এসো হাদিস পড়ি ?

এসো হাদিস পড়ি ?

হাদিস অনলাইন ?

ﺟُﻤَّﺎﻉُ ﺃَﺑْﻮَاﺏِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻭَﺳُﻨَﻨِﻪِ

ওযু ও তার সুন্নাতের অধ্যায়ের বিষয়সমূহ।

========================================================================

109-ﺑَﺎﺏُ ﺇِﻳﺠَﺎﺏِ ﺇِﺣْﺪَاﺙِ اﻟﻨِّﻴَّﺔِ ﻟِﻠْﻮُﺿُﻮءِ ﻭَاﻟْﻐُﺴْﻞِ

অধ্যায় ১০৯ : ওযু ও গোসলের জন্য নিয়্যাত করা জরুরী।

142 – ﻧﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺣَﺒِﻴﺐٍ اﻟْﺤَﺎﺭِﺛِﻲُّ، ﻭَﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪَﺓَ اﻟﻀَّﺒِّﻲُّ ﻗَﺎﻻَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺣَﻤَّﺎﺩُ ﺑْﻦُ ﺯَﻳْﺪٍ، ﻋَﻦْ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦِ ﺳَﻌِﻴﺪٍ، ﻋَﻦْ ﻣُﺤَﻤَّﺪِ ﺑْﻦِ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢَ، ﻋَﻦْ ﻋَﻠْﻘَﻤَﺔَ ﺑْﻦِ ﻭَﻗَّﺎﺹٍ اﻟﻠَّﻴْﺜِﻲِّ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﻋُﻤَﺮَ ﺑْﻦَ اﻟْﺨَﻄَّﺎﺏِ ﻳَﻘُﻮﻝُ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻳَﻘُﻮﻝُ: «ﺇِﻧَّﻤَﺎ §اﻷَْﻋْﻤَﺎﻝُ ﺑِﺎﻟﻨِّﻴَّﺔِ ﻭَﺇِﻧَّﻤَﺎ ﻻِﻣْﺮِﺉٍ ﻣَﺎ ﻧَﻮَﻯ، ﻓَﻤَﻦْ ﻛَﺎﻧَﺖْ ﻫِﺠْﺮَﺗُﻪُ ﺇِﻟَﻰ اﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺇِﻟَﻰ ﺭَﺳُﻮﻟِﻪِ ﻓَﻬِﺠْﺮَﺗُﻪُ ﺇِﻟَﻰ اﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺇِﻟَﻰ ﺭَﺳُﻮﻟِﻪِ، ﻭَﻣَﻦْ ﻛَﺎﻧَﺖْ ﻫِﺠْﺮَﺗُﻪُ ﺇِﻟَﻰ ﺩُﻧْﻴَﺎ ﻳُﺼِﻴﺒُﻬَﺎ ﺃَﻭِ اﻣْﺮَﺃَﺓٍ ﻳَﺘَﺰَﻭَّﺟُﻬَﺎ ﻓَﻬِﺠْﺮَﺗُﻪُ ﺇِﻟَﻰ ﻣَﺎ ﻫَﺎﺟَﺮَ ﺇِﻟَﻴْﻪِ» ﻟَﻢْ ﻳَﻘُﻞْ ﺃَﺣْﻤَﺪُ: ﻭَﺇِﻧَّﻤَﺎ ﻻِﻣْﺮِﺉٍ ﻣَﺎ ﻧَﻮَﻯ

১৪২ : উমার বিন খাত্তাব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; আমি রসূলুল্লাহ (সাঃ) কে বলতে শুনেছি : “প্রত্যেক আমল (কবুলের) গ্রহনযোগ্যতা তার নিয়্যাত এর উপরে। আর প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য সেটাই আছে যার সে নিয়্যাত করেছে (অর্থাৎ ভালো বা মন্দ নিয়্যাতের অনুযায়ী শান্তি বা শাস্তি পেতে হব)। যে ব্যক্তির হিজরত আল্লাহ ও তার রসূলের দিকে হয়; তার হিজরত আল্লাহ ও তার রসূলেরই জন্য। আর যে ব্যক্তির হিজরত দুনিয়ার দ্রব্য লাভের জন্য বা কোন মহিলাকে বিবাহ করার জন্য হবে; তো তার হিজরত সেই জন্যই হবে যে উদ্দেশ্যে সে হিজরত করেছে”। আহমাদের রিওয়াআতে এশব্দ নেই ﻭَﺇِﻧَّﻤَﺎ ﻻِﻣْﺮِﺉٍ ﻣَﺎ ﻧَﻮَﻯ “মানুষের জন্য তাই আছে যার জন্য সে নিয়্যাত করেছে”।
★ বুখারী হাঃ ১; ৫৪; মুসলিম হাঃ ১৯০৭; তিরমিযী হাঃ ১৬৪৭; নাসাঈ হাঃ ৭৫; আবুদাঊদ ১৮৮২;

143 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ اﻟْﻮَﻟِﻴﺪِ، ﻧﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟْﻮَﻫَّﺎﺏِ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﻋَﺒْﺪِ اﻟْﻤَﺠِﻴﺪِ اﻟﺜَّﻘَﻔِﻲَّ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦَ ﺳَﻌِﻴﺪٍ ﻳَﻘُﻮﻝُ: ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧِﻲ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢَ، ﺃَﻧَّﻪُ ﺳَﻤِﻊَ ﻋَﻠْﻘَﻤَﺔَ ﺑْﻦَ ﻭَﻗَّﺎﺹٍ اﻟﻠَّﻴْﺜِﻲَّ ﻳَﻘُﻮﻝُ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﻋُﻤَﺮَ ﺑْﻦَ اﻟْﺨَﻄَّﺎﺏِ ﻳَﻘُﻮﻝُ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻳَﻘُﻮﻝُ: «§اﻷَْﻋْﻤَﺎﻝُ ﺑِﺎﻟﻨِّﻴَّﺔِ، ﻭَﺇِﻧَّﻤَﺎ ﻻِﻣْﺮِﺉٍ ﻣَﺎ ﻧَﻮَﻯ»

১৪৩ : উমার বিন খাত্তাব (রাযিঃ) বর্ণনা করেন যে; আমি রসূলুল্লাহ (সাঃ) কে বলতে শুনেছি : “প্রত্যেক আমল (এর প্রাপ্য)  নিয়্যাত (সংকল্প) অনুযায়ী হবে। আর লোকের জন্য তাই আছে যা সে নিয়্যাত করেছে”।
★উপরোক্ত হাদীসের রেফারেন্স।
ব্যাখ্যা :
এই হাদীস প্রমাণ করছে যে; নেক কর্ম করতে গেলে তার গ্রহণযোগ্যতার জন্য নিয়্যাত করা হল প্রধান শর্ত। আর যে আমল নিয়্যাত ব্যতীত করা হয় তা গ্রহনযোহগ্য বা কবুল হবে না (নায়লুল আওতার ১/১৪৮)।
তবে এটাও জেনে রাখা ভালো যে; আমল কবুলের শর্ত হিসাবে নিয়্যাত করতে হবে; নিয়্যাত পড়তে হবে না।  বা নিয়্যাত মুখে স্বশব্দে উচ্চারণ করার নির্দেশের সপক্ষে ক্বুরআন ও হাদীসের মধ্যে কোথাও কোন দলীল পাওয়া যায় না। আর  যে আমলের প্রমাণ ক্বুরআন ও হাদীসের কোথাও পাওয়া যায় না তা নিঃসন্দেহে বিদ’আত। আর প্রত্যেক বিদ’আতই ভ্রষ্টতা এবং প্রত্যেক ভ্রষ্টতার পরিণামই হল জাহান্নাম (নাসাঈ কিতাবুল ঈদাইন হাঃ ১৫৭৯)।

110-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ ﺗَﺴْﻤِﻴَﺔِ اﻟﻠَّﻪِ ﻋَﺰَّ ﻭَﺟَﻞَّ ﻋِﻨْﺪَ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ

অধ্যায় ১১০ : ওযু করার সময় বিসমিল্লাহ পড়তে হবে।

144 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ، ﻭَﻋَﺒْﺪُ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﺑْﻦُ ﺑِﺸْﺮِ ﺑْﻦِ اﻟْﺤَﻜَﻢِ ﻗَﺎﻻَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﺮَّﺯَّاﻕِ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﻣَﻌْﻤَﺮٌ، ﻋَﻦْ ﺛَﺎﺑِﺖٍ، ﻭَﻗَﺘَﺎﺩَﺓَ، ﻋَﻦْ ﺃَﻧَﺲٍ ﻗَﺎﻝَ: ﻃَﻠَﺐَ ﺑَﻌْﺾُ ﺃَﺻْﺤَﺎﺏِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻭَﺿُﻮءًا ﻓَﻠَﻢْ ﻳَﺠِﺪُﻭا، ﻓَﻘَﺎﻝَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «ﻫَﺎﻫُﻨَﺎ ﻣَﺎءٌ» ، ﻓَﺮَﺃَﻳْﺖُ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻭَﺿْﻊَ ﻳَﺪَﻩُ ﻓِﻲ اﻹِْﻧَﺎءِ اﻟَّﺬِﻱ ﻓِﻴﻪِ اﻟْﻤَﺎءُ، ﺛُﻢَّ ﻗَﺎﻝَ: «ﺗَﻮَﺿَّﺌُﻮا ﺑِﺴْﻢِ اﻟﻠَّﻪِ» ، §ﻓَﺮَﺃَﻳْﺖُ اﻟْﻤَﺎءَ ﻳَﻔُﻮﺭُ ﻣِﻦْ ﺑَﻴْﻦِ ﺃَﺻَﺎﺑِﻌِﻪِ، ﻭَاﻟْﻘَﻮْﻡُ ﻳَﺘَﻮَﺿَّﺌُﻮﻥَ ﺣَﺘَّﻰ ﺗَﻮَﺿَّﺌُﻮا ﻣِﻦْ ﺁﺧِﺮِﻫِﻢْ ﻗَﺎﻝَ ﺛَﺎﺑِﺖٌ: ﻓَﻘُﻠْﺖُ ﻷَِﻧَﺲٍ: ﻛَﻢْ ﺗُﺮَاﻫُﻢْ ﻛَﺎﻧُﻮا؟ ﻗَﺎﻝَ: «ﻧَﺤْﻮًا ﻣِﻦْ ﺳَﺒْﻌِﻴﻦَ» : ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১৪৪ : আনাস (রাযিঃ) বর্ণনা করেন; “নাবী (সাঃ) এর কিছু সাহাবী পানির খোঁজ করলেন কিন্তু পাওয়া গেল না। (তারা নাবী সাঃ এর নিকট উপস্থিত হয়ে পানির অভাবের কথা জানালেন)। নাবী (সাঃ) বললেন ; (তোমাদের নিকট কি) কিছুটা পানি আছে?  (তার নিকট কিছু পানি নিয়ে যাওয়া হল)। আমি নাবী (সাঃ) কে দেখলাম ; তিনি তার হাত পানির পাত্রে রাখলেন এবং বললেন: “বিসমিল্লাহ্‌ বলে ওযু করো”। আমি তার আঙুলগুলোর ফাঁক দিয়ে পানি বের হতে দেখলাম। তখন লোকেরা ওযু করছিল এমনকি সবায় ওযু করেনিল”। সাবিত বলেন; আমি আনাস (রাযিঃ) কে জিজ্ঞাসা করলাম ; আপনার অনুমান কতজন লোক ছিল?  তিনি বললেন ; সত্তর জনের মত ছিলাম।
★সনদ সহীহ।  নাসাঈ হাঃ ৭৮; মুসনাদে আহমাদ ৩/১৬৫;
ব্যাখ্যা :
ওযু করার শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়া জরুরী। তাছাড়া ওযু হয় না। এসম্পর্কে হাদীস বর্ণিত রয়েছে যে  :

ﻗﺎﻝ ﺭﺳﻮﻝ اﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ اﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ: «§ﻻ ﺻﻼﺓ ﻟﻤﻦ ﻻ ﻭﺿﻮء ﻟﻪ، ﻭﻻ ﻭﺿﻮء ﻟﻤﻦ ﻟﻢ ﻳﺬﻛﺮ اﺳﻢ اﻟﻠﻪ ﺗﻌﺎﻟﻰ ﻋﻠﻴﻪ

রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : “যে ওযু করেনি তার স্বলাত নায় আর যে ব্যক্তি ওযুর করার সময় বিসমিল্লাহ পড়ে না তার ওযু হয় না” (আবুদাঊদ হাঃ ১০১; ইবনুমাজাহ হাঃ ৩৯৯; সহীহুল জামে হাঃ ৭৫১৪)।

111-ﺑَﺎﺏُ اﻷَْﻣْﺮِ ﺑِﻐَﺴْﻞِ اﻟْﻴَﺪَﻳْﻦِ ﺛَﻼَﺛًﺎ ﻋِﻨْﺪَ اﻻِﺳْﺘِﻴﻘَﺎﻅِ ﻣِﻦَ اﻟﻨَّﻮْﻡِ ﻗَﺒْﻞَ ﺇِﺩْﺧَﺎﻟِﻬِﻤَﺎ اﻹِْﻧَﺎءَ

অধ্যায় ১১১ : ঘুম হতে ওঠার পর হাতকে কোন পাত্রে দেবার পূর্বে তিনবার ধোয়ার নির্দেশ।

145 – ﻧﺎ ﻧَﺼْﺮُ ﺑْﻦُ ﻋَﻠِﻲٍّ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﺑِﺸْﺮُ ﺑْﻦُ اﻟْﻤُﻔَﻀَّﻞِ، ﻧﺎ ﺧَﺎﻟِﺪٌ اﻟْﺤَﺬَّاءُ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﺷَﻘِﻴﻖٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ، ﻋَﻦِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ: «§ﺇِﺫَا اﺳْﺘَﻴْﻘَﻆَ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ ﻣِﻦْ ﻣَﻨَﺎﻣِﻪِ ﻓَﻼَ ﻳَﻐْﻤِﺴَﻦَّ ﻳَﺪَﻩُ ﻓِﻲ اﻹِْﻧَﺎءِ ﺣَﺘَّﻰ ﻳَﻐْﺴِﻠَﻬَﺎ ﺛَﻼَﺛًﺎ؛ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﻻَ ﻳَﺪْﺭِﻱ ﺃَﻳْﻦَ ﺑَﺎﺗَﺖْ ﻳَﺪُﻩُ» ﻧﺎ ﺑِﺸْﺮُ ﺑْﻦُ ﻣُﻌَﺎﺫٍ ﺑِﻬَﺬَا ﻓَﺒَﻠَﻎَ، ﻭَﻗَﺎﻝَ: «ﻣِﻦْ ﺇِﻧَﺎﺋِﻪِ»

১৪৫ : আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) নাবী (সাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে; তিনি বলেছেন : “তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি যখন ঘুম হতে উঠবে তখন নিজ হাত যেন পাত্রের মধ্যে না দেয়। যতক্ষণ না হাতকে তিন’বার ধুয়ে না নেবে। কেননা সে জানে না যে ; তার হাত রাত (শরীরের) কোথায়  কাটিয়েছে”। ইমাম সাহিব বলেন ; আমাদের বাশার বিন মু’আয এই রিওয়াআত মারফূ বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন ﻣِﻦْ ﺇِﻧَﺎﺋِﻪِ নিজ পাত্রে।
★মুসলিম হাঃ ২৭৮; নাসাঈ হাঃ ১; আবুদাঊদ হাঃ ১০৫; দারেমী হাঃ ৭৫৯; মুসনাদে আহমাদ ১/৪৫৫ ;

112-ﺑَﺎﺏُ ﻛَﺮَاﻫَﺔِ ﻣُﻌَﺎﺭَﺿَﺔِ ﺧَﺒَﺮِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺑِﺎﻟْﻘِﻴَﺎﺱِ ﻭَاﻟﺮَّﺃْﻱ

অধ্যায় ১১২ : অনুমান ও সন্দেহের অবকাশ হলে নাবী (সাঃ) এর হাদীস বর্ণনা করা অপছন্দনীয়।

ِ ” ﻭَاﻟﺪَّﻟِﻴﻞُ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ ﺃَﻣْﺮَ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻳَﺠِﺐُ ﻗَﺒُﻮﻟُﻪُ ﺇِﺫَا ﻋَﻠِﻢَ اﻟْﻤَﺮْءُ ﺑِﻪِ، ﻭَﺇِﻥْ ﻟَﻢْ ﻳُﺪْﺭِﻙْ ﺫَﻟِﻚَ ﻋَﻘْﻠُﻪُ ﻭَﺭَﺃْﻳُﻪُ ﻗَﺎﻝَ اﻟﻠَّﻪُ ﻋَﺰَّ ﻭَﺟَﻞَّ: {ﻭَﻣَﺎ ﻛَﺎﻥَ ﻟِﻤُﺆْﻣِﻦٍ ﻭَﻻَ ﻣُﺆْﻣِﻨَﺔٍ ﺇِﺫَا ﻗَﻀَﻰ اﻟﻠَّﻪُ ﻭَﺭَﺳُﻮﻟُﻪُ ﺃَﻣْﺮًا ﺃَﻥْ ﻳَﻜُﻮﻥَ ﻟَﻬُﻢُ اﻟْﺨِﻴَﺮَﺓُ ﻣِﻦْ ﺃَﻣْﺮِﻫِﻢْ} [اﻷﺣﺰاﺏ: 36] ”

সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা যে; যখন কোন ব্যক্তি নাবী (সাঃ) এর নির্দেশ অবগত হবে তখন সেটা গ্রহণ করা তার জন্য ওয়াজিব; যদিও সেটা তার বিবেক গ্রহণ না করে। আল্লাহ সুবহানাহু তা’য়ালা বলেন :

{ﻭَﻣَﺎ ﻛَﺎﻥَ ﻟِﻤُﺆْﻣِﻦٍ ﻭَﻻَ ﻣُﺆْﻣِﻨَﺔٍ ﺇِﺫَا ﻗَﻀَﻰ اﻟﻠَّﻪُ ﻭَﺭَﺳُﻮﻟُﻪُ ﺃَﻣْﺮًا ﺃَﻥْ ﻳَﻜُﻮﻥَ ﻟَﻬُﻢُ اﻟْﺨِﻴَﺮَﺓُ ﻣِﻦْ ﺃَﻣْﺮِﻫِﻢْ}

“আর কোন মু’মিন পুরুষ বা মু’মিন নারীকে আল্লাহ ও তার রসূল কোন নির্দেশ দিলে তার উপর তাদের কোন অধিকার থাকে না” (সূরা আহযাব ৩৬)।

