এসো হাদিস পড়ি ?

এসো হাদিস পড়ি ?

হাদিস অনলাইন ?

পশ্চিমবঙ্গ জলবায়ু

পূর্বদিকের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে, তার ভৌগোলিক অবস্থানের দরুণ এক ক্রান্তীয় জলবায়ু অনুভূত হয়। রাজ্যের ভূমিবৃত্তির মধ্যেও অনেক বৈচিত্র্য রয়েছে, যেমন এটি উত্তরে হিমালয়কে স্পর্শ করে আছে এবং দক্ষিণ দিক দিয়ে বঙ্গোপসাগর এই রাজ্যটিকে ঘিরে রয়েছে। ফলে উত্তরদিকের জেলাগুলিতে সারা বছর ধরে ঠান্ডা থাকে এবং এই কারণেই পর্যটকেরা এই শৈলশহরগুলিকে খুবই পছন্দ করে, বিশেষ করে গ্রীষ্মের মাসগুলিতে।

পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ুতে পূর্ণ বৈচিত্র্য রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ঋতুকে বিস্তৃতরূপে শ্রেণীবিভক্ত করা যেতে পারে; যেমন – গ্রীষ্মকাল, শীতকাল, শরৎকাল ও বর্ষাকাল। পশ্চিমবঙ্গে গ্রীষ্মকাল, মার্চের মাঝামাঝি থেকে জুন মাসের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত স্থিত হয়। এই সময় গড় তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রী থেকে ৪৫ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেডের মধ্যে থাকে। উচ্চ তাপমাত্রার দরুণ সমভূমির উপর নিম্ন-চাপের সৃষ্টি করে এবং এর ফল হিসাবে কালবৈশাখী আছড়ে পড়ে। এটি তাপমাত্রাকে হঠাৎ করে নীচে নামিয়ে আনে।

পশ্চিমবঙ্গে বর্ষা মরশুম হল বহু-প্রতীক্ষিত। বর্ষার বৃষ্টিধারার পর এখানকার প্রাকৃতিক ভূ-দৃশ্য ঘন সবুজ হয়ে ওঠে। জুন মাসের মাঝামাঝি সময়ে এই রাজ্যে বর্ষার আগমন হয় এবং বঙ্গোপসাগর থেকে প্রবাহিত বায়ুর দ্বারা এটি প্রভাবিত হয়। পশ্চিমবঙ্গে শরৎ ঋতুকে বেশ কিছু উৎসব-অনুষ্ঠানের সঙ্গে সাদর অভ্যর্থনা জানানো হয়। সেপ্টেম্বর থেকে এখানে উৎসবের মেজাজ আরম্ভ হয় এবং এই সময় শান্ত ও আনন্দময় পরিবেশে পশ্চিমবঙ্গে দূর্গাপূজার উৎসব পালিত হয়।

শীতকালের সময়ে, পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়া খুবই মনোরম থাকে। এই সময় এই রাজ্যে একটি কোমল ঠান্ডা জলবায়ু অনুভূত হয়, এসময় পশ্চিমবঙ্গের পার্বত্য অঞ্চলগুলিতে তাপমাত্রা খুবই নীচে নেমে যায়। নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে, পশ্চিমবঙ্গে শীত জাঁকিয়ে বসে এবং ফেব্রুয়ারীর মাঝামাঝির আগে এই তাপমাত্রা উপরে ওঠে না। এই শীতের মাসগুলিতে তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেডের আশেপাশে ওঠা-নামা করে।

* সর্বশেষ সংযোজন : ১০ - ই এপ্রিল, ২০১৫

Desktop Site