এসো হাদিস পড়ি ?

এসো হাদিস পড়ি ?

হাদিস অনলাইন ?

ভারতের মাটি:-
1.ভারতের শতকরা ৪৬ ভাগস্থানে পলিমাটি আছে ৷
2.ভারতের শতকরা ১৭ ভাগ স্থানে কৃষ্ণ মত্তিকা আছে ৷
3.ভারতের শতকরা ১১ ভাগ স্থানে লোহিত মৃত্তিকা আছে ৷
4.ভারতের শতকরা ৮ ভাগ স্থানে ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা আছে ৷
5.বালুকাময় মরুমৃত্তিকাকে সিরোজেম বলে ৷
6.বালি ও নুড়ি পাথরপূর্ণ মৃত্তিকাকে – ভাবর বলে ৷
7.কালো মাটি ব্যসল্ট মৃত্তিকা ক্ষয়ে সৃষ্ট হয়েছে ,এর অপর নাম রেগুর ৷
8.কালো মাটিতে লোহা ও অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড থাকে ৷এর অপরনাম লাল কাকুরে মাটি ৷
9.নতুন পলি সঞ্চিত প্লাবন ভূমির মাটিকে খাদর বলে ৷ এতে বালির ভাগ বেশি থাকে এর রঙ ধুসর ৷
10.পুরানো পলি মাটির নাম ভাঙ্গর ৷ এতে চুন জাতিয় পদার্থ বেশি থাকে ৷
11.ল্যাটিন শব্দ ল্যাটার যার বাংলা প্রতিশব্দ ইট – এর থেকে ল্যাটেরাইট মাটির উৎপত্তি হয়ছে ৷
12.ঝুম চাষ একধরণের পরিবর্তনশিল কৃষি ৷
13.দাক্ষিণাত্য মালভূমিতে কৃষ্ণ মৃত্তিকা দেখা যায় ৷
14.তেলেগু শব্দ রেগাডা থেকে রেগুর শব্দের উৎপত্তি ৷
15.উচ্চ গঙ্গা সমভূমি অঞ্চলে কোথাও কোথাও একপ্রকার সূক্ষ কণার মৃত্তিকা দেখা যায় একে ভুর বলে ৷
16.ছোটোনাগপুরেরমালভুমি অঞ্চলে ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা দেখা যায় ৷
17.পডসল মৃত্তিকা অঞ্চলে সরলবর্গীয় অরণ্য দেখতে পাওয়া যায় ৷
18.মৃত্তিকা সংরক্ষনের প্রধান উপায় বৃক্ষরোপণ ৷
19.উত্তরাঞ্চলেরদেরাদুনে মৃত্তিকা গবেষণাগার আছে ৷
20.বালি মাটিতে বালির ভাগ শতকরা ৫০ ভাগের বেশি ৷
21.দোয়াশ মাটিতে বালি ও কাদার পরিমান সমান ৷
22.এঁটেল মাটিতে কাদার পরিমাণ ৫০ % এর বেশি ৷
23.পাঞ্জাবে নবিন পলিমাটিকে বেট বলে ৷
24.জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ অম্ল মৃত্তিকার নাম পডসল এটি হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলে দেখা যায় ৷
25.মাটির উপরিভাগ বায়ুপ্রবাহ বা বৃষ্টিপাত দ্বারা ক্ষয় প্রাপ্ত হলে তাকে আস্তরণ ক্ষয় বলে ৷
26.বৃষ্টির জল উঁচু জায়গা থেকে নীচু জায়গায় গড়িয়ে পড়ার সময় সরু নালার আকারে ক্ষয় পেলে তাকে নালিক্ষয় বলে ৷
27.নালিক্ষয় পরস্পর যুক্ত হলে তাকে প্রণালীক্ষয় বলে ৷ 

