এসো হাদিস পড়ি ?

এসো হাদিস পড়ি ?

হাদিস অনলাইন ?

ﺟُﻤَّﺎﻉُ ﺃَﺑْﻮَاﺏِ اﻟْﻤَﺴْﺢِ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ

মোজার উপর মাসাহ করার বিষয়ের অধ্যায়

========================================================================

142-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟْﻤَﺴْﺢِ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ ﻣِﻦْ ﻏَﻴْﺮِ ﺫِﻛْﺮِ ﺗَﻮْﻗِﻴﺖٍ ﻟِﻠْﻤُﺴَﺎﻓِﺮِ ﻭَﻟِﻠْﻤُﻘِﻴﻢِ ﺑِﺬِﻛْﺮِ ﺃَﺧْﺒَﺎﺭٍ ﻣُﺠْﻤَﻠَﺔٍ ﻏَﻴْﺮِ ﻣُﻔَﺴَّﺮَﺓٍ

অধ্যায় ১৪২ : সংক্ষিপ্ত অপর রিওয়াতের মাধ্যমে মুসাফির ও মুকীম ব্যক্তির জন্য মাসাহ এর সময় আলোচনা ব্যতীত মোজার উপর মাসাহ করার বর্ণনা।

182 – ﻧﺎ ﻳُﻮﻧُﺲُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻷَْﻋْﻠَﻰ اﻟﺼَّﺪَﻓِﻲُّ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ اﺑْﻦُ ﻭَﻫْﺐٍ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧِﻲ ﻋَﻤْﺮُﻭ ﺑْﻦُ اﻟْﺤَﺎﺭِﺙِ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ اﻟﻨَّﻀْﺮِ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﺳَﻠَﻤَﺔَ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﻋُﻤَﺮَ، ﻋَﻦْ ﺳَﻌْﺪِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻭَﻗَّﺎﺹٍ، «ﻋَﻦْ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ، ﺃَﻧَّﻪُ §ﻣَﺴَﺢَ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ»

১৮২ : সা’দ বিন আবূ ওয়াক্কাস (রাযিঃ) নাবী (সাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে;  “তিনি মোজার উপর মাসাহ করেছেন”।
★বুখারী হাঃ ২০২; নাসাঈ হাঃ ১২১; ইবনুমাজাহ হাঃ ৫৪৬;

183 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ اﻟْﻌَﻼَءِ ﺑْﻦِ ﻛُﺮَﻳْﺐٍ اﻟْﻬَﻤْﺪَاﻧِﻲُّ، ﻭَﻋَﺒْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﺳَﻌِﻴﺪٍ اﻷَْﺷَﺞُّ ﻗَﺎﻻَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﺃُﺳَﺎﻣَﺔَ، ﻋَﻦْ ﺯَاﺋِﺪَﺓَ، ﻋَﻦِ اﻷَْﻋْﻤَﺶِ، ﻋَﻦِ اﻟْﺤَﻜَﻢِ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻟَﻴْﻠَﻰ، ﻋَﻦْ ﻛَﻌْﺐٍ، ﻋَﻦْ ﺑِﻼَﻝٍ ﻗَﺎﻝَ: «ﻛَﺎﻥَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﻳَﻤْﺴَﺢُ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ» ﻗَﺎﻝَ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﺳَﻌِﻴﺪٍ ﻗَﺎﻝَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﺯَاﺋِﺪَﺓُ

১৮৩ : বিলাল (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; “রসূলুল্লাহ (সাঃ) মোজর উপর মাসাহ করতেন”। ‘আব্দুল্লাহ বিন সাঈদ বলেন; ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﺯَاﺋِﺪَﺓُ (অর্থাৎ উপরের রিওয়াআতে ﻋَﻦْ এর স্থলে سماعت শ্রবণ শব্দ রয়েছে)।
★মুসলিম হাঃ ২৭৫; মুসনাদে আহমাদ ৬/১২; ১৪; সহীহাহ নং ২৯৪;

184 – ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻋَﻤْﺮٍﻭ ﻋِﻤْﺮَاﻥُ ﺑْﻦُ ﻣُﻮﺳَﻰ اﻟْﻘَﺰَّاﺯُ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺳَﻮَاءِ ﺑْﻦِ ﻋَﻨْﺒَﺮٍ اﻟﺴَّﺪُﻭﺳِﻲُّ، ﻧﺎ ﺳَﻌِﻴﺪُ ﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﻋَﺮُﻭﺑَﺔَ، ﻋَﻦْ ﺃَﻳُّﻮﺏَ، ﻋَﻦْ ﻧَﺎﻓِﻊٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋُﻤَﺮَ، ﺃَﻧَّﻪُ ﺭَﺃَﻯ ﺳَﻌْﺪَ ﺑْﻦَ ﻣَﺎﻟِﻚٍ، ﻭَﻫُﻮَ ﻳَﻤْﺴَﺢُ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ ﻓَﻘَﺎﻝَ: ﺇِﻧَّﻜُﻢْ ﺗَﻔْﻌَﻠُﻮﻥَ ﺫَﻟِﻚَ، ﻓَﺎﺟْﺘَﻤَﻌَْﺎ ﻋِﻨْﺪَ ﻋُﻤَﺮَ ﻓَﻘَﺎﻝَ ﺳَﻌْﺪٌ ﻟِﻌُﻤَﺮَ: ﺃَﻓْﺖِ اﺑْﻦَ ﺃَﺧِﻲ ﻓِﻲ اﻟْﻤَﺴْﺢِ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ، ﻓَﻘَﺎﻝَ ﻋُﻤَﺮُ: «ﻛُﻨَﺎ ﻭَﻧَﺤْﻦُ ﻣَﻊَ ﻧَﺒِﻴِّﻨَﺎ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﻧَﻤْﺴَﺢُ ﻋَﻠَﻰ ﺧِﻔَﺎﻓِﻨَﺎ ﻻَ ﻧَﺮَﻯ ﺑِﺬَﻟِﻚَ ﺑَﺄْﺳًﺎ» ، ﻓَﻘَﺎﻝَ اﺑْﻦُ ﻋُﻤَﺮَ: ﻭَﻟَﻮْ ﺟَﺎءَ ﻣِﻦَ اﻟْﻐَﺎﺋِﻂِ؟ ﻗَﺎﻝَ: «ﻧَﻌَﻢْ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১৮৪ : ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি সা’দ বিন মালিক (রাযিঃ)-কে মোজার উপর মাসাহ করতে দেখে বললেন; আপনারা এরূপ আমল করেন?  এরপর তারা উভয়ে উমার (রাযিঃ) এর নিকট একত্রিত হলেন। সা’দ (রাযিঃ) উমার (রাযিঃ) কে বললেন; আমার ভাতিজাকে মোজার উপর মাসাহ করার ব্যাপারে ফাৎওয়া দিন। উমার (রাযিঃ) বললেন; আমরা নাবী (সাঃ) সঙ্গে থাকাকালে মোজার উপর মাসাহ করতাম। আর এটাকে কোন আপত্তিকর মনে করা হত না। ইবনু উমার (রাযিঃ) বললেন ; যদি সে পায়খানা হতে (প্রাকৃতিক প্রয়োজন সেরে) ফিরে আসে তাহলেও কি মোজার উপর মাসাহ করবে?  তিনি বললেন ; হাঁ।
★সনদ সহীহ। ইবনুমাজাহ হাঃ ৫৪৬;আহমাদ ১/৩৫;

143-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ ﻣَﺴْﺢِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ ﻓِﻲ اﻟْﺤَﻀَﺮِ

অধ্যায় ১৪৩ : নাবী (সাঃ) এর সফর অবস্থায় মোজার উপর মাসাহ করার বর্ণনা।

185 – ﻧﺎ ﻳُﻮﻧُﺲُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻷَْﻋْﻠَﻰ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧِﻲ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﻧَﺎﻓِﻊٍ، ﻋَﻦْ ﺩَاﻭُﺩَ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟْﺤَﻜَﻢِ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﻧَﺎﻓِﻊٍ، ﻧﺎ ﺩَاﻭُﺩُ ﺑْﻦُ ﻗَﻴْﺲٍ، ﻋَﻦْ ﺯَﻳْﺪِ ﺑْﻦِ ﺃَﺳْﻠَﻢَ، ﻋَﻦْ ﻋَﻄَﺎءِ ﺑْﻦِ ﻳَﺴَﺎﺭٍ، ﻋَﻦْ ﺃُﺳَﺎﻣَﺔَ ﺑْﻦِ ﺯَﻳْﺪٍ ﻗَﺎﻝَ: ﺩَﺧَﻞَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻭَﺑِﻼَﻝٌ اﻷَْﺳْﻮَاﻕَ ﻓَﺬَﻫَﺐَ ﻟِﺤَﺎﺟَﺘِﻪِ ﻗَﺎﻝَ: ﺛُﻢَّ ﺧَﺮَﺟَﺎ ﻗَﺎﻝَ ﺃُﺳَﺎﻣَﺔُ: ﻓَﺴَﺄَﻟْﺖُ ﺑِﻼَﻻً ﻣَﺎ ﺻَﻨَﻊَ؟ ﻗَﺎﻝَ ﺑِﻼَﻝٌ: «ﺫَﻫَﺐَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻟِﺤَﺎﺟَﺘِﻪِ، ﺛُﻢَّ §ﺗَﻮَﺿَّﺄَ ﻓَﻐَﺴَﻞَ ﻭَﺟْﻬَﻪُ ﻭَﻳَﺪَﻳْﻪِ، ﻭَﻣَﺴَﺢَ ﺑِﺮَﺃْﺳِﻪِ، ﻭَﻣَﺴَﺢَ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ» ﺯَاﺩَ ﻳُﻮﻧُﺲُ ﻓِﻲ ﺣَﺪِﻳﺜِﻪِ: «ﺛُﻢَّ ﺻَﻠَّﻰ» . ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: «اﻷَْﺳْﻮَاﻕُ ﺣَﺎﺋِﻂٌ ﺑِﺎﻟْﻤَﺪِﻳﻨَﺔِ» ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﻳُﻮﻧُﺲَ ﻳَﻘُﻮﻝُ: «ﻟَﻴْﺲَ ﻋَﻦِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺧَﺒَﺮٌ ﺃَﻧَّﻪُ ﻣَﺴَﺢَ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ ﻓِﻲ اﻟْﺤَﻀَﺮِ ﻏَﻴْﺮُ ﻫَﺬَا»
: ﺭﺟﺎﻝ ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺛﻘﺎﺕ ﺇﻻ ﺃﻥ اﺑﻦ ﻧﺎﻓﻊ ﻭﻫﻮ اﻟﺼﺎﺋﻎ ﻓﻲ ﺣﻔﻈﻪ ﻟﻴﻦ ﻭﻫﻮ ﺻﺤﻴﺢ اﻟﻜﺘﺎﺏ

