এসো হাদিস পড়ি ?

এসো হাদিস পড়ি ?

হাদিস অনলাইন ?

গুনাহ্’র বিভিন্ন অপকার
ফুটনোটঃ
হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
ধর্মীয় জ্ঞান থেকে বঞ্চিত
ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্’র কারণে রিযিক থেকে বঞ্চিত
ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্গারের অন্তরে এক ধরনের বিক্ষিপ্ত ভাব সৃষ্টি
ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
সাধারণ মানুষ বিশেষ করে নেককার লোকদের মাঝে ও গুনাহ্গারের মাঝে দূরত্ব সৃষ্টি
ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
সকল কাজকর্ম কঠিন হয়ে পড়া
ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
অন্তর ধীরে ধীরে অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে
ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
অন্তর ও শরীর জীর্ণশীর্ণ হয়ে পড়া
ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
আল্লাহ্ তা‘আলার আনুগত্য তথা নেক কাজ থেকে বঞ্চিত হয়
ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
বয়স বা উহার বরকত কমিয়ে দেয়া
একটি গুনাহ্ আরেকটি গুনাহ্’র জন্ম দেয়

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
বার বার গুনাহ্’র ইচ্ছা পোষণ

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্কে গুনাহ্ মনে না করা

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্গার ব্যক্তি গুনাহ্’র মাধ্যমে পূর্বের কোন এক অভিশপ্ত তথা ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতির যোগ্য

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্গার ব্যক্তি আল্লাহ্ তা‘আলার দৃষ্টিতে একেবারেই গুরুত্বহীন

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
বড় গুনাহ্ও ছোট মনে হয়

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্গারই নয় বরং অন্য পশু এবং মানুষও ক্ষতিগ্রস্ত হয়

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
অসম্মান ও লাঞ্ছনার কারণ

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্গারের মেধা নষ্ট করে দেয়

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্গারের অন্তরের উপর ভ্রষ্টাচারের সিল-মোহর পড়ে যায়

গুনাহ্’র উপর আল্লাহ্ তা‘আলা ও তদীয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং ফিরিশ্তাদের লা’নত
ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্গার ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও ফিরিশ্তাদের দো‘আ থেকে বঞ্চিত হয়

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্’র নির্ধারিত কিছু শাস্তি রয়েছে যা পরকালে গুনাহ্গারকে অবশ্যই ভুগতে হবে

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্’র কারণে পৃথিবীর পানি, বাতাস, ফলমূল, শস্য, ঘর-বাড়ি ইত্যাদি বিনষ্ট হয়ে যায়

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্’র কারণেই পৃথিবীতে ভূমিধস ও ভূমিকম্প সংঘটিত হয়

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্গারের অন্তর থেকে ইসলামী চেতনায় লালিত মানব আত্মসম্মানবোধ একেবারেই বিনষ্ট হয়ে যায়

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্গারের অন্তর থেকে লজ্জাবোধ একেবারেই নি:শেষ হয়ে যায়

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
অন্তর থেকে আল্লাহ্ তা‘আলার সম্মান ও মাহাত্ম্য একেবারেই উঠে যায়

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
আল্লাহ্ তা‘আলা বান্দাহ্কে পরিত্যাগ করেন

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্গারকে ইহ্সানের পর্যায় থেকে বঞ্চিত করে

গুনাহ্’র উপর আল্লাহ্ তা‘আলা ও তদীয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং ফিরিশ্তাদের লা’নত
ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্গার ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও ফিরিশ্তাদের দো‘আ থেকে বঞ্চিত হয়

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্’র নির্ধারিত কিছু শাস্তি রয়েছে যা পরকালে গুনাহ্গারকে অবশ্যই ভুগতে হবে

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্’র কারণে পৃথিবীর পানি, বাতাস, ফলমূল, শস্য, ঘর-বাড়ি ইত্যাদি বিনষ্ট হয়ে যায়

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্’র কারণেই পৃথিবীতে ভূমিধস ও ভূমিকম্প সংঘটিত হয়

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্গারের অন্তর থেকে ইসলামী চেতনায় লালিত মানব আত্মসম্মানবোধ একেবারেই বিনষ্ট হয়ে যায়

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্গারের অন্তর থেকে লজ্জাবোধ একেবারেই নি:শেষ হয়ে যায়

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
অন্তর থেকে আল্লাহ্ তা‘আলার সম্মান ও মাহাত্ম্য একেবারেই উঠে যায়

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
আল্লাহ্ তা‘আলা বান্দাহ্কে পরিত্যাগ করেন

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্গারকে ইহ্সানের পর্যায় থেকে বঞ্চিত করে

গুনাহ্ গুনাহ্গারের বুদ্ধিমত্তায় একান্ত প্রভাব ফেলে
ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
আল্লাহ্ তা‘আলা ও তাঁর বান্দাহ্’র মধ্যকার দৃঢ় সম্পর্ক একেবারেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
বয়স, রিযিক, জ্ঞান, আমল ও আনুগত্যের বরকত কমিয়ে দেয়

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্গার উঁচু স্থান থেকে নিচু স্থানে নেমে আসে

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্গারের ক্ষতি করতে এমন ব্যক্তিও সাহসী হবে যে ইতিপূর্বে তা করতে সাহস পায়নি

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্গারের অন্তরে গুনাহ্’র জংয়ের এক আস্তর পড়ে যায়

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্গারের অন্তর একেবারেই অন্ধ হয়ে যায়

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্’র মাধ্যমে শয়তান ও তার সহযোগীদেরকে তাদের কাজে সহযোগিতা করা হয়

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্গার নিজকেই ভুলে যায় যেমনিভাবে আল্লাহ্ তা‘আলাও তাকে ভুলে যান

ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
উপস্থিত নি’য়ামতগুলোও উঠে যায়

ফিরিশ্তারা গুনাহ্গার থেকে অনেক দূরে সরে যায় এবং শয়তান তার অতি নিকটে এসে যায়
ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্গার নিজেই নিজের ধ্বংসের জন্য সমূহ পথ খুলে দেয়

ফিরিশ্তারা গুনাহ্গার থেকে অনেক দূরে সরে যায় এবং শয়তান তার অতি নিকটে এসে যায়
ফুটনোটঃ
 হারাম ও কবিরা গুনাহ গুনাহ্’র অপকার মোস্তাফিজুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল-মাদানী
গুনাহ্গার নিজেই নিজের ধ্বংসের জন্য সমূহ পথ খুলে দেয়


পেজ ন্যাভিগেশন
সর্বমোটঃ  52 টি বিষয় দেখান হচ্ছে।
মুসলিম বলতেই সবারই এ কথা জানা উচিৎ যে, বিষ যেমন শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর তেমনিভাবে গুনাহ্ও অন্তরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। তবে তাতে ক্ষতির তারতম্য অবশ্যই রয়েছে। এমনকি দুনিয়া ও আখিরাতে যত অকল্যাণ অথবা ব্যাধি রয়েছে তার মূলে রয়েছে গুনাহ্ ও পাপাচার।
এরই কারণেই আদম ও হাউওয়া’ বা হাওয়া (আলাইহিমাস্ সালাম) একদা জান্নাত থেকে বের হতে বাধ্য হন।
এরই কারণে শয়তান ইব্লীস আল্লাহ্ তা‘আলার রহমত থেকে চিরতরে বঞ্চিত হয়।
এরই কারণে নূহ্ (আঃ) এর যুগে বিশ্বব্যাপী মহা প্লাবন দেখা দেয় এবং কিছু সংখ্যক ব্যক্তি ও বস্ত্ত ছাড়া সবই ধ্বংস হয়ে যায়।
এরই কারণে ’হূদ্ (আঃ) এর যুগে ধ্বংসাত্মক বায়ু প্রবাহিত হয় এবং সব কিছুই ধ্বংস হয়ে যায়।
এরই কারণে সা’লিহ্ (আঃ) এর যুগে ভয়ঙ্কর চিৎকার শুনে সবাই হৃদয় ফেটে অথবা হৃদয় ছিঁড়ে মারা যায়।
এরই কারণে লুত্ব (আঃ) এর যুগে তাঁরই আবাসভূমিকে উল্টিয়ে তাতে পাথর নিক্ষেপ করা হয় এবং শুধু একজন ছাড়া তাঁর পরিবারের সকলকেই রক্ষা করা হয়। আর অন্যরা সবাই দুনিয়া থেকে একেবারেই নির্মূল হয়ে যায়।
এরই কারণে শু‘আইব (আঃ) এর যুগে আকাশ থেকে আগুন বর্ষিত হয়।
এরই কারণে ফির‘আউন ও তার বংশধররা লোহিত সাগরে ডুবে মারা যায়।
এরই কারণে ক্বারূন তার ঘর, সম্পদ ও পরিবারসহ ভূমিতে ধসে যায়।
এরই কারণে আল্লাহ্ তা‘আলা বনী ইস্রাঈল তথা ইহুদিদের উপর এমন শত্রু পাঠিয়ে দেন যারা তাদের এলাকায় ঢুকে তাদের ঘর-বাড়ি ধ্বংস করে দেয়, তাদের পুরুষদেরকে হত্যা করে, তাদের মহিলা ও বাচ্চাদেরকে ধরে নিয়ে যায়। তাদের সকল সম্পদ লুটে নেয়। এভাবে একবার নয়। বরং দু’ দু’ বার ঘটে। পরিশেষে আল্লাহ্ তা‘আলা তাদের সম্পর্কে কসম করে বলেন:
« ভাজ tazn আপনার পালনকর্তার lybsn maghdube স্মার্ট দিন আমি ডি ysvmhm শত alzab »।
‘‘(হে নবী!) তুমি স্মরণ করো সে সময়ের কথা যখন তোমার প্রভু ঘোষণা করলেন, তিনি অবশ্যই কিয়ামত পর্যন্ত ইহুদিদের প্রতি এমন লোক পাঠাবেন যারা ওদেরকে কঠিন শাস্তি দিতে থাকবে’’। (আ’রাফ : ১৬৭)
ইব্নু ‘আববাস্ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) গুনাহ্’র অপকার সম্পর্কে বলেন: হে গুনাহ্গার! তুমি গুনাহ্’র কঠিন পরিণাম থেকে নিশ্চিন্ত হয়ো না। তেমনিভাবে গুনাহ্’র সঙ্গে যা সংশ্লিষ্ট তার ভয়াবহতা থেকেও। গুনাহ্’র চাইতেও মারাত্মক এই যে, তুমি গুনাহ্’র সময় ডানে-বামের লেখক ফিরিশ্তাদের লজ্জা পাচ্ছো না। তুমি গুনাহ্ করে এখনো হাসছো অথচ তুমি জানো না যে, আল্লাহ্ তা‘আলা তোমার সাথে কিয়ামতের দিন কি ব্যবহার করবেন। তুমি গুনাহ্ করতে পেরে খুশি হচ্ছো। গুনাহ্ না করতে পেরে ব্যথিত হচ্ছো। গুনাহ্’র সময় বাতাস তোমার ঘরের দরোজা খুলে ফেললে মানুষ দেখে ফেলবে বলে ভয় পাচ্ছো অথচ আল্লাহ্ তা‘আলা যে তোমাকে দেখছেন তা ভয় করছো না। তুমি কি জানো আইয়ূব (আঃ) কি দোষ করেছেন যার দরুন আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁকে কঠিন রোগে আক্রান্ত করেন এবং তাঁর সকল সম্পদ ধ্বংস হয়ে যায়। তাঁর দোষ এতটুকুই ছিলো যে, একদা এক মযলুম তথা অত্যাচারিত ব্যক্তি যালিমের বিরুদ্ধে তাঁর সহযোগিতা চেয়েছিলো। তখন তিনি তার সহযোগিতা করেননি এবং অত্যাচারীর অত্যাচার তিনি প্রতিহত করেননি। তাই আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁকে উক্ত শাস্তি দিয়েছেন।
এ কারণেই ইমাম আওযায়ী (রাহিমাহুল্লাহ্) বলেন: গুনাহ্ যে ছোট তা দেখো না বরং কার শানে তুমি গুনাহ্ করছো তাই ভেবে দেখো।
ফুযাইল বিন্ ’ইয়ায (রাহিমাহুল্লাহ্) বলেন: তুমি গুনাহ্কে যতই ছোট মনে করবে আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট তা ততই বড় হয়ে দেখা দিবে। আর যতই তুমি তা বড় মনে করবে ততই তা আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট ছোট হয়ে দেখা দিবে।
কখনো কখনো গুনাহ্’র প্রতিক্রিয়া দ্রুত দেখা যায় না। তখন গুনাহ্গার মনে করে থাকে যে, এর প্রতিক্রিয়া আর দেখা যাবে না। তখন সে উক্ত গুনাহ্’র কথা একেবারেই ভুলে যায়। অথচ এটি একটি মারাত্মক ভুল চিন্তা-চেতনা।
আবুদ্দারদা’ (রাঃ) বলেন: তোমরা আল্লাহ্ তা‘আলার ইবাদত এমনভাবে করো যে, তোমরা তাঁকে দেখতে পাচ্ছো। নিজকে সর্বদা মৃত বলে মনে করো। এ কথা সর্বদা মনে রাখবে যে, যথেষ্ট পরিমাণ স্বল্প সম্পদ অনেক ভালো এমন বেশি সম্পদ থেকে যা মানুষকে বেপরোয়া করে তোলে। নেকী কখনো পুরাতন হয় না এবং গুনাহ্ কখনো ভুলা যায় না। বরং উহার প্রতিক্রিয়া অনিবার্য।
জনৈক বুযুর্গ ব্যক্তি একদা এক অল্প বয়স্ক ছেলের প্রতি দৃষ্টিপাত করে তার সৌন্দর্য সম্পর্কে ভাবতেছিলেন। তখন তাকে স্বপ্নে বলা হলো যে, তুমি এর পরিণতি চল্লিশ বছর পরও দেখতে পাবে।
১. গুনাহ্গার ব্যক্তি ধর্মীয় জ্ঞান থেকে বঞ্চিত হয়। কারণ, ধর্মীয় জ্ঞান হচ্ছে নূর বা আলো যা আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর ইচ্ছানুযায়ী যে কারোর অন্তরে ঢেলে দেন। আর গুনাহ্ সে নূরকে নিভিয়ে দেয়।
২. গুনাহ্গার ব্যক্তি গুনাহ্’র কারণে রিযিক থেকে বঞ্চিত হয়।
সাওবান (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
إن الرجل لحرم الرزق।
‘‘নিশ্চয়ই কোন ব্যক্তি গুনাহ্’র কারণেই রিযিক থেকে বঞ্চিত হয়’’।
(হা’কিম ১৮১৪, ৬০৩৮; আহমাদ ২২৪৪০, ২২৪৬৬, ২২৪৯১; আবূ ইয়া’লা ২৮২; ইব্নু মাজাহ্ ৮৯, ৪০৯৪)
ঠিক এরই বিপরীতে আল্লাহ্ভীরুতাই রিযিক বর্ধনের কারণ হয়। সুতরাং রিযিক পেতে হলে গুনাহ্ অবশ্যই ছাড়তে হবে।  উল্লেখ্য যে, কারো কারোর নিকটে উক্ত হাদীস শুদ্ধ নয়।
৩. গুনাহ্’র কারণে গুনাহ্গারের অন্তরে এক ধরনের বিক্ষিপ্ত ভাব সৃষ্টি হয়। যার দরুন আল্লাহ্ তা‘আলা ও তার অন্তরের মাঝে এমন এক দূরত্ব জন্ম নেয় যার ক্ষতিপূরণ আল্লাহ্ তা‘আলা না চায় তো কখনোই সম্ভব নয়।
৪. গুনাহ্’র কারণে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে নেককার লোকদের মাঝে ও গুনাহ্গারের মাঝে বিরাট এক দূরত্ব জন্ম নেয়। যার দরুন সে কখনো তাদের নিকটবর্তী হতে চায় না। বরং সর্বদা সে শয়তান প্রকৃতির লোকদের সাথেই উঠা-বসা করা পছন্দ করে। কখনো এ দূরত্ব এমন পর্যায়ে পৌঁছোয় যে, তার স্ত্রী-সন্তান, আত্মীয়-স্বজন কিছুই তার ভালো লাগে না। বরং পরিশেষে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে দাঁড়ায় যে, ধীরে ধীরে নিজের উপরও তার এক ধরনের বিরক্তি ভাব জন্ম নেয়। যার পরিণতি কখনোই কারোর জন্য সুখকর নয়।
তাই তো কোন এক বুযুর্গ বলেছিলেন: আমি যখন গুনাহ্ করি তখন এর প্রতিক্রিয়া আমার আরোহণ এমনকি আমার স্ত্রীর মধ্যেও দেখতে পাই।
৫. গুনাহ্’র কারণে গুনাহ্গারের সকল কাজকর্ম তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। ঠিক এরই বিপরীতে কেউ আল্লাহ্ তা‘আলাকে সত্যিকারার্থে ভয় করলে আল্লাহ্ তা‘আলা তার সকল কাজ সহজ করে দেন।
৬. সত্যিকারার্থেই গুনাহ্’র কারণে গুনাহ্গারের অন্তর ধীরে ধীরে অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। কারণ, আল্লাহ্ তা‘আলার আনুগত্য হচ্ছে এক ধরনের নূর। আর গুনাহ্ হচ্ছে এক ধরনের অন্ধকার। উক্ত অন্ধকার যতই বাড়বে তার অস্থিরতাও ততই বাড়বে। তখন সে বিদ্‘আত, শির্ক, কুফর সবই করে ফেলবে অথচ সে তা একটুও টের পাবে না। কখনো কখনো উক্ত অন্ধকার তার চোখেও ছড়িয়ে পড়ে। তখন তা কালো হতে থাকে এবং তার চেহারাও।
এ কারণেই আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আববাস্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) বলেন: কোন নেক কাজ করলে চেহারায় উজ্জলতা ফুটে উঠে। অন্তরে আলো জন্ম নেয়। রিযিকে সচ্ছলতা, শরীরে শক্তি ও মানুষের ভালোবাসা অর্জন করা যায়। আর গুনাহ্ করলে চেহারা কালো, অন্তর অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। রিযিকে ঘাটতি আসে এবং মানুষের অন্তরে তার প্রতি এক ধরনের বিদ্বেষভাব জন্ম নেয়।
৭. ধীরে ধীরে গুনাহ্’র কারণে গুনাহ্গারের অন্তর ও শরীর জীর্ণশীর্ণ হয়ে পড়ে। অন্তরের শীর্ণতা তো একেবারেই সুস্পষ্ট। আর শরীরের জীর্ণতা তো এভাবেই যে, মু’মিনের সত্যিকার শক্তি তো অন্তরেই। যখনই তার অন্তর শক্তিশালী হবে তখন তার শরীরও শক্তিশালী হবে। আর গুনাহ্গার ব্যক্তি তাকে দেখতে যতই শক্তিশালী মনে হোক না কেন কাজের সময় ঈমানদারদের সম্মুখে সে অত্যন্তই দুর্বল। তাই ইসলামী ইতিহাস পড়লে দেখা যায়, পারস্যবাসী ও রোমানরা যতই শক্তিশালী থেকে থাকুক না কেন ঈমানদারদের সম্মুখে তারা এতটুকুও টিকতে পারে নাই।
৮. গুনাহ্গার ব্যক্তি গুনাহ্’র কারণে আল্লাহ্ তা‘আলার আনুগত্য তথা নেক কাজ থেকে বঞ্চিত হয়। নেক কাজের কোন উৎসাহ্ই তার মধ্যে জন্ম নেয় না। আর জন্ম নিলেও তাতে তার মন বসে না। যেমন: কোন রোগী কোন খানা খেয়ে দীর্ঘ সময় অসুস্থ থাকলে অনেক ধরনের ভালো খানা থেকে সে বঞ্চিত হয়।
৯. গুনাহ্ বয়স বা উহার বরকত কমিয়ে দেয় যেমনিভাবে নেক কাজ বয়স বা উহার বরকত বাড়িয়ে দেয়।
সাওবান (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
لا يرد القدر إلا الدعاء, ولا يزيد في العمر إلا البر।
‘‘ভাগ্য (যা পরিবর্তন যোগ্য) একমাত্র দো‘আই পরিবর্তন করতে পারে এবং বয়স বা উহার বরকত নেক কাজ করলেই বেড়ে যায়’’।
(হা’কিম ১৮১৪, ৬০৩৮; আহমাদ ২২৪৪০, ২২৪৬৬, ২২৪৯১; আবূ ইয়া’লা ২৮২; ইব্নু মাজাহ্ ৮৯, ৪০৯৪)
জীবন বলতে আত্মার জীবনকেই বুঝানো হয়। আর আত্মার জীবন বলতে সে জীবনকেই বুঝানো হয় যা আল্লাহ্ তা‘আলার জন্য ব্যয়িত হয়। নেক কাজ, আল্লাহ্ভীরুতা ও তাঁরই আনুগত্য এ জীবনকে বাড়িয়ে দেয়।
 
১০. একটি গুনাহ্ আরেকটি গুনাহ্’র জন্ম দেয়। পরিশেষে গুনাহ্ করতে করতে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে দাঁড়ায় যে, গুনাহ্ থেকে বের হওয়া তার পক্ষে আর সম্ভব হয় না যতক্ষণ না আল্লাহ্ তা‘আলা তার প্রতি এ ব্যাপারে দয়া করেন। ঠিক এরই বিপরীতে একটি নেক কাজ আরেকটি নেক কাজের উৎসাহ্ জন্ম দেয়। এভাবেই নেক ও গুনাহ্ অভ্যাসে পরিণত হয়। তখন এমন হয় যে, কোন নেককার নেক কাজ করতে না পারলে সে অস্থির হয়ে পড়ে এবং কোন বদ্কার নেক কাজ করতে চাইলে তার জন্য তা সহজ হয় না। উহার মধ্যে তার মন বসে না। তাতে সে মনের শান্তি অনুভব করে না যতক্ষণ না সে আবার গুনাহে ফিরে না আসে। এ কারণেই দেখা যায়, অনেকেই গুনাহ্ করছে ঠিকই। কিন্তু সে আর গুনাহে মজা পাচ্ছে না। তবে সে তা এ কারণেই করে যাচ্ছে যে, সে তা না করলে মনে খুব অস্থিরতা অনুভব করে।
এ কারণেই জনৈক কবি বলেন:
ফকানা দোহা, ওয়াহি দ্য বেনা কামা ইটদাউ শরীব আল খাররম।
‘‘সেটিই আমার চিকিৎসা; অথচ সেটিই আমার রোগ যেমনিভাবে মদ্যপায়ী মদ দিয়েই তার চিকিৎসাকর্ম চালিয়ে যায়’’।
বান্দাহ্ যখন বার বার নেক কাজ করতে থাকে, নেক কাজকেই সে ভালোবাসে এবং নেক কাজকেই সে অন্য কাজের উপর প্রাধান্য দেয় তখন আল্লাহ্ তা‘আলা তাকে ফিরিশ্তা দিয়েই সহযোগিতা করে থাকেন। ঠিক এরই বিপরীতে যখন কেউ বার বার গুনাহ্ করতে থাকে, গুনাহ্কেই ভালোবাসে এবং গুনাহ্কেই নেক কাজের উপর প্রাধান্য দেয় তখন আল্লাহ্ তা‘আলা তার উপর শয়তানকেই ছেড়ে দেন। তখন সে তার পক্ষ থেকে শয়তানিরই সহযোগিতা পেয়ে থাকে। ভালোর নয়।
১১. গুনাহ্গারের অন্তর বার বার গুনাহ্’র ইচ্ছা পোষণ করতে করতে আর ভালোর ইচ্ছা পোষণ করতে পারে না। এমনকি তখন তার মধ্যে গুনাহ্ থেকে তাওবা করার ইচ্ছাও একেবারেই ক্ষীণ হয়ে যায়। বরং ধীরে ধীরে উক্ত ইচ্ছা একেবারেই বিলুপ্ত হয়ে পড়ে। তখন দেখা যায়, এক জন ব্যক্তি অর্ধাঙ্গ রোগী অথচ সে এখনো আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট তাওবা করছে না। আর কখনো সে মুখে তাওবা ইস্তিগ্ফার করলেও তা মিথ্যুকের তাওবা বলেই বিবেচিত। কারণ, তার অন্তর তখনো গুনাহ্লোভী। সে সুযোগ পেলেই গুনাহ্ করবে বলে আশা পোষণ করে থাকে।
১২. গুনাহ্ করতে করতে গুনাহ্কে গুনাহ্ মনে করার চেতনাটুকুও গুনাহ্গারের অন্তর থেকে সম্পূর্ণরূপে লোপ পায়। তখন গুনাহ্ করাই তার অভ্যাসে পরিণত হয়। তাকে কেউ গুনাহ্ করতে দেখলে অথবা কেউ এ ব্যাপারে তার সম্পর্কে কথা বললে সে এতটুকুও লজ্জা পায় না। বরং অন্যকে দেখিয়ে করতে পারলে সে তাতে বেশি মজা পায়। গুনাহ্ করতে পেরেছে বলে সে অন্যের কাছে গর্ব করে এবং যে তার গুনাহ্ সম্পর্কে অবগত নয় তাকেও সে তা জানিয়ে দেয়। সাধারণত এ জাতীয় মানুষের তাওবা নসীব হয় না এবং তাকে ক্ষমাও করা হয় না।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই, যিনি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের পালনকর্তা। তিনি সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্র কাছে প্রশংসার যোগ্য।
‘‘প্রকাশ্য গুনাহ্গার ছাড়া সকল উম্মতই ক্ষমা পাওয়ার উপযুক্ত। আর প্রকাশ্য গুনাহ্’র অন্তর্ভুক্ত এটিও যে, জনৈক ব্যক্তি গভীর রাত্রে কোন একটি গুনাহ্’র কাজ করলো। ভোর হয়েছে অথচ আল্লাহ্ তা‘আলা এখনো তার গুনাহ্টিকে লুকিয়ে রেখেছেন। কিন্তু সে নিজেই জনসম্মুখে তার গুনাহ্টি ফাঁস করে দিয়েছে। সে বলছে, হে অমুক! শুনো, আমি গত রাত্রিতে এমন এমন করেছি। অথচ তার প্রভু তার গুনাহ্টিকে রাত্রি বেলায় লুকিয়ে রেখেছেন। আর সে ভোর হতেই আল্লাহ্ তা‘আলার গোপন রাখা বিষয়টিকে ফাঁস করে দিলো’’। (বুখারী ৬০৬৯; মুসলিম ২৯৯০)
১৩. গুনাহ্গার ব্যক্তি গুনাহ্’র মাধ্যমে পূর্বের কোন এক অভিশপ্ত তথা ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতির যোগ্য (?) ওয়ারিশ হিসেবে গণ্য হয়। যেমন:
সমকামী ব্যক্তি লুত্ব সম্প্রদায়ের ওয়ারিশ।
মাপে কম দেয় যে সে শু‘আইব সম্প্রদায়ের ওয়ারিশ।
ফিতনা-ফাসাদ সৃষ্টিকারী ফির‘আউন সম্প্রদায়ের ওয়ারিশ।
দাম্ভিক ও আত্মম্ভরি হূদ সম্প্রদায়ের ওয়ারিশ।
সুতরাং গুনাহ্গার যে গুনাহ্ই করুক না কেন তার সাথে পূর্বের কোন এক জাতির সাথে সে বিষয়ে মিল রয়েছে। তবে উক্ত মিল কিন্তু প্রশংসনীয় নয়। কারণ, তারা ছিলো আল্লাহ্ তা‘আলার একান্ত অবাধ্য এবং তাঁর কঠিন শত্রু।
‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ’উমর (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
ডি tshbh bqvm fhv minhum ।
‘‘যে ব্যক্তি (মুসলিম ছাড়া) অন্য কোন জাতির সঙ্গে কোন বিষয়ে মিল রাখলো সে তাদের মধ্যেই পরিগণিত হবে’’।
 (আহমাদ ২/৫০, ৯২; আবূ দাউদ ৪০৩১)
১৪. গুনাহ্গার ব্যক্তি আল্লাহ্ তা‘আলার দৃষ্টিতে একেবারেই গুরুত্বহীন। হাসান বসরী (রাহিমাহুল্লাহ্) বলেন: তারা (গুনাহ্গাররা) আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট গুরুত্বহীন বলেই তো তাঁর অবাধ্য হতে পারলো। আল্লাহ্ তা‘আলা যদি তাদেরকে গুরুত্বই দিতেন তাহলে তাদেরকে গুনাহ্ থেকে অবশ্যই রক্ষা করতেন।
আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট কারোর সম্মান না থাকলে মানুষের নিকটও তার কোন সম্মান থাকে না। যদিও তারা বাহ্যিকভাবে তাকে কোন প্রয়োজনে বা তার অনিষ্ট থেকে বাঁচার জন্য সম্মান করে থাকে।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
 « আহমেদ yhn ঈশ্বর মমি উপাদান ডি সুতনু »।
‘‘আল্লাহ্ তা‘আলা যাকে অসম্মান করেন তাকে সম্মান দেয়ার আর কেউ নেই’’। (হাজ্জ : ১৮)
১৫. গুনাহ্ করতে করতে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে দাঁড়ায় যে, তার নিকট বড় গুনাহ্ও ছোট মনে হয়। এটিই ধ্বংসের মূল। কারণ, বান্দাহ্ গুনাহ্কে যতই ছোট মনে করবে আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট তা ততই বড় হিসেবে পরিগণিত হবে।
আব্দুল্লাহ্ বিন্ মাস্ঊদ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নিশ্চয়ই মু’মিন গুনাহ্কে এমন মনে করে যে, যেন সে পাহাড়ের নিচে। ভয় পাচ্ছে পাহাড়টি কখন যে তার মাথার উপর ভেঙ্গে পড়ে। আর ফাসিক (আল্লাহ্’র অবাধ্য) গুনাহ্কে এমন মনে করে যে, যেমন কোন একটি মাছি তার নাকে বসলো আর সে হাত দিয়ে মাছিটিকে তাড়িয়ে দিলে তা উড়ে গেলো।
১৬. গুনাহ্’র কারণে শুধু গুনাহ্গারই ক্ষতিগ্রস্ত হয় না বরং তাতে অন্য পশু এবং অন্য মানুষও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নিশ্চয়ই পাখি তার বাসায় মরে যায় শুধুমাত্র যালিমের যুলুমের কারণেই।
মুজাহিদ (রাহিমাহুল্লাহ্) বলেন: যখন এলাকায় দুর্ভিক্ষ বা অনাবৃষ্টি দেখা দেয় তখন পশুরা গুনাহ্গারদের প্রতি লা’নত করে এবং বলে: এটি আদম সন্তানের গুনাহ্’রই অপকার।
১৭. গুনাহ্ গুনাহ্গার ব্যক্তির অসম্মান ও লাঞ্ছনার কারণ হয়। সম্মান তো একমাত্র আল্লাহ্ তা‘আলার আনুগত্যের মধ্যেই নিহিত।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
« من كان يريد العزة فلله العزة جميعا »
‘‘কেউ সম্মান চাইলে তার জানা উচিৎ যে, সকল সম্মান আল্লাহ্’র জন্যই তথা তাঁরই আনুগত্যে নিহিত’’। (ফাত্বির : ১০)
’হাসান বসরী (রাহিমাহুল্লাহ্) বলেন: গুনাহ্গাররা যদিও উন্নত মানের ঘোড়া ও খচ্ছরে সাওয়ার হয় তবুও গুনাহ্’র লাঞ্ছনা তাদের অন্তর থেকে কখনো পৃথক হয় না। আল্লাহ্ তা‘আলা যে কোনভাবে গুনাহ্গারকে লাঞ্ছিত করবেনই।
১৮. গুনাহ্ গুনাহ্গারের মেধা নষ্ট করে দেয়। কারণ, মেধার এক ধরনের আলো রয়েছে। আর গুনাহ্ উক্ত আলোকে একেবারেই নষ্ট করে দেয়।
জনৈক বুযুর্গ বলেন: মানুষের মেধা নষ্ট হলেই তো সে গুনাহ্ করতে পারে। কারণ, তার মেধা সচল থাকলে সে কিভাবে এমন সত্তার অবাধ্য হতে পারে যার হাতে তার জীবন ও মরণ এবং যিনি তাকে সর্বদা দেখছেন। ফিরিশ্তারাও তাকে দেখছেন। কুর‘আন, ঈমান, মৃত্যু ও জাহান্নাম তাকে গুনাহ্ করা থেকে নিষেধ করছে। গুনাহ্’র কারণে তার দুনিয়া ও আখিরাতের সকল কল্যাণ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এ সবের পরও গুনাহ্ করা কি একজন সচল মেধাবী লোকের কাজ হতে পারে?!
১৯. গুনাহ্ করতে করতে গুনাহ্গারের অন্তরের উপর ভ্রষ্টাচারের সিল-মোহর পড়ে যায়। তখন সে আল্লাহ্ তা‘আলার স্মরণ থেকে সম্পূর্ণরূপে গাফিল হয়ে যায়। আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
«كلا بل ران على قلوبهم من كانوا يكسبون» »
‘‘না, তাদের কথা সত্য নয়। বরং তাদের কৃতকর্মই তাদের মনের উপর মরিচারূপে জমে গেছে’’। (মুত্বাফ্ফিফীন : ১৪)
কোন কোন ব্যাখ্যাকার বলেছেন: উক্ত মরিচা গুনাহ্’র মরিচা। কারণ, গুনাহ্ করলে অন্তরে এক ধরনের মরিচা ধরে। আর উক্ত মরিচা বাড়লেই উহাকে ‘‘রান’’ বলা হয়। আরো বাড়লে উহাকে ‘‘ত্বাব্’’’ বা ‘‘খাত্ম’’ তথা সীল-মোহর বলা হয়। তখন অন্তর এমন হয়ে যায় যেন তা পর্দা দিয়ে বেষ্টিত।
২০. কিছু কিছু গুনাহ্’র উপর আল্লাহ্ তা‘আলা ও তদীয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং ফিরিশ্তাদের লা’নত রয়েছে। সুতরাং এ জাতীয় গুনাহ্গারের উপর উক্ত লা’নত পতিত হবে অবশ্যই। আর যে গুনাহ্গুলো এগুলোর চেয়েও বড় উহার উপর তো তাঁদের লা’নত আছেই।
আব্দুল্লাহ্ বিন্ মাস্ঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
অভিশাপ ঈশ্বর alvashmat valmvtshmat valmtnmsat valmtfljat llhsn, almghyrat সৃষ্টি ঈশ্বরের ।
‘‘আল্লাহ্ তা‘আলা লা’নত করেন সে মহিলাকে যে অপরের চেহারা দাগে এবং যে অপরকে দিয়ে নিজ চেহারা দাগ করায়, যার চেহারার কেশ উঠানো হয় এবং যে মহিলা সৌন্দর্যের জন্য নিজ দাঁতের মাঝে ফাঁক সৃষ্টি করে; আল্লাহ্ প্রদত্ত গঠন পরিবর্তন করে’’।
 (বুখারী ৪৮৮৬, ৫৯৩১, ৫৯৪৩, ৫৯৪৮;; মুসলিম ২১২৫)
আবূ হুরাইরাহ্, আয়েশা, আস্মা’ ও ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ’উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
অভিশাপ ঈশ্বর aluasl ة ualmstusl ة ।
‘‘আল্লাহ্ তা‘আলা লা’নত করেন নিজের চুলের সাথে অন্য চুল সংযুক্তকারিণী মহিলাকে এবং যার জন্য তা করা হয়েছে তাকেও’’।
 (বুখারী ৫৯৩৩, ৫৯৩৪, ৫৯৩৭, ৫৯৪২; মুসলিম ২১২২, ২১২৩, ২১২৪)
জাবির ও ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ মাস্ঊদ্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তাঁরা বলেন:
ঠাট্টা রসূল আল্লাহর  ইন্দ্রিয় রব vmvklh vkatbh vshahdyh, vqal : সিঙ্ক ছাড়া ।
‘‘রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লা’নত তথা অভিসম্পাত করেছেন সুদের সাথে সংশ্লিষ্ট চার ব্যক্তিকে। তারা হচ্ছে: সুদখোর, সুদদাতা, সুদের লেখক ও সুদের সাক্ষীদ্বয়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেন: তারা সবাই সমপর্যায়েরই দোষী’’।
(মুসলিম ১৫৯৭, ১৫৯৮; তিরমিযী ১২০৬; আবূ দাউদ ৩৩৩৩; ইব্নু মাজাহ্ ২৩০৭; ইব্নু হিববান ৫০২৫; আহমাদ ৬৩৫, ৬৬০, ৮৪৪, ১১২০, ১২৮৮, ১৩৬৪, ৩৭২৫, ৩৭৩৭, ৩৮০৯, ৪৩২৭, ১৪৩০২)
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
অভিশাপ ঈশ্বর almhll valmhll উপাদান ।
‘‘আল্লাহ্ তা‘আলা লা’নত করেন (কোন মহিলাকে তিন তালাকের পর নামে মাত্র বিবাহ্ করে তালাকের মাধ্যমে অন্যের জন্য) হালালকারীকে এবং যার জন্য তাকে হালাল করা হয়েছে’’। (আবূ দাউদ ২০৭৬)
জাবির, ‘আলী ও ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তাঁরা বলেন:
لعن رسول আলাইহি  المحلل والمحلل আল্লাহর ।
‘‘আল্লাহ্’র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লা’নত করেন (কোন মহিলাকে তিন তালাকের পর নামে মাত্র বিবাহ্ করে তালাকের মাধ্যমে অন্যের জন্য) হালালকারীকে এবং যার জন্য তাকে হালাল করা হয়েছে’’।
 (ইব্নু মাজাহ্ ১৯৬১, ১৯৬২; তিরমিযী ১১১৯, ১১২০)
’উক্ববাহ্ বিন্ ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
আল্লা khbrkm baltys almstar? প্রকৃতপক্ষে : কার্ট বা রসূল আল্লাহর ! তিনি বলেন : তিনি almhll, অভিশাপ ঈশ্বর almhll valmhll উপাদান ।
‘‘আমি কি তোমাদেরকে ধার করা পাঁঠার সংবাদ দেবো না? সাহাবারা বললেন: হ্যাঁ বলুন, হে আল্লাহ্’র রাসূল। তখন তিনি বললেন: সে হচ্ছে হালালকারি। আল্লাহ্ তা‘আলা লা’নত করেন (কোন মহিলাকে তিন তালাকের পর নামে মাত্র বিবাহ্ করে তালাকের মাধ্যমে অন্যের জন্য) হালালকারিকে এবং যার জন্য তা হালাল করা হয়েছে’’।
(ইব্নু মাজাহ্ ১৯৬৩)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
অভিশাপ ঈশ্বর alsarq, ysrq albyzh ftqt ydh, vysrq alhbl ftqt ydh ।
‘‘আল্লাহ্ তা‘আলা লা’নত করেন এমন চোরকে যার হাত খানা কাটা গেলো একটি লোহার টুপি অথবা এক খানা রশি চুরির জন্য’’।
(বুখারী ৬৭৮৩; মুসলিম ১৬৮৭)
আনাস্ বিন্ মালিক ও আব্দুল্লাহ্ বিন্ ’উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত তাঁরা বলেন:
ঠাট্টা রসূল আল্লাহর  কোন alkhmr রিভেরা : asrha, vmtsrha, vsharbha, vhamlha, valmhmvlh lyh, vsaqyha, vbayha, walkley smnha, valmshtry elimde, valmshtrah উপাদান, vfy ঐতিহ্য : Curse alkhmr bynha ।
‘‘রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদের ব্যাপারে দশ জন ব্যক্তিকে লা’নত তথা অভিসম্পাত করেন: যে মদ বানায়, প্রস্ত্তত কারক, যে পান করে, বহনকারী, যার নিকট বহন করে নেয়া হয়, যে অন্যকে পান করায়, বিক্রেতা, যে লাভ খায়, খরিদদার এবং যার জন্য খরিদ করা হয়। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, সরাসরি মদকেই অভিসম্পাত করা হয়’’।
 (তিরমিযী ১২৯৫; আবূ দাউদ ৩৬৭৪; ইব্নু মাজাহ্ ৩৪৪৩, ৩৪৪৪)
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
অভিশাপ ঈশ্বর যারা অভিশপ্ত মা, উলান ঈশ্বর যারা বলি lgyr ঈশ্বর, উলান ঈশ্বর থেকে ছিলেন ইবি হোম, উলান ঈশ্বর থেকে অ- মানার পৃথিবী ।
‘‘আল্লাহ্ তা‘আলা লা’নত করেন সে ব্যক্তিকে যে নিজ পিতাকে লা’নত করে, যে আল্লাহ্ তা‘আলা ছাড়া অন্য কারোর জন্য কোন পশু যবেহ্ করে, যে কোন বিদ্‘আতীকে আশ্রয় দেয় এবং যে জমিনের সীমানা পরিবর্তন করে’’। (মুসলিম ১৯৭৮)
আব্দুল্লাহ্ বিন্ ’উমর (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
لعن رسول আলাইহি  আল্লাহর اتخذ شيئا فيه الروح غرضا ।
‘‘আল্লাহ্’র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লা’নত করেন এমন ব্যক্তিকে যে কোন জীবন্ত প্রাণীকে (তীরের) লক্ষ্যবস্ত্ত বানায়’’। (মুসলিম ১৯৫৮)
‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আববাস্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
ঠাট্টা রসূল আল্লাহর  almtshbhyn ডি রদ balnsa ', valmtshbhat ডি নিসা balrjal ।
‘‘আল্লাহ্’র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লা’নত করেন এমন পুরুষকে যারা মহিলাদের সাথে যে কোন ভাবে (পোশাকে, চলনে ইত্যাদি) সামঞ্জস্য বজায় রাখতে উৎসাহী এবং সে মহিলাদেরকে যারা পুরুষদের সাথে যে কোন ভাবে (পোশাকে, চলনে ইত্যাদি) সামঞ্জস্য বজায় রাখতে উৎসাহী’’।
(বুখারী ৫৮৮৫, ৫৮৮৬)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
কাস্ট রসূল আল্লাহর  alrjl ylbs পাউন্ড ة নারী, ualmr أة tlbs পাউন্ড ة alrjl ।
‘‘রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন পুরুষকে লা’নত করেন যে পুরুষ মহিলার ঢংয়ে পোশাক পরে এবং এমন মহিলাকে লা’নত করেন যে মহিলা পুরুষের ঢংয়ে পোশাক পরে’’।
(আবূ দাউদ ৪০৯৮; ইব্নু হিববান ৫৭৫১, ৫৭৫২; হা’কিম ৪/১৯৪; আহমাদ ২/৩২৫)
আবূ জু’হাইফাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
لعن النبي  المصور ।
‘‘নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লা’নত করেন (যে কোনভাবে কোন প্রণীর) ছবি ধারণকারীকে’’। (বুখারী ২০৮৬, ২২৩৮, ৫৩৪৭)
‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আববাস্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
অভিশাপ ঈশ্বর থেকে বাস্তবায়ন এর লূত অভিশাপ ঈশ্বর থেকে বাস্তবায়ন এর লূত অভিশাপ ঈশ্বর থেকে বাস্তবায়ন এর অনেক 
‘‘আল্লাহ্ তা‘আলা সমকামীকে লা’নত করেন। আল্লাহ্ তা‘আলা সমকামীকে লা’নত করেন। আল্লাহ্ তা‘আলা সমকামীকে লা’নত করেন’’।
(আহমাদ ২৯১৫; ইব্নু হিববান ৪৪১৭; বায়হাক্বী ৭৩৩৭, ১৬৭৯৪; ত্বাবারানী/কাবীর ১১৫৪৬; আবূ ইয়া’লা ২৫৩৯; ‘আব্দুব্নু ’হুমাইদ্ ৫৮৯; হা’কিম ৪/৩৫৬)
‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আববাস্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
অভিশাপ ঈশ্বর যারা মি ك ه أ টা ى আল রাস্তা, উলান ঈশ্বর আমার প্রফুল্লতা আলী খ ه YM ة ।
‘‘আল্লাহ্ তা‘আলা লা’নত করেন এমন ব্যক্তিকে যে কোন অন্ধকে পথভ্রষ্ট করে এবং সে ব্যক্তিকেও যে চতুষ্পদ জন্তুর সাথে সঙ্গমে লিপ্ত হয়’’।
(ত্বাবারানী/কবীর ১১৫৪৬; বায়হাক্বী ১৬৭৯৪; আহমাদ ১৮৭৫, ২৯১৫; ইব্নু ’হুমাইদ্ ৫৮৯; ইব্নু হিববান ৪৪১৭; আবূ ইয়া’লা’ ২৫৩৯; হা’কিম ৮/২৩১)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
