এসো হাদিস পড়ি ?

এসো হাদিস পড়ি ?

হাদিস অনলাইন ?

ﺟُﻤَّﺎﻉُ ﺃَﺑْﻮَاﺏِ ﻓُﻀُﻮﻝِ اﻟﺘَﻄْﻬِﻴﺮِ ﻭَاﻻِﺳْﺘِﺤْﺒَﺎﺏِ ﻣِﻦْ ﻏَﻴْﺮِ ﺇِﻳﺠَﺎﺏٍ
সেই ওযুর বিষয় সম্পর্কে অধ্যায়; যেটা ওয়াজিব নয়। কিন্তু তার ফযীলত প্রমাণিত।

♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣

160-ﺑَﺎﺏُ اﺳْﺘِﺤْﺒَﺎﺏِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻟِﺬِﻛْﺮِ اﻟﻠَّﻪِ، ﻭَﺇِﻥْ ﻛَﺎﻥَ اﻟﺬِّﻛْﺮُ ﻋَﻠَﻰ ﻏَﻴْﺮِ ﻭُﺿُﻮءٍ ﻣُﺒَﺎﺣًﺎ

অধ্যায় ১৬০ : আল্লাহ তা‘য়ালার যিকর করার জন্য ওযু করা মুস্তাহাব। যদিও যিকর বে-ওযুতেও বৈধ।

206 – ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻣُﻮﺳَﻰ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ اﻟْﻤُﺜَﻨَّﻰ، ﻧﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻷَْﻋْﻠَﻰ، ﻧﺎ ﺳَﻌِﻴﺪٌ، ﻋَﻦْ ﻗَﺘَﺎﺩَﺓَ، ﻋَﻦِ اﻟْﺤَﺴَﻦِ، ﻋَﻦْ ﺣُﺼَﻴْﻦِ ﺑْﻦِ اﻟْﻤُﻨْﺬِﺭِ – ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: ﻫُﻮَ اﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﺳَﺎﺳَﺎﻥَ – ﻋَﻦِ اﻟْﻤُﻬَﺎﺟِﺮِ ﺑْﻦِ ﻗُﻨْﻔُﺬِ ﺑْﻦِ ﻋُﻤَﺮَ ﺑْﻦِ ﺟُﺪْﻋَﺎﻥَ، ﺃَﻧَّﻪُ ﺃَﺗَﻰ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻭَﻫُﻮَ ﻳَﺘَﻮَﺿَّﺄُ ﻓَﺴَﻠَّﻢَ ﻋَﻠَﻴْﻪِ، ﻓَﻠَﻢْ ﻳَﺮُﺩَّ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺣَﺘَّﻰ ﺗَﻮَﺿَّﺄَ، ﺛُﻢَّ اﻋْﺘَﺬَﺭَ ﺇِﻟَﻴْﻪِ ﻓَﻘَﺎﻝَ: «§ﺇِﻧِّﻲ ﻛَﺮِﻫْﺖُ ﺃَﻥْ ﺃَﺫْﻛُﺮَ اﻟﻠَّﻪَ ﺇِﻻَّ ﻋَﻠَﻰ ﻃُﻬْﺮٍ» ﺃَﻭْ ﻗَﺎﻝَ: «ﻋَﻠَﻰ ﻃَﻬَﺎﺭَﺓٍ» ، ﻭَﻛَﺎﻥَ اﻟْﺤَﺴَﻦُ ﻳَﺄْﺧُﺬُ ﺑِﻪِ
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

২০৬ : মুহাজির বিন কুনফুয বিন উমার বিন জাদ’আন (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। একদা তিনি নাবী (সাঃ) এর নিকট গেলেন; তখন তিনি ওযু করছিলেন। তিনি তাকে সালাম দিলেন। রসূলুল্লাহ (সাঃ) সালামের জবাব দিলেন না। এমনকি ওযু সম্পূর্ণ করে নিলেন (তারপর সালামের জবাব দিলেন)। অতঃপর তিনি (সাঃ) মুহাজিরকে (তার সালামের জবাব না দেওয়ার) ওযর বর্ণনা করতে গিয়ে বললেন : “আমি পবিত্রতা অর্জন না করে আল্লাহর যিকর করতে অপছন্দ করলাম”। (ইমাম ইবনু খুযাইমাহ বলেন);  হাসান বাসরী (রহঃ) এই হাদীস অনুযায়ী আমল করতেন (অর্থাৎ বে-ওযুতে তিনি আল্লাহর যিকর করতেন না)।
★সনদ সহীহ। আবুদাঊদ হাঃ ১৭; মুসনাদে আহমাদ হাঃ ১৮২৫৯; ইবনুমাজাহ হাঃ ৩৫০; নাসাঈ হাঃ ৩৮; তিরমিযী হাঃ ৯০;

