এসো হাদিস পড়ি ?

এসো হাদিস পড়ি ?

হাদিস অনলাইন ?

গৃহপালিত পশুর যাকাত ফরয হওয়ার দলীল


বিভিন্ন প্রকার পশুর মধ্যে আল্লাহ তা‘আলা কেবলমাত্র بهيمة الأنعام তথা উট, গরু ও ছাগলের যাকাত ফরয করেছেন। মহিষ গরুর অন্তর্ভুক্ত এবং ভেড়া ও দুম্বা ছাগলের অন্তর্ভুক্ত। হাদীছে এসেছে,

আবূ যার বললেন: আল্লাহর রাসূল, শান্তি একজন মানুষ, যিনি উটের বা গরু বা ভেড়া অধিকার না শুধুমাত্র নেতৃত্ব কেয়ামতের দিন সর্বশ্রেষ্ঠ Osmonh, Ttah Bokhvaffha এবং Tntha শিং, আরো greenlit সর্বশেষ প্রথম দ্বারা গৃহীত হচ্ছে হতে, এমনকি মধ্যে ব্যয় করা হয় দ্বারা সঙ্ঘটিত ​​হিসেবে তাকেই দায়ী করা হবে ব্যবহারে

আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, প্রত্যেক উট, গরু ও ছাগলের অধিকারী ব্যক্তি যে তার যাকাত আদায় করবে না, নিশ্চয়ই ক্বিয়ামতের দিন তাদেরকে আনা হবে বিরাটকায় ও অতি মোটাতাজা অবস্থায়। তারা দলে দলে তাকে মাড়াতে থাকবে তাদের ক্ষুর দ্বারা এবং মারতে থাকবে তাদের শিং দ্বারা। যখনই তাদের শেষ দল অতিক্রম করবে, পুনরায় প্রথম দল এসে তার সাথে এরূপ করতে থাকবে, যাবৎ না মানুষের বিচার ফায়ছালা শেষ হয়ে যায়।[1]

গৃহপালিত পশুর যাকাত ফরয হওয়ার শর্তসমূহ


(ক) নিছাব পরিমাণ হওয়া : গৃহপালিত পশুর যাকাত ফরয হওয়ার জন্য ইসলামী শরী‘আত কর্তৃক নির্ধারিত নিছাব সংখ্যক পশুর মালিক হতে হবে। আর তা হল, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা ৪০ টি, গরু ৩০ টি এবং উট ৫ টি। উল্লিখিত সংখ্যা হতে কম হলে তার উপর যাকাত ফরয নয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন,

ليس فما دون خمس ذلك صدقة من الإبل-

‘পাঁচের কম সংখ্যক উটের যাকাত নেই।[1]  অন্য হাদীছে এসেছে,

মু'আদ ইবনে জাবাল কর্তৃক আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে ইয়েমেনে পাঠিয়েছিলেন এবং আমাকে প্রতি চল্লিশ বছর এবং প্রতি ত্রিশ বৎসর থেকে এবং তাদের বিক্রি করার জন্য গরু নেওয়ার আদেশ দিয়েছিলেন।

মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যখন আমাকে ইয়ামানের উদ্দেশ্যে পাঠালেন, তখন তিনি আমাকে নির্দেশ দিলেন, গরুর যাকাতে প্রত্যেক চল্লিশটিতে একটি ‘মুসিন্নাহ’ (দু’বছর অতিক্রম করে তৃতীয় বছরে পদার্পণকারী গরু) এবং প্রত্যেক ত্রিশটিতে একটি ‘তাবী’ অথবা ‘তাবী‘আহ্’ (এক বছর অতিক্রম করে দ্বিতীয় বছরে পদার্পণকারী গরু) গ্রহণ করবে।[2]

অন্যত্র রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন,

فإذا كانت سائمة الرجل غيرصة من أربعين شاء واحدة فليس فيها صدقة-

‘কারো গৃহপালিত ছাগলের সংখ্যা চল্লিশ হতে একটিও কম হলে তার উপর যাকাত নেই’।[3]

(খ) পূর্ণ এক চন্দ্র বছর মালিকানায় থাকা : হাদীছে এসেছে,

এ কথা বলা হয়েছে যে, আয়েশা (রা।) বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর কাছে শুনেছি যে,

আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, ‘পূর্ণ এক বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত সম্পদের যাকাত নেই’।[4]

তবে গৃহপালিত পশুর বাচচা তার মায়ের হিসাবের অন্তর্ভুক্ত হবে। অর্থাৎ বছরে একবার গৃহপালিত পশুর যাকাত আদায় করা হবে। আর আদায়ের সময় বাচ্চা মায়ের হিসাবের অন্তর্ভুক্ত হবে।

(গ) ‘সায়েমা’ তথা বিচরণশীল হতে হবে : যে পশু বছরের অধিকাংশ সময় নিজেই বিচরণ করে খাদ্য গ্রহণ করে তাকে সায়েমা বলা হয়। অতএব বছরের অধিকাংশ সময় মালিক নিজে খাদ্য সংগ্রহ করে পশুকে খাওয়ালে সে পশুর উপর যাকাত ফরয নয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন,

وفي صدقة الغنم في سائمتها إذا كانت أربعين إلى عشرين ومائة شاة-

‘বিচরণশীল ছাগলের যাকাতে চল্লিশটি হতে একশত বিশটি পর্যন্ত একটি ছাগল।[5] তিনি অন্যত্র বলেন,

রাসূল (সা।) -

‘বিচরণশীল প্রত্যেক চল্লিশটি উটে একটি বিনতু লাবুন (দু’বছর অতিক্রম করে তৃতীয় বছরে পদার্পণকারী উট)।[6]

গৃহপালিত পশুর যাকাত আদায়ের নিয়ম


গৃহপালিত পশুর যাকাত আদায়ের নিয়ম সম্পর্কে হাদীছে এসেছে,

আনাস যে আবু বকর রা হতে পারে এই বইয়ের তাকে লিখেছিলেন কারণ বাহরাইন, ঈশ্বর পরম করুনাময় এই দাতব্য অধ্যাদেশ যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আরোপ, শান্তি তাকে এবং মুসলিম, যা আল্লাহ তা'আলা তাঁর রসূলের আদেশ ওয়া সাল্লাম হয় নাম তার মুখ, এটা তার মুখ Vlietha উপর Silha মুসলমানদের, এবং জিজ্ঞাসা উপরে চব্বিশ উট বা তার কম, ভেড়া এ, প্রতি পাঁচ ভেড়া দিতে হবে না যদি এটা পঁচিশ ই ছুঁয়েছে জেড যেখানে একটি মহিলা প্রচেষ্টার মধ্য, যদি একত্রিশ ছয় পৌঁছেছেন পঁয়তাল্লিশ মেয়ে বন যেখানে একটি মহিলা, যদি ছেচল্লিশ পৌঁছে ষাট থেকে পঁয়ত্রিশ মেয়ে যেখানে পরবর্তী নম্র বাক্য, যদি এক পঁচাত্তর থেকে ষাট পৌঁছে Ffyha jzh, faza blght মাধ্যমে বিরক্তি vsbyn স্মার্ট tsyn ffyha লাবনী কারণ, faza blght Ahadi থেকে স্মার্ট panas vmayh ffyha hqtan trvqta aljml, faza zadt আলী panas vmayh ffy আগামীকাল rbyn বুনট লাবনীরে জিগাইলাম, vfy আগামীকাল kmsyn hqh, বমি নবী সাঃ MH ডিভাইস বুধবার sur alabl vtsyn sdqh তাতে পালায়, সে বলল, নিশ্চয় rbha, faza blght khmsa ডি alabl ffyha টেক্কা, vfy sdqh গণি Hehehe কোন saymtha কান্ত টেক্কা vmayh স্মার্ট panas rbyn, faza zadt আলী panas vmayh maytyn shatan স্মার্ট, স্মার্ট আলী maytyn slasmayh ffyha SLAs, faza zadt আলী slasmayh ffy আগামীকাল টেক্কা মুখ zadt faza, faza কান্ত saymh alrjl

