিমুখ স্বাধীনতা দেত্তয়া Nassma ঘাড় খুলে ফেলা বললেন, হে আল্লাহর রসূল Olisa এক বলেন কোন মুক্ত Aura বলেন যে Batgaha স্বতন্ত্রতা ও ঘাড়ে ডিকোডিং যে মূল্য এবং অনুদান মধ্যে, এজেন্ট এবং এজেন্ট জঘন্য জরায়ু নির্ধারিত হয় আপনার জিহ্বা শুধুমাত্র ভাল -

বারা ইবনু আযেব (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিকট এসে বলল, আমাকে এমন একটি আমল বলে দিন যা আমাকে জান্নাতের নিকটবর্তী করবে এবং জাহান্নাম থেকে দূরে রাখবে। রাসূল (ছাঃ) বললেন, প্রশ্ন তো তুমি অল্প কথায় বলে ফেললে; কিন্তু তুমি অত্যন্ত ব্যাপক বিষয় জানতে চেয়েছ। তুমি একটি প্রাণী আযাদ করে দাও এবং একটি দাস মুক্ত করে দাও। লোকটি বলল, এ উভয়টি কি একই কাজ নয়? তিনি বললেন, না (উভয়টি এক নয়)। কেননা একটি প্রাণী আযাদ করার মানে হল, তুমি একাকী গোটা প্রাণীকে মুক্ত করে দিবে। আর একটি দাস মুক্ত করার অর্থ হল, তার মুক্তির জন্য কিছু মূল্য প্রাদানের মাধ্যমে সাহায্য করবে। (এদ্ভিন্ন জান্নাতে প্রবেশকারী কাজের মধ্যে অন্যতম হল) প্রচুর দুধ প্রদানকারী জানোয়ার দান করা এবং এমন নিকটতম আত্নীয়ের প্রতি অনুগ্রহ করা, যে তোমার উপর অত্যাচারী। যদি তুমি এ সমস্ত কাজ করতে সক্ষম না হও, ক্ষুদার্থকে খাদ্য দান কর এবং পিপাসিতকে পানি পান করাও। সৎ কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজ হতে নিষেধ কর। আর যদি তোমার দ্বারা এ কাজ করাও সম্ভব না হয়, তবে কল্যাণকর কথা ব্যতীত অন্য কথা থেকে তোমার জিহবাকে সংযত রাখ।[10]

উল্লিখিত হাদীছে ইসলাম দাসমুক্তিকে জান্নাত লাভের বিশেষ মাধ্যম হিসাবে উল্লেখ করেছে। আর দাসমুক্তির জন্য যেহেতু প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয়, সেহেতু আল্লাহ তা‘আলা ইসলামী অর্থনীতির প্রধান উৎস যাকাত বণ্টনের খাত সমূহের মধ্যে দাসমুক্তিকে উল্লেখ করেছেন।

(৬) ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি : ঋণগ্রস্ত ব্যক্তিকে তার ঋণ থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে যাকাত প্রদান করা যাবে। হাদীছে এসেছে,

আমাদের সম্পর্কে Qusaybah বেন Mukhaariq হিলালি জানান চাবুক বিরক্ত এবং আমি আল্লাহর রসূল, সা এবং যেখানে তিনি বলেন তাকে জিজ্ঞাসা, আমি তাই আমাদের কাছে আসে না দাতব্য Venomr আপনি খুঁজে বলেছেন, তারপর তিনি বলেন আনা Qusaybah যে সমস্যা শুধুমাত্র তিন ব্যক্তি বহন চাবুক জন্য সমাধান করা যেতে পারে বরাবর তার ব্যাপার এসে পর্যন্ত এটি আঘাত এবং তারপর মানুষ একটি পৃথিবীব্যাপি দ্বারা আঘাত ধরা তার সম্পদ ধীরে ধীরে ধীরে ধীরে ধীরে ধীরে ধীরে ধীরে ধীরে ধীরে ধীরে ওঠে এমন সময় একজন লোক privations আঘাত না হওয়া পর্যন্ত তাঁর লোকেদের Ahadja সঙ্গে তিন মানুষ তাকে তাই এবং তাই আঘাত করেছেন যতক্ষণ না জীবনযাত্রার উপর প্রভাব বা সহায় নিষ্পত্তির বসবাসকারী বলেন সাদা নারী কি কোন ব্যাপার Qusaybah হে সানা তার মালিকের Sana- খায় privations বরাবর ব্যাপার এসে  

