এসো হাদিস পড়ি ?

এসো হাদিস পড়ি ?

হাদিস অনলাইন ?

ﺟُﻤَّﺎﻉُ ﺃَﺑْﻮَاﺏِ اﻷَْﻭَاﻧِﻲ اﻟﻠَّﻮَاﺗِﻲ ﻳُﺘَﻮَﺿَّﺄُ ﻓِﻴﻬِﻦَّ ﺃَﻭْ ﻳُﻐْﺘَﺴَﻞُ

সেই পাত্র সম্পর্কিত পর্বের বিষয় যা দ্বারা ওযু ও গোসল করা হয়।

========================================================================

95-ﺑَﺎﺏُ ﺇِﺑَﺎﺣَﺔِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻭَاﻟْﻐُﺴْﻞِ ﻓِﻲ ﺃَﻭَاﻧِﻲ اﻟﻨُّﺤَﺎﺱِ

অধ্যায় ৯৫ : পিতলের পাত্রে ওযু ও গোসল করার অনুমতি।

123 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ، ﻭَﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺭَاﻓِﻊٍ ﻗَﺎﻝَ: ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ: ﺳَﻤِﻌْﺖُ ﻋَﺒْﺪَ اﻟﺮَّﺯَّاﻕِ، ﻭَﻗَﺎﻝَ اﺑْﻦُ ﺭَاﻓِﻊٍ، ﻧﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﺮَّﺯَّاﻕِ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﻣَﻌْﻤَﺮٌ، ﻋَﻦِ اﻟﺰُّﻫْﺮِﻱِّ، ﻋَﻦْ ﻋُﺮْﻭَﺓَ، ﻋَﻦْ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔَ ﺭَﺿِﻲ اﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻨْﻬَﺎ ﻗَﺎﻟَﺖْ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻓِﻲ ﻣَﺮَﺿِﻪِ اﻟَّﺬِﻱ ﻣَﺎﺕَ ﻓِﻴﻪِ: «§ﺻُﺒُّﻮا ﻋَﻠَﻲَّ ﻣِﻦْ ﺳَﺒْﻊِ ﻗِﺮَﺏٍ ﻟَﻢْ ﺗُﺤْﻠَﻞْ ﺃَﻭْﻛِﻴَﺘُﻬُﻦَّ ﻟَﻌَﻠِّﻲ ﺃَﺳْﺘَﺮِﻳﺢُ ﻓَﺄَﻋْﻬَﺪُ ﺇِﻟَﻰ اﻟﻨَّﺎﺱِ» . ﻗَﺎﻟَﺖْ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔُ: ﻓَﺄَﺟْﻠَﺴْﻨَﺎﻩُ ﻓِﻲ ﻣِﺨْﻀَﺐٍ ﻟِﺤَﻔْﺼَﺔَ ﻣِﻦْ ﻧُﺤَﺎﺱٍ، ﻭَﺳَﻜَﺒْﻨَﺎ ﻋَﻠَﻴْﻪِ اﻟْﻤَﺎءَ ﻣِﻨْﻬُﻦَّ ﺣَﺘَّﻰ ﻃَﻔِﻖَ ﻳُﺸِﻴﺮُ ﺇِﻟَﻴْﻨَﺎ ﺃَﻥْ ﻗَﺪْ ﻓَﻌَﻠْﺘُﻦَّ، ﺛُﻢَّ ﺧَﺮَﺝَ ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺑِﻪِ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﻣَﺮَّﺓً، ﻧﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﺮَّﺯَّاﻕِ ﻣَﺮَّﺓً، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﻣَﻌْﻤَﺮٌ، ﻋَﻦِ اﻟﺰُّﻫْﺮِﻱِّ، ﻋَﻦْ ﻋُﺮْﻭَﺓَ، ﻋَﻦْ ﻋَﺎﺋِﺸَﺔَ ﺑِﻤِﺜْﻠِﻪِ، ﻏَﻴْﺮُ ﺃَﻧَّﻪُ ﻟَﻢْ ﻳَﻘُﻞْ ﻣِﻦْ ﻧُﺤَﺎﺱٍ، ﻭَﻟَﻢْ ﻳَﻘُﻞْ ﺛُﻢَّ ﺧَﺮَﺝَ

১২৩ : আয়িশা (রাযিঃ) বর্ণনা করেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) তার অসুস্থতা অবস্থায় বলেছেন যাতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন : “আমার উপর সাতটি মশকের পানি ঢেলে দাও যার বাঁধন এখনো খোলা হয়নি। হতে পারে তাহলে  আমি মানুষকে কিছু উপদেশ দিতে পারব। আয়িশা (রাযিঃ) বলেন : “তাকে তার স্ত্রী হাফসার পিতলের পাত্রে বসিয়ে দেওয়া হল ও তার মশক হতে তার উপর পানি ঢালতে লাগলাম। এমনকি তিনি আমাদের দিকে ইঙ্গিত করতে লাগলেন যে; তোমরা (নির্দেশ) পালন করেছ। অতঃপর তিনি বাইরে বের হয়ে গেলেন”। ইমাম সাহিব একটি আরো সনদ হতে আয়িশা (রাযিঃ) হতে এমনই রিওয়াআত বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তাতে এশব্দ বর্ণনা করেননি ْ ﻣِﻦْ ﻧُﺤَﺎﺱٍ পিতলের পাত্র। ও  ﺛُﻢَّ ﺧَﺮَﺝَ অতঃপর তিনি বাইরে বের হয়ে গেলেন।
★বুখারী হাঃ ১৯৮; ৬৬৪;