161-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ ﻛَﺮَاﻫِﻴَﺔَ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻟِﺬِﻛْﺮِ اﻟﻠَّﻪِ ﻋَﻠَﻰ ﻏَﻴْﺮِ ﻃُﻬْﺮٍ ﻛَﺎﻧَﺖْ ﺇِﺫِ اﻟﺬِّﻛْﺮُ ﻋَﻠَﻰ ﻃَﻬَﺎﺭَﺓٍﺃَﻓْﻀَﻞُ ﻻَ ﺃَﻧَّﻪُ ﻏَﻴْﺮُ ﺟَﺎﺋِﺰٍ ﺃَﻥْ ﻳُﺬْﻛَﺮَ اﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻰ ﻏَﻴْﺮِ ﻃُﻬْﺮٍ، ﺇِﺫِ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺪْ ﻛَﺎﻥَ ﻳَﺬْﻛُﺮُ اﻟﻠَّﻪَ ﻋَﻠَﻰ ﻛُﻞِّ ﺃَﺣْﻴَﺎﻧِﻪِ “

অধ্যায় ১৬১ : সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা যে; নাবী (সাঃ) এর বিনা ওযুতে আল্লাহর যিকর করাকে অপছন্দ
করা এই জন্য ছিল যে; পবিত্রতা (ওযু) এর সঙ্গে আল্লাহর যিকর করা উত্তম। এই জন্য নয় যে; পবিত্রতা (ওযু) ব্যতীত আল্লাহর যিকর করা অবৈধ। কেননা নাবী (সাঃ) তো সর্বসময় আল্লাহ তা‘য়ালার যিকর করতেন।

207 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ اﻟْﻌَﻼَءِ ﺑْﻦِ ﻛُﺮَﻳْﺐٍ اﻟْﻬَﻤْﺪَاﻧِﻲُّ، ﻭَﻋَﻠِﻲُّ ﺑْﻦُ ﻣُﺴْﻠِﻢٍ ﻗَﺎﻻَ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ اﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﺯَاﺋِﺪَﺓَ، ﻋَﻦْ ﺧَﺎﻟِﺪِ ﺑْﻦِ ﺳَﻠَﻤَﺔَ، ﻋَﻦِ اﻟْﺒَﻬِﻲِّ، ﻋَﻦْ ﻋُﺮْﻭَﺓَ، ﻋَﻦْ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔَ ﻗَﺎﻟَﺖْ: «ﻛَﺎﻥَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﻳَﺬْﻛُﺮُ اﻟﻠَّﻪَ ﻋَﻠَﻰ ﻛُﻞِّ ﺃَﺣْﻴَﺎﻧِﻪِ» ﻫَﺬَا ﻟَﻔْﻆُ ﺣَﺪِﻳﺚِ ﺃَﺑِﻲ ﻛُﺮَﻳْﺐٍ ”

২০৭ : আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; “রসূলুল্লাহ (সাঃ) সব সময়ই আল্লাহর যিকর করতেন”। এটা আবূ কুরাইবের (বর্ণিত) হাদীস।
★মুসলিম হাঃ ৩৭৩; তিরমিযী হাঃ ৩৩৮৪; আবুদাঊদ হাঃ ১৮; ইবনুমাজাহ হাঃ ৩০৬; মুসনাদে আহমাদ ৬/৭০; ১৫৩; ২৭৮;

162ﺑَﺎﺏُ اﻟﺮُّﺧْﺼَﺔِ ﻓِﻲ ﻗِﺮَاءَﺓِ اﻟْﻘُﺮْﺁﻥِ، ﻭَﻫُﻮَ ﺃَﻓْﻀَﻞُ اﻟﺬِّﻛْﺮِ ﻋَﻠَﻰ ﻏَﻴْﺮِ ﻭُﺿُﻮءٍ

অধ্যায় ১৬২ : ওযু ব্যতীত ক্বুরআন তিলাওয়াত করার অনুমতি। যদিও ক্বুরআন তিলাওয়াত উত্তম যিকর।