কাবীছা ইবনু মাখারেক (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার আমি কিছু ঋণের যিম্মাদার হয়েছিলাম। অতএব এ ব্যাপারে কিছু চাওয়ার জন্য আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিকট গেলাম। তিনি আমাকে বললেন, (মদ্বীনায়) আবস্থান কর যতক্ষণ পর্যন্ত আমার নিকট যাকাতের মাল না আসে। তখন আমি তা হতে তোমাকে কিছু দেওয়ার নির্দেশ দান করব। অতঃপর রাসূল (ছাঃ) বললেন, মনে রেখ হে কাবীছা! তিন ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কারো জন্য (যাকাতের মাল হতে) সাহায্য চাওয়া হালাল নয়। (১) যে ব্যক্তি কোন ঋণের যিম্মাদার হয়েছে তার জন্য (যাকাতের মাল হতে) সাহায্য চাওয়া হালাল যতক্ষণ না সে তা পরিশোধ করে। তারপর তা বন্ধ করে দিবে। (২) যে ব্যক্তি কোন বালা মুছীবতে আক্রান্ত হয়েছে যাতে তার সম্পদ ধ্বংস হয়ে গেছে তার জন্য (যাকাতের মাল হতে) সাহায্য চাওয়া হালাল যতক্ষণ না তার প্রয়োজন পূর্ণ করার মত অথবা তিনি বলেছেন, বেঁচে থাকার মত কোন কিছু লাভ করে এবং (৩) যে ব্যক্তি অভাবগ্রস্ত হয়েছে এমনকি তার প্রতিবেশীদের মধ্যে জ্ঞান-বুদ্ধি সম্পন্ন তিন জন ব্যক্তি তার দারিদ্র্যের ব্যাপারে সাক্ষী প্রদান করেছে তার জন্য (যাকাতের মাল থেকে) সাহায্য চাওয়া হালাল যতক্ষণ না সে তার জীবিকা নির্বাহের মত অথবা তিনি বলেছেন, বেঁচে থাকার মত কিছু লাভ করে। হে কাবীছা! এরা ব্যতীত যারা (যাকাতের মাল থেকে) চায় তারা হারাম খাচ্ছে।[11]

(৭) আল্লাহর রাস্তায় : আল্লাহর দ্বীনকে সমুন্নত করার লক্ষ্যে যে কোন ধরনের প্রচেষ্টা ‘ফী সাবীলিল্লাহ’ বা আল্লাহর রাস্তার অন্তর্ভুক্ত। জিহাদ, দ্বীনী ইলম অর্জনের যাবতীয় পথ এবং দ্বীন প্রচারের যাবতীয় মাধ্যম এ খাতের অন্তর্ভুক্ত। হাদীছে এসেছে,

আতা ইবনু ইয়াসার (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, সম্পদশালী ব্যক্তির জন্য যাকাত গ্রহণ হালাল নয়। তবে পাঁচ শ্রেণীর ধনীর জন্য তা জায়েয। (১) আল্লাহর পথে জিহাদরত ব্যক্তি। (২) যাকাত আদায়ে নিয়োজিত কর্মচারী। (৩) ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি। (৪) যে ব্যক্তি যাকাতের মাল নিজ মাল দ্বারা ক্রয় করেছে এবং (৫) মিসকীন প্রতিবেশী তার প্রাপ্ত যাকাত থেকে ধনী ব্যক্তিকে উপঢৌকন দিয়েছে।[12]

