এসো হাদিস পড়ি ?

এসো হাদিস পড়ি ?

হাদিস অনলাইন ?

২. কাপড় পরিধানের দো‘আ


5. " আল্লাহ যিনি কৃষক NDOSH প্রশংসা (alsvb) vrzqnyh জনাব হূল ভিলা টাকা প্রয়োজন ... » ।
ফুটনোটঃ[1] হাদীসটি নাসাঈ ব্যতীত সুনান গ্রন্থকারদের সবাই সংকলন করেছেন। আবূ দাউদ, নং ৪০২৩; তিরমিযী, নং ৩৪৫৮; ইবন মাজাহ্‌, নং ৩২৮৫। আর শাইখ আলবানী একে হাসান বলেছেন। দেখুন, ইরওয়াউল গালীল, ৭/৪৭।
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৩. নতুন কাপড় পরিধানের দো‘আ
6. " হে প্রশংসা অন্ত্র ksvtnyh মিলিয়ন, salk ডি khyrh vkhyr SN উপাদান মা, মা vavz ক্ষুধা ডি shrh পক্ষাবলম্বন উপাদান SN » ।
ফুটনোটঃ[1] আবূ দাউদ, নং ৪০২০; তিরমিযী, নং ১৭৬৭; বাগভী, ১২/৪০; দেখুন, মুখতাসারুশ শামাইল লিল আলবানী, পৃ. ৪৭।
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৪. অপরকে নতুন কাপড় পরিধান করতে দেখলে তার জন্য দো‘আ
7. (1) « ঈশ্বর vykhlf তবলা » ।
8. (2) « albs আধুনিক vsh শহীদ হামিদ ভিন্নমতের » ।
ফুটনোটঃ[1] সুনান আবি দাউদ ৪/৪১, হাদীস নং ৪০২০; দেখুন, সহীহ আবি দাউদ ২/৭৬০।
[2] সুনান ইবন মাজাহ ২/১১৭৮, নং ৩৫৫৮; বাগাওয়ী, ১২/৪১। দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ ২/২৭৫।
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৫. কাপড় খুলে রাখার সময় কী বলবে
9. « ঈশ্বর » ।
ফুটনোটঃ[1] তিরমিযী ২/৫০৫, নং ৬০৬, ও অন্যান্য। আরও দেখুন, ইরওয়াউল গালীল, নং ৫০; সহীহুল জামে‘ ৩/২০৩।
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৬. পায়খানায় প্রবেশের দো‘আ
ফুটনোটঃ[1] বুখারী ১/৪৫, নং ১৪২; মুসলিম ১/২৮৩, নং ৩৭৫। শুরুতে অতিরিক্ত ‘বিসমিল্লাহ্‌’ উদ্ধৃত করেছেন সা‘ঈদ ইবন মানসূর। দেখুন, ফাতহুল বারী, ১/২৪৪।
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৭. পায়খানা থেকে বের হওয়ার দো‘আ
11. « গোসলখানা » ।
ফুটনোটঃ[1] হাদীসটি নাসাঈ ব্যতীত সকল সুনান গ্রন্থকারই উদ্ধৃত করেছেন; তবে নাসাঈ তার ‘আমালুল ইয়াওমি ওয়াললাইলাহ’ গ্রন্থে (নং ৭৯) তা উদ্ধৃত করেছেন। আবূ দাউদ, নং ৩০; তিরমিযী, নং ৭; ইবন মাজাহ্‌, নং ৩০০। আর শাইখ আলবানী সহীহ সুনান আবি দাউদে ১/১৯ একে সহীহ বলেছেন।
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
১০. বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময়ের যিক্‌র
ফুটনোটঃ[1] আবূ দাউদ ৪/৩২৫, নং ৫০৯৫; তিরমিযী ৫/৪৯০, ৩৪২৬। আরও দেখুন, সহীহুল তিরমিযী, ৩/১৫১।
[2] সুনান গ্রন্থকারগণ: আবূ দাউদ, নং ৫০৯৪; তিরমিযী, নং ৩৪২৭; নাসাঈ, নং ৫৫০১; ইবন মাজাহ, নং ৩৮৮৪। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ৩/১৫২; সহীহ ইবন মাজাহ্‌ ২/৩৩৬।
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
১১. ঘরে প্রবেশের সময় যিক্‌র
« بسم الله ولجنا, وبسم الله خرجنا, وعلى الله ربنا توكلنا »
ফুটনোটঃ[1] আবূ দাউদ ৪/৩২৫, ৫০৯৬। আর আল্লামা ইবন বায রহ. তার তুহফাতুল আখইয়ার গ্রন্থে পৃ. ২৮ এটার সনদকে হাসান বলেছেন। তাছাড়া সহীহ হাদীসে এসেছে, “যখন তোমাদের কেউ ঘরে প্রবেশ করে, আর প্রবেশের সময় ও খাবারের সময় আল্লাহকে স্মরণ করে, তখন শয়তান (নিজ ব্যক্তিদের) বলে, তোমাদের কোনো বাসস্থান নেই, তোমাদের রাতের কোনো খাবার নেই।” মুসলিম, নং ২০১৮।
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
২৭. সকাল ও বিকালের যিক্‌রসমূহ
75- (1) চাইতে ballh ডি শয়তানের করছেন alrjym) আল্লাহ ইল্লা Zeke কাইয়ুম ফাং ভিলা সেন্ট নমকে লা takhzh উপাদান মা vma একটি শব্দ আনয়ন করেন কোন ছাপ ডি যক কে pJI yshf যদি না baznh ylm কথা চিন্তা কর aydyhm vma khlfhm ভিলা yhytvn bshy 'ডি lmh না ইচ্ছুক পুলিশ অফিসার যদি না একটি শব্দ krsyh পৃথিবী yvdh বাগানবাড়ি hfzhma Nisā'ī তোমার দর্শন লগ করা 255 ইং (বসতে।
76- (2) ঈশ্বর রহমান রহিম ছিল ۝) QL ۝ আল্লাহ আল্লাহ আহাদ সামাদ ۝ লিম kadınım সদস্যদের তন্ন তন্ন পয়দা করা vlm ۝ vlm সাঃ উপাদান দুইবার kufuwan ۝ (
বিসমিল্লাহ রহমান রহিম ۝) QL ফালাক ۝ মন্দ মা ۝ নৈতিক মন্দ আহমেদ আহমেদ alqd alnfst ghasq hehehe vqb ۝ মন্দ থেকে ۝ আহমেদ কোন মন্দ ঈর্ষান্বিত ঈর্ষান্বিত hehehe ۝ (
বিসমিল্লাহ রহমান রহিম ۝) মন্দ থেকে মানুষ alvsvas সদস্যদের alkhnas ۝ কে রাষ্ট্রপ্রধান কোন পাবলিক ۝ ডি নন্দনকানন valnas yvsvs সাধারণ জনগণের ۝ টি BRB ۝ QL A'oodhu ۝ দেশ ۝ (
77- (3) « sbhna vasbh মুলক আল্লাহ, আল্লাহ valhmd, লা লা ইল্লা ঈশ্বর HMI অংশীদার উপাদান, উপাদান মুলক vlh জিনিস প্রশংসা cxinvali আলী খান, প্রভু salk ওয়েল মা মা কোন vkhyr NDOSH আজ, vavz বই কোন মন্দ মা থেকে bdh আজ NDOSH পক্ষাবলম্বন মা bdh লর্ড ডি alksl VSV 'কুবরা ক্ষুধার্ত, ক্ষুধার্ত মন চাইতে প্রভু vzab কোন আগুন কোন alqbr শাস্তি চাইতে » ।
78- (4) « হে sbhna ক্ষুধার vbk Amzi, vbk nhya, vbk nmvt valyk alnshvr» ।