208 – ﻧﺎ ﺑُﻨْﺪَاﺭٌ، ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺟَﻌْﻔَﺮٍ، ﻧﺎ ﺷُﻌْﺒَﺔُ، ﻋَﻦْ ﻋَﻤْﺮِﻭ ﺑْﻦِ ﻣُﺮَّﺓَ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﻋَﺒْﺪَ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦَ ﺳَﻠَﻤَﺔَ ﻗَﺎﻝَ: ﺩَﺧَﻠْﺖُ ﻋَﻠَﻰ ﻋَﻠِﻲِّ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻃَﺎﻟِﺐٍ ﺃَﻧَﺎ ﻭَﺭَﺟُﻼَﻥِ: ﺭَﺟُﻞٌ ﻣِﻨَّﺎ، ﻭَﺭَﺟُﻞٌ ﻣِﻦْ ﺑَﻨِﻲ ﺃَﺳَﺪٍ ﺃَﺣْﺴَﺐُ، ﻓَﺒَﻌَﺜَﻬُﻤَﺎ ﻭَﺟْﻬًﺎ ﻭَﻗَﺎﻝَ: ﺇِﻧَّﻜُﻤَﺎ ﻋِﻠْﺠَﺎﻥِ ﻓَﻌَﺎﻟِﺠَﺎ ﻋَﻦْ ﺩِﻳﻨِﻜُﻤَﺎ، ﺛُﻢَّ ﺩَﺧَﻞَ اﻟْﻤَﺨْﺮَﺝَ ﺛُﻢَّ ﺧَﺮَﺝَ، ﻓَﺄَﺧَﺬَ ﺣَﻔْﻨَﺔً ﻣِﻦْ ﻣَﺎءٍ ﻓَﺘَﻤَﺴَّﺢَ ﺑِﻬَﺎ ﺛُﻢَّ ﺟَﺎءَ، ﻓَﻘَﺮَﺃَ اﻟْﻘُﺮْﺁﻥَ ﻗِﺮَاءَﺓً ﻓَﺄَﻧْﻜَﺮْﻧَﺎ ﺫَﻟِﻚَ، ﻓَﻘَﺎﻝَ ﻋَﻠِﻲٌّ: «ﻛَﺎﻥَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﻳَﺄْﺗِﻲ اﻟْﺨَﻼَءَ ﻓَﻴَﻘْﻀِﻲ اﻟْﺤَﺎﺟَﺔَ، ﺛُﻢَّ ﻳَﺨْﺮُﺝُ ﻓَﻴَﺄْﻛُﻞُ ﻣَﻌَﻨَﺎ اﻟْﺨُﺒْﺰَ ﻭَاﻟﻠَّﺤْﻢَ، ﻭَﻳَﻘْﺮَﺃُ اﻟْﻘُﺮْﺁﻥَ، ﻭَﻻَ ﻳَﺤْﺠُﺒُﻪُ ﻋَﻦِ اﻟْﻘُﺮْﺁﻥِ ﺷَﻲْءٌ ﻟَﻴْﺲَ اﻟْﺠَﻨَﺎﺑَﺔَ» ﺃَﻭْ ﺇِﻻَّ اﻟْﺠَﻨَﺎﺑَﺔُ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﺃَﺣْﻤَﺪَ ﺑْﻦَ اﻟْﻤِﻘْﺪَاﻡِ اﻟْﻌِﺠْﻠِﻲَّ ﻳَﻘُﻮﻝُ: ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺳَﻌِﻴﺪُ ﺑْﻦُ اﻟﺮَّﺑِﻴﻊِ، ﻋَﻦْ ﺷُﻌْﺒَﺔَ ﺑِﻬَﺬَا اﻟْﺤَﺪِﻳﺚِ ﻗَﺎﻝَ ﺷُﻌْﺒَﺔُ: «ﻫَﺬَا ﺛُﻠُﺚُ ﺭَﺃْﺱِ ﻣَﺎﻟِﻲ» ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: ” ﻗَﺪْ ﻛُﻨْﺖُ ﺑَﻴَّﻨْﺖُ ﻓِﻲ ﻛِﺘَﺎﺏِ اﻟْﺒُﻴُﻮﻉِ ﺃَﻥَّ ﺑَﻴْﻦَ اﻟْﻤَﻜْﺮُﻭﻩِ ﻭَﺑَﻴْﻦَ اﻟْﻤُﺤَﺮَّﻡِ ﻓُﺮْﻗَﺎﻧًﺎ، ﻭَاﺳْﺘَﺪْﻟَﻠْﺖُ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﻔَﺮْﻕِ ﺑَﻴْﻨَﻬُﻤَﺎ ﺑِﻘَﻮْﻝِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «ﺇِﻥَّ اﻟﻠَّﻪَ ﻛَﺮِﻩَ ﻟَﻜُﻢْ ﺛَﻼَﺛًﺎ، ﻭَﺣَﺮَّﻡَ ﻋَﻠَﻴْﻜُﻢْ ﺛَﻼَﺛًﺎ، ﻛَﺮِﻩَ ﻟَﻜُﻢْ ﻗِﻴﻞَ ﻭَﻗَﺎﻝَ، ﻭَﻛَﺜْﺮَﺓَ اﻟﺴُّﺆَاﻝِ، ﻭَﺇِﺿَﺎﻋَﺔَ اﻟْﻤَﺎﻝِ، ﻭَﺣَﺮَّﻡَ ﻋَﻠَﻴْﻜُﻢْ ﻋُﻘُﻮﻕَ اﻷُْﻣَّﻬَﺎﺕِ، ﻭَﻭَﺃْﺩَ اﻟْﺒَﻨَﺎﺕِ، ﻭَﻣَﻨْﻌًﺎ ﻭَﻫَﺎﺕِ» ﻓَﻔَﺮَّﻕَ ﺑَﻴْﻦَ اﻟْﻤَﻜْﺮُﻭﻩِ، ﻭَﺑَﻴْﻦَ اﻟْﻤُﺤَﺮَّﻡِ ﺑِﻘَﻮْﻟِﻪِ ﻓِﻲ ﺧَﺒَﺮِ اﻟْﻤُﻬَﺎﺟِﺮِ ﺑْﻦِ ﻗُﻨْﻔُﺬٍ: 《كرهت ان اذ كراللهَ ﺇِﻻَّ ﻋَﻠَﻰ ﻃُﻬْﺮٍ» ﻗَﺪْ ﻳَﺠُﻮﺯُ ﺃَﻥْ ﻳَﻜُﻮﻥَ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﻛَﺮِﻩَ ﺫَﻟِﻚَ ﺇِﺫِ اﻟﺬِّﻛْﺮُ ﻋَﻠَﻰ ﻃُﻬْﺮٍ ﺃَﻓْﻀَﻞُ ﻻَ ﺃَﻥَّ ﺫِﻛْﺮَ اﻟﻠَّﻪِ ﻋَﻠَﻰ ﻏَﻴْﺮِ ﻃُﻬْﺮٍ ﻣُﺤَﺮَّﻡٌ، «ﺇِﺫِ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺪْ ﻛَﺎﻥَ ﻳُﻘْﺮَﺃُ اﻟْﻘُﺮْﺁﻥَ ﻋَﻠَﻰ ﻏَﻴْﺮِ ﻃُﻬْﺮٍ» ﻭَاﻟْﻘُﺮْﺁﻥُ ﺃَﻓْﻀَﻞُ اﻟﺬِّﻛْﺮِ، «ﻭَﻗَﺪْ ﻛَﺎﻥَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻳَﺬْﻛُﺮُ اﻟﻠَّﻪَ ﻋَﻠَﻰ ﻛُﻞِّ ﺃَﺣْﻴَﺎﻧِﻪِ» ﻋَﻠَﻰ ﻣَﺎ ﺭُﻭِّﻳﻨَﺎ ﻋَﻦْ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔَ ﺭَﺿِﻲ اﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻨْﻬَﺎ، ﻭَﻗَﺪُ ﻳَﺠُﻮﺯُ ﺃَﻥْ ﺗَﻜُﻮﻥَ ﻛَﺮَاﻫَﺘُﻪُ ﻟِﺬِﻛْﺮِ اﻟﻠَّﻪِ ﺇِﻻَّ ﻋَﻠَﻰ ﻃُﻬْﺮٍ ﺫِﻛْﺮُ اﻟﻠَّﻪِ اﻟَّﺬِﻱ ﻫُﻮَ ﻓَﺮْﺽٌ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﻤَﺮْءِ ﺩُﻭﻥَ ﻣَﺎ ﻫُﻮَ ﻣُﺘَﻄَﻮَّﻉٌ ﺑِﻪِ، ﻓَﺈِﺫَا ﻛَﺎﻥَ ﺫِﻛْﺮُ اﻟﻠَّﻪِ ﻓَﺮْﺿًﺎ ﻟَﻢْ ﻳُﺆَﺩِّ اﻟْﻔَﺮْﺽَ ﻋَﻠَﻰ ﻏَﻴْﺮِ ﻃُﻬْﺮٍ ﺣَﺘَّﻰ ﻳَﺘَﻄَﻬَّﺮَ، ﺛُﻢَّ ﻳُﺆَﺩِّﻱ ﺫَﻟِﻚَ اﻟْﻔَﺮْﺽَ ﻋَﻠَﻰ ﻃَﻬَﺎﺭَﺓٍ؛ ﻷَِﻥَّ ﺭَﺩَّ اﻟﺴَّﻼَﻡِ ﻓَﺮْﺽٌ ﻋِﻨْﺪَ ﺃَﻛْﺜَﺮِ اﻟْﻌُﻠَﻤَﺎءِ، ﻓَﻠَﻢْ ﻳَﺮُﺩَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻭَﻫُﻮَ ﻋَﻠَﻰ ﻏَﻴْﺮِ ﻃُﻬْﺮٍ ﺣَﺘَّﻰ ﺗَﻄَﻬَّﺮَ، ﺛُﻢَّ ﺭَﺩَّ اﻟﺴَّﻼَﻡَ، ﻓَﺄَﻣَّﺎ ﻣَﺎ ﻛَﺎﻥَ اﻟْﻤَﺮْءُ ﻣُﺘَﻄَﻮِّﻋًﺎ ﺑِﻪِ ﻣِﻦْ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻟَﻮْ ﺗَﺮَﻛَﻪُ ﻓِﻲ ﺣَﺎﻟَﺔٍ ﻫُﻮَ ﻓِﻴﻬَﺎ ﻏَﻴْﺮُ ﻃَﺎﻫِﺮٍ ﻟَﻢْ ﻳَﻜُﻦْ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﺇِﻋَﺎﺩَﺗُﻪُ ﻓَﻠَﻪُ ﺃَﻥْ ﻳَﺬْﻛُﺮَ اﻟﻠَّﻪَ ﻣُﺘَﻄَﻮِّﻋًﺎ ﺑِﺎﻟﺬِّﻛْﺮِ، ﻭَﺇِﻥْ ﻛَﺎﻥَ ﻏَﻴْﺮَ ﻣُﺘَﻄَﻬِّﺮٍ ”
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺿﻌﻴﻒ

২০৮ : আমর বিন মুর্রাহ বর্ণনা করেন; আমি আব্দুল্লাহ বিন সালামাহকে বলতে শুনেছি। তিনি বলেন; আমি ও আরো দু’জন লোক ‘আলী (রাযিঃ) এর নিকট গেলাম। এক ব্যক্তি আমাদের মধ্যে (অর্থাৎ আমাদের গোত্রের ছিল) আর এক ব্যক্তি বানু আসাদ গোত্রের। আমার ধারণা তিনি দু’জনকে একটা অঞ্চলের দিকে পাঠালেন এবং প্রেরণের সময় বললেন : “তোমরা দু’জন স্বাস্থবান ও শক্তিশালী। কাজেই তোমরা তোমাদের শক্তি দ্বীনের ক্ষেত্রে  ব্যয় করবে”। অতঃপর তিনি পায়খানায় গেলেন এবং (প্রাকৃতিক প্রয়োজন সেরে)  সেখান থেকে বের হলেন। তারপর এক আঁজলা পানি নিলেন ও (তার হাত) ধুলেন। তারপর (আমাদের নিকট) এলেন ও ক্বুরআন এর কিছু তিলাওয়াত করলেন। আমরা সেটা অপছন্দ করলাম। ‘আলী (রাযিঃ) বললেন : “রসূলুল্লাহ (সাঃ) পায়খানায় প্রবেশ করে প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারতেন। তারপর বাইরে বের হয়ে আমাদের সঙ্গে রুটি ও গোস্ত খেতেন এবং ক্বুরআন তিলাওয়াত করতেন। একমাত্র জানাবাত (গোসক ফরয হওয়া অপবিত্রতা) ব্যতীত কোন বস্তু তাকে ক্বুরআনের তিলাওয়াত হতে বিরত রাখত না”। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ)  এই হাদীস ইমাম শু’বাহ হতেও রিওয়াআত করেছেন। ইমাম শু’বাহ বলেন; এটা আমার অর্জিত জ্ঞানের সম্পদের ধবংশের কারণ। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন; আমি কিতাবুল বুয়ু’তে এটা বর্ণনা করে দিয়েছি যে; মাকরুহ ও হারামের মাঝে পার্থক্য আছে। আমি ঐ দুটির মাঝে পার্থক্যের জন্য নাবী (সাঃ) এর সেই বাক্য দ্বারা প্রমাণ নিয়েছি ﺇِﻥَّ اﻟﻠَّﻪَ ﻛَﺮِﻩَ ﻟَﻜُﻢْ ﺛَﻼَﺛًﺎ، ﻭَﺣَﺮَّﻡَ ﻋَﻠَﻴْﻜُﻢْ ﺛَﻼَﺛًﺎ، “আল্লাহ তা’য়ালা আমাদের জন্য তিনটি কাজকে অপছন্দ করেন ও তিনটিকে তোমাদের উপর হারাম করেছেন। তোমাদের জন্য অযথা কথা বলা;  অতিরিক্ত প্রশ্ন করা ও সম্পদের অপব্যয় করা মাকরুহ বা অপছন্দ করেন। মায়ের নাফরমানী; কন্যাদেরকে জীবিত দাফন ও কৃপণতা করাকে তোমাদের জন্য হারাম করেছেন। তিনি মুহাজির বিন কুনফুযের হাদীসে তার এই বণীতে মাকরুহ ও হারামের মাঝে পার্থক্য করেছেন।《كرهت ان اذ كراللهَ ﺇِﻻَّ ﻋَﻠَﻰ ﻃُﻬْﺮٍ» “আমি অপবিত্র ব্যতীত আল্লাহ তা’য়ালার যিকর করাকে অপছন্দ করি”।  হতে পারে তিনি ওটা এজন্য অপছন্দ করেছেন যে; পবিত্র অবস্থায় আল্লাহর যিকর করা উত্তম। এজন্য নয় যে; পবিত্রতা ব্যতীত আল্লাহ তা’য়ালার যিকর করা হারাম। কেননা নাবী (সাঃ) পবিত্রতা অর্জন না করেও ক্বুরআন তিলাওয়াত করতেন। আর ক্বুরআন তিলাওয়াত উত্তম যিকর। আর নাবী (সাঃ) প্রত্যেক অবস্থায় আল্লাহর যিকর করতেন। যেমন আমাদের আয়িশা (রাযিঃ) এর হাদীস বর্ণনা করা হয়েছে। এটাও হতে পারে যে; বিনা ওযুতে তার যিকরকে অপছন্দ করা এজন্য সেই যিকরের উদ্দেশ্য সেই যিকর যা মুসলিমের উপর নফল নয় বরং ফরয। আর আল্লাহর যে যিকর ফরয সেটা পবিত্রতা ব্যতীত আদায় হয় না। বরং তা পবিত্রতা অর্জন করেই আদায় করতে হয়। কেননা অধিকাংশ ‘আলিমদের নিকট সালামের জবাব দেওয়া ফরয। এজন্য রসূলুল্লাহ (সাঃ) পবিত্রতা ব্যতীত সালামের জবাব দেননি। এমনকি তিনি পবিত্রতা অর্জন করে তবেই সালামের জবাব দিয়েছিলেন। কিন্তু যদি কোন ব্যক্তি নফল যিকর করে; আর অপবিত্রতা অবস্থায় তাকে ছেড়ে দেয় তাহলে তার জন্য সেই যিকর আদায় করা জরুরী নয়। সুতরাং এজন্য নফল যিকর করা বৈধ চায় সে পবিত্র (ওযু) অবস্থায় নাই থাকুক।
★সনদ যঈফ। আবুদাঊদ হাঃ ২২৯; মুসনাদে আহমাদ হাঃ ৭৯৯; নাসাঈ হাঃ ২৬৬; ইবনুমাজাহ হাঃ ৫৯৪; তিরমিযী হাঃ ১৪৬; এতে আব্দুল্লাহ বিন সালিম রাবী রয়েছে। যার সম্পর্কে ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন; এর হাদীস গ্রহণযোগ্য নয়।

