এসো হাদিস পড়ি ?

এসো হাদিস পড়ি ?

হাদিস অনলাইন ?


১. ঘুম থেকে জেগে উঠার সময়ের যিক্‌রসমূহ


1 (1) " আল্লাহ মা Amato পর কে রেনেসাঁ, valyh alnshvr প্রশংসা » ।
2. (2) « লা লা ঈশ্বর HMI অংশীদার উপাদান, উপাদান মুলক vlh প্রশংসা ইল্লা, জিনিষ আলী খান, সুবহানাল্লাহ, আল্লাহ valhmd, ভিলা ঈশ্বর ইল্লা আল্লাহ আকবর, cxinvali হূল ভিলা ভিলা ডিভাইস চাহিদা Nisā'ī ballh তোমার দর্শন লগ করা » « প্রভু aghfir লি » ।
3- (3) " আল্লাহ্র প্রশংসা হোক যিনি আমার দেহে আমাকে উদ্ধার করেছেন, আমার প্রাণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং আমাকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন । "
4. (4)) একটি একটি শব্দ কোন পৃথিবী সৃষ্টি vakhtlaf verdy valnhar Laval alalbab 190 আনতে ؁ dhalzyn yzkrvn ঈশ্বর কুচি কুচি করিয়া কাটা vqvda vly jnvbhm vytfkrvn একটি শব্দ কোন সৃষ্টি পৃথিবী .আমি মা সৃষ্টি NDOSH মিথ্যা আগুন sbhnk শাস্তি fqna 191 ؁ rbna কালি ডি tdkhl অভাব আগুন সর্বশক্তিমান, করুণাময়, আনসারী 1 9 ২, এবং হযরত রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমএনএ ڰ vtvfna 193 ؁ rbna বাতান্বয়ন মা আবরার আলী rslk vdtna alqymh কালি লা ভিলা tkhzna সঙ্গে rabbanā faghfr লিনা znvbna মাস এবং কুফর রাজনীতি পিছিয়ে মেয়াদ অভিযুক্ত ؁ fastjab 194 lhm rbhm পরিবর্তন abirun দে লা azy প্রক্রিয়া ফ্যাক্টর ওহ ansy উল্লিখিত কিছু যন্ত্রণাদায়ক ডি falzyn hajrva vakhrjva ডি dyarhm vavzva অনুরোধে vqtlva vqtlva lakfrn স্বর্গের syathm vladkhlnhm পর্যালোচনা ডি ththa alanhr ডি আল্লাহকে ভয় কর পুরস্কৃত pJI Nasri হাসান alsvab 195 ؁ লা রূপান্তর যারা শামস 196 কাফের ছোট এ অনুষদে ধারনকারী প্রতি yghrnk খুশী তৃতীয় থান্ডার, 197, আকাশ ও পৃথিবীর দুনিয়া। ক্যালেন্ডার ডি ththa alanhr khldyn তথায় শোষ ডি ভয় আল্লাহকে ভয় কর খায়ের আল্লাহ vma 198 llabrar ؁ ভ্যান ডি সক্ষম করে vma vma alykm alyhm khshyn আল্লাহর নির্দেশনা Booklist আসন yvmn ballh নির্দেশিকা আল্লাহ Bayt সংক্ষিপ্ত smna yshtrvn আনব
ফুটনোটঃ[1] বুখারী ফাতহুল বারী ১১/১১৩, নং ৬৩১৪; মুসলিম ৪/২০৮৩, নং ২৭১১।
[2] যে ব্যক্তি তা বলবে তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে। যদি সে দো‘আ করে, তবে তার দো‘আ কবুল হবে। যদি সে উঠে ওযু করে নামায পড়ে, তবে তার নামায কবুল করা হবে। বুখারী: ফাতহুল বারী, ৩/৩৯, নং ১১৫৪। হাদীসের ভাষ্য ইবন মাজাহ এর অনুরূপ। দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ্‌: ২/৩৩৫।
[3] তিরমিযী ৫/৪৭৩, নং ৩৪০১। দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৪৪।
[4] সূরা আলে ইমরান ১৯০-২০০; বুখারী, ফাতহুল বারীসহ ৮/৩৩৭, নং ৪৫৬৯; মুসলিম ১/৫৩০, নং ২৫৬।
 হিসনুল মুসলিম ঘুম ও বিবিধ ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
২৮. ঘুমানোর যিক্‌রসমূহ