১৮৫ : উসামাহ বিন যায়দ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) ও বিলাল (রাযিঃ) বাগানে প্রবেশ করলেন। তিনি প্রাকৃতিক প্রয়োজনের (পায়খানার) জন্য গেলেন। তারপর দু’জন বাইরে বের হলেন। উসামাহ (রাযিঃ) বলেন; আমি বিলাল (রাযিঃ) কে জিজ্ঞাসা করলাম; তিনি (বাগানের ভিতরে) গিয়ে কি করেছেন? তিনি বললেন; “নাবী (সাঃ) প্রাকৃতিক প্রয়োজনের জন্য গিয়েছিলেন। অতঃপর (ফিরে এসে) ওযু করলেন। তার মুখমন্ডল ও হাত ধুলেন ও তার মাথা মাসাহ করলেন এবং মোজার উপর মাসাহ করলেন”। ইউনিস তার রিওয়াআতে এশব্দ অতিরিক্ত বলেছেন اﻷَْﺳْﻮَاﻕُ মাদীনাতে এক বাগান আছে। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; আমি ইউনুসকে বলতে শুনেছি যে; নাবী (সাঃ) হতে সফরে মোজার উপর মাসাহ করার ব্যাপারে এছাড়া আর কোন হাদীস বর্ণিত নেয়।
★এর সনদের রিজাল সিকাহ “ইবনু নাফি'” ব্যতীত। যে ﺼﺎﺋﻎ (অর্থাৎ সে সোনার কর্মচারী) ছিল। তার স্বরণশক্তি দূর্বল ছিল। কিন্তু কিতাবে সহীহ (অর্থাৎ সে ضبت এর দিক হতে সহীহ) ছিল। নাসাঈ হাঃ ১২৫; ইবনুহিব্বান হাঃ ১৩২৩; বায়হাকী ফিলকাবীর হাঃ ১২১৮;

144-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ ﻣَﺴْﺢِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ ﺑَﻌْﺪَ ﻧُﺰُﻭﻝِ ﺳُﻮﺭَﺓِ اﻟْﻤَﺎﺋِﺪَﺓِ «ﺿِﺪُّ ﻗَﻮْﻝِ ﻣَﻦْ ﺯَﻋَﻢَ ﺃَﻥَّ اﻟﻨَّﺒِﻲِّﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﻣَﺴَﺢَ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ ﻗَﺒْﻞَ ﻧُﺰُﻭﻝِ اﻟْﻤَﺎﺋِﺪَﺓِ»

অধ্যায় ১৪৪ : সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা; নাবী (সাঃ) সূরা মায়িদার অবতীর্ণের পর মোজার উপর মাসাহ
করেছেন। সেই ব্যক্তির বিপরীত যে বলে যে; নাবী (সাঃ) সূরা মায়িদা অবতীর্ণের পূর্বে মোজার উপর মাসাহ করেছেন।

186 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ اﻟْﻌَﻼَءِ ﺑْﻦِ ﻛُﺮَﻳْﺐٍ، ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ ﺃُﺳَﺎﻣَﺔَ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺳَﻠْﻢُ ﺑْﻦُ ﺟُﻨَﺎﺩَﺓَ، ﻧﺎ ﻭَﻛِﻴﻊٌ ﻛِﻼَﻫُﻤَﺎ: ﻋَﻦِ اﻷَْﻋْﻤَﺶِ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ اﻟْﺤَﺴَﻦُ ﺑْﻦُ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ اﻟﺰَّﻋْﻔَﺮَاﻧِﻲُّ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻣُﻌَﺎﻭِﻳَﺔَ، ﻧﺎ اﻷَْﻋْﻤَﺶُ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ اﻟﺼَّﻨْﻌَﺎﻧِﻲُّ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺧَﺎﻟِﺪُ ﺑْﻦُ اﻟْﺤَﺎﺭِﺙِ، ﻧﺎ ﺷُﻌْﺒَﺔُ، ﻋَﻦْ ﺳُﻠَﻴْﻤَﺎﻥَ ﻭَﻫُﻮَ اﻷَْﻋْﻤَﺶُ، ﻋَﻦْ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢَ، ﻋَﻦْ ﻫَﻤَّﺎﻡٍ ﻗَﺎﻝَ: ﺭَﺃَﻳْﺖُ ﺟَﺮِﻳﺮًا ﺑَﺎﻝَ، ﺛُﻢَّ ﺩَﻋَﺎ ﺑِﻤَﺎءٍ «§ﻓَﺘَﻮَﺿَّﺄَ ﻭَﻣَﺴَﺢَ ﻋَﻠَﻰ ﺧُﻔَّﻴْﻪِ، ﺛُﻢَّ ﻗَﺎﻡَ ﻓَﺼَﻠَّﻰ» ﻓَﺴُﺌِﻞَ ﻋَﻦْ ﺫَﻟِﻚَ، ﻓَﻘَﺎﻝَ: «ﺭَﺃَﻳْﺖُ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺻَﻨَﻊَ ﻣِﺜْﻞَ ﻫَﺬَا» ﻫَﺬَا ﺣَﺪِﻳﺚُ اﻟﺼَّﻨْﻌَﺎﻧِﻲِّ، ﻭَﻟَﻢْ ﻳَﻘُﻞِ اﻵْﺧَﺮُﻭﻥَ: ﺭَﺃَﻳْﺖُ ﺟَﺮِﻳﺮًا ﻭَﻓِﻲ ﺣَﺪِﻳﺚِ ﺃَﺑِﻲ ﺃُﺳَﺎﻣَﺔَ ﻗَﺎﻝَ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢُ: ﻭَﻛَﺎﻥَ ﺃَﺻْﺤَﺎﺑَﻨَﺎ ﻳُﻌْﺠِﺒُﻬُﻢْ ﺣَﺪِﻳﺚَ ﺟَﺮِﻳﺮٍ؛ ﻷَِﻥَّ ﺇِﺳْﻼَﻣَﻪُ ﻛَﺎﻥَ ﺑَﻌْﺪَ ﻧُﺰُﻭﻝِ اﻟْﻤَﺎﺋِﺪَﺓِ، ﻭَﻓِﻲ ﺣَﺪِﻳﺚِ ﻭَﻛِﻴﻊٍ ﻛَﺎﻥَ ﻳُﻌْﺠِﺒُﻬُﻢْ ﺣَﺪِﻳﺚُ ﺟَﺮِﻳﺮٍ، ﺇِﺳْﻼَﻣُﻪُ ﻛَﺎﻥَ ﺑَﻌْﺪَ ﻧُﺰُﻭﻝِ اﻟْﻤَﺎﺋِﺪَﺓِ ”

১৮৬ : হাম্মাম (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; আমি জারীর (রাযিঃ) কে দেখলাম তিনি পেশাব করলেন। তারপর ওযুর পানি চেয়ে ওযু করলেন এবং তার মোজার উপর মাসাহ করলেন। তারপর দাঁড়িয়ে স্বলাত আদায় করলেন। যখন তাকে এব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হল (আপনি মোজার উপর মাসাহ কেন করলেন?) তিনি বললেন; “আমি রসূলুল্লাহ (সাঃ) কে এরূপ করতে দেখেছি”। এটা ﺼَّﻨْﻌَﺎﻧِﻲ এর রিওয়াআত। অন্যান্য রাবীগণ ﺭَﺃَﻳْﺖُ ﺟَﺮِﻳﺮًا “আমি জারীর কে দেখলাম” শব্দ বর্ণনা করেননি। আবূ উসামাহর রিওয়াআতে আছে; ইবরাহীম বলেন; আমাদের সঙ্গীদের জারীর (রাযিঃ) এর হাদীস খুব পছন্দ। কেননা তিনি সূরা মায়িদার অবতীর্ণের পর ইসলাম কবুল করেছিলেন। ওয়া’কিয় এর রিওয়াআতে আছে; জারীর (রাযিঃ) এর হাদীস তার খুবই পছন্দ ছিল। কেননা তিনি সূরা মায়িদার অবতীর্ণের পর ইসলাম কবুল করেছিলেন।
★বুখারী হাঃ ৩৮৭; মুসলিম হাঃ ২৭২; তিরমিযী হাঃ ৯৩; ইবনুমাজাহ হাঃ ৫৪৩; আহমাদ ৪/৩৫৮; ৩৬১; ৩৬৪;

187 – ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻋَﻤَّﺎﺭٍ اﻟْﺤُﺴَﻴْﻦُ ﺑْﻦُ ﺣُﺮَﻳْﺚٍ، ﻧﺎ اﻟْﻔَﻀْﻞُ ﺑْﻦُ ﻣُﻮﺳَﻰ، ﻋَﻦْ ﺑُﻜَﻴْﺮِ ﺑْﻦِ ﻋَﺎﻣِﺮٍ اﻟْﺒَﺠَﻠِﻲِّ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﺯُﺭْﻋَﺔَ ﺑْﻦِ ﻋَﻤْﺮِﻭ ﺑْﻦِ ﺟَﺮِﻳﺮٍ، ﺃَﻥَّ ﺟَﺮِﻳﺮًا ﺑَﺎﻝَ ﻭَﺗَﻮَﺿَّﺄَ، ﻭَﻣَﺴَﺢَ ﻋَﻠَﻰ ﺧُﻔَّﻴْﻪِ ﻓَﻌَﺎﺑُﻮا ﻋَﻠَﻴْﻪِ، ﻓَﻘَﺎﻝَ: «ﺭَﺃَﻳْﺖُ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﻳَﻤْﺴَﺢُ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ» . ﻓَﻘِﻴﻞَ ﻟَﻪُ: ﺫَﻟِﻚَ ﻗَﺒْﻞَ اﻟْﻤَﺎﺋِﺪَﺓِ؟ ﻗَﺎﻝَ: «ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﻛَﺎﻥَ ﺇِﺳْﻼَﻣِﻲ ﺑَﻌْﺪَ اﻟْﻤَﺎﺋِﺪَﺓِ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১৮৭ : আবূ যুরাহ বিন আমর বিন জারীর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। জারীর (রাযিঃ) পেশাব করলেন। অতঃপর ওযু করলেন এবং মোজার উপর মাসাহ করলেন। লোকেরা তার উপর (তার মাসাহ করার কারণে সেটা অপছন্দ করলেন ও) অসন্তুষ্ট হলেন। তিনি বললেন; “আমি রসূলুল্লাহ (সাঃ) কে মোজার উপর মাসাহ করতে দেখেছি”। তাকে বলা হল; তার (রসূল সাঃ এর) মোজার উপর মাসাহ করা তো সূরা মায়িদার অবতীর্ণের পূর্বে ছিল?  তিনি বললেন; “নিঃসন্দেহে আমি সূরা মায়িদা অবতীর্ণের পর ইসলাম গ্রহণ করেছি”।
★সনদ সহীহ। তিরমিযী হাঃ ৯৪; আবুদাঊদ হাঃ ১৫৪; হাকেম ১/১৬৯; বায়হাকী ফিলকাবীর হাঃ ১১৯৭;