মরা আলী নবীর  Catalino লম্বা আবহাওয়া কোন অনুমতি দেওয়া, fqal : অভিশাপ ঈশ্বর কে vsmh ।
‘‘একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি গাধার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যার চেহারায় পুড়িয়ে দাগ দেয়া হয়েছিলো। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: আল্লাহ্ তা‘আলা লা’নত করুক সে ব্যক্তিকে যে গাধাটির চেহারায় পুড়িয়ে দাগ দিলো’’। (মুসলিম ২১১৭)
’হাস্সান বিন্ সাবিত, আবূ হুরাইরাহ্ ও ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আববাস্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তাঁরা বলেন:
لعن رسول আলাইহি  زوارات القبور ।
‘‘আল্লাহ্’র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেশি বেশি কবর যিয়ারতকারিণীদেরকে লা’নত করেন’’। (ইব্নু মাজাহ্ ১৫৯৬, ১৫৯৭)
আবূ হুরাইরাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
 যীশু ডি সেখানে amrath কোন dbrha ।
‘‘অভিশপ্ত সে ব্যক্তি যে নিজ স্ত্রীর মলদ্বার ব্যবহার করে’’।
(আবূ দাউদ ২১৬২; আহমাদ ২/৪৪৪, ৪৭৯)
আবূ হুরাইরাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
 Hehehe প্রার্থনা alrjl amrath স্মার্ট frashh, fabt তাদের tjy ' lntha almlaykh পর্যন্ত tsbh ।
‘‘যখন কোন পুরুষ নিজ স্ত্রীকে (সহবাসের জন্য) নিজ বিছানায় ডাকে অথচ সে সেখানে আসতে অস্বীকার করে তখন ফিরিশ্তারা তাকে সকাল পর্যন্ত লা’নত করতে থাকে’’। (বুখারী ৩২৩৭, ৫১৯৩; মুসলিম ১৪৩৬)
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
ডি Ady শিশু অ byh, উহু কাঁচা স্মার্ট অ mvalyh, flyh অভিশাপ ঈশ্বর valmlaykh valnas প্রতিবেশী, লা yqbl ঈশ্বর কার্ট দিন আমি srfa ভিলা DLA, বমি khfr মুসলিম flyh অভিশাপ ঈশ্বর valmlaykh valnas প্রতিবেশী, লা yqbl কার্ট দিন আমি শুধুমাত্র ভিলা ADL ।
‘‘যে ব্যক্তি নিজ জন্মদাতা ছাড়া অন্য কাউকে পিতা বলে দাবি করলো অথবা নিজ মনিব ছাড়া অন্য কাউকে মনিব বলে পরিচয় দিলো তার উপর আল্লাহ্ তা‘আলা, ফিরিশ্তা ও সকল মানুষের লা’নত এবং কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ তা‘আলা তার পক্ষ থেকে কোন ফরয ও নফল আমল কবুল করবেন না। তেমনিভাবে যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের সাথে চুক্তি ভঙ্গ করলো তার উপরও আল্লাহ্ তা‘আলা, ফিরিশ্তা ও সকল মানুষের লা’নত এবং কিয়ামতের দিন তার পক্ষ থেকেও কোন ফরয ও নফল আমল কবুল করা হবে না’’। (মুসলিম ১৩৭০)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
ফলাফল সূচক স্মার্ট khyh bhdydh, ভন almlaykh tlnh পর্যন্ত ydh, জিতেছে khah labyh vamh 
‘‘যে ব্যক্তি নিজ ভাইয়ের প্রতি ধারালো কোন লোহা (ছুরি, চাকু, দা তথা যে কোন অস্ত্র) দ্বারা ইশারা করলো ফিরিশ্তারা তার উপর লা’নত করতে থাকবে যতক্ষণ না সে তা পরিত্যাগ করে যদিও সে তার সহোদর ভাই হোক না কেন’’। (মুসলিম ২৬১৬)
‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আববাস্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
ডি সব ঐ flyh অভিশাপ ঈশ্বর valmlaykh valnas প্রতিবেশী ।
‘‘যে ব্যক্তি আমার সাহাবাদেরকে গালি দেয় তার উপর আল্লাহ্ তা‘আলা, ফিরিশ্তা ও সকল মানুষের লা’নত’’। (ত্বাবারানী/কবীর ১২৭০৯)
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
« প্রতিফলন ynqzvn অঙ্গীকার ঈশ্বর ডি পর mysaqh, vyqtvn মা শাশ্বত ঈশ্বরের মধ্যে তাদের yvsl vyfsdvn কোন পৃথিবী, vlayk lhm allnh vlhm শত দার »।
‘‘যারা আল্লাহ্ তা‘আলাকে দেয়া দৃঢ় অঙ্গীকার ভঙ্গ করে এবং যে সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য আল্লাহ্ তা‘আলা আদেশ করেছেন (আত্মীয়তার বন্ধন) তা ছিন্ন করে। পৃথিবীতে অশান্তি ছড়িয়ে বেড়ায় তাদের জন্যই রয়েছে অভিসম্পাত এবং তাদের জন্যই রয়েছে নিকৃষ্ট আবাসস্থল’’।
   (রা’দ্ : ২৫)
তিনি আরো বলেন:
« যে যারা yvzvn ঈশ্বর vrsvlh lnhm ঈশ্বর কোন বিশ্বের valakhrh, VAD lhm পেনাল্টি মাসের »
‘‘যারা আল্লাহ্ তা‘আলা ও তদীয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে কষ্ট দেয় আল্লাহ্ তা‘আলা দুনিয়া ও আখিরাতে তাদেরকে লা’নত করেন এবং (আখিরাতে) তাদের জন্য প্রস্ত্তত রেখেছেন লাঞ্ছনাকর শাস্তি’’। (আহ্যাব : ৫৭)
আল্লাহ্ তা‘আলা আরো বলেন:
« যে যারা yktmvn মা নির্দেশের ডি albynat valhdy মন পর মা bynah llnas প্রতি বুক vlayk ylnhm ঈশ্বর vylnhm allanvn »
‘‘নিশ্চয়ই যারা আমার অবতীর্ণ উজ্জ্বল নিদর্শন ও পথ নির্দেশ কিতাবের মাধ্যমে মানুষকে সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়ার পরও তা লুকিয়ে রেখেছে। আল্লাহ্ তা‘আলা তাদেরকে অভিসম্পাত করেন এবং সকল অভিসম্পাতকারীরাও তাদেরকে অভিসম্পাত করে’’। (বাক্বারাহ্ : ১৫৯)
তিনি আরো বলেন:
« যে যারা yrmvn শব্দ muhsanaat alghaflat almvmnat lnva কোন বিশ্বের valakhrh, vlhm শাস্তি মহান »
‘‘নিশ্চয়ই যারা সতী-সাধ্বী, সরলমনা মু’মিন মহিলাকে ব্যভিচারের অপবাদ দেয় তারা দুনিয়া ও আখিরাতে অভিশপ্ত এবং তাদের জন্যই রয়েছে মহা শাস্তি’’। (নূর : ২৩)
আল্লাহ্ তা‘আলা আরো বলেন:
« ALM সবচেয়ে স্মার্ট যারা আতর ভাগ্য ডি বই। Yvmnvn baljbt valtaghvt vyqvlvn llzyn অমান্য অতিথি hdy কিছু মনে যারা মুমিনদের পথ, vlayk যারা lnhmঈশ্বর, বমি yln ঈশ্বর ফ্লিন আপডেট উপাদান নাসির »
‘‘তুমি কি ওদের প্রতি লক্ষ্য করেছো যাদেরকে কিতাবের কিছু অংশ দেয়া হয়েছে। তারা (আল্লাহ্ তা‘আলাকে ছেড়ে) যাদুকর, গণক, প্রতিমা ও শয়তানের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে এবং কাফিরদের সম্পর্কে বলে, তারাই মু’মিনদের চাইতে অধিক সুপথগামী। এদেরই প্রতি আল্লাহ্ তা‘আলা লা’নত করেছেন এবং আল্লাহ্ তা‘আলা যাকে অভিসম্পাত করেন তার জন্য তুমি কোন সাহায্যকারীই পাবে না’’। (নিসা’ : ৫১-৫২)
সাওবান, আবূ হুরাইরাহ্ ও ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত তাঁরা বলেন:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- কে দাজ্জাল করা। إ الراشي والمراتشي, وفي روايتة: لعن الله الراشي والمرتشي والرائش الذي يسمشي بينهما।
‘‘আল্লাহ্’র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লা’নত করেন ঘুষখোর ও ঘুষদাতাকে। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, আল্লাহ্ তা‘আলা লা’নত করেন ঘুষখোর, ঘুষদাতা এবং তাদের মাধ্যমকেও’’।
 (তিরমিযী ১৩৩৬, ১৩৩৭; ইব্নু হিববান ৫০৭৬, ৫০৭৭; হা’কিম ৪/১০৩)
এ ছাড়াও আরো অনেক গুনাহ্ রয়েছে যে গুনাহ্গারের উপর আল্লাহ্ তা‘আলা, তদীয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, ফিরিশ্তা ও সকল মানুষের লা’নত রয়েছে। এ জাতীয় গুনাহ্গাররা যদি গুনাহ্ করার সময় এতটুকুই ভাবে যে তাদের উপর অনেকেরই লা’নত পড়ছে তা হলে তাদের জন্য উক্ত গুনাহ্ ছাড়া একেবারেই সহজ হয়ে যাবে।
২১. গুনাহ্গার ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও ফিরিশ্তাদের দো‘আ থেকে বঞ্চিত হয়। কারণ, তাদের দো‘আ তো ওদেরই জন্যই যারা আল্লাহ্ তা‘আলা কর্তৃক প্রদর্শিত পথ অনুসরণ করে এবং গুনাহ্ করলেও তাওবা করে নেয়।
আল্লাহ্ তা‘আলা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আদেশ করে বলেন:
« Falm annahu লা লা টি ডিভাইস আল্লাহ vastghfr lznbk vllmvmnyn valmvmnat »
‘‘অতএব তুমি জেনে রাখো যে, আল্লাহ্ তা‘আলা ছাড়া কোন মা’বূদ নেই এবং ক্ষমা প্রার্থনা করো তোমার ও মু’মিন নর-নারীদের গুনাহ্’র জন্য’’। (মুহাম্মাদ্ : ১৯)
আল্লাহ্ তা‘আলা আর্শ বহনকারী ফিরিশ্তাদের সম্পর্কে বলেন:
«যারা আরশ আহমেদ yhmlvn মুমিনদের llzyn vystghfrvn vyvmnvn ysbhvn সৌভাগ্যক্রমে rbhm hvlh, rabbanā জিনিস করুণা, প্রজ্ঞা faghfr llzyn থাবো vatbva sbylk vqhm শাস্তি aljhym, rabbanā vadkhlhm ইডেন কাদা vdthm আহমেদ মন bayhm vazvajhm vzryathm শান্তি, ইনকর্পোরেটেড অন্ত্র আজিজ .One, vqhm alsyyat বিবর্ধন , চিনির গ্রহণ, يومئذ فقد رح গুড লাক।
‘‘যারা আর্শ ধারণ করে আছে এবং যারা এর চতুস্পার্শ্ব ঘিরে আছে তারা তাদের প্রভুর পবিত্রতা ঘোষণা ও তাঁর প্রশংসা করে এবং তাঁর প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস স্থাপন করে। তারা মু’মিনদের জন্য মাগফিরাত কামনা করে এ বলে যে, হে আমাদের প্রভু! আপনার দয়া ও জ্ঞান সর্বব্যাপী। অতএব যারা তাওবা করে এবং আপনার প্রদর্শিত পথ অনুসরণ করে তাদেরকে আপনি ক্ষমা করে দিন এবং জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। হে আমাদের প্রভু! আপনি তাদেরকে দাখিল করুন স্থায়ী জান্নাতে যার প্রতিশ্রুতি আপনি তাদেরকে দিয়েছেন এবং তাদের পিতা-মাতা, পতি-পত্নী ও সন্তান-সন্ততির মধ্যে যারা সৎকর্মশীল রয়েছে তাদেরকেও। আপনি তো নিশ্চয়ই পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়। আপনি তাদেরকে গুনাহ্’র পরিণাম (শাস্তি) থেকেও রক্ষা করুন। আপনি যাকে সে দিন গুনাহ্’র পরিণাম থেকে রক্ষা করবেন তাকেই তো অনুগ্রহ করবেন। আর এটাই তো (তাদের জন্য) মহা সাফল্য’’। (গাফির/মু’মিন ৭-৯)
২২. এ ছাড়াও কিছু গুনাহ্’র নির্ধারিত কিছু শাস্তি রয়েছে যা পরকালে গুনাহ্গারকে অবশ্যই ভুগতে হবে। তা নিম্নরূপ:
সামুরাহ্ বিন্ জুন্দুব (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেশির ভাগ সময় ভোর বেলায় সাহাবাদেরকে জিজ্ঞাসা করতেন, তোমরা কি কেউ গত রাত কোন স্বপ্ন দেখেছো? তখন সাহাবাদের যে যাই দেখেছেন তাঁর নিকট তা বলতেন। এক সকালে তিনিই ভোর বেলায় সাহাবাদেরকে বললেন: গত রাত আমার নিকট দু’ জন ব্যক্তি এসেছে। তারা আমাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে বললো: চলুন, তখন আমি তাদের সাথেই রওয়ানা করলাম। যেতে যেতে আমরা এমন এক ব্যক্তির নিকট পৌঁছুলাম যে এক পেশে অথবা চিৎ হয়ে শায়িত। অন্য আরেক জন তার পাশেই দাঁড়িয়ে একটি প্রকান্ড প্রস্তর হাতে। লোকটি পাথর মেরে শায়িত ব্যক্তির মাথা গুঁড়িয়ে দিচ্ছে এবং পাথরটি মাথায় লেগে দূরে ছিটকিয়ে পড়ছে। লোকটি ছিটকে পড়া পাথর খন্ড নিয়ে ফিরে আসতে আসতেই শায়িত ব্যক্তির মাথা পূর্বাবস্থায় ফিরে যাচ্ছে। অতঃপর দাঁড়ানো ব্যক্তি আবারো শায়িত ব্যক্তির মাথায় পূর্বের ন্যায় আঘাত হানছে।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: আমি আমার সাথীদ্বয়কে বললাম: আশ্চর্য! এরা কারা? আমার সাথীদ্বয় বললো: সামনে চলুন। তখন আমরা সামনে চললাম। যেতে যেতে আমরা আবারো এমন এক ব্যক্তির নিকট পৌঁছুলাম যে বসা অথবা চিত হয়ে শায়িত। অন্য আরেক জন তার পাশেই দাঁড়িয়ে একটি মাথা বাঁকানো লোহা হাতে। লোকটি বাঁকানো লোহা দিয়ে শায়িত ব্যক্তির একটি গাল, নাকের ছিদ্র এবং চোখ ঘাড় পর্যন্ত চিরে ফেলছে। এরপর সে উক্ত ব্যক্তির অন্য গাল, নাকের ছিদ্র এবং চোখটিকেও এমনিভাবে চিরে ফেলছে। লোকটি শায়িত ব্যক্তির এক পার্শ্ব চিরতে না চিরতেই তার অন্য পার্শ্ব পূর্বাবস্থায় ফিরে যাচ্ছে এবং লোকটি বসা অথবা শায়িত ব্যক্তিটির সাথে সে ব্যবহারই করছে যা পূর্বে করেছে।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: আমি আমার সাথীদ্বয়কে বললাম: আশ্চর্য! এরা কারা? আমার সাথীদ্বয় বললো: সামনে চলুন। তখন আমরা সামনে চললাম। যেতে যেতে আমরা চুলার ন্যায় একটি বড় গর্তের মুখে পৌঁছুলাম। গর্ত থেকে খুব চিৎকার শুনা যাচ্ছে। তখন আমারা গর্তের ভেতরে তাকালে দেখলাম, সেখানে অনেকগুলো উলঙ্গ পুরুষ ও মহিলা। নিচ থেকে কঠিন লেলিহান আগুন তাদেরকে ধাওয়া করছে এবং তা তাদের নিকট পৌঁছুতেই তারা খুব চিৎকারে ফেটে পড়ছে।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: আমি আমার সাথীদ্বয়কে বললাম: আশ্চর্য! এরা কারা?  আমার সাথীদ্বয় বললো: সামনে চলুন। তখন আমরা সামনে চললাম। যেতে যেতে আমরা একটি রক্তিম নদীর পার্শ্বে পৌঁছুলাম। নদীতে জনৈক ব্যক্তি সাঁতার কাটছে। নদীর পার্শ্বে অন্য আরেক জন অনেকগুলো পাথর খন্ড সামনে নিয়ে বসে আছে। লোকটি সাঁতার কাটতে কাটতে পাথর ওয়ালার নিকট এসে হা করতেই সে তার মুখে একটি পাথর গুঁজে দেয়। অতঃপর সে আবারো সাঁতার কাটতে যায় এবং সাঁতার কাটতে কাটতে আবারো পাথর ওয়ালার নিকট আসলে সে পূর্বের ন্যায় আরেকটি পাথর তার মুখে গুঁজে দেয়। ...
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: আমি আমার সাথীদ্বয়কে বললাম: আজ রাত তো আমি অনেকগুলো আশ্চর্যজনক ব্যাপারই দেখলাম তা তোমরা আমাকে খুলে বলবে কি? তখন তারা আমাকে বললো: অবশ্যই আমরা আপনাকে ব্যাপারগুলো এখনই খুলে বলছি। তাই শুনুন। প্রথম ব্যক্তির দোষ এই যে, সে কুর‘আন মাজীদ তিলাওয়াত করে সে মতে আমল করে না এবং ফরয নামায না পড়ে সে ঘুমিয়ে থাকে। দ্বিতীয় ব্যক্তির দোষ এই যে, সে ভোর বেলায় ঘর থেকে বের হয়েই মিথ্যা কথা বলে বেড়ায় যা দুনিয়ার আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে পড়ে। আর উলঙ্গ পুরুষ ও মহিলাদের দোষ এই যে, তারা ছিলো ব্যভিচারী ও ব্যভিচারিণী। আর চতুর্থ ব্যক্তিটি হচ্ছে সুদখোর। (বুখারী ১৩৮৬, ৭০৪৭)
২৩. গুনাহ্’র কারণে পৃথিবীর পানি, বাতাস, ফলমূল, শস্য, ঘর-বাড়ি ইত্যাদি বিনষ্ট হয়ে যায়। আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
«مشاهر الفساد في البر والبحر بما كسبت أيدي الناس ليذيقهم بعض الذي عملوا لعلهم يرجعون»
‘‘মানুষের কৃতকর্মের কারণেই জলে-স্থলে বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়ে। আর তা এ কারণেই যে, আল্লাহ্ তা‘আলা এরই মাধ্যমে বান্দাহ্কে তার কিছু কৃতকর্মের স্বাদ আস্বাদন করান যাতে তারা (সঠিক পথে) ফিরে আসে’’।  (রূম : ৪১)
২৪. গুনাহ্’র কারণেই পৃথিবীতে ভূমিধস ও ভূমিকম্প সংঘটিত হয়। এমনকি ভূমি থেকে বরকত একেবারেই উঠে যায়।
এ কথা কারোর অজানা নয় যে, ইতিপূর্বে এখনকার চাইতেও ফলমূল আরো বড় ও আরো সুস্বাদু হতো। এমনকি হাজরে আস্ওয়াদ একদা সূর্যের ন্যায় জ্বলজ্বলে এবং সাদা ছিলো। অথচ মানুষের গুনাহ্’র কারণেই তা আজ আস্ওয়াদ বা কালো। সুতরাং বুঝা গেলো, গুনাহ্’র প্রভাব সকল বস্ত্তর উপরই পড়ে। এ কারণেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সামূদ্ সম্প্রদায়ের এলাকায় পৌঁছুলেন তখন তিনি সাহাবাদেরকে তাদের কুয়া থেকে পানি পান ও তা সংগ্রহ করতে নিষেধ করেছেন। এমনকি গুনাহ্’র প্রভাব মানুষের উপরও পড়ে। যার দরুন কোন কোন আলিমের ধারণা মতে মানুষ দিন দিন খাটো হতে চলছে।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
আল্লাহর লোকেরা চলচ্চিত্রটি চলচ্চিত্রের চূড়ান্ত লক্ষ্য।
‘‘আল্লাহ্ তা‘আলা আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করেছেন। তখন তিনি ছিলেন ষাট হাত লম্বা। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত মানুষ খাটো হতেই চলছে’’। (বুখারী ৩৩২৬; মুসলিম ২৮৪১)
তবে কিয়ামতের পূর্বে আবারো যখন ঈসা (আঃ) দুনিয়াতে অবতরণ করে বিশ্বের বুকে পুরো শরীয়ত বাস্তবায়ন করবেন তখন আবারো আকাশ থেকে বরকত নেমে আসবে। তখন এক আনারের খোসার ছায়া দশ থেকে চল্লিশ জন মানুষ গ্রহণ করতে পারবে এবং তা সকলের খাদ্যের জন্যও যথেষ্ট হবে। আঙ্গুরের একটি ছড়া একটি উটের বোঝাই হবে।
২৫. গুনাহ্ করতে করতে গুনাহ্গারের অন্তর থেকে ইসলামী চেতনায় লালিত মানব আত্মসম্মানবোধ একেবারেই বিনষ্ট হয়ে যায়। এ কথা সত্য যে, যার ঈমান যতই দৃঢ় তার এই আত্মমর্যাদাবোধ ততই মজবুত। ঠিক এরই বিপরীতে যার ঈমান যতই দুর্বল তার এই আত্মমর্যাদাবোধও ততই দুর্বল। এ কারণেই তা পূর্ণাঙ্গরূপে পাওয়া যায় রাসূলদের মধ্যে। এরপর ঈমানের তারতম্য অনুযায়ী অন্যদের মধ্যেও।
সা’দ বিন্ ’উবাদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
নিন সালাদ rjla সঙ্গে নেতারা lzrbth balsyf অ msfh ।
‘‘আমি কাউকে আমার স্ত্রীর সঙ্গে ব্যভিচার করতে দেখলে তৎক্ষনাৎই তার গর্দান উড়িয়ে দেবো’’।
উল্লিখিত উক্তিটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কানে পৌঁছুতেই তিনি বললেন:
أتعجبون من غيرة سعد? Nasri করা ghyr কার্ট, Nasri ghyr , টাকা বমি ripped সম্মান ঈশ্বরের আশ্রয়স্থল alfvahsh মা zhr katba vma গর্ভ ।
‘‘তোমরা কি আশ্চর্য হয়েছো সা’দের আত্মসম্মানবোধ দেখে? আল্লাহ্’র কসম খেয়ে বলছি: আমার আত্মসম্মানবোধ তার চেয়েও বেশি এবং আল্লাহ্ তা‘আলার আরো বেশি। যার দরুন তিনি হারাম করে দিয়েছেন প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সকল ধরনের অশ্লীলতা’’।
(বুখারী ৬৮৪৬; মুসলিম ১৪৯৯)
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেন:
অথবা জাতি মোহাম্মদ ! Nasri মা ডি দুইবার ghyr ডি ঈশ্বর তাদের yzny .html এস tzny mth ।