99- (1) ঈশ্বর রহমান রহিম ছিল ۝) QL ۝ আল্লাহ আল্লাহ আহাদ সামাদ ۝ লিম kadınım সদস্যদের vlm তন্ন তন্ন পয়দা করা ۝ vlm সাঃ উপাদান kufuwan ۝ (দু'বার,
বিসমিল্লাহ রহমান রহিম ۝) QL মন্দ মা ۝ নৈতিক মন্দ আহমেদ আহমেদ থেকে ফালাক ۝ ghasq hehehe vqb ۝ মন্দ alqd ۝ আহমেদ কোন মন্দ ঈর্ষান্বিত দ্বেষ ۝ alnfst (hehehe,
বিসমিল্লাহ রহমান রহিম ۝) মন্দ থেকে মানুষ alvsvas সদস্যদের alkhnas ۝ কে রাষ্ট্রপ্রধান কোন পাবলিক ۝ ডি নন্দনকানন valnas yvsvs সাধারণ জনগণের ۝ টি BRB ۝ QL A'oodhu ۝ দেশ ۝ (
100- (2)) আল্লাহ Zeke কাইয়ুম ফাং ভিলা সেন্ট নমকে লা takhzh উপাদান মা vma একটি শব্দ ইল্লা আনয়ন করেন কোন ছাপ ডি যক কে pJI yshf যদি না baznh ylm কথা চিন্তা কর aydyhm vma khlfhm ভিলা ডি lmh যদি না yhytvn bshy ' বিসমিল্লাহ যা করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিসগুলির মধ্যে একটি।
(3) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আমি পরম করুণাময়, দয়ালু, পরম দয়ালু, পরমজ্ঞানী।" এটা আমার প্রেম এবং আমার ভালবাসা এবং আপনার জন্য আমার ভালবাসা ভিলা করুন, আমি তোমাকে নেকড়ে, নেকড়ে, সিংহ, নেকড়ে, দুনিয়ার প্রভুকে নিয়ে আসব।
102- (4) « basmk রাব্বী vzt junub, vbk rfh, ভন নিজেকে farhmha mskt, ভ্যান rsltha fahfzha না, এমন badk সুরক্ষা Saaliheen » ।
103- (5) « হে wab'athhu সৃষ্টি মানসিক লে tvfaha, আউটলুক mmatha vmhyaha, এটা hyytha fahfzha, ভ্যান mtha elimde faghfr। হে alafyh salk পরিবর্তন » ।
104- (6) « হে qny zabk দিন TBS badk » ।
105- (7) « basmk মৃত্যু vahya হে » ।
106- (8) « আল্লাহ (slasa vslasyn) আল্লাহ (slasa vslasyn) Nasri আকবর (হেলেন vslasyn valhmd »
107- (9) « হে পালনকর্তা alsb পৃথিবী orb, Orb আরশ, rabbanā অক্ষিগোলক জিনিস, falq valnvy প্রেম, vmnzl altvrah valanjyl, valfrqan alsmvat, ক্ষুধার্ত অন্ত্র মন্দ জিনিস bnasyth থেকে প্রাপ্ত চাইতে। হে ইসলাম আউয়াল qblk সবকিছু, পালায় পালায় কার্যধারা জিনিস Paso লে, লে alzahr fvqk সবকিছু পালায়, লে আল-Baatin শাব্দ জিনিস পালায়, aqz মাস দিন vaghnna ডি Faqr » ।
108- (10) " আল্লাহ যিনি usqana ধন্যবাদ প্রদান, fana তোমার দর্শন লগ করা ك, uauana, চ ك মি mmn যথেষ্ট তাঁকে ভিলা লা mwuy প্রশংসা» ।
109- (11) « হে মিলওয়াকি অদেখা valshhadh আয়াত উড়ন্ত, প্রভু vmlyk · জ জিনিস, তার সূচক ইল্লা অন্ত্র এনে মন্দ থেকে মানসিক ক্ষুধা চাওয়া, শয়তানের করছেন vshrk অনিষ্ট · জ বমি, ভ্যান qtrf আলী মানসিক sv'a, ওহ স্মার্ট jrh মুসলিম » ।
111- (13) « হে slmt মানসিক আমেরিকার হরিণবিশেষ, আমেরিকার হরিণবিশেষ vfvzt আমরি, vvjht আমেরিকার হরিণবিশেষ বয়কট, zhry আমেরিকার হরিণবিশেষ valjat, আমেরিকার হরিণবিশেষ চালনা করা vrhbh, লা ভিলা mlja mnja mink ডিভাইস আমেরিকার হরিণবিশেষ, Aamantu bktabk nzlt কে কে vbnbyk rslt » ।
ফুটনোটঃ[1] বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ৯/৬২, নং ৫০১৭; মুসলিম ৪/১৭২৩, নং ২১৯২।
[2] সূরা আল-বাকারাহ্‌-২৫৫। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: ‘যে কেউ যখন রাতে আপন বিছানায় যাবে এবং ‘আয়াতুল কুরসী’ পড়বে, তখন সে রাতের পুরো সময় আল্লাহর পক্ষ থেকে তার জন্য হেফাযতকারী থাকবে; আর সকাল হওয়া পর্যন্ত শয়তান তার নিকটেও আসতে পারবে না’। বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ), ৪/৪৮৭, নং ২৩১১।
[3] সূরা আল-বাকারা ২৮৫-২৮৬। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: যে ব্যক্তি রাতের বেলা সূরা বাকারার শেষ দুটি আয়াত পড়বে, তা তার জন্য যথেষ্ট হবে। বুখারী, ফাতহুল বারীসহ, ৯/৯৪, ৪০০৮; মুসলিম ১/৫৫৪, নং ৮০৭।