188 – ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ ﻓَﻬْﺪُ ﺑْﻦُ ﺳُﻠَﻴْﻤَﺎﻥَ اﻟْﺒَﺼْﺮِﻱُّ، ﻧﺎ ﻣُﻮﺳَﻰ ﺑْﻦُ ﺩَاﻭُﺩَ، ﻧﺎ ﺣَﻔْﺺُ ﺑْﻦُ ﻏِﻴَﺎﺙٍ، ﻋَﻦِ اﻷَْﻋْﻤَﺶِ، ﻋَﻦْ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢَ، ﻋَﻦْ ﻫَﻤَّﺎﻡٍ، ﻋَﻦْ ﺟَﺮِﻳﺮِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﻗَﺎﻝَ: «§ﺃَﺳْﻠَﻤْﺖُ ﻗَﺒْﻞَ ﻭَﻓَﺎﺓِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺑِﺄَﺭْﺑَﻌِﻴﻦَ ﻳَﻮْﻣًﺎ»
: ﺭﺟﺎﻟﻪ ﺛﻘﺎﺕ

১৮৮ : হাম্মাম (রহঃ) জারীর বিন আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেন যে; তিনি নাবী (সাঃ) এর মৃত্যুর ৪০ দিন পূর্বে ইসলাম গ্রহণ করেছেন।
★এই সনদের সকল রাবী সিকাহ; ফাহাদ বিন সুলাইমান বাসরী ব্যতীত। তাখরীজ ইবনু আব্দুলবারী “ফিল ইসতা’ইয়াব” ১/২৩৭;

145-ﺑَﺎﺏُ اﻟﺮُّﺧْﺼَﺔِ ﻓِﻲ اﻟْﻤَﺴْﺢِ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﻤُﻮﻗَﻴْﻦِ

অধ্যায় ১৪৫ : মোটা মোজার উপর মাসাহ করার অনুমতি।

189 – ﻧﺎ ﻧَﺼْﺮُ ﺑْﻦُ ﻣَﺮْﺯُﻭﻕٍ اﻟْﻤِﺼْﺮِﻱُّ، ﻧﺎ ﺃَﺳَﺪٌ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﻣُﻮﺳَﻰ، ﻧﺎ ﺣَﻤَّﺎﺩُ ﺑْﻦُ ﺳَﻠَﻤَﺔَ، ﻋَﻦْ ﺃَﻳُّﻮﺏَ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻗِﻼَﺑَﺔَ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﺇِﺩْﺭِﻳﺲَ اﻟْﺨَﻮْﻻَﻧِﻲِّ، ﻋَﻦْ ﺑِﻼَﻝٍ، ﻋَﻦِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺃَﻧَّﻪُ §ﻣَﺴَﺢَ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﻤُﻮﻗَﻴْﻦِ ﻭَاﻟْﺨِﻤَﺎﺭِ
:ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১৮৯ : বিলাল (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; নাবী (সাঃ) মোটা মোজা ও পাগড়ীর উপর মাসাহ করেছেন।
★সনদ সহীহ। মুসনাদে আহমাদ বিন হাম্বাল ৬/১৫; ইবনু আবি শায়বাহ ১/১৬২;

146-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟْﺨَﺒَﺮِ اﻟْﻤُﻔَﺴِّﺮِ ﻟِﻷَْﻟْﻔَﺎﻅِ اﻟْﻤُﺠْﻤَﻠَﺔِ اﻟَّﺘِﻲ ﺫَﻛَﺮْﺗُﻬَﺎ،

অধ্যায় ১৪৬ : (মাসাহ সম্পর্কে) কিছু সংক্ষিপ্ত শব্দের ব্যাখ্যাকারী হাদীসের বর্ণনা

ﻭَاﻟﺪَّﻟِﻴﻞُ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟﺮُّﺧْﺼَﺔَ ﻓِﻲ اﻟْﻤَﺴْﺢِ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ ﻟِﻻَﺑِﺴِﻬَﺎ ﻋَﻠَﻰ ﻃَﻬَﺎﺭَﺓٍ، ﺩُﻭﻥَ ﻻَﺑِﺴِﻬَﺎ ﻣُﺤْﺪِﺛًﺎ ﻏَﻴْﺮَ ﻣُﺘَﻄَﻬِّﺮٍ

আর সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা যে; মোজার উপর মাসাহ করার অনুমতি সেই ব্যক্তির জন্য; যে তা (পূর্বের)
ওযু অবস্থায় পরবে। যে ব্যক্তি পবিত্রতা ব্যতীত ওযু না করে পরবে তার জন্য না।

190 – ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ اﻷَْﺯْﻫَﺮِ ﺣَﻮْﺛَﺮَﺓُ ﺑْﻦُ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ اﻟْﺒَﺼْﺮِﻱُّ، ﻧﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ ﺑْﻦُ ﻋُﻴَﻴْﻨَﺔَ، ﻋَﻦْ ﺣُﺼَﻴْﻦِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ، ﻋَﻦِ اﻟﺸَّﻌْﺒِﻲِّ، ﻋَﻦْ ﻋُﺮْﻭَﺓَ ﺑْﻦِ اﻟْﻤُﻐِﻴﺮَﺓِ ﺑْﻦِ ﺷُﻌْﺒَﺔَ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ ﻗَﺎﻝَ: ﻗُﻠْﺖُ: ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ، §ﺃَﺗَﻤْﺴَﺢُ ﻋَﻠَﻰ ﺧُﻔَّﻴْﻚَ؟ ﻗَﺎﻝَ: «ﻧَﻌَﻢْ، ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﺩْﺧَﻠْﺘُﻬُﻤَﺎ ﻭَﻫُﻤَﺎ ﻃَﺎﻫِﺮَﺗَﺎﻥِ»

১৯০ : মুগীরাহ বিন শো’বাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; আমি বললাম; হে আল্লাহর রসূল! আপনি কি আপনার মোজার উপর মাসাহ করেন?  তিনি বললেন; “হাঁ। কেননা আমি তা দুই পায়ের পবিত্রতা অবস্থায় পরেছি”।
★বুখারী হাঃ ২০৬; মুসলিম হাঃ ২৭৪; আবুদাঊদ হাঃ ১৫১; ইবনুমাজাহ হাঃ ৫৪৫; দারেমী হাঃ ৭১৩; আহমাদ ৪/২৫১; ২৫৫;
191 – ﻧﺎ اﻟْﻘَﺎﺳِﻢُ ﺑْﻦُ ﺑِﺸْﺮِ ﺑْﻦِ ﻣَﻌْﺮُﻭﻑٍ، ﻧﺎ اﺑْﻦُ ﻋُﻴَﻴْﻨَﺔَ، ﻋَﻦْ ﺯَﻛَﺮِﻳَّﺎ، ﻭَﺣُﺼَﻴْﻦٍ، ﻭَﻳُﻮﻧُﺲَ، ﻋَﻦِ اﻟﺸَّﻌْﺒِﻲِّ، ﻋَﻦْ ﻋُﺮْﻭَﺓَ ﺑْﻦِ اﻟْﻤُﻐِﻴﺮَﺓِ ﺳَﻤِﻌَﻪُ ﻣِﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ ﻗَﺎﻝَ: ﻗُﻠْﺖُ: ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ، §ﺃَﺗَﻤْﺴَﺢُ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ؟ ﻗَﺎﻝَ: «ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﺩْﺧَﻠْﺖُ ﺭِﺟْﻠَﻲَّ ﻭَﻫُﻤَﺎ ﻃَﺎﻫِﺮَﺗَﺎﻥ

১৯১ : মুগীরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; আমি বললাম; হে আল্লাহর রসূল! আপনি কি মোজার উপর মাসাহ করেন?  তিনি বললেন: “নিঃসন্দেহে আমি আমার দুই পায়ে তা সেই সময় পরেছি; যখন সেই দুটি (পা) পবিত্র ছিল”।
★বুখারী হাঃ ২০৬; ১৮২; মুসলিম হাঃ ২৭৪;

192 – ﻧﺎ ﺑُﻨْﺪَاﺭٌ، ﻭَﺑِﺸْﺮُ ﺑْﻦُ ﻣُﻌَﺎﺫٍ اﻟْﻌَﻘَﺪِﻱُّ، ﻭَﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺃَﺑَﺎﻥَ ﻗَﺎﻟُﻮا: ﻧﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟْﻮَﻫَّﺎﺏِ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟْﻤَﺠِﻴﺪِ، ﻧﺎ اﻟْﻤُﻬَﺎﺟِﺮُ ﻭَﻫُﻮَ اﺑْﻦُ ﻣَﺨْﻠَﺪٍ ﺃَﺑُﻮ ﻣَﺨْﻠَﺪٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﺑَﻜْﺮَﺓَ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ، ﻋَﻦِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺃَﻧَّﻪُ «§ﺭَﺧَّﺺَ ﻟِﻠْﻤُﺴَﺎﻓِﺮِ ﺛَﻼَﺛَﺔَ ﺃَﻳَّﺎﻡٍ ﻭَﻟَﻴَﺎﻟِﻴَﻬُﻦَّ، ﻭَﻟِﻠْﻤُﻘِﻴﻢِ ﻳَﻮْﻣًﺎ ﻭَﻟَﻴْﻠَﺔً ﺇِﺫَا ﺗَﻄَﻬَّﺮَ ﻓَﻠَﺒِﺲَ ﺧُﻔَّﻴْﻪِ ﺃَﻥْ ﻳَﻤْﺴَﺢَ ﻋَﻠَﻴْﻬِﻤَﺎ
:ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ حسن
১৯২ : আব্দুর রহমান বিন আবূ বাকরা তার পিতা হতে এবং তিনি নাবী (সাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে; “তিনি মুসাফিরের জন্য তিন দিন ও তিন রাত আর মুকীমের জন্য এক দিন ও এক রাত এর অনুমতি দিয়েছেন যে; যখন ওযু করে মোজা পরবে তার উপর মাসাহ করবে”।
★সনদ হাসান। ইবনুমাজাহ হাঃ ৫৫৬; মুসনাদে আহমাদ হাঃ ১০৭১; ইবনুহিব্বান হাঃ ১৩২৪; ১৩২৮; বায়হাকী ফিলকাবীর হাঃ ১২২৪;

147-ﺑَﺎﺏُ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ ﻻَﺑِﺲَ ﺃَﺣَﺪِ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ ﻗَﺒْﻞَ ﻏَﺴْﻞِ ﻛِﻼَ اﻟﺮِّﺟْﻠَﻴْﻦِ، ﺇِﺫَا ﻟَﺒِﺲَ اﻟْﺨُﻒَّ اﻵْﺧَﺮَ ﺑَﻌْﺪَ ﻏَﺴْﻞِ اﻟﺮِّﺟْﻞِ اﻷُْﺧْﺮَﻯ ﻏَﻴْﺮُﺟَﺎﺋِﺰٍ ﻟَﻪُ اﻟْﻤَﺴْﺢُ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ ﺇِﺫَا ﺃَﺣْﺪَﺙ

অধ্যায় ১৪৭ : সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা যে; দুই পা ধোয়ার পূর্বে  (কেবল এক পা ধুয়ে) যে ব্যক্তি একটি মোজা পরবে যদি দ্বিতীয় পা ধোয়ার পর দ্বিতীয় মোজা পরে; তাহলে ওযু ভেঙ্গে গেলে তার জন্য মোজার উপর মাসাহ করা বৈধ নয়।