আবূ বকর (রাঃ) আনাস (রাঃ)-কে বাহরাইনের উদ্দেশ্যে প্রেরণকালে গৃহপালিত পশুর যাকাত আদায়ের নিয়ম সম্পর্কে তাঁকে লিখে দিয়েছিলেন যে, ২৪টি ও তার চেয়ে কম সংখ্যক উটের যাকাত ছাগল দ্বারা আদায় করবে। প্রত্যেক ৫টি উটে ১টি ছাগল এবং উটের সংখ্যা ২৫টি হতে ৩৫টি পর্যন্ত হলে ১টি মাদী বিনতু মাখায। ৩৬টি হতে ৪৫টি পর্যন্ত ১টি মাদী বিনতু লাবূন। ৪৬টি হতে ৬০টি পর্যন্ত ১টি হিক্কাহ। ৬১ টি হতে ৭৫টি পর্যন্ত ১টি জায‘আহ্। ৭৬টি হতে ৯০টি পর্যন্ত ২টি বিনতু লাবূন। ৯১টি হতে ১২০টি পর্যন্ত ২টি হিক্কাহ। আর ১২০ টির বেশী হলে অতিরিক্ত প্রতি ৪০ টিতে ১টি করে বিনতু লাবূন এবং অতিরিক্ত প্রতি ৫০ টিতে ১টি করে হিক্কাহ। যার ৪ টির বেশী উট নেই, তার উপর কোন যাকাত নেই। তবে মালিক স্বেচ্ছায় কিছু দিতে চাইলে দিতে পারবে। কিন্তু যখন ৫ টিতে পৌঁছবে তখন তার উপর ১টি ছাগল যাকাত দেওয়া ওয়াজিব।

আর ছাগলের ক্ষেত্রে গৃহপালিত ছাগল ৪০টি হতে ১২০টি পর্যন্ত ১টি ছাগল। এর বেশী হলে ২০০টি পর্যন্ত ২টি ছাগল। ২০০-এর অধিক হলে ৩০০টি পর্যন্ত ৩টি ছাগল। ৩০০-এর অধিক হলে প্রতি ১০০ টিতে ১টি করে ছাগল যাকাত দিবে। কারো গৃহপালিত ছাগলের সংখ্যা ৪০টি হতে ১টিও কম হলে তার উপর যাকাত নেই। তবে স্বেচ্ছায় দান করতে চাইলে করতে পারে’।[1]

উপরোক্ত হাদীছ সহ আরো অন্যান্য হাদীছের আলোকে উট, গরু ও ছাগলের যাকাত পৃথকভাবে ছকের মাধ্যমে দেখানো হল।

ছাগলের যাকাত


নিম্নের ছকে ছাগলের যাকাতের নিছাব, সংখ্যা ও যাকাতের পরিমাণ বর্ণনা করা হল :

নিছাব

সংখ্যা

যাকাতের পরিমাণ

৪০ টি

(এর কম হলে যাকাত ফরয নয়)।

থেকে

পর্যন্ত

40

1২0

১ টি ছাগল

1২1

২00

২ টি ছাগল

২01

300

৩ টি ছাগল

বি : দ্র : এর পরে প্রত্যেক একশত ছাগলে একটি করে ছাগল যাকাত দিতে হবে।

উটের যাকাত


নিম্নের ছকে উটের যাকাতের নিছাব, সংখ্যা ও যাকাতের পরিমাণ বর্ণনা করা হল :

নিছাব

সংখ্যা

যাকাতের পরিমাণ

 

 

৫ টি

(এর কম হলে যাকাত ফরয নয়)।

থেকে

পর্যন্ত

5

9

১ টি ছাগল

10

14

২ টি ছাগল

15

19

৩ টি ছাগল

২0

২4

৪ টি ছাগল

২5

35

বিনতু মাখায (দ্বিতীয় বছরে পদার্পণকারী উষ্ট্রি)

36

45

বিনতু লাবূন (তৃতীয় বছরে পদার্পণকারী উষ্ট্রি)

46

60

হিক্কাহ্ (চতুর্থ বছরে পদার্পণকারী উষ্ট্রি)

61

75

জায‘আহ্ (পঞ্চম বছরে পদার্পণকারী উষ্ট্রি)