[4] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: ‘তোমাদের কোনো ব্যক্তি তার বিছানা ত্যাগ করলো, আবার ঘুমাতে ফিরে এলো সে যেনো তার চাদর বা লুঙ্গির আঁচল দিয়ে তিনবার বিছানাটি ঝেড়ে নেয়। আর যেন সে বিসমিল্লাহ পড়ে, (আল্লাহর নাম নেয়); কেননা সে জানে না যে, তার চলে যাবার পর এতে কী পতিত হয়েছে। তারপর সে যখন শোয়, তখন যেনো এ দো‘আটি বলে। (হাদীসে বর্ণিত صنفة إزاره শব্দের অর্থ হচ্ছে, চাদরের পার্শ্বদিকস্থ অংশ। এর জন্য দেখুন, নিহায়া ফী গারিবিল হাদীস ওয়াল আসার’ ‘صنف’।)
[5] বুখারী, ফাতহুল বারীসহ ১১/১২৬, নং ৬৩২০; মুসলিম ৪/২০৮৪, নং ২৭১৪।
[6] মুসলিম ৪/২০৮৩, নং ২৭১২; আহমাদ, তাঁর শব্দে ২/৭৯, নং ৫৫০২।
[7] “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ঘুমানোর ইচ্ছা করতেন তখন তাঁর ডান হাত তাঁর গালের নীচে রাখতেন, তারপর এ দো‘আটি বলতেন।”
[8] আবূ দাউদ, শব্দ তাঁরই, ৪/৩১১, নং ৫০৪৫; তিরমিযী, নং ৩৩৯৮; আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৪৩; সহীহ আবী দাঊদ, ৩/২৪০।
[9] বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ১১/১১৩, নং ৬৩২৪; মুসলিম ৪/২০৮৩, নং ২৭১১।
[10] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলী এবং ফতেমাকে বলেন: আমি কি তোমাদেরকে এমন কিছু বলে দিবো না যা তোমাদের জন্য খাদেম অপেক্ষাও উত্তম হবে? যখন তোমরা তোমাদের বিছানায় যাবে, তখন তোমরা দু’জনে ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদু লিল্লাহ, এবং ৩৪ বার বলবে, যা তা খাদেম অপেক্ষাও তোমাদের জন্য উত্তম হবে’’। বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ৭/৭১, নং ৩৭০৫; মুসলিম ৪/২০৯১, নং ২৭২৬।
[11] মুসলিম ৪/২০৮৪, নং ২৭১৩।
[12] মুসলিম ৪/২০৮৫, নং ২৭১৫।
[13] আবূ দাউদ, ৪/৩১৭, নং ৫০৬৭; তিরমিযী, নং ৩৬২৯; আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৪২।
[14] রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূরা সাজদা এবং সূরা মুলক না পড়ে ঘুমাতেন না। তিরমিযী, নং ৩৪০৪; নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ, নং ৭০৭। আরও দেখুন, সহীহুল জামে‘ ৪/২৫৫।
[15] রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যখন তুমি বিছানা গ্রহণ করবে, তখন নামাযের মত ওযু করবে, তারপর তোমার ডান পার্শ্বদেশে শুয়ে পড়বে। তারপর বল, ..... আল-হাদীস।
[16] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাকে এ দো‘আটি শিক্ষা দিলেন, তাকে বলেন: যদি তুমি ঐ রাতে মারা যাও তবে ‘ফিতরাত’ তথা দীন ইসলামের উপর মারা গেলে। বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ১১/১১৩, নং ৬৩১৩; মুসলিম ৪/২০৮১, নং ২৭১০।
 হিসনুল মুসলিম ঘুম ও বিবিধ ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
২৯. রাতে যখন পার্শ্ব পরিবর্তন করে তখন পড়ার দো‘আ112- « লা ইল্লা ওয়াহিদ ঈশ্বর alqhar, bynhma আজিজ গাফফার প্রভু আয়াত vma » ।
ফুটনোটঃ[1] আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে যখন বিছানায় পার্শ্ব পরিবর্তন করতেন তখন তা বলতেন। হাদীসটি সংকলন করেছেন, হাকেম এবং তিনি তা সহীহ বলেছেন, আর ইমাম যাহাবী তাকে সমর্থন করেছেন, ১/৫৪০; নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল্লাইলা, নং ২০২; ইবনুস সুন্নী, নং ৭৫৭। আরও দেখুন, সহীহুল জামে‘ ৪/২১৩।
 হিসনুল মুসলিম ঘুম ও বিবিধ ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৩০. ঘুমন্ত অবস্থায় ভয় এবং একাকিত্বের অস্বস্তিতে পড়ার দো‘আ
ফুটনোটঃ[1] আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে যখন বিছানায় পার্শ্ব পরিবর্তন করতেন তখন তা বলতেন। হাদীসটি সংকলন করেছেন, হাকেম এবং তিনি তা সহীহ বলেছেন, আর ইমাম যাহাবী তাকে সমর্থন করেছেন, ১/৫৪০; নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল্লাইলা, নং ২০২; ইবনুস সুন্নী, নং ৭৫৭। আরও দেখুন, সহীহুল জামে‘ ৪/২১৩।
 হিসনুল মুসলিম ঘুম ও বিবিধ ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৩০. ঘুমন্ত অবস্থায় ভয় এবং একাকিত্বের অস্বস্তিতে পড়ার দো‘আ113- « ঈশ্বর দো'আ ডি ghzbh vqabh শব্দ, পক্ষাবলম্বন badh চাওয়া, বমি ছাই- Shayateen ভ্যান hmzat yhzrvn » ।