َ «ﺇِﺫْ ﻫُﻮَ ﻻَﺑِﺲٌ ﺃَﺣَﺪَ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ ﻗَﺒْﻞَ ﻛَﻤَﺎﻝِ اﻟﻄَّﻬَﺎﺭَﺓِ، ﻭَاﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺭَﺧَّﺺَ ﻓِﻲ اﻟْﻤَﺴْﺢِ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ ﺇِﺫَا ﻟَﺒِﺴَﻬُﻤَﺎ ﻋَﻠَﻰ ﻃَﻬَﺎﺭَﺓٍ، ﻭَﻣَﻦْ ﺫَﻛَﺮْﻧَﺎ ﻓِﻲ ﻫَﺬَا اﻟْﺒَﺎﺏِ ﺻِﻔَﺘَﻪُ ﻫُﻮَ ﻻَﺑِﺲٌ ﺃَﺣَﺪَ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ ﻋَﻠَﻰ ﻏَﻴْﺮِ ﻃُﻬْﺮٍ، ﺇِﺫْ ﻫُﻮَ ﻏَﺎﺳِﻞٌ ﺇِﺣْﺪَﻯ اﻟﺮِّﺟْﻠَﻴْﻦِ ﻻَ ﻛِﻠْﺘَﻴْﻬِﻤَﺎ ﻋِﻨْﺪَ ﻟُﺒْﺴِﻪِ ﺃَﺣَﺪَ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ»

কেননা সে একটি মোজা পবিত্রতা (ওযু) পরিপূর্ণ হবার পূর্বে পরেছে। আর নাবী (সাঃ) সেই সময় মোজার উপর মাসাহ করার অনুমতি দিয়েছেন; যখন তা পবিত্রতা অবস্থায় পরা হবে। এই অধ্যায়ে আমি যে ব্যক্তির অবস্থা বর্ণনা করেছি সে ওযু পরিপূর্ণ ব্যতীত একটি মোজা পরনেওয়ালা ব্যক্তি। কেননা সে একটি মোজা পরার সময় কেবল একটি পা ধুয়ে ছিল; দুই পা ধোয়নি।

193 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ، ﻭَﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺭَاﻓِﻊٍ ﻗَﺎﻻَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﺮَّﺯَّاﻕِ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﻣَﻌْﻤَﺮٌ، ﻋَﻦْ ﻋَﺎﺻِﻢِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ اﻟﻨَّﺠُﻮﺩِ، ﻋَﻦْ ﺯِﺭِّ ﺑْﻦِ ﺣُﺒَﻴْﺶٍ ﻗَﺎﻝَ: ﺃَﺗَﻴْﺖُ ﺻَﻔْﻮَاﻥَ ﺑْﻦَ ﻋَﺴَّﺎﻝٍ اﻟْﻤُﺮَاﺩِﻱَّ، ﻓَﻘَﺎﻝَ: ﻣَﺎ ﺟَﺎءَ ﺑِﻚَ؟ ﻗُﻠْﺖُ: ﺟِﺌْﺖُ ﺃَﻧْﺒِﻂُ اﻟْﻌِﻠْﻢَ ﻗَﺎﻝَ: ﻓَﺈِﻧِّﻲ ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻳَﻘُﻮﻝُ: «§ﻣَﺎ ﻣِﻦْ ﺧَﺎﺭِﺝٍ ﻳَﺨْﺮُﺝُ ﻣِﻦْ ﺑَﻴْﺘِﻪِ ﻓﻲ ﻃْﻠُﺐَ اﻟْﻌِﻠْﻢَ ﺇِﻻَّ ﻭَﺿَﻌَﺖْ ﻟَﻪُ اﻟْﻤَﻼَﺋِﻜَﺔُ ﺃَﺟْﻨِﺤَﺘَﻬَﺎ ﺭِﺿَﺎءً ﺑِﻤَﺎ ﻳَﺼْﻨَﻊُ» ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺪْ ﺟِﺌْﺘُﻚَ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ، ﻋَﻦِ اﻟْﻤَﺴْﺢِ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ ﻗَﺎﻝَ: «ﻧَﻌَﻢْ ﻛُﻨَّﺎ ﻓِﻲ اﻟْﺠَﻴْﺶِ اﻟَّﺬِﻱ ﺑَﻌَﺜَﻬُﻢْ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻓَﺄَﻣَﺮَﻧَﺎ ﺃَﻥْ ﻧَﻤْﺴَﺢَ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ ﺇِﺫَا ﻧَﺤْﻦُ ﺃَﺩْﺧَﻠْﻨَﺎﻫُﻤَﺎ ﻋَﻠَﻰ ﻃُﻬُﻮﺭٍ، ﺛَﻼَﺛًﺎ ﺇِﺫَا ﺳَﺎﻓَﺮْﻧَﺎ، ﻭَﻟَﻴْﻠَﺔً ﺇِﺫَا ﺃَﻗَﻤْﻨَﺎ، ﻭَﻻَ ﻧَﺨْﻠَﻌَﻬُﻤَﺎ ﻣِﻦْ ﻏَﺎﺋِﻂٍ ﻭَﻻَ ﺑَﻮْﻝٍ، ﻭَﻻَ ﻧَﺨْﻠَﻌَﻬُﻤَﺎ ﺇِﻻَّ ﻣِﻦْ ﺟَﻨَﺎﺑَﺔٍ» ، ﻭَﻗَﺎﻝَ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻳَﻘُﻮﻝُ: «ﺇِﻥَّ ﺑِﺎﻟْﻤَﻐْﺮِﺏِ ﺑَﺎﺑًﺎ ﻣَﻔْﺘُﻮﺣًﺎ ﻟِﻠﺘَّﻮْﺑَﺔِ ﻣَﺴِﻴﺮَﺗُﻪُ ﺳَﺒْﻌُﻮﻥَ ﺳَﻨَﺔً ﻻَ ﻳُﻐْﻠَﻖُ ﺣَﺘَّﻰ ﺗَﻄْﻠُﻊَ اﻟﺸَّﻤْﺲُ ﻣِﻦْ ﻣَﻐْﺮِﺑِﻬَﺎ» ﻧَﺤْﻮَﻩُ ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: ” ﺫَﻛَﺮْﺕُ ﻟِﻠْﻤُﺰَﻧِﻲِّ ﺧَﺒَﺮَ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺯَّاﻕِ، ﻓَﻘَﺎﻝَ: ﺣَﺪَّﺙَ ﺑِﻬَﺬَا ﺃَﺻْﺤَﺎﺑُﻨَﺎ؛ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﻟَﻴْﺲَ ﻟﻠِﺸَّﺎﻓِﻌِﻲِّ ﺣُﺠَّﺔٌ ﺃَﻗْﻮَﻯ ﻣِﻦْ ﻫَﺬَا ”
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺣﺴﻦ

১৯৩ : যির বিন হুবাইশ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; আমি সুফিয়ান বিন ‘আসাল মুরাদী (রাযিঃ) এর নিকট গেলাম। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন; কি খবরে এসেছেন?  আমি বললাম; জ্ঞান অর্জন করার উদ্দেশ্যে উপস্থিত হয়েছি। তিনি বললেন; আমি রসূলুল্লাহ (সাঃ) কে বলতে শুনেছি : “যে ব্যক্তি (দ্বীনের) ইলম/জ্ঞান অর্জন করার উদ্দেশ্যে তার ঘর হতে বের হয়; তার সেই আমলের উপর খুশি হয়ে ফেরেশ্তারা তার জন্য তাদের পালক বিছিয়ে দেয়”। আমি বললাম; আমি আপনাকে মোজার উপর মাসাহ করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার উদ্দেশ্যে এখানে এসেছি। তিনি বললেন; হাঁ; আমি সেই দলের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিলাম যাদেরকে রসূলুল্লাহ (সাঃ) (জিহাদের জন্য) পাঠিয়েছিলেন। আর তিনি আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছিলেন : “আমরা যখন সফরে থাকব তখন তিন (দিন) রাত পর্যন্ত এবং যখন মুকীম অবস্থায় থাকব তখন এক (দিন) রাত পর্যন্ত মোজার উপর মাসাহ করতে; তা যখন (পূর্বের)  পবিত্রতা অবস্থায় পরা হবে। আর পেশাব ও পায়খানার জন্য তা খোলার প্রয়োজন নায়। কেবল (গোসল) পবিত্রতার জন্য তা খুলতে হবে”। তিনি আরো বললেন; আমি রসূলুল্লাহ (সাঃ) কে বলতে শুনেছি : “পশ্চিমদিকে তাওবাহর জন্য একটি দরজা খোলা আছে; যা সত্তর বছরের রাস্তার সমান চওড়া। সেই (দরজা) বন্ধ হবে না। যতক্ষণ পর্যন্ত না সূর্য পশ্চিমদিক হতে উদিত না হবে”। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; আমি আব্দুর রাজ্জাকের হাদীস ইমাম মুযানীকে বর্ণনা করতে তিনি বললেন; আমাদের সঙ্গীদের এটা বর্ণনা কর। কেননা ইমাম শাফেয়ীর নিকট এর চেয়ে উত্তম প্রমাণ আর নেয়।
★সনদ হাসান। সহীহ ইবনুমাজাহ হাঃ ৪৭৮; তিরমিযী হাঃ ৩৫৩৫; নাসাঈ হাঃ ১৫৮; মুসনাদে আহমাদ ৩/২৩৯; ২৪০;

148-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ ﺗَﻮْﻗِﻴﺖِ اﻟْﻤَﺴْﺢِ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ ﻟِﻠْﻤُﻘِﻴﻢِ ﻭَاﻟْﻤُﺴَﺎﻓِﺮِ

অধ্যায় ১৪৮ : মুকীম ও মুসাফির ব্যক্তির জন্য মোজার উপর মাসাহ করার সময় নিরূপনের বর্ণনা।

194 – ﻧﺎ اﻟْﺤَﺴَﻦُ ﺑْﻦُ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ اﻟﺰَّﻋْﻔَﺮَاﻧِﻲُّ، ﻭَﻳُﻮﺳُﻒُ ﺑْﻦُ ﻣُﻮﺳَﻰ ﻗَﺎﻻَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻣُﻌَﺎﻭِﻳَﺔَ، ﻧﺎ اﻷَْﻋْﻤَﺶُ، ﻋَﻦِ اﻟْﺤَﻜَﻢِ، ﻋَﻦِ اﻟْﻘَﺎﺳِﻢِ ﺑْﻦِ ﻣُﺨَﻴْﻤِﺮَﺓَ، ﻋَﻦْ ﺷُﺮَﻳْﺢِ ﺑْﻦِ ﻫَﺎﻧِﺊٍ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﺄَﻟْﺖُ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔَ ﻋَﻦِ اﻟْﻤَﺴْﺢِ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ، ﻓَﻘَﺎﻟَﺖِ: اﺋْﺖِ ﻋَﻠِﻴًّﺎ ﻓَﺎﺳْﺄَﻟْﻪُ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﺃَﻋْﻠَﻢُ ﺑِﺬَﻟِﻚَ ﻣِﻨِّﻲ، ﻓَﺄَﺗَﻰ ﻋَﻠِﻴًّﺎ ﻓَﺴَﺄَﻟَﻪُ ﻋَﻦِ اﻟْﻤَﺴْﺢِ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ، ﻓَﻘَﺎﻝَ: «ﻛَﺎﻥَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻳَﺄْﻣُﺮُ ﺑِﺬَاﻙَ §ﻳَﻤْﺴَﺢُ اﻟْﻤُﻘِﻴﻢُ ﻳَﻮْﻣًﺎ ﻭَﻟَﻴْﻠَﺔً، ﻭَاﻟْﻤُﺴَﺎﻓِﺮُ ﺛَﻼَﺛًﺎ»