79 (5): « হে অন্ত্র রাব্বী লা ইল্লা অন্ত্র, khlqtny ওয়ানা, ওয়ানা আলী hdk vvdk মা asttt bdk, মন্দ মা শিল্প, থেকে ক্ষুধা চাইতে যেখানে আউটলুক bnmtk আলী, vabv 'faghfr bznby লি fanh yghfr alznvb লা ইল্লা আনতা » ।
80- (6) « হে sbht shhdk পরিবর্তন, vashhd hmlh rshk, vmlayktk, ফোরাম vjmy, ইনকর্পোরেটেড অন্ত্র ঈশ্বর লা লা অন্ত্র vhdk অংশীদার মিলিয়ন ইল্লা, Wan, মোহা bdk vrsvlk » ( 4 বার )।
81. (7) « হে ভগবান , কি এসে গেছে করার আমাকে একটি আশির্বাদ নাকি আপনার সৃষ্টি Vmenk এক একা হয় না একটি অংশীদার জন্য আপনি, সব প্রশংসা এবং তোমাকে ধন্যবাদ » ।
82- (8) « الله عافني في بدني, الله عافني 
في سمعي, الله عافني في بصري , لا إله إلا أنت । হে ক্ষুধার্ত হৃদয় ও মন জয় বাসস্থান, valfqr চাইতে এস, alqbr দে লা ইল্লা ইসলাম ক্ষুধা শাস্তি vavz »3 বার )।
83- (9) « حسبي الله لا إله إلا هو توكلت وهو رب العرش 
العظيم » (7 বার) ।
84- (10) « হে salk পরিবর্তন তারেক কোন valakhrh বিশ্বের valafyh হে পরিবর্তন salk তারেক valafyh: কোন নাটকগুলিকে vdnyay vahly, সম্পদ, হে আস্তরণের vraty, শান্তি rvaty হে ahfzny ডি সর্বনাশ যদি, khlfy বমি, অবিকল হাত, অবিকল উত্তরে সুপার বমি, vavz bzmtk তাদের ghtal ডি thty » ।
85- (11) « হে মিলওয়াকি অদেখা valshhadh আয়াত উড়ন্ত, প্রভু vmlyk · জ জিনিস, তার সূচক ইল্লা অন্ত্র এনে মন্দ থেকে মানসিক ক্ষুধা চাওয়া, শয়তানের করছেন vshrk অনিষ্ট · জ বমি, ভ্যান qtrf আলী মানসিক sv'a, ওহ স্মার্ট jrh মুসলিম » ।
86- (12) « আল্লাহ alsmy Alimi কোন alsma 'cxinvali Wtf সবকিছু পৃথিবীতে লা ভিলা yzr » । (3 বার)
87- (13) " rzyt বল ه রিবা, ubal إ স্ল্যাম দিতে, নবী ubmhmd তাকে » ।(3 বার)
88- (14) « বা G অথবা কাইয়ুম brhmtk stghys slh লি শনি klh ভিলা tklny স্মার্ট ব্যক্তি trfh সুনির্দিষ্ট » ।
89- (15) « sbhna vasbh মুলক আল্লাহ, বিশ্ব পালনকর্তা, হে পরিবর্তন salk ভাল NDOSH আজ: fthh, vnsrh, vnvrh, vbrkth, vhdah, মন্দ মা মা huhusay পক্ষাবলম্বন bdh থেকে vavz বই » ।
91- (17) " পুণ্য হউক না না » । 100 KB)
92- (18) « লা লা ঈশ্বর HMI অংশীদার উপাদান, উপাদান মুলক vlh প্রশংসা ইল্লা, জিনিষ cxinvali আলী খান » । 10 বছর)
93- (19) « লা ইল্লা ঈশ্বর, HMI আইন অংশীদার উপাদান, উপাদান মুলক প্রশংসা vlh জিনিস cxinvali আলী খান » ।
94- (20) " পুণ্য হউক না না: সংখ্যা khlqh, vrza মঞ্জুর, vznh rshh, vmdad klmath » । (3 বার)
95- (21) « হে পরিবর্তন salk উপকারী সমৃদ্ধ vrzqa tyba, ক্রিয়াকাণ্ড থাকা পারে » ।
96- (22) « lordfrompy ওয়া atubu lyh » ।
97- (23) « মন্দ মা দো'আ সৃষ্টি থেকে আল্লাহর বানী চাইতে » ।
98- (24) " হে আমাদের নবী মোহাম্মদ, শান্তি 'আলী » ।
ফুটনোটঃ[1] আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি হাদীসটিকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মারফূ‘ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, “কোনো গোষ্ঠী যারা যিক্‌র করছে, তাদের সাথে ফজরের সালাতের পরে সূর্য উঠা পর্যন্ত সময় বসা আমার কাছে ইসমাঈলের বংশধরদের চার জন্য দাস মুক্তির থেকেও বেশি প্রিয়। অনুরূপভাবে কোনো গোষ্ঠী যারা যিক্‌র করছে, তাদের সাথে আসরের সালাতের পরে সূর্য ডুবা পর্যন্ত সময় বসা আমার কাছে চার জন্য দাস মুক্তির থেকেও বেশি প্রিয়।” আবূ দাউদ, নং ৩৬৬৭। আর শাইখ আলবানী, সহীহ আবি দাউদ ২/৬৯৮ তে হাদীসটিকে হাসান বলেছেন।
[2] সূরা আল-বাকারাহ্‌, ২৫৫। যে ব্যক্তি সকালে তা বলবে সে বিকাল হওয়া পর্যন্ত জিন শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয়ে থাকবে, আর যে ব্যক্তি বিকালে তা বলবে সে সকাল হওয়া পর্যন্ত জিন শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয়ে থাকবে। হাদীসটি হাকিম সংকলন করেছেন, ১/৫৬২। আর শাইখ আলবানী একে সহীহুত তারগীব ওয়াত-তারহীবে সহীহ বলেছেন ১/২৭৩। আর তিনি একে নাসাঈ, তাবারানীর দিকে সম্পর্কযুক্ত করেছেন এবং বলেছেন, তাবারানীর সনদ ‘জাইয়্যেদ’ বা ভালো।
[3] হাদীসে এসেছে, রাসূল বললেন, যে ব্যক্তি সকাল ও বিকালে ‘কুল হুআল্লাহু আহাদ’ (সূরা ইখলাস), ‘সূরা ফালাক’ ও ‘সূরা নাস’ তিনবার করে বলবে, এটাই আপনার সবকিছুর জন্য যথেষ্ট হবে। আবূ দাউদ ৪/৩২২, নং ৫০৮২; তিরমিযী ৫/৫৬৭, নং ৩৫৭৫। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৮২।
[4] বিকালে বলবে,
أَمْسَيْنَا وَأَمْسَى الْمُلْكُ لِلَّهِ
(আমসাইনা ওয়া আমসাল মুলকু লিল্লাহ) অর্থাৎ “আমরা আল্লাহর জন্য বিকালে উপনীত হয়েছি, আর সকল রাজত্বও তাঁরই অধীনে বিকালে উপনীত হয়েছে।”
[5] আর যখন বিকাল হবে, তখন বলবে,
رَبِّ أَسْأَلُكَ خَيْرَ مَا فِيْ هَذِهِ اللَّيْلَةِ وَخَيْرَ مَا بَعْدَهَا، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا فِيْ هَذِهِ اللَّيْلَةِ، وَشَرِّ مَا بَعْدَهَا.