76

90

২টি বিনতু লাবূন

91

1২0

২ টি হিক্কাহ্

বি : দ্র : উটের সংখ্যা ১২০ টির বেশী হলে প্রত্যেক ৪০ টিতে একটি বিনতু লাবূন এবং প্রত্যেক ৫০ টিতে একটি হিক্কাহ যাকাত দিবে। যা নিম্নে ছকের মাধমে দেখানো হল :

 

সংখ্যা

যাকাতের পরিমাণ

থেকে

পর্যন্ত

1২1

1২9

৩ টি বিনতু লাবূন

130

139

১ টি হিক্কাহ ও ২ টি বিনতু লাবূন

140

149

২ টি হিক্কাহ ও ১ টি বিনতু লাবূন

150

159

৩ টি হিক্কাহ

160

169

৪ টি বিনতু লাবূন

170

179

৩ টি বিনতু লাবূন ও ১ টি হিক্কাহ

180

189

২ টি হিক্কাহ ও ২ টি বিনতু লাবূন

190

199

৩ টি হিক্কাহ ও ১ টি বিনতু লাবূন

২00

২09

৪ টি হিক্কাহ ও ৫ টি বিনতু লাবূন

গৃহপালিত পশুর যাকাত আদায়ে কতিপয় লক্ষণীয় বিষয়


গৃহপালিত পশুর মালিক যাকাত বাবদ যা দিবে এবং যাকাত আদায়কারী যা গ্রহণ করবে, তাতে নিম্নোক্ত বিষয়গুলির প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক।

(ক) দোষ-ত্রুটি মুক্ত হওয়া : রোগ মুক্ত পশু থাকতে রোগাক্রান্ত, অঙ্গহীন, জীর্ণশীর্ণ পশু যা ক্রয়-বিক্রয়ে অযোগ্য এবং যা দ্বারা কুরবানী বৈধ নয়, এমন পশু দ্বারা যাকাত আদায় করা জায়েয নয়। এরূপ বিধান এই জন্য যে, ত্রুটিযুক্ত পশু গ্রহণ করা হলে তাতে দরিদ্র লোকদের ক্ষতি সাধিত হবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

নাকি যারা মুমিনদের nfqva ডি yha tybat মা ksbtm vmma আমাদের khrjna ভিলা ডি পৃথিবী tymmva alkhbys কার্ট tnfqvn vlstm bakhzyh ডিভাইস তাদের huhusay valmva tghmzva আল্লাহ hmyd- সমৃদ্ধ

‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা সবীয় উপার্জন থেকে এবং যা আমি তোমাদের জন্যে ভূমি থেকে উৎপন্ন করেছি, তা থেকে উৎকৃষ্ট বস্ত্ত ব্যয় কর (যাকাত দাও) এবং তা থেকে নিকৃষ্ট জিনিস ব্যয় করতে মনস্থ করো না। কেননা তা তোমরা কখনও গ্রহণ করবে না; তবে যদি তোমরা চোখ বন্ধ করে নিয়ে নাও। জেনে রেখো, আল্লাহ অভাবমুক্ত, প্রশংসিত’ (বাক্বারাহ ২/২৬৭)

রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন,

SLAs ডি flhn অভাব TM TM ইমান আব্দুল্লাহ HMI vanh দে লা ইল্লা vaty জাকাত আল্লাহ ভিলা ভিলা ভিলা aldrnh almryzh alshrt allyymh উইলকিনসন ভিলা ডি মাঝামাঝি mvalkm ভন লিম ysalkm ঈশ্বর khyrh vlm yamrkm bshrh- alhrmh malh tybh দেউলিয়া শান্তি rafdh মোট স্বাভাবিক yty মঞ্জুর

‘তিন ধরনের লোক যারা এরূপ করবে, তারা পরিপূর্ণ ঈমানের স্বাদ গ্রহণ করবে- যে ব্যক্তি কেবলমাত্র আল্লাহর ইবাদতে রত থাকে এবং স্বীকার করে যে, আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য ইলাহ নেই; যে ব্যক্তি পত্যেক বছর তার মালের যাকাত হিসাবে উত্তম মাল প্রদান করে এবং বৃদ্ধ বয়সের, রোগগ্রস্ত, ত্রুটিপূর্ণ, নিকৃষ্ট মাল প্রদান করে না, বরং মধ্যম মানের মাল প্রদান করে। আল্লাহ তোমাদের নিকট তোমাদের উত্তম মাল চান না এবং নিকৃষ্ট মাল প্রদান করতেও নির্দেশ দেননি’।[1]

