এসো হাদিস পড়ি ?

এসো হাদিস পড়ি ?

হাদিস অনলাইন ?

বিচিত্র পৃথিবীর বিচিত্র উপাখ্যান পর্ব ২---- বিচিত্র মাছ----- লাল লিপস্টিক সম্পন্ন ঠোঁটের Batfish থেকে হুঁকোমুখো হ্যাংলার বাস্তব চরিত্র Blob Fish... আসুন দেখে নেয়া যাক পানিবেষ্টিত সাম্রাজ্যের এরকম কিম্ভুতকিমাকার সদস্যদের 

 

“We’re all a little weird. And life is a little weird. And when we find someone whose weirdness is compatible with ours, we join up with them and fall into mutually satisfying weirdness”. 

পৃথিবী... মহাবিশ্বে এক বৃহৎ প্রাণের আধার......যাকে অনেক সময় “the majestic blue marble” হিসেবেও অভিহিত করা হয়ে থাকে... এই পৃথিবীকে জায়গার ধরণ অনুযায়ী প্রাথমিক ভাবে দুইটি ভাগে বিভক্ত করা হয়... জলভাগ এবং স্থলভাগ। পৃথিবীর ৭১% জলভাগের মধ্যে পড়ে এবং ২৯% স্থলভাগ। এই বিস্তীর্ণ জলভাগে রয়েছে পৃথিবীর বিশাল প্রাণী সাম্রাজ্যও। এই প্রাণীকুলের মধ্যে Pisces বা মৎস্যকূল আবার একটা বিরাট শতকরার অংশীদার বিভিন্ন ধরনের জল সাম্রাজ্যে...হাঙ্গর থেকে গাপ্পি কিংবা চিতল থেকে পুঁটি... আকার, আকৃতি, রং, বৈশিষ্ট্য সব দিক দিয়ে এরা একে অন্যের থেকে পুরোপুরি ভাবে পৃথক যে কোন দিক থেকেই... এদের কিছু কিছু দৃষ্টিতে আসে সহজে, কিছু আবার দৃষ্টির অগোচরেই থেকে যায় তাদের অস্তিত্ব নিয়ে...familiar vs. non-familiar এর যুগ যুগান্তের ধাঁধা!! আজ দেখা যাক... এই মৎস্য গোষ্ঠীরই বিচিত্র দর্শনের কিছু মহাশয়কে--- 

1. Red-lipped Batfish: 

এদের বৈজ্ঞানিক নাম Ogcocephalus darwini . এদের Galapagos batfish ও বলা হয়ে থাকে... এদের সাদৃশ্য দেখা যায় গোলাপি ঠোঁটের Batfish দের সাথে। এই অদ্ভুত দর্শনের বিরল প্রজাতির মাছের দেখা পাওয়া যায় কোস্টারিকার অদূরবর্তী কূল এলাকা... Cocos Island, Galapagos Island সন্নিবেশিত প্রশান্ত মহাসাগরের এলাকাতে এবং পেরুর দক্ষিণাংশে। এদের সমুদ্রের ৩০ মিটার গভীরতায় পাওয়া যায়। এরা অধিক পরিচিত এদের গাঢ় লাল বর্ণের ঠোঁটের কারণে!! এই ধরণের মাছ ভালো সাঁতারু হয় না... ফলে তাদের একমাত্র ভরসা তাদের উন্নত pectoral fin... এটির উপর ভর করে তারা সমুদ্রের তলদেশের মাটিতে হেঁটে বেড়ায়। খাদ্য হিসেবে তারা অন্যান্য ছোট ছোট মাছ কিংবা সাগরের তলদেশে বিচরণ করা ছোট ছোট চিংড়ি প্রভৃতি গ্রহণ করে থাকে!! 