146 – ﻧﺎ ﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﺑْﻦِ ﻭَﻫْﺐٍ، ﻧﺎ ﻋَﻤِّﻲ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧِﻲ اﺑْﻦُ ﻟَﻬِﻴﻌَﺔَ، ﻭَﺟَﺎﺑِﺮُ ﺑْﻦُ ﺇِﺳْﻤَﺎﻋِﻴﻞَ اﻟْﺤَﻀْﺮَﻣِﻲُّ، ﻋَﻦْ ﻋُﻘَﻴْﻞِ ﺑْﻦِ ﺧَﺎﻟِﺪٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﺷِﻬَﺎﺏٍ، ﻋَﻦْ ﺳَﺎﻟِﻢِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «§ﺇِﺫَا اﺳْﺘَﻴْﻘَﻆَ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ ﻣِﻦْ ﻣَﻨَﺎﻣِﻪِ ﻓَﻼَ ﻳُﺪْﺧِﻞْ ﻳَﺪَﻩُ ﻓِﻲ اﻹِْﻧَﺎءِ ﺣَﺘَّﻰ ﻳَﻐْﺴِﻠَﻬَﺎ ﺛَﻼَﺙَ ﻣَﺮَّاﺕٍ؛ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﻻَ ﻳَﺪْﺭِﻱ ﺃَﻳْﻦَ ﺑَﺎﺗَﺖْ ﻳَﺪُﻩُ ﺃَﻭْ ﺃَﻳْﻦَ ﻃَﺎﻓَﺖْ ﻳَﺪُﻩُ» ﻓَﻘَﺎﻝَ ﻟَﻪُ ﺭَﺟُﻞٌ: ﺃَﺭَﺃَﻳْﺖَ ﺇِﻥْ ﻛَﺎﻥَ ﺣَﻮْﺿًﺎ؟ ﻗَﺎﻝَ: ﻓَﺤَﺼَﺒَﻪُ اﺑْﻦُ ﻋُﻤَﺮَ ﻭَﻗَﺎﻝَ: «ﺃُﺧْﺒِﺮُﻙَ ﻋَﻦْ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ، ﻭَﺗَﻘُﻮﻝُ ﺃَﺭَﺃَﻳْﺖَ ﺇِﻥْ ﻛَﺎﻥَ ﺣَﻮْﺿًﺎ» ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: «اﺑْﻦُ ﻟَﻬِﻴﻌَﺔَ ﻟَﻴْﺲَ ﻣِﻤَّﻦْ ﺃُﺧَﺮِّﺝُ ﺣَﺪِﻳﺜَﻪُ ﻓِﻲ ﻫَﺬَا اﻟْﻜِﺘَﺎﺏِ ﺇِﺫَا ﺗَﻔَﺮَّﺩَ ﺑِﺮِﻭَاﻳَﺔٍ، ﻭَﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺃَﺧْﺮَﺟْﺖُ ﻫَﺬَا اﻟْﺨَﺒَﺮَ؛ ﻷَِﻥَّ ﺟَﺎﺑِﺮَ ﺑْﻦَ ﺇِﺳْﻤَﺎﻋِﻴﻞَ ﻣَﻌَﻪُ ﻓِﻲ اﻹِْﺳْﻨَﺎﺩِ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১৪৬ : সালিম বিন আব্দুল্লাহ তার পিতা আব্দুল্লাহ বিন উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেন; নাবী (সাঃ) বলেছেন : “তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি যখন ঘুম হতে উঠবে তখন তার হাত তিন’বার না ধুয়ে যেন পাত্রের মধ্যে প্রবেশ না করাই। কেননা সে জানেনা যে তার হাত রাত কোথায় কাটিয়েছে বা তার হাত কোথায় ঘোরাফেরা করেছে”। এক ব্যক্তি (ইবনু উমারকে) বলল; হাউযের ব্যাপারে আপনার কি অনুমান?  তখন ইবনু উমার (রাযিঃ) তাকে কাঁকর নিক্ষেপ করল এবং বলল; “আমি তোমাকে রসূলুল্লাহ (সাঃ) হতে (হাদীস) বর্ণনা করছি আর তুমি বলছ হাউযের ব্যাপারে আপনার কি অনুমান? ” ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; ইবনু লাহিয়া যখন রিওয়াআত করতে গিয়ে একা হয়ে যায় তা সেই রিওয়াআতের  মধ্যে নয় যে সেই রিওয়াআতকে সেই কিতাব হতে বের করেছে” এটা (ইবনু লাহিয়ার) হাদীস এজন্য আলোচনা করলাম যে; এর সঙ্গে সনদে জাবির বিন ইসমাঈলও আছে।
★সহীহ। ইবনুমাজাহ হাঃ ৩৯৪; মুসনাদে আহমাদ হাঃ ৭১২৯; দারাকুৎনী ১/৫০; ইরওয়াউল-গালীল হাঃ ১৬৪;

113ﺑَﺎﺏُ ﺻِﻔَﺔِ ﻏَﺴْﻞِ اﻟْﻴَﺪَﻳْﻦِ ﻗَﺒْﻞَ ﺇِﺩْﺧَﺎﻟِﻬِﻤَﺎ اﻹِْﻧَﺎءَ، ﻭَﺻِﻔَﺔِ ﻭُﺿُﻮءِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ

অধ্যায় ১১৩ : দুই হাতকে পাত্রে ডুবানোর পূর্বে তাকে ধোয়ার বর্ণনা ও নাবী (সাঃ) এর ওযুর পদ্ধতির বর্ণনা।

147 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﺻَﻔْﻮَاﻥَ اﻟﺜَّﻘَﻔِﻲُّ، ﻧﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﻣَﻬْﺪِﻱٍّ، ﻧﺎ ﺯَاﺋِﺪَﺓُ ﺑْﻦُ ﻗُﺪَاﻣَﺔَ، ﻋَﻦْ ﺧَﺎﻟِﺪِ ﺑْﻦِ ﻋَﻠْﻘَﻤَﺔَ اﻟْﻬَﻤْﺪَاﻧِﻲِّ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ ﺧَﻴْﺮٍ ﻗَﺎﻝَ: ﺩَﺧَﻞَ ﻋَﻠِﻲٌّ اﻟﺮَّﺣْﺒَﺔَ ﺑَﻌْﺪَﻣَﺎ ﺻَﻠَّﻰ اﻟْﻔَﺠْﺮَ، ﺛُﻢَّ ﻗَﺎﻝَ ﻟِﻐُﻼَﻡٍ ﻟَﻪُ: اﺋْﺘُﻮﻧِﻲ ﺑِﻄَﻬُﻮﺭٍ ﻓَﺠَﺎءَﻩُ اﻟْﻐُﻼَﻡُ ﺑِﺈِﻧَﺎءٍ ﻓِﻴﻪِ ﻣَﺎءٌ ﻭَﻃَﺴْﺖٍ ﻗَﺎﻝَ ﻋَﺒْﺪُ ﺧَﻴْﺮٍ ﻭَﻧَﺤْﻦُ ﺟُﻠُﻮﺱٌ ﻧَﻨْﻈُﺮُ ﺇِﻟَﻴْﻪِ «§ﻓَﺄَﺧَﺬَ ﺑِﻴَﻤِﻴﻨِﻪِ اﻹِْﻧَﺎءَ ﻓَﺄَﻛْﻔَﺄَ ﻋَﻠَﻰ ﻳَﺪِﻩِ اﻟْﻴُﺴْﺮَﻯ، ﺛُﻢَّ ﻏَﺴَﻞَ ﻛَﻔَّﻴْﻪِ، ﺛُﻢَّ ﺃَﺧَﺬَ اﻹِْﻧَﺎءَ ﺑِﻴَﺪِﻩِ اﻟْﻴُﻤْﻨَﻰ ﻓَﺄَﻓْﺮَﻍَ ﻋَﻠَﻰ ﻳَﺪِﻩِ اﻟْﻴُﺴْﺮَﻯ ﻓَﻌَﻠَﻪُ ﺛَﻼَﺙَ ﻣَﺮَّاﺕٍ» . ﻗَﺎﻝَ ﻋَﺒْﺪُ ﺧَﻴْﺮٍ: ﻛُﻞُّ ﺫَﻟِﻚَ ﻻَ ﻳُﺪْﺧِﻞُ ﻳَﺪَﻩُ اﻹِْﻧَﺎءَ ﺣَﺘَّﻰ ﻳَﻐْﺴِﻠَﻬَﺎ ﻣَﺮَّاﺕٍ، «ﺛُﻢَّ ﺃَﺩْﺧَﻞَ ﻳَﺪَﻩُ اﻟْﻴُﻤْﻨَﻰ اﻹِْﻧَﺎءَ ﻓَﻤَﻸََ ﻓَﻤَﻪُ ﻓَﻤَﻀْﻤَﺾَ ﻭَاﺳْﺘَﻨْﺸَﻖَ، ﻭَﻧَﺜَﺮَ ﺑِﻴَﺪِﻩِ اﻟْﻴُﺴْﺮَﻯ ﺛَﻼَﺙَ ﻣَﺮَّاﺕٍ، ﺛُﻢَّ ﻏَﺴَﻞَ ﻭَﺟْﻬَﻪُ ﺛَﻼَﺙَ ﻣَﺮَّاﺕٍ، ﺛُﻢَّ ﻏَﺴَﻞَ ﻳَﺪَﻩُ اﻟْﻴُﻤْﻨَﻰ ﺛَﻼَﺙَ ﻣَﺮَّاﺕٍ ﺇِﻟَﻰ اﻟْﻤِﺮْﻓَﻖِ، ﺛُﻢَّ ﻏَﺴَﻞَ ﻳَﺪَﻩُ اﻟْﻴُﺴْﺮَﻯ ﺛَﻼَﺙَ ﻣَﺮَّاﺕٍ ﺇِﻟَﻰ اﻟْﻤِﺮْﻓَﻖِ، ﺛُﻢَّ ﺃَﺩْﺧَﻞَ ﻳَﺪَﻩُ اﻟْﻴُﻤْﻨَﻰ ﻓِﻲ اﻹِْﻧَﺎءِ ﺣَﺘَّﻰ ﻏَﻤَﺮَﻫَﺎ اﻟْﻤَﺎءُ، ﺛُﻢَّ ﺭَﻓَﻌَﻬَﺎ ﺑِﻤَﺎ ﺣَﻤَﻠَﺖْ ﻣِﻦَ اﻟْﻤَﺎءِ، ﺛُﻢَّ ﻣَﺴَﺤَﻬَﺎ ﺑِﻴَﺪِﻩِ اﻟْﻴُﺴْﺮَﻯ، ﺛُﻢَّ ﻣَﺴَﺢَ ﺭَﺃْﺳَﻪُ ﺑِﻴَﺪَﻳْﻪِ ﻛِﻠْﺘَﻴْﻬِﻤَﺎ ﺃَﻭْ ﺟَﻤِﻴﻌًﺎ، ﺛُﻢَّ ﺃَﺩْﺧَﻞَ ﻳَﺪَﻩُ اﻟْﻴُﻤْﻨَﻰ ﻓِﻲ اﻹِْﻧَﺎءِ، ﺛُﻢَّ ﺻَﺐَّ ﻋَﻠَﻰ ﺭِﺟْﻠِﻪِ اﻟْﻴُﻤْﻨَﻰ ﻓَﻐَﺴَﻠَﻬَﺎ ﺛَﻼَﺙَ ﻣَﺮَّاﺕٍ ﺑِﻴَﺪِﻩِ اﻟْﻴُﺴْﺮَﻯ، ﺛُﻢَّ ﺻَﺐَّ ﺑِﻴَﺪِﻩِ اﻟْﻴُﻤْﻨَﻰ ﻋَﻠَﻰ ﻗَﺪَﻣِﻪِ اﻟْﻴُﺴْﺮَﻯ ﻓَﻐَﺴَﻠَﻬَﺎ ﺛَﻼَﺙَ ﻣَﺮَّاﺕٍ ﺑِﻴَﺪِﻩِ اﻟْﻴُﺴْﺮَﻯ، ﺛُﻢَّ ﺃَﺩْﺧَﻞَ ﻳَﺪَﻩُ اﻟْﻴُﻤْﻨَﻰ ﻓَﻤَﻸََ ﻣِﻦَ اﻟْﻤَﺎءِ ﺛُﻢَّ ﺷَﺮِﺏَ ﻣِﻨْﻪُ» ، ﺛُﻢَّ ﻗَﺎﻝَ: «ﻫَﺬَا ﻃُﻬُﻮﺭُ ﻧَﺒِﻲِّ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ، ﻓَﻤَﻦْ ﺃَﺣَﺐَّ ﺃَﻥْ ﻳَﻨْﻈُﺮَ ﺇِﻟَﻰ ﻃُﻬُﻮﺭِ ﻧَﺒِﻲِّ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻓَﻬَﺬَا ﻃُﻬُﻮﺭُﻩُ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১৪৭ : আবদু খাইর (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন; ‘আলী (রাযিঃ) ফজরের স্বলাত আদায় করার পর (মাসজিদের) আঙিনায় প্রবেশ করলেন। অতঃপর তার ভৃত্বকে বললেন; আমার জন্য ওযুর পানি নিয়ে এসো! তার ভৃত্ব একটি পাত্রে পানি নিয়ে এলো ও একটি তশতরী (হাত ধোয়ার পাত্র) নিয়ে এলো। আবদু খায়ের বলেন; আমরা বসে তার দিকে দেখছিলাম। তিনি তার ডান হাত দিয়ে পাত্র ধরে বাম হাতে পানি ঢাললেন ও তার হাত ধুলেন। তারপর তার বাম হাতে পাত্র ধরে ডান হাতে পানি ঢাললেন ও তা ধুলেন। এভাবে তিন’বার করলেন। আবদু খাইর বলেন; তিনি প্রত্যেকবার তার হাত পাত্রের মধ্যে প্রবেশ করাননি। এমনকি তাকে কয়েকবার ধুলেন। অতঃপর তার ডান হাত পাত্রে ডুবিয়ে (তালু দিয়ে এক আঁজলা পানি তুলে) নিজ মুখের ভিতর দিয়ে কুলি করলেন ও নাকে পানি দিলেন এবং বাম হাত দিয়ে তিনবার নাক ঝাড়লেন। তারপর তিনবার মুখমন্ডল ধুলেন। তারপর তার ডান হাত কনুই পর্যন্ত তিনবার ধুলেন। অতঃপর তার বাম হাত কনুই পর্যন্ত তিনবার ধুলেন। তারপর তার ডান হাত পাত্রে ডোবালেন এমনকি তা পানিতে ডুবে গেলো। তারপর তা বের করলেন; আর তাতে লেগে থাকা পানিকে বাম হাতে লাগালেন। তারপর তার উভয় হাত দিয়ে মাথা মাসাহ করলেন। তারপর তার ডান হাত পাত্রের মধ্য প্রবেশ করালেন ও ডান পায়ে পানি বইয়ে দিলেন এবং তাকে বাম হাত দিয়ে তিনবার ধুলেন। অতঃপর ডান হাত দিয়ে বাম পায়ে পানি বইয়ে দিলেন এবং তাকে বাম হাত দিয়ে তিনবার ধুলেন। তারপর তার ডান হাতে পানি ভরলেন তারপর তা পান করলেন এবং বললেন : “যে ব্যক্তি নাবী (সাঃ) এর ওযুর পদ্ধতি দেখা পছন্দ করে; এটা তার ওযুর পদ্ধতি ছিলো”।
★সনদ সহীহ। নাসাঈ হাঃ ৯২; আবুদাঊদ হাঃ ১১১; ১১২; ইবনুমাজাহ হাঃ ৪০৪; দারেমী হাঃ ৭০১; ইবনুহিব্বান হাঃ ১০৭৬;

114-ﺑَﺎﺏُ ﺇِﺑَﺎﺣَﺔِ اﻟْﻤَﻀْﻤَﻀَﺔِ ﻭَاﻻِﺳْﺘِﻨْﺸَﺎﻕِ ﻣِﻦْ ﻏَﺮْﻓَﺔٍ ﻭَاﺣِﺪَﺓٍ، ﻭَاﻟْﻮُﺿُﻮءُ ﻣَﺮَّﺓً ﻣَﺮَّﺓً

অধ্যায় ১১৪ : এক আঁজলা পানি দ্বারা কুলি করা ও নাকে পানি দেয়া বৈধ; আর ওযুর অঙ্গগুলো এক একবার করে ধোয়া বৈধ।

148 – ﻧﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﺳَﻌِﻴﺪٍ اﻷَْﺷَﺞُّ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ اﺑْﻦُ ﺇِﺩْﺭِﻳﺲَ، ﻧﺎ اﺑْﻦُ ﻋَﺠْﻼَﻥَ، ﻋَﻦْ ﺯَﻳْﺪِ ﺑْﻦِ ﺃَﺳْﻠَﻢَ، ﻋَﻦْ ﻋَﻄَﺎءِ ﺑْﻦِ ﻳَﺴَﺎﺭٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ ﻗَﺎﻝَ: «ﺭَﺃَﻳْﺖُ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﺗَﻮَﺿَّﺄَ ﻓَﻐَﺮَﻑَ ﻏَﺮْﻓَﺔً ﻓَﻤَﻀْﻤَﺾَ ﻭَاﺳْﺘَﻨْﺸَﻖَ، ﺛُﻢَّ ﻏَﺮَﻑَ ﻏَﺮْﻓَﺔً ﻓَﻐَﺴَﻞَ ﻭَﺟْﻬَﻪُ، ﺛُﻢَّ ﻏَﺮَﻑَ ﻏَﺮْﻓَﺔً ﻓَﻐَﺴَﻞَ ﻳَﺪَﻩُ اﻟْﻴُﻤْﻨَﻰ، ﻭَﻏَﺮَﻑَ ﻏَﺮْﻓَﺔً ﻓَﻐَﺴَﻞَ ﻳَﺪَﻩُ اﻟْﻴُﺴْﺮَﻯ، ﻭَﻏَﺮَﻑَ ﻏَﺮْﻓَﺔً ﻓَﻤَﺴَﺢَ ﺭَﺃْﺳَﻪُ ﻭَﺑَﺎﻃِﻦَ ﺃُﺫُﻧَﻴْﻪِ ﻭَﻇَﺎﻫِﺮَﻫُﻤَﺎ ﻭَﺃَﺩْﺧَﻞَ ﺃُﺻْﺒُﻌَﻴْﻪِ ﻓِﻴﻬِﻤَﺎ، ﻭَﻏَﺮَﻑَ ﻏَﺮْﻓَﺔً ﻓَﻐَﺴَﻞَ ﺭِﺟْﻠَﻪُ اﻟْﻴُﻤْﻨَﻰ، ﻭَﻏَﺮَﻓَﺔً ﻓَﻐَﺴَﻞَ ﺭِﺟْﻠَﻪُ اﻟْﻴُﺴْﺮَﻯ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺣﺴﻦ

১৪৮ : ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; “আমি নাবী (সাঃ) কে ওযু করতে দেখেছি। তিনি এক আঁজলা পানি নিলেন (আর তা দিয়ে) কুলি করলেন ও নাকে পানি দিলেন। অতঃপর আর এক আঁজলা পানি নিলেন ও তা দিয়ে মুখমন্ডল ধুলেন। তারপর এক আঁজলা পানি নিয়ে তা দিয়ে ডান হাত ধুলেন এবং আর এক আঁজলা পানি নিয়ে বাম হাত ধুলেন। আর এক আঁজলা পানি নিয়ে মাথা মাসাহ করলেন এবং কানের ভিতরের ও বাইরের অংশ মাসাহ করলেন ও তার আঙুল তাতে প্রবেশ করালেন। অতঃপর এক আঁজলা পানি নিয়ে তার ডান পা এবং আর এক আঁজলা পানি নিয়ে বাম পা ধুলেন”।
★সনদ হাসান।  বুখারূ হাঃ ১৪০; নাসাঈ হাঃ ৮১; আবুদাঊদ হাঃ ১৩৮; ইবনুহিব্বান হাঃ ১০৭৫; আহমাদ ১/২৬৮; ৩৬৫;
ব্যাখ্যা :
ওযু করার সময় এক আঁজলা পানি হাতের তালুতে নিয়ে তার অর্ধেক দ্বারা কুলি করা ও অর্ধেক দ্বারা নাকে পানি দিয়ে নাক ঝাড়া উত্তম আমল এবং বেশীরভাগ রিওয়াআতে এই আমলের কথায় বর্ণিত হয়েছে।
ওযুর সমস্ত অঙ্গগুলো এক একবার করে ধোয়া ফরয এবং তার চেয়ে বেশী ওযুর অঙ্গগুলো তিনবার করে ধোয়া বিধিবদ্ধ।

115-ﺑَﺎﺏُ اﻷَْﻣْﺮِ ﺑِﺎﻻِﺳْﺘِﻨْﺸَﺎﻕِ ﻋِﻨْﺪَ اﻻِﺳْﺘِﻴﻘَﺎﻅِ ﻣِﻦَ اﻟﻨَّﻮْﻡِ، ﻭَﺫِﻛْﺮُ اﻟْﻌِﻠَّﺔِ اﻟَّﺘِﻲ ﻣِﻦْ ﺃَﺟْﻠِﻬَﺎ ﺃَﻣَﺮَ ﺑِﻪِ

অধ্যায় ১১৫ : ঘুম হতে উঠে নাক (পানি দিয়ে) ঝাড়ার নির্দেশ; আর যে কারণে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তার বর্ণনা।

149 – ﻧﺎ ﺻَﺎﻟِﺢُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﺑْﻦِ ﻋَﻤْﺮِﻭ ﺑْﻦِ اﻟْﺤَﺎﺭِﺙِ اﻟْﻤِﺼْﺮِﻱُّ، ﻭَﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣِﻴﻢِ اﻟْﺒَﺮْﻗِﻲُّ ﻗَﺎﻻَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ اﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﻣَﺮْﻳَﻢَ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺃَﻳُّﻮﺏَ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﺃَﺑُﻮ اﻟْﻬَﺎﺩِ ﻭَﻫُﻮَ ﻳَﺰِﻳﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ، ﻋَﻦْ ﻣُﺤَﻤَّﺪِ ﺑْﻦِ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢَ، ﻋَﻦْ ﻋِﻴﺴَﻰ ﺑْﻦِ ﻃَﻠْﺤَﺔَ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ، ﻋَﻦْ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ: «§ﺇِﺫَا اﺳْﺘَﻴْﻘَﻆَ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ ﻣِﻦْ ﻣَﻨَﺎﻣِﻪِ ﻓَﺘَﻮَﺿَّﺄَ ﻓَﻠْﻴَﺴْﺘَﻨْﺜِﺮْ ﺛَﻼَﺙَ ﻣَﺮَّاﺕٍ؛ ﻓَﺈِﻥَّ اﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥَ ﻳَﺒِﻴﺖُ ﻋَﻠَﻰ ﺧَﻴَﺎﺷِﻴﻤِﻪِ»

১৪৯ : আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) সূত্রে রসূলুল্লাহ (সাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন : “তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি যখন ঘুম হতে উঠবে এবং ওযু করবে তখন তার উচিত নাক তিনবার ঝেড়ে ফেলা। কারণ শয়তান তার নাকের ভিতর রাত কাটায়”।
★বুখারী হাঃ ৩২৯৫; মুসলিম হাঃ ২৩৮;