(রাব্বি আসআলুকা খাইরা মা ফী হাযিহিল্লাইলাতি ও খাইরা মা বা‘দাহা, ওয়া আ‘উযু বিকা মিন শাররি মা ফী হাযিহিল লাইলাতি, ওয়া শাররি মা বা‘দাহা)
“হে রব, আমি আপনার কাছে এ রাতের মাঝে ও এর পরে যে কল্যাণ রয়েছে, তা প্রার্থনা করি। আর এ রাত ও এর পরে যে অকল্যাণ রয়েছে, তা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি।”
[6] মুসলিম, ৪/২০৮৮, নং ২৭২৩।
[7] আর বিকাল হলে রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন:
اَللَّهُمَّ بِكَ أَمْسَيْنَا، وَبِكَ أَصْبَحْنَا، وَبِكَ نَحْيَا، وَبِكَ نَمُوْتُ، وَإِلَيْكَ الْمَصِيْرُ.
(আল্লা-হুম্মা বিকা আমসাইনা ওয়াবিকা আসবাহ্‌না ওয়াবিকা নাহ্‌ইয়া ওয়াবিকা নামূতু ওয়া ইলাইকাল মাসীর।)
“হে আল্লাহ! আমরা আপনার জন্য বিকালে উপনীত হয়েছি এবং আপনারই জন্য আমরা সকালে উপনীত হয়েছি। আর আপনার দ্বারা আমরা জীবিত থাকি, আপনার দ্বারাই আমরা মারা যাব; আর আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তিত হব।’’
[8] তিরমিযী, ৫/৪৬৬, নং ৩৩৯১। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৪২।
[9] অর্থাৎ আমি স্বীকার করছি ও মেনে নিচ্ছি।
[10] “যে ব্যক্তি সকালবেলা অথবা সন্ধ্যাবেলা এটি (‘সায়্যিদুল ইসতিগফার’) অর্থ বুঝে দৃঢ় বিশ্বাসসহকারে পড়বে, সে ঐ দিন রাতে বা দিনে মারা গেলে অবশ্যই জান্নাতে যাবে।” বুখারী, ৭/১৫০, নং ৬৩০৬।
[11] আর যখন বিকাল হবে, তখন বলবে, اللهم إِنّيْ أَمْسَيْتُ (আল্লা-হুম্মা ইন্নি আমসাইতু) অর্থাৎ, “হে আল্লাহ আমি বিকালে উপনীত হয়েছি”।
[12] যে ব্যক্তি সকালে অথবা বিকালে তা চারবার বলবে, আল্লাহ তাকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্ত করবেন। আবূ দাউদ ৪/৩১৭, নং ৫০৭১; বুখারী, আল-আদাবুল মুফরাদ, নং ১২০১; নাসাঈ, ‘আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ, নং ৯; ইবনুস সুন্নী, নং ৭০। সম্মানিত শাইখ আবদুল আযীয ইবন বায রাহেমাহুল্লাহ তাঁর তুহফাতুল আখইয়ার গ্রন্থের পৃ. ২৩ এ নাসাঈ ও আবূ দাউদের সনদকে হাসান বলেছেন।
[13] আর বিকাল হলে বলবে,اللَّهُمَّ مَا أَمسَى بِي (আল্লা-হুম্মা মা আমসা বী মিন নি‘মাতিন...) অর্থাৎ “হে আল্লাহ! যে নেয়ামত আমার সাথে বিকালে উপনীত হয়েছে...।”
[14] যে ব্যক্তি সকালবেলা উপরোক্ত দো‘আ পাঠ করলো সে যেনো সেই দিনের শুকরিয়া আদায় করলো। আর যে ব্যক্তি বিকালবেলা এ দো‘আ পাঠ করলো সে যেনো রাতের শুকরিয়া আদায় করলো’’। হাদীসটি সংকলন করেছেন, আবূ দাউদ ৪/৩১৮, নং ৫০৭৫; নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ, নং ৭; ইবনুস সুন্নী, নং ৪১; ইবন হিব্বান, (মাওয়ারিদ) নং ২৩৬১। আর শাইখ ইবন বায তাঁর তুহফাতুল আখইয়ার পৃ. ২৪ এ এর সনদকে হাসান বলেছেন।
[15] আবূ দাউদ ৪/৩২৪, নং ৫০৯২; আহমাদ ৫/৪২, নং ২০৪৩০; নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল্লাইলাহ, নং ২২; ইবনুস সুন্নী, নং ৬৯; বুখারী, আল-আদাবুল মুফরাদ, নং ৭০১। আর শাইখ আল্লামা ইবন বায রাহিমাহুল্লাহ ‘তুহফাতুল আখইয়ার’ গ্রন্থের পৃ. ২৬ এ এর সনদকে হাসান বলেছেন।
[16] যে ব্যক্তি দো‘আটি সকালবেলা সাতবার এবং বিকালবেলা সাতবার বলবে তার দুনিয়া ও আখেরাতের সকল চিন্তাভাবনার জন্য আল্লাহ্ই যথেষ্ট হবেন। ইবনুস সুন্নী, নং ৭১, মারফূ‘ সনদে; আবূ দাউদ ৪/৩২১; মাওকূফ সনদে, নং ৫০৮১। আর শাইখ শু‘আইব ও আব্দুল কাদের আরনাঊত এর সনদকে সহীহ বলেছেন। দেখুন, যাদুল মা‘আদ ২/৩৭৬।
[17] আবূ দাউদ, নং ৫০৭৪; ইবন মাজাহ্‌, নং ৩৮৭১। আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ্‌ ২/৩৩২।
[18] তিরমিযী, নং ৩৩৯২; আবূ দাউদ, নং ৫০৬৭। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৪২।
[19] যে ব্যক্তি সকালে তিনবার এবং বিকালে তিনবার এটি বলবে, কোনো কিছু তার ক্ষতি করতে পারবে না। আবূ দাউদ, ৪/৩২৩, নং ৫০৮৮; তিরমিযী, ৫/৪৬৫, নং ৩৩৮৮; ইবন মাজাহ, নং ৩৮৬৯; আহমাদ, নং ৪৪৬। আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ, ২/৩৩২। আর আল্লামা ইবন বায রাহিমাহুল্লাহ তাঁর ‘তুহফাতুল আখইয়ার’ গ্রন্থের ৩৯ পৃষ্ঠায় এটার সনদকে হাসান বলেছেন।
[20] যে ব্যক্তি এ দো‘আ সকাল ও বিকাল তিনবার করে বলবে, আল্লাহর কাছে তার অধিকার হয়ে যায় তাকে কিয়ামাতের দিন সন্তুষ্ট করা। আহমাদ ৪/৩৩৭; নং ১৮৯৬৭; নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল-লাইলাহ, নং ৪; ইবনুস সুন্নী, নং ৬৮; আবু দাউদ, ৪/৩১৮, নং ১৫৩১; তিরমিযী ৫/৪৬৫, নং ৩৩৮৯। আর ইবন বায রাহিমাহুল্লাহ ‘তুহফাতুল আখইয়ার’ এর ৩৯ পৃষ্ঠায় একে হাসান বলেছেন।
[21] হাকেম ১/৫৪৫, তিনি হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, আর যাহাবী তা সমর্থন করেছেন। আরও দেখুন, সহীহ আত-তারগীব ওয়াত-তারহীব ১/২৭৩।
[22] আর যখন বিকাল হবে, তখন বলবে,
أمسينا وأمسى الملك للَّه ربّ العالمين
(আমসাইনা ওয়া আমসাল মুলকু লিল্লাহি রাব্বিল ‘আলামীন)