‘‘হে মুহাম্মাদ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উম্মতরা! আল্লাহ্’র কসম খেয়ে বলছি: আল্লাহ্ তা‘আলার চাইতে আর কারোর আত্মসম্মানবোধ বেশি হতে পারেনা। যার দরুন তিনি চান না যে, তাঁর কোন বান্দাহ্ বা বান্দি ব্যভিচার করুক’’। (বুখারী ১০৪৪; মুসলিম ৯০১)
তবে শরীয়তের দৃষ্টিতে যুক্তিসঙ্গত কোন ’উযর বা কৈফিয়ত গ্রহণ করা উক্ত আত্মসম্মানবোধ বিরোধী নয়। বরং তা প্রশংসনীয়ও বটে।
‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ মাস্’ঊদ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
লা আহাদ أ Gyr থেকে ঈশ্বর, ulzl ك আশ্রয়স্থল alfuahs মা z- র ه দ MN ه একটি পায়ূ গর্ভ, ভিলা আহাদ أ HB إ ly থেকে ه alazr আমার ঈশ্বর, তারা নিহত ZL ك নির্দেশের বুক তোমার দর্শন লগ করা rsl أ alrsl, ভিলা আহাদ أ HB إ ly থেকে ه almdh আমার ঈশ্বর, তারা নিহত ZL ك প্রশংসার মঞ্জুর ।
‘‘আল্লাহ্ তা‘আলার চাইতেও অধিক আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন আর কেউ নেই। এ কারণেই তিনি প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সকল অশ্লীলতা হারাম করে দিয়েছেন এবং আল্লাহ্ তা‘আলার চাইতেও কারোর যুক্তিসঙ্গত কৈফিয়ত গ্রহণ করা বেশি পছন্দ করেন এমন আর কেউ নেই। এ জন্যই তিনি কিতাব নাযিল করেন এবং রাসূল প্রেরণ করেন। অনুরূপভাবে আল্লাহ্ তা‘আলার চাইতেও অন্যের প্রশংসা বেশি পছন্দ করেন এমন আর কেউ নেই। এ কারণেই তিনি নিজের প্রশংসা নিজেই করেন’’।
(বুখারী ৪৬৩৪, ৪৬৩৭, ৫২২০, ৭৪০৩; মুসলিম ২৭৬০)
জাবির বিন্ ‘আতীক্ব (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
ডি alghyrh মা Dedh ঈশ্বর, vmnha মা ybghz ঈশ্বর, রিপোর্ট কাদা yhbha ঈশ্বর falghyrh কোন alrybh, গান Vama alghyrh কাদা ybghzha ঈশ্বর falghyrh কোন অ rybh ।
‘‘কিছু আত্মসম্মানবোধ আল্লাহ্ তা‘আলা পছনদ করেন আর কিছু অপছন্দ। পছন্দনীয় আত্মসম্মানবোধ এই যে, যা হবে যুক্তিসঙ্গত তথা ব্যভিচার সম্বন্ধে সংশয়াকুল। আর অপছন্দনীয় আত্মসম্মানবোধ এই যে, যা হবে অযৌক্তিক তথা সংশয়হীন’’।
(আবূ দাউদ ২৬৫৯; ইব্নু হিববান ২৯৫; দা’রামী ২২২৬; নাসায়ী ২৫৫৮; আহমাদ ৫/৪৪৫, ৪৪৬)
কারোর মধ্যে আত্মসম্মানবোধ দুর্বল হয়ে গেলে সে আর গুনাহ্কে গুনাহ্ বলে মনে করে না। না নিজের ব্যাপারে না অন্যের ব্যাপারে। কেউ কেউ তো গুনাহ্ করতে করতে ধীরে ধীরে এমন পর্যায়ে উপনীত হয় যে, সে গুনাহ্কে সুন্দর রূপে অন্যের নিকটও উপস্থাপন করে। তাকে সে গুনাহ্ করতে বলে এবং করার জন্য উৎসাহ্ জোগায়। বরং তা সংঘটনের জন্য তাকে সহযোগিতাও করে থাকে। এ কারণেই ‘‘দাইয়ূস’’ তথা যে নিজ পরিবারের ইয্যতহানী হলেও তা সহজেই সহ্য করে যায় তার উপর জান্নাত হারাম।
২৬. গুনাহ্ করতে করতে গুনাহ্গারের অন্তর থেকে লজ্জাবোধ একেবারেই নি:শেষ হয়ে যায়। আর লজ্জাশীলতা তো কল্যাণই কল্যাণ।
’ইমরান বিন্ ’হুস্বাইন (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
 AlQasabe klh ভাল ।
‘‘লজ্জা বলতে সবটাই ভালো’’। (মুসলিম ৩৭)
লজ্জাবোধ চলে গেলে মানুষ যা ইচ্ছে তাই করতে পারে।
আবূ মাস্’ঊদ্ বাদ্রী (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
রাদি আদা প্রকাশ্য মন শব্দ alnbvh : hehehe লিম tsthy fasn মা ocutieo ।
‘‘নবীদের যে কথাটি মানুষ আজো স্মরণ রেখেছে তা হচ্ছে, যখন তুমি লজ্জাই পাচ্ছো না তখন যা ইচ্ছে তাই করতে পারো’’।(বুখারী ৩৪৮৩, ৩৪৮৪)
লজ্জা হারিয়ে কখনো মানুষ এমন পর্যায়ে উপনীত হয় যে, সে একাকী কোন খারাপ কাজ করার পরও জনসম্মুখে তা জানিয়ে দেয় এবং তা করতে পেরেছে বলে সে নিজ মনে খুব আনন্দ বোধ করে। এমন পর্যায়ে কোন ব্যক্তি উপনীত হলে তখন সে ব্যক্তির সঠিক পথে ফিরে আসার আর তেমন কোন সম্ভাবনা থাকে না।
২৭. গুনাহ্ করতে করতে অন্তর থেকে আল্লাহ্ তা‘আলার সম্মান ও মাহাত্ম্য একেবারেই উঠে যায়। কারণ, গুনাহ্গারের অন্তরে যদি আল্লাহ্ তা‘আলার সম্মান ও মহিমা অটুট থাকতো তা হলে সে উক্ত গুনাহ্ সম্পাদন করতেই পারতো না এবং এরই পরিণতিতে আল্লাহ্ তা‘আলা মানুষের অন্তর থেকেও তার সম্মান উঠিয়ে নেন। আর আল্লাহ্ তা‘আলা যাকে অসম্মান করবেন তাকে সম্মান দেয়ার আর কেউই নেই।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
আহমেদ yhn ঈশ্বর মমি উপাদান ডি সুতনু ।
‘‘আল্লাহ্ তা‘আলা যাকে হেয় করেন তার সম্মানদাতা আর কেউই নেই’’। (হাজ্জ : ১৮)
২৮. গুনাহ্’র কারণে আল্লাহ্ তা‘আলা বান্দাহ্কে পরিত্যাগ করেন। তাকে আর কোন ব্যাপারে সহযোগিতা করেন না। বরং তাকে প্রবৃত্তি ও শয়তানের হাতে ছেড়ে দেন। তখন তার ধ্বংস অনিবার্য।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
"হে মুমিনগণ! তোমরা ভয় কর এবং আল্লাহকে ভয় কর এবং ভয় করো আল্লাহকে ভয় কর এবং আল্লাহকে ভয় কর এবং আল্লাহকে ভয় কর এবং যারা আল্লাহকে ভুলে যায় এবং নিজেদের ভুলে যায়।
‘‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহ্ তা‘আলাকে ভয় করো এবং প্রত্যেকেরই এ কথা ভেবে দেখা দরকার যে, সে কিয়ামত দিবসের জন্য কি পুঁজি তৈরি করেছে। অতএব তোমরা আল্লাহ্ তা‘আলাকেই ভয় করো। তোমাদের কর্ম সম্পর্কে আল্লাহ্ তা‘আলা নিশ্চয়ই অবগত এবং তোমরা তাদের মতো হয়ো না যারা আল্লাহ্ তা‘আলাকে ভুলে গিয়েছে। যার ফলে আল্লাহ্ তা‘আলা (শুধু তাদেরকেই ভুলে যান নি) বরং তাদেরকে আত্মবিস্মৃত করে দিয়েছেন। এরাই তো সত্যিকার পাপাচারী’’। (হাশর : ১৮-১৯)
এর চাইতেও বেশি ক্ষতি কারোর জন্য আর কি হতে পারে যে, সে নিজের পরিণতির কথা ভাবে না। নিজের সুবিধা অসুবিধার কথা চিন্তা করে না। নিজের পূর্ণ শান্তি ও তৃপ্তির আকাঙ্খা তথা তা অর্জনের কোন প্রচেষ্টাই তার নেই।
২9। গুনাহ্ গুনাহ্গারকে ইহ্সানের পর্যায় থেকে বঞ্চিত করে। ইহ্সানের পর্যায় হলো সর্বোচ্চ পর্যায়। আর তা হচ্ছে, আল্লাহ্ তা‘আলার ইবাদাত এমনভাবে করা যে, যেন আপনি আল্লাহ্ তা‘আলাকে দেখতে পাচ্ছেন। আর তা না হলে এমন যেন হয় যে, আল্লাহ্ তা‘আলা আপনাকে দেখতে পাচ্ছেন। ফলে সে মুহসিনীনদের জন্য নির্ধারিত সুযোগ-সুবিধা ও বিশেষ সম্মান থেকে বঞ্চিত হয়। কখনো কখনো এমনো হয় যে, সে ঈমানের পর্যায় থেকেও বঞ্চিত হয়। ফলে ঈমানের সকল কল্যাণও তার হাতছাড়া হয়ে যায়। ঈমানের প্রায় একশতটি কল্যাণ রয়েছে। তম্মধ্যে মু’মিনদের জন্য মহা পুণ্য, দুনিয়া ও আখিরাতের সকল বালা-মুসীবত থেকে উদ্ধার, তাদের জন্য আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট আর্শবাহী ফিরিশ্তাদের মাগফিরাত কামনা, আল্লাহ্ তা‘আলার বিশেষ বন্ধুত্ব, তাদেরকে ফিরিশ্তাদের মাধ্যমে শরীয়তের উপর দৃঢ়পদ করণ, তাদের জন্য স্পেশাল সম্মান, তাদের জন্য সর্বদা আল্লাহ্ তা‘আলার সহযোগিতা, দুনিয়া ও আখিরাতের সুউচ্চ সম্মান, গুনাহ্ মাফ ও সম্মান জনক উপজীবিকা, পরকালে আল্লাহ্ তা‘আলার বিশেষ রহমত ও দীর্ঘ অন্ধকার পথ পাড়ি দেয়ার জন্য নূরের সুব্যবস্থা, ফিরিশ্তা, নবী ও নেক্কারদের ভালোবাসা, আখিরাতের নিরাপত্তা এবং তারাই পরকালে আল্লাহ্ তা‘আলার একমাত্র নি’য়ামতপ্রাপ্ত ও তাদের জন্যই কুর‘আনের হিদায়াত ও সুচিকিৎসা ইত্যাদি অন্যতম। কখনো কখনো এমন হয় যে, বার বার গুনাহ্’র কারণে আল্লাহ্ তা‘আলা তার অন্তরের উপর কুফরির মোহর মেরে দেন এবং সে ব্যক্তি ইসলামের গন্ডি থেকেই সম্পূর্ণরূপে বের হয়ে যায়। তারপরও আল্লাহ্ চায় তো তাওবা’র দরোজা সর্বদা তার জন্য খোলা রয়েছে।
২০. কিছু কিছু গুনাহ্’র উপর আল্লাহ্ তা‘আলা ও তদীয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং ফিরিশ্তাদের লা’নত রয়েছে। সুতরাং এ জাতীয় গুনাহ্গারের উপর উক্ত লা’নত পতিত হবে অবশ্যই। আর যে গুনাহ্গুলো এগুলোর চেয়েও বড় উহার উপর তো তাঁদের লা’নত আছেই।
আব্দুল্লাহ্ বিন্ মাস্ঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
অভিশাপ ঈশ্বর alvashmat valmvtshmat valmtnmsat valmtfljat llhsn, almghyrat সৃষ্টি ঈশ্বরের ।
‘‘আল্লাহ্ তা‘আলা লা’নত করেন সে মহিলাকে যে অপরের চেহারা দাগে এবং যে অপরকে দিয়ে নিজ চেহারা দাগ করায়, যার চেহারার কেশ উঠানো হয় এবং যে মহিলা সৌন্দর্যের জন্য নিজ দাঁতের মাঝে ফাঁক সৃষ্টি করে; আল্লাহ্ প্রদত্ত গঠন পরিবর্তন করে’’।
 (বুখারী ৪৮৮৬, ৫৯৩১, ৫৯৪৩, ৫৯৪৮;; মুসলিম ২১২৫)
আবূ হুরাইরাহ্, আয়েশা, আস্মা’ ও ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ’উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
অভিশাপ ঈশ্বর aluasl ة ualmstusl ة ।
‘‘আল্লাহ্ তা‘আলা লা’নত করেন নিজের চুলের সাথে অন্য চুল সংযুক্তকারিণী মহিলাকে এবং যার জন্য তা করা হয়েছে তাকেও’’।
 (বুখারী ৫৯৩৩, ৫৯৩৪, ৫৯৩৭, ৫৯৪২; মুসলিম ২১২২, ২১২৩, ২১২৪)
জাবির ও ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ মাস্ঊদ্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তাঁরা বলেন:
ঠাট্টা রসূল আল্লাহর  ইন্দ্রিয় রব vmvklh vkatbh vshahdyh, vqal : সিঙ্ক ছাড়া ।
‘‘রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লা’নত তথা অভিসম্পাত করেছেন সুদের সাথে সংশ্লিষ্ট চার ব্যক্তিকে। তারা হচ্ছে: সুদখোর, সুদদাতা, সুদের লেখক ও সুদের সাক্ষীদ্বয়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেন: তারা সবাই সমপর্যায়েরই দোষী’’।
(মুসলিম ১৫৯৭, ১৫৯৮; তিরমিযী ১২০৬; আবূ দাউদ ৩৩৩৩; ইব্নু মাজাহ্ ২৩০৭; ইব্নু হিববান ৫০২৫; আহমাদ ৬৩৫, ৬৬০, ৮৪৪, ১১২০, ১২৮৮, ১৩৬৪, ৩৭২৫, ৩৭৩৭, ৩৮০৯, ৪৩২৭, ১৪৩০২)
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
অভিশাপ ঈশ্বর almhll valmhll উপাদান ।
‘‘আল্লাহ্ তা‘আলা লা’নত করেন (কোন মহিলাকে তিন তালাকের পর নামে মাত্র বিবাহ্ করে তালাকের মাধ্যমে অন্যের জন্য) হালালকারীকে এবং যার জন্য তাকে হালাল করা হয়েছে’’। (আবূ দাউদ ২০৭৬)
জাবির, ‘আলী ও ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তাঁরা বলেন:
لعن رسول আলাইহি  المحلل والمحلل আল্লাহর ।
‘‘আল্লাহ্’র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লা’নত করেন (কোন মহিলাকে তিন তালাকের পর নামে মাত্র বিবাহ্ করে তালাকের মাধ্যমে অন্যের জন্য) হালালকারীকে এবং যার জন্য তাকে হালাল করা হয়েছে’’।
 (ইব্নু মাজাহ্ ১৯৬১, ১৯৬২; তিরমিযী ১১১৯, ১১২০)
’উক্ববাহ্ বিন্ ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
আল্লা khbrkm baltys almstar? প্রকৃতপক্ষে : কার্ট বা রসূল আল্লাহর ! তিনি বলেন : তিনি almhll, অভিশাপ ঈশ্বর almhll valmhll উপাদান ।
‘‘আমি কি তোমাদেরকে ধার করা পাঁঠার সংবাদ দেবো না? সাহাবারা বললেন: হ্যাঁ বলুন, হে আল্লাহ্’র রাসূল। তখন তিনি বললেন: সে হচ্ছে হালালকারি। আল্লাহ্ তা‘আলা লা’নত করেন (কোন মহিলাকে তিন তালাকের পর নামে মাত্র বিবাহ্ করে তালাকের মাধ্যমে অন্যের জন্য) হালালকারিকে এবং যার জন্য তা হালাল করা হয়েছে’’।
(ইব্নু মাজাহ্ ১৯৬৩)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
অভিশাপ ঈশ্বর alsarq, ysrq albyzh ftqt ydh, vysrq alhbl ftqt ydh ।
‘‘আল্লাহ্ তা‘আলা লা’নত করেন এমন চোরকে যার হাত খানা কাটা গেলো একটি লোহার টুপি অথবা এক খানা রশি চুরির জন্য’’।
(বুখারী ৬৭৮৩; মুসলিম ১৬৮৭)
আনাস্ বিন্ মালিক ও আব্দুল্লাহ্ বিন্ ’উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত তাঁরা বলেন:
ঠাট্টা রসূল আল্লাহর  কোন alkhmr রিভেরা : asrha, vmtsrha, vsharbha, vhamlha, valmhmvlh lyh, vsaqyha, vbayha, walkley smnha, valmshtry elimde, valmshtrah উপাদান, vfy ঐতিহ্য : Curse alkhmr bynha ।
‘‘রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদের ব্যাপারে দশ জন ব্যক্তিকে লা’নত তথা অভিসম্পাত করেন: যে মদ বানায়, প্রস্ত্তত কারক, যে পান করে, বহনকারী, যার নিকট বহন করে নেয়া হয়, যে অন্যকে পান করায়, বিক্রেতা, যে লাভ খায়, খরিদদার এবং যার জন্য খরিদ করা হয়। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, সরাসরি মদকেই অভিসম্পাত করা হয়’’।
 (তিরমিযী ১২৯৫; আবূ দাউদ ৩৬৭৪; ইব্নু মাজাহ্ ৩৪৪৩, ৩৪৪৪)
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
অভিশাপ ঈশ্বর যারা অভিশপ্ত মা, উলান ঈশ্বর যারা বলি lgyr ঈশ্বর, উলান ঈশ্বর থেকে ছিলেন ইবি হোম, উলান ঈশ্বর থেকে অ- মানার পৃথিবী ।
‘‘আল্লাহ্ তা‘আলা লা’নত করেন সে ব্যক্তিকে যে নিজ পিতাকে লা’নত করে, যে আল্লাহ্ তা‘আলা ছাড়া অন্য কারোর জন্য কোন পশু যবেহ্ করে, যে কোন বিদ্‘আতীকে আশ্রয় দেয় এবং যে জমিনের সীমানা পরিবর্তন করে’’। (মুসলিম ১৯৭৮)
আব্দুল্লাহ্ বিন্ ’উমর (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
لعن رسول আলাইহি  আল্লাহর اتخذ شيئا فيه الروح غرضا ।
‘‘আল্লাহ্’র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লা’নত করেন এমন ব্যক্তিকে যে কোন জীবন্ত প্রাণীকে (তীরের) লক্ষ্যবস্ত্ত বানায়’’। (মুসলিম ১৯৫৮)
‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আববাস্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
ঠাট্টা রসূল আল্লাহর  almtshbhyn ডি রদ balnsa ', valmtshbhat ডি নিসা balrjal ।
‘‘আল্লাহ্’র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লা’নত করেন এমন পুরুষকে যারা মহিলাদের সাথে যে কোন ভাবে (পোশাকে, চলনে ইত্যাদি) সামঞ্জস্য বজায় রাখতে উৎসাহী এবং সে মহিলাদেরকে যারা পুরুষদের সাথে যে কোন ভাবে (পোশাকে, চলনে ইত্যাদি) সামঞ্জস্য বজায় রাখতে উৎসাহী’’।
(বুখারী ৫৮৮৫, ৫৮৮৬)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
কাস্ট রসূল আল্লাহর  alrjl ylbs পাউন্ড ة নারী, ualmr أة tlbs পাউন্ড ة alrjl ।
‘‘রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন পুরুষকে লা’নত করেন যে পুরুষ মহিলার ঢংয়ে পোশাক পরে এবং এমন মহিলাকে লা’নত করেন যে মহিলা পুরুষের ঢংয়ে পোশাক পরে’’।
(আবূ দাউদ ৪০৯৮; ইব্নু হিববান ৫৭৫১, ৫৭৫২; হা’কিম ৪/১৯৪; আহমাদ ২/৩২৫)
আবূ জু’হাইফাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
لعن النبي  المصور ।
‘‘নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লা’নত করেন (যে কোনভাবে কোন প্রণীর) ছবি ধারণকারীকে’’। (বুখারী ২০৮৬, ২২৩৮, ৫৩৪৭)
‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আববাস্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
অভিশাপ ঈশ্বর থেকে বাস্তবায়ন এর লূত অভিশাপ ঈশ্বর থেকে বাস্তবায়ন এর লূত অভিশাপ ঈশ্বর থেকে বাস্তবায়ন এর অনেক 
‘‘আল্লাহ্ তা‘আলা সমকামীকে লা’নত করেন। আল্লাহ্ তা‘আলা সমকামীকে লা’নত করেন। আল্লাহ্ তা‘আলা সমকামীকে লা’নত করেন’’।
(আহমাদ ২৯১৫; ইব্নু হিববান ৪৪১৭; বায়হাক্বী ৭৩৩৭, ১৬৭৯৪; ত্বাবারানী/কাবীর ১১৫৪৬; আবূ ইয়া’লা ২৫৩৯; ‘আব্দুব্নু ’হুমাইদ্ ৫৮৯; হা’কিম ৪/৩৫৬)
‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আববাস্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
অভিশাপ ঈশ্বর যারা মি ك ه أ টা ى আল রাস্তা, উলান ঈশ্বর আমার প্রফুল্লতা আলী খ ه YM ة ।
‘‘আল্লাহ্ তা‘আলা লা’নত করেন এমন ব্যক্তিকে যে কোন অন্ধকে পথভ্রষ্ট করে এবং সে ব্যক্তিকেও যে চতুষ্পদ জন্তুর সাথে সঙ্গমে লিপ্ত হয়’’।
(ত্বাবারানী/কবীর ১১৫৪৬; বায়হাক্বী ১৬৭৯৪; আহমাদ ১৮৭৫, ২৯১৫; ইব্নু ’হুমাইদ্ ৫৮৯; ইব্নু হিববান ৪৪১৭; আবূ ইয়া’লা’ ২৫৩৯; হা’কিম ৮/২৩১)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
মরা আলী নবীর  Catalino লম্বা আবহাওয়া কোন অনুমতি দেওয়া, fqal : অভিশাপ ঈশ্বর কে vsmh ।
‘‘একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি গাধার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যার চেহারায় পুড়িয়ে দাগ দেয়া হয়েছিলো। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: আল্লাহ্ তা‘আলা লা’নত করুক সে ব্যক্তিকে যে গাধাটির চেহারায় পুড়িয়ে দাগ দিলো’’। (মুসলিম ২১১৭)
’হাস্সান বিন্ সাবিত, আবূ হুরাইরাহ্ ও ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আববাস্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তাঁরা বলেন:
لعن رسول আলাইহি  زوارات القبور ।
‘‘আল্লাহ্’র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেশি বেশি কবর যিয়ারতকারিণীদেরকে লা’নত করেন’’। (ইব্নু মাজাহ্ ১৫৯৬, ১৫৯৭)
আবূ হুরাইরাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
 যীশু ডি সেখানে amrath কোন dbrha ।
‘‘অভিশপ্ত সে ব্যক্তি যে নিজ স্ত্রীর মলদ্বার ব্যবহার করে’’।
(আবূ দাউদ ২১৬২; আহমাদ ২/৪৪৪, ৪৭৯)
আবূ হুরাইরাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
 Hehehe প্রার্থনা alrjl amrath স্মার্ট frashh, fabt তাদের tjy ' lntha almlaykh পর্যন্ত tsbh ।