163ﺑَﺎﺏُ اﺳْﺘِﺤْﺒَﺎﺏِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻟﻠِﺪُّﻋَﺎءِ، ﻭَﻣَﺴْﺄَﻟَﺔِ اﻟﻠَّﻪِ ﻟِﻴَﻜُﻮﻥَ اﻟْﻤَﺮْءُ ﻃَﺎﻫِﺮًا ﻋِﻨْﺪَ اﻟﺪُّﻋَﺎءِ ﻭَاﻟْﻤَﺴْﺄَﻟَﺔِ

অধ্যায় ১৬৩ : দুআ চাওয়া ও আল্লাহ তা‘য়ালার নিকট কিছু আকাঙ্খা পূরণের জন্য ওযু করা মুস্তাহাব। যাতে লোক আল্লাহ তা‘য়ালার নিকট কিছু চাওয়ার সময় (সর্বদিক হতে) পবিত্র থাকে।

209 – ﻧﺎ اﻟﺮَّﺑِﻴﻊُ ﺑْﻦُ ﺳُﻠَﻴْﻤَﺎﻥَ، ﻧﺎ ﺷُﻌَﻴْﺐٌ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ اﻟﻠَّﻴْﺚِ، ﻋَﻦْ ﺳَﻌِﻴﺪِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﺳَﻌِﻴﺪٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﻤْﺮِﻭ ﺑْﻦِ ﺳُﻠَﻴْﻢٍ اﻟﺰُّﺭَﻗِﻲِّ، ﻋَﻦْ ﻋَﺎﺻِﻢِ ﺑْﻦِ ﻋَﻤْﺮٍﻭ، ﻋَﻦْ ﻋَﻠِﻲِّ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻃَﺎﻟِﺐٍ ﺃَﻧَّﻪُ ﻗَﺎﻝَ: ﺧَﺮَﺟْﻨَﺎ ﻣَﻊَ ﺭَﺳُﻮﻝِ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺣَﺘَّﻰ ﺇِﺫَا ﻛُﻨَﺎ ﺑِﺎﻟْﺤَﺮَّﺓِ ﺑِﺎﻟﺴُّﻘْﻴَﺎ اﻟَّﺘِﻲ ﻛَﺎﻧَﺖْ ﻟِﺴَﻌْﺪِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻭَﻗَّﺎﺹٍ ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «اﺋْﺘُﻮﻧِﻲ ﺑِﻮَﺿُﻮءٍ» . ﻓَﻠَﻤَّﺎ ﺗَﻮَﺿَّﺄَ ﻗَﺎﻡَ ﻓَﺎﺳْﺘَﻘْﺒَﻞَ اﻟْﻘِﺒْﻠَﺔَ، ﺛُﻢَّ ﻛَﺒَّﺮَ، ﺛُﻢَّ ﻗَﺎﻝَ: «§ﺃَﺑِﻲ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢُ ﻛَﺎﻥَ ﻋَﺒْﺪُﻙَ ﻭَﺧَﻠِﻴﻠُﻚَ ﻭَﺩَﻋَﺎﻙَ ﻷَِﻫْﻞِ ﻣَﻜَّﺔَ، ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪٌ ﻋَﺒْﺪُﻙَ ﻭَﺭَﺳُﻮﻟُﻚَ ﺃَﺩْﻋُﻮﻙَ ﻷَِﻫْﻞِ اﻟْﻤَﺪِﻳﻨَﺔِ، ﺃَﻥْ ﺗُﺒَﺎﺭِﻙَ ﻟَﻬُﻢْ ﻓِﻲ ﻣُﺪِّﻫِﻢْ ﻭَﺻَﺎﻋِﻬِﻢْ ﻣِﺜْﻞَ ﻣَﺎ ﺑَﺎﺭَﻛْﺖَ ﻷَِﻫْﻞِ ﻣَﻜَّﺔَ ﻣَﻊَ اﻟْﺒَﺮَﻛَﺔِ ﺑَﺮَﻛَﺘَﻴْﻦِ

২০৯ : ‘আলী বিন আবুতালিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন;  আমরা রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সঙ্গে বের হলাম। আমরা যখন সুকইয়াতে পৌছালাম সা’দ বিন আবূ ওয়াক্কাস (রাযিঃ) এর গোত্রের নির্জন এলাকাতে। তখন রসালুল্লাহ (সাঃ) বললেন; আমার জন্য (ওযুর) পানি নিয়ে এসো। অতঃপর তিনি ওযু করলেন ও কিবলাহর দিকে দাঁড়িয়ে গেলেন এবং আল্লাহু আকবার বললেন। তারপর বললেন : “(হে আল্লাহ)!  আমার (জাতির) পিতা ইবরাহীম তোমার বান্দা ও বন্ধু ছিলেন। আর তিনি তোমার নিকট মক্কাবাসীদের জন্য বরকতের দুআ করেছিলেন। আমি মুহাম্মাদ তোমার বান্দা ও রসূল। আমি তোমার নিকট মাদীনাহবাসীদের জন্য দুআ করছি যে; তুমি এদের মূদ ও সা’ এর মধ্যে এমনভাবে বরকত প্রদান কর যেমন তুমি মক্কাবাসীদের বরকত প্রদান করেছিলে। এক বরকতের সঙ্গে দুই বরকত (প্রদান কর)”।
★সনদ সহীহ। তিরমিযী হাঃ ৩৯১৪; নাসাঈ ফিলকাবীর হাঃ ৪২৫৬; আহমাদ ১/১১৫; সহীহ তারগীব হাঃ ১২০১; ইবনুহিব্বান হাঃ ৩৭৩৮;