“আমরা বিকালে উপনীত হয়েছি, অনুরূপ যাবতীয় রাজত্বও বিকালে উপনীত হয়েছে সৃষ্টিকুলের রব্ব আল্লাহ্‌র জন্য।”
[23] আর যখন বিকাল হবে, তখন বলবে,
হে আল্লাহ, আমি তোমাকে এই রাত্রে উত্তম বিষয় জিজ্ঞাসা করিঃ খোলা, বিজয়, আলো, আশীর্বাদ, এবং পথপ্রদর্শক, এবং আমি তোমাদের মধ্যে কি মন্দ ও মন্দকে অতিক্রম করে আশ্রয় চাচ্ছি। 
(আল্লা-হুম্মা ইন্নি আসআলুকা খাইরা হাযিহিল লাইলাতি: ফাতহাহা ওয়া নাসরাহা, ওয়া নূরাহা, ওয়া বারাকাতাহা, ওয়া হুদাহা, ওয়া আ'উযু বিকা মিন শাররি মা ফী-হা, ওয়া শাররি মা বা'দাহা) 
"হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে কামনা এই রাতের কল্যাণ: বিজয়, সাহায্য, নূর, রবাকাত এবং হেদায়াত। আর আমি তোমাকে আমার কাছে আশ্রয় চাইছি, রাত্রি অকল্যাণ থেকে। " 
[২4] আবু দাউদ 4/3, নং 5084; আর শ'আইব ও আবদুল কাদের আরাণেত যাদুল মাদ্রাসার সম্পাদক ২/373 এর সনদকে হাসান বলেছেন। 
[25] যখন বিকাল হবে, তখন বলবে, 
Omsina উপর অনভিপ্রেত হস্তক্ষেপ এর ইসলাম ..... 
(আমসাইনা 'আলা ফিতরাতিল ইসলাম ...) 
"আমরা বিকালে উপনীত হয়েছি ইসলামের ফিত্বরাতের উপর"।
[26] আহমাদ ৩/৪০৬, ৪০৭, নং ১৫৩৬০ ও নং ১৫৫৬৩; ইবনুস সুন্নী, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল-লাইলাহ, নং ৩৪। আরও দেখুন, সহীহুল জামে‘উ ৪/২০৯।
[27] যে ব্যক্তি তা সকালে একশত বার ও বিকালে একশত বার বলবে, কিয়ামতের দিন তার চেয়ে বেশি উৎকৃষ্ট কিছু কেউ নিয়ে আসতে পারবে না, তবে সে ব্যক্তি যে তার মত বলবে, বা তার চেয়ে বেশি আমল করবে। মুসলিম ৪/২০৭১, নং ২৬৯২।
[28] নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল-লাইলাহ, নং ২৪। আরও দেখুন, সহীহুত তারগীব ওয়াত তারহীব, ১/২৭২; ইবন বায, তুহফাতুল আখইয়ার পৃ. ৪৪। এর ফযীলতের ব্যাপারে আরও দেখন, পৃ. হাদীস নং ২৫৫।
[29] আ
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৬১. বায়ূ প্রবাহিত হলে পড়ার দো‘আ
166- (1) « হে salk khyrha, vavz ক্ষুধা ডি shrha পরিবর্তন » ।
167 (2) « হে ভগবান , আমি ধার্মিকতা জিজ্ঞাসা করুন, এবং ভাল জিনিস, ভাল জিনিস তারা সেটা পাঠিয়েছেন, আর আশ্রয় প্রার্থনা মধ্যে থেকে আপনি মন্দ মন্দ এর কী, মন্দ এর কি তাকে পাঠানো » ।
ফুটনোটঃ[1] আবূ দাউদ ৪/৩২৬, নং ৫০৯৯; ইবন মাজাহ্‌ ২/১২২৮, নং ৩৭২৭। আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ্‌ ২/৩০৫।
[2] মুসলিম, আর শব্দ তাঁরই, ২/৬১৬, নং ৮৯৯; বুখারী, ৪/৭৬, নং ৩২০৬ ও ৪৮২৯।
৬২. মেঘের গর্জন শুনলে পড়ার দো‘আ
168- « পুণ্য কে Wogan ysbh bhmdh valmlaykh ডি khyfth » ।
ফুটনোটঃ[1] ‘‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা মেঘের গর্জন শুনলে কথা বলা বন্ধ করে দিতেন এবং এই দো‘আ পড়তেন...। মুওয়াত্তা ইমাম মালেক ২/৯৯২। আর আলবানী তাঁর সহীহুল কালেমিত তাইয়্যেব গ্রন্থে পৃ. ১৫৭, বলেন, “এর সনদটি মওকূফ সহীহ”।
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৬৩. বৃষ্টি চাওয়ার কিছু দো‘আ
169- (1) « হে asqna ghysa যুবক mryya mrya, যর অলাভজনক, অ ripped বেগবর্ধক » ।
170- (2) « আল্লাহ পরাক্রমশালী, আল্লাহ পরাক্রমশালী, আল্লাহ পরাক্রমশালী » ।
171- (3) « হে asq badk, vbhaymk, vanshr rhmtk, vahyy ইসলামাবাদ almyt » ।
ফুটনোটঃ[1] আবূ দাউদ, ১/৩০৩, নং ১১৭১। আর শাইখ আলবানী সহীহ আবি দাউদে একে সহীহ বলেছেন, ১/২১৬।
[2] বুখারী ১/২২৪, নং ১০১৪; মুসলিম ২/৬১৩, নং ৮৯৭।
[3] আবূ দাউদ ১/৩০৫, নং ১১৭৮। আর শাইখ আলবানী তাঁর সহীহ আবি দাউদে একে হাসান বলেছেন, ১/২১৮।
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৬৪. বৃষ্টি দেখলে দো‘আ
17২- আল্লাহ সিবা
ফুটনোটঃ[1] বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ২/৫১৮, নং ১০৩২।
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৬৫. বৃষ্টি বর্ষণের পর যিকর
173- আল্লাহর সন্তুষ্ট হও
ফুটনোটঃ[1] বুখারী ১/২০৫, নং ৮৪৬; মুসলিম ১/৮৩, নং ৭১।
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৬৬. অতিবৃষ্টি বন্ধের জন্য কিছু দো‘আ
174- আল্লাহমাইন রেইন ভিলা এলিনা, আল্লাহম আল-আকামাম ওয়াল্ডোব, ভার্চুয়াল আইডল, গ্রহণ শাকির।
ফুটনোটঃ[1] বুখারী ১/২২৪, নং ৯৩৩; মুসলিম ২/৬১৪, নং ৮৯৭।
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৬৯. খাওয়ার পূর্বে দো‘আ
« বিসমিল্লাহ »
« بسم الله في أوله وآخره »
 « হে Barco লিনা huhusay vatmna দাতব্য কার্ট » ।
« হে Barco লিনা huhusay vzdna কার্ট » ।
ফুটনোটঃ[1] হাদীসটি সংকলন করেছেন আবূ দাঊদ ৩/৩৪৭, নং ৩৭৬৭; তিরমিযী, ৪/২৮৮, নং ১৮৫৮। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ২/১৬৭।
[2] তিরমিযী ৫/৫০৬, নং ৩৪৫৫। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৫৮।
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৭০. আহার শেষ করার পর দো‘আ
 