116-ﺑَﺎﺏُ اﻷَْﻣْﺮِ ﺑِﺎﻟْﻤُﺒَﺎﻟَﻐَﺔِ ﻓِﻲ اﻻِﺳْﺘِﻨْﺸَﺎﻕِ ﺇِﺫَا ﻛَﺎﻥَ اﻟْﻤُﺘَﻮَﺿِّﺊُ ﻣُﻔْﻄِﺮًا ﻏَﻴْﺮَ ﺻَﺎﺋِﻢٍ

অধ্যায় ১১৬ : ওযুকারী ব্যক্তি যদি সিয়ামপালকারী না হয় তাহলে ওযু করার সময় নাকের ভিতর উত্তমভাবে পানি নিয়ে নাক ঝাড়তে হবে।

150 – ﻧﺎ اﻟﺰَّﻋْﻔَﺮَاﻧِﻲُّ، ﻭَﺯِﻳَﺎﺩُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ اﻟْﺤَﺴَّﺎﻧِﻲُّ، ﻭَﺇِﺳْﺤَﺎﻕُ ﺑْﻦُ ﺣَﺎﺗِﻢِ ﺑْﻦِ ﺳِﻨَﺎﻥٍ اﻟْﻤَﺪَاﺋِﻨِﻲُّ، ﻭَﺭِﺯْﻕُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﻣُﻮﺳَﻰ، ﻭَاﻟْﺠَﻤَﺎﻋَﺔُ ﻗَﺎﻟُﻮا: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺳُﻠَﻴْﻢٍ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺇِﺳْﻤَﺎﻋِﻴﻞُ ﺑْﻦُ ﻛَﺜِﻴﺮٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﺎﺻِﻢِ ﺑْﻦِ ﻟَﻘِﻴﻂِ ﺑْﻦِ ﺻَﺒِﺮَﺓَ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ ﻗَﺎﻝَ: ﻗُﻠْﺖُ: ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ، ﺃَﺧْﺒِﺮْﻧِﻲ ﻋَﻦِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻗَﺎﻝَ: «§ﺃَﺳْﺒِﻎِ اﻟْﻮُﺿُﻮءَ، ﻭَﺧَﻠِّﻞِ اﻷَْﺻَﺎﺑِﻊَ، ﻭَﺑَﺎﻟِﻎْ ﻓِﻲ اﻻِﺳْﺘِﻨْﺸَﺎﻕِ ﺇِﻻَّ ﺃَﻥْ ﺗَﻜُﻮﻥَ ﺻَﺎﺋِﻤًﺎ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১৫০ : লাক্বীত বিন সাবরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন ; আমি বললাম; হে আল্লাহর রসূল! আমাকে ওযু সম্পর্কে অবহিত করুন। তিনি বললেন : “পরিপূর্ণরূপে ওযু করবে; আঙুলসমূহ খিলাল করবে এবং নাকে উত্তমরূপে পানি পৌছাবে; কিন্তু সিয়ামরত অবস্থায় (এরূপ) না”।
★সনদ সহীহ। আবুদাঊদ হাঃ ১৪২; ইরওয়াউল-গালীল হাঃ ৯০; তিরমিযী হাঃ ৮৭৭; নাসাঈ হাঃ ১১৪; ইবনুমাজাহ হাঃ ৪০৭; হাকেম হাঃ ১৪৭; ১৪৮; সহীহাহ নং ১৩০৬; দারেমী হাঃ ৭০৫; আহমাদ ৩/৩৩; ২১১

117-ﺑَﺎﺏُ ﺗَﺨْﻠِﻴﻞِ اﻟﻠِّﺤْﻴَﺔِ ﻓِﻲ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻋِﻨْﺪَ ﻏَﺴْﻞِ اﻟْﻮَﺟْﻪِ

অধ্যায় ১১৭ : ওযুতে মুখমন্ডল ধোয়ার সময় দাড়ি খিলাল করা।

151 – ﻧﺎ ﻳَﻌْﻘُﻮﺏُ ﺑْﻦُ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢَ اﻟﺪَّﻭْﺭَﻗِﻲُّ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺧَﻠَﻒُ ﺑْﻦُ اﻟْﻮَﻟِﻴﺪِ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺇِﺳْﺮَاﺋِﻴﻞُ، ﻋَﻦْ ﻋَﺎﻣِﺮِ ﺑْﻦِ ﺷَﻘِﻴﻖٍ، ﻋَﻦْ ﺷَﻘِﻴﻖِ ﺑْﻦِ ﺳَﻠَﻤَﺔَ، ﻋَﻦْ ﻋُﺜْﻤَﺎﻥَ ﺑْﻦِ ﻋَﻔَّﺎﻥَ، ﺃَﻧَّﻪُ «§ﺗَﻮَﺿَّﺄَ ﻓَﻐَﺴَﻞَ ﻭَﺟْﻬَﻪُ ﺛَﻼَﺛًﺎ، ﻭَاﺳْﺘَﻨْﺸَﻖَ ﺛَﻼَﺛًﺎ، ﻭَﻣَﻀْﻤَﺾَ ﺛَﻼَﺛًﺎ، ﻭَﻣَﺴَﺢَ ﺑِﺮَﺃْﺳِﻪِ ﻭَﺃُﺫُﻧَﻴْﻪِ ﻇَﺎﻫِﺮِﻫِﻤَﺎ ﻭَﺑَﺎﻃِﻨِﻬِﻤَﺎ، ﻭَﺭِﺟْﻠَﻴْﻪِ ﺛَﻼَﺛًﺎ، ﻭَﺧَﻠَّﻞَ ﻟِﺤْﻴَﺘِﻪِ ﻭَﺃَﺻَﺎﺑِﻊَ اﻟﺮِّﺟْﻠَﻴْﻦِ» . ﻭَﻗَﺎﻝَ: «ﻫَﻜَﺬَا ﺭَﺃَﻳْﺖُ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻳَﺘَﻮَﺿَّﺄُ»
ٲسناده صحيح

১৫১ : শাক্বীক্ব বিন সালামাহ (রহঃ) উসমান বিন আফ্ফান (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেন যে; তিনি যখন ওযু করলেন তার মুখমন্ডল তিনবার ধুলেন; তিনবার নাকে পানি দিলেন; তিনবার কুলি করলেন; তার মাথা মাসাহ করলেন এবং কানের ভিতরের ও বাইরের অংশ মাসাহ করলেন। তার উভয় পা তিনবার ধুলেন। তার দাড়ি খিলাল করলেন। আর পায়ের আঙুলগুলোও খিলাল করলেন এবং বললেন : “আমি এভাবে রসূলুল্লাহ (সাঃ) কে ওযু করতে দেখেছি”।
★সনদ সহীহ। আবুদাঊদ হাঃ ১১০; ইবনুমাজাহ হাঃ ৪৩০; ইবনুহিব্বান হাঃ ১০৭৮; ইরওয়াউল-গালীল হাঃ ৯২; তিরমিযী হাঃ ৩দ১;

152 – ﻧﺎ ﺇِﺳْﺤَﺎﻕُ ﺑْﻦُ ﻣَﻨْﺼُﻮﺭٍ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﻣَﻬْﺪِﻱٍّ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺇِﺳْﺮَاﺋِﻴﻞُ، ﻋَﻦْ ﻋَﺎﻣِﺮِ ﺑْﻦِ ﺷَﻘِﻴﻖٍ، ﻋَﻦْ ﺷَﻘِﻴﻖِ ﺑْﻦِ ﺳَﻠَﻤَﺔَ ﻗَﺎﻝَ: ﺭَﺃَﻳْﺖُ ﻋُﺜْﻤَﺎﻥَ ﺑْﻦَ ﻋَﻔَّﺎﻥَ، «§ﺗَﻮَﺿَّﺄَ ﻓَﻐَﺴَﻞَ ﻛَﻔَّﻴْﻪِ ﺛَﻼَﺛًﺎ، ﻭَﻣَﻀْﻤَﺾَ ﻭَاﺳْﺘَﻨْﺸَﻖَ ﻭَﻏَﺴَﻞَ ﻭَﺟْﻬَﻪُ ﺛَﻼَﺛًﺎ، ﻭَﻣَﺴَﺢَ ﺑِﺄُﺫُﻧَﻴْﻪِ ﻇَﺎﻫِﺮِﻫِﻤَﺎ ﻭَﺑَﺎﻃِﻨِﻬِﻤَﺎ، ﻭَﻏَﺴَﻞَ ﺭِﺟْﻠَﻴْﻪِ ﺛَﻼَﺛًﺎ ﺛَﻼَﺛًﺎ، ﻭَﺧَﻠَّﻞَ ﺃَﺻَﺎﺑِﻌَﻪُ، ﻭَﺧَﻠَّﻞْ ﻟِﺤْﻴَﺘَﻪُ ﺣِﻴﻦَ ﻏَﺴَﻞَ ﻭَﺟْﻬَﻪُ ﺛَﻼَﺛًﺎ» . ﻭَﻗَﺎﻝَ: «ﺭَﺃَﻳْﺖُ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻓَﻌَﻞَ ﻛَﻤَﺎ ﺭَﺃَﻳْﺘُﻤُﻮﻧِﻲ ﻓَﻌَﻠْﺖُ» ﻗَﺎﻝَ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ: «ﻭَﺫَﻛَﺮَ ﻳَﺪَﻳْﻪِ ﺇِﻟَﻰ اﻟْﻤِﺮْﻓَﻘَﻴْﻦِ، ﻭَﻻَ ﺃَﺩْﺭِﻱ ﻛَﻴْﻒَ ﺫَﻛَﺮَﻩُ» ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: «ﻋَﺎﻣِﺮُ ﺑْﻦُ ﺷَﻘِﻴﻖٍ ﻫَﺬَا ﻫُﻮَ اﺑْﻦُ ﺣَﻤْﺰَﺓَ اﻷَْﺳَﺪِﻱُّ، ﻭَﺷَﻘِﻴﻖُ ﺑْﻦُ ﺳَﻠَﻤَﺔَ ﻫُﻮَ ﺃَﺑُﻮ ﻭَاﺋِﻞٍ»
ٲسناده صحيح

১৫২ : শাক্বীক্ব বিন সালামাহ (রহঃ) বর্ণনা করেন যে; আমি উসমান বিন ‘আফ্ফান (রাযিঃ) কে ওযু করতে দেখেছি। তিনি তার  উভয় হাত তিনবার ধুলেন ও কুলি করলেন; নাকে পানি দিলেন ও তার মুখমন্ডল তিনবার ধুলেন। আর তার কানের ভিতরের ও বাইরের অংশ মাসাহ করলেন। তার দুই পা তিন তিনবার ধুলেন এবং আঙুলগুলো খিলাল করলেন। আর যখন নিজ মুখমন্ডল তিনবার  ধুলেন তখন দাড়ি খিলাল করলেন এবং বললেন : “আমি রসূলুল্লাহ (সাঃ) কে এরূপ করতে দেখেছি যেমন তোমরা আমায় (ওযুতে) করতে দেখলে”। আব্দুর রহমান বলেন; আর সেই (শিক্ষক ইসরাঈল) দুই হাত কনুইসহ ধোয়ার বর্ণনা করেছেন। কিন্তু আমি জানিনা যে; কাকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম আবূ বাকর বলেন ; ‘আমির বিন শাক্বীক্ব ইবনু জামরাহ শাক্বীক্ব বিন সালামাহ নয়। শাক্বীক্ব বিন সালামাহ হল আবূ ওয়ায়িল।
★সনদ সহীহ। হাকেম ১/১৪৮; আবুদাঊদ হাঃ ১১০; মুসনাদে আহমাদ হাঃ ৪০৩; দারেমী হাঃ ৭০৩;
ব্যাখ্যা :
উপরোক্ত দুটি হাদীস হতে প্রমাণ হচ্ছে যে; ওযু করার সময় যখন মুখমন্ডল ধোয়া হবে তখন দাড়িতে আঙুল দিয়ে খিলাল করতে হবে; এটা মুসতাহাব আমল।
দাড়ি খিলাল এর উত্তম পদ্ধতি হচ্ছে যে; এক আঁজলা পানি নিয়ে থুতনির নীচে প্রবেশ করিয়ে আঙুলের মাধ্যমে খিলাল করা।  এসম্পর্কে একটি স্পষ্ট বর্ণনা রয়েছে :

ﻋﻦ ﺃﻧﺲ ﻳﻌﻨﻲ اﺑﻦ ﻣﺎﻟﻚ، «ﺃﻥ ﺭﺳﻮﻝ اﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ اﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻛﺎﻥ §ﺇﺫا ﺗﻮﺿﺄ، ﺃﺧﺬ ﻛﻔﺎ ﻣﻦ ﻣﺎء ﻓﺄﺩﺧﻠﻪ ﺗﺤﺖ ﺣﻨﻜﻪ ﻓﺨﻠﻞ ﺑﻪ ﻟﺤﻴﺘﻪ
আনাস বিন মালিক (রাযিঃ) বর্ণনা করেন ; রসূলুল্লাহ (সাঃ) যখন ওযু করতেন এক আঁজলা পানি নিতেন তা থুতনির নীচে প্রবেশ করাতেন এবং তা দিয়ে তার দাড়ি খিলাল করতেন ও বলতেন : “আমার রব্ব আমাকে এভাবে দাড়ি খিলাল করার নির্দেশ দিয়েছেন (আবুদাঊদ হাঃ ১৪৫)।
এই হাদীসে আল্লাহর রসূল (সাঃ) এর এই কথা বলা যে; “আমার রব্ব আমাকে এভাবে দাড়ি খিলাল করার নির্দেশ দিয়েছেন” শব্দ দ্বারা দাড়ি খিলাল করা ওয়াজিব বলে প্রমাণিত হচ্ছে। কারণ তা আল্লাহর নির্দেশ।

118-ﺑَﺎﺏُ اﺳْﺘِﺤْﺒَﺎﺏِ ﺻَﻚِّ اﻟْﻮَﺟْﻪِ ﺑِﺎﻟْﻤَﺎءِ ﻋِﻨْﺪَ ﻏَﺴْﻞِ اﻟْﻮَﺟْﻪِ

অধ্যায় ১১৮ : মুখমণ্ডল ধোয়ার সময় মুখমন্ডলকে পানি দিয়ে ভালোকরে রগড়ানো মুসতাহাব।

153 – ﻧﺎ ﻳَﻌْﻘُﻮﺏُ ﺑْﻦُ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢَ اﻟﺪَّﻭْﺭَﻗِﻲُّ، ﻧﺎ اﺑْﻦُ ﻋُﻠَﻴَّﺔَ، ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺇِﺳْﺤَﺎﻕَ، ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻃَﻠْﺤَﺔَ ﺑْﻦِ ﻳَﺰِﻳﺪَ ﺑْﻦِ ﺭُﻛَﺎﻧَﺔَ ﻋَﻦْ ﻋُﺒَﻴْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ اﻟْﺨَﻮْﻻَﻧِﻲُّ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ ﻗَﺎﻝَ: ﺩَﺧَﻞَ ﻋَﻠِﻲٌّ ﻋَﻠَﻲَّ ﺑَﻴْﺘِﻲ ﻭَﻗَﺪْ ﺑَﺎﻝَ ﻓَﺪَﻋَﺎ ﺑِﻮَﺿُﻮءٍ ﻓَﺠِﺌْﻨَﺎﻩُ ﺑِﻘُﻌْﺐٍ ﻳَﺄْﺧُﺬُ اﻟْﻤُﺪَّ ﺃَﻭْ ﻗَﺮِﻳﺒَﻪُ ﺣَﺘَّﻰ ﻭُﺿِﻊَ ﺑَﻴْﻦَ ﻳَﺪَﻳْﻪِ، ﻓَﻘَﺎﻝَ: «ﻳَﺎ اﺑْﻦَ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ §ﺃَﻻَ ﺃَﺗَﻮَﺿَّﺄُ ﻟَﻚَ ﻭُﺿُﻮءَ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ؟» ﻓَﻘُﻠْﺖُ: ﺑَﻠَﻰ ﻓِﺪَاﻙَ ﺃَﺑِﻲ ﻭَﺃُﻣِّﻲ ﻗَﺎﻝَ: «ﻓَﻮَﺿَﻊَ ﻟَﻪُ ﺇِﻧَﺎءً ﻓَﻐَﺴَﻞَ ﻳَﺪَﻳْﻪِ، ﺛُﻢَّ ﻣَﻀْﻤَﺾَ ﻭَاﺳْﺘَﻨْﺸَﻖَ ﻭَاﺳْﺘَﻨْﺜَﺮَ، ﺛُﻢَّ ﺃَﺧَﺬَ ﺑِﻴَﻤِﻴﻨِﻪِ – ﻳَﻌْﻨِﻲ اﻟْﻤَﺎءَ – ﻓَﺼَﻚَّ ﺑِﻬَﺎ ﻭَﺟْﻬَﻪُ» ﻭَﺫَﻛَﺮَ اﻟْﺤَﺪِﻳﺚَ
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺣﺴﻦ

১৫৩ : ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; (একদা) ‘আলী (রাযিঃ) আমার নিকট আমার ঘরে এলেন। তিনি  ইস্তিঞ্জার কাজ সম্পন্ন করে (ওযুর) পানি চাইলেন। আমরা একটি বড় পাত্র তার নিকট নিয়ে গেলাম; যাতে এক মূদ বা তার নিকটবর্তী পরিমাণ পানি ছিল। সেটা তার সামনে রাখা হলে তিনি বললেন; হে ইবনু আব্বাস! রসূলুল্লাহ (সাঃ) কিভাবে ওযু করতেন আমি কি তা তোমাদেরকে দেখাব না?  আমি বললাম ; আমার মাতা-পিতা আপনার উপর কুরবান হোক ; অবশ্যই দেখান। তিনি বলেন ; “তার জন্য  (ওযুর করার) পাত্র রাখা হল। তিনি তার দুই হাত ধুলেন; তারপর কুলি করলেন এবং নাকে পানি দিয়ে ঝাড়লেন। তারপর তার ডান হাতে পানি নিয়ে তা দ্বারা তার মুখমন্ডল খুব রগড়ালেন “। অতঃপর অবশিষ্ট হাদীস বর্ণনা করলেন।
★সনদ হাসান। আবুদাঊদ হাঃ ১১৭; মুসনাদে আহমাদ ১/৮২;
ব্যাখ্যা :
এই হাদীস অনুযায়ী ওযুতে মুখমন্ডল ধোয়ার সময় পানির ঝাপটা দিয়ে মুখমন্ডল রগড়ে রগড়ে ঘষে ধোয়া উচিত।

119-ﺑَﺎﺏُ اﺳْﺘِﺤْﺒَﺎﺏِ ﺗَﺠْﺪِﻳﺪِ ﺣَﻤْﻞِ اﻟْﻤَﺎءِ ﻟِﻤَﺴْﺢِ اﻟﺮَّﺃْﺱِ ﻏَﻴْﺮِ ﻓَﻀْﻞِ ﺑَﻠَﻞِ اﻟْﻴَﺪَﻳْﻦِ

অধ্যায় ১১৯ : মাথা মাসাহ করার জন্য দুই হাতের অবশিষ্ট পানি ছাড়াও পুনরায় পানি নেয়া মুস্তাহাব।

154 – ﻧﺎ ﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﺑْﻦِ ﻭَﻫْﺐٍ، ﻧﺎ ﻋَﻤِّﻲ، ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﻋَﻤْﺮٌﻭ ﻭَﻫُﻮَ اﺑْﻦُ اﻟْﺤَﺎﺭِﺙِ، ﺃَﻥَّ ﺣَﺒَّﺎﻥَ ﺑْﻦَ ﻭَاﺳِﻊٍ، ﺣَﺪَّﺛَﻪُ ﺃَﻥَّ ﺃَﺑَﺎﻩُ ﺣَﺪَّﺛَﻪُ، ﺃَﻧَّﻪُ ﺳَﻤِﻊَ ﻋَﺒْﺪَ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦَ ﺯَﻳْﺪِ ﺑْﻦِ ﻋَﺎﺻِﻢٍ اﻟْﻤَﺎﺯِﻧِﻲُّ ﻳَﺬْﻛُﺮُ ﺃَﻧَّﻪُ ﺭَﺃَﻯ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﺗَﻮَﺿَّﺄَ ﻓَﻤَﻀْﻤَﺾَ، ﺛُﻢَّ اﺳْﺘَﻨْﺜَﺮَ، ﺛُﻢَّ ﻏَﺴَﻞَ ﻭَﺟْﻬَﻪُ ﺛَﻼَﺛًﺎ ﻭَﻳَﺪَﻩُ اﻟْﻴُﻤْﻨَﻰ ﺛَﻼَﺛًﺎ، ﻭَاﻷُْﺧْﺮَﻯ ﺛَﻼَﺛًﺎ، ﻭَﻣَﺴَﺢَ ﺭَﺃْﺳَﻪُ ﺑِﻤَﺎءٍ ﻏَﻴْﺮِ ﻓَﻀْﻞِ ﻳَﺪِﻩِ، ﻭَﻏَﺴَﻞَ ﺭِﺟْﻠَﻴْﻪِ ﺣَﺘَّﻰ ﺃَﻧْﻘَﺎﻫُﻤَﺎ ”