‘‘যখন কোন পুরুষ নিজ স্ত্রীকে (সহবাসের জন্য) নিজ বিছানায় ডাকে অথচ সে সেখানে আসতে অস্বীকার করে তখন ফিরিশ্তারা তাকে সকাল পর্যন্ত লা’নত করতে থাকে’’। (বুখারী ৩২৩৭, ৫১৯৩; মুসলিম ১৪৩৬)
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
ডি Ady শিশু অ byh, উহু কাঁচা স্মার্ট অ mvalyh, flyh অভিশাপ ঈশ্বর valmlaykh valnas প্রতিবেশী, লা yqbl ঈশ্বর কার্ট দিন আমি srfa ভিলা DLA, বমি khfr মুসলিম flyh অভিশাপ ঈশ্বর valmlaykh valnas প্রতিবেশী, লা yqbl কার্ট দিন আমি শুধুমাত্র ভিলা ADL ।
‘‘যে ব্যক্তি নিজ জন্মদাতা ছাড়া অন্য কাউকে পিতা বলে দাবি করলো অথবা নিজ মনিব ছাড়া অন্য কাউকে মনিব বলে পরিচয় দিলো তার উপর আল্লাহ্ তা‘আলা, ফিরিশ্তা ও সকল মানুষের লা’নত এবং কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ তা‘আলা তার পক্ষ থেকে কোন ফরয ও নফল আমল কবুল করবেন না। তেমনিভাবে যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের সাথে চুক্তি ভঙ্গ করলো তার উপরও আল্লাহ্ তা‘আলা, ফিরিশ্তা ও সকল মানুষের লা’নত এবং কিয়ামতের দিন তার পক্ষ থেকেও কোন ফরয ও নফল আমল কবুল করা হবে না’’। (মুসলিম ১৩৭০)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
ফলাফল সূচক স্মার্ট khyh bhdydh, ভন almlaykh tlnh পর্যন্ত ydh, জিতেছে khah labyh vamh 
‘‘যে ব্যক্তি নিজ ভাইয়ের প্রতি ধারালো কোন লোহা (ছুরি, চাকু, দা তথা যে কোন অস্ত্র) দ্বারা ইশারা করলো ফিরিশ্তারা তার উপর লা’নত করতে থাকবে যতক্ষণ না সে তা পরিত্যাগ করে যদিও সে তার সহোদর ভাই হোক না কেন’’। (মুসলিম ২৬১৬)
‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আববাস্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
ডি সব ঐ flyh অভিশাপ ঈশ্বর valmlaykh valnas প্রতিবেশী ।
‘‘যে ব্যক্তি আমার সাহাবাদেরকে গালি দেয় তার উপর আল্লাহ্ তা‘আলা, ফিরিশ্তা ও সকল মানুষের লা’নত’’। (ত্বাবারানী/কবীর ১২৭০৯)
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
« প্রতিফলন ynqzvn অঙ্গীকার ঈশ্বর ডি পর mysaqh, vyqtvn মা শাশ্বত ঈশ্বরের মধ্যে তাদের yvsl vyfsdvn কোন পৃথিবী, vlayk lhm allnh vlhm শত দার »।
‘‘যারা আল্লাহ্ তা‘আলাকে দেয়া দৃঢ় অঙ্গীকার ভঙ্গ করে এবং যে সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য আল্লাহ্ তা‘আলা আদেশ করেছেন (আত্মীয়তার বন্ধন) তা ছিন্ন করে। পৃথিবীতে অশান্তি ছড়িয়ে বেড়ায় তাদের জন্যই রয়েছে অভিসম্পাত এবং তাদের জন্যই রয়েছে নিকৃষ্ট আবাসস্থল’’।
   (রা’দ্ : ২৫)
তিনি আরো বলেন:
« যে যারা yvzvn ঈশ্বর vrsvlh lnhm ঈশ্বর কোন বিশ্বের valakhrh, VAD lhm পেনাল্টি মাসের »
‘‘যারা আল্লাহ্ তা‘আলা ও তদীয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে কষ্ট দেয় আল্লাহ্ তা‘আলা দুনিয়া ও আখিরাতে তাদেরকে লা’নত করেন এবং (আখিরাতে) তাদের জন্য প্রস্ত্তত রেখেছেন লাঞ্ছনাকর শাস্তি’’। (আহ্যাব : ৫৭)
আল্লাহ্ তা‘আলা আরো বলেন:
« যে যারা yktmvn মা নির্দেশের ডি albynat valhdy মন পর মা bynah llnas প্রতি বুক vlayk ylnhm ঈশ্বর vylnhm allanvn »
‘‘নিশ্চয়ই যারা আমার অবতীর্ণ উজ্জ্বল নিদর্শন ও পথ নির্দেশ কিতাবের মাধ্যমে মানুষকে সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়ার পরও তা লুকিয়ে রেখেছে। আল্লাহ্ তা‘আলা তাদেরকে অভিসম্পাত করেন এবং সকল অভিসম্পাতকারীরাও তাদেরকে অভিসম্পাত করে’’। (বাক্বারাহ্ : ১৫৯)
তিনি আরো বলেন:
« যে যারা yrmvn শব্দ muhsanaat alghaflat almvmnat lnva কোন বিশ্বের valakhrh, vlhm শাস্তি মহান »
‘‘নিশ্চয়ই যারা সতী-সাধ্বী, সরলমনা মু’মিন মহিলাকে ব্যভিচারের অপবাদ দেয় তারা দুনিয়া ও আখিরাতে অভিশপ্ত এবং তাদের জন্যই রয়েছে মহা শাস্তি’’। (নূর : ২৩)
আল্লাহ্ তা‘আলা আরো বলেন:
« ALM সবচেয়ে স্মার্ট যারা আতর ভাগ্য ডি বই। Yvmnvn baljbt valtaghvt vyqvlvn llzyn অমান্য অতিথি hdy কিছু মনে যারা মুমিনদের পথ, vlayk যারা lnhmঈশ্বর, বমি yln ঈশ্বর ফ্লিন আপডেট উপাদান নাসির »
‘‘তুমি কি ওদের প্রতি লক্ষ্য করেছো যাদেরকে কিতাবের কিছু অংশ দেয়া হয়েছে। তারা (আল্লাহ্ তা‘আলাকে ছেড়ে) যাদুকর, গণক, প্রতিমা ও শয়তানের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে এবং কাফিরদের সম্পর্কে বলে, তারাই মু’মিনদের চাইতে অধিক সুপথগামী। এদেরই প্রতি আল্লাহ্ তা‘আলা লা’নত করেছেন এবং আল্লাহ্ তা‘আলা যাকে অভিসম্পাত করেন তার জন্য তুমি কোন সাহায্যকারীই পাবে না’’। (নিসা’ : ৫১-৫২)
সাওবান, আবূ হুরাইরাহ্ ও ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত তাঁরা বলেন:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- কে দাজ্জাল করা। إ الراشي والمراتشي, وفي روايتة: لعن الله الراشي والمرتشي والرائش الذي يسمشي بينهما।
‘‘আল্লাহ্’র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লা’নত করেন ঘুষখোর ও ঘুষদাতাকে। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, আল্লাহ্ তা‘আলা লা’নত করেন ঘুষখোর, ঘুষদাতা এবং তাদের মাধ্যমকেও’’।
 (তিরমিযী ১৩৩৬, ১৩৩৭; ইব্নু হিববান ৫০৭৬, ৫০৭৭; হা’কিম ৪/১০৩)
এ ছাড়াও আরো অনেক গুনাহ্ রয়েছে যে গুনাহ্গারের উপর আল্লাহ্ তা‘আলা, তদীয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, ফিরিশ্তা ও সকল মানুষের লা’নত রয়েছে। এ জাতীয় গুনাহ্গাররা যদি গুনাহ্ করার সময় এতটুকুই ভাবে যে তাদের উপর অনেকেরই লা’নত পড়ছে তা হলে তাদের জন্য উক্ত গুনাহ্ ছাড়া একেবারেই সহজ হয়ে যাবে।
২১. গুনাহ্গার ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও ফিরিশ্তাদের দো‘আ থেকে বঞ্চিত হয়। কারণ, তাদের দো‘আ তো ওদেরই জন্যই যারা আল্লাহ্ তা‘আলা কর্তৃক প্রদর্শিত পথ অনুসরণ করে এবং গুনাহ্ করলেও তাওবা করে নেয়।
আল্লাহ্ তা‘আলা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আদেশ করে বলেন:
« Falm annahu লা লা টি ডিভাইস আল্লাহ vastghfr lznbk vllmvmnyn valmvmnat »
‘‘অতএব তুমি জেনে রাখো যে, আল্লাহ্ তা‘আলা ছাড়া কোন মা’বূদ নেই এবং ক্ষমা প্রার্থনা করো তোমার ও মু’মিন নর-নারীদের গুনাহ্’র জন্য’’। (মুহাম্মাদ্ : ১৯)
আল্লাহ্ তা‘আলা আর্শ বহনকারী ফিরিশ্তাদের সম্পর্কে বলেন:
«যারা আরশ আহমেদ yhmlvn মুমিনদের llzyn vystghfrvn vyvmnvn ysbhvn সৌভাগ্যক্রমে rbhm hvlh, rabbanā জিনিস করুণা, প্রজ্ঞা faghfr llzyn থাবো vatbva sbylk vqhm শাস্তি aljhym, rabbanā vadkhlhm ইডেন কাদা vdthm আহমেদ মন bayhm vazvajhm vzryathm শান্তি, ইনকর্পোরেটেড অন্ত্র আজিজ .One, vqhm alsyyat বিবর্ধন , চিনির গ্রহণ, يومئذ فقد رح গুড লাক।
‘‘যারা আর্শ ধারণ করে আছে এবং যারা এর চতুস্পার্শ্ব ঘিরে আছে তারা তাদের প্রভুর পবিত্রতা ঘোষণা ও তাঁর প্রশংসা করে এবং তাঁর প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস স্থাপন করে। তারা মু’মিনদের জন্য মাগফিরাত কামনা করে এ বলে যে, হে আমাদের প্রভু! আপনার দয়া ও জ্ঞান সর্বব্যাপী। অতএব যারা তাওবা করে এবং আপনার প্রদর্শিত পথ অনুসরণ করে তাদেরকে আপনি ক্ষমা করে দিন এবং জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। হে আমাদের প্রভু! আপনি তাদেরকে দাখিল করুন স্থায়ী জান্নাতে যার প্রতিশ্রুতি আপনি তাদেরকে দিয়েছেন এবং তাদের পিতা-মাতা, পতি-পত্নী ও সন্তান-সন্ততির মধ্যে যারা সৎকর্মশীল রয়েছে তাদেরকেও। আপনি তো নিশ্চয়ই পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়। আপনি তাদেরকে গুনাহ্’র পরিণাম (শাস্তি) থেকেও রক্ষা করুন। আপনি যাকে সে দিন গুনাহ্’র পরিণাম থেকে রক্ষা করবেন তাকেই তো অনুগ্রহ করবেন। আর এটাই তো (তাদের জন্য) মহা সাফল্য’’। (গাফির/মু’মিন ৭-৯)
২২. এ ছাড়াও কিছু গুনাহ্’র নির্ধারিত কিছু শাস্তি রয়েছে যা পরকালে গুনাহ্গারকে অবশ্যই ভুগতে হবে। তা নিম্নরূপ:
সামুরাহ্ বিন্ জুন্দুব (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেশির ভাগ সময় ভোর বেলায় সাহাবাদেরকে জিজ্ঞাসা করতেন, তোমরা কি কেউ গত রাত কোন স্বপ্ন দেখেছো? তখন সাহাবাদের যে যাই দেখেছেন তাঁর নিকট তা বলতেন। এক সকালে তিনিই ভোর বেলায় সাহাবাদেরকে বললেন: গত রাত আমার নিকট দু’ জন ব্যক্তি এসেছে। তারা আমাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে বললো: চলুন, তখন আমি তাদের সাথেই রওয়ানা করলাম। যেতে যেতে আমরা এমন এক ব্যক্তির নিকট পৌঁছুলাম যে এক পেশে অথবা চিৎ হয়ে শায়িত। অন্য আরেক জন তার পাশেই দাঁড়িয়ে একটি প্রকান্ড প্রস্তর হাতে। লোকটি পাথর মেরে শায়িত ব্যক্তির মাথা গুঁড়িয়ে দিচ্ছে এবং পাথরটি মাথায় লেগে দূরে ছিটকিয়ে পড়ছে। লোকটি ছিটকে পড়া পাথর খন্ড নিয়ে ফিরে আসতে আসতেই শায়িত ব্যক্তির মাথা পূর্বাবস্থায় ফিরে যাচ্ছে। অতঃপর দাঁড়ানো ব্যক্তি আবারো শায়িত ব্যক্তির মাথায় পূর্বের ন্যায় আঘাত হানছে।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: আমি আমার সাথীদ্বয়কে বললাম: আশ্চর্য! এরা কারা? আমার সাথীদ্বয় বললো: সামনে চলুন। তখন আমরা সামনে চললাম। যেতে যেতে আমরা আবারো এমন এক ব্যক্তির নিকট পৌঁছুলাম যে বসা অথবা চিত হয়ে শায়িত। অন্য আরেক জন তার পাশেই দাঁড়িয়ে একটি মাথা বাঁকানো লোহা হাতে। লোকটি বাঁকানো লোহা দিয়ে শায়িত ব্যক্তির একটি গাল, নাকের ছিদ্র এবং চোখ ঘাড় পর্যন্ত চিরে ফেলছে। এরপর সে উক্ত ব্যক্তির অন্য গাল, নাকের ছিদ্র এবং চোখটিকেও এমনিভাবে চিরে ফেলছে। লোকটি শায়িত ব্যক্তির এক পার্শ্ব চিরতে না চিরতেই তার অন্য পার্শ্ব পূর্বাবস্থায় ফিরে যাচ্ছে এবং লোকটি বসা অথবা শায়িত ব্যক্তিটির সাথে সে ব্যবহারই করছে যা পূর্বে করেছে।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: আমি আমার সাথীদ্বয়কে বললাম: আশ্চর্য! এরা কারা? আমার সাথীদ্বয় বললো: সামনে চলুন। তখন আমরা সামনে চললাম। যেতে যেতে আমরা চুলার ন্যায় একটি বড় গর্তের মুখে পৌঁছুলাম। গর্ত থেকে খুব চিৎকার শুনা যাচ্ছে। তখন আমারা গর্তের ভেতরে তাকালে দেখলাম, সেখানে অনেকগুলো উলঙ্গ পুরুষ ও মহিলা। নিচ থেকে কঠিন লেলিহান আগুন তাদেরকে ধাওয়া করছে এবং তা তাদের নিকট পৌঁছুতেই তারা খুব চিৎকারে ফেটে পড়ছে।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: আমি আমার সাথীদ্বয়কে বললাম: আশ্চর্য! এরা কারা?  আমার সাথীদ্বয় বললো: সামনে চলুন। তখন আমরা সামনে চললাম। যেতে যেতে আমরা একটি রক্তিম নদীর পার্শ্বে পৌঁছুলাম। নদীতে জনৈক ব্যক্তি সাঁতার কাটছে। নদীর পার্শ্বে অন্য আরেক জন অনেকগুলো পাথর খন্ড সামনে নিয়ে বসে আছে। লোকটি সাঁতার কাটতে কাটতে পাথর ওয়ালার নিকট এসে হা করতেই সে তার মুখে একটি পাথর গুঁজে দেয়। অতঃপর সে আবারো সাঁতার কাটতে যায় এবং সাঁতার কাটতে কাটতে আবারো পাথর ওয়ালার নিকট আসলে সে পূর্বের ন্যায় আরেকটি পাথর তার মুখে গুঁজে দেয়। ...
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: আমি আমার সাথীদ্বয়কে বললাম: আজ রাত তো আমি অনেকগুলো আশ্চর্যজনক ব্যাপারই দেখলাম তা তোমরা আমাকে খুলে বলবে কি? তখন তারা আমাকে বললো: অবশ্যই আমরা আপনাকে ব্যাপারগুলো এখনই খুলে বলছি। তাই শুনুন। প্রথম ব্যক্তির দোষ এই যে, সে কুর‘আন মাজীদ তিলাওয়াত করে সে মতে আমল করে না এবং ফরয নামায না পড়ে সে ঘুমিয়ে থাকে। দ্বিতীয় ব্যক্তির দোষ এই যে, সে ভোর বেলায় ঘর থেকে বের হয়েই মিথ্যা কথা বলে বেড়ায় যা দুনিয়ার আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে পড়ে। আর উলঙ্গ পুরুষ ও মহিলাদের দোষ এই যে, তারা ছিলো ব্যভিচারী ও ব্যভিচারিণী। আর চতুর্থ ব্যক্তিটি হচ্ছে সুদখোর। (বুখারী ১৩৮৬, ৭০৪৭)
২৩. গুনাহ্’র কারণে পৃথিবীর পানি, বাতাস, ফলমূল, শস্য, ঘর-বাড়ি ইত্যাদি বিনষ্ট হয়ে যায়। আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
«مشاهر الفساد في البر والبحر بما كسبت أيدي الناس ليذيقهم بعض الذي عملوا لعلهم يرجعون»
‘‘মানুষের কৃতকর্মের কারণেই জলে-স্থলে বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়ে। আর তা এ কারণেই যে, আল্লাহ্ তা‘আলা এরই মাধ্যমে বান্দাহ্কে তার কিছু কৃতকর্মের স্বাদ আস্বাদন করান যাতে তারা (সঠিক পথে) ফিরে আসে’’।  (রূম : ৪১)
২৪. গুনাহ্’র কারণেই পৃথিবীতে ভূমিধস ও ভূমিকম্প সংঘটিত হয়। এমনকি ভূমি থেকে বরকত একেবারেই উঠে যায়।
এ কথা কারোর অজানা নয় যে, ইতিপূর্বে এখনকার চাইতেও ফলমূল আরো বড় ও আরো সুস্বাদু হতো। এমনকি হাজরে আস্ওয়াদ একদা সূর্যের ন্যায় জ্বলজ্বলে এবং সাদা ছিলো। অথচ মানুষের গুনাহ্’র কারণেই তা আজ আস্ওয়াদ বা কালো। সুতরাং বুঝা গেলো, গুনাহ্’র প্রভাব সকল বস্ত্তর উপরই পড়ে। এ কারণেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সামূদ্ সম্প্রদায়ের এলাকায় পৌঁছুলেন তখন তিনি সাহাবাদেরকে তাদের কুয়া থেকে পানি পান ও তা সংগ্রহ করতে নিষেধ করেছেন। এমনকি গুনাহ্’র প্রভাব মানুষের উপরও পড়ে। যার দরুন কোন কোন আলিমের ধারণা মতে মানুষ দিন দিন খাটো হতে চলছে।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
আল্লাহর লোকেরা চলচ্চিত্রটি চলচ্চিত্রের চূড়ান্ত লক্ষ্য।
‘‘আল্লাহ্ তা‘আলা আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করেছেন। তখন তিনি ছিলেন ষাট হাত লম্বা। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত মানুষ খাটো হতেই চলছে’’। (বুখারী ৩৩২৬; মুসলিম ২৮৪১)
তবে কিয়ামতের পূর্বে আবারো যখন ঈসা (আঃ) দুনিয়াতে অবতরণ করে বিশ্বের বুকে পুরো শরীয়ত বাস্তবায়ন করবেন তখন আবারো আকাশ থেকে বরকত নেমে আসবে। তখন এক আনারের খোসার ছায়া দশ থেকে চল্লিশ জন মানুষ গ্রহণ করতে পারবে এবং তা সকলের খাদ্যের জন্যও যথেষ্ট হবে। আঙ্গুরের একটি ছড়া একটি উটের বোঝাই হবে।
২৫. গুনাহ্ করতে করতে গুনাহ্গারের অন্তর থেকে ইসলামী চেতনায় লালিত মানব আত্মসম্মানবোধ একেবারেই বিনষ্ট হয়ে যায়। এ কথা সত্য যে, যার ঈমান যতই দৃঢ় তার এই আত্মমর্যাদাবোধ ততই মজবুত। ঠিক এরই বিপরীতে যার ঈমান যতই দুর্বল তার এই আত্মমর্যাদাবোধও ততই দুর্বল। এ কারণেই তা পূর্ণাঙ্গরূপে পাওয়া যায় রাসূলদের মধ্যে। এরপর ঈমানের তারতম্য অনুযায়ী অন্যদের মধ্যেও।
সা’দ বিন্ ’উবাদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
নিন সালাদ rjla সঙ্গে নেতারা lzrbth balsyf অ msfh ।
‘‘আমি কাউকে আমার স্ত্রীর সঙ্গে ব্যভিচার করতে দেখলে তৎক্ষনাৎই তার গর্দান উড়িয়ে দেবো’’।
উল্লিখিত উক্তিটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কানে পৌঁছুতেই তিনি বললেন:
أتعجبون من غيرة سعد? Nasri করা ghyr কার্ট, Nasri ghyr , টাকা বমি ripped সম্মান ঈশ্বরের আশ্রয়স্থল alfvahsh মা zhr katba vma গর্ভ ।
‘‘তোমরা কি আশ্চর্য হয়েছো সা’দের আত্মসম্মানবোধ দেখে? আল্লাহ্’র কসম খেয়ে বলছি: আমার আত্মসম্মানবোধ তার চেয়েও বেশি এবং আল্লাহ্ তা‘আলার আরো বেশি। যার দরুন তিনি হারাম করে দিয়েছেন প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সকল ধরনের অশ্লীলতা’’।
(বুখারী ৬৮৪৬; মুসলিম ১৪৯৯)
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেন:
অথবা জাতি মোহাম্মদ ! Nasri মা ডি দুইবার ghyr ডি ঈশ্বর তাদের yzny .html এস tzny mth ।
‘‘হে মুহাম্মাদ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উম্মতরা! আল্লাহ্’র কসম খেয়ে বলছি: আল্লাহ্ তা‘আলার চাইতে আর কারোর আত্মসম্মানবোধ বেশি হতে পারেনা। যার দরুন তিনি চান না যে, তাঁর কোন বান্দাহ্ বা বান্দি ব্যভিচার করুক’’। (বুখারী ১০৪৪; মুসলিম ৯০১)
তবে শরীয়তের দৃষ্টিতে যুক্তিসঙ্গত কোন ’উযর বা কৈফিয়ত গ্রহণ করা উক্ত আত্মসম্মানবোধ বিরোধী নয়। বরং তা প্রশংসনীয়ও বটে।
‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ মাস্’ঊদ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
লা আহাদ أ Gyr থেকে ঈশ্বর, ulzl ك আশ্রয়স্থল alfuahs মা z- র ه দ MN ه একটি পায়ূ গর্ভ, ভিলা আহাদ أ HB إ ly থেকে ه alazr আমার ঈশ্বর, তারা নিহত ZL ك নির্দেশের বুক তোমার দর্শন লগ করা rsl أ alrsl, ভিলা আহাদ أ HB إ ly থেকে ه almdh আমার ঈশ্বর, তারা নিহত ZL ك প্রশংসার মঞ্জুর ।
‘‘আল্লাহ্ তা‘আলার চাইতেও অধিক আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন আর কেউ নেই। এ কারণেই তিনি প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সকল অশ্লীলতা হারাম করে দিয়েছেন এবং আল্লাহ্ তা‘আলার চাইতেও কারোর যুক্তিসঙ্গত কৈফিয়ত গ্রহণ করা বেশি পছন্দ করেন এমন আর কেউ নেই। এ জন্যই তিনি কিতাব নাযিল করেন এবং রাসূল প্রেরণ করেন। অনুরূপভাবে আল্লাহ্ তা‘আলার চাইতেও অন্যের প্রশংসা বেশি পছন্দ করেন এমন আর কেউ নেই। এ কারণেই তিনি নিজের প্রশংসা নিজেই করেন’’।