You tube link: https://www.youtube.com/watch?v=lVtX2NW3K00 




2. Goblin Shark: 
এর বৈজ্ঞানিক নাম Mitsukurina owstoni . এটি সমুদ্রের গভীরে বসবাস করা হাঙ্গরদের মধ্যে সব থেকে বিরল প্রজাতির। এদের জীবন্ত জীবাশ্ম(Living fossil)ও বলা হয়ে থাকে কারণ ধারণা করা হয় তারা পৃথিবীতে প্রায় ১৫০ মিলিয়ন বছর ধরে বিরাজমান! এই গোলাপি বর্ণের হাঙ্গরটির দেহ কিছুটা লম্বাটে, চাপা নাসারন্ধ্র এবং কাঁটার মত দাঁত সমৃদ্ধ উন্নত চোয়াল নিয়ে গঠিত। “Goblin shark” এর নামকরণ হয়েছে এরই জাপানিজ নামের সংস্করণ “ Tenguzame” থেকে যেখানে জাপানিজ “Tengu” অর্থ “লম্বা নাক এবং লাল বর্ণ বিশিষ্ট মুখের পৌরাণিক কোন জীব”!! একে অনেকে “Elfin shark” ও বলে থাকে। এদের বিশ্বব্যাপী সকল সাগর এবং মহাসাগরে পাওয়া যায়...মেক্সিকো উপসাগর, সুরিনাম, ফ্রেঞ্চ গায়ানা, ব্রাজিলের দক্ষিণাংশ, ফ্রান্স, পর্তুগাল, সেনেগাল প্রভৃতি দেশ বেষ্টিত আটলান্টিক মহাসাগরের অংশ, সাউথ আফ্রিকা, মোজাম্বিক , জাপান, তাইওয়ান , অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড বেষ্টিত প্রশান্ত মহাসাগরের অংশ এদের অবস্থানের অন্যতম জায়গা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়! এই ধরণের মাছ সমুদ্রে প্রায় ২৭০-৯৬০ মিটার গভীরতায় পাওয়া যায়! 

You tube link: https://www.youtube.com/watch?v=eh_HUIJkRzU 




3. Pacu Fish: 

এর বৈজ্ঞানিক নাম Colossoma macroponum. এদের দক্ষিণ আমেরিকার স্বাদু পানির নদী গুলোতে পাওয়া যায়... বিশেষত আমাজন এবং অরিনক্কো (Orinocco) river basin এর বিভিন্ন নদীতে। এদের কিছু কিছু প্রজাতি পাপুয়া নিউগিনিতেও পাওয়া গেছে। পিরানহা এবং এটি একই পরিবারভুক্ত... Serrasalminae...কিন্তু তাদের খাদ্যাভ্যাস, দাঁতের আকার একে অপরের তুলনায় পুরোটাই ভিন্ন। পিরানহা মাংসভুক (carnivorous) শ্রেণীর মাছ কিন্তু Pacu সর্বভুক (omnivorous) হয়ে থাকে... অপরদিকে পিরানহার দাঁত ধারালো, সূক্ষ্ম ধরণের হয় কিন্তু Pacu র দাঁত হয় বর্গাকার, সোজা ধরণের...... এক কথায় এদের দাঁত একেবারে মানুষের মত হয়ে থাকে!! এই জাতীয় মাছ সাধারণত বাদাম এবং ফল জাতীয় খাওয়ার খেয়ে থাকে...আবার অনেক ক্ষেত্রে এদের ছোট ছোট মাছ এবং বিভিন্ন ছোট ছোট অমেরুদণ্ডী প্রাণীদেরও ভক্ষণ করতে দেখা যায়! Pacu fish স্থানীয় মৎস্যজীবীদের কাছে এক বিভীষিকার নাম...একে অনেক জায়গাতে “Ball cutter” হিসেবেও সম্বোধন করা হয়ে থাকে...!! এ পর্যন্ত পাপুয়া নিউগিনির অনেক মৎস্যজীবী এর আক্রমণে castration এর শিকার হয়েছেন !! 