প্রশ্ন:- তাঁতিয়াটোপি কে ছিলেন ?
উত্তর:- তাঁতিয়াটোপি ছিলেন একজন মারাঠা
ব্রাহ্মণ । তিনি সিপাহী বিদ্রোহের সময়
নানা সাহেব ও লক্ষ্ণীবাইকে সৈন্যসহ সাহায্য
করেন ।
প্রশ্ন:- ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের মহাবিদ্রোহের একজন
ভারতীয় নেতার নাম উল্লেখ করো ।
উত্তর:- ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের মহাবিদ্রোহের একজন
ভারতীয় নেতার নাম তাঁতিয়াটোপি ।
প্রশ্ন:- ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহের সময়
দিল্লীর মোগল বাদশাহ কে ছিলেন ?
উত্তর:- ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহের সময়
দিল্লীর মোগল বাদশাহ ছিলেন দ্বিতীয়
বাহাদুর শাহ বা বাহাদুর শাহ জাফর ।
প্রশ্ন:- সিপাহী বিদ্রোহের সূচনা কোথায় হয় ?
উত্তর:- সিপাহী বিদ্রোহের সূচনা হয়
ব্যারাকপুরে ।
প্রশ্ন:- ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের মহাবিদ্রোহের গণ-
আন্দোলনের একটি প্রধান কেন্দ্রের নাম কী ?
উত্তর:- ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের মহাবিদ্রোহের গণ-
আন্দোলনের একটি প্রধান কেন্দ্রের নাম হল
লক্ষ্মৌ ।
প্রশ্ন:- সিপাহী বিদ্রোহ দমনে প্রধান প্রধান
ইংরেজ সেনাপতি কারা ছিলেন ?
উত্তর:- সিপাহী বিদ্রোহ দমনে প্রধান প্রধান
ইংরেজ সেনাপতিদের মধ্যে ছিলেন জন
লরেন্স, আউটরাম ও হ্যাভলক ।
প্রশ্ন:- ব্যারাকপুর সামরিক ছাউনিতে কবে এবং
কে সর্বপ্রথম বিদ্রোহ ঘোষণা করেন ?
উত্তর:- ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের ২৯ শে মার্চ
ব্যারাকপুর সামরিক ছাউনিতে সর্বপ্রথম
বিদ্রোহ ঘোষণা করেন মঙ্গল পান্ডে ।
প্রশ্ন:- ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের বিদ্রোহের প্রথম শহিদ
কে ?
উত্তর:- ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের বিদ্রোহের প্রথম
শহিদ হলেন মঙ্গল পান্ডে ।
প্রশ্ন:- সিপাহী বিদ্রোহের সময় কোন মোগল
বংশধরকে বিদ্রোহীরা ভারতের বাদশাহরূপে
ঘোষণা করে ?
উত্তর:- সিপাহী বিদ্রোহের সময় বিদ্রোহীরা
মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহকে ভারতের
বাদশাহরূপে ঘোষণা করে ।
প্রশ্ন:- সিপাহী বিদ্রোহকে ভারতের প্রথম
‘স্বাধীনতা যুদ্ধ’ বলে কে বর্ণনা করেছেন ?
উত্তর:- বিনায়ক দামোদর সাভারকর সিপাহী
বিদ্রোহকে ভারতের প্রথম ‘স্বাধীনতা যুদ্ধ’
বলে বর্ণনা করেছেন ।
প্রশ্ন:- ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের মহাবিদ্রোহের সময়
ভারতের গভর্নর-জেনারেল কে ছিলেন ?
উত্তর:- ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের মহাবিদ্রোহের সময়
ভারতের গভর্নর-জেনারেল ছিলেন লর্ড
ক্যানিং ।
প্রশ্ন:- ইংরেজ-শাসিত ভারতবর্ষের প্রথম
ভাইসরয় বা রাজপ্রতিনিধি কে ছিলেন ?
উত্তর:- ইংরেজ-শাসিত ভারতবর্ষের প্রথম
ভাইসরয় বা রাজপ্রতিনিধি ছিলেন লর্ড

Desktop Site