210 – ﻭَﻗَﺎﻝَ اﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﺫِﺋْﺐٍ ﻓِﻲ ﻫَﺬِﻩِ اﻟْﻘِﺼَّﺔِ، ﻋَﻦْ ﺳَﻌِﻴﺪٍ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻗَﺘَﺎﺩَﺓَ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ، ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺗَﻮَﺿَّﺄَ، ﺛُﻢَّ ﺻَﻠَّﻰ ﺑِﺄَﺭْﺽِ ﺳَﻌْﺪٍ، ﻓَﺬَﻛَﺮَ اﻟْﻘِﺼَّﺔَ ﻧﺎ ﺑُﻨْﺪَاﺭٌ، ﻭَﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﻗَﺎﻻَ: ﻧﺎ ﻋُﺜْﻤَﺎﻥُ ﺑْﻦُ ﻋُﻤَﺮَ ﻗَﺎﻝَ اﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﺫِﺋْﺐٍ: ﻭَﻗَﺎﻝَ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﻗَﺎﻝَ: ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ اﺑْﻦُ ﺃَﺑِﻲ ﺫِﺋْﺐٍ
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

২১০ : আবূ কাতাদাহ (রাযিঃ) বর্ণনা করেন; “রসূলুল্লাহ (সাঃ) ওযু করলেন তারপর সা’দ এর জমীনে স্বলাত আদায় করলেন —- তারপর অবশিষ্ট ঘটনা বর্ণনা করলেন”।
★সনদ সহীহ। সহীহ তারগীব হাঃ ১১৯৮; আহমাদ ৫/৩০৯;
ব্যাখ্যা :
আল্লাহ সুবহানাহু তা’য়ালার নিকট বিশেষভাবে কিছু চাইতে হলে উত্তম পদ্ধতি হচ্ছে ওযু করে দুই রাকআত স্বলাত আদায় করা ও প্রার্থনা করা।

164-ﺑَﺎﺏُ اﺳْﺘِﺤْﺒَﺎﺏِ ﻭُﺿُﻮءِ اﻟْﺠُﻨُﺐِ ﺇِﺫَا ﺃَﺭَاﺩَ اﻟﻨَّﻮْﻡَ

অধ্যায় ১৬৪ : অপবিত্র ব্যক্তি যখন ঘুমাতে যাবে; তার জন্য ওযু করা মুস্তাহাব।

211 – ﻧﺎ ﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪَﺓَ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﺩِﻳﻨَﺎﺭٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋُﻤَﺮَ، ﻋَﻦْ ﻋُﻤَﺮَ ﺃَﻧَّﻪُ ﺳَﺄَﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺃَﻳَﻨَﺎﻡُ ﺃَﺣَﺪُﻧَﺎ ﻭَﻫُﻮَ ﺟُﻨُﺐٌ؟ ﻗَﺎﻝَ: «§ﻳَﻨَﺎﻡُ ﻭَﻳَﺘَﻮَﺿَّﺄُ ﺇِﻥْ ﺷَﺎءَ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

২১১ : উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি রসূল্লাহ (সাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলেন; আমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি কি (গোসল ফরয হওয়া) অপবিত্র অবস্থায় ঘুমাতে পারবে?  তিনি বললেন : “ঘুমাতে পারে; যদি সে চায় তো ওযু করে নিবে”।
★সনদ সহীহ। মুসলিম হাঃ ৩০৬; মুসনাদে আহমাদ হাঃ ১৬৫;

212 – ﻧﺎ ﺑِﻪِ ﺳَﻌِﻴﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ اﻟْﻤَﺨْﺰُﻭﻣِﻲُّ، ﻧﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ ﺑِﻬَﺬَا اﻹِْﺳْﻨَﺎﺩِ، ﻓَﻘَﺎﻝَ: ﺇِﻥَّ ﻋُﻤَﺮَ ﺑْﻦَ اﻟْﺨَﻄَّﺎﺏِ ﺳَﺄَﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺃَﻳَﻨَﺎﻡُ ﺃَﺣَﺪُﻧَﺎ ﻭَﻫُﻮَ ﺟُﻨُﺐٌ؟ ﻗَﺎﻝَ: «§ﺇِﺫَا ﺃَﺭَاﺩَ ﺃَﻥْ ﻳَﻨَﺎﻡَ ﻓَﻠْﻴَﺘَﻮَﺿَّﺄْ»