ফুটনোটঃ
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৭১. আহারের আয়োজনকারীর জন্য মেহমানের দো‘আ
 
ফুটনোটঃ
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৭২. দো‘আর মাধ্যমে খাবার বা পানীয় চাওয়ার ইঙ্গিত করা
 
ফুটনোটঃ
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৭৩. কোনো পরিবারের কাছে ইফতার করলে তাদের জন্য দো‘আ
 
৭৬. ফলের কলি দেখলে পড়ার দো‘আ
 
ফুটনোটঃ
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৭৭. হাঁচির দো‘আ
 
ফুটনোটঃ
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৭৮. কাফের ব্যক্তি হাঁচি দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বললে তার জবাবে যা বলা হবে
 
ফুটনোটঃ
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৮৩. বিপন্ন লোক দেখলে পড়ার দো‘আ
 
ফুটনোটঃ
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৮৪. মজলিসে যা বলতে হয়
 
ফুটনোটঃ
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৮৫. বৈঠকের কাফ্‌ফারা (ক্ষতিপূরণ)
 
ফুটনোটঃ
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৮৯. যে ব্যক্তি বলবে, ‘আমি আপনাকে আল্লাহ্‌র জন্য ভালোবাসি’— তার জন্য দো‘আ
200- « ভালোবাসা কে hbbtny উপাদান » ।
ফুটনোটঃ[1] হাদীসটি সংকলন করেছেন, আবু দাঊদ ৪/৩৩৩, নং ৫১২৫। আর শাইখ আলবানী একে সহীহ আবি দাউদে হাসান বলেছেন, ৩/৯৬৫।
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৯০. আপনাকে কেউ তার সম্পদ দান করার জন্য পেশ করলে তার জন্য দো‘আ
201- « প্রতি hlk মিল্কি উপায়ে ঈশ্বরের বারাক মিলিয়ন » ।
ফুটনোটঃ[1] বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ৪/২৮৮, হাদীস নং ২০৪৯।
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৯৩. কেউ যদি বলে, ‘আল্লাহ আপনার উপর বরকত দিন’, তার জন্য দো‘আ
204- « Wafiq বারাক ঈশ্বর » ।
ফুটনোটঃ[1] হাদীসটি ইবনুস সুন্নী সংকলন করেছেন, পৃ. ১৩৮, নং ২৭৮। আরও দেখুন, ইবনুল কাইয়্যেমের আল-ওয়াবিলুস সাইয়্যেব, পৃ. ৩০৪। তাহকীক, বশীর মুহাম্মাদ উয়ূন।
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
১০৮. সালামের প্রসার
ফুটনোটঃ[1] মুসলিম ১/৭৪, নং ৫৪; আহমাদ, নং ১৪৩০; আর শব্দ তাঁরই। মুসলিমের শব্দ হচ্ছে, “লা তাদখুলূনা...” ‘তোমরা প্রবেশ করবে না...’।
[2] বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ১/৮২, নং ২৮; আম্মার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মাওকূফ ও মু‘আল্লাক হিসেবে।
[3] বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ১/৫৫, নং ১২; মুসলিম ১/৬৫, নং ৩৯।
১০৯. কাফের সালাম দিলে কীভাবে জবাব দিবে
ফুটনোটঃ[1] বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ১১/৪২, নং ৬২৫৮; মুসলিম ৪/১৭০৫, নং ২১৬৩।
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
১১২. যাকে আপনি গালি দিয়েছেন তার জন্য দো‘আ
" হে ঈমানদারগণ! তোমরা fayma sbbth fajl zlk উপাদান সাধা আমেরিকার হরিণবিশেষ দিন আমি » ।
ফুটনোটঃ[1] বুখারী (ফাতহুল বারীসহ) ১১/১৭১, নং ৬৩৬১; মুসলিম ৪/২০০৭, নং ৩৯৬, আর তার শব্দ হচ্ছে, “ফাজ‘আলহা লাহূ যাকাতান ও রাহমাতান”। অর্থাৎ ‘সেটা তার জন্য পবিত্রতা ও রহমত বানিয়ে দিন’।
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
১১৩. কোনো মুসলিম অপর মুসলিমকে প্রশংসা করলে যা বলবে
«أحسب فلانا والله حسيبه, ولا أزكي على الله أحدا, أحسبه - إن كان يعلم ذاك - كذا وكذا»
ফুটনোটঃ[1] মুসলিম, ৪/২২৯৬, নং ৩০০০।
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
১১৪. কোনো মুসলিমের প্রশংসা করা হলে সে যা বলবে
232- « হে লা yqvlvn না tvakhzny, এখন vaghfr লি মা, [vajlny দাতব্য রাদি yznvn] » ।
ফুটনোটঃ[1] বুখারী, আল-আদাবুল মুফরাদ, নং ৭৬১। আর শাইখ আলবানী তাঁর সহীহুল আদাবিল মুফরাদ গ্রন্থে নং ৫৮৫, সেটার সনদকে সহীহ বলেছেন। আর দু’ ব্রাকেটের মাঝখানের অংশ বাইহাকীর শু‘আবুল ঈমান গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে, ৪/২২৮, যা অন্য পদ্ধতিতে এসেছে।
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
১২২. আশ্চর্যজনক ও আনন্দজনক বিষয়ের পর দো‘আ
 
ফুটনোটঃ
 হিসনুল মুসলিম দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচার ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
১২৩. আনন্দদায়ক কোনো সংবাদ আসলে যা করবে
ফুটনোটঃ[1] হাদীসটি নাসাঈ ব্যতীত অপরাপর সুনান গ্রন্থকারগণ উদ্ধৃত করেছেন। আবূ দাউদ নং ২৭৭৪; তিরমিযী নং ১৫৭৮; ইবন মাজাহ্‌ ১৩৯৪। আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ ১/২৩৩; ইরওয়াউল গালীল, ২/২২৬।
পেজ ন্যাভিগেশন
সর্বমোটঃ  36 টি বিষয় দেখান হচ্ছে।

(আল্‌হামদু লিল্লা-হিল্লাযী কাসানী হা-যা (আসসাওবা) ওয়া রযাকানীহি মিন্ গইরি হাওলিম মিন্নী ওয়ালা কুওওয়াতিন)।

৫- “সকল হামদ-প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য; যিনি আমাকে এ (কাপড়)টি পরিধান করিয়েছেন এবং আমার শক্তি-সামর্থ্য ছাড়াই তিনি আমাকে এটা দান করেছেন”[1]।

(আল্লা-হুম্মা লাকাল-হামদু আনতা কাসাওতানীহি। আসআলুকা মিন খইরিহি ওয়া খইরি মা সুনি‘আ লাহু। ওয়া আঊযু বিকা মিন শাররিহি ওয়া শাররি মা সুনি‘আ লাহু)।

৬- “হে আল্লাহ্! আপনারই জন্য সকল হাম্‌দ-প্রশংসা। আপনিই এটি আমাকে পরিয়েছেন। আমি আপনার কাছে এর কল্যাণ ও এটি যে উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছে তার কল্যাণ প্রার্থনা করি। আর আমি এর অনিষ্ট এবং এটি যে জন্য তৈরি করা হয়েছে তার অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই”[1]।

(তুবলী ওয়া ইয়ুখলিফুল্লা-হু তাআলা)।

৭-(১) “তুমি পুরাতন করে ফেলবে, আর মহান আল্লাহ এর স্থলাভিষিক্ত করবেন”[1]।

(ইলবাস জাদীদানওয়া ইশ হামীদানওয়া মুত শাহীদান)।

৮-(২) “নতুন কাপড় পরিধান কর, প্রশংসিতরূপে দিনাতিপাত কর এবং শহীদ হয়ে মারা যাও”[2]।

(বিসমিল্লাহ)

৯- “আল্লাহ্‌র নামে (খুলে রাখলাম)”[1]।

10. " [ঈশ্বর] হে ক্ষুধার্ত এস চাইতে ডি alkhbs valkhbays » ।

([বিসমিল্লাহি] আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযু বিকা মিনাল খুব্‌সি ওয়াল খাবা-ইসি)

১০- “[আল্লাহ্‌র নামে।] হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট অপবিত্র নর জিন্ ও নারী জিন্ থেকে আশ্রয় চাই”[1]।

(গুফরা-নাকা)

১১- “আমি আপনার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।”[1]