96-ﺑَﺎﺏُ ﺇِﺑَﺎﺣَﺔِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻣِﻦْ ﺃَﻭَاﻧِﻲ اﻟﺰُّﺟَﺎﺝ

অধ্যায় ৯৬ : শিশার পাত্রে ওযু করা বৈধ।

ِ «ﺿِﺪُّ ﻗَﻮْﻝِ ﺑَﻌْﺾِ اﻟْﻤُﺘَﺼَﻮِّﻓَﺔِ اﻟَّﺬِﻱ ﻳَﺘَﻮَﻫَّﻢُ ﺃَﻥَّ اﺗِّﺨَﺎﺫَ ﺃَﻭَاﻧِﻲ اﻟﺰُّﺟَﺎﺝِ ﻣِﻦَ اﻹِْﺳْﺮَاﻑِ، ﺇِﺫِ اﻟْﺨَﺰَﻑُ ﺃَﺻْﻠَﺐُ ﻭَﺃَﺑْﻘَﻰ ﻣِﻦَ اﻟﺰُّﺟَﺎﺝِ»

সেই সুফির কথার বিপরীত। যে ধারণা করে যে; শিশার পাত্র ব্যবহার করা অপব্যয়। কেননা মাটির পাত্র শিশার পাত্র হতে বেশী মজবুত এবং শক্ত।

124 – ﻧﺎ ﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪَﺓَ اﻟﻀَّﺒِّﻲُّ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﺣَﻤَّﺎﺩٌ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﺯَﻳْﺪٍ، ﻋَﻦْ ﺛَﺎﺑِﺖٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﻧَﺲٍ، ” ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺩَﻋَﺎ ﺑِﻮَﺿُﻮءٍ ﻓَﺠِﻲءَ ﺑِﻘَﺪَﺡٍ ﻓِﻴﻪِ ﻣَﺎءٌ – ﺃَﺣْﺴَﺒُﻪُ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺪَﺡُ ﺯُﺟَﺎﺝٍ – §ﻓَﻮَﺿَﻊَ ﺃَﺻَﺎﺑِﻌَﻪُ ﻓِﻴﻪِ ﻓَﺠَﻌَﻞَ اﻟْﻘَﻮْﻡُ ﻳَﺘَﻮَﺿَّﺌُﻮﻥَ اﻷَْﻭَّﻝَ ﻓَﺎﻷَْﻭَّﻝَ ﻓَﺤَﺰَﺭْﺗُﻬُﻢْ ﻣَﺎ ﺑَﻴْﻦَ اﻟﺴَّﺒْﻌِﻴﻦَ ﺇِﻟَﻰ اﻟﺜَّﻤَﺎﻧِﻴﻦَ، ﻓَﺠَﻌَﻠْﺖُ ﺃَﻧْﻈُﺮُ ﺇِﻟَﻰ اﻟْﻤَﺎءِ ﻛَﺄَﻧَّﻪُ ﻳَﻨْﺒُﻊُ ﻣِﻦْ ﺑَﻴْﻦِ ﺃَﺻَﺎﺑِﻌِﻪِ ” ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: ” ﺭَﻭَﻯ ﻫَﺬَا اﻟْﺨَﺒَﺮَ ﻏَﻴْﺮُ ﻭَاﺣِﺪٍ، ﻋَﻦْ ﺣَﻤَّﺎﺩِ ﺑْﻦِ ﺯَﻳْﺪٍ، ﻓَﻘَﺎﻟُﻮا: ﺭَﺣْﺮَاﺡٌ ﻣَﻜَﺎﻥُ اﻟﺰُّﺟَﺎﺝِ ﺑِﻼَ ﺷَﻚٍّ ” ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ، ﻧﺎ ﺃَﺑُﻮ اﻟﻨُّﻌْﻤَﺎﻥِ، ﻧﺎ ﺣَﻤَّﺎﺩٌ ﺑِﻬَﺬَا اﻟْﺤَﺪِﻳﺚِ، ﻭَﻗَﺎﻝَ ﻓِﻲ ﺣَﺪِﻳﺚِ ﺳُﻠَﻴْﻤَﺎﻥَ ﺑْﻦِ ﺣَﺎﺭِﺙٍ: ﺃُﺗِﻲَ ﺑِﻘَﺪَﺡِ ﺯُﺟَﺎﺝٍ، ﻭَﻗَﺎﻝَ ﻓِﻲ ﺣَﺪِﻳﺚِ ﺃَﺑِﻲ اﻟﻨُّﻌْﻤَﺎﻥِ: ﺑِﺈِﻧَﺎءِ ﺯُﺟَﺎﺝٍ. ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: ” ﻭَاﻟﺮَّﺣْﺮَاﺡُ: ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﻳَﻜُﻮﻥُ اﻟْﻮَاﺳِﻊَ ﻣِﻦْ ﺃَﻭَاﻧِﻲ اﻟﺰُّﺟَﺎﺝِ ﻻَ اﻟْﻌَﻤِﻴﻖَ ﻣِﻨْﻪُ ”