ফুটনোটঃ[1] আবূ দাঊদ ৪/১২, নং ৩৮৯৩; তিরমিযী, নং ৩৫২৮। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ৩/১৭১।
 হিসনুল মুসলিম ঘুম ও বিবিধ ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৩১. খারাপ স্বপ্ন বা দুঃস্বপ্ন দেখে যা করবে

ফুটনোটঃ[1] আবূ দাঊদ ৪/১২, নং ৩৮৯৩; তিরমিযী, নং ৩৫২৮। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ৩/১৭১।
 হিসনুল মুসলিম ঘুম ও বিবিধ ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৩১. খারাপ স্বপ্ন বা দুঃস্বপ্ন দেখে যা করবে(২) “শয়তান থেকে এবং যা দেখেছে তার অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইবে প্রার্থনা করবে।” (৩ বার)[2]
(৩) “কাউকে এ ব্যাপারে কিছু বলবে না।”[3]
(৪) “অতঃপর যে পার্শ্বে সে ঘুমিয়েছিল তা পরিবর্তন করবে।”[4]
(৫) “যদি ইচ্ছা করে তবে উঠে সালাত আদায় করবে।” [5]
ফুটনোটঃ[1] মুসলিম, ৪/১৭৭২, নং ২২৬১।
[2] মুসলিম, ৪/১৭৭২, ১৭৭৩, নং ২২৬১, ২২৬২।
[3] মুসলিম, ৪/১৭৭২, নং ২২৬১ ও নং ২২৬৩।
[4] মুসলিম, ৪/১৭৭৩, নং ২২৬১।
[5] মুসলিম ৪/১৭৭৩, নং ২২৬৩।
 হিসনুল মুসলিম ঘুম ও বিবিধ ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
১১১. রাতের বেলায় কুকুরের ডাক শুনলে দো‘আ
(৩) “কাউকে এ ব্যাপারে কিছু বলবে না।”[3]
(৪) “অতঃপর যে পার্শ্বে সে ঘুমিয়েছিল তা পরিবর্তন করবে।”[4]
(৫) “যদি ইচ্ছা করে তবে উঠে সালাত আদায় করবে।” [5]
ফুটনোটঃ[1] মুসলিম, ৪/১৭৭২, নং ২২৬১।
[2] মুসলিম, ৪/১৭৭২, ১৭৭৩, নং ২২৬১, ২২৬২।
[3] মুসলিম, ৪/১৭৭২, নং ২২৬১ ও নং ২২৬৩।
[4] মুসলিম, ৪/১৭৭৩, নং ২২৬১।
[5] মুসলিম ৪/১৭৭৩, নং ২২৬৩।
 হিসনুল মুসলিম ঘুম ও বিবিধ ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
১১১. রাতের বেলায় কুকুরের ডাক শুনলে দো‘আ
ফুটনোটঃ[1] আবূ দাঊদ ৪/৩২৭, নং ৫১০৫; আহমাদ ৩/৩০৬, নং ১৪২৮৩। আর শাইখ আলবানী একে সহীহ আবি দাউদে ৩/৯৬১, সহীহ বলেছেন।

(আলহামদু লিল্লা-হিল্লাযী আহ্ইয়া-না- বাদা মা- আমা-তানা- ওয়া ইলাইহিন্ নুশূর)

১-(১) “হামদ-প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য, যিনি (নিদ্রারূপ) মৃত্যুর পর আমাদেরকে জীবিত করলেন, আর তাঁরই নিকট সকলের পুনরুত্থান”[1]।

(লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্‌দাহূ লা- শারীকালাহূ, লাহুল মুলকু, ওয়ালাহুল হামদু, ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শায়ইন ক্বাদীর। সুবহা-নাল্লাহি, ওয়ালহামদু লিল্লাহি, ওয়া লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়াল্লা-হু আকবারওয়া লা- হাওলা ওয়ালা- কুওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হিল ‘আলিয়্যিল ‘আযীম, রাব্বিগফির লী)।

২-(২) “একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই; রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসাও তাঁরই; আর তিনি সকল কিছুর ওপর ক্ষমতাবান। আল্লাহ পবিত্র-মহান। সকল হামদ-প্রশংসা আল্লাহ্‌র। আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আল্লাহ সবচেয়ে বড়। সুউচ্চ সুমহান আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি কারো নেই। হে রব্ব ! আমাকে ক্ষমা করুন”।[2]

(আল্‌হামদু লিল্লা-হিল্লাযী ‘আ-ফা-নী ফী জাসাদী, ওয়ারদ্দা ‘আলাইয়্যা রূহী ওয়া আযিনা লী বিযিকরিহী)

৩-(৩) “সকল হামদ-প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য, যিনি আমার দেহকে নিরাপদ করেছেন, আমার রূহকে আমার নিকট ফেরত দিয়েছেন এবং আমাকে তাঁর যিক্‌র করার অনুমতি (সুযোগ) দিয়েছেন”[3]।

(ইন্না ফী খলকিস্ সামাওয়াতি ওয়াল আরদি ওয়াখতিলা-ফিল লাইলি ওয়ান্নাহা-রি লাআয়া-তিল্ লিউলিল্ আলবা-ব। আল্লাযীনা ইয়াযকুরূনাল্লাহা কিয়া-মাও ওয়াকুউদাঁও ওয়াআলা জুনূবিহিম ওয়াইয়াতাফাক্কারূনা ফী খলকিস্ সামাওয়াতি ওয়াল আরদিরববানা মা খালাকতা হাযা বা-তিলানসুবহানাকা ফাকিনা আযা-বান্ নার। রববানা ইন্নাকা মান তুদখিলিন্ না-রা ফাকাদ আখযাইতাহুওয়ামা লিয্যালিমীনা মিন আনসা-র। রববানা ইন্নানা সামিনা মুনাদিইয়াইয়্যুনা-দী লিলঈমানি আন্ আ-মিনু বিরব্বিকুম ফাআ--মান্না। রব্বানা ফাগফির লানা যুনূবানা ওয়াকাফফির আন্না সায়্যিআ-তিনা ওয়া তাওয়াফ্‌ফানা মা‘আল আবরা-র। রববানা ওয়া আতিনা মা ওয়াআদতানা আলা রুসুলিকা ওয়ালা তুখযিনা ইয়াওমাল কিয়া-মাতিইন্নাকা লা তুখলিফুল মীআদ। ফাস্তাজাবা লাহুম রববুহুম আন্নী লা উদী‘উ আমালা আমিলিম মিনকুম মিন যাকারিন ওয়া উনসা বা‘দুকুম মিন বা‘দ, ফাল্লাযীনা হা-জারূ ওয়া উখরিজূ মিন দিয়ারিহিম ওয়া ঊ-যূ ফী সাবীলী ওয়া কা-তালু ওয়া কু-তিলু লাউকাফফিরান্না আনহুম সায়্যিআ-তিহিম ওয়ালাউদখিলান্নাহুম জান্না-তিন তাজরী মিন তাহ-তিহাল আনহারুছাওয়া-বাম্ মিন ইনদিল্লাহিওয়াল্লা-হু ইনদাহু হুসনুছ ছাওয়া-ব। লা ইয়াগুররান্নাকা তাকল্লুবুল্লাযীনা কাফারূ ফিল্ বিলা-দ। মাতা‘উন কালীলুন ছুম্মা মাওয়াহুম জাহান্নামু ওয়া বিসাল মিহা-দ। লা-কিনিল্লাযীনাত্তাকাও রববাহুম লাহুম জান্না-তুন তাজরী মিন তাহতিহাল আনহারু খা-লিদ্বীনা ফীহা নুযুলাম্ মিন ইনদিল্লাহি ওয়ামা ইনদাল্লাহি খাইরুল লিল্ আবরার। ওয়াইন্না মিন আহলিল কিতাবি লামইয়ূমিনু বিল্লাহি ওয়ামা উনযিলা ইলাইকুম ওয়ামা উনযিলা ইলাইহিম খা-শিঈনা লিল্লা-হি লা ইয়াশতারূনা বিআ-য়া-তিল্লাহি ছামানান্ কালীলা। উলা-ইকা লাহুম আজরুহুম ইনদা রববিহিম। ইন্নাল্লাহা সারী‘উল হিসাব। ইয়া আয়্যুহাল্লাযীনা আমানুসবিরূ ওয়াসা-বিরূ ওয়া রা-বিতু ওয়াত্তাকুল্লাহা লা‘আল্লাকুম তুফলিহুন)।