১৫৪ : আব্দুল্লাহ বিন যায়িদ বিন ‘আসিম মাযানী (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেন; “তিনি রসূলুল্লাহ (সাঃ) কে ওযু করতে দেখেছেন। তিনি কুলি করলেন ও নাক ঝাড়লেন। অতঃপর মুখমন্ডল তিনবার ধুলেন। তার ডান হাত তিনবার ও বাম হাত তিনবার ধুলেন। আর তার হাতের অবশিষ্ট পানি ছাড়াও তিনি (পুনরায় পানি নিয়ে) মাথা মাসাহ করলেন। আর তার দুই পা ধুলেন। এমনকি ভালোভাবে পরিষ্কার করলেন “।
★মুসলিম হাঃ ২৩৬;

120-ﺑَﺎﺏُ اﺳْﺘِﺤْﺒَﺎﺏِ ﻣَﺴْﺢِ اﻟﺮَّﺃْﺱِ ﺑِﺎﻟْﻴَﺪَﻳْﻦِ ﺟَﻤِﻴﻌًﺎ ﻟِﻴَﻜُﻮﻥَ ﺃَﻭْﻋَﺐَ ﻟِﻤَﺴْﺢِ ﺟَﻤِﻴﻊِ اﻟﺮَّﺃْﺱِ، ﻭَﺻِﻔَﺔِ اﻟْﻤَﺴْﺢِ، ﻭَاﻟْﺒَﺪْءِ ﺑِﻤُﻘَﺪَّﻡِ اﻟﺮَّﺃْﺱِﻗَﺒْﻞَ اﻟْﻤُﺆَﺧَّﺮِ ﻓِﻲ اﻟْﻤَﺴْﺢِ

অধ্যায় ১২০ : দুই হাত দিয়ে মাথা মাসাহ করা মুস্তাহাবের বর্ণনা। যাতে সমস্ত মাথার মাসাহ হয়ে যায়। মাসাহ করার পদ্ধতি ও প্রথমে মাথার সম্মুখদিক ও তারপর পেছন দিন মাসাহ করার বর্ণনা।

১৫৫ : আব্দুল্লাহ বিন যায়দ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; “নাবী (সাঃ) তার দুই হাত দিয়ে মাথা মাসাহ করলেন এবং তাকে আগে ও পেছনে নিয়ে গেলেন। তিনি (সাঃ) মাথার সম্মুখভাগ হতে শুরু করে উভয় হাত পেছনের চুলের শেষপ্রান্ত পর্যন্ত নিলেন। তারপর আবার (মাসাহ করা অবস্থায়) যেখান থেকে শুরু করেছিলেন সেখানেই ফিরিয়ে আনলেন”।
★বুখারী হাঃ ১৮৫; মুসলিম হাঃ ২৩৫; মুসনাদে আহমাদ হাঃ ১৬৪৪৫;

156 – ﻧﺎ ﺳَﻌِﻴﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ اﻟْﻤَﺨْﺰُﻭﻣِﻲُّ، ﻧﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ ﺑْﻦُ ﻋُﻴَﻴْﻨَﺔَ، ﻋَﻦْ ﻋَﻤْﺮِﻭ ﺑْﻦِ ﻳَﺤْﻴَﻰ اﻟْﻤَﺎﺯِﻧِﻲِّ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﺯَﻳْﺪٍ، «ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﺗَﻮَﺿَّﺄَ ﻓَﻐَﺴَﻞَ ﻭَﺟْﻬَﻪُ ﺛَﻼَﺛًﺎ، ﻭَﻏَﺴَﻞَ ﻳَﺪَﻳْﻪِ ﻣَﺮَّﺗَﻴْﻦِ، ﺛُﻢَّ ﻣَﺴَﺢَ ﺑِﺮَﺃْﺳِﻪِ، ﻭَﺑَﺪَﺃَ ﺑِﺎﻟْﻤُﻘَﺪَّﻡِ، ﺛُﻢَّ ﻏَﺴَﻞَ ﺭِﺟْﻠَﻴْﻪِ»

১৫৬ : আব্দুল্লাহ বিন যায়দ (রাযিঃ) বর্ণনা করেন; “নাবী (সাঃ) ওযু করলেন। তিনি তিনবার মুখমন্ডল ধুলেন; আর দুই হাতকে দুইবার ধুলেন এবং তার মাথা মাসাহ করলেন। আর (মাসাহতে) সম্মুখ হতে শুরু করলেন। অতঃপর তার উভয় পা ধুলেন”।
★হাদীস,১৫৫ এর অনুরূপ।

121-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟْﻤَﺴْﺢَ ﻋَﻠَﻰ اﻟﺮَّﺃْﺱِ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﻳَﻜُﻮﻥُ ﺑِﻤَﺎ ﻳَﺒْﻘَﻰ ﻣِﻦْ ﺑَﻠَﻞِ اﻟْﻤَﺎءِ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﻴَﺪَﻳْﻦِ، ﻻَ ﺑِﻨَﻔْﺲِ اﻟْﻤَﺎءِ ﻛَﻤَﺎﻳَﻜُﻮﻥُ اﻟْﻐَﺴْﻞُ ﺑِﺎﻟْﻤَﺎءِ

অধ্যায় ১২১ : সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা যে; মাথার মাসাহ হাতে লেগে থাকা অবশিষ্ট রয়ে যাওয়া আদ্রতা হতে হয় পানি দ্বারা নয়। যেমন “ধোয়া” পানি দিয়ে হয়।

ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: ﺧَﺒَﺮُ ﻋَﺒْﺪِ ﺧَﻴْﺮٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﻠِﻲٍّ: «ﺛُﻢَّ ﺃَﺩْﺧَﻞَ ﻳَﺪَﻩُ اﻟْﻴُﻤْﻨَﻰ ﻓِﻲ اﻹِْﻧَﺎءِ ﺣَﺘَّﻰ ﻏَﻤَﺮَﻫَﺎ اﻟْﻤَﺎءُ، ﺛُﻢَّ ﺭَﻓَﻌَﻬَﺎ ﺑِﻤَﺎ ﺣَﻤَﻠَﺖْ ﻣِﻦَ اﻟْﻤَﺎءِ، ﺛُﻢَّ ﻣَﺴَﺤَﻬَﺎ ﺑِﻴَﺪِﻩِ اﻟْﻴُﺴْﺮَﻯ، ﺛُﻢَّ ﻣَﺴَﺢَ ﺭَﺃْﺳَﻪُ ﺑِﻴَﺪَﻳْﻪِ ﻛِﻠْﺘَﻴْﻬِﻤَﺎ ﺃَﻭْ ﺟَﻤِﻴﻌًﺎ»

ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; আবদু খায়েরের ‘আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত রিওয়াআতে আছে: “অতঃপর তিনি তার ডান হাতকে পাত্রে প্রবেশ করালেন এমনকি তা পানিতে ডুবে গেল। তারপর তিনি হাতকে যা পানি তাতে লেগেছিল তা নিয়ে উপরে উঠালেন (অর্থাৎ পাত্র হতে বাইরে বের করলেন)। তারপর তিনি তার দুই ডান হাতকে বাম হাতে বুলালেন তারপর তিনি দুই হাত দিয়ে মাথা মাসাহ করলেন”।

122-ﺑَﺎﺏُ ﻣَﺴْﺢِ ﺟَﻤِﻴﻊِ اﻟﺮَّﺃْﺱِ ﻓِﻲ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ

অধ্যায় ১২২ : ওযুতে সম্পূর্ণ মাথার মাসাহ করার বর্ণনা।

157 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺭَاﻓِﻊٍ، ﻧﺎ ﺇِﺳْﺤَﺎﻕُ ﺑْﻦُ ﻋِﻴﺴَﻰ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﺄَﻟْﺖُ ﻣَﺎﻟِﻜًﺎ، ﻋَﻦِ اﻟﺮَّﺟُﻞِ ﻣَﺴَﺢَ ﻣُﻘَﺪَّﻡَ ﺭَﺃْﺳِﻪِ ﻓِﻲ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﺃَﻳُﺠْﺰِﻳﻪِ ﺫَﻟِﻚَ؟ ﻓَﻘَﺎﻝَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﻋَﻤْﺮُﻭ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦِ ﻋُﻤَﺎﺭَﺓَ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﺯَﻳْﺪٍ اﻟْﻤَﺎﺯِﻧِﻲِّ ﻗَﺎﻝَ: «§ﻣَﺴَﺢَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺭَﺃْﺳَﻪُ ﻓِﻲ ﻭَﺿُﻮﺋِﻪِ ﻣِﻦْ ﻧَﺎﺻِﻴَﺘِﻪِ ﺇِﻟَﻰ ﻗَﻔَﺎﻩُ، ﺛُﻢَّ ﺭَﺩَّ ﻳَﺪَﻳْﻪِ ﺇِﻟَﻰ ﻧَﺎﺻِﻴَﺘِﻪِ ﻭَﻣَﺴَﺢَ ﺭَﺃْﺳَﻪُ ﻛُﻠَّﻪُ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১৫৭ : ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; আমাকে মুহাম্মাদ বিন রা’ফি এবং তাকে ইসহাক বিন ঈসা বর্ণনা করেছেন ; তিনি বলেন; আমি ইমাম মালিক (রহঃ) কে সেই ব্যক্তির সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে তার ওযুতে (কেবল) মাথার সম্মুখভাগ মাসাহ করলো; এরূপ করা কি তার জন্য যথেষ্ট?  তিনি বললেন; আমাকে উমার বিন ইয়াহইয়া বিন উমারাহ তার পিতা হতে তিনি আব্দুল্লাহ বিন যায়দ মাযানী (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন; নাবী (সাঃ) তার ওযুতে তার কপালের (অর্থাৎ মাথার সম্মুখভাগ) হতে পেছনে চুলের শেষপ্রান্ত পর্যন্ত মাসাহ করেছেন। তারপর দুই হাতকে কপাল পর্যন্ত ফিরিয়ে নিয়েছেন আর সম্পূর্ণ মাথা মাসাহ করেছেন”।
★সনদ সহীহ।

123ﺑَﺎﺏُ ﻣَﺴْﺢِ ﺑَﺎﻃِﻦِ اﻷُْﺫُﻧَﻴْﻦِ ﻭَﻇَﺎﻫِﺮِﻫِﻤَﺎ

অধ্যায় ১২৩ : দুই কানের ভিতর ও বাইরের অংশ মাসাহ করা।

ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: «ﻗَﺪْ ﺃَﻣْﻠَﻴْﺖُ ﺣَﺪِﻳﺚَ ﻋُﺜْﻤَﺎﻥَ ﺑْﻦِ ﻋَﻔَّﺎﻥَ، ﻭَﺧَﺒَﺮَ اﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ ﻓِﻲ ﻣَﺴْﺢِ اﻷُْﺫُﻧَﻴْﻦِ ﻇَﺎﻫِﺮِﻫِﻤَﺎ ﻭَﺑَﺎﻃِﻨِﻬِﻤَﺎ»

ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন ; আমি উসমান বিন আফ্ফান ও ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর দুই কানের ভিতর ও বাইরের অংশ মাসাহ করার হাদীস বর্ণনা করে দিয়েছি।

124-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟْﻜَﻌْﺒَﻴْﻦِ اﻟﻠَّﺬَﻳْﻦِ ﺃُﻣِﺮَ اﻟْﻤُﺘَﻮَﺿِّﺊُ ﺑِﻐَﺴْﻞِ اﻟﺮِّﺟْﻠَﻴْﻦِ ﺇِﻟَﻴْﻬِﻤَﺎ اﻟْﻌَﻈْﻤَﺎﻥِ اﻟﻨَّﺎﺗِﺌَﺎﻥِ ﻓِﻲ ﺟَﺎﻧِﺒَﻲِ اﻟْﻘَﺪَﻡِ «ﻻَاﻟْﻌَﻈْﻢُ اﻟﺼَّﻐِﻴﺮُ اﻟﻨَّﺎﺗِﺊُ ﻋَﻠَﻰ ﻇَﻬْﺮِ اﻟْﻘَﺪَﻡِ، ﻋَﻠَﻰ ﻣَﺎ ﻳَﺘَﻮَﻫَّﻤُﻪُ ﻣَﻦْ ﻳَﺘَﺤَﺬْﻟَﻖُ ﻣِﻤَّﻦْ ﻻَ ﻳَﻔْﻬَﻢُ اﻟْﻌِﻠْﻢَ، ﻭَﻻَ ﻟُﻐَﺔَ اﻟْﻌَﺮَﺏِ»

অধ্যায় ১২৪ : সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা যে; দুই টাখনু যে পর্যন্ত ওযুকারী ব্যক্তিকে পা ধোয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেই পায়ের দুই দিকের উঁচু হয়ে থাকা হাড়। পায়ের উপরের উঁচু হয়ে থাকা ছোট হাড় নয়। যেমন অল্প জ্ঞানসম্পন্ন আরাবীর ব্যাকারণ না জানা ব্যক্তিদের সন্দেহ হয়েছে।

158 – ﻧﺎ ﻳُﻮﻧُﺲُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻷَْﻋْﻠَﻰ اﻟﺼَّﺪَﻓِﻲُّ، ﻧﺎ اﺑْﻦُ ﻭَﻫْﺐٍ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧِﻲ ﻳُﻮﻧُﺲُ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﺷِﻬَﺎﺏٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﻄَﺎءِ ﺑْﻦِ ﻳَﺰِﻳﺪَ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻩُ ﺃَﻥَّ ﺣُﻤْﺮَاﻥَ ﺃَﺧْﺒَﺮَﻩُ، ﺃَﻥَّ ﻋُﺜْﻤَﺎﻥَ ﺩَﻋَﺎ ﻳَﻮْﻣًﺎ ﻭَﺿُﻮءًا، ﻓَﺬَﻛَﺮَ اﻟْﺤَﺪِﻳﺚَ ﻓِﻲ ﺻِﻔَﺔِ ﻭُﺿُﻮءِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ، ﻭَﻗَﺎﻝَ: «§ﺛُﻢَّ ﻏَﺴَﻞَ ﺭِﺟْﻠَﻪُ اﻟْﻴُﻤْﻨَﻰ ﺇِﻟَﻰ اﻟْﻜَﻌْﺒَﻴْﻦِ ﺛَﻼَﺙَ ﻣَﺮَّاﺕٍ، ﻭَاﻟْﻴُﺴْﺮَﻯ ﻣِﺜْﻞَ ﺫَﻟِﻚَ» ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: «ﻓِﻲ ﻫَﺬَا اﻟْﺨَﺒَﺮِ ﺩَﻻَﻟَﺔٌ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟْﻜَﻌْﺒَﻴْﻦِ ﻫُﻤَﺎ اﻟْﻌَﻈْﻤَﺎﻥِ اﻟﻨَّﺎﺗِﺌَﺎﻥِ ﻓِﻲ ﺟَﺎﻧِﺒَﻲِ اﻟْﻘَﺪَﻡِ ﺇِﺫْ ﻟَﻮْ ﻛَﺎﻥَ اﻟْﻌَﻈْﻢُ اﻟﻨَّﺎﺗِﺊُ ﻋَﻠَﻰ ﻇَﻬَﺮِ اﻟْﻘَﺪَﻡِ ﻟَﻜَﺎﻥَ ﻟِﻠﺮِّﺟْﻞِ اﻟْﻴُﻤْﻨَﻰ ﻛَﻌْﺐٌ ﻭَاﺣِﺪٌ ﻻَ ﻛَﻌْﺒَﺎﻥِ»

১৫৮ : হুমরান (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; একদিন উসমান (রাযিঃ) পানি চাইলেন। অতঃপর তিনি নাবী (সাঃ) এর ওযুর পদ্ধতি সম্পর্কে হাদীস বর্ণনা করলেন এবং বললেন : “অতঃপর তিনি তার ডান পা দুই টাখনু পর্যন্ত তিনবার ধুলেন এবং বাম পাও অনুরূপ ধুলেন”।  ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন ; এই হাদীসে এই বিষয়ের প্রমাণ রয়েছে যে; টাখনু পায়ের দুই দিকের উঁচু হয়ে থাকা হাড়। কেননা যদি টাখনু পায়ের উপরের উঁচু হয়ে থাকা  হাড় হত তাহলে ডান পায়ের একটাই টাখনু হত দুটি নয়।
★মুসলিম হাঃ ২২৬; বুখারী হাঃ ১৫৯; ইবনুহিব্বান হাঃ ১০৫৮; নাসাঈ হাঃ ১১৬; মুসনাদে আহমাদ হাঃ ৩৯৩;

159 – ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻋَﻤَّﺎﺭٍ، ﻧﺎ اﻟْﻔَﻀْﻞُ ﺑْﻦُ ﻣُﻮﺳَﻰ، ﻋَﻦْ ﺯَﻳْﺪِ ﺑْﻦِ ﺯِﻳَﺎﺩٍ ﻫُﻮَ اﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ اﻟْﺠَﻌْﺪِ، ﻋَﻦْ ﺟَﺎﻣِﻊِ ﺑْﻦِ ﺷَﺪَّاﺩٍ، ﻋَﻦْ ﻃَﺎﺭِﻕٍ اﻟْﻤُﺤَﺎﺭِﺑِﻲِّ ﻗَﺎﻝَ: ﺭَﺃَﻳْﺖُ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻣَﺮَّ ﻓِﻲ ﺳُﻮﻕِ ﺫِﻱ اﻟْﻤَﺠَﺎﺯِ ﻭَﻋَﻠَﻴْﻪِ ﺣُﻠَّﺔٌ ﺣَﻤْﺮَاءُ، ﻭَﻫُﻮَ ﻳَﻘُﻮﻝُ: ” ﻳَﺎ ﺃَﻳُّﻬَﺎ اﻟﻨَّﺎﺱُ، §ﻗُﻮﻟُﻮا: ﻻَ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻻَّ اﻟﻠَّﻪُ ﺗُﻔْﻠِﺤُﻮا “، ﻭَﺭَﺟُﻞٌ ﻳَﺘْﺒَﻌُﻪُ ﻳَﺮْﻣِﻴَﻪُ ﺑِﺎﻟْﺤِﺠَﺎﺭَﺓِ ﻗَﺪْ ﺃَﺩْﻣَﻰ ﻛَﻌْﺒَﻴْﻪِ ﻭَﻋُﺮْﻗُﻮﺑَﻴْﻪِ، ﻭَﻫُﻮَ ﻳَﻘُﻮﻝُ: ﻳَﺎ ﺃَﻳُّﻬَﺎ اﻟﻨَّﺎﺱُ ﻻَ ﺗُﻄِﻴﻌُﻮﻩُ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﻛَﺬَّاﺏٌ، ﻓَﻘُﻠْﺖُ: ﻣَﻦْ ﻫَﺬَا؟ ﻗَﺎﻟُﻮا: ﻏُﻼَﻡُ ﺑَﻨِﻲ ﻋَﺒْﺪِ اﻟْﻤُﻄَّﻠِﺐِ، ﻓَﻘُﻠْﺖُ: ﻣَﻦْ ﻫَﺬَا اﻟَّﺬِﻱ ﻳَﺘْﺒَﻌُﻪُ ﻳَﺮْﻣِﻴﻪِ ﺑِﺎﻟْﺤِﺠَﺎﺭَﺓِ؟ ﻗَﺎﻟُﻮا: ﻫَﺬَا ﻋَﺒْﺪُ اﻟْﻌُﺰَّﻯ ﺃَﺑُﻮ ﻟَﻬَﺐٍ ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: «ﻭَﻓِﻲ ﻫَﺬَا اﻟْﺨَﺒَﺮِ ﺩَﻻَﻟَﺔٌ ﺃَﻳْﻀًﺎ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟْﻜَﻌْﺐَ ﻫُﻮَ اﻟْﻌَﻈْﻢُ اﻟﻨَّﺎﺗِﺊُ ﻓِﻲ ﺟَﺎﻧِﺒَﻲِ اﻟْﻘَﺪَﻡِ ﺇِﺫِ اﻟﺮَّﻣْﻴَﺔُ ﺇِﺫَا ﺟَﺎءَﺕْ ﻣِﻦْ ﻭَﺭَاءِ اﻟْﻤَﺎﺷِﻲ ﻻَ ﺗَﻜَﺎﺩُ ﺗُﺼِﻴﺐُ اﻟْﻘَﺪَﻡَ ﺇِﺫِ اﻟﺴَّﺎﻕُ ﻣَﺎﻧِﻊٌ ﺃَﻥْ ﺗُﺼِﻴﺐَ اﻟﺮَّﻣْﻴَﺔُ ﻇَﻬَﺮَ اﻟْﻘَﺪَﻡِ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১৫৯ : তারিক্ব মুহারিবী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; আমি রসূলুল্লাহ (সাঃ) কে দেখেছি ; তিনি জুল মাযাজের বাজার দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি লাল পোষাক পরে ছিলেন। তিনি বলছিলেন : “লোক সকল! লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলো সফলতা লাভ করবে। এক ব্যক্তি তার পেছন পেছন এসে তাকে পাথর মারছিল। সে তার টাখনু ও
গোড়ালী কে রক্তাক্ত করে দিল এবং বলছিল ; হে লোক সকল! এর কথা শুনিয়ো না! কেননা এ ব্যক্তি মিথ্যাবাদী। আমি  জিজ্ঞাসা করলাম; এটা কে?  লোকেরা বলল; আব্দুল মুত্বালিবের বংশের ছেলে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম; এর পেছন পেছন এসে একে পাথর নিক্ষেপকারী কে?  তারা বলল; সে আব্দুল উযযা আবূ লাহাব”। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; এই হাদীসেও এই বিষয়ের দলীল রয়েছে যে; টাখনু বলা হয় পায়ের দুই দিকের উঁচু হয়ে থাকা হাড়কে। কেননা পথ চলা ব্যক্তির পেছন দিক হতে পাথর মারলে তা পায়ে লাগে না। কেননা গোড়ালী  (পেছন হতে) ছোঁড়া বস্তুকে পায়ে লাগা হতে রক্ষা করে।
★সনদ সহীহ। মুসনাদে আহমাদ বিন হাম্বাল হাঃ ১৫৪৪৮; সহীহ ইবনুহিব্বান হাঃ ৬৫৬২; ইরওয়াউল-গালীল হাঃ ৮২৪; হাকেম ২/৬৬৮; বায়হাকী হাঃ ৩৬৩;