16. (1) « ঈশ্বর, আল্লাহ, হূল ভিলা ভিলা ballh পাওয়ার ডিভাইস tvklt » ।

 (বিসমিল্লাহি, তাওয়াককালতু আলাল্লা-হি, ওয়ালা হাওয়া ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ)।

১৬-(১) “আল্লাহ্‌র নামে (বের হচ্ছি)। আল্লাহর উপর ভরসা করলাম। আর আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি কারো নেই”[1]।

17- (২) " হে আল্লাহ্, আমি আপনার আশ্রয় চাই, যেন আমি বিপথগামী, পথভ্রষ্ট, সরানো বা মুছে ফেলতে পারি অথবা অন্ধকার, অন্ধকার, অজ্ঞ, বা আমার অজ্ঞাত । "

 (আল্লা-হুম্মা ইন্নী আঊযু বিকা আন আদ্বিল্লা, আও উদ্বাল্লা, আও আযিল্লা, আও উযাল্লা, আও আযলিমা, আও উযলামা, আও আজহালা, আও ইয়ুজহালা আলাইয়্যা)।

১৭-(২) “হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই যেন নিজেকে বা অন্যকে পথভ্রষ্ট না করি, অথবা অন্যের দ্বারা পথভ্রষ্ট না হই; আমার নিজের বা অন্যের পদস্খলন না করি, অথবা আমায় যেন পদস্খলন করানো না হয়; আমি যেন নিজের বা অন্যের উপর যুলম না করি অথবা আমার প্রতি যুলম না করা হয়; আমি যেন নিজে মুর্খতা না করি, অথবা আমার উপর মূর্খতা করা না হয়।”[2]

১৮- বলবে,

(বিসমিল্লাহি ওয়ালাজনা, ওয়াবিস্‌মিল্লাহি খারাজনা, ওয়া ‘আলাল্লাহি রাব্বিনা তাওয়াক্কালনা)

“আল্লাহ্‌র নামে আমরা প্রবেশ করলাম, আল্লাহ্‌র নামেই আমরা বের হলাম এবং আমাদের রব আল্লাহ্‌র উপরই আমরা ভরসা করলাম”।

অতঃপর ঘরের লোকজনকে সালাম দিবে।[1]

কেবলমাত্র আল্লাহ্‌র জন্যই সকল প্রশংসা, আর সালাত ও সালাম পেশ করছি, এমন নবীর জন্য যার পরে আর কোনো নবী নেই।[1] অতঃপর,

৭৫-(১) আয়াতুল কুরসী:

 (আল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যূল কাইয়্যূমু লা তাখুযুহু সিনাতুঁও ওয়ালা নাউম। লাহূ মা-ফিসসামা-ওয়া-তি ওয়ামা ফিল আরদ্বি। মান যাল্লাযী ইয়াশফা‘উ ইনদাহূ ইল্লা বিইযনিহী। ইয়া‘লামু মা বাইনা আইদীহিম ওয়ামা খালফাহুম। ওয়ালা ইয়ুহীতূনা বিশাইইম মিন্ ইলমিহী ইল্লা বিমা শাআ। ওয়াসি‘আ কুরসিয়্যুহুস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্ব। ওয়ালা ইয়াউদুহূ হিফযুহুমা ওয়া হুয়াল ‘আলিয়্যূল ‘আযীম)।

“আল্লাহ্, তিনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ্ নেই। তিনি চিরঞ্জীব, সর্বসত্তার ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না, নিদ্রাও নয়। আসমানসমূহে যা রয়েছে ও যমীনে যা রয়েছে সবই তাঁর। কে সে, যে তাঁর অনুমতি ব্যতীত তাঁর কাছে সুপারিশ করবে? তাদের সামনে ও পিছনে যা কিছু আছে তা তিনি জানেন। আর যা তিনি ইচ্ছে করেন তা ছাড়া তাঁর জ্ঞানের কোনো কিছুকেই তারা পরিবেষ্টন করতে পারে না। তাঁর ‘কুরসী’ আসমানসমূহ ও যমীনকে পরিব্যাপ্ত করে আছে; আর এ দুটোর রক্ষণাবেক্ষণ তাঁর জন্য বোঝা হয় না। আর তিনি সুউচ্চ সুমহান।”[2]

৭৬-(২) সূরা ইখলাস, সূরা আল-ফালাক ও সূরা আন-নাস (তিনবার করে পাঠ করবে):[3]

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম (ক্বুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ। আল্লাহুস্ সামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ। ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ)।

রহমান, রহীম আল্লাহর নামে। “বলুন, তিনি আল্লাহ্, এক-অদ্বিতীয়। আল্লাহ্ হচ্ছেন ‘সামাদ’ (তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন, সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী)। তিনি কাউকেও জন্ম দেন নি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয় নি। আর তাঁর সমতুল্য কেউই নেই।”

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম (ক্বুল আ‘উযু বিরব্বিল ফালাক্ব। মিন শাররি মা খালাক্ব। ওয়া মিন শাররি গা-সিক্বিন ইযা ওয়াক্বাব। ওয়া মিন শাররিন নাফফা-সা-তি ফিল ‘উক্বাদ। ওয়া মিন শাররি হা-সিদিন ইযা হাসাদ)।

রহমান, রহীম আল্লাহর নামে। “বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি  ঊষার রবের। তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট হতে। ‘আর অনিষ্ট হতে রাতের অন্ধকারের, যখন তা গভীর হয়। আর অনিষ্ট হতে সমস্ত নারীদের, যারা গিরায় ফুঁক দেয়। আর অনিষ্ট হতে হিংসুকের, যখন সে হিংসা করে।”

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম (ক্বুল ‘আউযু বিরাব্বিন্না-স। মালিকিন্না-সিইলা-হিন্নাসিমিন শাররিল ওয়াসওয়া-সিল খান্না-সআল্লাযি ইউওয়াসউইসু ফী সুদূরিন না-সিমিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-স।)।

রহমান, রহীম আল্লাহর নামে। “বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি মানুষের রবের, মানুষের অধিপতির, মানুষের ইলাহের কাছে, আত্মগোপনকারী কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট হতে; যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে, জিনের মধ্য থেকে এবং মানুষের মধ্য থেকে।”

(আসবাহ্‌না ওয়া আসবাহাল মুলকু লিল্লাহি[4] ওয়ালহাম্‌দু লিল্লাহি, লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্‌দাহু লা শারীকা লাহুলাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদুওয়াহুয়া আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর। রব্বি আস্আলুকা খাইরা মা ফী হা-যাল ইয়াউমি ওয়া খাইরা মা বাদাহুওয়া আঊযু বিকা মিন শাররি মা ফী হা-যাল ইয়াউমি ওয়া শাররি মা বাদাহু।[5] রব্বি আঊযু বিকা মিনাল কাসালি ওয়া সূইল-কিবারি। রবিব আঊযু বিকা মিন আযাবিন ফিন্না-রি ওয়া আযাবিন্ ফিল ক্বাবরি)।

৭৭-(৩) “আমরা সকালে উপনীত হয়েছি, অনুরূপ যাবতীয় রাজত্বও সকালে উপনীত হয়েছে, আল্লাহ্‌র জন্য। সমুদয় প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য। একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসাও তাঁর, আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান।

হে রব্ব! এই দিনের মাঝে এবং এর পরে যা কিছু কল্যাণ আছে আমি আপনার নিকট তা প্রার্থনা করি। আর এই দিনের মাঝে এবং এর পরে যা কিছু অকল্যাণ আছে, তা থেকে আমি আপনার আশ্রয় চাই।

হে রব্ব! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই অলসতা ও খারাপ বার্ধক্য থেকে। হে রব্ব! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই জাহান্নামে আযাব হওয়া থেকে এবং কবরে আযাব হওয়া থেকে।”[6]