১২৪ :  আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। “তিনি বলেন ; রসূলুল্লাহ (সাঃ) ওযুর জন্য পানি  চাইলে তার  নিকট পানির একটি পাত্র নিয়ে আসা হল। রাবী বলেন। আমার খেয়াল আছে তিনি বলেছিলেন : “শিশার পাত্র নিয়ে আসা হয়েছিল। তিনি তার আঙুল তার মধ্যে রাখলেন (তখন তার আঙুল হতে ঝরণার মত পানি বের হতে লাগল)। সুতরাং লোকেরা পালাক্রমে ওযু করতে শুরু করে দিল। আমি অনুমান লাগালাম যে; তাদের সংখ্যা ছিল সত্তর হতে আশি জনের মত। আমি পানিকে দেখতে লাগলাম; তা তার আঙুল হতে উথলিয়ে পড়ছিল”। ইমাম আবূ  বাকর (রহঃ)  বলেন ; এই হাদীসটি হাম্মাদ বিন যিয়াদ হতে কয়েকটি রাবী বর্ণনা করেছেন। তিনি ﺭَﺣْﺮَاﺡٌ (সুন্দর পাত্র) এর শব্দ اﻟﺰُّﺟَﺎﺝِ (শিশাার পাত্র) কোন সন্দেহ ব্যতীত বর্ণনা করেছেন। ইমাম সাহিব বলেন; আমাকে মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া আবূ নু’মান হতে আর তিনি হামাস হতে এহাদীস বর্ণনা করেছেন। সুলাইমান বিন হারিসের রিওয়াআতে আছে ; ﺑِﻘَﺪَﺡِ ﺯُﺟَﺎﺝٍ (তার নিকট শিশার পাত্র নিয়ে আসা হল)। আর আবূ নু’মান এর রিওয়াআতে আছে ; শিশার পাত্র নিয়ে আসা হল। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন ; ﺮَّﺣْﺮَاﺡُ শিশার উম্মুক্ত পাত্রকে বলা হয়। ঘড়াকে ﺮَّﺣْﺮَاﺡُ বলা হয় না।
★বুখারী হাঃ ২০০; মুসনাদে আহমাদ ৬/১৫১; ২২৮; ইবনুহিব্বান হাঃ ৬৫৯৬; দারেমী হাঃ ৮২; হাকেম ১/২৩;

97-ﺑَﺎﺏُ ﺇِﺑَﺎﺣَﺔِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻣِﻦَ اﻟﺮِّﻛْﻮَﺓِ ﻭَاﻟْﻘَﻌْﺐِ

অধ্যায় ৯৭ : চামড়ার ছোট ও বড় পাত্রে ওযু করা বৈধ।

125 – ﻧﺎ ﻳَﻌْﻘُﻮﺏُ ﺑْﻦُ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢَ اﻟﺪَّﻭْﺭَﻗِﻲُّ، ﻧﺎ ﻫُﺸَﻴْﻢٌ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﺣُﺼَﻴْﻦٌ، ﻋَﻦْ ﺳَﺎﻟِﻢِ ﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ اﻟْﺠَﻌْﺪِ، ﻋَﻦْ ﺟَﺎﺑِﺮِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﻗَﺎﻝَ: ﻋَﻄِﺶَ اﻟﻨَّﺎﺱُ ﻳَﻮْﻡَ اﻟْﺤُﺪَﻳْﺒِﻴَﺔِ ﻭَﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺑَﻴْﻦَ ﻳَﺪَﻳْﻪِ ﺭِﻛْﻮَﺓٌ ﻳَﺘَﻮَﺿَّﺄَ ﻣِﻨْﻬَﺎ ﺇِﺫْ ﺟَﻬَﺶَ اﻟﻨَّﺎﺱُ ﻧَﺤْﻮَﻩُ ﻗَﺎﻝَ: ﻓَﻘَﺎﻝَ: «ﻣَﺎ ﻟَﻜُﻢْ؟» ﻗَﺎﻟُﻮا: ﻣَﺎ ﻟَﻨَﺎ ﻣَﺎءٌ ﻧَﺘَﻮَﺿَّﺄُ ﻭَﻻَ ﻧَﺸْﺮَﺏُ ﺇِﻻَّ ﻣَﺎ ﺑَﻴْﻦَ ﻳَﺪَﻳْﻚَ ﻗَﺎﻝَ: «§ﻓَﻮَﺿَﻊَ ﻳَﺪَﻳْﻪِ ﻓِﻲ اﻟﺮِّﻛْﻮَﺓِ، ﻭَﺩَﻋَﺎ ﺑِﻤَﺎ ﺷَﺎءَ اﻟﻠَّﻪُ ﺃَﻥْ ﻳَﺪْﻋُﻮَ» . ﻗَﺎﻝَ: «ﻓَﺠَﻌَﻞَ اﻟْﻤَﺎءُ ﻳَﻔُﻮﺭُ ﻣِﻦْ ﺑَﻴْﻦِ ﺃَﺻَﺎﺑِﻌِﻪِ ﺃَﻣْﺜَﺎﻝَ اﻟْﻌُﻴُﻮﻥِ» ﻗَﺎﻝَ: ﻓَﺸَﺮِﺑْﻨَﺎ ﻭَﺗَﻮَﺿَّﺄْﻧَﺎ ﻗَﺎﻝَ: ﻗُﻠْﺖُ ﻟِﺠَﺎﺑِﺮٍ: ﻛَﻢْ ﻛُﻨْﺘُﻢْ؟ ﻗَﺎﻝَ: ﻛُﻨَّﺎ ﺧَﻤْﺲَ ﻋَﺸْﺮَﺓَ ﻣِﺎﺋَﺔً، ﻭَﻟَﻮْ ﻛُﻨَّﺎ ﻣِﺎﺋَﺔَ ﺃَﻟْﻒٍ ﻟَﻜَﻔَﺎﻧَﺎ