You tube link: https://www.youtube.com/watch?v=Lr_y48U1r3Q 



4. Oar Fish: 

এর বৈজ্ঞানিক নাম Agrostichthys regalecus. Oarfish অনেক বৃহৎ আকারের, চাপা দেহের হয়ে থাকে। এদের খুব সহজে দেখা পাওয়া যায় না... এরা কিছুটা বিরল শ্রেণীর। এদের সমুদ্রের সব থেকে বৃহদাকার মাছগুলোর মধ্যে অন্যতম সদস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। কিছু কিছু মাছ ৫০ ফিট পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে... এদের এই চ্যাপ্টা আকৃতির কারণে এদের “ribbon fish ” ও বলা হয়ে থাকে। পৃথিবীব্যাপী বিভিন্ন সমুদ্রে এদের অবস্থান থাকলেও এদের দেখা সহজে পাওয়া যায় না... কারণ এরা বিজ্ঞানীদের মতে সমুদ্রে ভেসে উঠে তাদের অসুস্থতার সময় অথবা মারা যাওয়ার কিছুদিন আগে। ২০১৩ সালের অক্টোবর মাসে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়াতে দুইটি Oarfish এরকম ভাসমান অবস্থায় পাওয়া যায়! অনেকের মতে এই Oarfish ই সেই লোককথার sea serpent বা sea monster.. যারা বছরের পর বছর ধরে গভীর সমুদ্রের তলদেশে তাদের অস্তিত্ব বাঁচিয়ে রেখেছে!! 

You tube link: https://www.youtube.com/watch?v=8OElhdbaHMk 





5. Blue Parrotfish: 

এর বৈজ্ঞানিক নাম Scarus coeruleus . এদের ক্যারিবিয়ান সমুদ্রে অথবা দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অংশের প্রবাল দ্বীপের অগভীর পানিতে দেখতে পাওয়া যায়। এরা দেখতে নীল বর্ণের হয় এবং মাথার দিকের অংশে একটি হলুদ রঙের দাগ দেখা যায় যা সময় যেতে যেতে মিলিয়ে যেতে থাকে...এরা ৩০-৭৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হয় সাধারণত। সমুদ্রের পাথর সন্নিবেশিত বিভিন্ন গোত্রের শৈবাল এবং ছোট ছোট জৈবিক খাদ্য ভক্ষণের জন্য এদের মাথার অগ্রভাগে টিয়া পাখির ঠোঁটের মত অংশ রয়েছে যার কারণে এর নাম হয়েছে “Parrotfish”! তারা তাদের বিশেষ ধরণের দাঁতের সাহায্যে পাথর ভেঙ্গে বালুতে পরিণত করে এবং খাদ্য তালিকার অংশ হিসেবে গ্রহণ করে থাকে! পলিনেশিয়াতে এদের কাঁচা অবস্থায় খাওয়া হয়ে থাকে এবং এক সময় এটি শুধু রাজারা খেত... এজন্য একে “royal food” হিসেবে এসব দেশে অভিহিত করা হত ! 

You tube Link: https://www.youtube.com/watch?v=8T-gnZevlaY 



6. Gulper Eel: 


এর বৈজ্ঞানিক নাম Eurypharynx pelecanoides. এটি সমুদ্রের গভীরে বসবাস করা অদ্ভুত দর্শনের মাছের মধ্যে অন্যতম। এর বৃহৎ আকৃতির মুখের উপস্থিতি এদের দেহের অন্যতম বৈশিষ্ট্য... এমনকি এদের মুখের প্রশস্ততা, এদের দেহের দৈর্ঘ্য কেও কখনও কখনও হার মানায়। মুখের চোয়াল দুইটি এদের কিছুটা আলগা ধরণের এবং এই বৃহৎ মুখের, বৃহৎ চোয়াল এদের নিজেদের থেকে বড় আকারের প্রাণী ভক্ষণে সহায়তা করে থাকে। এদের নিম্ন চোয়াল Pelican পাখির মত থলে আকৃতির... যার কারণে এদের “Pelican eel” ও বলা হয়! এদের ৫০০-৬০০ মিটার গভীরতায় পৃথিবীর সকল সাগর এবং মহাসাগরের tropical এবং temperate অবস্থানে পাওয়া যায় !! এর লেজের শীর্ষভাগে এক ধরণের আলোক উৎপাদনকারী অংশ রয়েছে যাকে “photophore” বলে । এই eel জাতীয় মাছটি শিকার ধরার জন্য বেশি দূর পর্যন্ত যেতে পারে না... তাদের এই আলোকোজ্জ্বল বৈশিষ্ট্যের লেজটি শিকারকে তাদের দিকে আকৃষ্ট করে... কারণ সন্ধ্যার পরে তাদের এই লেজ থেকে গোলাপি অথবা লাল আলোর ছটা বিক্ষিপ্ত হয়... এবং এভাবেই তারা শিকারকে নিজের কাছে আকৃষ্ট করে এনে আক্রমণ করে থাকে ! 