(৮) মুসাফির : সফরে গিয়ে যার পাথেয় শেষ হয়ে গেছে সে ব্যক্তিকে যাকাতের অর্থ প্রদান করে বাড়ী পর্যন্ত পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে যাকাতের অর্থ দান করা যাবে। এক্ষেত্রে উক্ত মুসাফির সম্পদশালী হলেও তাকে যাকাত প্রদান করা যাবে।

শক্তিশালী ও কর্মক্ষম ব্যক্তির যাকাতের মাল ভক্ষণের হুকুম


শক্তিশালী ও কর্মক্ষম ব্যক্তির জন্য যাকাতের মাল ভক্ষণ করা বৈধ নয়। হাদীছে এসেছে,

নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:

আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী (ছাঃ) বলেছেন, ‘সম্পদশালী ব্যক্তির জন্য যাকাত হালাল নয় এবং সুস্থ-সবল ব্যক্তির জন্যও হালাল নয়’।[1] অন্য হাদীছে এসেছে,

তিনি আল-আদি বিন alkhyar khbrny rjlan nhma athiya নবীর নবী বিদায় কোনো প্রমাণ yqsm alsdqh fsalah katba FRF আমাদের, albsr vkhfzh jldyn fqal এটা ভাঁজা cxinvali shytma tytkma নিজেদের তাতে ভিলা ভিলা lghny খুশী বলেন lqvy mktsb-

আদী ইবনুল খিয়ার (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘দুই ব্যক্তি আমাকে বর্ণনা করেছেন যে, তারা বিদায় হজ্জের সময় রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিকট আসলেন। তখন তিনি ছাদাকাহ্ (যাকাত) বণ্টন করছিলেন। তারা উভয়ে তাঁর নিকট (যাকাত) থেকে কিছু চাইলেন। তিনি আমাদের দিকে চোখ তুলে তাকালেন এবং নীচু করলেন। তিনি দেখলেন, আমরা দু’জনই স্বাস্থবান। তিনি বললেন, যদি তোমরা চাও আমি তোমাদেরকে দিব। তবে তাতে বিত্তশালীর এবং কোন শক্তিশালী ও কর্মক্ষম ব্যক্তির অংশ নেই’।[2]

পিতা-মাতাকে যাকাত দেওয়ার বিধান


পিতা-মাতাকে যাকাতের মাল দেওয়া জায়েয নয়। কেননা সন্তান-সন্তুতি ও তার সম্পদ মূলত পিতা-মাতারই। এছাড়া সন্তানের উপর একান্ত কর্তব্য হল, তার সম্পদ থেকে পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ বহন করা। হাদীছে এসেছে,

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হে আল্লাহর রসূল, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)

আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি নবী (ছাঃ)-এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)! আমার সম্পদ ও সন্তান রয়েছে। আমার পিতা আমার সম্পদের মুখাপেক্ষী। তিনি বললেন, তুমি এবং তোমার সম্পদ তোমার পিতার জন্য। তোমাদের সন্তানেরা তোমাদের উত্তম উপার্জন। সুতরাং তোমরা তোমাদের সন্তানদের উপার্জন থেকে ভক্ষণ কর।[1]

নিজের স্বামীকে যাকাত দেওয়ার বিধান


স্ত্রী যাদি নিছাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়। আর তার স্বামী যদি দরিদ্র হয় তাহলে সে তার স্বামীকে যাকাত দিতে পারে। হাদীছে এসেছে,