 (আল্লা-হুম্মা বিকা আসবাহ্‌না ওয়াবিকা আমসাইনা ওয়াবিকা নাহ্‌ইয়াওয়াবিকা নামূতু ওয়া ইলাইকান নুশূর) [7]

৭৮-(৪) “হে আল্লাহ! আমরা আপনার জন্য সকালে উপনীত হয়েছি এবং আপনারই জন্য আমরা বিকালে উপনীত হয়েছি। আর আপনার দ্বারা আমরা জীবিত থাকি, আপনার দ্বারাই আমরা মারা যাব; আর আপনার দিকেই উত্থিত হব।”[8]

৭৯-(৫) [সাইয়েদুল ইস্তেগফার:]

 (আল্লা-হুম্মা আনতা রব্বী লা ইলা-হা ইল্লা আনতা খলাক্বতানী ওয়া আনা ‘আব্দুকাওয়া আনা ‘আলা ‘আহদিকা ওয়া ওয়া‘দিকা মাস্তাত্বা‘তু। আ‘উযু বিকা মিন শাররি মা সানা‘তু, আবূউ[9] লাকা বিনি‘মাতিকা ‘আলাইয়্যা, ওয়া আবূউ বিযাম্বী। ফাগফির লী, ফাইন্নাহূ লা ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা আনতা)।

“হে আল্লাহ্‌! আপনি আমার রব্ব, আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনার বান্দা। আর আমি আমার সাধ্য মতো আপনার (তাওহীদের) অঙ্গীকার ও (জান্নাতের) প্রতিশ্রুতির উপর রয়েছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই। আপনি আমাকে আপনার যে নিয়ামত দিয়েছেন তা আমি স্বীকার করছি, আর আমি স্বীকার করছি আমার অপরাধ। অতএব আপনি আমাকে মাফ করুন। নিশ্চয় আপনি ছাড়া আর কেউ গুনাহসমূহ মাফ করে না।”[10]

 (আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসবাহ্‌তু[11] উশহিদুকা ওয়া উশহিদু হামালাতা ‘আরশিকা ওয়া মালা-ইকাতিকা ওয়া জামী‘আ খালক্বিকা, আন্নাকা আনতাল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা আনতা ওয়াহ্‌দাকা লা শারীকা লাকা, ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আব্দুকা ওয়া রাসূলুকা) [৪ বার]

৮০-(৬) “হে আল্লাহ! আমি সকালে উপনীত হয়েছি। আপনাকে আমি সাক্ষী রাখছি, আরও সাক্ষী রাখছি আপনার ‘আরশ বহনকারীদেরকে, আপনার ফেরেশতাগণকে ও আপনার সকল সৃষ্টিকে, (এর উপর) যে— নিশ্চয় আপনিই আল্লাহ, একমাত্র আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই, আপনার কোনো শরীক নেই; আর মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনার বান্দা ও রাসূল।” (৪ বার)[12]

(আল্লা-হুম্মা মা আসবাহা বী[13] মিন নিমাতিন আউ বিআহাদিন মিন খালক্বিকা ফামিনকা ওয়াহ্‌দাকা লা শারীকা লাকা, ফালাকাল হাম্‌দু ওয়ালাকাশ্ শুক্‌রু)।

৮১-(৭) “হে আল্লাহ! যে নেয়ামত আমার সাথে সকালে উপনীত হয়েছে, অথবা আপনার সৃষ্টির অন্য কারও সাথে; এসব নেয়ামত কেবলমাত্র আপনার নিকট থেকেই; আপনার কোনো শরীক নেই। সুতরাং সকল প্রশংসা আপনারই। আর সকল কৃতজ্ঞতা আপনারই প্রাপ্য।”[14]

 (আল্লা-হুম্মা আ-ফিনী ফী বাদানী, আল্লা-হুম্মা ‘আ-ফিনী ফী সাম্‘ঈ আল্লা-হুম্মা ‘আ-ফিনী ফী বাসারী। লা ইলা-হা ইল্লা আনতা। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিনাল কুফরি ওয়াল-ফাক্বরি ওয়া আ‘উযু বিকা মিন ‘আযা-বিল ক্বাবরি, লা ইলাহা ইল্লা আন্‌তা)। (৩ বার)

৮২-(৮) “হে আল্লাহ! আমাকে নিরাপত্তা দিন আমার শরীরে। হে আল্লাহ! আমাকে নিরাপত্তা দিন আমার শ্রবণশক্তিতে। হে আল্লাহ! আমাকে নিরাপত্তা দিন আমার দৃষ্টিশক্তিতে। আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই কুফরি ও দারিদ্র্য থেকে। আর আমি আপনার আশ্রয় চাই কবরের আযাব থেকে। আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই।”[15] (৩ বার)

 (হাসবিয়াল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা হুয়া, আলাইহি তাওয়াক্কালতু, ওয়াহুয়া রব্বুল আরশিল আযীম) (৭ বার)

৮৩-(৯) “আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আমি তাঁর উপরই ভরসা করি। আর তিনি মহান আরশের রব্ব।”[16] (৭ বার)

 (আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল আফওয়া ওয়াল- ‘আ-ফিয়াতা ফিদ্দুনইয়া ওয়াল আ-খিরাতি। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল আফওয়া ওয়াল-আ-ফিয়াতা ফী দ্বীনী ওয়াদুনইয়াইয়াওয়া আহ্‌লী ওয়া মা-লীআল্লা-হুম্মাসতুর আওরা-তী ওয়া আ-মিন রাওআ-তি। আল্লা-হুম্মাহফাযনী মিম্বাইনি ইয়াদাইয়্যা ওয়া মিন খালফী ওয়া ‘আন ইয়ামীনী ওয়া শিমা-লী ওয়া মিন ফাওকী। ওয়া আঊযু বিআযামাতিকা আন উগতা-লা মিন তাহ্‌তী)।

৮৪-(১০) “হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট দুনিয়া ও আখেরাতে ক্ষমা ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করছি। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট ক্ষমা এবং নিরাপত্তা চাচ্ছি আমার দ্বীন, দুনিয়া, পরিবার ও অর্থ-সম্পদের। হে আল্লাহ! আপনি আমার গোপন ত্রুটিসমূহ ঢেকে রাখুন, আমার উদ্বিগ্নতাকে রূপান্তরিত করুন নিরাপত্তায়। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে হেফাযত করুন আমার সামনের দিক থেকে, আমার পিছনের দিক থেকে, আমার ডান দিক থেকে, আমার বাম দিক থেকে এবং আমার উপরের দিক থেকে। আর আপনার মহত্ত্বের অসিলায় আশ্রয় চাই আমার নীচ থেকে হঠাৎ আক্রান্ত হওয়া থেকে”।[17]

 (আল্লা-হুম্মা আ-লিমাল গাইবি ওয়াশ্‌শাহা-দাতি ফা-ত্বিরাস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্বিরব্বা কুল্লি শাই’ইন ওয়া মালীকাহুআশহাদু আল-লা ইলা-হা ইল্লা আনতা। আ‘উযু বিকা মিন শাররি নাফ্‌সী ওয়া মিন শাররিশ শাইত্বা-নি ওয়াশিরকিহী/ওয়াশারাকিহী ওয়া আন আক্বতারিফা ‘আলা নাফ্‌সী সূওআন আউ আজুররাহূ ইলা মুসলিম)।

৮৫-(১১) “হে আল্লাহ! হে গায়েব ও উপস্থিতের জ্ঞানী, হে আসমানসমূহ ও যমীনের স্রষ্টা, হে সব কিছুর রব্ব ও মালিক! আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই আমার আত্মার অনিষ্ট থেকে, শয়তানের অনিষ্টতা থেকে ও তার শির্ক বা তার ফাঁদ থেকে, আমার নিজের উপর কোনো অনিষ্ট করা, অথবা কোনো মুসলিমের দিকে তা টেনে নেওয়া থেকে।”[18]