(খ) শরী‘আত কর্তৃক নির্ধারিত বয়সের হওয়া : হাদীছে যে বয়সের পশু দ্বারা যাকাত আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ঠিক সেই বয়সের পশু দ্বারাই যাকাত আদায় করতে হবে। কেননা এর চেয়ে কম বয়সের পশু গ্রহণ করা হলে তাতে গরীবদের হক নষ্ট ও ক্ষতি সাধিত হয়। আর বেশী বয়সের নেওয়া হলে পশুর মালিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অতএব মালিকের নিকট শরী‘আত নির্দিষ্ট বয়সের পশু না থাকলে তার নিকট বিদ্যমান পশু দ্বারাই যাকাত আদায় করবে। তবে ক্ষতিপূরণ স্বরূপ সাথে দু’টি ছাগল অথবা ২০ দিরহাম দিবে।

হাদীছে এসেছে,

আনাস থেকে, আল্লাহ্ তার উপর সন্তুষ্ট যে আবু বকর রা হতে পারে হতে পারে তার যাকাত লিখেছিলেন যে, আল্লাহ আদেশ তাঁর রসূল, শান্তি পৌঁছে তাকে উট দাতব্য Aljzah না সে তার শরীর এবং তিনি করেছেন একজন সত্যিকারের, তারা এটা সত্য গ্রহণ এবং এটা তোলে Shatin যে Astasarta তাকে বিশ দিরহাম থেকে তার প্রতি কিছু হতে , এবং যিনি সত্যের দাতব্য সম্পত্তিতে পৌঁছেছেন এবং কোন অধিকার এবং ট্রাঙ্ক আছে, তারা ট্রাঙ্ক গ্রহণ, এবং তাকে স্তন্যপান দিতে এস বিশ দিরহাম বা দুটি ভেড়া, এবং তিনি সত্য দাতব্য পৌঁছেছে এবং শুধুমাত্র বন একটি মেয়ে, তারা বন থেকে মেয়ে থেকে স্বীকার করেছে এবং দুটি ভেড়া বা বিশ দিরহাম দান করেছেন এবং দাতব্য মেয়ে বন টাকা এবং আছে একটি সত্য, তারা এটা সত্য গ্রহণ

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, আবূ বকর (রাঃ) তাঁর কাছে আল্লাহ তাঁর রাসূল (ছাঃ)-কে যাকাত সম্পর্কে যে বিধান দিয়েছেন তা লিখে পাঠান : যে ব্যক্তির উপর উটের যাকাত হিসাবে জায‘আহ্ (পঞ্চম বছরে পদার্পণকারী উষ্ট্রি) ফরয হয়েছে, অথচ তার নিকট জায‘আহ্ নেই বরং তার নিকট হিক্কাহ্ (চতুর্থ বছরে পদার্পণকারী উষ্ট্রি) রয়েছে, তখন হিক্কাহ্ গ্রহণ করা হবে। এর সাথে সম্ভব হলে  (ক্ষতিপূরণ স্বরূপ) দু’টি ছাগল দিবে অথবা ২০ দিরহাম দিবে। আর যার উপর যাকাত হিসাবে হিক্কাহ্ ফরয হয়েছে, অথচ তার কাছে হিক্কাহ্ নেই বরং জায‘আহ্ রয়েছে তখন তার নিকট হতে জায‘আহ্ গ্রহণ করা হবে। আর যাকাত আদায়কারী (ক্ষতিপূরণ স্বরূপ) মালিককে ২০ দিরহাম অথবা দু’টি ছাগল দিবে। যার উপর হিক্কাহ্ ফরয হয়েছে, অথচ তার নিকট বিনতু লাবূন (তৃতীয় বছরে পদার্পণকারী উষ্ট্রি) রয়েছে, তখন বিনতু লাবূনই গ্রহণ করা হবে। তবে মালিক দু’টি ছাগল অথবা ২০ দিরহাম দিবে। আর যার উপর বিনতু লাবূন ফরয হয়েছে, কিন্তু তার কাছে হিক্কাহ্ রয়েছে, তখন তার নিকট হতে হিক্কাহ্ গ্রহণ করা হবে এবং আদায়কারী মালিককে ২০ দিরহাম অথবা দু’টি ছাগল দিবে। আর যার উপর বিনতু লাবূন ফরয হয়েছে, কিন্তু তার নিকটে বিনতু মাখায (দ্বিতীয় বছরে পদার্পণকারী উষ্ট্রি) রয়েছে, তবে তার নিকট থেকে তাই গ্রহণ করা হবে, অবশ্য মালিক এর সঙ্গে ২০ দিরহাম অথবা দু’টি ছাগল দিবে’।[2]

