এসো হাদিস পড়ি ?

এসো হাদিস পড়ি ?

হাদিস অনলাইন ?

প্রবালের ৭টি অজানা তথ্য

১। সমুদ্র সৈকত রক্ষা করে প্রবালপ্রাচীর: উপকূলীয় অঞ্চলে অনেক মানুষের বসবাস। তাদের অধিকাংশই জানেন না, প্রবালপ্রাচীর সমুদ্র সৈকতকে ঘূর্ণিঝড়, ঢেউ, বন্যাসহ বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে, সেই সঙ্গে রক্ষা করে সৈকতের মানুষগুলোকে এবং তাদের সহায়-সম্পদ। 
২। অধিকাংশ প্রবালই রঙহীন: উজ্জ্বল রং প্রবালপ্রাচীরকে আকর্ষণীয় করে তোলে। কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে, বেশিরভাগ প্রবালেরই কিন্তু কোনো রং নেই। প্রবালের গায়ে জমে থাকা নানা রঙের নানা প্রজাতির শ্যাওলার কারণেই প্রবালপ্রাচীরের রং এমন উজ্জ্বল দেখায়। 
৩। কিছু প্রবাল তাপ বৃদ্ধির সঙ্গে মানিয়ে নেয়: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সমুদ্রের তাপমাত্রাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি অধিকাংশ প্রবালের অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। কিন্তু এর মধ্যে আশার খবর হল, কিছু প্রবাল সমুদ্রের তাপ বৃদ্ধির সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে টিকে থাকতে পারে। 
৪। সমুদ্রের নার্সারি প্রবালপ্রাচীর: পুরো পৃথিবীর সম্পূর্ণ জলজ পরিবেশের ১% এরও কম অংশ প্রবালপ্রাচীর। কিন্তু এই প্রবালপ্রাচীর ২৫% জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদের বাসস্থান। এক চতুর্থাংশ সামুদ্রিক মাছের জন্য নার্সারির মতো কাজ করে প্রবালপ্রাচীর। 
৫। অর্থনৈতিক গুরুত্ব: ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, ভারত, ভিয়েতনাম এবং চীনের এক মিলিয়নের বেশি মানুষ প্রবালপ্রাচীর বা তার কাছাকাছি এলাকায় মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রবালপ্রাচীর এলাকার মাছ থেকে বছরে ২.৪ বিলিয়ন ডলার আয় হয়। ২০১০ সালে পুরো বিশ্বে পর্যটন খাতে প্রবালপ্রাচীর এলাকা থেকে আয় ছিল ১১.৫ বিলিয়ন ডলার। 
৬। প্রাকৃতিক থ্রিডি প্রিন্টার: বর্তমানে থ্রিডি প্রিন্টার নিয়ে মেতে আছে গোটা দুনিয়া। মজার ব্যাপার হল, প্রবাল কিন্তু প্রাকৃতিক থ্রিডি প্রিন্টার। প্রবালের মধ্যে থাকা পলিপ সমুদ্রের পানি থেকে ক্যালসিয়াম সংগ্রহ করে তা কার্বন ডাই অক্সাইডের সঙ্গে মিশিয়ে চুনাপাথরের কঙ্কাল তৈরি করে যা প্রবালপ্রাচীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। 
৭। প্রবাল মাংসাশী প্রাণী: প্রবাল কিন্তু মাংসাশী প্রাণী। তারা ছোট মাছ, ছোট জলজ প্রাণী, এমনকি ছোট ছোট কাঁকড়াও খেয়ে থাকে।

আমাদের এই সুন্দর পৃথিবীতে অনেক অজানা তথ্যের ভাণ্ডার লুকিয়ে আছে। আজ  জানবো  এই সুন্দর পৃথিবী সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য।

# ম্যাগমা এক ধরনের গরম তরল শিলা যা পৃথিবীর মধ্যখানে রয়েছে। এটি লাভা নামেও পরিচিত যা আগ্নেয়গিরির মাধ্যমে বের হয়ে আসে।

# প্রাকৃতিক গ্যাসের কোন গন্ধ নেই,  মানুষ এতে শক্তিশালী গন্ধ যুক্ত করে এবং শুধু লিকের সময় এটি সনাক্ত করা যায়।

# হাওয়াই ১০ সেন্টিমিটার গতিতে জাপানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কারণ এটি বিভিন্ন টেকটনিক প্লেটে রয়েছে।

# পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মরুভূমি (মেরু অঞ্চলের বাইরে) সাহারা, এটি আফ্রিকার প্রায় এক তৃতীয়াংশ জুড়ে বিস্তৃত।

# পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী হল নীল নদ। নদীটি ৬৬৯৬ কিলোমিটার বা ৪১৬০ মাইল জুড়ে বিস্তৃত।

# আগ্নেয় শিলা পুমাইস নামে পরিচিত, এটি একমাত্র শিলা যা পানিতে ভাসতে পারে।

(৭) মাউন্ট এভারেস্ট পৃথিবীর সর্বোচ্চ পাহাড়, যার শীর্ষ সমুদ্রতল থেকে ৮৮৪৮ মিটার (২৯০২৯ ফুট) উঁচু।

# গড় হিসেবে আটলান্টিক মহাসাগর পৃথিবীর নোনা পানির প্রধান মহাসাগর।

# সমুদ্রপৃষ্ঠ সৃষ্ট ভূমিকম্পগুলি সুনামিতে রূপ নিয়ে বিশাল ভূমিতে এসে পৌঁছতে পারে এবং মানুষকে বিপদে ফেলতে পারে।

# পৃথিবী পুরোপুরি বৃত্তাকার নয়, এটি উত্তর ও দক্ষিণ মেরুতে সামান্য চ্যাপ্টা।

# বারমুডা ট্রাইএঙ্গেল নিয়ে ভয়! এর এতো খ্যাতি থাকা সত্ত্বেও এটি আসলে একটি জাহাজ চলাচলের সাধারণ রাস্তা মাত্র।

# বিজ্ঞানীদের মতে পৃথিবীর বয়স ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন বছর।

# অ্যামাজন বন হল পৃথিবীর বৃহত্তম ক্রান্তীয় রেনফরেস্ট বা ঘনবর্ষণ বনাঞ্চল।

# অস্ট্রেলিয়ার গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ হল বিশ্বের বৃহত্তম জীবন্ত কাঠামো।

# নায়াগ্রা জলপ্রপাত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সীমান্তে অবস্থিত।

# গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের নীচে পাওয়া পাথর যা প্রায় ২ বিলিয়ন বছর বয়সী।


Desktop Site