এসো হাদিস পড়ি ?

এসো হাদিস পড়ি ?

হাদিস অনলাইন ?

৪৭. সন্তান লাভকারীকে অভিনন্দন ও তার জবাব

145- « বারকুলা তাক আল মাউবুব আল-লাক, শায়খ আল-আব্বাস, আল-মুগল (আরএ ) ।
« বারকুয়ালা লকাক ওয়াকার আলাইক, ওয়াজেকুল্লাহ খায়ের, ওজকিউল্লাহ 'উল্লাহ, وأجزل ثوابك » ।
[1] এটি হাসান বসরী রাহিমাহুল্লাহর বাণী হিসেবে উল্লেখিত হয়েছে। দেখুন, তুহফাতুল মাওদূদ লি ইবনিল কাইয়্যেম, পৃ. ২০; তিনি একে ইবনুল মুনযির এর আল-আওসাত্ব গ্রন্থের দিকে সম্পর্কযুক্ত করেছেন।
[2] এটি ইমাম নাওয়াবী তার আল-আযকার গ্রন্থে পৃ. ৩৪৯ উল্লেখ করেছেন। আরও দেখুন, সহীহুল আযকার লিন নাওয়াবী, সলীম আল-হিলালী, ২/৭১৩। আর এর বিস্তারিত তাখরীজ দেখার জন্য গ্রন্থকারের ‘আয-যিকর ওয়াদ দো‘আ ওয়াল ‘ইলাজ বির রুকা’ গ্রন্থটি দেখুন, পৃ. ১/৪১৬।
 হিসনুল মুসলিম বিবাহ ও দাম্পত্য বিষয়াবলী ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৪৮. যা দ্বারা শিশুদের জন্য আশ্রয় প্রার্থনা করা হয়

146- « yzkma শব্দ ঈশ্বর altamh ডি vhamh আগামীকাল শয়তান, বমি lamh বাকি আগামীকাল » ।
ফুটনোটঃ[1] বুখারী ৪/১১৯, নং ৩৩৭১; ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমার হাদীস থেকে।
 হিসনুল মুসলিম বিবাহ ও দাম্পত্য বিষয়াবলী ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৭৯. নব বিবাহিতের জন্য দো‘আ
ফুটনোটঃ[1] হাদীসটি নাসাঈ ব্যতীত সকল সুনানগ্রন্থকারগণই সংকলন করেছেন। আবু দাঊদ, নং ২১৩০; তিরমিযী, নং ১০৯১; ইবন মাজাহ, নং ১৯০৫; নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল-লাইলাহ, নং ২৫৯। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ১/৩১৬।
 হিসনুল মুসলিম বিবাহ ও দাম্পত্য বিষয়াবলী ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৮০. বিবাহিত ব্যক্তির দো‘আ এবং বাহন ক্রয়ের পর দো‘আ হিসনুল মুসলিম বিবাহ ও দাম্পত্য বিষয়াবলী ড. সাঈদ ইব্‌ন আলী ইব্‌ন ওয়াহফ আল-ক্বাহত্বানী
৮১. স্ত্রী-সহবাসের পুর্বের দো‘আ

(বা-রাকাল্লা-হু লাকা ফিল মাউহুবি লাকওয়া শাকারতাল ওয়া-হিবাওয়া বালাগা আশুদ্দাহুওয়া রুযিক্তা বিররাহু)।

১৪৫- “আল্লাহ আপনাকে যা দিয়েছেন তাতে আপনার জন্য বরকত দান করুন, সন্তান দানকারীর শুকরিয়া আদায় করুন, সন্তানটি পরিপূর্ণ বয়সে পদার্পণ করুক এবং তার সদ্ব্যবহার প্রাপ্ত হোন।”[1]

অভিনন্দনের জবাবে বলবে

(বা-রাকাল্লা-হু লাকা ওয়া বা-রাকা আলাইকাওয়া জাযা-কাল্লা-হু খাইরানওয়া রাযাক্বাকাল্লা-হু মিসলাহু ওয়া আজযালা সাওয়া-বাকা)।