১২৫ : জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন ; “হুদাইবিয়ার দিন লোকেরা পিপাসার্ত হয়ে পড়লেন (অথচ পানি ছিল না)। আর রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সম্মুখে চামড়ার একটি ছোট পাত্র রাখা ছিল যা হতে তিনি ওযু করছিলেন। হঠাৎ লোকেরা পেরেশান হয়ে তার দিকে এগিয়ে আসলে তিনি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করলেন : তোমাদের কি হয়েছে?  তারা বলল; আমাদের নিকট ওযু করার ও পান করার পানি নেই; কেবল আপনার সম্মুখে রাখা রয়েছে। তখন তিনি তার হাত ঐ পাত্রে রাখলেন এবং আল্লাহর নিকট বরকতের দুআ করলেন। সুতরাং পানি তার আঙুল হতে ঝরণার মত উথলে বের হতে লাগল। জাবির (রাযিঃ) বলেন ; আমরা (তৃপ্তিসহকারে) পান করলাম ও ওযু করলাম। সালিম বলেন; আমি জাবির (রাযিঃ) কে জিজ্ঞাসা করলাম; আপনারা কতজন ছিলেন?  তিনি বললেন ; আমরা পনের’শ (১৫০০) ছিলাম। আমরা যদি একলাখও হতাম তাহলেও সে পানি আমাদের জন্য যথেষ্ট হত”।
★বুখারী হাঃ ৪১৫২; দারমী হাঃ ২৭; মুসনাদে আহমাদ ৩/৩২৯; ৩৫৩;

126 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺭَاﻓِﻊٍ، ﻧﺎ ﻭَﻫْﺐُ ﺑْﻦُ ﺟَﺮِﻳﺮٍ، ﻧﺎ ﺷُﻌْﺒَﺔُ، ﻋَﻦْ ﻋَﻤْﺮِﻭ ﺑْﻦِ ﻋَﺎﻣِﺮٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﻧَﺲِ ﺑْﻦِ ﻣَﺎﻟِﻚٍ ﻗَﺎﻝَ: «§ﺃُﺗِﻲَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺑِﻘَﻌْﺐٍ ﺻَﻐِﻴﺮٍ ﻓَﺘَﻮَﺿَّﺄَ ﻣِﻨْﻪُ» ﻓَﻘُﻠْﺖُ ﻷَِﻧَﺲٍ: ﺃَﻛَﺎﻥَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻳَﺘَﻮَﺿَّﺄُ ﻋِﻨْﺪَ ﻛُﻞِّ ﺻَﻼَﺓٍ؟ ﻗَﺎﻝَ: «ﻧَﻌَﻢْ» ، ﻗُﻠْﺖُ: ﻓَﺄَﻧْﺘُﻢْ؟ ﻗَﺎﻝَ: «ﻛُﻨَّﺎ ﻧُﺼَﻠِّﻲ اﻟﺼَّﻠَﻮَاﺕِ ﺑِﺎﻟْﻮَﺿُﻮءِ»

১২৬ : আনাস বিন মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন ; রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর নিকট চামড়ার বড় ও মোটা ছোট পাত্র আনা হল। তিনি তা হতে ওযু করলেন। (উমার বিন ‘আমির বলেন) আমি আনাস (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম ;  নাবী (সাঃ) কি প্রত্যেক স্বলাতের জন্য ওযু করতেন?  তিনি বললেন ; হাঁ। আমি জিজ্ঞেস করলাম ; আর আপনারা?  তিনি বললেন ; আমরা এক ওযুতে কয়েকওয়াক্ত স্বলাত পড়তাম।
★বুখারী হাঃ ২১৪; আবুদাঊদ হাঃ ১৭১; তিরমিযী হাঃ ৬০; নাসাঈ হাঃ ১৩১; ইবনুমাজাহ হাঃ ৫০৯;

98-ﺑَﺎﺏُ ﺇِﺑَﺎﺣَﺔِ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻣِﻦَ اﻟْﺠِﻔَﺎﻥِ ﻭَاﻟْﻘِﺼَﺎﻉِ