(বুখারী ৪৬৩৪, ৪৬৩৭, ৫২২০, ৭৪০৩; মুসলিম ২৭৬০)
জাবির বিন্ ‘আতীক্ব (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
ডি alghyrh মা Dedh ঈশ্বর, vmnha মা ybghz ঈশ্বর, রিপোর্ট কাদা yhbha ঈশ্বর falghyrh কোন alrybh, গান Vama alghyrh কাদা ybghzha ঈশ্বর falghyrh কোন অ rybh ।
‘‘কিছু আত্মসম্মানবোধ আল্লাহ্ তা‘আলা পছনদ করেন আর কিছু অপছন্দ। পছন্দনীয় আত্মসম্মানবোধ এই যে, যা হবে যুক্তিসঙ্গত তথা ব্যভিচার সম্বন্ধে সংশয়াকুল। আর অপছন্দনীয় আত্মসম্মানবোধ এই যে, যা হবে অযৌক্তিক তথা সংশয়হীন’’।
(আবূ দাউদ ২৬৫৯; ইব্নু হিববান ২৯৫; দা’রামী ২২২৬; নাসায়ী ২৫৫৮; আহমাদ ৫/৪৪৫, ৪৪৬)
কারোর মধ্যে আত্মসম্মানবোধ দুর্বল হয়ে গেলে সে আর গুনাহ্কে গুনাহ্ বলে মনে করে না। না নিজের ব্যাপারে না অন্যের ব্যাপারে। কেউ কেউ তো গুনাহ্ করতে করতে ধীরে ধীরে এমন পর্যায়ে উপনীত হয় যে, সে গুনাহ্কে সুন্দর রূপে অন্যের নিকটও উপস্থাপন করে। তাকে সে গুনাহ্ করতে বলে এবং করার জন্য উৎসাহ্ জোগায়। বরং তা সংঘটনের জন্য তাকে সহযোগিতাও করে থাকে। এ কারণেই ‘‘দাইয়ূস’’ তথা যে নিজ পরিবারের ইয্যতহানী হলেও তা সহজেই সহ্য করে যায় তার উপর জান্নাত হারাম।
২৬. গুনাহ্ করতে করতে গুনাহ্গারের অন্তর থেকে লজ্জাবোধ একেবারেই নি:শেষ হয়ে যায়। আর লজ্জাশীলতা তো কল্যাণই কল্যাণ।
’ইমরান বিন্ ’হুস্বাইন (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
 AlQasabe klh ভাল ।
‘‘লজ্জা বলতে সবটাই ভালো’’। (মুসলিম ৩৭)
লজ্জাবোধ চলে গেলে মানুষ যা ইচ্ছে তাই করতে পারে।
আবূ মাস্’ঊদ্ বাদ্রী (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
রাদি আদা প্রকাশ্য মন শব্দ alnbvh : hehehe লিম tsthy fasn মা ocutieo ।
‘‘নবীদের যে কথাটি মানুষ আজো স্মরণ রেখেছে তা হচ্ছে, যখন তুমি লজ্জাই পাচ্ছো না তখন যা ইচ্ছে তাই করতে পারো’’।(বুখারী ৩৪৮৩, ৩৪৮৪)
লজ্জা হারিয়ে কখনো মানুষ এমন পর্যায়ে উপনীত হয় যে, সে একাকী কোন খারাপ কাজ করার পরও জনসম্মুখে তা জানিয়ে দেয় এবং তা করতে পেরেছে বলে সে নিজ মনে খুব আনন্দ বোধ করে। এমন পর্যায়ে কোন ব্যক্তি উপনীত হলে তখন সে ব্যক্তির সঠিক পথে ফিরে আসার আর তেমন কোন সম্ভাবনা থাকে না।
২৭. গুনাহ্ করতে করতে অন্তর থেকে আল্লাহ্ তা‘আলার সম্মান ও মাহাত্ম্য একেবারেই উঠে যায়। কারণ, গুনাহ্গারের অন্তরে যদি আল্লাহ্ তা‘আলার সম্মান ও মহিমা অটুট থাকতো তা হলে সে উক্ত গুনাহ্ সম্পাদন করতেই পারতো না এবং এরই পরিণতিতে আল্লাহ্ তা‘আলা মানুষের অন্তর থেকেও তার সম্মান উঠিয়ে নেন। আর আল্লাহ্ তা‘আলা যাকে অসম্মান করবেন তাকে সম্মান দেয়ার আর কেউই নেই।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
আহমেদ yhn ঈশ্বর মমি উপাদান ডি সুতনু ।
‘‘আল্লাহ্ তা‘আলা যাকে হেয় করেন তার সম্মানদাতা আর কেউই নেই’’। (হাজ্জ : ১৮)
২৮. গুনাহ্’র কারণে আল্লাহ্ তা‘আলা বান্দাহ্কে পরিত্যাগ করেন। তাকে আর কোন ব্যাপারে সহযোগিতা করেন না। বরং তাকে প্রবৃত্তি ও শয়তানের হাতে ছেড়ে দেন। তখন তার ধ্বংস অনিবার্য।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
"হে মুমিনগণ! তোমরা ভয় কর এবং আল্লাহকে ভয় কর এবং ভয় করো আল্লাহকে ভয় কর এবং আল্লাহকে ভয় কর এবং আল্লাহকে ভয় কর এবং যারা আল্লাহকে ভুলে যায় এবং নিজেদের ভুলে যায়।
‘‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহ্ তা‘আলাকে ভয় করো এবং প্রত্যেকেরই এ কথা ভেবে দেখা দরকার যে, সে কিয়ামত দিবসের জন্য কি পুঁজি তৈরি করেছে। অতএব তোমরা আল্লাহ্ তা‘আলাকেই ভয় করো। তোমাদের কর্ম সম্পর্কে আল্লাহ্ তা‘আলা নিশ্চয়ই অবগত এবং তোমরা তাদের মতো হয়ো না যারা আল্লাহ্ তা‘আলাকে ভুলে গিয়েছে। যার ফলে আল্লাহ্ তা‘আলা (শুধু তাদেরকেই ভুলে যান নি) বরং তাদেরকে আত্মবিস্মৃত করে দিয়েছেন। এরাই তো সত্যিকার পাপাচারী’’। (হাশর : ১৮-১৯)
এর চাইতেও বেশি ক্ষতি কারোর জন্য আর কি হতে পারে যে, সে নিজের পরিণতির কথা ভাবে না। নিজের সুবিধা অসুবিধার কথা চিন্তা করে না। নিজের পূর্ণ শান্তি ও তৃপ্তির আকাঙ্খা তথা তা অর্জনের কোন প্রচেষ্টাই তার নেই।
২9। গুনাহ্ গুনাহ্গারকে ইহ্সানের পর্যায় থেকে বঞ্চিত করে। ইহ্সানের পর্যায় হলো সর্বোচ্চ পর্যায়। আর তা হচ্ছে, আল্লাহ্ তা‘আলার ইবাদাত এমনভাবে করা যে, যেন আপনি আল্লাহ্ তা‘আলাকে দেখতে পাচ্ছেন। আর তা না হলে এমন যেন হয় যে, আল্লাহ্ তা‘আলা আপনাকে দেখতে পাচ্ছেন। ফলে সে মুহসিনীনদের জন্য নির্ধারিত সুযোগ-সুবিধা ও বিশেষ সম্মান থেকে বঞ্চিত হয়। কখনো কখনো এমনো হয় যে, সে ঈমানের পর্যায় থেকেও বঞ্চিত হয়। ফলে ঈমানের সকল কল্যাণও তার হাতছাড়া হয়ে যায়। ঈমানের প্রায় একশতটি কল্যাণ রয়েছে। তম্মধ্যে মু’মিনদের জন্য মহা পুণ্য, দুনিয়া ও আখিরাতের সকল বালা-মুসীবত থেকে উদ্ধার, তাদের জন্য আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট আর্শবাহী ফিরিশ্তাদের মাগফিরাত কামনা, আল্লাহ্ তা‘আলার বিশেষ বন্ধুত্ব, তাদেরকে ফিরিশ্তাদের মাধ্যমে শরীয়তের উপর দৃঢ়পদ করণ, তাদের জন্য স্পেশাল সম্মান, তাদের জন্য সর্বদা আল্লাহ্ তা‘আলার সহযোগিতা, দুনিয়া ও আখিরাতের সুউচ্চ সম্মান, গুনাহ্ মাফ ও সম্মান জনক উপজীবিকা, পরকালে আল্লাহ্ তা‘আলার বিশেষ রহমত ও দীর্ঘ অন্ধকার পথ পাড়ি দেয়ার জন্য নূরের সুব্যবস্থা, ফিরিশ্তা, নবী ও নেক্কারদের ভালোবাসা, আখিরাতের নিরাপত্তা এবং তারাই পরকালে আল্লাহ্ তা‘আলার একমাত্র নি’য়ামতপ্রাপ্ত ও তাদের জন্যই কুর‘আনের হিদায়াত ও সুচিকিৎসা ইত্যাদি অন্যতম। কখনো কখনো এমন হয় যে, বার বার গুনাহ্’র কারণে আল্লাহ্ তা‘আলা তার অন্তরের উপর কুফরির মোহর মেরে দেন এবং সে ব্যক্তি ইসলামের গন্ডি থেকেই সম্পূর্ণরূপে বের হয়ে যায়। তারপরও আল্লাহ্ চায় তো তাওবা’র দরোজা সর্বদা তার জন্য খোলা রয়েছে।
৪০. গুনাহ্ গুনাহ্গারের বুদ্ধিমত্তায় একান্ত প্রভাব ফেলে। আপনি স্বচক্ষেই দু’ জন বুদ্ধিমানের মধ্যে বুদ্ধির তফাৎ দেখবেন। যাদের এক জন আল্লাহ্’র আনুগত্যশীল আর আরেক জন অবাধ্য। দেখবেন, আল্লাহ্’র আনুগত্যকারীর বুদ্ধি অপর জনের চাইতেও বেশি। তার চিন্তা ও সিদ্ধান্ত একান্তই সঠিক।
এমন ব্যক্তিকে কিভাবে বুদ্ধিমান বলা যেতে পারে যে অনন্তকালের সুখ শান্তিকে কুরবানি দিয়ে দুনিয়ার সামান্য সুখকে গ্রহণ করলো। মু’মিন তো এমনই হওয়া উচিত যে, সে দুনিয়ার সামান্য সুখভোগকে কুরবানি দিয়ে আখিরাতের চিরসুখের আশা করবে। আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
« Tkvnva talmvn fanhm yalmvn উপার্জন talmvn vtrjvn ডি ঈশ্বর মা লা yrjvn »
‘‘তোমরা যদি কষ্ট পেয়ে থাকো তা হলে তারাও তো তোমাদের ন্যায় কষ্ট পেয়েছে। তবে আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট তোমাদের যে (পরকালের) আশা ও ভরসা রয়েছে তা তাদের নেই’’। (নিসা’ : ১০৪)
৪১. গুনাহ্’র কারণে আল্লাহ্ তা‘আলা ও তাঁর বান্দাহ্’র মধ্যকার দৃঢ় সম্পর্ক একেবারেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। আর যখন কারোর সম্পর্ক আল্লাহ্ তা‘আলা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় তখন সকল অকল্যাণ ও অনিষ্ট তাকে ঘিরে ফেলে এবং সকল কল্যাণ ও লাভ তার থেকে ধীরে ধীরে দূরে সরে যায়।
জনৈক বুযুর্গ বলেন: বান্দাহ্’র অবস্থান আল্লাহ্ তা‘আলা ও শয়তানের মাঝে। অতএব যখন বান্দাহ্ আল্লাহ্ তা‘আলা থেকে বিমুখ হয় তখন শয়তান তার বন্ধু রূপে তার কাছে ধরা দেয়। আর যে সর্বদা আল্লাহ্মুখী থাকে শয়তান তাকে কখনো কাবু করতে পারে না।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
« ভাজ qlna llmlaykh asjdva ladm fsjdva ডিভাইস দিয়াবল, থেকে ডি মানবজাতির ffsq আল একনায়ক আব্দ, fttkhzvnh vzryth সাধুদের ডি রোজমেরি,vhm আমাদের ইদ্দোর, Bais llzalmyn পরিবর্তিত »
‘‘স্মরণ করো সে সময়ের কথা যখন আমি ফিরিশ্তাদেরকে বললাম: তোমরা আদমকে সিজ্দাহ্ করো। তখন সবাই সিজ্দাহ্ করলো শুধু ইবলীস ছাড়া। সে জিনদের অন্যতম। সে তার প্রভুর আদেশ অমান্য করলো। তবুও কি তোমরা আমার পরিবর্তে তাকে ও তার বংশধরকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করবে? অথচ তারা তোমাদের শত্রু। যালিমদের জন্য এ হচ্ছে সর্বনিকৃষ্ট বিকল্প’’। (কাহ্ফ : ৫০)
৪২. গুনাহ্ বয়স, রিযিক, জ্ঞান, আমল ও আনুগত্যের বরকত কমিয়ে দেয়। তথা দীন-দুনিয়ার সকল বরকতে ঘাটতি আসে। কারণ, সকল বরকত তো আল্লাহ্ তা‘আলার আনুগত্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
« উইলো তাদের সুন্নি কুরা মুমিনদের uatqua lfthna maghdube বারাকাত থেকে alsma ء পৃথিবী »
‘‘জনপদবাসীরা যদি ঈমান আনতো এবং তাকওয়া অবলম্বন করতো তা হলে আমি তাদের জন্য আকাশ ও জমিনের বরকতের দ্বার খুলে দিতাম’’। (আ’রাফ : ৯৬)
আল্লাহ্ তা‘আলা আরো বলেন:
« ভ্যান লো astqamva আলী Amour lasqynahm মা ghdqa »
‘‘তারা যদি সত্যপথে প্রতিষ্ঠিত থাকতো তা হলে আমি নিশ্চয়ই তাদেরকে প্রচুর বারি বর্ষণের মাধ্যমে সমৃদ্ধ করতাম’’। (জিন : ১৬)
জাবির বিন্ ‘আব্দুল্লাহ্ ও আবূ উমা’মাহ্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
আত্মা পবিত্র NFS কোন rvy annahu লা লিন টিমোথি আত্মা পর্যন্ত tstkml rzqha, fatqva ঈশ্বর vajmlva কোন altlb, fanh লিন ynal মা ভয় আল্লাহ ডিভাইস btath, ভ্যান ঈশ্বর counterfeiting IRIS গতি valfrh কোন শিয়া valyqyn, vjl alhm valhzn কোন সন্দেহ valskht ।
‘‘নিশ্চয়ই জিব্রীল (আঃ) আমার অন্তরে এ মর্মে ভাবোদয় করলেন যে, কোন প্রাণী মৃত্যু বরণ করবে না যতক্ষণ না সে নিজ রিযিক সম্পূর্ণরূপে গ্রহণ করে। সুতরাং তোমরা আল্লাহ্ তা‘আলাকে ভয় করো এবং শরীয়ত সম্মত উপায়ে ভালোভাবে উপার্জন করো। কারণ, এ কথা সবারই জানতে হবে যে, আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট থেকে কিছু পেতে হলে তাঁর আনুগত্য অবশ্যই করতে হবে। আর আল্লাহ্ তা‘আলা একমাত্র তাঁর উপর সন্তুষ্টি ও দৃঢ় বিশ্বাসের মধ্যেই মানুষের জন্য রেখেছেন সুখ ও শান্তি এবং তাঁর উপর অসন্তুষ্টি ও সন্দেহের মধ্যেই রেখেছেন ভয় ও আশঙ্কা’’।
(ইব্নু মাজাহ্ ২১৪৪ বায়হাক্বী ৫/২৬৫ আবূ নু‘আঈম/’হিল্ইয়াহ্ ১০/২৭)
৪৩. গুনাহ্’র কারণে গুনাহ্গার উঁচু স্থান থেকে নিচু স্থানে নেমে আসে। এমনকি পরিশেষে সে জাহান্নামীদেরই অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। তবে তাওবা করার পর সে পূর্বাবস্থায় ফিরে আসতেও পারে। আবার নাও আসতে পারে। আবার কখনো সে আরো উঁচু পর্যায়েও যেতে পারে। আর তা নির্ণীত হবে একমাত্র তার তাওবার ধরনের উপরই।
৪৪. গুনাহ্’র কারণে গুনাহ্গারের ক্ষতি করতে এমন ব্যক্তিও সাহসী হবে যে ইতিপূর্বে তা করতে সাহস পায়নি। তখন শয়তান তাকে ভয়ার্ত ও চিন্তিত করতে সাহস পাবে। তাকে পথভ্রষ্ট করতে ও ওয়াস্ওয়াসা দিতে সে উৎসাহী হবে। এমনকি মানবরূপী শয়তানও তাকে কষ্ট দিতে সক্ষম হবে। তার পরিবার, সন্তান, কাজের লোক, প্রতিবেশী এমনকি তার পালিত পশুও তার কথার মূল্যায়ন বা তার আনুগত্য করবে না। প্রশাসকরাও তার উপর যুলুম করবে। এমনকি তার অন্তরও তার আনুগত্য করবে না। ভালো কাজে তার সহযোগী হবে না। বরং খারাপের দিকেই তাকে টেনে নিয়ে যাবে।
জনৈক বুযুর্গ বলেন: আমি আল্লাহ্ তা‘আলার নাফরমানি করলেই তার পরিণাম আমার স্ত্রী ও বাহনের মধ্যে অনুভব করতে পারি।
৪৫. গুনাহ্ করতে করতে গুনাহ্গারের অন্তরে গুনাহ্’র জংয়ের এক আস্তর পড়ে যায়। তখন বিপদের সময়ও তার অন্তর তা কাটিয়ে উঠতে তার সহযোগিতা করে না। আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট ফরিয়াদ করতে চায় না। যিকিরে ব্যস্ত হয় না এবং একমাত্র তাঁরই উপর ভরসা করতে রাজি হয় না। বরং কখনো কখনো এমন হয় যে, তার ইন্তিকালের সময় তার যবানও তাকে ঈমান নিয়ে মরতে সহযোগিতা করে না।
জনৈক ব্যক্তিকে মৃত্যুর সময় বলা হলো: ‘‘লা’ ইলা’হা ইল্লাল্লাহু’’ পড়ো। তখন সে গান গাইতে শুরু করলো এবং এমতাবস্থায় সে মৃত্যু বরণ করলো। আরেক জন উত্তর দিলো: কালিমা এখন আর আমার কোন ফায়েদায় আসবে না। কারণ, দুনিয়াতে এমন কোন গুনাহ্ নেই যা আমি করতে ছাড়িনি এবং এমতাবস্থায়ই সে মারা গেলো। আরেক জন বললো: আমি এ কালিমায় বিশ্বাস করি না। অথচ ইতিপূর্বে সবাই তাকে মুসলিম হিসেবেই চিনতো। আরেক জন বললো: আমি তো কালিমা উচ্চারণ করতেই পারছিনে। আরেক জন বললো: আল্লাহ্’র জন্য আমাকে একটি টাকা দাও। আল্লাহ্’র জন্য আমাকে একটি টাকা দাও। আরেক জন বললো: এ কাপড়টি এতো। আর ও কাপড়টি অতো। আরো কত্তো কী?
৪৬. গুনাহ্’র কারণে গুনাহ্গারের অন্তর একেবারেই অন্ধ হয়ে যায়। পুরো অন্ধ না হলেও তার অন্তর্দৃষ্টি দুর্বল হয়ে পড়ে। তখন সে আর হিদায়াতের দিশা পায় না। আর পেলেও তা বাস্তবায়নের ক্ষমতা রাখে না।
মানব পরিপূর্ণতা তো দু’টি জিনিসেই সীমাবদ্ধ। আর তা হচ্ছে, সত্য জানা ও মিথ্যার উপর সত্যকে প্রাধান্য দেয়া। দুনিয়া ও আখিরাতে আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট মানুষের সম্মানের তারতম্য এ দু’য়ের কারণেই হয়ে থাকে এবং এ দু’য়ের কারণেই আল্লাহ্ তা‘আলা নবীদের প্রশংসা করেন।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
« Vazkr এবাদি ইব্রাহিম vashaq vyqvb অলি alaydy valabsar »
‘‘স্মরণ করো আমার বান্দাহ্ ইব্রাহীম, ইস্হাক, ইয়া’কূব এর কথা; তারা ছিলো শক্তিশালী ও সূক্ষ্মদর্শী’’। (স্বাদ্ : ৪৫)
এ ব্যাপারে মানুষ চার ভাগে বিভক্ত:
১. যাদের ধর্মীয় জ্ঞানে পান্ডিত্য রয়েছে এবং এরই পাশাপাশি সত্য বাস্তবায়নের ক্ষমতাও রয়েছে। এরাই হচ্ছেন আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট সর্বশ্রেষ্ঠ। এরা সংখ্যায় খুবই কম এবং এরাই দ্বীন-দুনিয়ার সার্বিক নেতৃত্বের একমাত্র উপযুক্ত।
২. যাদের ধর্মীয় জ্ঞান নেই এবং তা বাস্তবায়নের ক্ষমতাও নেই। এরা সংখ্যায় খুবই বেশি।
৩. যাদের ধর্মীয় জ্ঞান রয়েছে ঠিকই তবে তা বাস্তবায়নের ক্ষমতা খুবই ক্ষীণ। না সে নিজে তা বাস্তবায়ন করছে, না সে অন্যকে এর প্রতি দা’ওয়াত দিচ্ছে।
৪. যাদের যে কোন বিষয় বাস্তবায়নের ক্ষমতা তো রয়েছে ঠিকই তবে তার ধর্মীয় কোন জ্ঞান নেই।
৪৭. গুনাহ্’র মাধ্যমে শয়তান ও তার সহযোগীদেরকে তাদের কাজে সহযোগিতা করা হয়। এ কথা সবারই জানা যে, আল্লাহ্ তা‘আলা শয়তানের মাধ্যমে মানব জাতিকে বিশেষ এক পরীক্ষায় ফেলেছেন। শয়তান মানুষের চরম শত্রু। মানুষের শত্রুতা করতে সে কখনো পিছপা হয় না। বরং সে তার সকল শক্তি বিনিয়োগ করছে এই একই পথে। তার সাথে সহযোগী হিসেবে রয়েছে বিশেষ এক সেনাদল মানুষ ও জিনদের মধ্য থেকে। ঠিক এরই বিপরীতে আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁরই প্রিয় সৃষ্টি মানুষকে শয়তানের সাথে যুদ্ধ করার জন্যে বিশেষ এক সেনাদল দিয়েছেন এবং এ যুদ্ধের পরিণতিতে তাদের জন্য জান্নাত রয়েছে যেমনিভাবে ওদের জন্য রয়েছে জাহান্নাম। এ ক্ষেত্রে আল্লাহ্ তা‘আলা স্বেচ্ছায় মু’মিনদের সাথে একটি ব্যবসায়িক চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছেন।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
« অথবা yha যারা অম্নোন এর dlkm আলী ট্রেড tnjykm ডি শাস্তি বেদনাদায়ক, tvmnvn ballh vrsvlh vtjahdvn কোন জাঁ আল্লাহ bamvalkm vanfskm, zlkmভাল আমাদের কাছে যে হয় tlmvn, yghfr আমাদের znvbkm vydkhlkm দৈত্যদের পর্যালোচনা ডি ththa alanhar vmsakn tybh কোন জায়েন্টস এডেন, zlkalfvz U, vakhry thbvnha নসর ডি ঈশ্বর vfth খুব শীঘ্রই, vbshr কন্যা »
‘‘হে ঈমানদারগণ! আমি কি তোমাদেরকে এমন একটি বাণিজ্যের সংবাদ দেবো না? যা তোমাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে রক্ষা করবে। তোমরা আল্লাহ্ তা‘আলা ও তদীয় রাসূল এর উপর ঈমান আনবে এবং তোমাদের ধন-সম্পদ ও জীবন দিয়ে আল্লাহ্ তা‘আলার পথে জিহাদ করবে। এটাই তো তোমাদের জন্য সর্বোত্তম যদি তোমরা তা জানতে! (আর এরই মাধ্যমে) আল্লাহ্ তা‘আলা তোমাদের পাপরাশি ক্ষমা করে দিবেন এবং তোমাদেরকে এমন একটি জান্নাতে প্রবেশ করাবেন যার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে অনেকগুলো নদী। তিনি আরো প্রবেশ করাবেন তোমাদেরকে চিরস্থায়ী জান্নাতের উত্তম আবাসগৃহে এবং এটিই তো মহা সাফল্য। তিনি তোমাদেরকে আরেকটি পছন্দসই বস্ত্ত দান করবেন। আর তা হচ্ছে আল্লাহ্ তা‘আলার পক্ষ থেকে বিশেষ সাহায্য এবং অত্যাসন্ন বিজয়। অতএব (হে রাসূল!) তুমি মু’মিনদেরকে এ ব্যাপারে সুসংবাদ দাও’’।
(স্বাফ্ফ : ১০-১৩)
আল্লাহ্ তা‘আলা আরো বলেন:
« ঈশ্বর Ashtar ডি কন্যা NFS · HM vamvalhm সময় lhm প্যারাডাইস, yqatlvn কোন জাঁ আল্লাহ fyqtlvn vyqtlvn, .¤`¤ শান্তি hqa কোন altvrah valanjyl valqran,বমি Vamady bhdh ডি ঈশ্বর Fastbshrva bbykm কে baytm খুব, vzlk ছিল alfvz তোমার দর্শন লগ করা »