160 – ﻧﺎ ﺳَﻠْﻢُ ﺑْﻦُ ﺟُﻨَﺎﺩَﺓَ، ﻧﺎ ﻭَﻛِﻴﻊٌ، ﻋَﻦْ ﺯَﻛَﺮِﻳَّﺎ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﺯَاﺋِﺪَﺓَ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑُﻮ اﻟْﻘَﺎﺳِﻢِ اﻟْﺠَﺪَﻟِﻲُّ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ اﻟﻨُّﻌْﻤَﺎﻥَ ﺑْﻦَ ﺑَﺸِﻴﺮٍ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻫَﺎﺭُﻭﻥُ ﺑْﻦُ ﺇِﺳْﺤَﺎﻕَ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ اﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﻏَﻨِﻴَّﺔَ، ﻋَﻦْ ﺯَﻛَﺮِﻳَّﺎ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ اﻟْﻘَﺎﺳِﻢِ اﻟْﺠَﺪَﻟِﻲِّ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ اﻟﻨُّﻌْﻤَﺎﻥَ ﺑْﻦَ ﺑَﺸِﻴﺮٍ ﻳَﻘُﻮﻝُ: ﺃَﻗْﺒَﻞَ ﻋَﻠَﻴْﻨَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺑِﻮَﺟْﻬِﻪِ ﻓَﻘَﺎﻝَ: «§ﺃَﻗِﻴﻤُﻮا ﺻُﻔُﻮﻓَﻜُﻢْ ﺛَﻼَﺛًﺎ، ﻭَاﻟﻠَّﻪِ ﻟَﺘُﻘِﻴﻤُﻦَّ ﺻُﻔُﻮﻓَﻜُﻢْ ﺃَﻭْ ﻟَﻴُﺨَﺎﻟِﻔَﻦَّ اﻟﻠَّﻪُ ﺑَﻴْﻦَ ﻗُﻠُﻮﺑِﻜُﻢْ» ﻗَﺎﻝَ: «ﻓَﺮَﺃَﻳْﺖُ اﻟﺮَّﺟُﻞَ ﻳَﻜُﻮﻥُ ﻛَﻌْﺒُﻪُ ﺑِﻜَﻌْﺐِ ﺻَﺎﺣِﺒِﻪِ، ﻭَﺭُﻛْﺒَﺘُﻪُ ﺑِﺮُﻛْﺒَﺔِ ﺻَﺎﺣِﺒِﻪِ، ﻭَﻣَﻨْﻜِﺒُﻪُ ﺑِﻤَﻨْﻜِﺐِ ﺻَﺎﺣِﺒِﻪِ» ﻫَﺬَا ﻟَﻔْﻆُ ﺣَﺪِﻳﺚِ ﻭَﻛِﻴﻊٍ ” ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: «ﺃَﺑُﻮ اﻟْﻘَﺎﺳِﻢِ اﻟْﺠَﺪَﻟِﻲُّ ﻫَﺬَا ﻫُﻮَ ﺣُﺴَﻴْﻦُ ﺑْﻦُ اﻟْﺤَﺎﺭِﺙِ ﻣِﻦْ ﺟَﺪِﻳﻠَﺔَ ﻗَﻴْﺲٍ، ﺭَﻭَﻯ ﻋَﻨْﻪُ ﺯَﻛَﺮِﻳَّﺎ ﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﺯَاﺋِﺪَﺓَ، ﻭَﺃَﺑُﻮ ﻣَﺎﻟِﻚٍ اﻷَْﺷْﺠَﻌِﻲُّ، ﻭَﺣَﺠَّﺎﺝُ ﺑْﻦُ ﺃَﺭْﻃَﺎﺓَ، ﻭَﻋَﻄَﺎءُ ﺑْﻦُ اﻟﺴَّﺎﺋِﺐِ ﻋِﺪَاﺩُﻩُ ﻓِﻲ اﻟْﻜُﻮﻓِﻴِّﻴﻦَ، ﻭَﻓِﻲ ﻫَﺬَا اﻟْﺨَﺒَﺮِ ﻣَﺎ ﻧَﻔَﻰ اﻟﺸَّﻚَّ ﻭَاﻻِﺭْﺗِﻴَﺎﺏَ ﺃَﻥَّ اﻟْﻜَﻌْﺐَ ﻫُﻮَ اﻟْﻌَﻈْﻢُ اﻟﻨَّﺎﺗِﺊُ اﻟَّﺬِﻱ ﻓِﻲ ﺟَﺎﻧِﺐِ اﻟْﻘَﺪَﻡِ اﻟَّﺬِﻱ ﻳُﻤْﻜِﻦُ اﻟْﻘَﺎﺋِﻢُ ﻓِﻲ اﻟﺼَّﻼَﺓِ ﺃَﻥْ ﻳَﻠْﺰَﻗَﻪُ ﺑِﻜَﻌْﺐِ ﻣَﻦْ ﻫُﻮَ ﻗَﺎﺋِﻢٌ ﺇِﻟَﻰ ﺟَﻨْﺒِﻪِ ﻓِﻲ اﻟﺼَّﻼَﺓِ، ﻭَاﻟْﻌِﻠْﻢُ ﻣُﺤِﻴﻂٌ ﻋِﻨْﺪَ ﻣَﻦْ ﺭُﻛِّﺐَ ﻓِﻴﻪِ اﻟْﻌَﻘْﻞُ ﺃَﻥَّ اﻟْﻤُﺼَﻠِّﻴﻦَ ﺇِﺫَا ﻗَﺎﻣُﻮا ﻓِﻲ اﻟﺼَّﻒِّ ﻟَﻢْ ﻳُﻤْﻜِﻦْ ﺃَﺣَﺪٌ ﻣِﻨْﻬُﻢُ ﺇِﻟْﺼَﺎﻕَ ﻇَﻬْﺮِ ﻗَﺪَﻣِﻪِ ﺑِﻈَﻬْﺮِ ﻗَﺪِﻡَ ﻏَﻴْﺮِﻩِ، ﻭَﻫَﺬَا ﻏَﻴْﺮُ ﻣُﻤْﻜِﻦٍ ﻭَﻣَﺎ ﻛَﻮْﻧُﻪُ ﻏَﻴْﺮَ ﻣُﻤْﻜِﻦٍ ﻟَﻢْ ﻳَﺘَﻮَﻫَّﻢْ ﻋَﺎﻗِﻞٌ ﻛَﻮْﻧَﻪُ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১৬০ : নু’মান  ইন বাশীর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন  রসূলুল্লাহ (সাঃ) আমাদের দিকে নিজের মুখমন্ডল করে দাঁড়ালেন ও তিনবার  বললেন : “তোমাদের কাতারসমূহ সোজা করে নাও। আল্লাহর শপথ! অবশ্যই তোমরা তোমাদের কাতারসমূহ সোজা করে দাঁড়াও ; নচেৎ আল্লাহ তোমাদের অন্তরে মতানৈক্য সৃষ্টি করে দিবেন”। বর্ণনাকারী (নু’মান) বলেন; (তার কথার অনুসরণে) এক ব্যক্তির টাখনু নিজের সঙ্গীর টাখনুর সঙ্গে; আর তার হাঁটু তার সঙ্গীর হাঁটুর সঙ্গে ও তার কাঁধ সঙ্গীর কাঁধের সঙ্গে মিলিয়ে দাঁড়াচ্ছে”। এটা ওয়াকি’র (বর্ণিত) হাদীসের শব্দ। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; এ আবুল কাসিম আল-জাদালী কায়েসের হোসাইন বিন হারেসের হাদীস। এর হতে যাকারিয়া বিন আবূ যাহিদ আবূ মালিক আশজাঈ হিজায বিন আরত্বাত ও ‘আতা বিন সায়িব রিওয়াআত করেছেন। আবুল কাসিমের হিসাব কুফী (ইরাকী) রাবীদের মধ্যে করা হয়। এই হাদীসে এমন প্রমাণ রয়েছে যা সন্দেহকে দূরিভুত করে দিয়েছে যে; টাখনু পায়ের উঁচু হয়ে থাকা সেই হাড় যা স্বলাত আদায়কারী তার পাশে দাঁড়ানো ব্যক্তির টাখনুর সঙ্গে মিলাতে পারে। বিবেকবান লোকেদের নিকট এবিষয়টি স্পষ্ট যে; স্বলাত আদায়কারী যখন কাতারে দাঁড়িয়ে থাকে তখন তাদের মধ্যে কারো জন্য এটা সম্ভব নয় যে ; সে তার পায়ের (চেটোর উপরের) উঁচু অংশকে কারো পায়ের উঁচু অংশের সঙ্গে মেলায়। সুতরাং যা অসম্বব বিবেকবান তা সম্ভব হবার কথা বিবেচনা করে না।
★সনদ সহীহ। আবুদাঊদ হাঃ ৬৬২; নাসাঈ হাঃ ৮১০; বুখারী হাঃ ৭২৫; সহীহাহ নং ৩২;

125-ﺑَﺎﺏُ اﻟﺘَّﻐْﻠِﻴﻆِ ﻓِﻲ ﺗَﺮْﻙِ ﻏَﺴْﻞِ اﻟْﻌَﻘِﺒَﻴْﻦِ ﻓِﻲ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ

অধ্যায় ১২৫ : ওযুতে গোড়ালীগুলো না ধোয়ার শাস্তির বর্ণনা।

” ﻭَاﻟﺪَّﻟِﻴﻞُ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟْﻔَﺮْﺽَ ﻏَﺴْﻞُ اﻟْﻘَﺪَﻣَﻴْﻦِ ﻻَ ﻣَﺴْﺤُﻬُﻤَﺎ، ﺇِﺫَا ﻛَﺎﻧَﺘْﺎ ﺑَﺎﺩِﻳَﺘَﻴْﻦِ ﻏَﻴْﺮَ ﻣُﻐَﻄَّﻴَﺘَﻴْﻦِ ﺑِﺎﻟْﺨُﻒِّ ﺃَﻭْ ﻣَﺎ ﻳَﻘُﻮﻡُ ﻣَﻘَﺎﻡَ اﻟْﺨُﻒِّ، ﻻَ ﻋَﻠَﻰ ﻣَﺎ ﺯَﻋَﻤَﺖِ اﻟﺮَّﻭَاﻓِﺾُ ﺃَﻥَّ اﻟْﻔَﺮْﺽَ ﻣَﺴْﺢُ اﻟْﻘَﺪَﻣَﻴْﻦِ ﻻَ ﻏَﺴْﻠُﻬُﻤَﺎ، ﺇِﺫْ ﻟَﻮْ ﻛَﺎﻥَ اﻟْﻤَﺎﺳِﺢُ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﻘَﺪَﻣَﻴْﻦِ ﻣُﺆَﺩِّﻳًﺎ ﻟِﻠْﻔَﺮْﺽِ، ﻟَﻤَﺎ ﺟَﺎﺯَ ﺃَﻥَّ ﻳُﻘَﺎﻝَ ﻟِﺘَﺎﺭِﻙِ ﻓَﻀِﻴﻠَﺔٍ: ﻭَﻳْﻞٌ ﻟَﻪُ، ﻭَﻗَﺎﻝَ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «ﻭَﻳْﻞٌ ﻟِﻷَْﻋْﻘَﺎﺏِ ﻣِﻦَ اﻟﻨَّﺎﺭِ» ، ﺇِﺫَا ﺗَﺮَﻙَ اﻟْﻤُﺘَﻮَﺿِّﺊُ ﻏَﺴْﻞَ ﻋَﻘِﺒَﻴْﻪِ ”

আর সেই প্রমাণের বর্ণনা যে; যখন গোড়ালী উম্মুক্ত থাকে ও মোযা কিংবা মোযার মত কোন বস্তু দিয়ে ঢাকা না থাকে; তখন উভয় গোড়ালী ধোয়া ফরয; তাতে মাসাহ করা নয়। যারা এটা বলে যে; ফরয উভয়-পা মাসাহ করা  তা ধোয়া নয়। কেননা যদি উভয়-পায়ে মাসাহকারী ফরয আদায়কারী হয় (এমতাবস্থায় ধোয়া মুস্তাহাব এবং অতিরিক্ত সওয়াবের কাজ। উভয়-পা না ধুয়ে কেবল মাসাহ করা সওয়াবকে অস্বরীকার করা হয় ; ফরযকে নয়)। সওয়াবের অস্বীকারকে ﻭَﻳْﻞٌ ﻟَﻪ “তার জন্য হালাকাত” এমন শক্ত শব্দ বলা বৈধ হত। কেননা নাবী (সাঃ) ওযুতে গোড়ালী ধোয়া ত্যাগকারীকে বলেছেন : “ঐ গোড়ালীর জন্য (জাহান্নামের) আগুন রয়েছে”।

161 – ﻧﺎ ﻳُﻮﺳُﻒُ ﺑْﻦُ ﻣُﻮﺳَﻰ، ﻧﺎ ﺟَﺮِﻳﺮٌ، ﻋَﻦْ ﻣَﻨْﺼُﻮﺭٍ، ﻋَﻦْ ﻫِﻼَﻝِ ﺑْﻦِ ﻳَﺴَﺎﻑٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻳَﺤْﻴَﻰ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﻋَﻤْﺮٍﻭ ﻗَﺎﻝَ: ﺭَﺟَﻌْﻨَﺎ ﻣَﻊَ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻣِﻦْ ﻣَﻜَّﺔَ ﺇِﻟَﻰ اﻟْﻤَﺪِﻳﻨَﺔِ ﺣَﺘَّﻰ ﺇِﺫَا ﻛُﻨَّﺎ ﺑِﻤَﺎءٍ ﺑِﺎﻟﻄَّﺮِﻳﻖِ ﺗَﻌَﺠَّﻞَ ﻗَﻮْﻡٌ ﻋِﻨْﺪَ اﻟْﻌَﺼْﺮِ ﻓَﺘَﻮَﺿَّﺌُﻮا ﻭَﻫُﻢْ ﻋِﺠَﺎﻝٌ، ﻓَﺎﻧْﺘَﻬَﻴْﻨَﺎ ﺇِﻟَﻴْﻬِﻢْ ﻭَﺃَﻋْﻘَﺎﺑُﻬُﻢْ ﺑِﻴﺾٌ ﺗَﻠُﻮﺡُ ﻟَﻢْ ﻳَﻤَﺴَّﻬَﺎ اﻟْﻤَﺎءُ ﻓَﻘَﺎﻝَ: ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «§ﻭَﻳْﻞٌ ﻟِﻷَْﻋْﻘَﺎﺏِ ﻣِﻦَ اﻟﻨَّﺎﺭِ ﺃَﺳْﺒِﻐُﻮا اﻟْﻮُﺿُﻮءَ»

১৬১ : আব্দুল্লাহ বিন আমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; এক সময় আমরা রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সঙ্গে মক্কা হতে মদীনায় ফিরে আসছিলাম। এমনকি পথিমধ্যে যখন আমরা পানির (একটা স্থান বা ঝরণার) কাছে পৌছালাম; তখন কিছু লোক আসরের স্বলাতের জন্য ওযু করতে তাড়াহুড়ো করল আর তারা তাড়াহুড়োর মধ্যেই ছিল। আমরা তাদের নিকট পৌছালাম দেখলাম তাদের গোড়ালী সাদা দেখা যাচ্ছিল (অর্থাৎ তা শুকনো ছিল; তাই সেই অংশ দেখা যাচ্ছে যে) তাতে পানি লাগেনি। তখন (এঅবস্থা দেখে) রসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন : “পরিপূর্ণ ওযু কর (শুকনো) গোড়ালীর জন্য (জাহান্নামের) আগুন রয়েছে”।
★মুসলিম হাঃ ২৪১; নাসাঈ হাঃ ১১১; আবুদাঊদ হাঃ ৯৭; ইবনুমাজাহ হাঃ ৪৫০;

162 – ﻧﺎ ﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪَﺓَ، ﻧﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟْﻌَﺰِﻳﺰِ اﻟﺪَّﺭَاﻭَﺭْﺩِﻱُّ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻳُﻮﺳُﻒُ ﺑْﻦُ ﻣُﻮﺳَﻰ، ﻧﺎ ﺟَﺮِﻳﺮٌ، ﻛِﻼَﻫُﻤَﺎ ﻋَﻦْ ﺳُﻬَﻴْﻞِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﺻَﺎﻟِﺢٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ، ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ: «§ﻭَﻳْﻞٌ ﻟِﻷَْﻋْﻘَﺎﺏِ ﻣِﻦَ اﻟﻨَّﺎﺭِ»

১৬২ : আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : “(ওযুতে শুকনো রয়ে যাওয়া) গোড়ালীর জন্য (জাহান্নামের) আগুন রয়েছে”।
★মুসলিম হাঃ ২৪২; তিরমিযী হাঃ ৪১; ইবনুমাজাহ হাঃ ৪৫৩;

126-ﺑَﺎﺏُ اﻟﺘَّﻐْﻠِﻴﻆِ ﻓِﻲ ﺗَﺮْﻙِ ﻏَﺴْﻞِ ﺑُﻄُﻮﻥِ اﻷَْﻗْﺪَاﻡِ ﻓِﻲ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ

অধ্যায় ১২৬ : ওযুতে পায়ের নীচের অংশ না ধুলে আযাবের ভীতি প্রদর্শন।

«ﻓِﻴﻪِ ﺃَﻳْﻀًﺎ ﺩَﻻَﻟَﺔٌ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟْﻤَﺎﺳِﺢَ ﻋَﻠَﻰ ﻇَﻬْﺮِ اﻟْﻘَﺪَﻣَﻴْﻦِ ﻏَﻴْﺮُ ﻣُﺆَﺩٍّ ﻟِﻠْﻔَﺮْﺽِ، ﻻَ ﻛَﻤَﺎ ﺯَﻋَﻤَﺖِ اﻟﺮَّﻭَاﻓِﺾُ ﺃَﻥَّ اﻟْﻔَﺮْﺽَ ﻣَﺴْﺢُ ﻇُﻬُﻮﺭِﻫِﻤَﺎ ﻻَ ﻏَﺴْﻞُ ﺟَﻤِﻴﻊِ اﻟْﻘَﺪَﻣَﻴْﻦِ»

তাতেও প্রমাণ রয়েছে যে পায়ের উপরের অংশে মাসাহকারী ফরয আদায় করেনা। রাফিযীদের অনুমানের বিপরীত যারা এটা বলে যে; সম্পূর্ণ পাগুলো ধোয়া ফরয নয়। কেবলমাত্র তার উপরের অংশটা ধোয়া ফরয।