“আল্লাহ আপনাকে বরকত দান করুন, আর আপনার উপর বরকত নাযিল করুন। আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন, আর আপনাকেও অনুরূপ দান করুন এবং আপনার সওয়াব বহুগুণ বৃদ্ধি করুন।”[2]

১৪৬- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসান ও হুসাইন রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা-এর জন্য এই বলে (আল্লাহ্‌র) আশ্রয় প্রার্থনা করতেন-

 (উইযুকুমা বিকালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মাতি মিন কুল্লি শাইতানিওঁয়া হা-ম্মাহ্‌ওয়ামিন কুল্লি আইনিল্লা-ম্মাহ্‌)।

“আমি তোমাদের দু’জনকে আল্লাহ্‌র পরিপূর্ণ কালেমাসমূহের আশ্রয়ে নিচ্ছি যাবতীয় শয়তান ও বিষধর জন্তু থেকে এবং যাবতীয় ক্ষতিকর চক্ষু (বদনযর) থেকে।”[1]

« বারকুলা লাক, ওয়াকাক আলাইক, ওয়াক্কা বেনক্মা ফার-খায়ের » ।

 (বা-রাকাল্লা-হু লাকা ওয়াবা-রাকা আলাইকা ওয়া জামাআ বাইনাকুমা ফী খাইরিন্)।

১৯০- “আল্লাহ আপনার জন্য বরকতদান করুন, আপনার উপর বরকত নাযিল করুন এবং কল্যাণের সাথে আপনাদের উভয়কে একত্রিত করুন।”[1]

১৯১- “যখন তোমাদের কেউ কোনো মেয়েকে বিয়ে করে, অথবা কোনো খাদেম গ্রহণ করে, তখন যেন সে বলে,

191- « হে পরিবর্তন salk khyrha, vkhyr মা jbltha শান্তি, ক্ষুধা vavz ডি shrha, পক্ষাবলম্বন মা jbltha শান্তি, vaza Ashtar byra flyakhz bzrvh snamh vlyql zlk মত» ।

 (আল্লা-হুম্মা ইন্নি আসআলুকা খাইরাহা ওয়া খাইরা মা জাবালতাহা ‘আলাইহিওয়া আঊযু বিকা মিন শাররিহা ওয়া শাররি মা জাবালতাহা ‘আলাইহি)

“হে আল্লাহ, আমি এর যত কল্যাণ রয়েছে এবং যত কল্যাণ তার স্বভাবে আপনি দিয়েছেন তা চাই। আর এর যত অকল্যাণ রয়েছে এবং যত অকল্যাণ ওর স্বভাব-চরিত্রে আপনি রেখেছেন তা থেকে আপনার আশ্রয় চাই।”

“আর যখন কোনো উট তথা বাহন খরিদ করে, তখন যেন সে তার কুঁজের সর্বোচ্চ স্থানে হাত রাখে এবং অনুরূপ বলে।[1]

[1] আবু দাঊদ-২/২৪৮, নং ২১৬০; ইবন মাজাহ্‌ ১/৬১৭, নং ১৯১৮। আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ, ১/৩২৪।

19২- « বিসমিল্লাহ, আল্লাহ জিন্নাহ আল শায়তান, মাজিদ আল-ওয়াকিব (আল্লাহ তাঁর সঙ্গে খুশি ) ।

(বিসমিল্লাহি আল্লা-হুম্মা জান্নিবনাশ্-শাইত্বানা ওয়া জান্নিবিশ্-শাইত্বানা মা রযাকতানা)।

১৯২- “আল্লাহ্‌র নামে। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের থেকে শয়তানকে দূরে রাখুন এবং আমাদেরকে আপনি যে সন্তান দান করবেন তার থেকেও শয়তানকে দূরে রাখুন।”[1]

[1] বুখারী ৬/১৪১, নং ১৪১; মুসলিম ২/১০২৮, নং ১৪৩৪।

Desktop Site