 (বিস্‌মিল্লা-হিল্লাযী লা ইয়াদ্বুররু মাআ ইস্‌মিহী শাইউন ফিল্ আরদ্বি ওয়ালা ফিস্ সামা-ইওয়াহুয়াস্ সামীউল ‘আলীম)। (৩ বার)

৮৬-(১২) “আল্লাহ্‌র নামে; যাঁর নামের সাথে আসমান ও যমীনে কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না। আর তিনি  সর্বশ্রোতা, মহাজ্ঞানী।”[19] (৩ বার)  

 (রদ্বীতু বিল্লা-হি রব্বান, ওয়াবিল ইসলা-মি দ্বীনান, ওয়াবি মুহাম্মাদিন সাল্লাল্লা-হু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামা নাবিয়্যান)। (৩ বার)

৮৭-(১৩) “আল্লাহকে রব, ইসলামকে দ্বীন ও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে নবীরূপে গ্রহণ করে আমি সন্তুষ্ট।”[20] (৩ বার)

 (ইয়া হাইয়্যু ইয়া ক্বাইয়্যূমু বিরহ্‌মাতিকা আস্তাগীসুআসলিহ্‌ লী শানী কুল্লাহু, ওয়ালা তাকিলনী ইলা নাফসী ত্বারফাতা ‘আইন)।

৮৮-(১৪) “হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী! আমি আপনার রহমতের অসীলায় আপনার কাছে উদ্ধার কামনা করি, আপনি আমার সার্বিক অবস্থা সংশোধন করে দিন, আর আমাকে আমার নিজের কাছে নিমেষের জন্যও সোপর্দ করবেন না।”[21]

 (আসবাহ্‌না ওয়া আসবাহাল-মূলকু লিল্লা-হি রব্বিল আলামীন।[22] আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকা খাইরা হাযাল ইয়াওমি[23] ফাতহাহু ওয়া নাসরাহু ওয়া নুরাহু ওয়া বারাকাতাহু ওয়া হুদা-হু। ওয়া আঊযু বিকা মিন শাররি মা ফীহি ওয়া শাররি মা বাদাহু)।

৮৯-(১৫) “আমরা সকালে উপনীত হয়েছি, অনুরূপ যাবতীয় রাজত্বও সকালে উপনীত হয়েছে সৃষ্টিকুলের রব্ব আল্লাহ্‌র জন্য। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে কামনা করি এই দিনের কল্যাণ: বিজয়, সাহায্য, নূর, রবকত ও হেদায়াত। আর আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই এ দিনের এবং এ দিনের পরের অকল্যাণ থেকে।” [24]

90- (16) " sbhna প্রকৃতি আলী আল কুল ual أ ى ك LM ة, কান থেকে ual ى ধর্ম, আমাদের (সা), ইসলাম ual ى প্রকৌশলী ইব্রাহিম হানিফ পায়ূ মুসলমানদের almsr ك yn » ।

 (আসবাহনা আলা ফিতরাতিল ইসলামি[25] ওয়া আলা কালিমাতিল ইখলাসি ওয়া আলা দ্বীনি নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদিন সাল্লাল্লা-হু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওয়া আলা মিল্লাতি আবীনা ইবরা-হীমা হানীফাম মুসলিমাও ওয়ামা কা-না মিনাল মুশরিকীন)।

৯০-(১৬) “আমরা সকালে উপনীত হয়েছি ইসলামের ফিতরাতের উপর, নিষ্ঠাপূর্ণ বাণী (তাওহীদ) এর উপর, আমাদের নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দ্বীনের উপর, আর আমাদের পিতা ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম-এর মিল্লাতের উপর—যিনি ছিলেন একনিষ্ঠ মুসলিম এবং যিনি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না”।[26]

 (সুবহা-নাল্লা-হি ওয়া বিহামদিহী)। (১০০ বার)

৯১-(১৭) “আমি আল্লাহর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি।” (১০০ বার)[27]

অথবা (অলসতা লাগলে ১ বার)

 (লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্‌দাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর)। (১০ বার) অথবা (অলসতা লাগলে ১ বার)

৯২-(১৮) “একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর, আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান।”

(১০ বার)[28] অথবা (অলসতা লাগলে ১ বার)[29]

 (লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্‌দাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর)।

৯৩-(১৯) “একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর, আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান।” (সকালবেলা ১০০ বার বলবে)[30]

 (সুব্‌হা-নাল্লা-হি ওয়া বিহামদিহী আদাদা খালক্বিহীওয়া রিদা নাফসিহীওয়া যিনাতা ‘আরশিহীওয়া মিদা-দা কালিমা-তিহী)। (৩ বার)

৯৪-(২০) “আমি আল্লাহর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি— তাঁর সৃষ্ট বস্তুসমূহের সংখ্যার সমান, তাঁর নিজের সন্তোষের সমান, তাঁর আরশের ওজনের সমান ও তাঁর বাণীসমূহ লেখার কালি পরিমাণ (অগণিত অসংখ্য)”।[31] (৩ বার)

(সকালবেলা বলবে)

(আল্লা-হুম্মা ইন্নি আসআলুকা ইলমান নাফেআন ওয়া রিয্‌কান তাইয়্যেবান ওয়া ‘আমালান মুতাক্বাব্বালান) (সকালবেলা বলবে)

৯৫-(২১) “হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিযিক এবং কবুলযোগ্য আমল প্রার্থনা করি।” (সকালবেলা বলবে)[32]

 (আস্তাগফিরুল্লাহ ওয়া আতূবু ইলাইহি)।

৯৬-(২২) “আমি আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং তাঁর নিকটই তাওবা করছি”। (প্রতি দিন ১০০ বার)[33]

(বিকালে ৩ বার)

(আঊযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মাতি মিন শাররি মা খালাক্বা)। (বিকালে ৩ বার)

৯৭-(২৩) “আল্লাহ্‌র পরিপূর্ণ কালেমাসমূহের ওসিলায় আমি তাঁর নিকট তাঁর সৃষ্টির ক্ষতি থেকে আশ্রয় চাই।”[34] (বিকালে ৩ বার)

[সকাল-বিকাল ১০ বার করে]

 (আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ) [সকাল-বিকাল ১০ বার করে]

৯৮-(২৪) “হে আল্লাহ! আপনি সালাত ও সালাম পেশ করুন আমাদের নবী মুহাম্মাদের উপর।” [সকাল-বিকাল ১০ বার করে][35]

 (আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা খাইরাহা ওা আ‘ঊযু বিকা মিন শাররিহা)।

১৬৬-(১) “হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট এর কল্যাণ চাই। আর আমি আপনার নিকট এর অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই।”[1]

 (আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস’আলুকা খাইরাহা ওয়া খা   ইরা মা-ফীহা ওয়া খাইরা মা উরসিলাত বিহী। ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন শাররিহা, ওয়া শাররি মা-ফীহা, ওয়া শাররি মা উরসিলাত বিহী)।

১৬৭-(২) “হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করি এর কল্যাণ, এর মধ্যকার কল্যাণ এবং যা এর সাথে প্রেরিত হয়েছে তার কল্যাণ। আর আমি আপনার আশ্রয় চাই এর অনিষ্ট থেকে, এর ভেতরে নিহিত অনিষ্ট থেকে এবং যা এর সাথে প্রেরিত হয়েছে তার অনিষ্ট থেকে।”[2]

Desktop Site