‘‘নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তা‘আলা মু’মিনদের থেকে তাদের জান ও মাল জান্নাতের বিনিময়ে এ শর্তে ক্রয় করেছেন যে, তারা আল্লাহ্ তা‘আলার পথে যুদ্ধ করবে। তারা অন্যকে হত্যা করবে ও নিজে প্রয়োজনে নিহত হবে। এ ব্যাপারে আল্লাহ্ তা‘আলার সত্যিকার ওয়াদা রয়েছে যা তিনি ব্যক্ত করেন তাওরাত, ইন্জীল ও কুর‘আনে। আর কে আছে আল্লাহ্ তা‘আলার চাইতেও বেশি ওয়াদা রক্ষাকারী? অতএব তোমরা আনন্দিত হতে পারো এ ব্যবসা নিয়ে যা তোমরা (আমার সাথে) সম্পাদন করেছো। আর এটিই তো মহা সাফল্য’’। (তাওবাহ্ : ১১১)
আল্লাহ্ তা‘আলা উক্ত যুদ্ধের ঝান্ডা অর্পণ করেছেন মানুষের অন্তরের হাতে এবং তার বিশেষ সহযোগী হিসেবে নির্ধারণ করেছেন নিজ ফিরিশ্তাদেরকে। আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
« উপাদান mqbat ডি সর্বনাশ ydyh আহমেদ khlfh yhfzvnh ডি একনায়ক ঈশ্বর »
‘‘মানুষের জন্য তার সামনে ও পেছনে রয়েছে একের পর এক প্রহরী। তারা আল্লাহ্ তা‘আলার আদেশে মানুষকে রক্ষণাবেক্ষণ করে’’।
(রা’দ্ : ১১)
কুর‘আন মাজীদ এ যুদ্ধে আরো এক বিশেষ সহযোগী। আল্লাহ্ তা‘আলা মু’মিনের শরীর ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সুস্থ রেখে যুদ্ধকে আরো অগ্রসর করেন। জ্ঞান তার পরামর্শদাতা। ঈমান তাকে দৃঢ়পদ করে এবং ধৈর্য শিখায়। আল্লাহ্ তা‘আলার প্রতি তার ইয়াক্বীন ও দৃঢ় বিশ্বাস সত্য উদঘাটনে তাকে আরো সহযোগিতা করে। যার দরুন সে কঠিন বাস্তবতার সম্মুখীন হতে চায়।
চোখ তাকে পর্যবেক্ষণের সহযোগিতা দেয়। কান সংবাদ সংগ্রহের। মুখ অভিব্যক্তির এবং হাত ও পা কর্ম বাস্তবায়নের। সাধারণ ফিরিশ্তারা বিশেষ করে আর্শবাহীরা তার জন্য আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছে। তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানোর দো‘আ করছে। এমনকি আল্লাহ্ তা‘আলা নিজেই সে ব্যক্তি তাঁর অনুগতদের দলভুক্ত বলে তার সার্বিক রক্ষণাবেক্ষণ করছে।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
« وإن جندنا لهم الغالبون »
’’আমার বাহিনীই হবে নিশ্চিতভাবে বিজয়ী’’। (স্বাফ্ফাত : ১৭৩)
আল্লাহ্ তা‘আলা আরো বলেন:
« Vlayk হিযবুত আল্লাহ ব্যতীত যে হিযবুত আল্লাহ সহ almflhvn »
‘‘এরাই আল্লাহ্’র দলের। আর জেনে রাখো, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তা‘আলার দলই সর্বদা সফলকাম হবে’’। (মুজাদালাহ্ : ২২)
মূলতঃ চারটি বিষয়ের প্রতি বিশেষভাবে যত্নবান হলেই উক্ত যুদ্ধে সফলকাম হওয়া সম্ভব। যা আল্লাহ্ তা‘আলা নিম্নোক্ত আয়াতে ব্যক্ত করেছেন।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
« অথবা yha যারা মুমিনদের asbrva vsabrva vrabtva, vatqva ঈশ্বর llkm tflhvn »
‘‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা ধৈর্য ধরো, ধৈর্যের সাথে শত্রুর মুকাবিলা করো, শত্রু আসার পথগুলো সতর্কভাবে পাহারা দাও এবং আল্লাহ্ তা‘আলাকে ভয় করো তবেই তোমরা সফলকাম হবে’’।    (আ’লি ’ইমরা’ন : ২০০)
উক্ত চারটি বিষয়ের কোন একটি বাদ পড়ে গেলে অথবা কারোর নিকট তা গুরুত্বহীন হয়ে পড়লে তার পক্ষে উক্ত যুদ্ধে সফলতা অর্জন করা কখনোই সম্ভবপর হবে না।
অতএব শত্রু ঢোকার বিশেষ পথগুলো তথা অন্তর, চোখ, কান, জিহবা, পেট, হাত ও পা খুব যত্নসহ পাহারা দিতে হবে। যাতে এগুলোর মাধ্যমে শয়তান অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে না পারে।
শয়তান মানুষকে কাবু করার জন্য তার মনের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। কার মন কি কি জিনিস ভালোবাসে সেগুলোর প্রতি সে গুরুত্ব দেয় এবং তাকে সেগুলোর ওয়াদা এবং আশাও দেয়। এমনকি সেগুলোর চিত্রও তার মানসপটে অঙ্কন করে। যা শয়নে স্বপনে সে দেখতে থাকে। যখন তা তার অন্তরে পুরোভাবে বসে যায় তখন সে সেগুলোর প্রতি তার উৎসাহ জাগিয়ে তোলে। আর যখন অন্তর সেগুলো পাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে যায় তখনই শয়তান অন্যান্য পথ তথা চোখ, কান, জিহবা, মুখ, হাত ও পায়ের উপরও জয়ী হয়। আর তখনই তারা তা আর ছাড়তে চায় না। তারা এ পথে অন্যকে আসতে প্রতিরোধ করে। সম্পূর্ণরূপে তাকে প্রতিরোধ না করতে পারলেও একেবারে অন্ততপক্ষে তাকে দুর্বলই করে ছাড়ে। আর তখনই অন্যদের প্রভাব তার উপর আর তেমন কার্যকরী হয় না।
যখন শয়তান কারোর উক্ত পথগুলো কাবু করতে পারে বিশেষ করে চক্ষুকে তখন সে ব্যক্তি কিছু দেখলেও তা থেকে কোন শিক্ষা গ্রহণ করে না। বরং তা মন ভুলানোর জন্যই দেখে। আবার কখনো সে তা থেকে কোন শিক্ষা গ্রহণ করতে চাইলে শয়তান তা দীর্ঘক্ষণ টিকতে দেয় না।
উক্ত পথগুলোর মধ্যে শয়তান চোখকেই বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে। কারণ, এটাই কাউকে পথভ্রষ্ট করার একমাত্র সর্ব বৃহৎ মাধ্যম। শয়তান কোন অবৈধ বস্ত্তকে দেখার জন্য এ যুক্তি প্রদর্শন করে যে, আল্লাহ্ তা‘আলা তো উক্ত বস্ত্তটি দেখার জন্যই সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং তা দেখতে তোমার অসুবিধে কোথায়? কখনো কখনো সে কোন কোন বুযুর্গ প্রকৃতির ব্যক্তিকে তো এভাবেও ধোকা দেয় যে, এ বস্ত্ত আর আল্লাহ্ তা‘আলার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। সবই তো আল্লাহ্। আর যদি সে ব্যক্তি এ কথায় সন্তুষ্ট না থাকে তা হলে শয়তান তাকে এতটুকু পরামর্শ দেয় যে, আল্লাহ্ তা‘আলা বস্ত্তটির মধ্যে ঢুকে আছেন অথবা বস্ত্তটি আল্লাহ্ তা‘আলার মধ্যে ঢুকে আছে। এ কথাগুলো যখন শয়তান কোন বুযুর্গ ব্যক্তিকে বুঝিয়ে দিতে পারে তখন সে তাকে দুনিয়া থেকে বিরাগ ও বেশি বেশি ইবাদাত করতে বলে এবং তারই মাধ্যমে সে অন্যকে গোমরাহ্ করতে শুরু করে।
শয়তান যখন কারোর কানকে কাবু করে ফেলে তখন সে সে পথে এমন কিছু প্রবেশ করতে দেয় না যা তার নেতৃত্বকে খর্ব করবে। বরং সে যাদুকরী ও সুমিষ্ট শব্দে উপস্থাপিত অসত্যকেই তার কানে ঢুকতে দেয় এবং কারোর নিকট এ জাতীয় কথা স্থান পেলে তাকে তা শুনার প্রতি আরো আগ্রহী করে তোলে। তখন এ জাতীয় কথা শুনার প্রতি তার মধ্যে এক ধরনের নেশা জন্ম নেয়। আল্লাহ্ তা‘আলা ও তদীয় রাসূল এবং যে কোন উপদেশদাতার কথা এ পথে আর ঢুকতে দেয়া হয় না। এমনকি কোনভাবে কুর‘আন ও বিশুদ্ধ হাদীসের কথা তার কানে প্রবেশ করলেও তা বুঝা ও তা নিয়ে চিন্তা করা এবং তা কর্তৃক উপদেশ গ্রহণ করার ক্ষেত্রে কঠিন বাধা সৃষ্টি করা হয় এর বিপরীতমুখী চিন্তা তার মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়ে অথবা তা করা কঠিন এবং তা করতে গেলে কঠিন প্রতিরোধের সম্মুখীন হতে হবে এ কথা বলেও তাকে বুঝানো হয়। এ কথাও তাকে বুঝানো হয় যে, এ ব্যাপারটি খুবই সাধারণ। এর চাইতে আরো কতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়ে গেছে যা নিয়ে ব্যস্ত হওয়া আরো দরকার অথবা এ কথা শুনার লোক কোথায়? এ কথা বললে তোমার শত্রু বেড়ে যাবে ইত্যাদি ইত্যাদি। বরং যারা সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করার কাজে নিয়োজিত তাদেরকে হেয় করা এবং তাদের যে কোন দোষ খুঁজে বের করা, তারা বেশি বাড়াবাড়ি করছে বলে আখ্যা দেয়া এবং তারাই একমাত্র এলাকার মধ্যে ফিৎনা-ফ্যাসাদ সৃষ্টি করছে বলেও বুঝানো হয় তথা তাদের কথার অপব্যাখ্যা দেয়া হয়। পরিশেষে কখনো কখনো উক্ত ব্যক্তিই শয়তানের পুরো কাজ হাতে নিয়ে সমাজের অপনেতৃত্ব দিতে থাকে। তখনই শয়তান তার উপর নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়ে উক্ত এলাকা থেকে বিদায় নেয়।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
« Vkzlk jlna দরজা নবী Dva ভূত alans valjn yvhy bzhm শিশু কিছু zkhrf বিশ্বস্ত গর্ব উইলো শাও আপনার পালনকর্তার মা flvh fzrhm vma yftrvn »
‘‘আর এমনিভাবেই আমি প্রত্যেক নবীর জন্য জিন ও মানব বহু শয়তানকে সৃষ্টি করেছি। তারা একে অপরকে কতগুলো মনোমুগ্ধকর ও ধোঁকাপূর্ণ কথা শিক্ষা দেয়। তোমার প্রভুর ইচ্ছে হলে তারা এমন কাজ করতে পারতো না। সুতরাং তুমি তাদেরকে ও তাদের বানানো কথাগুলোকে বর্জন করে চলবে’’। (আন্‘আম : ১১২)
শয়তান কারোর জিহবাকে কাবু করতে পারলে সে এমন কথাই তাকে বলা শেখাবে যা তার শুধু ক্ষতিই সাধন করবে। বরং তাকে যিকির, তিলাওয়াত, ইস্তিগ্ফার এবং অন্যকে সদুপদেশ দেয়া থেকেও সর্বদা বিরত রাখবে।
শয়তান এ ক্ষেত্রে দু’টি ব্যাপারের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। আর তা হচ্ছে অসত্য বলা অথবা সত্য বলা থেকে বিরত থাকা। কারণ, দু’টিই তার জন্য বিশেষ লাভজনক।
শয়তান কখনো এ কৌশল গ্রহণ করে যে, সে কোন ব্যক্তির মুখ দিয়ে একটি অসত্য কথা বলে দেয় এবং শ্রোতার নিকট তা মনোমুগ্ধকর করে তোলে। তখন ধীরে ধীরে তা পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
এরপরই শয়তান মানুষের হাত ও পা কাবু করার চেষ্টা চালায়। যাতে সে ক্ষতিকর বস্ত্তই ধরতে যায় এবং ক্ষতিকর বস্ত্তর দিকেই অগ্রসর হয়।
মানুষের অন্তরকে কাবু করার জন্য বিশেষ করে শয়তান তার কুপ্রবৃত্তির সহযোগিতা নিয়ে থাকে। যাতে তার মধ্যে কখনো ভালোর স্পৃহা জন্ম না নিতে পারে এবং এ ব্যাপারে দু’টি মাধ্যমই ভালো ফল দেয়। আর তা হচ্ছে আল্লাহ্ তা‘আলা ও আখিরাতের ব্যাপারে গাফিলতি এবং প্রবৃত্তির পূজা।
শয়তান মানুষের খারাপ চাহিদা পূরণা©র্থ তাকে সার্বিক সহযোগিতা করে থাকে এবং নিজে না পারলে এ ব্যাপারে অন্য মানব শয়তানেরও সহযোগিতা নেয়। তাতেও তাকে কাবু করা সম্ভব না হলে সে তার রাগ ও উত্তেজনাকর সময়ের অপেক্ষায় থাকে। কারণ, তখন মানুষ নিজের উপর নিজ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। আর তখনই শয়তান তাকে দিয়ে নিজ ইচ্ছানুযায়ী যে কোন কাজ করিয়ে নিতে পারে।
৪৮. গুনাহ্’র কারণে গুনাহ্গার নিজকেই ভুলে যায় যেমনিভাবে আল্লাহ্ তা‘আলাও তাকে ভুলে যান। আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
« ভিলা tkvnva kalzyn nsva ঈশ্বর fansahm NFS · এইচএম, vlyk সহ alfasqvn »
‘‘তোমরা তাদের মতো হয়ো না যারা আল্লাহ্ তা‘আলাকে ভুলে গিয়েছে। যার ফলে আল্লাহ্ তা‘আলা (শুধু তাদেরকেই ভুলে যান নি) বরং তাদেরকে আত্মবিস্মৃত করে দিয়েছেন। এরাই তো সত্যিকার পাপাচারী’’। (হাশ্র : ১৯)
আল্লাহ্ তা‘আলা আরো বলেন:
 « Nsva ঈশ্বর fnsyhm »
‘‘তারা আল্লাহ্ তা‘আলাকে ভুলে গিয়েছে। সুতরাং তিনিও তাদেরকে ভুলে গিয়েছেন’’। (তাওবাহ্ : ৬৭)
আল্লাহ্ তা‘আলা কাউকে ভুলে গেলে তার কল্যাণ চান না যেমনিভাবে কেউ নিজকে ভুলে গেলে তার সুখ, শান্তি ও কল্যাণ সম্পর্কে সে আর ভাবে না। তার নিজের দোষ-ত্রুটিগুলো আর তার চোখে পড়ে না। যার দরুন সে তা সংশোধনও করতে চায় না। এমনকি তার রোগের কথাও সে ভুলে যায়। তাই সে রোগগুলোর চিকিৎসাও করতে চায় না। সুতারাং এর চাইতেও দুর্ভাগা আর কে হতে পারে? তবুও এ জাতীয় মানুষের সংখ্যা আজ অনেক বেশি। তারা দীর্ঘ আখিরাতকে ক্ষণিকের দুনিয়ার পরিবর্তে বিক্রি করে দিয়েছে। সুতরাং তারা সদা সর্বদা ক্ষতি ও লোকসানেরই ভাগী। লাভের নয়।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
« Vlayk যারা ashtrva সিএনএন বিশ্বের balakhrh, উদিত ykhff হয় alzab, ভিলা সিঙ্ক ynsrvn »
‘‘এরাই পরকালের বিনিময়ে পার্থিব জীবনকে ক্রয় করে নিয়েছে। সুতরাং তাদের আযাব আর কম করা হবে না এবং তাদেরকে কোন ধরনের সাহায্যও করা হবে না’’। (বাক্বারাহ্ : ৮৬)
আল্লাহ্ তা‘আলা আরো বলেন:
« মমি rbht tjarthm vma Kano, mhtdyn »
‘‘সুতরাং তাদের বাণিজ্য লাভজনক হয় নি এবং তারা এ ব্যাপারে সঠিক কোন দিক-নির্দেশনাও পায় নি’’। (বাক্বারাহ্ : ১৬)
প্রত্যেকেই নিজ জীবন নিয়ে ব্যবসা করে। তবে তাতে কেউ হয় সফলকাম। আর কেউ হয় ক্ষতিগ্রস্ত।
আবূ মা’লিক আশ্‘আরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
মোট প্রকাশ্য yghdv, fbay মঞ্জুর, fmtqha এস mvbqha ।
‘‘প্রত্যেকেই নিজ জীবনকে কোন কিছুর বিনিময়ে বিক্রি করে। তাতে কেউ নিজ জীবনকে জাহান্নাম থেকে মুক্ত করে নেয়। আর কেউ উহাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়’’। (মুসলিম ২২৩)
ঠিক এরই বিপরীতে বুদ্ধিমানরা আখিরাতকেই গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। তারা নিজের জান ও মালের পরিবর্তে জান্নাত খরিদ করেন। তারা এ দুনিয়ার জীবনটাকে ক্ষণস্থায়ী মনে করেন। তবে কিয়ামতের দিন সবার নিকটই এ কথার সত্যতা সুস্পষ্টরূপে উদ্ভাসিত হবে। দুনিয়ার জীবনটাকে সবার নিকট তখন খুব সামান্যই মনে হবে।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
« থার yhshrhm থেকে লিম ylbsva ডিভাইস অ্যাশলে ডি alnhar ytarfvn bynhm »
‘‘আর তুমি ওদেরকে সে দিনের কথা স্মরণ করিয়ে দাও যে দিন আল্লাহ্ তা‘আলা তাদেরকে একত্রিত করবেন (কিয়ামতের মাঠে) তখন তাদের এমন মনে হবে যে, তারা দুনিয়াতে একটি দিনের কিছু অংশই অবস্থান করেছে এবং তা ছিলো পরস্পর পরিচিত হওয়ার জন্যই’’। (ইউনুস্ : ৪৫)
তবে যারা উক্ত ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্ত তাদের জন্যও আল্লাহ্ তা‘আলার পক্ষ থেকে ক্ষতি পূরণের বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে এবং যারা নিজ জান ও মালের পরিবর্তে জান্নাত খরিদ করতে পারছেন না তাদের জন্যও আরেকটি সুব্যবস্থা তথা সুসংবাদ রয়েছে। যা নিম্নরূপ:
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
« Altaybvn alabdvn alhamdvn alsayhvn alrakvn alsajdvn alamrvn প্রোমোশন valnahvn আল Alwarka valhafzvn lhdvd ঈশ্বর, vbshr কন্যা »
‘‘তারা তাওবাকারী, ইবাদাতগুযার ও আল্লাহ্ তা‘আলার প্রশংসাকারী, রোযাদার, রুকূ’ ও সিজদাহ্কারী, সৎ কাজের আদেশকর্তা ও অসৎ কাজ থেকে বাধা প্রদানকারী এবং আল্লাহ্ তা‘আলার বিধানসমূহের হিফাযতকারী। (হে নবী!) তুমি এ জাতীয় মু’মিনদেরকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও’’। (তাওবাহ্ : ১১২)
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উক্ত পণ্য সংগ্রহের আরেকটি সংক্ষিপ্ত পন্থা বাতলিয়েছেন। আর তা হচ্ছে নিম্নরূপ:
সাহ্ল বিন্ সা’দ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
ডি yzmn লি মেই আন্তর্জাতিক lhyyh vma আন্তর্জাতিক rjlyh zmn উপাদান নন্দনকানন ।
‘‘যে ব্যক্তি আমার জন্য তার দু’ চোয়ালের মধ্যভাগ তথা মুখ এবং দু’ পায়ের মধ্যভাগ তথা লজ্জাস্থান হিফাযতের দায়িত্ব নিবে আমি তার জন্য জান্নাতের দায়িত্ব নেবো’’। (বুখারী ৬৪৭৪)
৪৯. গুনাহ্’র কারণে উপস্থিত নি’য়ামতগুলোও উঠে যায় এবং আসন্ন নি’য়াতগুলোর পথে সমূহ বাধা সৃষ্টি করে। কারণ, আল্লাহ্ তা‘আলার নি’য়ামতগুলো একমাত্র তাঁর আনুগত্যের মাধ্যমেই পাওয়া সম্ভব।
৫০. গুনাহ্’র কারণে ফিরিশ্তারা গুনাহ্গার থেকে অনেক দূরে সরে যায় এবং শয়তান তার অতি নিকটে এসে যায়।
জনৈক বুযুর্গ বলেন: যখন কেউ ঘুম থেকে উঠে তখন শয়তান ও ফিরিশ্তা তার নিকটবর্তী হয়। যখন সে আল্লাহ্ তা‘আলার যিকির, তাঁর প্রশংসা, বড়ত্ব ও একত্ববাদ উচ্চারণ করে তখন ফিরিশ্তা শয়তানকে তাড়িয়ে দিয়ে তার দায়িত্বভার গ্রহণ করে। আর যখন সে এর বিপরীত করে তখন ফিরিশ্তা অনেক দূরে সরে যায় এবং তার দায়িত্ব শয়তানই গ্রহণ করে।
আর ফিরিশ্তা কারোর জীবন সাথী হলে সে তার জীবিতাবস্থায়, মৃত্যুর সময় ও তার পুনরুত্থানের সময় তার সহযোগিতা করে থাকে।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
« যে যারা প্রকৃতপক্ষে আমাদের পালনকর্তা আল্লাহ তারপর astqamva ttnzl maghdube almlaykh যদি না tkhafva, ভিলা thznva, vabshrv baljnh কাদা হয়tvdvn, nhn vlyavkm কোন সিএনএন বিশ্বের vfy alakhrh, vlkm তাতে মা tshthy nfskm, vlkm তাতে মা tdvn, শোষ ডি গফুর মোনা »
‘‘প্রকৃতপক্ষে যারা বলে: আমাদের প্রভু আল্লাহ্। অতঃপর (তাদের স্বীকারোক্তির উপর) তারা অবিচল থাকে তখন ফিরিশ্তারা তাদের নিকট (মৃত্যু ও পুনরুত্থানের সময়) নাযিল হয়ে বলবে: তোমরা ভয় পেয়ো না এবং চিন্তিতও হয়ো না। বরং তোমাদেরকে দুনিয়াতে যে জান্নাতের ওয়াদা দেয়া হয়েছে তা তোমরা পাবে বলে আনন্দিত হতে পারো। আমরাই তোমাদের পরম বন্ধু ও একান্ত সহযোগী দুনিয়ার জীবনেও এবং আখিরাতের জীবনেও। জান্নাতে তোমাদের জন্য রয়েছে তখন যা কিছু তোমাদের মন চাবে তা এবং তাতে রয়েছে তা যার তোমরা ফরমায়েশ করবে। যা অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও দয়ালু আল্লাহ্’র পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য বিশেষ আপ্যায়ন’’। (ফুস্সিলাত/ হা’ মীম আস্ সাজ্দাহ্ : ৩০-৩২)