4- (4) নিশ্চয় আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টিতে, রাত ও দিনের পরিবর্তনে নিদর্শনাবলী রয়েছে বোধশক্তি সম্পন্ন লোকদের জন্য। যারা দাঁড়িয়ে, বসে ও শুয়ে আল্লাহ্‌র স্মরণ করে এবং আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টি সম্বন্ধে চিন্তা করে, আর বলে, ‘হে আমাদের রব! আপনি এগুলো অনর্থক সৃষ্টি করেননি, আপনি অত্যন্ত পবিত্র, অতএব আপনি আমাদেরকে আগুনের শাস্তি হতে রক্ষা করুন।’ ‘হে আমাদের রব! আপনি কাউকেও আগুনে নিক্ষেপ করলে তাকে তো আপনি নিশ্চয়ই হেয় করলেন এবং যালেমদের কোন সাহায্যকারী নেই।’ ‘হে আমাদের রব, আমরা এক আহ্বায়ককে ঈমানের দিকে আহ্বান করতে শুনেছি, ‘তোমরা তোমাদের রবের উপর ঈমান আন।’ কাজেই আমরা ঈমান এনেছি। হে আমাদের রব! আপনি আমাদের পাপরাশি ক্ষমা করুন, আমাদের মন্দ কাজগুলো দূরীভূত করুন এবং আমাদেরকে সৎকর্মপরায়ণদের সহগামী করে মৃত্যু দিন। ‘হে আমাদের রব! আপনার রাসূলগণের মাধ্যমে আমাদেরকে যা দিতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা আমাদেরকে দান করুন এবং কেয়ামতের দিন আমাদেরকে হেয় করবেন না। নিশ্চয় আপনি প্রতিশ্রুতির ব্যতিক্রম করেন না।’ তারপর তাদের রব তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে বলেন, ‘নিশ্চয় আমি তোমাদের মধ্যে আমলকারী কোনো নর বা নারীর আমল বিফল করি না; তোমরা একে অপরের অংশ। কাজেই যারা হিজরত করেছে, নিজ ঘর থেকে উৎখাত হয়েছে, আমার পথে নির্যাতিত হয়েছে এবং যুদ্ধ করেছে ও নিহত হয়েছে আমি তাদের পাপ কাজগুলো অবশ্যই দূর করব এবং অবশ্যই তাদেরকে প্রবেশ করাব জান্নাতে, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত। এটা আল্লাহ্‌র কাছ থেকে পুরস্কার; আর উত্তম পুরস্কার আল্লাহ্‌রই কাছে রয়েছে। যারা কুফরী করেছে, দেশে দেশে তাদের অবাধ বিচরণ যেন কিছুতেই আপনাকে বিভ্রান্ত না করে। এ তো স্বল্পকালীন ভোগ মাত্র; তারপর জাহান্নাম তাদের আবাস; আর ওটা কত নিকৃষ্ট বিশ্রামস্থল! কিন্তু যারা তাদের রবকে ভয় করে তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত, সেখানে তারা স্থায়ী হবে। এ হচ্ছে আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে আতিথেয়তা; আর আল্লাহ্‌র কাছে যা আছে তা সৎকর্মপরায়ণদের জন্য উত্তম। আর নিশ্চয় কিতাবীদের মধ্যে এমন লোকও আছে যারা আল্লাহ্‌র প্রতি বিনয়াবনত হয়ে তাঁর প্রতি এবং তিনি যা তোমাদের ও তাদের প্রতি নাযিল করেছেন তাতে ঈমান আনে। তারা আল্লাহ্‌র আয়াত তুচ্ছ মূল্যে বিক্রি করে না। তারাই, যাদের জন্য আল্লাহ্‌র কাছে পুরস্কার রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী। হে ঈমানদারগণ! তোমরা ধৈর্য ধারণ কর, ধৈর্যে প্রতিযোগিতা কর এবং সবসময় যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাক, আর আল্লাহ্‌র তাকওয়া অবলম্বন কর; যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার”[4]।

৯৯-(১) দুই হাতের তালু একত্রে মিলিয়ে নিম্নোক্ত সূরাগুলো পড়ে তাতে ফুঁ দিবে:

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম (ক্বুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ। আল্লাহুস্ সামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ। ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ)।

রহমান, রহীম আল্লাহর নামে। “বলুন, তিনি আল্লাহ্, এক-অদ্বিতীয়। আল্লাহ্ হচ্ছেন ‘সামাদ’ (তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন, সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী)। তিনি কাউকেও জন্ম দেন নি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয় নি। আর তাঁর সমতুল্য কেউই নেই।”