163 – ﻧﺎ ﻳُﻮﻧُﺲُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻷَْﻋْﻠَﻰ، ﻧﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﺑُﻜَﻴْﺮٍ، ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ اﻟﻠَّﻴْﺚُ، ﻋَﻦْ ﺣَﻴْﻮَﺓَ ﻭَﻫُﻮَ اﺑْﻦُ ﺷُﺮَﻳْﺢٍ، ﻋَﻦْ ﻋُﻘْﺒَﺔَ ﺑْﻦِ ﻣُﺴْﻠِﻢٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ اﻟْﺤَﺎﺭِﺙِ ﺑْﻦِ ﺟَﺰْءٍ اﻟﺰُّﺑَﻴْﺪِﻱِّ، ﺃَﻧَّﻪُ ﺳَﻤِﻊَ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ: «§ﻭَﻳْﻞٌ ﻟِﻷَْﻋْﻘَﺎﺏِ ﻭَﺑُﻄُﻮﻥِ اﻷَْﻗْﺪَاﻡِ ﻣِﻦَ اﻟﻨَّﺎﺭِ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১৬৩: আব্দুল্লাহ বিনন হারিস বিন জাযইয যুবাইদী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নাবী (সাঃ) কে বলতে শুনেছেন; তিনি বলেছেন : “(শুকনো রয়ে যাওয়া) গোড়ালী ও তালুর জন্য (জাহান্নামের) আগুন রয়েছে”।
★সনদ সহীহ। সহীহুত-তারগীব ১/২৬৮; সহীহ জামেউস সাগীর হাঃ ৭১৩৩; মুসনাদে আহমাদ বিন হাম্বাল ৪/১৯১
ব্যাখ্যা :
তাই ওযু করতে গেলে ওযুর অঙ্গ-প্রতঙ্গগুলো রগড়ে রগড়ে সম্পূর্ণভাবে ধোয়া জরুরী। যাতে কোন অঙ্গ শুকনো না থেকে যায় এর প্রতি সজাগ দৃষ্টি দেওয়া উচিত।

127-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟْﻤَﺴْﺢَ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﻘَﺪَﻣَﻴْﻦِ ﻏَﻴْﺮُ ﺟَﺎﺋِﺰٍ، ﻻَ ﻛَﻤَﺎ ﺯَﻋَﻤَﺖِ اﻟﺮَّﻭَاﻓِﺾُ، ﻭَاﻟْﺨَﻮَاﺭِﺝُ

অধ্যায় ১২৭ : সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা যে; পায়ের উপরে-(ও) মাসাহ করা বৈধ। যেমন রাফিযী খারেজীরা (এর বিপরীত) ধারণা পোষণ করে।

164 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ، ﻧﺎ ﺃَﺻْﺒُﻎُ ﺑْﻦُ اﻟْﻔَﺮَﺝِ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧِﻲ اﺑْﻦُ ﻭَﻫْﺐٍ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧِﻲ ﺟَﺮِﻳﺮُ ﺑْﻦُ ﺣَﺎﺯِﻡٍ اﻷَْﺯْﺩِﻱُّ، ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﻗَﺘَﺎﺩَﺓُ ﺑْﻦُ ﺩِﻋَﺎﻣَﺔَ، ﻧﺎ ﺃَﻧَﺲُ ﺑْﻦُ ﻣَﺎﻟِﻚٍ ﻗَﺎﻝَ: ﺟَﺎءَ ﺭَﺟُﻞٌ ﺇِﻟَﻰ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺪْ §ﺗَﻮَﺿَّﺄَ ﻭَﺗَﺮَﻙَ ﻋَﻠَﻰ ﻇَﻬَﺮِ ﻗَﺪَﻣِﻪِ ﻣِﺜْﻞَ ﻣَﻮْﺿِﻊِ اﻟﻈُّﻔْﺮِ، ﻓَﻘَﺎﻝَ ﻟَﻪُ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «اﺭْﺟِﻊْ ﻓَﺄَﺣْﺴِﻦْ ﻭُﺿُﻮءَﻙَ» ﻧﺎ ﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﺑْﻦِ ﻭَﻫْﺐٍ، ﻧﺎ ﻋَﻤِّﻲ ﺑِﻤِﺜْﻠِﻪِ
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺣﺴﻦ

১৬৪ : আনাস বিন মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন ; এক ব্যক্তি ওযু করে নাবী (সাঃ) এর নিকট উপস্থিত হল। কিন্তু (ওযুতে) পায়ের উঁচু অংশে নখ পরিমাণ জায়গা শুকনো ছিল। নাবী (সাঃ) তাকে বললেন :”ফিরে যাও এবং উত্তমরূপে ওযু করে এসো”। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন ; আমাদের আহমাদ বিন আব্দুর রহমান বিন ওহহাব বর্ণনা করেছেন; সে বলেছেন;  আমাকে আমার চাচা এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন।
★সনদ হাসান। আবুদাঊদ হাঃ ১৭৩; ইবনুমাজাহ হাঃ ৬৬৫; মুসনাদে আহমাদ ৩/১৪২;

128-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟْﺒَﻴَﺎﻥِ ﺃَﻥَّ اﻟﻠَّﻪَ ﻋَﺰَّ ﻭَﺟَﻞَّ ﻭَﻋَﻼَ ﺃَﻣَﺮَ ﺑِﻐَﺴْﻞِ اﻟْﻘَﺪَﻣَﻴْﻦِ ﻓِﻲ ﻗَﻮْﻟِﻪِ: {ﻭَﺃَﺭْﺟُﻠَﻜُﻢْ ﺇِﻟَﻰ اﻟْﻜَﻌْﺒَﻴْﻦِ} [اﻟﻤﺎﺋﺪﺓ: 6] اﻵْﻳَﺔَ،ﻻَ ﺑِﻤَﺴْﺤِﻬِﻤَﺎ ” ﻋَﻠَﻰ ﻣَﺎ ﺯَﻋَﻤَﺖِ اﻟﺮَّﻭَاﻓِﺾُ، ﻭَاﻟْﺨَﻮَاﺭِﺝُ،

অধ্যায় ১২৮ : সেই বিষয়ের প্রমাণ যে; প্রতাপশালী আল্লাহ সুবহানাহু তা‘য়ালা তার নির্দেশ {ﻭَﺃَﺭْﺟُﻠَﻜُﻢْ ﺇِﻟَﻰ اﻟْﻜَﻌْﺒَﻴْﻦِ}
“পা-টাখনুসহ”তে রাফিযী ও খারেজীদের ধারণার বিপরীত পাগুলো ধোয়ার নির্দেশ দিয়েছেন; মাসাহ করার নয়।

ﻭَاﻟﺪَّﻟِﻴﻞُ ﻋَﻠَﻰ ﺻِﺤَّﺔِ ﺗﺄَﻭْﻳﻞِ اﻟْﻤُﻄَّﻠِﺒِﻲِّ ﺭَﺣِﻤَﻪُ اﻟﻠَّﻪُ ﺃَﻥَّ ﻣَﻌْﻨَﻰ اﻵْﻳَﺔِ ﻋَﻠَﻰ اﻟﺘَّﻘْﺪِﻳﻢِ ﻭَاﻟﺘَّﺄْﺧِﻴﺮِ ﻋَﻠَﻰ ﻣَﻌْﻨَﻰ: اﻏْﺴِﻠُﻮا ﻭُﺟُﻮﻫَﻜُﻢْ ﻭَﺃَﻳْﺪِﻳَﻜُﻢْ ﻭَﺃَﺭْﺟُﻠَﻜُﻢْ ﻭَاﻣْﺴَﺤُﻮا ﺑِﺮُءُﻭﺳِﻜُﻢْ، ﻓَﻘَﺪَّﻡَ ﺫِﻛْﺮَ اﻟْﻤَﺴْﺢِ ﻋَﻠَﻰ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﺮِّﺟْﻠَﻴْﻦِ، ﻛَﻤَﺎ ﻗَﺎﻝَ اﺑْﻦُ ﻣَﺴْﻌُﻮﺩٍ، ﻭَاﺑْﻦُ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ، ﻭَﻋُﺮْﻭَﺓُ ﺑْﻦُ اﻟﺰُّﺑَﻴْﺮِ: ﻭَﺃَﺭْﺟُﻠَﻜُﻢْ ﺇِﻟَﻰ اﻟْﻜَﻌْﺒَﻴْﻦِ ﻗَﺎﻟُﻮا: ﺭَﺟَﻊَ اﻷَْﻣْﺮُ ﺇِﻟَﻰ اﻟْﻐَﺴْﻞِ ”

আল্লামা মুত্তালীব (রহঃ) এর তাফসীরের সহীহ হওয়ার প্রমাণের বর্ণনা। আয়াতের অর্থ পরিপূর্ণ ও দীর্ঘ। অর্থাৎ اﻏْﺴِﻠُﻮا ﻭُﺟُﻮﻫَﻜُﻢْ ﻭَﺃَﻳْﺪِﻳَﻜُﻢْ ﻭَﺃَﺭْﺟُﻠَﻜُﻢْ ﻭَاﻣْﺴَﺤُﻮا ﺑِﺮُءُﻭﺳِﻜُﻢ “নিজ মুখমন্ডল নিজ হাত ও নিজ পাকে ধুয়ে নাও এবং নিজ মাথা মাসাহ কর”; অর্থাৎ মাসাহ এর আলোচনা পায়ের আলোচনার পূর্বে করা হয়েছে। যেমন ইবনু মাসঊদ; ইবনু  আব্বাস ও ‘উরয়াহ বিন যুবাইর (রাযিঃ) ﻭَﺃَﺭْﺟُﻠَﻜُﻢْ ﺇِﻟَﻰ اﻟْﻜَﻌْﺒَﻴْﻦِ “নিজের পাগুলো টাখনুসহ” ধোয়ার দিকে ফিরিয়ে দেয়।

165 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ، ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ اﻟْﻮَﻟِﻴﺪِ، ﻧﺎ ﻋِﻜْﺮِﻣَﺔُ ﺑْﻦُ ﻋَﻤَّﺎﺭٍ، ﻧﺎ ﺷَﺪَّاﺩُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺃَﺑُﻮ ﻋَﻤَّﺎﺭٍ، ﻭَﻛَﺎﻥَ ﻗَﺪْ ﺃَﺩْﺭَﻙَ ﻧَﻔَﺮًا ﻣِﻦْ ﺃَﺻْﺤَﺎﺏِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺃُﻣَﺎﻣَﺔَ: ﻧﺎ ﻋَﻤْﺮُﻭ ﺑْﻦُ ﻋَﻨْﺒَﺴَﺔَ، ﻓَﺬَﻛَﺮَ اﻟْﺤَﺪِﻳﺚَ ﺑِﻄُﻮﻟِﻪِ ﻓِﻲ ﺻِﻔَﺔِ ﺇِﺳْﻼَﻣِﻪِ، ﻭَﻗَﺎﻝَ: ﻗُﻠْﺖُ: ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ، ﺃَﺧْﺒِﺮْﻧِﻲ ﻋَﻦِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ، ﻓَﺬَﻛَﺮَ اﻟْﺤَﺪِﻳﺚَ ﺑِﻄُﻮﻟِﻪِ، ﻭَﻗَﺎﻝَ: «§ﺛُﻢَّ ﻳَﻐْﺴِﻞُ ﻗَﺪَﻣَﻴْﻪِ ﺇِﻟَﻰ اﻟْﻜَﻌْﺒَﻴْﻦِ ﻛَﻤَﺎ ﺃَﻣْﺮَﻩُ اﻟﻠَّﻪُ ﺇِﻻَّ ﺧَﺮَﺟَﺖْ ﺧَﻄَﺎﻳَﺎ ﻗَﺪَﻣَﻴْﻪِ ﻣِﻦْ ﺃَﻃْﺮَاﻑِ ﺃَﺻَﺎﺑِﻌِﻪِ ﻣَﻊَ اﻟْﻤَﺎءِ»

১৬৫ : আবূ উমামাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; আমাদের আমর বিন আবাসা তার ইসলাম গ্রহণের বক্তব্য হিসাবে লম্বা হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর তিনি বলেন; আমি বললাম; হে আল্লাহর রসূল! আমাকে ওযু সম্পর্কে বলুন। তারপর দীর্ঘ হাদীস বর্ণনা করলেন ও বললেন; (তিনি সাঃ বললেন) :”অতঃপর (ওযুকারী) আল্লাহ তা’য়ালার নির্দেশানুযায়ী তার দুই পা টাখনুসহ ধুয়ে নিবে; তাতে তার পায়ের পাপসমূহ তার আঙুলসমূহ দিয়ে বেরিয়ে যায়”।
★মুসলিম হাঃ ৮৩২; মুসনাদে আহমাদ ৩/১১; ১১২; তিরমিযী হাঃ ৩৫৭৯; আবুদাঊদ হাঃ ১২৭৭;

129-ﺑَﺎﺏُ اﻟﺘَّﻐْﻠِﻴﻆِ ﻓِﻲ اﻟْﻤَﺴْﺢِ ﻋَﻠَﻰ اﻟﺮِّﺟْﻠَﻴْﻦِ، ﻭَﺗَﺮْﻙِ ﻏَﺴْﻠِﻬِﻤَﺎ ﻓِﻲ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ

অধ্যায় ১২৯ : ওযুতে পাগুলোতে মাসাহ করা ও তা না ধোয়াতে শাস্তির বর্ণনা।

«ﻭَاﻟﺪَّﻟِﻴﻞُ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟْﻤَﺎﺳِﺢَ ﻟِﻠْﻘَﺪَﻣَﻴْﻦِ اﻟﺘَّﺎﺭِﻙَ ﻟﻐَﺴْﻠِﻬِﻤَﺎ ﻣُﺴْﺘَﻮْﺟِﺐٌ ﻟِﻠْﻌِﻘَﺎﺏِ ﺑِﺎﻟﻨَّﺎﺭِ، ﺇِﻻَّ ﺃَﻥَّ ﻳَﻌْﻔُﻮَ اﻟﻠَّﻪُ ﻭَﻳَﺼْﻔَﺢُ، ﻧَﻌُﻮﺫُ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻣِﻦْ ﻋِﻘَﺎﺑِﻪِ»

আর সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা; পাগুলো ধোয়ার পরিবর্তে তার মাসাহকারী (জাহান্নামের) আগুনের দাবীদার; যদি না আল্লাহ ক্ষমা করেন ও দয়া করেন। আমরা আল্লাহ তা’য়ালার আযাব হতে তার আশ্রয় কামনা করছি।

166 – ﻧﺎ اﻟْﺤَﺴَﻦُ ﺑْﻦُ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ، ﻧﺎ ﻋَﻔَّﺎﻥُ ﺑْﻦُ ﻣُﺴْﻠِﻢٍ، ﻭَﺳَﻌِﻴﺪُ ﺑْﻦُ ﻣَﻨْﺼُﻮﺭٍ ﻗَﺎﻻَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻋَﻮَاﻧَﺔَ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﺑِﺸْﺮٍ، ﻋَﻦْ ﻳُﻮﺳُﻒَ ﺑْﻦِ ﻣَﺎﻫَﻚَ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﻋَﻤْﺮٍﻭ ﻗَﺎﻝَ: ﺗَﺨَﻠَّﻒَ ﻋَﻨَّﺎ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻓِﻲ ﺳَﻔَﺮٍ ﺳَﺎﻓَﺮْﻧَﺎﻩُ ﻓَﺄَﺩْﺭَﻛَﻨَﺎ ﻭَﻗَﺪْ ﺃَﺭْﻫَﻘَﺘْﻨَﺎ اﻟﺼَّﻼَﺓُ ﺻَﻼَﺓُ اﻟْﻌَﺼْﺮِ، ﻭَﻧَﺤْﻦُ ﻧَﺘَﻮَﺿَّﺄُ، ﻓَﺠَﻌَﻠْﻨَﺎ ﻧَﻤْﺴَﺢُ ﺃَﺭْﺟُﻠَﻨَﺎ، ﻓَﻨَﺎﺩَﻯ ﺑِﺄَﻋْﻠَﻰ ﺻَﻮْﺗِﻪِ ﻣَﺮَّﺗَﻴْﻦِ ﺃَﻭْ ﺛَﻼَﺛًﺎ: «§ﻭَﻳْﻞٌ ﻟِﻷَْﻋْﻘَﺎﺏِ ﻣِﻦَ اﻟﻨَّﺎﺭِ» ﻫَﺬَا ﻟَﻔْﻆُ ﺣَﺪِﻳﺚِ ﻋَﻔَّﺎﻥَ ﺑْﻦِ ﻣُﺴْﻠِﻢٍ ”

১৬৬ : আব্দুল্লাহ বিন আমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; আমাদের এক সফরে রসূলুল্লাহ (সাঃ) আমাদের পেছনে পড়ে গেলেন। তারপর তিনি আমাদের নিকট পৌছালেন। আমাদের আসরের স্বলাত (আদায় করাতে দেরী হওয়াতে) তাড়াহুড়োর মধ্যে ফেলে দিয়েছিল। আর আমরা (তাড়াতাড়ি) ওযু করছিলাম। আমরা আমাদের পা মাসাহ (কোনমতে ভিজিয়ে) করছিলাম। তখন তিনি (সাঃ) (এটা দেখলেন যে আমরা পাগুলো পরিপূর্ণ ধোয়ার জায়গায় কোনরকমে মাসাহ করছিলাম) দুই বা তিনবার উচ্চস্বরে বললেন : “(শুকনো থেকে যাওয়া) গোড়ালীগুলোর জন্য (জাহান্নামের) আগুনের আযাব রয়েছে”। এটা আফ্ফান বিন মুসলিমের (বর্ণিত) হাদীস।
★বুখারী হাঃ ৯৬; মুসলিম হাঃ ২৪১; আহমাদ ৬৮২৩;

131-ﺑَﺎﺏُ ﺗَﺨْﻠِﻴﻞِ ﺃَﺻَﺎﺑِﻊِ اﻟْﻘَﺪَﻣَﻴْﻦِ ﻓِﻲ اﻟْﻮُﺿُﻮء

অধ্যায় ১৩১ : ওযুতে পায়ের আঙুলগুলো খিলাল করা।

ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: «ﻗَﺪْ ﺫَﻛَﺮْﻧَﺎ ﺧَﺒَﺮَ ﻋُﺜْﻤَﺎﻥَ ﺑْﻦِ ﻋَﻔَّﺎﻥَ، ﻋَﻦِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻓِﻲ ﺗَﺨْﻠِﻴﻞِ ﺃَﺻَﺎﺑِﻊِ اﻟْﻘَﺪَﻣَﻴْﻦِ ﺛَﻼَﺛًﺎ»

ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন ; আমরা পায়ের আঙুলগুলো তিনবার খিলাল করার সম্পর্কে উসমান বিন  আফফান (রাযিঃ) এর নাবী (সাঃ) হতে রিওয়াআত বর্ণনা করে দিয়েছি।

168 – ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ اﻟْﺤَﺴَﻦُ ﺑْﻦُ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ، ﻭَﺃَﺑُﻮ اﻟْﺨَﻄَّﺎﺏِ ﺯِﻳَﺎﺩُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ اﻟْﺤَﺴَّﺎﻧِﻲُّ، ﻭَﺇِﺳْﺤَﺎﻕُ ﺑْﻦُ ﺣَﺎﺗِﻢِ ﺑْﻦِ ﺑَﻴَﺎﻥٍ اﻟْﻤَﺪَاﺋِﻨِﻲُّ، ﻭَﺟَﻤَﺎﻋَﺔٌ ﻏَﻴْﺮَﻫُﻢْ ﻗَﺎﻟُﻮا: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺳُﻠَﻴْﻢٍ، ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﺇِﺳْﻤَﺎﻋِﻴﻞُ ﺑْﻦُ ﻛَﺜِﻴﺮٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﺎﺻِﻢِ ﺑْﻦِ ﻟَﻘِﻴﻂِ ﺑْﻦِ ﺻَﺒِﺮَﺓَ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ ﻗَﺎﻝَ: ﻗُﻠْﺖُ: ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ، ﺃَﺧْﺒِﺮْﻧِﻲ ﻋَﻦِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻗَﺎﻝَ: «§ﺃَﺳْﺒَﻎِ اﻟْﻮُﺿُﻮءَ، ﻭَﺧَﻠِّﻞِ اﻷَْﺻَﺎﺑِﻊَ، ﻭَﺑَﺎﻟِﻎْ ﻓِﻲ اﻻِﺳْﺘِﻨْﺸَﺎﻕِ ﺇِﻻَّ ﺃَﻥْ ﺗَﻜُﻮﻥَ ﺻَﺎﺋِﻤًﺎ»

১৬৮ : লাক্বীত বিন সাবরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; আমি বললাম; হে আল্লাহর রসূল! আমাকে ওযু সম্পর্কে অবহিত করুন। তিনি বললেন : “পরিপূর্ণরূপে ওযু করবে; আঙুলসমূহ খিলাল করবে; সিয়ামরত অবস্থায় না থাকলে নাকে ভালোভাবে পানি নিবে”।
★সনদ সহীহ। আবুদাঊদ হাঃ ১৪২; বাকি ১৫০ হাদীসের নীচে দেখুন।

132-ﺑَﺎﺏُ ﺻِﻔَﺔِ ﻭُﺿُﻮءِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺛَﻼَﺛًﺎ ﺛَﻼَﺛًﺎ