আল যয়নব emarat আব্দুল্লাহ Knut qalt কোন মসজিদ frayt নবীর মুহাম্মাদ fqal tsdqn উইলো ডি hlykn vkant যয়নব tnfq আলী আব্দুল্লাহ কোন hjrha vaytam, মিসেস fqalt LBD ঈশ্বর Sul করতে নবী মুহাম্মদ বয়সের উন্নি তাদের nfq শান্তি vly Etham কোন আশ্রয়স্থল ডি alsdqh fqal অন্ত্রের স্টেম নবী মুহাম্মদ fantlqt স্মার্ট নবীর মুহাম্মাদ আনসারী fvjdt ডি emarat লি albab, মুক্তিদান মত hajtha, fmr এলেনা বিলাল fqlna Sul করতে নবীর মুহাম্মদ আলী বহুগামী বয়সের উন্নি তাদের nfq vaytam লি কোন আশ্রয়স্থল vqlna লা tkhbr fdkhl fsalh fqal ডি Sundra বলেন তৈরী যয়নব আব্দুল বললেন, হে alzyanb বললেন, emarat

আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর স্ত্রী যয়নব (রাঃ) বলেন, আমি মসজিদে নববীতে ছিলাম। আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে দেখলাম, তিনি বললেন, তোমরা ছাদাক্বাহ্ কর যদিও তোমাদের অলংকার থেকে হয়। আর যয়নব (তাঁর স্বামী) আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ ও তাঁর কোলের এতীমদের জন্য ব্যয় করতেন (যাকাত দিতেন)। তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)-কে বললেন, রাসূল (ছাঃ)-কে জিজ্ঞেস করুন, আমি যদি যাকাতের মাল আপনার জন্য এবং আমার কোলের এতীমদের জন্য ব্যয় করি তাহলে যথেষ্ট হবে কি? আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) বললেন, বরং তুমি নিজেই জিজ্ঞেস কর। তখন আমি নবী (ছাঃ)-এর নিকট গেলাম। দেখলাম আরেকজন আনসারী মহিলা দরজায় অপেক্ষা করছে, সেও আমার ন্যায় প্রয়োজনবোধে এসেছে। এমতাবস্থায় আমাদের নিকট দিয়ে বেলাল (রাঃ) অতিক্রম করছিলেন। আমরা বললাম, নবী (ছাঃ)-কে জিজ্ঞেস করুন, আমি যদি আমার স্বামী এবং আমার কোলের এতীমদের যাকাত দেই তাহলে কি আমার যাকাত আদায় হবে? আর তাঁকে (রাসূল) আমাদের বিষয়ে বল না। বেলাল (রাঃ) গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, তখন তিনি বললেন, তারা কারা? বেলাল (রাঃ) বললেন, যয়নব। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, কোন যয়নব? বেলাল (রাঃ) বললেন, তিনি হলেন, ইবনে মাসউদ (রাঃ)-এর স্ত্রী। তখন রাসূল (ছাঃ) বললেন, হ্যাঁ, তার জন্য দু’টি বিনিময় হবে। ছাদাক্বার বিনিময় এবং আত্নীয়তা রক্ষার বিনিময়।[1]

নিজের স্ত্রী ও সন্তানদেরকে যাকাত দেওয়ার বিধান


নিজের স্ত্রী ও সন্তানদেরকে যাকাতের সম্পদ দেওয়া যাবে না। হাদীছে এসেছে,

আল আবি hryrh বললেন, একনায়ক নবীর মুহাম্মাদ fqal rujul বা নবী বমি কুয়েতি fqal নিশ্চিত আলী নিজেই বলেছ, বমি পরিশেষে বললেন, নিশ্চিত আলী vldk বলেন, বমি পরিশেষে বললেন, নিশ্চিত আলী এস zvjtk বলেন balsdqh, zvjk বলেন, বমি অবশেষে বলেন, আলী khadmk নিশ্চিত قال عندى آخر قال أنت أبصر