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম (ক্বুল আ‘উযু বিরব্বিল ফালাক্ব। মিন শাররি মা খালাক্ব। ওয়া মিন শাররি গা-সিক্বিন ইযা ওয়াক্বাব। ওয়া মিন শাররিন নাফফা-সা-তি ফিল ‘উক্বাদ। ওয়া মিন শাররি হা-সিদিন ইযা হাসাদ)।

রহমান, রহীম আল্লাহর নামে। “বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি  ঊষার রবের। তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট হতে। ‘আর অনিষ্ট হতে রাতের অন্ধকারের, যখন তা গভীর হয়। আর অনিষ্ট হতে সমস্ত নারীদের, যারা গিরায় ফুঁক দেয়। আর অনিষ্ট হতে হিংসুকের, যখন সে হিংসা করে।”

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম (ক্বুল ‘আউযু বিরাব্বিন্না-স। মালিকিন্না-সিইলা-হিন্নাসিমিন শাররিল ওয়াসওয়া-সিল খান্না-সআল্লাযি ইউওয়াসউইসু ফী সুদূরিন না-সিমিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-স।)।

রহমান, রহীম আল্লাহর নামে। “বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি মানুষের রবের, মানুষের অধিপতির, মানুষের ইলাহের কাছে, আত্মগোপনকারী কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট হতে; যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে, জিনের মধ্য থেকে এবং মানুষের মধ্য থেকে।”

তারপর দুই হাতের তালু দ্বারা দেহের যতোটা অংশ সম্ভব মাসেহ করবে। মাসেহ আরম্ভ করবে তার মাথা, মুখমণ্ডল ও দেহের সামনের দিক থেকে। (এভাবে ৩ বার করবে।)[1]

 (আল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যূল কাইয়্যূমু লা তাখুযুহু সিনাতুঁও ওয়ালা নাউম। লাহূ মা-ফিসসামা-ওয়া-তি ওয়ামা ফিল আরদ্বি। মান যাল্লাযী ইয়াশফা‘উ ইনদাহূ ইল্লা বিইযনিহী। ইয়া‘লামু মা বাইনা আইদীহিম ওয়ামা খালফাহুম। ওয়ালা ইয়ুহীতূনা বিশাইইম মিন্ ইলমিহী ইল্লা বিমা শাআ। ওয়াসি‘আ কুরসিয়্যুহুস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্ব। ওয়ালা ইয়াউদুহূ হিফযুহুমা ওয়া হুয়াল ‘আলিয়্যূল ‘আযীম)।

১০০-(২) “আল্লাহ্, তিনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ্ নেই। তিনি চিরঞ্জীব, সর্বসত্তার ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না, নিদ্রাও নয়। আসমানসমূহে যা রয়েছে ও যমীনে যা রয়েছে সবই তাঁর। কে সে, যে তাঁর অনুমতি ব্যতীত তাঁর কাছে সুপারিশ করবে? তাদের সামনে ও পিছনে যা কিছু আছে তা তিনি জানেন। আর যা তিনি ইচ্ছে করেন তা ছাড়া তাঁর জ্ঞানের কোনো কিছুকেই তারা পরিবেষ্টন করতে পারে না। তাঁর ‘কুরসী’ আসমানসমূহ ও যমীনকে পরিব্যাপ্ত করে আছে; আর এ দুটোর রক্ষণাবেক্ষণ তাঁর জন্য বোঝা হয় না। আর তিনি সুউচ্চ সুমহান।”[2]

(আ-মানার রাসূলু বিমা উনযিলা ইলাইহি মির রব্বিহী ওয়াল মুমিনূন। কুল্লুন আ-মানা বিল্লা-হি ওয়া মালা-ইকাতিহী ওয়াকুতুবিহী ওয়া রুসুলিহ, লা নুফাররিক্বু বাইনা আহাদিম মির রুসুলিহ, ওয়া ক্বালু সামি‘না ওয়া আতা‘না গুফ্‌রা-নাকা রব্বানা ওয়া ইলাইকাল মাসীর। লা ইয়ুকাল্লিফুল্লাহু নাফ্‌সান ইল্লা উস‘আহা লাহা মা কাসাবাত ওয়া আলাইহা মাক্তাসাবাত রব্বানা লা তুআখিয্‌না ইন নাসীনা আও আখ্‌ত্বা’না। রব্বনা ওয়ালা তাহ্‌মিল ‘আলাইনা ইসরান কামা হামালতাহু ‘আলাল্লাযীনা মিন ক্বাবলিনা। রব্বনা ওয়ালা তুহাম্মিলনা মা-লা ত্বা-ক্বাতা লানা বিহী। ওয়া‘ফু আন্না ওয়াগফির লানা ওয়ারহামনা আনতা মাওলা-না ফানসুরনা ‘আলাল ক্বাউমিল কাফিরীন)।