অধ্যায় ৯৮ : টব ও বড় পিয়ালাতে ওযু করা বৈধ।

127 – ﻧﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺣَﻜِﻴﻢٍ، ﻧﺎ اﺑْﻦُ ﻋَﺪِﻱٍّ، ﻋَﻦْ ﺷُﻌْﺒَﺔَ، ﻋَﻦْ ﺳَﻠَﻤَﺔَ ﺑْﻦِ ﻛُﻬَﻴْﻞٍ، ﻋَﻦْ ﻛُﺮَﻳْﺐٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ ﻗَﺎﻝَ: ﺑِﺖُّ ﻓِﻲ ﺑَﻴْﺖِ ﺧَﺎﻟَﺘِﻲ ﻣَﻴْﻤُﻮﻧَﺔَ «ﻓَﺒَﻘِﻴﺖُ ﺭَﺳُﻮﻝَ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻛَﻴْﻒَ §ﻳُﺼَﻠِّﻲ ﻣِﻦَ اﻟﻠَّﻴْﻞِ ﻓَﺒَﺎﻝَ، ﺛُﻢَّ ﻏَﺴَﻞَ ﻭَﺟْﻬَﻪُ ﻭَﻳَﺪَﻳْﻪِ، ﺛُﻢَّ ﻧَﺎﻡَ، ﺛُﻢَّ ﻗَﺎﻡَ ﻭَﺃَﻃْﻠَﻖَ ﺷِﻨَﺎﻕَ اﻟْﻘِﺮْﺑَﺔِ، ﻓَﺼَﺐَّ ﻓِﻲ اﻟْﻘَﺼْﻌَﺔِ ﺃَﻭِ اﻟْﺠَﻔْﻨَﺔِ ﻓَﺘَﻮَﺿَّﺄَ ﻭُﺿُﻮءًا ﺑَﻴْﻦَ اﻟْﻮُﺿُﻮءَﻳْﻦِ، ﻭَﻗَﺎﻡَ ﻳُﺼَﻠِّﻲ» ، ﻓَﻘُﻤْﺖُ ﻓَﺘَﻮَﺿَّﺄْﺕُ، «ﻓَﺠِﺌْﺖُ ﻋَﻦْ ﻳَﺴَﺎﺭِﻩِ ﻓَﺄَﺧَﺬَﻧِﻲ ﻓَﺠَﻌَﻠَﻨِﻲ ﻋَﻦْ ﻳَﻤِﻴﻨِﻪِ»

১২৭ : ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। আমি আমার খালা মায়মুনাহ (রাযিঃ) এর ঘরে রাত কাটালাম। আমি রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর অপেক্ষায় থাকলাম যে; তিনি রাত্রে কিভাবে স্বলাত আদায় করেন। সুতরাং (রাতে) তিনি পেশাব করলেন। অতঃপর তার মুখমন্ডল ও দুই হাত ধুলেন তারপর শুয়ে পড়লেন। অতঃপর তিনি (কিছুক্ষণ বিশ্রাম করার পর) উঠলেন ও মশকের দড়ি খুললেন এবং বড় পিয়ালা অথবা টবে পানি ঢাললেন। অতঃপর তিনি দুই ওযুর মাঝে ওযু করলেন। অতঃপর দাঁড়িয়ে স্বলাত পড়তে শুরু করলেন। তখন আমি উঠলাম এবং ওযু করলাম তারপর তার বামদিকে গিয়ে (দাঁড়িয়ে গেলাম)। তিনি আমার (কান) ধরে ডানদিকে দাঁড় করিয়ে দিলেন।।
★মুসলিম হাঃ ৭৬৩; আবুদাঊদ হাঃ ১৩৬৪; মুসনাদে আহমাদ ১/২৪২; ৩৫৮; বুখারী হাঃ ১৮৩; ৬৯৮; ৯৯২;

99-ﺑَﺎﺏُ اﻷَْﻣْﺮِ ﺑِﺘَﻐْﻄِﻴَﺔِ اﻷَْﻭَاﻧِﻲ اﻟَّﺘِﻲ ﻳَﻜُﻮﻥُ ﻓِﻴﻬَﺎ اﻟْﻤَﺎءُ ﻟِﻠْﻮُﺿُﻮءِ ﺑِﻠَﻔْﻆٍ ﻣُﺠْﻤَﻞٍ ﻏَﻴْﺮِ ﻣُﻔَﺴَّﺮٍ، ﻭَﻟَﻔْﻆٍ ﻋَﺎﻡٍّ ﻣُﺮَاﺩُﻩُ ﺧَﺎﺹٌّ

অধ্যায় ৯৯ : যে পাত্রে ওযুর পানি থাকে তা ঢেকে রাখার নির্দেশ। এসম্পর্কে বর্ণিত সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যাবিহীন রিওয়াআতের বর্ণনা। যার শব্দ আম; কিন্তু উদ্দেশ্য খাস।

128 – ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻳُﻮﻧُﺲَ اﻟْﻮَاﺳِﻄِﻲُّ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺧَﺎﻟِﺪٌ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ، ﻋَﻦْ ﺳُﻬَﻴْﻞٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﻗَﺎﻝَ: «ﺃَﻣَﺮَﻧَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺑِﺘَﻐْﻄِﻴَﺔِ اﻟْﻮَﺿُﻮءِ، ﻭَﺇِﻳﻜَﺎءِ اﻟﺴِّﻘَﺎءِ، ﻭَﺇِﻛْﻔَﺎءِ اﻹِْﻧَﺎءِ» ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: «ﻗَﺪْ ﺃَﻭْﻗَﻊَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ اﺳْﻢَ اﻟْﻮُﺿُﻮءِ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﻤَﺎءِ اﻟَّﺬِﻱ ﻳَﺘَﻮَﺿَّﺄُ ﺑِﻪِ، ﻭَﻫَﺬَا ﻣِﻦَ اﻟْﺠِﻨْﺲِ اﻟَّﺬِﻱ ﺃَﻋْﻠَﻤْﺖُ ﻓِﻲ ﻏَﻴْﺮِ ﻣَﻮْﺿِﻊٍ ﻣِﻦْ ﻛُﺘُﺒِﻨَﺎ ﺃَﻥَّ اﻟْﻌَﺮَﺏَ ﺗُﻮﻗِﻊُ اﻻِﺳْﻢَ ﻋَﻠَﻰ اﻟﺸَّﻲْءِ ﻓِﻲ اﻻِﺑْﺘِﺪَاءِ ﻋَﻠَﻰ ﻣَﺎ ﻳَﺆُﻭﻝُ ﺇِﻟَﻴْﻪِ اﻷَْﻣْﺮُ ﻓِﻲ اﻟْﻤُﺘَﻌَﻘَّﺐِ، ﺇِﺫِ اﻟْﻤَﺎءُ ﻗَﺒْﻞَ ﺃَﻥْ ﻳُﺘَﻮَﺿَّﺄَ ﺑِﻪِ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﻭَﻗَﻊَ ﻋَﻠَﻴْﻪِ اﺳْﻢُ اﻟْﻮَﺿُﻮءِ؛ ﻷَِﻧَّﻪُ ﻳَﺆُﻭﻝُ ﺇِﻟَﻰ ﺃَﻥْ ﻳُﺘَﻮَﺿَّﺄَ ﺑِﻪِ»
: ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ

১২৮ : আবূহুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন ; “রসূলুল্লাহ (সাঃ) আমাদেরকে ওযু (এর পানি) ঢেকে রাখতে মশকের (মুখ দড়ি দিয়ে) বেঁধে রাখতে ও (খালি) পাত্র উল্টিয়ে রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন”। ইমাম  আবূ বাকর (রহঃ) বলেন ; নাবী (সাঃ) যে পানি দ্বারা ওযু করতেন তাকে ওযু নাম দিয়েছেন। এটা এমন বস্তু যেটা আমি আমার কিতাবের মধ্যে কয়েকটি স্থানে বর্ণনা করেছি যে; আরবরা কোন জিনিষকে ব্যবহার করে তার নাম সেটাই দিয়ে দেয়। যা সেই কাজের সমাপ্তি পরিমাণ ঘটায়। কেননা পানিকে তা দ্বারা ওযু করার পূর্বেই সেটাকে ওযুর নাম দিয়ে দেওয়া হয়েছে যে; শেষে তা দিয়ে ওযু করা হবে।
★সনদ সহীহ। ইবনুমাজাহ হাঃ ৩৪১১; দারেমী হাঃ ২১৩২; বায়হাকী ফিল কাবীর হাঃ ১১৪৪; মুসনাদে আহমাদ ২/৩৬৭;

100-ﺑَﺎﺏُ ﺫِﻛْﺮِ اﻟْﺨَﺒَﺮِ اﻟْﻤُﻔَﺴِّﺮِ ﻟِﻠَّﻔْﻈَﺔِ اﻟْﻤُﺠْﻤَﻠَﺔِ اﻟَّﺘِﻲ ﺫَﻛَﺮْﺗُﻬَﺎ،

অধ্যায় ১০০ : কিছু সংক্ষিপ্ত বর্ণনার ব্যখ্যাযুক্ত রিওয়াতের বর্ণনা

ﻭَاﻟﺪَّﻟِﻴﻞُ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺃَﻣَﺮَ ﺑِﺘَﻐْﻄِﻴَﺔِ اﻷَْﻭَاﻧِﻲ ﺑِﺎﻟﻠَّﻴْﻞِ ﻻَ ﺑِﺎﻟﻨَّﻬَﺎﺭِ ﺟَﻤِﻴﻌًﺎ

সেই বিষয়ের প্রমাণের বর্ণনা যে; নাবী (সাঃ) রাতের সময় পাত্র ঢাকার নির্দেশ দিয়েছেন সারাদিন নয়।

129 – ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻋَﺎﺻِﻢٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﺟُﺮَﻳْﺞٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ اﻟﺰُّﺑَﻴْﺮِ، ﻭَﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﺳَﻌِﻴﺪٍ اﻟﺪَّاﺭِﻣِﻲُّ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺑُﻮ ﻋَﺎﺻِﻢٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﺟُﺮَﻳْﺞٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ اﻟﺰُّﺑَﻴْﺮِ، ﺃَﻧَّﻪُ ﺳَﻤِﻊَ ﺟَﺎﺑِﺮًا ﻳَﻘُﻮﻝُ: ﺣَﺪَّﺛَﻨِﻲ ﺃَﺑُﻮ ﺣُﻤَﻴْﺪٍ ﻗَﺎﻝَ: ﺃَﺗَﻴْﺖُ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺑِﻘَﺪَﺡِ ﻟَﺒَﻦٍ ﻣِﻦَ اﻟﻨَّﻘِﻴﻊِ ﻏَﻴْﺮَ ﻣِﺨَﻤَّﺮٍ، ﻓَﻘَﺎﻝَ: «§ﺃَﻻَ ﺧَﻤَّﺮْﺗَﻪُ، ﻭَﻟَﻮْ ﺗَﻌْﺮِﺽُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﺑِﻌُﻮﺩٍ» ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺣُﻤَﻴْﺪٍ: «ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺃَﻣَﺮَ ﺑِﺎﻷَْﺑْﻮَاﺏِ ﺃَﻥَّ ﻳُﻐَﻠَّﻖَ ﻟَﻴْﻼً، ﻭَﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺃَﻣَﺮَ ﺑِﺎﻷَْﺳْﻘِﻴَﺔِ ﺃَﻥْ ﻳُﺨَﻤَّﺮَ ﻟَﻴْﻼً» ﻭَﻗَﺎﻝَ اﻟﺪَّاﺭِﻣِﻲُّ: «ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺃَﻣَﺮَ ﺑِﺎﻵْﻧِﻴَﺔِ ﺃَﻥْ ﺗُﺨَﻤَّﺮَ ﻟَﻴْﻼً، ﻭَﺑِﺎﻷَْﻭْﻋِﻴَﺔِ ﺃَﻥْ ﺗُﻮﻛَﺄَ ﻟَﻴْﻼً، ﻭَﻟَﻢْ ﻳَﺬْﻛُﺮِ اﻷَْﺑْﻮَاﺏَ»