১৯৪ : শুরায়হ বিন হানী (রহঃ) বর্ণনা করেন; আমি আয়িশা (রাযিঃ) কে মোজার উপর মাসাহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন; ‘আলী (রাযিঃ) এর নিকট যাও; কারণ এবিষয়ে তিনি আমার চেয়ে বেশী জানে। সে (শুরায়হ) ‘আলী (রাযিঃ) এর নিকট গিয়ে তাকে মোজার উপর মাসাহ করার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন; “রসূলুল্লাহ (সাঃ) মাসাহ করার নির্দেশ দিয়েছেন মুকীম ব্যক্তি একদিন-রাত ও মুসাফির ব্যক্তি তিনদিন-রাত মাসাহ করবে”।
★মুসলিম হাঃ ২৭৬; নাসাঈ হাঃ ১২৯; ইবনুমাজাহ হাঃ ৫৫২; দারেমী হাঃ ৭১৪; মুসনাদে আহমাদ ১/৯৬; ১১৩; ১৪৯; ১৩৪; ১৪২;

149-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻷَْﻣْﺮَ ﺑِﺎﻟْﻤَﺴْﺢِ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ ﺃَﻣْﺮُ ﺇِﺑَﺎﺣَﺔٍ

অধ্যায় ১৪৯ : সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা যে; মোজার উপর মাসাহ করার নির্দেশের বৈধতা রয়েছে।

«ﺃَﻥَّ اﻟْﻤَﺴْﺢَ ﻳَﻘُﻮﻡُ ﻣَﻘَﺎﻡَ ﻏَﺴْﻞِ اﻟْﻘَﺪَﻣَﻴْﻦِ، ﺇِﺫَا ﻛَﺎﻥَ اﻟْﻘَﺪَﻡُ ﺑَﺎﺩِﻳًﺎ ﻏَﻴْﺮَ ﻣُﻐَﻄًّﻰ ﺑِﺎﻟْﺨُﻒِّ، ﻭَﺇِﻥَّ ﺧَﺎﻟِﻊَ اﻟْﺨُﻒِّ ﻭَﺇِﻥْ ﻛَﺎﻥَ ﻟَﺒِﺴَﻪُ ﻋَﻠَﻰ ﻃَﻬَﺎﺭَﺓٍ، ﺇِﺫَا ﻏَﺴَﻞَ ﻗَﺪَﻣَﻴْﻪِ ﻛَﺎﻥَ ﻣُﺆَﺩِّﻳًﺎ ﻟِﻠْﻔَﺮْﺽِ ﻏَﻴْﺮَ ﻋَﺎﺹٍ، ﺇِﻻَّ ﺃَﻥَّ ﻳَﻜُﻮﻥَ ﺗَﺎﺭِﻛًﺎ ﻟِﻠْﻤَﺴْﺢِ ﺭَﻏْﺒَﺔً ﻋَﻦْ ﺳُﻨَّﺔِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ»

মাসাহ উভয় পা ধোয়ার সেই অবস্থায় হবে; যখন পা খোলা থাকবে এবং মোজা দ্বারা ঢাকা থাকবে না (সেই সময় তা ধোয়া হয়। অর্থাৎ যদি পা মোজা দিয়ে ঢাকা থাকে তাহলে মোজার উপর মাসাহ পায়ের খোলা অবস্থায় ধোয়া হয়ে থাকলে তবে বৈধ হবে)। যদি সে মোজা খুলে ফেলে যদিও সে তা পবিত্র অবস্থায় পরেছিল। তখন আবার (মাসাহ করার জন্য প্রথমে ওযু করতে গিয়ে) দুই পা ধুয়ে নিয়ে ফরয আদায় করবে। সে গুনাহগার হবে না। কিন্তু যে ব্যক্তি জেনে শুনে নাবী (সাঃ) এর সুন্নাতকে অবজ্ঞা করে মাসাহ করবে না (সে গুনাহগার হবে)।

195 – ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻫَﺎﺷِﻢٍ ﺯِﻳَﺎﺩُ ﺑْﻦُ ﺃَﻳُّﻮﺏَ، ﻧﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟْﻤَﻠِﻚِ ﺑْﻦِ ﺣُﻤَﻴْﺪِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻏَﻨِﻴَّﺔَ، ﻧﺎ ﺃَﺑِﻲ، ﻋَﻦِ اﻟْﺤَﻜَﻢِ، ﻋَﻦِ اﻟْﻘَﺎﺳِﻢِ ﺑْﻦِ ﻣُﺨَﻴْﻤِﺮَﺓَ، ﻋَﻦْ ﺷُﺮَﻳْﺢِ ﺑْﻦِ ﻫَﺎﻧِﻲ، ﻋَﻦْ ﻋَﻠِﻲٍّ ﻗَﺎﻝَ: «§ﺭَﺧَّﺺَ ﻟَﻨَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻓِﻲ ﺛَﻼَﺛَﺔِ ﺃَﻳَّﺎﻡٍ ﻟِﻠْﻤُﺴَﺎﻓِﺮِ ﻭَﻳَﻮْﻡٍ ﻭَﻟَﻴْﻠَﺔٍ ﻟِﻠْﺤَﺎﺿِﺮِ» ﻳَﻌْﻨِﻲ: ﻓِﻲ اﻟْﻤَﺴْﺢِ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১৯৫ : ‘আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; “রসূলুল্লাহ (সাঃ) মোজার উপর মাসাহ করার অনুমতি দিয়েছেন। মুসাফিরের জন্য তিনদিন-(রাত) ও মুকীমের জন্য একদিন-রাত”।
★সনদ সহীহ। মুসলিম হাঃ ২৭৬; নাসাঈ হাঃ ১২৮; ইবনুমাজাহ হাঃ ৫৫২; ইবনুহিব্বান হাঃ ১৩২২;
ব্যাখ্যা :
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন; বিষেশজ্ঞ সাহাবা; তাবিঈ ও পরবর্তী যুগের ফিকহবিদ যেমন সুফিয়ান সাওরী; ইবনুল মুবারক; শাফিঈ; আহমাদ ও ইসহাকের মতে মুসাফির ব্যক্তি  ( যে স্বলাত কসরের পরিসীমা অতিক্রম করবে সে) তিন দিন তিন রাত এবং মুকীম (বাড়িতে অবস্থানকারী) ব্যক্তি এক দিন এক রাত পর্যন্ত মোজার উপর মাসাহ করতে পারবে। কিছু বিদ্যান মোজার উপর মাসাহ করার সময়সীমা নির্দিষ্ট করেননি। কিন্তু সময়সীমা নির্দিষ্ট করাটাই বেশী সহীহ (তিরমিযী হাঃ ৯৬ এর নীচে দ্রষ্টব্য)।

150-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟﺮُّﺧْﺼَﺔَ ﻓِﻲ اﻟْﻤَﺴْﺢِ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﻫِﻲَ ﻣِﻦَ اﻟْﺤَﺪَﺙِ اﻟَّﺬِﻱ ﻳُﻮﺟِﺐُ اﻟْﻮُﺿُﻮءَ ﺩُﻭﻥَ اﻟْﺠَﻨَﺎﺑَﺔِاﻟَّﺘِﻲ ﺗُﻮﺟِﺐُ اﻟْﻐُﺴْﻞَ

অধ্যায় ১৫০ : সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা যে; মোজার উপর মাসাহ করার অনুমতি কেবল সেই অপবিত্রতার জন্য যা ওযুকে ওয়াজিব করে। সেই অপবিত্রতার জন্য নয়; যা গোসলকে ওয়াজিব করে।

196 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ اﻟْﻤُﺨَﺮِّﻣِﻲُّ، ﻭَﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺭَاﻓِﻊٍ ﻗَﺎﻻَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺁﺩَﻡَ، ﻧﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ، ﻋَﻦْ ﻋَﺎﺻِﻢٍ، ﻋَﻦْ ﺯِﺭِّ ﺑْﻦِ ﺣُﺒَﻴْﺶٍ ﻗَﺎﻝَ: ﺃَﺗَﻴْﺖُ ﺻَﻔْﻮَاﻥَ ﺑْﻦَ ﻋَﺴَّﺎﻝٍ اﻟْﻤُﺮَاﺩِﻱَّ، ﻓَﺴَﺄَﻟْﺘُﻪُ ﻋَﻦِ اﻟْﻤَﺴْﺢِ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ ﻓَﻘَﺎﻝَ: «ﻛُﻨَﺎ ﻧَﻜُﻮﻥُ ﻣَﻊَ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﻓَﺄَﻣَﺮَﻧَﺎ ﺃَﻥْ ﻻَ ﻧَﻨْﺰِﻉَ ﺧِﻔَﺎﻓَﻨَﺎ ﺛَﻼَﺛَﺔَ ﺃَﻳَّﺎﻡٍ – ﻳَﻌْﻨِﻲ ﻓِﻲ اﻟﺴَّﻔَﺮِ – ﺇِﻻَّ ﻣِﻦْ ﺟَﻨَﺎﺑَﺔٍ، ﻭَﻟَﻜِﻦْ ﻣِﻦْ ﻏَﺎﺋِﻂٍ، ﻭَﺑَﻮْﻝٍ، ﻭَﻧَﻮْﻡٍ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺣﺴﻦ

১৯৬ : যির বিন হুবাইশ (রহঃ) বর্ণনা করেন; আমি সুফিয়ান বিন ‘আসাল মুরাদী (রাযিঃ) এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাকে মোজার উপর মাসাহ করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন; আমরা রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সঙ্গে থাকতাম; তিনি আমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যে : “সফরে তিনদিন-(রাত) পর্যন্ত মোজা খুলবে না। কিন্তু (অপবিত্রতার) গোসলের জন্য (খুলতে হবে)। আর পায়খানা-পেশাব ও ঘুমের জন্য খুলতে হবে না”।
★সনদ হাসান। তিরমিযী হাঃ ৯৬; ইবনুমাজাহ হাঃ ৪৭৮; নাসাঈ হাঃ ১২৭;

151-ﺑَﺎﺏُ اﻟﺘَّﻐْﻠِﻴﻆِ ﻓِﻲ ﺗَﺮْﻙِ اﻟْﻤَﺴْﺢِ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ ﺭَﻏْﺒَﺔً ﻋِﻦَ اﻟﺴُّﻨَّﺔِ

অধ্যায় ১৫১ : সুন্নাতকে অবজ্ঞা করে মোজার উপর মাসাহ পরিত্যাগকারীর জন্য শাস্তির বর্ণনা।