আবু হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘নবী (ছাঃ) ছাদাক্বাহ্ করার নির্দেশ দিলেন। তখন এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)! আমার নিকট একটা দ্বীনার রয়েছে। তিনি বললেন, তা তোমার নিজের জন্য ব্যয় কর। লোকটি বলল, আমার নিকট অন্য একটি আছে। তিনি বললেন, তা তোমার সন্তানের জন্য ব্যয় কর। লোকটি বলল, আমার নিকট অন্য একটি আছে। তিনি বললেন, তা তোমার স্বামী অথবা স্ত্রীর জন্য ব্যয় কর। লোকটি বলল, আমার নিকট অন্য আরো একটি আছে। তিনি বললেন, তা তোমার খাদেমের জন্য ব্যয় কর। লোকটি বলল, আমার নিকট অন্য একটি আছে। তিনি বললেন, সে ব্যাপারে তুমি ভেবে-চিন্তে সিদ্ধান্ত নাও’।[1]

উল্লিখিত হাদীছ থেকে প্রমাণিত হয় যে, নিজের স্ত্রীর ভরণ-পোষণের দায়িত্ব স্বামীর উপর এবং পিতা হিসাবে সন্তানের ভরণ-পোষণের দায়িত্বও তার উপর। অতএব নিজের স্ত্রী ও সন্তানদেরকে যাকাত দেওয়া যাবে না।

নিকটাত্মীয়কে যাকাত দেওয়ার বিধান


কোন নিকটাত্মীয় প্রকৃতপক্ষে যাকাতের হকদার হলে তাকে যাকাত দেওয়া যাবে। এমনকি এতে দ্বিগুণ ছওয়াব অর্জিত হবে।

হাদীছে এসেছে,

হযরত সালমান ইবনে আমের (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: দরিদ্রদের দাতব্য দান দাতব্য দান, এবং এটা গর্ভাবস্থায়,

সালমান ইবনু আমের (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘মিসকীনকে ছাদাক্বাহ্ দিলে একটি ছাদাক্বাহ্ হয়। কিন্তু সে যদি রক্ত সম্পর্কীয় নিকটাত্মীয় হয়, তবে নেকী দ্বিগুণ হয়। (১) ছাদাক্বার নেকী (২) আত্মীয়তা রক্ষার নেকী’।[1]

অমুসলিমদেরকে যাকাত দেওয়ার বিধান


যাকাতের মাল কোন অমুসলিমকে দেওয়া শরী‘আত সম্মত নয়। কেননা শুধুমাত্র ধনী মুসলিমদের উপর যাকাত ফরয করা হয়েছে এবং গরীব মুসলিমদের মধ্যে তা বণ্টনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাসূল (ছাঃ) বলেছেন,

أن الله افترض عليهم صدقة في أموالهم, تأخذ من أغنيائهم وترد على فقرائهم-

‘আল্লাহ তা‘আলা তাদের উপর তাদের সম্পদে ছাদাক্বাহ্ (যাকাত) ফরয করেছেন। যেটা তাদের ধনীদের নিকট থেকে গৃহীত হবে আর তাদের দরিদ্রের মাঝে বণ্টন হবে’।[1]

যাকাতের টাকা দিয়ে মসজিদ ও গোরস্থান তৈরীর বিধান


যাকাতের টাকা দিয়ে মসজিদ ও গোরস্থান তৈরী করা বৈধ নয়। কারণ আল্লাহ তা‘আলা যাকাত বিতরণের খাতগুলি নির্ধারণ করে দিয়েছেন। যাকাত হল কেবল ফক্বীর, মিসকীন, যাকাত আদায়কারী কর্মচারী, যাদের অন্তর (ইসলামের দিকে) আকর্ষণ করা প্রয়োজন, দাস মুক্তির জন্য, ঋণগ্রস্ত, আল্লাহর রাস্তায় এবং মুসাফিরদের জন্য। এই হল আল্লাহর নির্ধারিত বিধান (তওবা ৯/৬০)। মসজিদ ও গোরস্থান উক্ত খাতের অন্তর্ভুক্ত নয়।