(গ) পশু মধ্যম মানের হওয়া : অতীব উত্তম পশু বাছাই করে গ্রহণ করা যাকাত আদায়কারীদের জন্য যেমন জায়েয নয়, তেমনি জায়েয নয় অতীব নিকৃষ্ট পশু গ্রহণ করা। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ)-কে ইয়ামানের শাসক নিয়োগ করে পাঠানোর সময় বলেছিলেন,

Fakhbrhm আল্লাহ লম্বা টাস্ক maghdube sdqh tvkhz ডি ghnyayhm ftrd আলী fqrayhm, ভন সিঙ্ক আউটলুক tava bzlk fayak vkraym mvalhm, vatq আমন্ত্রিত almzlvm, fanh সজ্জিত স্মাইলি ঈশ্বর hjab-  

‘তুমি তাদেরকে বলবে যে, আল্লাহ তাদের উপর ছাদাক্বাহ্ (যাকাত) ফরয করেছেন- যা তাদের ধনীদের নিকট হতে গ্রহণ করা হবে এবং তাদের গরীবদের মাঝে বণ্টন করা হবে। তোমার এ কথা যদি তারা মেনে নেয়, তবে কেবল তাদের উত্তম মাল থেকে গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকবে এবং মাযলূমের বদদো‘আকে ভয় করবে। কেননা তার (বদদো‘আ) এবং আল্লাহর মাঝে কোন পর্দা থাকে না’।[3]

নিছাব পরিমাণ পশুর মালিক একাধিক হলে যাকাত আদায়ের হুকুম


যদি একাধিক ব্যক্তি তাদের পশুগুলোকে একত্রিত করে এক সঙ্গে পালন করে থাকে। যেমন একজনের ২০ টি ছাগল এবং অপর জনের ২০ টি ছাগল মোট ৪০ টি ছাগল এক সঙ্গে পালন করা হয়। এমতাবস্থায় উভয় মালিকের পৃথক পৃথক নিছাব গণনা করা হবে, না উভয়ে এক নিছাবের অন্তর্ভুক্ত হবে? এক্ষেত্রে ছহীহ মত হল, তারা এক নিছাবের অন্তর্ভুক্ত হবে। অর্থাৎ ৪০ টি ছাগলের মালিক একাধিক হলেও তাদেরকে যাকাত হিসাবে ১ টি ছাগল দিতে হবে।

হাদীছে এসেছে,

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, হযরত আবু বকর (রা।

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যাকাত সম্পর্কে যে বিধান দিয়েছেন তা আবূবকর (রাঃ) তাঁর কাছে লিখে পাঠান, ‘যাকাত দেওয়ার ভয়ে বিচ্ছিন্ন প্রাণীগুলোকে একত্রিত করা যাবে না এবং একত্রিতগুলোকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না’।[1]

তবে একাধিক মালিকের পশু এক নিছাবের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য নিম্নে বর্ণিত শর্তসমূহ অবশ্য পূরণীয়। তা হল,

(ক) সকল মালিককে মুসলিম, স্বাধীন ও পশুর পূর্ণ মালিক হতে হবে। (খ) একাধিক মালিকের মিশ্রিত পশু নিছাব পরিমাণ হতে হবে। (গ) একাধিক মালিকের মিশ্রিত পশু একসঙ্গে পূর্ণ এক বছর পালিত হতে হবে। (ঘ) পাঁচটি বিষয়ে একজনের পশু অন্যজনের পশু থেকে আলাদা হবে না। যেমন-

(১) الفحل তথা একই এড়ে অথবা পাঠা দিয়ে গর্ভধারণ করানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