197 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ اﻟْﻮَﻟِﻴﺪِ، ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪٌ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﺟَﻌْﻔَﺮٍ، ﻧﺎ ﺷُﻌْﺒَﺔُ، ﻋَﻦْ ﺣُﺼَﻴْﻦٍ، ﻋَﻦْ ﻣُﺠَﺎﻫِﺪٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﻋَﻤْﺮٍﻭ، ﻋَﻦِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ: «§ﻣَﻦْ ﺭَﻏِﺐَ ﻋَﻦْ ﺳُﻨَّﺘِﻲ ﻓَﻠَﻴْﺲَ ﻣِﻨِّﻲ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১৯৭ : আব্দুল্লাহ বিন আমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; নাবী (সাঃ) বলেছেন : “যে ব্যক্তি আমার সুন্নাত হতে মুখ ফিরিয়ে নিবে; সে আমার কেউ নয়”।
★সনদ সহীহ। মুসনাদে আহমাদ হাঃ ৬৪৭৭;
ব্যাখ্যা :
অনেক ব্যক্তিকে দেখা যায় যে; তারা সফরে স্বলাত কসর আদায় না করে পূর্ণ স্বলাত আদায় করে এবং বলে; আমার যখন ক্ষমতা আছে পূর্ণ স্বলাত আদায় করার তখন আমি কেন অর্ধেক পড়ব? অনুরূপ অনেককে দেখা যায় যে; তারা সফররত অবস্থায় থাকাকালীন পায়ের মোজা খুলে পা ধুয়ে ওযু করে থাকে আর বলে; আমি পূর্ণাঙ্গ ওযু করা পছন্দ করি মাসাহ করার চায়তে। অথচ যাকে আল্লাহ সুবহানাহু তা’য়ালা আমাদের জন্য নমুনা করেছেন সেই ব্যক্তি অর্থাৎ মহানাবী মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ আমলগুলো করে গিয়েছেন এবং তার মাধ্যমে তার উম্মতের জন্য কিছু আমলকে সহজ করে দিয়ে গিয়েছেন। তাই সেগুলো গ্রহণ করে তার উপরই আমাদেরকে আমল করতে হবে।
ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : “নিঃসন্দেহে আল্লাহ তা’য়ালা সেটা পছন্দ করেন যে; তার দেওয়া অবকাশকে গ্রহণ করে নিবে। আর তিনি অপছন্দ করেন; তার আদেশকে  অমান্যকরণ করা” (সহীহ ইবনুহিব্বান হাঃ ২৭৪২; ২০২৭; মুসনাদে আহমাদ ২/১০৮; সনদ হাসান)।

152-ﺑَﺎﺏُ اﻟﺮُّﺧْﺼَﺔِ ﻓِﻲ اﻟْﻤَﺴْﺢِ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺠَﻮْﺭَﺑَﻴْﻦِ ﻭَاﻟﻨَّﻌْﻠَﻴْﻦِ

অধ্যায় ১৫২ : জাওরাবাইন (মোটা সুতি মোজা) ও জুতার উপর মাসাহ করার অনুমতি।

198 – ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺑُﻨْﺪَاﺭٌ، ﻭَﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ اﻟْﻮَﻟِﻴﺪِ ﻗَﺎﻻَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻋَﺎﺻِﻢٍ، ﻧﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ، ﻭﻧﺎ ﺳَﻠْﻢُ ﺑْﻦُ ﺟُﻨَﺎﺩَﺓَ، ﻧﺎ ﻭَﻛِﻴﻊٌ، ﻋَﻦْ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥَ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﻣَﻨِﻴﻊٍ، ﻭَﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺭَاﻓِﻊٍ ﻗَﺎﻻَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺯَﻳْﺪُ ﺑْﻦُ اﻟْﺤُﺒَﺎﺏِ، ﻧﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ اﻟﺜَّﻮْﺭِﻱُّ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻗَﻴْﺲٍ اﻷَْﻭْﺩِﻱِّ، ﻋَﻦْ ﻫُﺰَﻳْﻞِ ﺑْﻦِ ﺷُﺮَﺣْﺒِﻴﻞَ، ﻋَﻦِ اﻟْﻤُﻐِﻴﺮَﺓِ ﺑْﻦِ ﺷُﻌْﺒَﺔَ، «ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﺗَﻮَﺿَّﺄَ ﻭَﻣَﺴَﺢَ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺠَﻮْﺭَﺑَﻴْﻦِ ﻭَاﻟﻨَّﻌْﻠَﻴْﻦِ» ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: ” ﻟَﻴْﺲَ ﻓِﻲ ﺧَﺒَﺮِ ﺃَﺑِﻲ ﻋَﺎﺻِﻢٍ: ﻭَاﻟﻨَّﻌْﻠَﻴْﻦِ، ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﻗَﺎﻝَ: ﻣَﺴَﺢَ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺠَﻮْﺭَﺑَﻴْﻦِ ” ﻭَﻗَﺎﻝَ اﺑْﻦُ ﺭَاﻓِﻊٍ: «ﺇِﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺑَﺎﻝَ ﻓَﺘَﻮَﺿَّﺄَ، ﻭَﻣَﺴَﺢَ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺠَﻮْﺭَﺑَﻴْﻦِ ﻭَاﻟﻨَّﻌْﻠَﻴْﻦِ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১৯৮ : মুগীরাহ বিন শু’বাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; “রসূলুল্লাহ (সাঃ) ওযু করলেন এবং জাওরাবাইন ও উভয় জুতার উপর মাসাহ করলেন”। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; আবূ ‘আসিমের রিওয়াআতে ﻭَاﻟﻨَّﻌْﻠَﻴْﻦِ “ও উভয় জুতার উপর” শব্দ নায়। তিনি কেবল এটা বর্ণনা করেছেন ; তিনি জাওরাবাইনের উপর মাসাহ করলেন। আবূ রাফি’র রিওয়াআতে আছে “রসূলুল্লাহ (সাঃ) পেশাব করলেন তারপর ওযু করলেন এবং জাওরাবাইনের উপর মাসাহ করলেন”।
★সনদ সহীহ। আবুদাঊদ হাঃ ১৫৯; তিরমিযী হাঃ ৯৯;

153-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ ﺃَﺧْﺒَﺎﺭٍ ﺭُﻭِﻳَﺖْ ﻋَﻦِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻓِﻲ اﻟْﻤَﺴْﺢِ ﻋَﻠَﻰ اﻟﻨَّﻌْﻠَﻴْﻦِ ﻣُﺠْﻤَﻠَﺔً،

অধ্যায় ১৫৩ : জুতার উপর মাসাহ করা সম্পর্কে নাবী (সাঃ) হতে বর্ণিত সংক্ষিপ্ত রিওয়াআতের বর্ণনা।

“ﻏَﻠَﻂَ ﻓِﻲ اﻻِﺣْﺘِﺠَﺎﺝِ ﺑِﻬَﺎ ﺑَﻌْﺾُ ﻣَﻦْ ﺃَﺟَﺎﺯَ اﻟْﻤَﺴْﺢَ ﻋَﻠَﻰ اﻟﻨَّﻌْﻠَﻴْﻦِ ﻓِﻲ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ اﻟْﻮَاﺟِﺐِ ﻣِﻦَ اﻟْﺤَﺪَﺙِ ”

এটা হতে  প্রমাণ নিতে কিছু ‘আলিমগণ ভুল করেছেন অপবিত্রতার জন্য ওয়াজিব ওযুতেও জুতার উপর মাসাহ করা বৈধ।

199 – ﻧﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟْﺠَﺒَّﺎﺭِ ﺑْﻦُ اﻟْﻌَﻼَءِ، ﻧﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ، ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺠْﻼَﻥَ، ﻋَﻦْ ﺳَﻌِﻴﺪٍ ﻫُﻮَ اﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﺳَﻌِﻴﺪٍ اﻟْﻤَﻘْﺒُﺮِﻱِّ، ﻋَﻦْ ﻋُﺒَﻴْﺪِ ﺑْﻦِ ﺟُﺮَﻳْﺞٍ ﻗَﺎﻝَ: ﻗِﻴﻞَ ﻻِﺑْﻦِ ﻋُﻤَﺮَ: ﺭَﺃَﻳْﻨَﺎﻙَ ﺗَﻔْﻌَﻞُ ﺷَﻴْﺌًﺎ ﻟَﻢْ ﻧَﺮَ ﺃَﺣَﺪًا ﻳَﻔْﻌَﻠُﻪُ ﻏَﻴْﺮَﻙَ ﻗَﺎﻝَ: «ﻭَﻣَﺎ ﻫُﻮَ؟» ﻗَﺎﻟُﻮا: ﺭَﺃَﻳْﻨَﺎﻙَ ﺗَﻠْﺒَﺲُ ﻫَﺬِﻩِ اﻟﻨِّﻌَﺎﻝَ اﻟﺴِّﺒْﺘِﻴَّﺔَ ﻗَﺎﻝَ: «ﺇِﻧِّﻲ §ﺭَﺃَﻳْﺖُ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻳَﻠْﺒَﺴُﻬَﺎ ﻭَﻳَﺘَﻮَﺿَّﺄُ ﻓِﻴﻬَﺎ، ﻭَﻳَﻤْﺴَﺢُ ﻋَﻠَﻴْﻬَﺎ» ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: ﻭَﺣَﺪِﻳﺚُ اﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ، ﻭَﺃَﻭْﺱِ ﺑْﻦِ ﺃَﻭْﺱٍ ﻣِﻦْ ﻫَﺬَا اﻟْﺒَﺎﺏِ
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১৯৯ : ‘উবায়িদ বিন জুরাইজ (রহঃ) বর্ণনা করেন; ইবনু উমার (রাযিঃ) কে বললাম; আমরা আপনাকে এমন আমল করতে দেখি যা আমরা আপনাকে ব্যতীত অন্যকে করতে দেখিনা। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন; সেটা কি?  বলা হল; আমরা আপনাকে সিবতী জুতা পরতে দেখেছি। তিনি বললেন: “নিশ্চয় আমি রসূলুল্লাহ (সাঃ) কে এই জুতা পরতে; ওযু করতে ও তার উপর মাসাহ করতে দেখেছি”। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; ইবনু আব্বাস ও ওয়াইস বিন ওয়াইস এর হাদীসও এই অধ্যায়ে আছে।
★সনদ সহীহ। নাসাঈ হাঃ ১১৭;
ব্যাখ্যা :
সিবতী জুতা হল পরিষ্কার উজ্জল রঙের মোটা চামড়ার জুতা।

154-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ ﻣَﺴْﺢَ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻋَﻠَﻰ اﻟﻨَّﻌْﻠَﻴْﻦِ ﻛَﺎﻥَ ﻓِﻲ ﻭُﺿُﻮءٍ ﻣُﺘَﻄَﻮِّﻉٍ ﺑِﻪِ، ﻻَ ﻓِﻲ ﻭُﺿُﻮءٍﻭَاﺟِﺐٍ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻣِﻦْ ﺣَﺪَﺙٍ ﻳُﻮﺟِﺐُ اﻟْﻮُﺿُﻮءَ