১২৯ : আবূ হুমাইদ (রাযিঃ) বলেন; আমি নাবী (সাঃ) এর নিকট নাক্বি’ (একটি জায়গার নাম) হতে এক পিয়ালা দুধ না ঢেকে নিয়ে গেলাম। তিনি বললেন : “তুমি এটা ঢেকে আনোনি কেন?  এর উপর একটি কাঠি দিয়ে হলেও ঢেকে রাখা দরকার”। আবূ হুমাইদ (রাযিঃ) বলেন; নিঃসন্দেহে তিনি রাতের সময় দরজা বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন। আর রাতের সময় মশকগুলো ঢাকার নির্দেশ দিয়েছেন। দারেমীর রিওয়াআতে আছে ; “নিঃসন্দেহে তিনি রাতের সময় পাত্রগুলো ঢাকার ও মশকগুলো (মুখ) বাঁধার নির্দেশ দিয়েছেন” আর দরজার কথা উল্লেখ নায়।
★ বুখারী হাঃ ৫৬০৫; ৫৬০৬; মুসলিম হাঃ ২১১০; আবুদাঊদ হাঃ ৩৭৩৪; দারেমী হাঃ ২১৩১; ইবনুহিব্বান হাঃ ১২৭০;

130 – ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺃَﺣْﻤَﺪُ ﺑْﻦُ ﻣَﻨْﺼُﻮﺭٍ اﻟﺮَّﻣَﺎﺩِﻱُّ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ اﺑْﻦُ ﺣَﺠَّﺎﺝٍ ﻳَﻌْﻨِﻲ اﺑْﻦَ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ اﺑْﻦُ ﺟُﺮَﻳْﺞٍ: ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧِﻲ ﺃَﺑُﻮ اﻟﺰُّﺑَﻴْﺮِ، ﺃَﻧَّﻪُ ﺳَﻤِﻊَ ﺟَﺎﺑِﺮَ ﺑْﻦَ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺣُﻤَﻴْﺪٍ: «ﺇِﻧَّﻤَﺎ §ﺃَﻣَﺮَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺑِﺎﻷَْﺳْﻘِﻴَﺔِ ﺃَﻥْ ﺗُﻮﻛَﺄَ ﻟَﻴْﻼً، ﻭَﺑِﺎﻷَْﺑْﻮَاﺏِ ﺃَﻥْ ﺗُﻐَﻠَّﻖَ ﻟَﻴْﻼً»

১৩০ : আবূ হুমাইদ (রাযিঃ) বর্ণনা করেন; “নিঃসন্দেহে নাবী (সাঃ) রাতের সময় মশকের মুখ বাঁধার ও দরজা বন্ধ করার নির্দেশ প্রদান করেছেন”।
★মুসলিম হাঃ ২১১০; মুসনাদে আহমাদ হাঃ ২২৫০৩;

101-ﺑَﺎﺏُ اﻷَْﻣْﺮِ ﺑِﺘَﺴْﻤِﻴَﺔِ اﻟﻠَّﻪِ ﻋَﺰَّ ﻭَﺟَﻞَّ ﻋِﻨْﺪَ ﺗَﺨْﻤِﻴﺮِ اﻷَْﻭَاﻧِﻲ، ﻭَاﻟْﻌِﻠَّﺔُ اﻟَّﺘِﻲ ﻣِﻦْ ﺃَﺟْﻠِﻬَﺎ ﺃَﻣَﺮَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺑِﺘَﺨْﻤِﻴﺮِاﻹِْﻧَﺎءِ

অধ্যায় ১০১ : পাত্রকে ঢাকার সময় “বিসমিল্লাহ” পড়ার নির্দেশ। আর সেই কারণের বর্ণনা যার জন্য নাবী (সাঃ) পাত্র ঢেকে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

131 – ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋَﺒْﺪُ اﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﺑْﻦُ ﺑِﺸْﺮِ ﺑْﻦِ اﻟْﺤَﻜَﻢِ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻳَﺤْﻴَﻰ ﺑْﻦُ ﺳَﻌِﻴﺪٍ، ﻋَﻦِ اﺑْﻦِ ﺟُﺮَﻳْﺞٍ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧِﻲ ﻋَﻄَﺎءٌ، ﻋَﻦْ ﺟَﺎﺑِﺮِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «§ﺃَﻏْﻠِﻖْ ﺑَﺎﺑَﻚَ ﻭَاﺫْﻛُﺮِ اﺳْﻢَ اﻟﻠَّﻪِ؛ ﻓَﺈِﻥَّ اﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥَ ﻻَ ﻳَﻔْﺘَﺢُ ﻣُﻐْﻠَﻘًﺎ، ﻭَﺃَﻃْﻔِﺊْ ﻣِﺼْﺒَﺎﺣَﻚَ ﻭَاﺫْﻛُﺮِ اﺳْﻢَ اﻟﻠَّﻪِ، ﻭَﺃَﻭْﻙِ ﺳِﻘَﺎءَﻙَ ﻭَاﺫْﻛُﺮِ اﺳْﻢَ اﻟﻠَّﻪِ، ﻭَﺧَﻤِّﺮْ ﺇِﻧَﺎءَﻙَ ﻭَاﺫْﻛُﺮِ اﻟﻠَّﻪَ، ﻭَﻟَﻮْ ﺑِﻌُﻮﺩٍ ﺗَﻌْﺮُﺿُﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ»