নিজের প্রদানকৃত যাকাতের মাল পুনরায় ক্রয় করার হুকুম


কোন ব্যক্তিকে যাকাত ও ছাদাক্বাহ্ প্রদানের পরে পুনরায় উক্ত দানকৃত মাল ক্রয় করা জায়েয নয়।

হাদীছে এসেছে,

জায়িদ ইবনে আসলাম বলেছেন: আমি শুনেছি ওমর আল্লাহর সাথে তাকে ঈশ্বরের দোহাই, Vodall যারা ছিল, আমি এটা কিনতে চেয়েছিলেন জন্য একটি ঘোড়া উপর বাহিত বলে সন্তুষ্ট হতে পারে, এবং আমি এটা সস্তা বিক্রি করবে, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসা করলেন, সা বলেন আর Sedktk মধ্যে কিনতে না, এবং Oattake দিরহাম, দারিদ্র্য ফেরত হিসাবে তার বমি ফিরে -

যায়েদ ইবনু আসলাম (রাঃ) বলেন, আমি ওমর (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, ‘আমার একটি ঘোড়া আল্লাহর পথে দান করলাম। যার কাছে ঘোড়াটি ছিল সে এর হক্ব আদায় করতে পারল না। তখন আমি তা ক্রয় করার ইচ্ছা করলাম। আমার ধারণা ছিল যে, সে তা কম মূল্যে বিক্রয় করবে। এ সম্পর্কে নবী (ছাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, তুমি তা ক্রয় করবে না এবং তোমার ছাদাক্বাহ্ ফিরিয়ে নিবে না যদিও সে তোমাকে তা এক দিরহামের বিনিময়ে দেয়। কেননা যে ব্যক্তি নিজের ছাদাক্বাহ্ ফিরিয়ে নেয় সে ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে নিজের বমি পুনরায় ভক্ষণ করে।[1]

নিজের প্রদানকৃত যাকাতের মালের ওয়ারিছ হলে তার হুকুম


যদি কোন ব্যক্তি এমন কাউকে যাকাত প্রদান করে, যার মৃত্যুর পরে সে উক্ত সম্পদের ওয়ারিছ হয়, তাহলে তার জন্য উক্ত ওয়ারিছ সূত্রে প্রাপ্ত সম্পদ ভক্ষণ জায়েয।

হাদীছে এসেছে

আবদুল্লাহ ইবনে বুরেদাহ বর্ণনা করেছেন যে, একজন মহিলা আল্লাহ্র রসূলের কাছে এসেছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন: "আমি আমার মাকে একটি সন্তান দিয়ে বিশ্বাস করতাম এবং সে মারা গিয়েছিল এবং আমি নবজাতককে ছেড়ে চলে গিয়েছিলাম।

বুরায়দাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত, এক মহিলা রাসূল (ছাঃ)-এর নিকট এসে বললেন, আমি আমার মাকে একটি দাসী দান করেছিলাম। আমার মা তাকে রেখে মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি বললেন, তুমি তোমার দানের নেকী পেয়ে গেছ এবং তা উত্তরাধিকার সূত্রে তোমার নিকট ফিরে এসেছে।[1]

ভুলবশত নির্ধারিত ৮ টি খাতের বাইরে প্রদান করলে যাকাত আদায় হবে কি?


ভুলবশত নির্ধারিত ৮ টি খাতের বাইরে যাকাত প্রদান করলে তা আদায় হয়ে যাবে। পুনরায় তা আদায় করতে হবে না।