অধ্যায় ১৫৪ : সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা যে; নাবী (সাঃ) এর জুতার উপর মাসাহ করা নফল ওযুতে ছিল। সেই ওযুতে ছিল না; যা তার উপর অপবিত্রতার জন্য ওয়াজিব হয়েছিল; যা ওযু করাকে ওয়াজিব করে।

200 – ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣِﻴﻢِ اﻟْﺒَﺰَّاﺯُ، ﻧﺎ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢُ ﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ اﻟﻠَّﻴْﺚِ، ﻧﺎ ﻋُﺒَﻴْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﻋُﺒَﻴْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ اﻷَْﺷْﺠَﻌِﻲُّ، ﻋَﻦْ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥَ، ﻋَﻦِ اﻟﺴُّﺪِّﻱِّ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ ﺧَﻴْﺮٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﻠِﻲٍّ ﺃَﻧَّﻪُ ﺩَﻋَﺎ ﺑِﻜُﻮﺯٍ ﻣِﻦْ ﻣَﺎءٍ، ﺛُﻢَّ ﺗَﻮَﺿَّﺄَ ﻭُﺿُﻮءًا ﺧَﻔِﻴﻔًﺎ، ﺛُﻢَّ §ﻣَﺴَﺢَ ﻋَﻠَﻰ ﻧَﻌْﻠَﻴْﻪِ “، ﺛُﻢَّ ﻗَﺎﻝَ: «ﻫَﻜَﺬَا ﻭُﺿُﻮءُ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻟِﻠﻄَّﺎﻫِﺮِ ﻣَﺎ ﻟَﻢْ ﻳُﺤْﺪِﺙْ

২০০ : আবদু খায়র ‘আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেন; তিনি পানির কুঁজ আনালেন। অতঃপর সেটা হতে হাল্কা ওযু করলেন। তারপর তার জুতার উপর মাসাহ করলেন এবং বললেন; “পবিত্রতা (ওযু থাকা অবস্থায়) কোন ব্যক্তির যতক্ষণ পর্যন্ত ওযু না ভাঙ্গে তার জন্য রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর ওযু এরূপ”।
★সনদ সহীহ। মুসনাদে আহমাদ ১/১১৬; ১২০; বায়হাকী ফিলকাবীর হাঃ ২৩৪; ৩৬০; ৩৬১

155-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ ﺃَﺧْﺒَﺎﺭٍ ﺭُﻭِﻳَﺖْ ﻋَﻦِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻓِﻲ اﻟْﻤَﺴْﺢِ ﻋَﻠَﻰ اﻟﺮِّﺟْﻠَﻴْﻦِ ﻣُﺠْﻤَﻠَﺔً،

অধ্যায় ১৫৫ : দুই পায়ে মাসাহ করা সম্পর্কে নাবী (সাঃ) হতে বর্ণিত সংক্ষিপ্ত রিওয়াআতের বর্ণনা।

ﻏَﻠَﻂَ ﻓِﻲ اﻻِﺣْﺘِﺠَﺎﺝِ ﺑِﻬَﺎ ﺑَﻌْﺾُ ﻣَﻦْ ﻟَﻢْ ﻳُﻨْﻌِﻢِ اﻟﺮَّﻭِﻳَّﺔَ ﻓِﻲ اﻷَْﺧْﺒَﺎﺭِ، ﻭَﺃَﺑَﺎﺡَ ﻟِﻠْﻤُﺤْﺪِﺙِ اﻟْﻤَﺴْﺢَ ﻋَﻠَﻰ اﻟﺮِّﺟْﻠَﻴْﻦِ

ওটা হতে প্রমাণ  নিতে সেই ‘আলিমদের ত্রুটি হয়েছে; যারা হাদীসের মধ্যে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিপাত করেনা। আর তারা
অপবিত্র ব্যক্তি (যার ওযু ভেঙ্গে গিয়েছে) এর জন্য দুই পায়ে মাসাহ করাকে বৈধ বলেছেন।

201 – ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ ﺯُﻫَﻴْﺮٍ ﻋَﺒْﺪُ اﻟْﻤَﺠِﻴﺪِ ﺑْﻦُ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢَ اﻟْﻤِﺼْﺮِﻱُّ، ﻧﺎ اﻟْﻤُﻘْﺮِﺉُ، ﻧﺎ ﺳَﻌِﻴﺪُ ﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﺃَﻳُّﻮﺏَ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ اﻷَْﺳْﻮَﺩِ ﻭَﻫُﻮَ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﻣَﻮْﻟَﻰ ﺁﻝِ ﻧَﻮْﻓَﻞٍ ﻳَﺘِﻴﻢُ ﻋُﺮْﻭَﺓَ ﺑْﻦِ اﻟﺰُّﺑَﻴْﺮِ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒَّﺎﺩِ ﺑْﻦِ ﺗَﻤِﻴﻢٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ ﻗَﺎﻝَ: «ﺭَﺃَﻳْﺖُ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﻳَﺘَﻮَﺿَّﺄُ ﻭَﻳَﻤْﺴَﺢُ اﻟْﻤَﺎءَ ﻋَﻠَﻰ ﺭِﺟْﻠَﻴْﻪِ» ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: «ﺧَﺒَﺮُ ﻧَﺎﻓِﻊٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋُﻤَﺮَ ﻣِﻦْ ﻫَﺬَا اﻟْﺒَﺎﺏِ»
: ﺭﺟﺎﻟﻪ ﺛﻘﺎﺕ ﻏﻴﺮ ﺃﺑﻲ ﺯﻫﻴﺮ اﻟﻤﺼﺮﻱ ﻟﻢ ﺃﺟﺪ ﻟﻪ ﺗﺮﺟﻤﺔ

২০১ : আব্বাদ বিন তামীম তার পিতা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন; “আমি রসূলুল্লাহ (সাঃ) কে ওযু করতে ও
তার দুই পায়ে পানি দ্বারা মাসাহ করতে দেখেছি”। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; নাফে’র ইবনু উমার হতে রিওয়াআত এই অধ্যায়ে আছে।
★সনদ সহীহ। মুসনাদে আহমাদ ৪/৪০; তাবারানী ফিলকাবীর ২/৬০;

156-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ ﻣَﺴْﺢَ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﻘَﺪَﻣَﻴْﻦِ ﻛَﺎﻥَ ﻭَﻫُﻮَ ﻃَﺎﻫِﺮٌ ﻻَ ﻣُﺤْﺪِﺙٌ

অধ্যায় ১৫৬ : সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা যে; নাবী (সাঃ) (ওযুতে) পায়েতে যে মাসাহ করেছিলেন তা ওযু অবস্থায় ছিল; বে-ওযু অবস্থায় নয়।

202 – ﻧﺎ ﻳُﻮﺳُﻒُ ﺑْﻦُ ﻣُﻮﺳَﻰ، ﻧﺎ ﺟَﺮِﻳﺮٌ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺭَاﻓِﻊٍ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺣُﺴَﻴْﻦُ ﺑْﻦُ ﻋَﻠِﻲٍّ اﻟْﺠُﻌْﻔِﻲُّ، ﻋَﻦْ ﺯَاﺋِﺪَﺓَ ﻛِﻼَﻫُﻤَﺎ، ﻋَﻦْ ﻣَﻨْﺼُﻮﺭٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟْﻤَﻠَﻚِ ﺑْﻦِ ﻣَﻴْﺴَﺮَﺓَ ﻗَﺎﻝَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ اﻟﻨَّﺰَّاﻝُ ﺑْﻦُ ﺳَﺒْﺮَﺓَ ﻗَﺎﻝَ: ﺻَﻠَّﻴْﻨَﺎ ﻣَﻊَ ﻋَﻠِﻲٍّ اﻟﻈُّﻬْﺮَ، ﺛُﻢَّ ﺧَﺮَﺟْﻨَﺎ ﺇِﻟَﻰ اﻟﺮَّﺣْﺒَﺔِ ﻗَﺎﻝَ: ﻓَﺪَﻋَﺎ ﺑِﺈِﻧَﺎءٍ ﻓِﻴﻪِ ﺷَﺮَاﺏٌ ﻓَﺄَﺧَﺬَﻩُ ﻓَﻤَﻀْﻤَﺾَ – ﻗَﺎﻝَ ﻣَﻨْﺼُﻮﺭٌ: ﺃَﺭَاﻩُ ﻗَﺎﻝَ: ﻭَاﺳْﺘَﻨْﺸَﻖَ – «ﻭَﻣَﺴَﺢَ ﻭَﺟْﻬَﻪُ ﻭَﺫِﺭَاﻋَﻴْﻪِ ﻭَﺭَﺃْﺳَﻪُ ﻭَﻗَﺪَﻣَﻴْﻪِ، ﺛُﻢَّ ﺷَﺮِﺏَ ﻓَﻀْﻠَﻪُ ﻭَﻫُﻮَ ﻗَﺎﺋِﻢٌ» ، ﺛُﻢَّ ﻗَﺎﻝَ: ﺇِﻥَّ ﻧَﺎﺳًﺎ ﻳَﻜْﺮَﻫُﻮﻥَ ﺃَﻥْ ﻳَﺸْﺮَﺑُﻮا ﻭَﻫُﻢْ ﻗِﻴَﺎﻡٌ، ﺇِﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺻَﻨَﻊَ ﻣِﺜْﻞَ ﻣَﺎ ﺻَﻨَﻌْﺖُ، ﻭَﻗَﺎﻝَ: «§ﻫَﺬَا ﻭُﺿُﻮءُ ﻣَﻦْ ﻟَﻢْ ﻳُﺤْﺪِﺙْ» ﻫَﺬَا ﻟَﻔْﻆُ ﺣَﺪِﻳﺚِ ﺯَاﺋِﺪَﺓَ ”

২০২ : নাযযাল বিন সাবরা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন;  আমরা ‘আলী (রাযিঃ) এর সঙ্গে যোহরের স্বলাত পড়লাম। তারপর (মাসজিদের) চত্বরের দিকে চলে গেলেন। বলেন যে; তিনি পানির পাত্র চেয়ে নিলেন। তিনি সেই পানি নিয়ে কুলি করলেন। মানসূর বলেন; আমার স্বরণ আছে যে তিনি বললেন; তিনি নাকে পানি দিলেন; তার মুখমন্ডল; দুই হাত; তার মাথা ও দুই পায়ের মাসাহ করলেন। তারপর তিনি দাঁড়ালেন এবং দাঁড়ানো অবস্থায় উদ্বৃত্ত পানি পান করলেন। তারপর বললেন; কিছু লোক দাঁড়িয়ে পান করাকে অপছন্দ করে। অথচ আমি (এখন) যা করলাম রসূলুল্লাহ (সাঃ)ও তেমন করেছিলেন। তারপর বললেন; “এটা সেই ব্যক্তির ওযু; যার ওযু ভঙ্গ হয়নি”। এটা যায়িদাহর (বর্ণিত) হাদীসের শব্দ।
★ বুখারী হাঃ ৫৬১৬; নাসাঈ হাঃ ১৩০; মুসনাদে আহমাদ ১/১২৩;
ব্যাখ্যা:
জুতার উপর মাসাহ করা নফল ওযুতে বৈধ। আর নফল ওযুর পদ্ধতি এটা যে; মানুষ ওযু অবস্থায় থাকবে এবং সেই ওযু অবস্থায় দ্বিতীয় স্বলাতের সময় হয়ে গেলে তার জন্য নূতন ওযু করা জরুরী নয়। সে আগের ওযুতেই স্বলাত পড়তে পারে। আবার সে চায়লে নূতন ওযুও করতে পারে। আর নফল ওযু (অর্থাৎ ওযুর সমস্ত অঙ্গে মাসাহও করতে) পারে।