101- (3)“রাসূল তার প্রভুর পক্ষ থেকে যা তার কাছে নাযিল করা হয়েছে তার উপর ঈমান এনেছেন এবং মুমিনগণও। প্রত্যেকেই ঈমান এনেছে আল্লাহর উপর, তাঁর ফেরেশ্তাগণ, তাঁর কিতাবসমূহ এবং তাঁর রাসূলগণের উপর। আমরা তাঁর রাসূলগণের কারও মধ্যে তারতম্য করি না। আর তারা বলে, আমরা শুনেছি ও মেনে নিয়েছি। হে আমাদের রব! আপনার ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তনস্থল। আল্লাহ্ কারো উপর এমন কোন দায়িত্ব চাপিয়ে দেন না যা তার সাধ্যাতীত। সে ভাল যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তারই, আর মন্দ যা কামাই করে তার প্রতিফল তার উপরই বর্তায়। ‘হে আমাদের রব! যদি আমরা বিস্মৃত হই অথবা ভুল করি তবে আপনি আমাদেরকে পাকড়াও করবেন না। হে আমাদের রব! আমাদের পূর্ববর্তীগণের উপর যেমন বোঝা চাপিয়ে দিয়েছিলেন আমাদের উপর তেমন বোঝা চাপিয়ে দিবেন না। হে আমাদের রব! আপনি আমাদেরকে এমন কিছু বহন করাবেন না যার সামর্থ আমাদের নেই। আর আপনি আমাদের পাপ মোচন করুন, আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আমাদের প্রতি দয়া করুন, আপনিই আমাদের অভিভাবক। অতএব কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য করুন।”[3]

(বিইসমিকা[4] রব্বী ওয়াদা‘তু জাম্বী, ওয়া বিকা আরফা‘উহু। ফাইন্ আম্‌সাক্তা নাফ্‌সী ফারহামহা, ওয়াইন আরসালতাহা ফাহ্‌ফায্‌হা বিমা তাহ্‌ফাযু বিহী ‘ইবা-দাকাস সা-লিহীন)।

১০২-(৪) “আমার রব! আপনার নামে আমি আমার পার্শ্বদেশ রেখেছি (শুয়েছি) এবং আপনারই নাম নিয়ে আমি তা উঠাবো। যদি আপনি (ঘুমন্ত অবস্থায়) আমার প্রাণ আটকে রাখেন, তবে আপনি তাকে দয়া করুন। আর যদি আপনি তা ফেরত পাঠিয়ে দেন, তাহলে আপনি তার হেফাযত করুন যেভাবে আপনি আপনার সৎকর্মশীল বান্দাগণকে হেফাযত করে থাকেন।”[5]

(আল্লা-হুম্মা ইন্নাকা খালাক্তা নাফসী ওয়া আন্তা তাওয়াফ্‌ফাহা। লাকা মামা-তুহা ওয়া মাহ্‌ইয়া-হা। ইন্ আহ্ইয়াইতাহা ফাহ্‌ফায্‌হা ওয়াইন আমাত্তাহা ফাগফির লাহা। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকাল ‘আ-ফিয়াতা)।

১০৩-(৫) “হে আল্লাহ! নিশ্চয় আপনি আমার আত্মাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আপনি তার মৃত্যু ঘটাবেন। তার মৃত্যু ও তার জীবন আপনার মালিকানায়। যদি তাকে বাঁচিয়ে রাখেন তাহলে আপনি তার হেফাযত করুন, আর যদি তার মৃত্যু ঘটান তবে তাকে মাফ করে দিন। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে নিরাপত্তা চাই।”[6]

 (আল্লা-হুম্মা ক্বিনী আযা-বাকা ইয়াওমা তাবআছু ইবা-দাকা)।

১০৪-(৬) “হে আল্লাহ![7] আমাকে আপনার আযাব থেকে রক্ষা করুন, যেদিন আপনি আপনার বান্দাদেরকে পুনর্জীবিত করবেন।”[8]

 (বিস্‌মিকাল্লা-হুম্মা আমূতু ওয়া আহ্ইয়া)।

১০৫-(৭) “হে আল্লাহ ! আপনার নাম নিয়েই আমি মরছি (ঘুমাচ্ছি) এবং আপনার নাম নিয়েই জীবিত (জাগ্রত) হবো।”[9]

(সুবহা-নাল্লাহ, (৩৩ বার) আলহামদুলিল্লা-হ (৩৩ বার) আল্লা-হু আকবার (৩৪ বার)-)

১০৬-(৮) আল্লাহ অতি-পবিত্র (৩৩ বার), সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য (৩৩ বার), আল্লাহ অতি-মহান (৩৪ বার)। [10]

 (আল্লা-হুম্মা রব্বাস্ সামা-ওয়া-তিস্ সাব‘ই ওয়া রব্বাল ‘আরশিল ‘আযীম, রব্বনা ওয়া রব্বা কুল্লি শাই’ইন্, ফা-লিক্বাল হাব্বি ওয়ান-নাওয়া, ওয়া মুনযিলাত্-তাওরা-তি ওয়াল ইনজীলি ওয়াল ফুরক্বা-ন, আঊযু বিকা মিন শাররি কুল্লি শাই’ইন্ আনতা আ-খিযুম-বিনা-সিয়াতিহি। আল্লা-হুম্মা আনতাল আউওয়ালু ফালাইসা ক্বাবলাকা শাইউন। ওয়া আনতাল আ-খিরু ফালাইসা বা‘দাকা শাইউন। ওয়া আনতায যা-হিরু ফালাইসা ফাওক্বাকা শাইউন। ওয়া আনতাল বা-ত্বিনু ফালাইসা দূনাকা শাইউন। ইক্বদ্বি আন্নাদ্-দাইনা ওয়া আগনিনা মিনাল ফাক্বরি)।

১০৭-(৯) হে আল্লাহ! হে সপ্ত আকাশের রব্ব, যমিনের রব্ব, মহান ‘আরশের রব্ব, আমাদের রব্ব ও প্রত্যেক বস্তুর রব্ব, হে শস্য-বীজ ও আঁটি বিদীর্ণকারী, হে তাওরাত, ইনজীল ও কুরআন নাযিলকারী, আমি প্রত্যেক এমন বস্তুর অনিষ্ট থেকে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি, যার (মাথার) অগ্রভাগ আপনি ধরে রেখেছেন (নিয়ন্ত্রণ করছেন)। হে আল্লাহ! আপনিই প্রথম, আপনার পূর্বে কিছুই ছিল না; আপনি সর্বশেষ, আপনার পরে কোনো কিছু থাকবে না; আপনি সব কিছুর উপরে, আপনার উপরে কিছুই নেই; আপনি সর্বনিকটে, আপনার চেয়ে নিকটবর্তী কিছু নেই, আপনি আমাদের সমস্ত ঋণ পরিশোধ করে দিন এবং আমাদেরকে অভাবগ্রস্ততা থেকে অভাবমুক্ত করুন।”[11]