(২) المسرح তথা একাধিক মালিকের মিশ্রিত সকল পশুর একই সময়ে চারণভূমিতে চরাতে হবে।

(৩) المرعى তথা একাধিক মালিকের মিশ্রিত সকল পশুর চারণভূমি একই হতে হবে।

(৪) المحلب তথা একাধিক মালিকের সকল পশুর দুগ্ধ দোহনের স্থান একই হতে হবে।

(৫) المراح তথা একাধিক মালিকের মিশ্রিত সকল পশুর রাত্রি যাপনের স্থান একই হতে হবে।

উপরোল্লিখিত শর্তসমূহ না থাকলে তারা এক নিছাবের অন্তর্ভুক্ত হবে না। বরং প্রত্যেক মালিকের পৃথক পৃথক নিছাব ধরে যাকাত আদায় করতে হবে।[2]

গাড়ী চালানো অথবা জমি চাষের কাজে নিয়োজিত পশুর যাকাতের বিধান


গাড়ী চালানো অথবা জমি চাষের কাজে নিয়োজিত পশু যত বেশীই হোক না কেন তার যাকাত দিতে হবে না। হাদীছে এসেছে,

আলী ইবনে আবু তালিব, আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হতে পারে নবী শান্তি যে উপরে তাকে, সবজি দাতব্য নেই কিংবা খয়রাত কিংবা নগ্ন কম পাঁচ wasqs সদকা কিংবা খয়রাত কারণের মধ্যে কিংবা খয়রাত সামনে ফ্যালকন বলেছেন ঘোড়া সামনে, খচ্চর এবং Alobeid-

আলী ইবনু আবি ত্বালেব (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী (ছাঃ) বলেছেন, শাক-শব্জিতে যাকাত নেই, আরিয়াতে[1] যাকাত নেই, পাঁচ ওসাকের কমে যাকাত নেই, কাজে নিয়োজিত পশুতে যাকাত নেই এবং যাবহাতেও যাকাত নেই। সাকার বলেন, জাবহা অর্থ হল, ঘোড়া, খচ্ছর এবং দাস-দাসী।[2]

মহিষের যাকাত আদায়ের হুকুম


মহিষ ও গরু একই জাতবিশিষ্ট পশু এতে সকল বিদ্বান ঐক্যমত পোষণ করেছেন। হাসান (রাঃ) বলেন, ‘মহিষ গরুর স্থলাভিষিক্ত’।[1] অতএব নিছাব পরিমাণ গরুর মালিকের উপর যেমন যাকাত ফরয, তেমনি নিছাব পরিমাণ মহিষের মালিকের উপরেও যাকাত ফরয। আর গরু ও মহিষের নিছাব একই।

ঘোড়ার যাকাত আদায়ের হুকুম


কুরআন ও ছহীহ হাদীছ দ্বারা যেসব পুশুর যাকাত আদায় করা ফরয সাব্যস্ত হয়েছে, ঘোড়া তার অন্তর্ভূক্ত নয়। এছাড়াও রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ঘোড়ার যাকাত আদায় করতে হবে না বলে উল্লেখ করেছেন। হাদীছে এসেছে,

হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তাঁর ক্রীতদাসে অথবা তাঁর ঘোড়াতে কোন মুসলমান নেই।

আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) এরশাদ করেন, ‘মুসলমানদের উপর তাদের গোলাম ও ঘোড়ার যাকাত নেই’।[1]

অন্যত্র রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘শাক-শব্জিতে যাকাত নেই, আরিয়াতে[2] যাকাত নেই, পাঁচ ওসাকের কমে যাকাত নেই, কাজে নিয়োজিত পশুতে যাকাত নেই এবং যাবহাতেও যাকাত নেই। সাকার বলেন, জাবহা অর্থ হল, ঘোড়া, খচ্ছর এবং দাস-দাসী।[3]

উল্লেখ্য যে, প্রত্যেক ঘোড়ার ১ দ্বীনার অথবা ২০ দিরহাম যাকাত দিতে হবে বলে যে হাদীছ রয়েছে তা যঈফ।[4]

পেজ ন্যাভিগেশন

সর্বমোটঃ  11 টি বিষয় দেখান হচ্ছে।

Desktop Site