157-ﺑَﺎﺏُ اﻟﺮُّﺧْﺼَﺔِ ﻓِﻲ اﺳْﺘِﻌَﺎﻧَﺔِ اﻟْﻤُﺘَﻮَﺿِّﺊِ ﺑِﻤَﻦْ ﻳَﺼُﺐُّ ﻋَﻠَﻴْﻪِ اﻟْﻤَﺎءَ ﻟِﻴَﻄْﻬُﺮَ «ﺧِﻼَﻑَ ﻣَﺬْﻫَﺐِ ﻣَﻦْ ﻳَﺘَﻮَﻫَّﻢُ ﻣِﻦَ اﻟْﻤُﺘَﺼَﻮِّﻓَﺔِ ﺃَﻥَّ ﻫَﺬَاﻣِﻦَ اﻟْﻜِﺒْﺮِ»

অধ্যায় ১৫৭ : ওযুকারী ওযুতে কোন ব্যক্তির সহযোগিতা নিতে পারে; যে তার ওযু করার সময় পানি ঢেলে দিবে। সূফিদের পদ্ধতির বিরুদ্ধে যারা এটাকে অহংকার বলে মনে করে।

203 – ﻧﺎ ﻳُﻮﻧُﺲُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻷَْﻋْﻠَﻰ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ اﺑْﻦُ ﻭَﻫْﺐٍ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧِﻲ ﻋَﻤْﺮُﻭ ﺑْﻦُ اﻟْﺤَﺎﺭِﺙِ، ﺃَﻥَّ اﺑْﻦَ ﺷِﻬَﺎﺏٍ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻩُ ﻋَﻦْ ﻋَﺒَّﺎﺩِ ﺑْﻦِ ﺯِﻳَﺎﺩٍ، ﻋَﻦْ ﻋُﺮْﻭَﺓَ ﺑْﻦِ اﻟْﻤُﻐِﻴﺮَﺓِ ﺑْﻦِ ﺷُﻌْﺒَﺔَ، ﺃَﻧَّﻪُ ﺳَﻤِﻊَ ﺃَﺑَﺎﻩُ ﻳَﻘُﻮﻝُ: «§ﺳَﻜَﺒْﺖُ ﻋَﻠَﻰ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺣِﻴﻦَ ﺗَﻮَﺿَّﺄَ ﻓِﻲ ﻏَﺰْﻭَﺓِ ﺗَﺒُﻮﻙَ ﻓَﻤَﺴَﺢَ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﺨُﻔَّﻴْﻦِ»

২০৩ : ‘উরওয়াহ বিন মুগীরাহ বিন শু’বা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি তার পিতাকে বলতে শুনেছেন : “রসূলুল্লাহ (সাঃ) যখন তাবুকের যুদ্ধের সময় ওযু করলেন তখন আমি তার (ওযুর অঙ্গের) উপর পানি ঢেলেছিলাম এবং তিনি মোজার উপর মাসাহ করলেন”।
★বুখারী হাঃ ৪৪২১; মুসলিম হাঃ ২৭৪; ৪২১; নাসাঈ হাঃ ৭৯; আবুদাঊদ হাঃ ১৪৯; মুওয়াত্তা মালিক হাঃ ৬৪; ইবনুহিব্বান হাঃ ২২২৪; তাবারানী ফিলকাবীর ২০/৩৭৬; বায়হকী ফিলকাবীর হাঃ ৫০৫১;

158-ﺑَﺎﺏُ اﻟﺮُّﺧْﺼَﺔِ ﻓِﻲ ﻭُﺿُﻮءِ اﻟْﺠَﻤَﺎﻋَﺔِ ﻣِﻦَ اﻹِْﻧَﺎءِ اﻟْﻮَاﺣِﺪِ

অধ্যায় ১৫৮ : একটি পাত্র হতে সম্পূর্ণ জামাআত ওযু করতে পারে।

204 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺑَﺸَّﺎﺭٍ، ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ ﺃَﺣْﻤَﺪَ اﻟﺰُّﺑَﻴْﺮِﻱُّ، ﻧﺎ ﺇِﺳْﺮَاﺋِﻴﻞُ، ﻋَﻦْ ﻣَﻨْﺼُﻮﺭٍ، ﻋَﻦْ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢَ، ﻋَﻦْ ﻋَﻠْﻘَﻤَﺔَ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﻗَﺎﻝَ: ﺇِﻧَّﻜُﻢْ ﺗَﻌُﺪُّﻭﻥَ اﻵْﻳَﺎﺕِ ﻋَﺬَاﺑًﺎ، ﻭَﺇِﻧَّﺎ ﻛُﻨَّﺎ ﻧَﻌُﺪُّﻫَﺎ ﺑَﺮَﻛَﺔً ﻋَﻠَﻰ ﻋَﻬْﺪِ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ، ﻗَﺪْ ﻛُﻨَّﺎ ﻧَﺄْﻛُﻞُ ﻣَﻊَ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ، ﻭَﻧَﺤْﻦُ ﻧَﺴْﻤَﻊُ ﺗَﺴْﺒِﻴﺢَ اﻟﻄَّﻌَﺎﻡِ ﻗَﺎﻝَ: «ﻭَﺃُﺗِﻲَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺑِﺈِﻧَﺎءٍ ﻓَﻮَﺿَﻊَ ﻳَﺪَﻩُ ﻓِﻴﻪِ ﻓَﺠَﻌَﻞَ اﻟْﻤَﺎءُ ﻳَﻨْﺒُﻊُ ﻣِﻦْ ﺑَﻴْﻦِ ﺃَﺻَﺎﺑِﻌِﻪِ» ، ﻓَﻘَﺎﻝَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «ﺣَﻲَّ ﻋَﻠَﻰ اﻟﻄَّﻬُﻮﺭِ اﻟْﻤُﺒَﺎﺭَﻙِ، ﻭَاﻟْﺒَﺮَﻛَﺔُ ﻣِﻦَ اﻟﻠَّﻪِ» ﺣَﺘَّﻰ ﺗَﻮَﺿَّﺄْﻧَﺎ ﻛُﻠُّﻨَﺎ

২০৪ : আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; তোমরা নিদর্শনাবলীকে ভীতিকর মনে কর; অথচ আমরা তা রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সময় বরকতময় মনে করতাম। আমরা রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সঙ্গে খবার খেতাম ও খাবার (বস্তুর) তাসবীহ শুনতাম। (তিনি) বলেন; নাবী (সাঃ) এর নিকট পানির পাত্র নিয়ে আসা হল; তিনি তার মধ্যে নিজ হাত রাখলেন। তার আঙুলসমূহের ফাঁক দিয়ে পানি উপচে পড়ছিল। নাবী (সাঃ) বললেন; “বরকতময় পানির নিকটে এসো; এ বরকত আল্লাহ তা’য়ালার পক্ষ হতে দেয়া হয়েছে”। এমনকি সকলে ওযু করে নিল।
★বুখারী হাঃ ৩৫৭৯; নাসাঈ হাঃ ৭৭; দারেমী হাঃ ২৯; ৩০; মুসনাদে আহমাদ হাঃ ৪৩৯৩;

159-ﺑَﺎﺏُ اﻟﺮُّﺧْﺼَﺔِ ﻓِﻲ ﻭُﺿُﻮءِ اﻟﺮِّﺟَﺎﻝِ ﻭَاﻟﻨِّﺴَﺎءِ ﻣِﻦَ اﻹِْﻧَﺎءِ اﻟْﻮَاﺣِﺪِ

অধ্যায় ১৫৯ : একটা পাত্রে পুরুষ ও নারীর ওযু করার অনুমতি।

205 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺑَﺸَّﺎﺭٍ، ﻧﺎ ﺣَﻤَّﺎﺩُ ﺑْﻦُ ﻣَﺴْﻌَﺪَﺓَ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋُﺒَﻴْﺪُ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﻋُﻤَﺮَ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻫَﺎﺷِﻢٍ ﺯِﻳَﺎﺩُ ﺑْﻦُ ﺃَﻳُّﻮﺏَ، ﻭَﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﻣَﻨِﻴﻊٍ، ﻭَﻣُﺆَﻣَّﻞُ ﺑْﻦُ ﻫِﺸَﺎﻡٍ ﻗَﺎﻟُﻮا: ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﺇِﺳْﻤَﺎﻋِﻴﻞُ ﻗَﺎﻝَ ﺯِﻳَﺎﺩٌ، ﻭَﺃَﺣْﻤَﺪُ ﻗَﺎﻝَ: ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﺃَﻳُّﻮﺏُ، ﻭَﻗَﺎﻝَ ﻣُﺆَﻣَّﻞٌ، ﻋَﻦْ ﺃَﻳُّﻮﺏَ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋِﻤْﺮَاﻥُ ﺑْﻦُ ﻣُﻮﺳَﻰ، ﻧﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟْﻮَاﺭِﺙِ، ﻋَﻦْ ﺃَﻳُّﻮﺏَ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻳُﻮﻧُﺲُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻷَْﻋْﻠَﻰ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ اﺑْﻦُ ﻭَﻫْﺐٍ، ﺃَﻥَّ ﻣَﺎﻟِﻜًﺎ ﺣَﺪَّﺛَﻪُ، ﻛُﻠُّﻬُﻢْ ﻋَﻦْ ﻧَﺎﻓِﻊٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋُﻤَﺮَ ﻗَﺎﻝَ: «§ﺭَﺃَﻳْﺖُ اﻟﺮِّﺟَﺎﻝَ ﻭَاﻟﻨِّﺴَﺎءَ ﻳَﺘَﻮَﺿَّﺌُﻮﻥَ ﻋَﻠَﻰ ﻋَﻬْﺪِ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻣِﻦْ ﺇِﻧَﺎءٍ ﻭَاﺣِﺪٍ» ﻣَﻌَﺎﻧِﻲ ﺃَﺣَﺎﺩِﻳﺜِﻬِﻢْ ﺳَﻮَاءٌ، ﻭَﻫَﺬَا ﺣَﺪِﻳﺚُ اﺑْﻦُ ﻋُﻠَﻴَّﺔَ ”

২০৫ : ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; “আমি রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সময় পুরুষ ও নারীদের একই পাত্র হতে ওযু করতে দেখেছি”। সব রিওয়াতের অর্থ একই। আর এটা ইবনু ‘আলীয়াহ’র রিওয়াআত।
★বুখারী হাঃ ১৯৩; নাসাঈ হাঃ ৭১; আবুদাঊদ হাঃ ৭৯; ইবনুমাজাহ হাঃ ৩৮১; মুসনাদে আহমাদ হাঃ ৪২৫১; মুওয়াত্তা মালিক হাঃ ৪০.


Desktop Site