(আলহামদু লিল্লা-হিল্লাযী আত‘আমানা, ওয়া সাক্বা-না, ওয়া কাফা-না, ওয়া আ-ওয়ানা, ফাকাম্ মিম্মান লা কা-ফিয়া লাহু, ওয়ালা মুউইয়া)।

১০৮-(১০) “সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য, যিনি আমাদেরকে আহার করিয়েছেন, পান করিয়েছেন, আমাদের প্রয়োজন পূর্ণ করেছেন এবং আমাদেরকে আশ্রয় দিয়েছেন। কেননা, এমন বহু লোক আছে যাদের প্রয়োজনপূর্ণকারী কেউ নেই এবং যাদের আশ্রয়দানকারীও কেউ নেই।”[12]

 (আল্লা-হুম্মা ‘আ-লিমাল গাইবি ওয়াশ শাহা-দাতিফা-ত্বিরাস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্বিরাব্বা কুল্লি শাই’ইন ওয়া মালীকাহুআশহাদু আল্লা ইলা-হা ইল্লা আনতাআ‘উযু বিকা মিন শাররি নাফসীওয়ামিন শাররিশ শাইত্বা-নী ওয়াশিরকিহী/ওয়াশারাকিহীওয়া আন আক্বতারিফা আলা নাফসী সূ’আন আউ আজুররাহু ইলা মুসলিম)

১০৯-(১১) “হে আল্লাহ! হে গায়েব ও উপস্থিতের জ্ঞানী, হে আসমানসমূহ ও যমীনের স্রষ্টা, হে সব কিছুর রব্ব ও মালিক! আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই আমার আত্মার অনিষ্ট থেকে, শয়তানের অনিষ্টতা থেকে ও তার শির্ক বা তার ফাঁদ থেকে, আমার নিজের উপর কোনো অনিষ্ট করা, অথবা কোনো মুসলিমের দিকে তা টেনে নেওয়া থেকে।”[13]

১১০-(১২) আলিফ লাম মীম তানযীলায সাজদাহ ও তাবারাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলক’ সূরাদ্বয় পড়বে।[14]

 (আল্লা-হুম্মা আস্‌লামতু নাফ্‌সী ইলাইকা, ওয়া ফাউওয়াদ্বতু আমরী ইলাইকা, ওয়া ওয়াজ্জাহ্‌তু ওয়াজহিয়া ইলাইকা, ওয়াআলজাতু যাহ্‌রী ইলাইকা, রাগবাতান ওয়া রাহবাতান ইলাইকা। লা মালজা’আ ওয়ালা মান্‌জা মিনকা ইল্লা ইলাইকা। আ-মানতু বিকিতা-বিকাল্লাযী আনযালতা ওয়াবিনাবিয়্যিকাল্লাযী আরসালতা)।

১১১-(১৩) “হে আল্লাহ![15] আমি নিজেকে আপনার কাছে সঁপে দিলাম। আমার যাবতীয় বিষয় আপনার কাছেই সোপর্দ করলাম, আমার চেহারা আপনার দিকেই ফিরালাম, আর আমার পৃষ্ঠদেশকে আপনার দিকেই ন্যস্ত করলাম; আপনার প্রতি অনুরাগী হয়ে এবং আপনার ভয়ে ভীত হয়ে। একমাত্র আপনার নিকট ছাড়া আপনার (পাকড়াও) থেকে বাঁচার কোনো আশ্রয়স্থল নেই এবং কোনো মুক্তির উপায় নেই। আমি ঈমান এনেছি আপনার নাযিলকৃত কিতাবের উপর এবং আপনার প্রেরিত নবীর উপর।”[16]

 (লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হুল ওয়াহিদুল কাহ্‌হারু রব্বুস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল-আরদ্বি ওয়ামা বাইনাহুমাল-আযীযুল গাফ্‌ফার)।

১১২- “মহাপ্রতাপশালী এক আল্লাহ ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই। (তিনি) আসমানসমূহ, যমীন এবং এ দু’য়ের মধ্যস্থিত সবকিছুর রব্ব, প্রবলপরাক্রমশালী, পরম ক্ষমাশীল।”[1]

 (আঊযু বিকালিমা-তিল্লাহিত্তা-ম্মাতি মিন্ গাদ্বাবিহি ওয়া ইক্বা-বিহি ওয়া শাররি ইবা-দিহি ওয়ামিন হামাযা-তিশ্‌শায়া-ত্বীনি ওয়া আন ইয়াহ্‌দুরূন)।

১১৩- “আমি আশ্রয় চাই আল্লাহ্‌র পরিপূর্ণ কালামসমূহের অসীলায় তাঁর ক্রোধ থেকে, তাঁর শাস্তি থেকে, তাঁর বান্দাদের অনিষ্ট থেকে, শয়তানদের কুমন্ত্রণা থেকে এবং তাদের উপস্থিতি থেকে।”[1]

(১) “তার বাম দিকে হাল্কা থুথু ফেলবে।” (৩ বার)[1]

২২৯- “যখন তোমরা রাত্রিবেলা কুকুরের ডাক ও গাধার স্বর শুনবে, তখন তোমরা সেগুলো থেকে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাও; কেননা সেগুলো তা দেখে তোমরা যা দেখতে পাও না।”[1]

Desktop Site