অধ্যায় ১৩২ : নাবী (সাঃ) এর ওযুতে (অঙ্গগুলো) তিন তিনবার করে ধোয়ার বর্ণনা।

169 – ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: ﺧَﺒَﺮُ ﻋُﺜْﻤَﺎﻥَ ﺑْﻦِ ﻋَﻔَّﺎﻥَ ﻭَﻋَﻠِﻲِّ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻃَﺎﻟِﺐٍ ﻓِﻲ ﺻِﻔَﺔِ ﻭُﺿُﻮءِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺛَﻼَﺛًﺎ ﺛَﻼَﺛًﺎ ”

১৬৯ : ইমাম আবূ বাকর (ইবনুখুযাইমাহ রহঃ) বলেন ; (বিগতপৃষ্ঠাতে) উসমান (রাযিঃ) ও ‘আলী (রাযিঃ) এর হাদীস (বর্ণনা হয়ে গিয়েছে) এর মধ্যে রয়েছে যে; নাবী (সাঃ) ওযুতে (অঙ্গগুলো) তিন তিনবার করে ধুয়েছেন।
★ইবনুখুযাইমাহ হাঃ ১৪৭ ও ১৫১;

133-ﺑَﺎﺏُ ﺇِﺑَﺎﺣَﺔِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻣَﺮَّﺗَﻴْﻦِ ﻣَﺮَّﺗَﻴْﻦِ

অধ্যায় ১৩৩ : ওযুতে (অঙ্গগুলো) দুই দুইবার ধোয়া বৈধ।

170 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢَ ﺑْﻦِ ﻛَﺒِﻴﺮٍ اﻟﺼُّﻮﺭِﻱُّ ﺑِﺎﻟْﻔُﺴْﻄَﺎﻁِ، ﻧﺎ ﺳُﺮَﻳْﺞُ ﺑْﻦُ اﻟﻨُّﻌْﻤَﺎﻥِ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻓُﻠَﻴْﺢٌ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ اﻷَْﺯْﻫَﺮِ ﻭَﻛَﺘَﺒْﺘُﻪُ ﻣِﻦْ ﺃَﺻْﻠِﻪِ، ﻧﺎ ﻳُﻮﻧُﺲُ ﺑْﻦُ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ، ﻧﺎ ﻓُﻠَﻴْﺢٌ ﻭَﻫُﻮَ اﺑْﻦُ ﺳُﻠَﻴْﻤَﺎﻥَ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﺑَﻜْﺮِ ﺑْﻦِ ﻣُﺤَﻤَّﺪِ ﺑْﻦِ ﻋَﻤْﺮِﻭ ﺑْﻦِ ﺣَﺰْﻡٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒَّﺎﺩِ ﺑْﻦِ ﺗَﻤِﻴﻢٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﺯَﻳْﺪٍ، «ﺃَﻥَّ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﺗَﻮَﺿَّﺄَ ﻣَﺮَّﺗَﻴْﻦِ ﻣَﺮَّﺗَﻴْﻦِ»

১৭০ : আব্দুল্লাহ বিন যায়দ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; “নাবী (সাঃ) ওযুতে (অঙ্গগুলো) দুই দুইবার করে ধুয়েছেন”।
★সহীহুল বুখারী হাঃ ১৫৮; তিরমিযী হাঃ ৬৯১;

134-ﺑَﺎﺏُ ﺇِﺑَﺎﺣَﺔِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻣَﺮَّﺓً ﻣَﺮَّﺓ

অধ্যায় ১৩৪ : (ওযুতে অঙ্গগুলো) এক একবার করে ধোয়া বৈধ।

ً «ﻭَاﻟﺪَّﻟِﻴﻞُ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ ﻏَﺎﺳِﻞَ ﺃَﻋْﻀَﺎءِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻣَﺮَّﺓً ﻣَﺮَّﺓً ﻣُﺆَﺩٍّ ﻟِﻔَﺮْﺽِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ، ﺇِﺫْ ﻏَﺎﺳِﻞُ ﺃَﻋْﻀَﺎءِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻣَﺮَّﺓً ﻣَﺮَّﺓً ﻭَاﻗِﻊٌ ﻋَﻠَﻴْﻪِ اﺳْﻢُ ﻏَﺎﺳِﻞٍ، ﻭَاﻟﻠَّﻪُ ﻋَﺰَّ ﻭَﺟَﻞَّ ﺃَﻣَﺮَ ﺑِﻐَﺴْﻞِ ﺃَﻋْﻀَﺎءِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﺑِﻼَ ﺫِﻛْﺮِ ﺗَﻮْﻗِﻴﺖٍ، ﻭَﻓِﻲ ﻭُﺿُﻮءِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻣَﺮَّﺓً ﻣَﺮَّﺓً، ﻭَﻣَﺮَّﺗَﻴْﻦِ ﻣَﺮَّﺗَﻴْﻦِ، ﻭَﺛَﻼَﺛًﺎ ﺛَﻼَﺛًﺎ ﻭَﻏَﺴْﻞِ ﺑَﻌْﺾِ ﺃَﻋْﻀَﺎءِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﺷَﻔْﻌًﺎ، ﻭَﺑَﻌْﻀَﻪُ ﻭِﺗْﺮًا ﺩِﻻَﻟَﺔٌ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ ﻫَﺬَا ﻛُﻠَّﻪُ ﻣُﺒَﺎﺡٌ، ﻭَﺃَﻥَّ ﻛُﻞَّ ﻣَﻦْ ﻓَﻌَﻞَ ﻓِﻲ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻣَﺎ ﻓَﻌَﻠَﻪُ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻓِﻲ ﺑَﻌْﺾِ اﻷَْﻭْﻗَﺎﺕِ ﻣُﺆَﺩٍّ ﻟِﻔَﺮْﺽِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ؛ ﻷَِﻥَّ ﻫَﺬَا ﻣِﻦَ اﺧْﺘِﻼَﻑِ اﻟْﻤُﺒَﺎﺡِ، ﻻَ ﻣِﻦَ اﺧْﺘِﻼَﻑِ اﻟَّﺬِﻱ ﺑَﻌْﻀُﻪُ ﻣُﺒَﺎﺡٌ ﻭَﺑَﻌْﻀُﻪُ ﻣَﺤْﻈُﻮﺭٌ»

আর সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা যে; ওযুতে অঙ্গগুলো এক একবার করে ধোনেওয়ালা ওযুর ফরয আদায়কারী। কেননা এক একবার করে ধোনেওয়ালাকেও ধৌতকারী বলে। মহান সম্মানীয় আল্লাহ তা’য়ালা ধোয়ার পরিমাণ বর্ণনা করেননি; কেবল ধোয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আর নাবী (সাঃ) এর (ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ওযুর অঙ্গগুলো) এক একবার; দুই দুইবার ও তিন তিনবার ধোয়া এবং অন্যকে জোড়া ও অন্যকে বেজোড় পরিমাণ ধোয়ার মধ্যে এই প্রমাণ রয়েছে যে; (ওযুতে) এসব পদ্ধতি বৈধ। আর যে ব্যক্তি ওযুতে তেমনই করল যেমন নাবী (সাঃ) ভিন্ন ভিন্ন সময় করেছেন; সে ওযুর ফরয আদায়কারী বলে গণ্য হবে। কেননা (ওযুর) বৈধ (পদ্ধতি) এর ভিন্নতা রয়েছে। সেটা এমন নয় যে; একটি পদ্ধতি বৈধ আর অন্য পদ্ধতি নিষিদ্ধ বা অবৈধ।

171 – ﻧﺎ ﻧَﺼْﺮُ ﺑْﻦُ ﻋَﻠِﻲٍّ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟْﻌَﺰِﻳﺰِ اﻟﺪَّﺭَاﻭَﺭْﺩِﻱُّ، ﻋَﻦْ ﺯَﻳْﺪِ ﺑْﻦِ ﺃَﺳْﻠَﻢَ، ﻋَﻦْ ﻋَﻄَﺎءِ ﺑْﻦِ ﻳَﺴَﺎﺭٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ ﻗَﺎﻝَ: «ﺭَﺃَﻳْﺖُ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﺗَﻮَﺿَّﺄَ ﻣَﺮَّﺓً ﻣَﺮَّﺓً»

১৭১ : ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন;  আমি রসূলুল্লাহ (সাঃ) কে দেখছি ; তিনি ওযুতে (অঙ্গগুলো) এক একবার করে ধুয়েছেন।
★বুখারী হাঃ ১৫৭; তিরমিযী হাঃ ৪২; নাসাঈ হাঃ ৮০; আবুদাঊদ হাঃ ১৩৮; মুসনাদে আহমাদ হাঃ ১৯৪৮; দারেমী হাঃ ৬৯২; ইবনুমাজাহ হাঃ ৪১১;

135-ﺑَﺎﺏُ ﺇِﺑَﺎﺣَﺔِ ﻏَﺴْﻞِ ﺑَﻌْﺾِ ﺃَﻋْﻀَﺎءِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﺷَﻔْﻌًﺎ، ﻭَﺑَﻌْﻀِﻪِ ﻭِﺗْﺮًا

অধ্যায় ১৩৫ : ওযুর অঙ্গগুলো কিছুকে জোড় ও অন্যকে বেজোড় পরিমাণে ধোয়া বৈধ।

172 – ﻧﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟْﺠَﺒَّﺎﺭِ ﺑْﻦُ اﻟْﻌَﻼَءِ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ، ﻋَﻦْ ﻋَﻤْﺮِﻭ ﺑْﻦِ ﻳَﺤْﻴَﻰ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﺯَﻳْﺪٍ، «ﺃَﻥَّ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﺗَﻮَﺿَّﺄَ ﻓَﻐَﺴَﻞَ ﻭَﺟْﻬَﻪُ ﺛَﻼَﺛًﺎ، ﻭَﻳَﺪَﻳْﻪِ ﻣَﺮَّﺗَﻴْﻦِ، ﻭَﺭِﺟْﻠَﻴْﻪِ ﻣَﺮَّﺗَﻴْﻦِ، ﻭَﻣَﺴَﺢَ ﺑِﺮَﺃْﺳِﻪِ» ﻭَﺃَﺭَاﻩُ ﻗَﺎﻝَ: ﻭَاﺳْﺘَﻨْﺜَﺮَ
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১৭২ : আব্দুল্লাহ বিন যায়দ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; নাবী (সাঃ) একবার ওযু করলেন। মুখমন্ডল তিনবার ধুলেন; দুই হাত দু’বার ধুলেন; দুই পা দু’বার ধুলেন। আর তার মাথা মাসাহ করলেন। আমার অনুমান হচ্ছে যে; তিনি বলেছেন; আর নাক ঝাড়লেন।
★সনদ সহীহ। সহীহ আবুদাঊদ হাঃ ১০৯; তিরমিযী হাঃ ৪৭;

173 – ﻧﺎ ﻳُﻮﻧُﺲُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻷَْﻋْﻠَﻰ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﻭَﻫْﺐٍ، ﺃَﻥَّ ﻣَﺎﻟِﻜًﺎ ﺣَﺪَّﺛَﻪُ، ﻋَﻦْ ﻋَﻤْﺮِﻭ ﺑْﻦِ ﻳَﺤْﻴَﻰ اﻟْﻤَﺎﺯِﻧِﻲِّ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ ﺃَﻧَّﻪُ ﻗَﺎﻝَ ﻟِﻌَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﺯَﻳْﺪِ ﺑْﻦِ ﻋَﺎﺻِﻢٍ – ﻭَﻛَﺎﻥَ ﻣِﻦْ ﺃَﺻْﺤَﺎﺏِ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ، ﻭَﻫُﻮَ ﺟَﺪُّ ﻋَﻤْﺮِﻭ ﺑْﻦِ ﻳَﺤْﻴَﻰ -: ﻫَﻞْ ﺗَﺴْﺘَﻄِﻴﻊُ ﺃَﻥْ ﺗُﺮِﻳَﻨِﻲ ﻛَﻴْﻒَ ﻛَﺎﻥَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻳَﺘَﻮَﺿَّﺄُ؟ ﻓَﻘَﺎﻝَ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﺯَﻳْﺪٍ: ﻧَﻌَﻢْ «§ﻓَﺪَﻋَﺎ ﺑِﻮَﺿُﻮءٍ ﻓَﺄَﻓْﺮَﻍَ ﻋَﻠَﻰ ﻳَﺪَﻳْﻪِ ﻓَﻐَﺴَﻞَ ﻳَﺪَﻳْﻪِ ﻣَﺮَّﺗَﻴْﻦِ، ﺛُﻢَّ ﻣَﻀْﻤَﺾَ ﻭَاﺳْﺘَﻨْﺜَﺮَ ﺛَﻼَﺛًﺎ، ﺛُﻢَّ ﻏَﺴَﻞَ ﻭَﺟْﻬَﻪُ ﺛَﻼَﺛًﺎ، ﺛُﻢَّ ﻏَﺴَﻞَ ﻳَﺪَﻳْﻪِ ﻣَﺮَّﺗَﻴْﻦِ ﻣَﺮَّﺗَﻴْﻦِ ﺇِﻟَﻰ اﻟْﻤِﺮْﻓَﻘَﻴْﻦِ، ﺛُﻢَّ ﻣَﺴَﺢَ ﺭَﺃْﺳَﻪُ ﺑِﻴَﺪَﻳْﻪِ ﻓَﺄَﻗْﺒَﻞَ ﺑِﻬِﻤَﺎ ﻭَﺃَﺩْﺑَﺮَ، ﺑَﺪَﺃَ ﺑِﻤُﻘَﺪَّﻡِ ﺭَﺃْﺳِﻪِ، ﺛُﻢَّ ﺫَﻫَﺐَ ﺑِﻬِﻤَﺎ ﺇِﻟَﻰ ﻗَﻔَﺎﻩُ، ﺛُﻢَّ ﺭَﺩَّﻫُﻤَﺎ ﺣَﺘَّﻰ ﺭَﺟَﻊَ ﺇِﻟَﻰ اﻟْﻤَﻜَﺎﻥِ اﻟَّﺬِﻱ ﺑَﺪَﺃَ ﻣِﻨْﻪُ، ﺛُﻢَّ ﻏَﺴَﻞَ ﺭِﺟْﻠَﻴْﻪِ» ﻗَﺎﻝَ ﻣَﺎﻟِﻚٌ: «ﻫَﺬَا ﺃَﻋَﻢُّ اﻟْﻤَﺴْﺢِ ﻭَﺃَﺣَﺒُّﻪُ ﺇِﻟَﻲَّ»

১৭৩ : আমর বিন ইয়াহইয়া আল-মাযানী (রহঃ) তার পিতা হতে বর্ণনা করেন যে ; তিনি আব্দুল্লাহ বিন যায়দ বিন ‘আসিম (রাযিঃ) কে বলল; আর সে রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সাহাবী আমর বিন ইয়াহইয়ার দাদা (তাকে বললেন); আপনি কি আমাদেরকে দেখাতে পারেন; কিভাবে রসূলুল্লাহ (সাঃ) ওযু করতেন? “আব্দুল্লাহ বিন যায়দ (রাযিঃ) বললেন; হাঁ (দেখাতে পারব)। সুতরাং তিনি (ওযুর জন্য) পানি চাইলেন। হাতের উপর সে পানি ঢেলে দু’বার হাত ধুলেন। তারপর তিনবার কুলি করলেন ও নাক ঝাড়লেন। অতঃপর মুখমন্ডল তিনবার ধুলেন। তারপর দুই হাত কনুই পর্যন্ত দু’বার ধুলেন। তারপর মাথা মাসাহ করলেন। তাতে দুই হাত দিয়ে সম্মুখভাগ হতে শুরু করে উভয় হাত পেছনের চুলের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত নিলেন। তারপর আবার যেখান থেকে শুরু করেছিলেন সেখানেই ফিরিয়ে আনলেন। তারপর দুই পা ধুলেন”। ইমাম মালিক বলেন; এটা পরিপূর্ণ মাসাহ; আর আমার বেশী পছন্দ।
★বুখারী হাঃ ১৮৫; মএসলিম হাঃ ২৩৫; নাসাঈ হাঃ ৯৮; আবুদাঊদ হাঃ ১১৮; ইবনুমাজাহ হাঃ ৪৩৪; মুওয়াত্তা ইমাম মালিক হাঃ ৩১; মুসনাদে আহমাদ ৪/৩৯; ৪২;

136-ﺑَﺎﺏُ اﻟﺘَّﻐْﻠِﻴﻆِ ﻓِﻲ ﻏَﺴْﻞِ ﺃَﻋْﻀَﺎءِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﺃَﻛْﺜَﺮَ ﻣِﻦْ ﺛَﻼَﺙ

অধ্যায় ১৩৬ : ওযুতে অঙ্গগুলো তিনবারের বেশী ধোয়াতে কঠোরতার বর্ণনা।

ٍ«ﻭَاﻟﺪَّﻟِﻴﻞُ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ ﻓَﺎﻋِﻠَﻪُ ﻣُﺴِﻲءٌ ﻇَﺎﻟِﻢٌ ﺃَﻭْ ﻣُﺘَﻌَﺪٍّ ﻇَﺎﻟِﻢٌ»

আর সেই বিষয়ের প্রমাণ যে; তিনবারের বেশী ধোনেওয়ালা গুনাহগার; জালিমও সিমালঙ্ঘণকারী।

174 – ﻧﺎ ﻳَﻌْﻘُﻮﺏُ ﺑْﻦُ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢَ اﻟﺪَّﻭْﺭَﻗِﻲُّ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ اﻷَْﺷْﺠَﻌِﻲُّ، ﻋَﻦْ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥَ، ﻋَﻦْ ﻣُﻮﺳَﻰ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔَ، ﻋَﻦْ ﻋَﻤْﺮِﻭ ﺑْﻦِ ﺷُﻌَﻴْﺐٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ، ﻋَﻦْ ﺟَﺪِّﻩِ، ﺃَﻥَّ ﺃَﻋْﺮَاﺑِﻴًّﺎ ﺃَﺗَﻰ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ، ﻓَﺴَﺄَﻟَﻪُ ﻋَﻦِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ، §ﻓَﺘَﻮَﺿَّﺄَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺛَﻼَﺛًﺎ ﺛَﻼَﺛًﺎ، ﻓَﻘَﺎﻝَ: «ﻣَﻦْ ﺯَاﺩَ ﻓَﻘَﺪْ ﺃَﺳَﺎءَ ﻭَﻇَﻠَﻢَ ﺃَﻭِ اﻋْﺘَﺪَﻯ ﻭَﻇَﻠَﻢَ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺣﺴﻦ

১৭৪ : আমর বিন শু’আইব (রহঃ) তার পিতা আর সে তার দাদা হতে বর্ণনা করেন যে; এক ব্যক্তি নাবী (সাঃ) এর নিকট আসল এবং সে ওযু সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করল। রসূলুল্লাহ (সাঃ) (তাকে ওযুর পদ্ধতি বুঝানোর জন্য ওযুর অঙ্গগুলো) তিন তিনবার করে ধুয়ে ওযু করলেন।। অতঃপর বললেন; “যে ব্যক্তি (এর চেয়ে) বেশী করল সে মন্দ করল ও জুলুম করল। কিংবা সে সিমালঙ্ঘণ করল ও জুলুম করল”।
★সনদ হাসান। নাসাঈ হাঃ ১৪০; আবুদাঊদ হাঃ ১৩৫;
ব্যাখ্যা :
এই হাদীস হতে প্রমাণ হল যে; ওযুর অঙ্গগুলো এক হতে শুরু করে দুইবার বা তিনবার করে ধোয়া বৈধ। কিন্তু কোন ব্যক্তি যদি তিনবারের বেশী অঙ্গগুলো ধুয়ে নেয় তাহলে তা শরীআতের পরিমাণ এর সিমালঙ্ঘণকারী ও জালিম বলে বিবেচিত হবে। আর এটা করা অবৈধ (নাইলুল আওতার ১/১৮৯)।

137-ﺑَﺎﺏُ اﻷَْﻣْﺮِ ﺑِﺈِﺳْﺒَﺎﻍِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ

অধ্যায় ১৩৭ : ওযু পরিপূর্ণ করার নির্দেশ।

175 – ﻧﺎ ﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪَﺓَ، ﻧﺎ ﺣَﻤَّﺎﺩُ ﺑْﻦُ ﺯَﻳْﺪٍ، ﻋَﻦْ ﻣُﻮﺳَﻰ ﺑْﻦِ ﺳَﺎﻟِﻢٍ ﺃَﺑِﻲ ﺟَﻬْﻀَﻢٍ، ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﻋُﺒَﻴْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ ﻗَﺎﻝَ: ﻛُﻨَﺎ ﺟُﻠُﻮﺳًﺎ ﻋِﻨْﺪَ اﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ، ﻓَﻘَﺎﻝَ: ” ﻭَاﻟﻠَّﻪِ ﻣَﺎ ﺧَﺼَّﻨَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺑِﺸَﻲْءٍ ﺩُﻭﻥَ اﻟﻨَّﺎﺱِ ﺇِﻻَّ ﺛَﻼَﺛَﺔَ ﺃَﺷْﻴَﺎءَ: §ﺃَﻣَﺮَﻧَﺎ ﺃَﻥْ ﻧُﺴْﺒِﻎَ اﻟْﻮُﺿُﻮءَ، ﻭَﻻَ ﻧَﺄْﻛُﻞَ اﻟﺼَّﺪَﻗَﺔَ، ﻭَﻻَ ﻧُﻨْﺰِﻱَ اﻟْﺤَﻤِﻴﺮَ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨَﻴْﻞِ ” ﻧﺎ ﻳَﻌْﻘُﻮﺏُ اﻟﺪَّﻭْﺭَﻗِﻲُّ، ﻧﺎ اﺑْﻦُ ﻋُﻠَﻴَّﺔَ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﻣُﻮﺳَﻰ ﺑْﻦُ ﺳَﺎﻟِﻢٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﻋُﺒَﻴْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ: اﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ ﺑِﻤِﺜْﻠِﻪِ ﻭَﺯَاﺩَ ﻗَﺎﻝَ ﻣُﻮﺳَﻰ، ﻓَﻠَﻘِﻴﺖُ ﻋَﺒْﺪَ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦَ ﺣَﺴَﻦٍ، ﻓَﻘُﻠْﺖُ: ﺇِﻥَّ ﻋَﺒْﺪَ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦَ ﻋُﺒَﻴْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﺑِﻜَﺬَا ﻭَﻛَﺬَا، ﻓَﻘَﺎﻝَ: «ﺇِﻥَّ اﻟْﺨَﻴْﻞَ ﻛَﺎﻧَﺖْ ﻓِﻲ ﺑَﻨِﻲ ﻫَﺎﺷِﻢٍ ﻗَﻠِﻴﻠَﺔً ﻓَﺄَﺣَﺐَّ ﺃَﻥْ ﻳُﻜْﺜِﺮَ ﻓِﻴﻬِﻢْ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১৭৫ : আব্দুল্লাহ বিন উবাইদুল্লাহ সূত্রে বর্ণিত। আমরা ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর নিকট বসে ছিলাম। তিনি বললেন; আল্লাহর শপথ! রসূলুল্লাহ (সাঃ) আমাদেরকে লোকেদের উপর কোন বিষয়ে খাস করেননি তিনটি যথাযথ বিষয় ব্যতীত। তিনি (সাঃ) আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন ; “আমরা যেন পরিপূর্ণরূপে ওযু করি। আর সাদকাহ (এর দান) ভক্ষণ না করি এবং আমাদেরকে তিনি নিষেধ করেছেন গাধাকে ঘোড়ার সাথে সঙ্গম করাতে”। মূসা বলেন; আমি আব্দুল্লাহ বিন হাসানের সাথে সাক্ষাত করে বললাম; আমাকে আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ এই হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বললেন; বানী হাশেম গোত্রে ঘোড়ার স্বল্পতা ছিল ; তিনি (সাঃ) এটা পছন্দ করলেন যে; বানী হাশেম গোত্রে ঘোড়া বেশী হয়ে যাক (এজন্য তিনি (সাঃ) গাধার সঙ্গে ঘোড়ার সঙ্গমকে অপছন্দ করেছেন)।

176 – ﻧﺎ اﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﺻَﻔْﻮَاﻥَ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻋُﺜْﻤَﺎﻥَ اﻟﺜَّﻘَﻔِﻲُّ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑِﻲ، ﻧﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ، ﻋَﻦْ ﺳِﻤَﺎﻙٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻫُﻮَ اﺑْﻦُ ﻣَﺴْﻌُﻮﺩٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ ﻗَﺎﻝَ: اﻟﺼَّﻔْﻘَﺔُ ﺑِﺎﻟﺼَّﻔْﻘَﺘَﻴْﻦِ ﺭَﺑًّﺎ، §ﻭَﺃَﻣَﺮَﻧَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺑِﺈِﺳْﺒَﺎﻍِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ”

১৭৬ : আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; এক লেনদেনের উপর দুই লেনদেন (অর্থাৎ দুইজনের মধ্যে কোন লেনদেন চললে যতক্ষণ না তার পরিনাম হয় ততক্ষণ অন্য কোন ব্যক্তির) সূদের অন্তর্ভুক্ত। আর রসূলুল্লাহ (সাঃ) আমাদেরকে পরিপূর্ণরূপে ওযু করার নির্দেশ দিয়েছেন।
★সনদ সহীহ। আল-ইরাআ হাঃ ৮৩০৭; ইবনুহিব্বান হাঃ ১০৫৩; ৫০২৫; তাবারানী ফিল কাবীর ৯/৩২১; সহীহাহ নং ২৩২৬;
ব্যাখ্যা :
পরিপূর্ণরূপে এবং ভালোভাবে ওযু করা ফরয। আর ওযু দ্বারা ফরয ইবাদত স্বলাত আদায় করা জরুরী। কিন্তু স্বলাত কবুল হওয়ার জন্য আবার ওযুর পরিপূর্ণতা হল শর্ত। তাই খেয়াল রাখতে হবে যে তাড়াহুড়ো করে ওযু করতে গিয়ে যেন ওযুর কোন অঙ্গ শুকনো না রয়ে যায়। এতে তো ওযু হবেই না। আর তার জন্য কঠোর শাস্তির কথাও ঘোষণা করা হয়েছে।

138-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ ﺗَﻜْﻔِﻴﺮِ اﻟْﺨَﻄَﺎﻳَﺎ، ﻭَاﻟﺰِّﻳَﺎﺩَﺓِ ﻓِﻲ اﻟْﺤَﺴَﻨَﺎﺕِ ﺑِﺈِﺳْﺒَﺎﻍِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﻤَﻜَﺎﺭِﻩِ

অধ্যায় ১৩৮ : কষ্ট ও শ্রম সত্বেও পরিপূর্ণরূপে ওযু করা গুনাহের ক্ষমা ও নেকীতে বৃদ্ধির কারণ।

177 – ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻣُﻮﺳَﻰ، ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ اﻟﻀَّﺤَّﺎﻙُ ﺑْﻦُ ﻣَﺨْﻠَﺪٍ ﺃَﺑُﻮ ﻋَﺎﺻِﻢٍ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ، ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﺑَﻜْﺮٍ، ﻋَﻦْ ﺳَﻌِﻴﺪِ ﺑْﻦِ اﻟْﻤُﺴَﻴِّﺐِ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﺳَﻌِﻴﺪٍ اﻟْﺨُﺪْﺭِﻱِّ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «§ﺃَﻻَ ﺃَﺩُﻟُّﻜُﻢْ ﻋَﻠَﻰ ﻣَﺎ ﻳُﻜَﻔِّﺮُ اﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻪِ اﻟْﺨَﻄَﺎﻳَﺎ، ﻭَﻳَﺰِﻳﺪُ ﻓِﻲِ اﻟْﺤَﺴَﻨَﺎﺕِ» ﻗَﺎﻟُﻮا: ﺑَﻠَﻰ ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﻗَﺎﻝَ: «ﺇِﺳْﺒَﺎﻍُ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﻤَﻜَﺎﺭِﻩِ، ﻭَاﻧْﺘِﻈَﺎﺭُ اﻟﺼَّﻼَﺓِ ﺑَﻌْﺪَ اﻟﺼَّﻼَﺓِ» ، ﺛُﻢَّ ﺫَﻛَﺮَ اﻟْﺤَﺪِﻳﺚَ ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: «ﻫَﺬَا اﻟْﺨَﺒَﺮُ ﻟَﻢْ ﻳَﺮْﻭِﻩِ، ﻋَﻦْ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥَ ﻏَﻴْﺮُ ﺃَﺑِﻲ ﻋَﺎﺻِﻢٍ، ﻓَﺈِﻥْ ﻛَﺎﻥَ ﺃَﺑُﻮ ﻋَﺎﺻِﻢٍ ﻗَﺪْ ﺣَﻔِﻈَﻪُ ﻓَﻬَﺬَا ﺇِﺳْﻨَﺎﺩٌ ﻏَﺮِﻳﺐٌ، ﻭَﻫَﺬَا ﺧَﺒَﺮٌ ﻃَﻮِﻳﻞٌ ﻗَﺪْ ﺧَﺮَّﺟْﺘُﻪُ ﻓِﻲ ﺃَﺑْﻮَاﺏٍ ﺫَﻭَاﺕِ ﻋَﺪَﺩٍ، ﻭَاﻟْﻤَﺸْﻬُﻮﺭُ ﻓِﻲ ﻫَﺬَا اﻟْﻤَﺘْﻦِ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﻣُﺤَﻤَّﺪِ ﺑْﻦِ ﻋُﻘَﻴْﻞٍ، ﻋَﻦْ ﺳَﻌِﻴﺪِ ﺑْﻦِ اﻟْﻤُﺴَﻴِّﺐِ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﺳَﻌِﻴﺪٍ، ﻻَ ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﺑَﻜْﺮٍ» ﻧﺎ ﻣُﻮﺳَﻰ، ﻭَﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪَﺓَ ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﻣُﻮﺳَﻰ: ﻧﺎ، ﻭَﻗَﺎﻝَ ﺃَﺣْﻤَﺪُ: ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻋَﺎﻣِﺮٍ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺯُﻫَﻴْﺮُ ﺑْﻦُ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﻣُﺤَﻤَّﺪِ ﺑْﻦِ ﻋُﻘَﻴْﻞٍ

১৭৭ : আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; আমি রসূলুল্লাহ (সাঃ) কে বলতে শুনেছি : “আমি কি তোমাদেরকে এমন আমলের কথা বলবো না; যার দ্বারা আল্লাহ তা’য়ালা তোমাদের গুনাহসমূহ মুছে দিবেন এবং নেকী বৃদ্ধি করে দিবেন”?  সাহাবীরা বলল; হাঁ; হে আল্লাহর রসূল! তিনি বললেন : “কষ্ট ও শ্রম সত্বেও পরিপূর্ণ ওযু করা ; এক স্বলাতের পরে পরবর্তী স্বলাতের জন্য অপেক্ষা করা”। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; এই হাদীসটা ইমাম সুফিয়ান হতে আবূ ‘আসিম ব্যতীত কেউ বর্ণনা করেননি। যদিও আবূ ‘আসিম এটাকে মুখস্ত করেছে ; কিন্তু এর সনদ গরীব। এটা লম্বা রিওয়াআত যেটা আমি অন্য অধ্যায়ে বর্ণনা করেছি। এই হাদীসের মতন (এর সনদ) এর সম্পর্কে বিখ্যাত এভাবে যে; আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ ‘আকিল; সাঈদ বিন মুসাইয়্যেব হতে ও আবূ সাঈদ খুদরী হতে বর্ণনা করেন। আব্দল্লাহ বিন আবূ বাকর হতে বর্ণনা করেননি। ইমাম সাহিব বলেন; আমাদের আবূ মুূসা ও আহমাদ বিন ‘আবদাহ রিওয়াত বর্ণনা করেছেন। আবূ মূসা বলেন; হাদীস বর্ণনা করেছে আবূ ‘আমির। আর আহমাদ বলেছে ; সংবাদ দিয়েছে আবূ ‘আমির ও আবূ আমর। যাহির বিন মুহাম্মাদ মূসা হতে আর সে আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন ‘আকিল হতে রিওয়াআত বর্ণনা করেছেন।
★সনদ হাসান। ইবনুমাজাহ হাঃ ৪২৭; সহীহ তারগীব হাঃ ১৯৩; ৪৫২; দারেমী হাঃ ৬৯৮;

139-ﺑَﺎﺏُ اﻷَْﻣْﺮِ ﺑِﺎﻟﺘَّﻴَﺎﻣُﻦِ ﻓِﻲ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﺃَﻣْﺮُ اﺳْﺘِﺤْﺒَﺎﺏٍ ﻻَ ﺃَﻣْﺮُ ﺇِﻳﺠَﺎﺏٍ

অধ্যায় ১৩৯ : ওযুতে ডান দিক হতে (অঙ্গগুলো) ধোয়া মুসতাহাব ওয়াজিব নয়।

178 – ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ ﺧَﻴْﺜَﻤَﺔَ ﻋَﻠِﻲُّ ﺑْﻦُ ﻋَﻤْﺮِﻭ ﺑْﻦِ ﺧَﺎﻟِﺪٍ اﻟْﺤَﺮَّاﻧِﻲُّ، ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﺃَﺑِﻲ، ﻧﺎ ﺯُﻫَﻴْﺮٌ، ﻧﺎ اﻷَْﻋْﻤَﺶُ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﺻَﺎﻟِﺢٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «§ﺇِﺫَا ﻟَﺒِﺴْﺘُﻢْ ﻭَﺇِﺫَا ﺗَﻮَﺿَّﺄْﺗُﻢْ ﻓَﺎﺑْﺪَءُﻭا ﺑِﺄَﻳَﺎﻣِﻨِﻜُﻢْ»
ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ صحيح

১৭৮ : আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : “যখন তোমরা পোষাক পরিধান করবে এবং যখন ওযু করবে তখন ডান দিক হতে শুরু করবে”।
★সনদ সহীহ। সহীহুল জামে আস-সাগীর হাঃ ৭৮৭; মিশকাত হাঃ ৪০১; আবুদাঊদ হাঃ ৪১৪১; তিরমিযী হাঃ ১৭৬৬; মুসনাদে আহমাদ ২/৩৫৪; ইবনুহিব্বান হাঃ ৫৪৬৬; বায়হাকী ফিল কাবীর হাঃ ৪০৯;

140-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻷَْﻣْﺮَ ﺑِﺎﻟْﺒَﺪْءِ ﺑِﺎﻟﺘَّﻴَﺎﻣُﻦِ ﻓِﻲ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﺃَﻣْﺮُ اﺳْﺘِﺤْﺒَﺎﺏٍ ﻭَاﺧْﺘِﻴَﺎﺭٍ، ﻭَﻻَ ﺃَﻣْﺮُ ﻓَﺮْﺽٍ ﻭَﺇِﻳﺠَﺎﺏٍ

অধ্যায় ১৪০ : সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা যে; ওযুতে ডান দিক হতে শুরু করার নির্দেশ মুস্তাহাব ও উত্তম ফরয নয়।

179 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻷَْﻋْﻠَﻰ اﻟﺼَّﻨْﻌَﺎﻧِﻲُّ، ﻧﺎ ﺧَﺎﻟِﺪٌ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ اﻟْﺤَﺎﺭِﺙِ، ﻧﺎ ﺷُﻌْﺒَﺔُ ﻗَﺎﻝَ اﻷَْﺷْﻌَﺚُ ﻭَﻫُﻮَ اﺑْﻦُ ﺳُﻠَﻴْﻢٍ: ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﺃَﺑِﻲ ﻳُﺤَﺪِّﺙُ، ﻋَﻦْ ﻣَﺴْﺮُﻭﻕٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔَ ﺭَﺿِﻲ اﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻨْﻬَﺎ ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻛَﺎﻥَ §ﻳُﺤِﺐُّ اﻟﺘَّﻴَﺎﻣُﻦَ ﻣَﺎ اﺳْﺘَﻄَﺎﻉَ ﻓِﻲ ﻃُﻬُﻮﺭِﻩِ ﻭَﻧَﻌْﻠِﻪِ ﻭَﺗَﺮَﺟُّﻠِﻪِ ” ﻗَﺎﻝَ ﺷُﻌْﺒَﺔُ: ﺛُﻢَّ ﺳَﻤِﻌْﺖُ اﻷَْﺷْﻌَﺚَ ﺑِﻮَاﺳِﻂَ ﻳَﻘُﻮﻝُ: «ﻳُﺤِﺐُّ اﻟﺘَّﻴَﺎﻣُﻦَ ﺫَﻛَﺮَ ﺷَﺄْﻧَﻪُ ﻛُﻠَّﻪُ» ﻗَﺎﻝَ: ﺛُﻢَّ ﺳَﻤِﻌْﺘُﻪُ ﺑِﺎﻟْﻜُﻮﻓَﺔِ ﻳَﻘُﻮﻝُ: «ﻳُﺤِﺐُّ اﻟﺘَّﻴَﺎﻣُﻦَ ﻣَﺎ اﺳْﺘَﻄَﺎﻉَ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১৭৯ : আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; “রসূলুল্লাহ (সাঃ) যথাসাধ্য; ওযু করা; জুতা পরা ও চুল আঁচড়ানো ডান দিক (হতে শুরু করা) কে পছন্দ করতেন”। ইমাম শু’য়াইব বলেন; তারপর আমি আশআতকে ওয়াসাতে বর্ণনা করতে শুনেছি; তিনি তার সমস্ত কাজে ডান দিক (হতে শুরু করা) কে পছন্দ করতেন। তারপর আমি তাকে কুফাতে বর্ণনা করতে শুনছি ; তিনি যথাসাধ্য ডান দিককে পছন্দ করতেন।
★সনদ সহীহ। বুখারী হাঃ ১৬৮; ৪৬২; মুসলিম হাঃ ২৬৮; নাসাঈ হাঃ ১১২; তিরমিযী হাঃ ৪০৮; আবুদাঊদ হাঃ ৪১৪; ইবনুমাজাহ হাঃ ৪০১;

141-ﺑَﺎﺏُ اﻟﺮُّﺧْﺼَﺔِ ﻓِﻲ اﻟْﻤَﺴْﺢِ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﻌِﻤَﺎﻣَﺔِ

অধ্যায় ১৪১ : পাগড়ীর উপর মাসাহ করার অনুমতি।

180 – ﻧﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﺳَﻌِﻴﺪٍ اﻷَْﺷَﺞُّ، ﻧﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﻧُﻤَﻴْﺮٍ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ اﻷَْﻋْﻤَﺶُ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻳُﻮﺳُﻒُ ﺑْﻦُ ﻣُﻮﺳَﻰ، ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻣُﻌَﺎﻭِﻳَﺔَ، ﻧﺎ اﻷَْﻋْﻤَﺶُ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺳَﻠْﻢُ ﺑْﻦُ ﺟُﻨَﺎﺩَﺓَ، ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻣُﻌَﺎﻭِﻳَﺔَ، ﻋَﻦِ اﻷَْﻋْﻤَﺶِ، ﻋَﻦِ اﻟْﺤَﻜَﻢِ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻟَﻴْﻠَﻰ، ﻋَﻦْ ﻛَﻌْﺐِ ﺑْﻦِ ﻋُﺠْﺮَﺓَ، ﻋَﻦْ ﺑِﻼَﻝٍ ﻗَﺎﻝَ: «ﺭَﺃَﻳْﺖُ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﻳَﻤْﺴَﺢُ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ ﻭَاﻟْﺨِﻤَﺎﺭِ» ﻭَﻓِﻲ ﺣَﺪِﻳﺚِ ﺃَﺑِﻲ ﻣُﻌَﺎﻭِﻳَﺔَ، «ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻣَﺴَﺢَ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ ﻭَاﻟْﺨِﻤَﺎﺭِ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১৮০ : বিলাল (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; “আমি রসূলুল্লাহ (সাঃ) কে মোজা ও পাগড়ীর উপর মাসাহ করতে দেখেছি”।
★সনদ সহীহ। মুসলিম হাঃ ২৭৫; তিরমিযী হাঃ ১০১; নাসাঈ হাঃ ১০৪; ইবনুমাজাহ হাঃ ৫৬১;

181 – ﻧﺎ اﻟْﻘَﺎﺳِﻢُ ﺑْﻦُ ﻣُﺤَﻤَّﺪِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺩِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺩٍ اﻟْﻤُﻬَﻠَّﺒِﻲُّ، ﻧﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﺩَاﻭُﺩَ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ اﻷَْﻭْﺯَاﻋِﻲَّ، ﻋَﻦْ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻛَﺜِﻴﺮٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﺳَﻠَﻤَﺔَ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ، ﻋَﻦْ ﺟَﻌْﻔَﺮِ ﺑْﻦِ ﻋَﻤْﺮِﻭ ﺑْﻦِ ﺃُﻣَﻴَّﺔَ اﻟﻀَّﻤْﺮِﻱِّ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ ﻗَﺎﻝَ: «ﺭَﺃَﻳْﺖُ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﺗَﻮَﺿَّﺄَ ﻭَﻣَﺴَﺢَ ﻋَﻠَﻰ ﺧُﻔَّﻴْﻪِ، ﻭَﻋَﻠَﻰ ﻋِﻤَﺎﻣَﺘِﻪِ»

১৮১ : আমর বিন উমাইয়াহ যামরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন ; “আমি রসূলুল্লাহ (সাঃ) কে দেখেছি; তিনি ওযু করলেন তার উভয় মোজা ও পাগড়ীর উপর মাসাহ করলেন”।
★বুখারী হাঃ ২০৪; ২০৫; নাসাঈ হাঃ ১১৯; ইবনুমাজাহ হাঃ ৫৬২; তিরমিযী হাঃ ৭১০;


Desktop Site