ফিরিশ্তা কারোর বন্ধু হলে সে তার অন্তরে ভালোর উদ্রেক করবে এবং তার মুখ দিয়ে ভালো কথা উচ্চারণ করাবে। এমনকি তার পক্ষ হয়ে অন্যকে প্রতিরোধ করবে। সে কারোর জন্য তার অলক্ষ্যে দো‘আ করলে ফিরিশ্তারা বলবে: তোমার জন্যও হুবহু তাই হোক। সে নামাযে সূরাহ ফাতিহা পড়ে শেষ করলে ফিরিশ্তারা আমিন বলবে। সে গুনাহ্ করলে ফিরিশ্তারা ইস্তিগ্ফার করবে এবং সে ওযু করে শু’লে ফিরিশ্তা তার শরীরের সাথে লেগেই সেখানে অবস্থান করবে।
৫১. গুনাহ্’র মাধ্যমে গুনাহ্গার নিজেই নিজের ধ্বংসের জন্য সমূহ পথ খুলে দেয়। তখন তার ধ্বংস অনিবার্য হয়ে পড়ে। কারণ, শরীর সুস্থ থাকার জন্য যেমন খাদ্যের প্রয়োজন যা তার শক্তি আনয়ন করে, শরীর থেকে ময়লা নিষ্কাশনের প্রয়োজন যা বেড়ে গেলে শরীর অসুস্থ হয়ে পড়বে এবং সতর্কতা অবলম্বনেরও প্রয়োজন যাতে এমন কিছু শরীর গ্রহণ না করে যাতে সে অসুস্থ হয়ে পড়বে। তেমনিভাবে অন্তরকে সুস্থ ও সজীব রাখার জন্য ঈমান ও নেক আমলের প্রয়োজন যা তার শক্তি বর্ধন করবে, তাওবার মাধ্যমে গুনাহ্’র ময়লাগুলো পরিষ্কার করা প্রয়োজন যাতে অন্তর অসুস্থ হয়ে না পড়ে এবং বিশেষ সতর্কতারও প্রয়োজন যাতে তাকে এমন কিছু আক্রমণ করতে না পারে যা তার ধ্বংসের কারণ হয়। আর গুনাহ্ তো উক্ত বস্ত্তত্রয়ের সম্পূর্ণই বিপরীত। অতএব তার ধ্বংস আসবে না কেন?
গুনাহ্’র উক্ত অপকারগুলো যদি গুনাহ্গারের জন্য গুনাহ্ ছাড়ার ব্যাপারে সহযোগী না হয় তা হলে অবশ্যই তাকে গুনাহ্’র শরীয়ত কর্তৃক নির্ধারিত দুনিয়ার শারীরিক শাস্তিগুলোর কথা ভাবতে হবে। যদিও ইসলামী আইন অনুযায়ী অনেক দেশেই বিচার হচ্ছে না তবুও গুনাহ্গারকে এ কথা অবশ্যই ভাবতে হবে যে, আমি এ গুলো থেকে বেঁচে গেলেও সে শাস্তি পাওয়ার উপযুক্ত তো আমি থেকেই যাচ্ছি এবং আখিরাতের শাস্তি থেকে তো কখনোই নিস্তার পাওয়া সম্ভব নয়।
শরীয়তের শাস্তিগুলো হচ্ছে চুরিতে হাত কাটা, ছিনতাই বা হাইজাক করলে হাত-পা উভয়টিই কেটে ফেলা, নেশাকর বস্ত্ত সেবন করলে অথবা কোন সতী মহিলাকে ব্যভিচারের অপবাদ দিলে বেত্রাঘাত করা, বিবাহিত পুরুষ ও মহিলা ব্যভিচার করলে তাদেরকে পাথর মেরে হত্যা করা, অবিবাহিত হলে একশ’টি বেত্রাঘাত এবং এক বছরের জন্য দেশান্তর, কুফরি কোন কথা বা কাজ করলে, ইচ্ছাকৃত ফরয নামায ছেড়ে দিলে, সমকাম করলে এবং কোন পশুর সাথে যৌন সঙ্গম করলে হত্যা করা ইত্যাদি ইত্যাদি।
গুনাহ্গারকে এ কথাও মনে রাখতে হবে যে, গুনাহ্’র শাস্তি কিছু রয়েছে নির্ধারিত যা উপরে বলা হয়েছে। আর কিছু রয়েছে অনির্ধারিত যা গুনাহ্গারকে এমনকি পুরো জাতিকেও কখনো কখনো ভুগতে হতে পারে এবং তা যে কোন পর্যায়েরই হতে পারে। শারীরিক, মানসিক, অর্থনৈতিক, ইহলৌকিক, পারলৌকিক, ব্যক্তিগত, সামাজিক, জাতীয়, আন্তর্জাতিক, সরাসরি অথবা পরোক্ষ। শাস্তির ব্যাপকতা গুনাহ্’র ব্যাপ্তির উপরই নির্ভরশীল। তবে কেউ শরীয়ত কর্তৃক নির্ধারিত শাস্তি থেকে কোনভাবে বেঁচে গেলেও অন্য শাস্তি থেকে সে অবশ্যই বাঁচতে পারবে না।
কিছু কিছু গুনাহে শারীরিক শাস্তি না থাকলেও তাতে অর্থনৈতিক দন্ড অবশ্যই রয়েছে। যেমন: ইহ্রামরত ও রমযানের রোযা থাকাবস্থায় স্ত্রী সহবাস, ভুলবশত হত্যা, শপথভঙ্গ ইত্যাদি।
এ ছাড়া সামাজিক পর্যায়ের কোন পাপ বন্ধ করার জন্য চাই তা যতই ছোট হোক না কেন প্রশাসক বা বিচারক অপরাধীকে যে কোন শাস্তি দিতে পারেন। তবে এ কথা মনে রাখা প্রয়োজন যে, কোন ব্যাপারে শরীয়ত নির্ধারিত কোন শারীরিক দন্ড বিধি থাকলে তা প্রয়োগ না করে অথবা তা প্রয়োগের পাশাপাশি বিচারকের খেয়ালখুশি মতো অপরাধীর উপর অন্য কোন দন্ড প্রয়োগ করা যাবে না। যা বর্তমান গ্রাম্য বিচারাচারে বিচারক কর্তৃক প্রয়োগ হয়ে থাকে। উল্লেখ্য যে, শরীয়ত নির্ধারিত কোন দন্ড বিধি গ্রাম্য বিচারে প্রয়োগ করা যাবে না। বরং তা একমাত্র প্রশাসক বা তাঁর পক্ষ থেকে নিয়োগকৃত ব্যক্তিই প্রয়োগ করার অধিকার রাখে।
গুনাহ্’র শারীরিক শাস্তি ছাড়াও যে শাস্তিগুলো রয়েছে তম্মধ্যে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো অন্যতম:
ক. গুনাহ্গারের অন্তর ও শ্রবণ শক্তির উপর মোহর মেরে দেয়া, তার অন্তরকে আল্লাহ্ তা‘আলার স্মরণ থেকে গাফিল করে দেয়া, তাকে নিজ স্বার্থের কথাও ভুলিয়ে দেয়া, আল্লাহ্ তা‘আলা তার অন্তরকে পঙ্কিলতামুক্ত করতে না চাওয়া, অন্তরকে সংকীর্ণ করে দেয়া, সত্য থেকে বিমুখ করা ইত্যাদি ইত্যাদি।
খ. আল্লাহ্ তা‘আলার আনুগত্য করা থেকে বিমুখ হওয়া।
গ. গুনাহ্গারের অন্তরকে মূক, বধির ও অন্ধ করে দেয়া। তখন সে সত্য বলতে পারে না এবং তা শুনতে ও দেখতে পায় না।
ঘ. গুনাহ্গারের অন্তরকে নিম্নগামী করে দেয়া। যাতে সে সর্বদা ময়লা ও পঙ্কিলতা নিয়েই ভাবতে থাকে।
ঙ. কল্যাণকর কথা, কাজ ও চরিত্র থেকে দূরে থাকা।
চ. গুনাহ্গারের অন্তরকে পশুর অন্তরে রূপান্তরিত করা। তখন কারো কারোর অন্তর রূপ নেয় শুকর, কুকুর, গাধা ও সাপ-বিচ্ছুর। আবার কারো কারোর অন্তর রূপ নেয় আক্রমণাত্মক পশু, ময়ূর, মোরগ, কবুতর, উট, নেকড়ে বাঘ ও খরগোশের।
ছ. গুনাহ্গারের অন্তরকে সম্পূর্ণরূপে উল্টো করে দেয়া। তখন সে সত্যকে মিথ্যা এবং মিথ্যাকে সত্য, ভালোকে খারাপ এবং খারাপকে ভালো, সংশোধনকে ফাসাদ এবং ফাসাদকে সংশোধন, ভ্রষ্টতাকে হিদায়াত এবং হিদায়াতকে ভ্রষ্টতা, আনুগত্যকে অবাধ্যতা এবং অবাধ্যতাকে আনুগত্য আল্লাহ্’র রাস্তায় বাধা সৃষ্টিকে আহবান এবং আহবানকে বাধা সৃষ্টি মনে করে থাকে।
জ. বান্দাহ্ ও তার প্রভুর মাঝে দুনিয়া ও আখিরাতে আড়াল সৃষ্টি করা।
ঝ. দুনিয়া ও কবরে তার জীবন যাপন কঠিন হয়ে পড়া এবং আখিরাতে শাস্তি ভোগ করা।
গুনাহ্’র পর্যায় ও ফাসাদের ব্যাপকতা এবং সংকীর্ণতার তারতম্যের দরুনই শাস্তির তারতম্য হয়ে থাকে। তাই গুনাহ্’র ধরন ও প্রকারগুলো আমাদের জানা উচিৎ যা নিম্নরূপ:
প্রথমত: গুনাহ্ দু’ প্রকার: আদিষ্ট কাজ না করা এবং নিষিদ্ধ কাজ সম্পাদন করা। এ গুলোর সম্পর্ক কখনো শরীরের সাথে আবার কখনো অন্তরের সাথে হয়ে থাকে। আবার কখনো আল্লাহ্ তা‘আলার অধিকারের সাথে আবার কখনো বান্দাহ্’র অধিকারের সাথে।
অন্য দৃষ্টিকোনে গুনাহ্কে আবার চার ভাগেও বিভক্ত করা যায় যা নিম্নরূপ:
ক. প্রভুত্ব ও কর্তৃত্ব সংক্রান্ত গুনাহ্ তথা যা আল্লাহ্ তা‘আলার জন্য মানায় তা নিজের মধ্যে স্থান দেয়া। যেমন: মহিমা, গর্ব, পরাক্রম, কঠোরতা ও মানুষকে পদানত করা ইত্যাদি। এরই সাথে শির্ক সংশ্লিষ্ট।
খ. ইবলীসি বা শয়তানী গুনাহ্। যেমন: হিংসা, দ্রোহ, ধোঁকা, বিদ্বেষ, বৈরিতা, ষড়যন্ত্র, কূটকৌশল, অন্যকে গুনাহ্’র পরামর্শ দেয়া বা গুনাহ্’র আদেশ করা এবং গুনাহ্কে তার সম্মুখে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা, আল্লাহ্’র আনুগত্য করতে নিষেধ করা বা কোন ইবাদাত অন্যকে নিকৃষ্টভাবে দেখানো, বিদ্‘আত করা বা ইসলামে নব উদ্ভাবন এবং বিদ্‘আত ও পথভ্রষ্টতার দিকে মানুষকে আহবান করা ইত্যাদি।
গ. বাঘ ও সিংহ প্রকৃতির গুনাহ্। যেমন: অত্যাচার, রাগ, অন্যের রক্ত প্রবাহিত করা, দুর্বল ও অক্ষমের উপর চড়াও হওয়া এবং মানুষকে অযথা কষ্ট দেয়া ইত্যাদি।
ঘ. সাধারণ পশু প্রকৃতির গুনাহ্। যেমন: অত্যধিক লোভ, পেট ও লজ্জাস্থানের চাহিদা পূরণে উঠেপড়ে লাগা, ব্যভিচার, চুরি, কৃপণতা, কাপুরুষতা, অস্থিরতা, ইয়াতীমের সম্পদ ভক্ষণ ইত্যাদি ইত্যাদি।
অধিকাংশ মানুষ এ জাতীয় গুনাহে বেশি লিপ্ত হয় এবং এটাই গুনাহ্’র প্রথম সোপান। কারণ, দুর্বল মানুষের সংখ্যাইতো দুনিয়াতে অনেক বেশি।
আল্লাহ্ তা‘আলা আমাদের সকলকে সমূহ নেক কাজ করা ও সমূহ গুনাহ্ থেকে uঁবচে থাকার তাওফীক দান করুন।
আ-মিন ইয়া রাববাল্ আ-লামীন!
৫০. গুনাহ্’র কারণে ফিরিশ্তারা গুনাহ্গার থেকে অনেক দূরে সরে যায় এবং শয়তান তার অতি নিকটে এসে যায়।
জনৈক বুযুর্গ বলেন: যখন কেউ ঘুম থেকে উঠে তখন শয়তান ও ফিরিশ্তা তার নিকটবর্তী হয়। যখন সে আল্লাহ্ তা‘আলার যিকির, তাঁর প্রশংসা, বড়ত্ব ও একত্ববাদ উচ্চারণ করে তখন ফিরিশ্তা শয়তানকে তাড়িয়ে দিয়ে তার দায়িত্বভার গ্রহণ করে। আর যখন সে এর বিপরীত করে তখন ফিরিশ্তা অনেক দূরে সরে যায় এবং তার দায়িত্ব শয়তানই গ্রহণ করে।
আর ফিরিশ্তা কারোর জীবন সাথী হলে সে তার জীবিতাবস্থায়, মৃত্যুর সময় ও তার পুনরুত্থানের সময় তার সহযোগিতা করে থাকে।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
« যে যারা প্রকৃতপক্ষে আমাদের পালনকর্তা আল্লাহ তারপর astqamva ttnzl maghdube almlaykh যদি না tkhafva, ভিলা thznva, vabshrv baljnh কাদা হয়tvdvn, nhn vlyavkm কোন সিএনএন বিশ্বের vfy alakhrh, vlkm তাতে মা tshthy nfskm, vlkm তাতে মা tdvn, শোষ ডি গফুর মোনা »
‘‘প্রকৃতপক্ষে যারা বলে: আমাদের প্রভু আল্লাহ্। অতঃপর (তাদের স্বীকারোক্তির উপর) তারা অবিচল থাকে তখন ফিরিশ্তারা তাদের নিকট (মৃত্যু ও পুনরুত্থানের সময়) নাযিল হয়ে বলবে: তোমরা ভয় পেয়ো না এবং চিন্তিতও হয়ো না। বরং তোমাদেরকে দুনিয়াতে যে জান্নাতের ওয়াদা দেয়া হয়েছে তা তোমরা পাবে বলে আনন্দিত হতে পারো। আমরাই তোমাদের পরম বন্ধু ও একান্ত সহযোগী দুনিয়ার জীবনেও এবং আখিরাতের জীবনেও। জান্নাতে তোমাদের জন্য রয়েছে তখন যা কিছু তোমাদের মন চাবে তা এবং তাতে রয়েছে তা যার তোমরা ফরমায়েশ করবে। যা অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও দয়ালু আল্লাহ্’র পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য বিশেষ আপ্যায়ন’’। (ফুস্সিলাত/ হা’ মীম আস্ সাজ্দাহ্ : ৩০-৩২)
ফিরিশ্তা কারোর বন্ধু হলে সে তার অন্তরে ভালোর উদ্রেক করবে এবং তার মুখ দিয়ে ভালো কথা উচ্চারণ করাবে। এমনকি তার পক্ষ হয়ে অন্যকে প্রতিরোধ করবে। সে কারোর জন্য তার অলক্ষ্যে দো‘আ করলে ফিরিশ্তারা বলবে: তোমার জন্যও হুবহু তাই হোক। সে নামাযে সূরাহ ফাতিহা পড়ে শেষ করলে ফিরিশ্তারা আমিন বলবে। সে গুনাহ্ করলে ফিরিশ্তারা ইস্তিগ্ফার করবে এবং সে ওযু করে শু’লে ফিরিশ্তা তার শরীরের সাথে লেগেই সেখানে অবস্থান করবে।
৫১. গুনাহ্’র মাধ্যমে গুনাহ্গার নিজেই নিজের ধ্বংসের জন্য সমূহ পথ খুলে দেয়। তখন তার ধ্বংস অনিবার্য হয়ে পড়ে। কারণ, শরীর সুস্থ থাকার জন্য যেমন খাদ্যের প্রয়োজন যা তার শক্তি আনয়ন করে, শরীর থেকে ময়লা নিষ্কাশনের প্রয়োজন যা বেড়ে গেলে শরীর অসুস্থ হয়ে পড়বে এবং সতর্কতা অবলম্বনেরও প্রয়োজন যাতে এমন কিছু শরীর গ্রহণ না করে যাতে সে অসুস্থ হয়ে পড়বে। তেমনিভাবে অন্তরকে সুস্থ ও সজীব রাখার জন্য ঈমান ও নেক আমলের প্রয়োজন যা তার শক্তি বর্ধন করবে, তাওবার মাধ্যমে গুনাহ্’র ময়লাগুলো পরিষ্কার করা প্রয়োজন যাতে অন্তর অসুস্থ হয়ে না পড়ে এবং বিশেষ সতর্কতারও প্রয়োজন যাতে তাকে এমন কিছু আক্রমণ করতে না পারে যা তার ধ্বংসের কারণ হয়। আর গুনাহ্ তো উক্ত বস্ত্তত্রয়ের সম্পূর্ণই বিপরীত। অতএব তার ধ্বংস আসবে না কেন?
গুনাহ্’র উক্ত অপকারগুলো যদি গুনাহ্গারের জন্য গুনাহ্ ছাড়ার ব্যাপারে সহযোগী না হয় তা হলে অবশ্যই তাকে গুনাহ্’র শরীয়ত কর্তৃক নির্ধারিত দুনিয়ার শারীরিক শাস্তিগুলোর কথা ভাবতে হবে। যদিও ইসলামী আইন অনুযায়ী অনেক দেশেই বিচার হচ্ছে না তবুও গুনাহ্গারকে এ কথা অবশ্যই ভাবতে হবে যে, আমি এ গুলো থেকে বেঁচে গেলেও সে শাস্তি পাওয়ার উপযুক্ত তো আমি থেকেই যাচ্ছি এবং আখিরাতের শাস্তি থেকে তো কখনোই নিস্তার পাওয়া সম্ভব নয়।
শরীয়তের শাস্তিগুলো হচ্ছে চুরিতে হাত কাটা, ছিনতাই বা হাইজাক করলে হাত-পা উভয়টিই কেটে ফেলা, নেশাকর বস্ত্ত সেবন করলে অথবা কোন সতী মহিলাকে ব্যভিচারের অপবাদ দিলে বেত্রাঘাত করা, বিবাহিত পুরুষ ও মহিলা ব্যভিচার করলে তাদেরকে পাথর মেরে হত্যা করা, অবিবাহিত হলে একশ’টি বেত্রাঘাত এবং এক বছরের জন্য দেশান্তর, কুফরি কোন কথা বা কাজ করলে, ইচ্ছাকৃত ফরয নামায ছেড়ে দিলে, সমকাম করলে এবং কোন পশুর সাথে যৌন সঙ্গম করলে হত্যা করা ইত্যাদি ইত্যাদি।
গুনাহ্গারকে এ কথাও মনে রাখতে হবে যে, গুনাহ্’র শাস্তি কিছু রয়েছে নির্ধারিত যা উপরে বলা হয়েছে। আর কিছু রয়েছে অনির্ধারিত যা গুনাহ্গারকে এমনকি পুরো জাতিকেও কখনো কখনো ভুগতে হতে পারে এবং তা যে কোন পর্যায়েরই হতে পারে। শারীরিক, মানসিক, অর্থনৈতিক, ইহলৌকিক, পারলৌকিক, ব্যক্তিগত, সামাজিক, জাতীয়, আন্তর্জাতিক, সরাসরি অথবা পরোক্ষ। শাস্তির ব্যাপকতা গুনাহ্’র ব্যাপ্তির উপরই নির্ভরশীল। তবে কেউ শরীয়ত কর্তৃক নির্ধারিত শাস্তি থেকে কোনভাবে বেঁচে গেলেও অন্য শাস্তি থেকে সে অবশ্যই বাঁচতে পারবে না।
কিছু কিছু গুনাহে শারীরিক শাস্তি না থাকলেও তাতে অর্থনৈতিক দন্ড অবশ্যই রয়েছে। যেমন: ইহ্রামরত ও রমযানের রোযা থাকাবস্থায় স্ত্রী সহবাস, ভুলবশত হত্যা, শপথভঙ্গ ইত্যাদি।
এ ছাড়া সামাজিক পর্যায়ের কোন পাপ বন্ধ করার জন্য চাই তা যতই ছোট হোক না কেন প্রশাসক বা বিচারক অপরাধীকে যে কোন শাস্তি দিতে পারেন। তবে এ কথা মনে রাখা প্রয়োজন যে, কোন ব্যাপারে শরীয়ত নির্ধারিত কোন শারীরিক দন্ড বিধি থাকলে তা প্রয়োগ না করে অথবা তা প্রয়োগের পাশাপাশি বিচারকের খেয়ালখুশি মতো অপরাধীর উপর অন্য কোন দন্ড প্রয়োগ করা যাবে না। যা বর্তমান গ্রাম্য বিচারাচারে বিচারক কর্তৃক প্রয়োগ হয়ে থাকে। উল্লেখ্য যে, শরীয়ত নির্ধারিত কোন দন্ড বিধি গ্রাম্য বিচারে প্রয়োগ করা যাবে না। বরং তা একমাত্র প্রশাসক বা তাঁর পক্ষ থেকে নিয়োগকৃত ব্যক্তিই প্রয়োগ করার অধিকার রাখে।
গুনাহ্’র শারীরিক শাস্তি ছাড়াও যে শাস্তিগুলো রয়েছে তম্মধ্যে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো অন্যতম:
ক. গুনাহ্গারের অন্তর ও শ্রবণ শক্তির উপর মোহর মেরে দেয়া, তার অন্তরকে আল্লাহ্ তা‘আলার স্মরণ থেকে গাফিল করে দেয়া, তাকে নিজ স্বার্থের কথাও ভুলিয়ে দেয়া, আল্লাহ্ তা‘আলা তার অন্তরকে পঙ্কিলতামুক্ত করতে না চাওয়া, অন্তরকে সংকীর্ণ করে দেয়া, সত্য থেকে বিমুখ করা ইত্যাদি ইত্যাদি।
খ. আল্লাহ্ তা‘আলার আনুগত্য করা থেকে বিমুখ হওয়া।
গ. গুনাহ্গারের অন্তরকে মূক, বধির ও অন্ধ করে দেয়া। তখন সে সত্য বলতে পারে না এবং তা শুনতে ও দেখতে পায় না।
ঘ. গুনাহ্গারের অন্তরকে নিম্নগামী করে দেয়া। যাতে সে সর্বদা ময়লা ও পঙ্কিলতা নিয়েই ভাবতে থাকে।
ঙ. কল্যাণকর কথা, কাজ ও চরিত্র থেকে দূরে থাকা।
চ. গুনাহ্গারের অন্তরকে পশুর অন্তরে রূপান্তরিত করা। তখন কারো কারোর অন্তর রূপ নেয় শুকর, কুকুর, গাধা ও সাপ-বিচ্ছুর। আবার কারো কারোর অন্তর রূপ নেয় আক্রমণাত্মক পশু, ময়ূর, মোরগ, কবুতর, উট, নেকড়ে বাঘ ও খরগোশের।
ছ. গুনাহ্গারের অন্তরকে সম্পূর্ণরূপে উল্টো করে দেয়া। তখন সে সত্যকে মিথ্যা এবং মিথ্যাকে সত্য, ভালোকে খারাপ এবং খারাপকে ভালো, সংশোধনকে ফাসাদ এবং ফাসাদকে সংশোধন, ভ্রষ্টতাকে হিদায়াত এবং হিদায়াতকে ভ্রষ্টতা, আনুগত্যকে অবাধ্যতা এবং অবাধ্যতাকে আনুগত্য আল্লাহ্’র রাস্তায় বাধা সৃষ্টিকে আহবান এবং আহবানকে বাধা সৃষ্টি মনে করে থাকে।
জ. বান্দাহ্ ও তার প্রভুর মাঝে দুনিয়া ও আখিরাতে আড়াল সৃষ্টি করা।
ঝ. দুনিয়া ও কবরে তার জীবন যাপন কঠিন হয়ে পড়া এবং আখিরাতে শাস্তি ভোগ করা।
গুনাহ্’র পর্যায় ও ফাসাদের ব্যাপকতা এবং সংকীর্ণতার তারতম্যের দরুনই শাস্তির তারতম্য হয়ে থাকে। তাই গুনাহ্’র ধরন ও প্রকারগুলো আমাদের জানা উচিৎ যা নিম্নরূপ:
প্রথমত: গুনাহ্ দু’ প্রকার: আদিষ্ট কাজ না করা এবং নিষিদ্ধ কাজ সম্পাদন করা। এ গুলোর সম্পর্ক কখনো শরীরের সাথে আবার কখনো অন্তরের সাথে হয়ে থাকে। আবার কখনো আল্লাহ্ তা‘আলার অধিকারের সাথে আবার কখনো বান্দাহ্’র অধিকারের সাথে।
অন্য দৃষ্টিকোনে গুনাহ্কে আবার চার ভাগেও বিভক্ত করা যায় যা নিম্নরূপ:
ক. প্রভুত্ব ও কর্তৃত্ব সংক্রান্ত গুনাহ্ তথা যা আল্লাহ্ তা‘আলার জন্য মানায় তা নিজের মধ্যে স্থান দেয়া। যেমন: মহিমা, গর্ব, পরাক্রম, কঠোরতা ও মানুষকে পদানত করা ইত্যাদি। এরই সাথে শির্ক সংশ্লিষ্ট।
খ. ইবলীসি বা শয়তানী গুনাহ্। যেমন: হিংসা, দ্রোহ, ধোঁকা, বিদ্বেষ, বৈরিতা, ষড়যন্ত্র, কূটকৌশল, অন্যকে গুনাহ্’র পরামর্শ দেয়া বা গুনাহ্’র আদেশ করা এবং গুনাহ্কে তার সম্মুখে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা, আল্লাহ্’র আনুগত্য করতে নিষেধ করা বা কোন ইবাদাত অন্যকে নিকৃষ্টভাবে দেখানো, বিদ্‘আত করা বা ইসলামে নব উদ্ভাবন এবং বিদ্‘আত ও পথভ্রষ্টতার দিকে মানুষকে আহবান করা ইত্যাদি।
গ. বাঘ ও সিংহ প্রকৃতির গুনাহ্। যেমন: অত্যাচার, রাগ, অন্যের রক্ত প্রবাহিত করা, দুর্বল ও অক্ষমের উপর চড়াও হওয়া এবং মানুষকে অযথা কষ্ট দেয়া ইত্যাদি।
ঘ. সাধারণ পশু প্রকৃতির গুনাহ্। যেমন: অত্যধিক লোভ, পেট ও লজ্জাস্থানের চাহিদা পূরণে উঠেপড়ে লাগা, ব্যভিচার, চুরি, কৃপণতা, কাপুরুষতা, অস্থিরতা, ইয়াতীমের সম্পদ ভক্ষণ ইত্যাদি ইত্যাদি।
অধিকাংশ মানুষ এ জাতীয় গুনাহে বেশি লিপ্ত হয় এবং এটাই গুনাহ্’র প্রথম সোপান। কারণ, দুর্বল মানুষের সংখ্যাইতো দুনিয়াতে অনেক বেশি।
আল্লাহ্ তা‘আলা আমাদের সকলকে সমূহ নেক কাজ করা ও সমূহ গুনাহ্ থেকে uঁবচে থাকার তাওফীক দান করুন।
আ-মিন ইয়া রাববাল্ আ-লামীন!


Desktop Site