হাদীছে এসেছে,

আল আবি hryrh আল-নবীর নবী বললেন, বললেন, rujul latsdqn উদ্ধৃত bsdqh fkhrj bsdqth fvzha কোন İyot zanyh fasbhva ythdsvn আরিফ উদ্ধৃত আলী zanyh বললেন, হে আউটলুক প্রশংসা আলী zanyh latsdqn bsdqh fkhrj bsdqth fvzha কোন İyot গনি fasbhva ythdsvn আরিফ আলী গনি বললেন, হে আউটলুক প্রশংসা আলী গনি latsdqn bsdqh fkhrj bsdqth fvzha ওয়াট İyot sarq fasbhva ythdsvn আরিফ আলী sarq fqal হে আউটলুক প্রশংসা গনি আলী vly vly zanyh sarq faty fqyl উপাদান উমা উমা sdqtk অভাব Kiblat alzanyh fllha tstf দেউলিয়া গনি আল znaha vll ytbr fynfq মাগো Tah

আবু হুরায়রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘এক ব্যক্তি মনস্থির করে বলল, আমি আজ রাত্রে ছাদাক্বাহ্ করব। সে তার ছাদাক্বাহ্ নিয়ে বের হল এবং ব্যভিচারিণীর হাতে দিয়ে আসল। এতে লোকজন বলাবলি করতে লাগল, গত রাতে ব্যভিচারিণী ছাদাক্বাহ্ পেয়েছে। লোকটি বলল, হে আল্লাহ! ব্যভিচারিণীর ছাদাক্বাহ্ লাভের জন্য তোমার প্রশংসা করছি। পুনরায় আজ আমি ছাদাক্বাহ্ করব। সে তার ছাদাক্বাহ্ নিয়ে বের হল এবং একজন ধনী লোকের হতে দিয়ে আসল। এতে লোকজন বলাবলি করতে লাগল, গত রাতে ধনী ব্যক্তি ছাদাক্বাহ্ পেয়েছে। তখন লোকটি বলল, হে আল্লাহ! ধনী লোকের ছাদাক্বাহ্ লাভের জন্য আমি তোমার প্রশংসা করছি। আমি আবারও ছাদাক্বাহ্ করব। সে তার ছাদাক্বাহ্ নিয়ে বের হল এবং একজন চোরকে দিয়ে আসল। এতে লোকজন বলাবলি করতে লাগল, গত রাতে একজন চোর ছাদাক্বাহ্ পেয়েছে। লোকটি বলল, হে আল্লাহ! ব্যভিচারিণী, ধনী ও চোরের ছাদাক্বাহ্ লাভের জন্য তোমার প্রশংসা করছি। তারপর তাকে স্বপ্নে বলা হল, তুমি যে ব্যভিচারিণীকে ছাদাক্বাহ্ দিয়েছ, সম্ভবত সে তার ব্যভিচার থেকে বিরত থাকবে। আর তুমি যে ধনী ব্যক্তিকে ছাদাক্বাহ্ করেছ, সম্ভবত সে এটা থেকে উপদেশ গ্রহণ করবে এবং আল্লাহ তাকে যে সম্পদ দিয়েছেন সে তা থেকে দান করবে। আর তুমি যে চোরকে ছাদাক্বাহ্ দিয়েছ, সম্ভবত সে চুরি থেকে বিরত থাকবে।[1]

নির্ধারিত ৮ টি খাতে যাকাত বণ্টনের পদ্ধতি


আল্লাহ তা‘আলা সূরা তওবার ৬০ নম্বর আয়াতে যাকাত প্রদানের যে ৮টি খাত নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন তার মধ্যেই যাকাত বণ্টন সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। এর বাইরে যাকাত প্রদান করা সিদ্ধ নয়। তবে যাকাতকে সমান ৮ ভাগে ভাগ করতে হবে না। বরং ৮টি খাতের মধ্যে যে খাতগুলো পাওয়া যাবে সেগুলোর মধ্যে প্রয়োজনের দিকে লক্ষ্য রেখে কম-বেশী করে যাকাত বণ্টন করতে হবে। এমনকি প্রয়োজনের উপর ভিত্তি করে কোন একটি খাতে সম্পূর্ণ যাকাত প্রদান করলেও তা আদায় হয়ে যাবে।[1]