২১২ : ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত।  উমার (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ (সাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলেন ; আমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি কি অপবিত্রতা অবস্থায় ঘুমাতে পারে?  তিনি বললেন: “যখন সে ঘুমাতে যাবে তখন তার উচিত ওযু করে নেওয়া”।
★মুসলিম হাঃ ৩০৬; বুখারী হাঃ ২৮৯; আবুদাঊদ হাঃ ২২১; মুসনাদে আহমাদ হাঃ ১৬৫;

165-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟﺪَّﻟِﻴﻞِ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟْﻮُﺿُﻮءَ اﻟَّﺬِﻱ ﺃُﻣِﺮَ ﺑِﻪِ اﻟْﺠُﻨُﺐُ ﻟﻠِﻨَّﻮْﻡِ ﻛَﻮُﺿُﻮءِ اﻟﺼَّﻼَﺓِ، ﺇِﺫِ اﻟْﻌَﺮَﺏُ ﻗَﺪْ ﺗُﺴَﻤِّﻲ ﻏَﺴْﻞَ اﻟْﻴَﺪَﻳْﻦِﻭُﺿُﻮءًا

অধ্যায় ১৬৫ : সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা যে; অপবিত্র ব্যক্তিকে ঘুমাবার পূর্বে যে ওযু করার নির্দেশ দেওয়া
হয়েছে তা স্বলাতের ওযুর মতই। কেননা আরবরা দুই হাত ধোয়াকেও ওযু বলে থাকে।

213 – ﻧﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟْﺠَﺒَّﺎﺭِ ﺑْﻦُ اﻟْﻌَﻼَءِ، ﻧﺎ ﺳُﻔْﻴَﺎﻥُ ﻗَﺎﻝَ: ﺣَﻔِﻈْﻨَﺎﻩُ ﻣِﻦَ اﻟﺰُّﻫْﺮِﻱِّ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﺳَﻠَﻤَﺔَ، ﻋَﻦْ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔَ ﻗَﺎﻟَﺖْ: «ﻛَﺎﻥَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ §ﺇِﺫَا ﺃَﺭَاﺩَ ﺃَﻥْ ﻳَﻨَﺎﻡَ ﻭَﻫُﻮَ ﺟُﻨُﺐٌ ﺗَﻮَﺿَّﺄَ ﻭُﺿُﻮءَﻩُ ﻟِﻠﺼَّﻼَﺓِ»

২১৩ : আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; “রসূলুল্লাহ (সাঃ) যখন অপবিত্র অবস্থায় ঘুমাতে যেতেন তখন স্বলাতের মত ওযু করে নিতেন”।
★বুখারী হাঃ ২৮৮; মুসলিম হাঃ ৩০৫; নাসাঈ হাঃ ২৫৫; আবুদাঊদ হাঃ ২২২; ইবনুমাজাহ হাঃ ৫৮৪; মুসনাদে আহমাদ ৬/৩৪; ১০২; ১১৮;

166-ﺑَﺎﺏُ اﺳْﺘِﺤْﺒَﺎﺏِ ﻏَﺴْﻞِ اﻟﺬَّﻛَﺮِ ﻣَﻊَ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﺇِﺫَا ﺃَﺭَاﺩَ اﻟْﺠُﻨُﺐُ اﻟﻨَّﻮْﻡَ

অধ্যায় ১৬৬ : অপবিত্র ব্যক্তি যখন ঘুমাতে যাবে তার জন্য ওযুর সঙ্গে তার লজ্জাস্থান ধুয়ে নেওয়া মুস্তাহাব।

214 – ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻣُﻮﺳَﻰ، ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺟَﻌْﻔَﺮٍ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺷُﻌْﺒَﺔُ، ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﺩِﻳﻨَﺎﺭٍ ﻗَﺎﻝَ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ اﺑْﻦَ ﻋُﻤَﺮَ ﻳَﻘُﻮﻝُ: ﺳَﺄَﻝَ ﻋُﻤَﺮُ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺗُﺼِﻴﺒُﻨِﻲ اﻟْﺠَﻨَﺎﺑَﺔُ ﺑِﺎﻟﻠَّﻴْﻞِ ﻓَﻤَﺎ ﺃَﺻْﻨَﻊُ؟ ﻗَﺎﻝَ: «§اﻏْﺴِﻞْ ﺫَﻛَﺮَﻙَ ﻭَﺗَﻮَﺿَّﺄْ، ﺛُﻢَّ اﺭْﻗُﺪْ»

২১৪ : আব্দুল্লাহ বিন দীনার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; আমি ইবনু উমার (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি ; উমার (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ (সাঃ) কে জিজ্ঞাসা করল ; আমি রাতে অপবিত্র হয়ে যায় তখন আমি কি করব?  তিনি বললেন : “নিজের লজ্জাস্থান ধুয়ে নাও  ও ওযু কর। তারপর ঘুমিয়ে পড়ো”।
★বুখারী হাঃ ২৯০; মুসলিম হাঃ ৩০৬; নাসাঈ হাঃ ৩৬০; আবুদাঊদ হাঃ ২২১; মুয়াত্তা মালিক হাঃ ১১৮;


Desktop Site