You tube Link: https://www.youtube.com/watch?v=tInHUbz3B_Y 




7. Antarctic Icefish: 
এর বৈজ্ঞানিক নাম Chaenocephalus aceratus . এই জাতীয় মাছ সর্বপ্রথম আবিষ্কার করে Ditlef Rustad ১৯২৭ সালে, অ্যান্টার্কটিকার আশে পাশের সমুদ্র উপকূলে। এর দেহের স্বচ্ছ সাদাটে বৈশিষ্ট্য একে আর সবার থেকে আলাদা করে... এই মাছের এই ধরণের স্বচ্ছতার কারণ এদের রক্তে হিমোগ্লোবিনের কম উপস্থিতি! যেখানে অন্যান্য মাছের রক্তে ৪৫% হিমোগ্লোবিনের উপস্থিতি দেখা যায়... এর রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ মাত্র ১% ! বিজ্ঞানীরা ৬০ বছর ধরে গবেষণা করছেন, কিভাবে এই মাছ এত কম হিমোগ্লোবিন, রক্তে বহন করা সত্ত্বেও পানিতে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে... যেখানে হিমোগ্লোবিনকে শ্বসন কার্যের অন্যতম উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়...!! সাম্প্রতিক সময়ে অনেক বিজ্ঞানী ব্যাপারটি গভীর পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন... এই মাছ ফুলকা বা রক্তের হিমোগ্লোবিনের সাহায্যে যতটা না নিজেদের শ্বসন কার্য চালায়, তার থেকে এদের শ্বসন কার্য অনেকাংশে নির্ভরশীল এদের স্বচ্ছ চামড়ার উপরে... এরা মুক্ত অক্সিজেন চামড়ার সাহায্যে গ্রহণ করতে পারে! আবার কেউ কেউ বলেছে, এরা রক্তের তুলনায় রক্তের হলুদ বর্ণের তরল যৌগ অর্থাৎ প্লাজমার উপর নির্ভরশীল যা এদের দেহের ৫৫%... এই প্লাজমায় হয়ত এদের দেহের স্বচ্ছ অংশের ভিতরে হলুদাভ একটা আভা সৃষ্টির অন্যতম কারণও !! এদের -২ থেকে ৪⁰ তাপমাত্রায় সমুদ্রের ১৫০০ মিটার পর্যন্ত গভীরতায় পাওয়া যায় ! 

You tube Link: https://www.youtube.com/watch?v=WpIe8_pUSu4 



8. Blob Fish: 

এর বৈজ্ঞানিক নাম Psychrolutes marcidus. এর সাদৃশ্য আমি ব্যাক্তিগত ভাবে সুকুমার রায়ের বিখ্যাত চরিত্র হুঁকোমুখো হ্যাংলার সাথে পেয়েছি !! হুঁকোমুখো এই হ্যাংলার বাড়ি কিন্তু বাংলায় নয় বরং সাগরে !! এরা সমুদ্রের অনেক গভীরে(প্রায় ৬০০-১২০০ মিটার) বসবাস করে এবং এদের অস্ট্রেলিয়া, তাসমানিয়া এবং নিউজিল্যান্ড অঞ্চল বেষ্টিত সমুদ্রে পাওয়া যায়। এরা ৩০ সেমি. দৈর্ঘ্যের হয়ে থাকে সচরাচর। Blobfish এর দেহ জেলাটিনাস পদার্থ দিয়ে তৈরি হওয়ায় এরা পানির ঘনত্বের তুলনায় কিছুটা হালকা হয়... এর ফলে তাদের পানিতে বেশি পরিশ্রম করে সাঁতার কাটা লাগে না...এরা ভেসে ভেসে বহুদুর অতিক্রম করতে পারে! এদের কম ঘনত্বের মাংসল দেহের কারণে এদের যখন পানির বাইরের পরিবেশে আনা হয়... তখন এরা অন্য রকম দেখতে হয়ে যায়! এদের এই অদ্ভুত চেহারার কারণে এরা ২০১৩ সালে নির্বাচিত হয়েছিল একটি ফটোগ্রাফিক সোসাইটির জরিপে “ World’s most ugliest” হিসেবে এবং এটি Ugly animal preservation society র official mascot ও ছিল! 

You tube Link: https://www.youtube.com/watch?v=VGBs-8qlGzM 



এবার একটু পর্যবেক্ষণ করে দেখুন তো হুঁকোমুখো হ্যাংলার সাথে Blobfish এর সাদৃশ্য পাওয়া গেলো কিনা !!!!!!  




9. Monk fish: 

এর বৈজ্ঞানিক নাম Squatina squatina. এদের ইউরোপের সমুদ্রে বেশি দেখতে পাওয়া যায়। এদের অন্যান্য নাম গুলোর মধ্যে Frog fish, Sea-devil অন্যতম। এদের মাথা চ্যাপ্টা আকৃতির এবং বৃহৎ হয়ে থাকে এবং অবশিষ্ট দেহ অনেকটা উপাঙ্গের মত দেখায় এদের বৃহৎ মাথার প্রেক্ষিতে! এদের চোয়ালের উভয় অংশে ধারালো দাঁত রয়েছে । এরা এদের পাখনার সাহায্যে সমুদ্রের তলদেশে হেঁটে বেড়ায়। এরা নিজেদের শিকারিদের সহজে ধোঁকা দিতে পারে...এরা বর্ণচোরা গোত্রের... কখনও আগাছার মধ্যে লুকিয়ে থাকতে এরা আগাছার বর্ণ যেমন সবুজাভ হয়ে যায় আবার কখনও সমুদ্রের তলদেশের বালুতে লুকাতে এরা বালুর বাদামী বা ধূসর বর্ণ ধারণ করে সহজেই চোখের নিমিষেই উধাও হয়ে যায় ! এদের মুখের সাথে সাথে এদের পাকস্থলীর আকৃতিও বৃহৎ... এরা নিজেদের সমান দৈর্ঘ্যের কোন জীবকে অনায়সেই গিলে নিতে সক্ষম! 

You tube Link: https://www.youtube.com/watch?v=9yFRQ_J2d2E 




10. Striated Frogfish: 

এর বৈজ্ঞানিক নাম Antennarius striatus. এরা ছোট আকৃতির হয়ে থাকে... ২২ সে.মি পর্যন্ত সর্বোচ্চ লম্বা হয় এরা। এদের দেহ গোলাকার এবং চাপা ধরণের হয় যাতে নরম চামড়ার একটি আবরণ থাকে যা অনির্দিষ্ট কিছু সূক্ষ্ম কাঁটা এবং লোম সম্বলিত হয়ে থাকে ! এদের দেহের বর্ণ তাদের আশে পাশের পরিবেশের উপর নির্ভরশীল... এই মাছটিও তাদের দেহের বর্ণ পরিবর্তন করতে পারে... কখনও কখনও এটি বাদামী বর্ণের হয়, কখনও কমলা, কখনও সবুজ, কখনও ধূসর, কখনও সাদা আবার কখনও কুচকুচে কালো বর্ণ ধারণ করে পরিবেশ সাপেক্ষে... তবে এদের কোন পরিবেশের সাপেক্ষে নিজেদের মানিয়ে নিয়ে বর্ণ পরিবর্তন করতে প্রায় এক সপ্তাহের মত সময় লেগে যায় ! দেহ এবং পাখনা লম্বা গাঢ় বর্ণের দাগ সম্বলিত হয়ে থাকে। এই ধরণের মাছ সব ধরণের tropical এবং sub-tropical অবস্থায় ভারত মহাসাগর, প্রশান্ত মহাসাগর , আটলান্টিক মহাসাগর সহ মেক্সিকো উপসাগর এবং ক্যারিবিয়ান সাগরের সন্নিবেশিত অঞ্চল সমূহে ২১০ মিটার পর্যন্ত সমুদ্র গভীরতায় পাওয়া যায়! 
You tube link: https://www.youtube.com/watch?v=Ww_05xR2_Pk 






বিচিত্র পৃথিবীর বিচিত্র উপাখ্যান এর প্রথম পর্ব পড়তে এই লিংক দেখুন-- 

Click This Link 

Desktop Site