১৩১ : জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : “বিসমিল্লাহ” পড়ে নিজ দরজা বন্ধ করো। কেননা শয়তান বন্ধ দরজা খুলতে পারে না। “বিসমিল্লাহ” পড়ে নিজ বাতি নিভিয়ে দাও। “বিসমিল্লাহ” পড়ে নিজ মশকের মুখ বাঁধো এবং “বিসমিল্লাহ” পড়ে নিজ পাত্র ঢেকে দাও। যদিও তা একটি কাঠের টুকরা হয় তার উপর রেখে দাও”।
★বুখারী হাঃ ৩২৮০; মুসলিম হাঃ ২০১২; তিরমিযী হাঃ ২৮৫৭; আবুদাঊদ হাঃ ৩৭৩১; ৩৭৩৩; মুওয়াত্তা মালিক হাঃ ১৪৫৩; মুসনাদে আহমাদ ৩/৩১৯; ৩৮৮ ;

132 – ﻧﺎ ﻳُﻮﺳُﻒُ ﺑْﻦُ ﻣُﻮﺳَﻰ، ﻧﺎ ﺟَﺮِﻳﺮٌ، ﻋَﻦْ ﻓِﻄْﺮِ ﺑْﻦِ ﺧَﻠِﻴﻔَﺔَ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ اﻟﺰُّﺑَﻴْﺮِ، ﻋَﻦْ ﺟَﺎﺑِﺮِ ﺑْﻦِ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﻟَﻨَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ: «§ﺃَﻏْﻠِﻘُﻮا ﺃَﺑْﻮَاﺑَﻜُﻢْ، ﻭَﺃَﻭْﻛُﻮا ﺃَﺳْﻘِﻴَﺘَﻜُﻢْ، ﻭَﺧَﻤِّﺮُﻭا ﺁﻧِﻴَﺘَﻜُﻢْ، ﻭَﺃَﻃْﻔِﺌُﻮا ﺳُﺮُﺟَﻜُﻢْ؛ ﻓَﺈِﻥَّ اﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥَ ﻻَ ﻳَﻔْﺘَﺢُ ﻏَﻠَﻘًﺎ، ﻭَﻻَ ﻳَﺤُﻞُّ ﻭِﻛَﺎءً، ﻭَﻻَ ﻳَﻜْﺸِﻒُ ﻏِﻄَﺎءً، ﻭَﺇِﻥَّ اﻟْﻔُﻮَﻳْﺴِﻘَﺔَ ﺭُﺑَّﻤَﺎ ﺃَﺿْﺮَﻣَﺖْ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻫْﻞِ اﻟْﺒَﻴْﺖِ ﺑَﻴْﺘَﻬُﻢْ ﻧَﺎﺭًا، ﻭَﻛُﻔُّﻮا ﻓَﻮَاﺷِﻴَﻜُﻢْ ﻭَﺃَﻫْﻠِﻴﻜُﻢْ ﻋِﻨْﺪَ ﻏُﺮُﻭﺏِ اﻟﺸَّﻤْﺲِ ﺇِﻟَﻰ ﺃَﻥْ ﺗَﺬْﻫَﺐَ ﻓَﺠْﻮَﺓُ اﻟْﻌِﺸَﺎءِ» ﻗَﺎﻝَ ﻟَﻨَﺎ ﻳُﻮﺳُﻒُ: ﻓَﺤْﻮَﺓُ اﻟْﻌِﺸَﺎءِ، ﻭَﻫَﺬَا ﺗَﺼْﺤِﻴﻒٌ، ﻭَﺇِﻧَّﻤَﺎ ﻫُﻮَ ﻓَﺠْﻮَﺓُ اﻟْﻌِﺸَﺎءِ ﻭَﻫِﻲَ: اﺷْﺘِﺪَاﺩُ اﻟﻈَّﻼَﻡِ ” ﻗَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ: «ﻓَﻔِﻲ اﻟْﺨَﺒَﺮِ ﺩَﻻَﻟَﺔٌ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻥَّ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺃَﻣَﺮَ ﺑِﺘَﻐْﻄِﻴَﺔِ اﻷَْﻭَاﻧِﻲ، ﻭَﺇِﻳﻜَﺎءِ اﻷَْﺳْﻘِﻴَﺔِ، ﺇِﺫِ اﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥُ ﻻَ ﻳَﺤُﻞُّ ﻭِﻛَﺎءَ اﻟﺴِّﻘَﺎءِ، ﻭَﻻَ ﻳَﻜْﺸِﻒُ ﻏِﻄَﺎءَ اﻹِْﻧَﺎءِ ﻻَ ﺃَﻥَّ ﺗَﺮْﻙَ ﺗَﻐْﻄِﻴَﺔِ اﻹِْﻧَﺎءِ ﻣَﻌْﺼِﻴَﺔٌ ﻟِﻠَّﻪِ ﻋَﺰَّ ﻭَﺟَﻞَّ، ﻭَﻻَ ﺃَﻥَّ اﻟْﻤَﺎءَ ﻳَﻨْﺠُﺲُ ﺑِﺘَﺮْﻙِ ﺗَﻐْﻄِﻴَﺔِ اﻹِْﻧَﺎءِ، ﺇِﺫِ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺪْ ﺃَﻋْﻠَﻢَ ﺃَﻥَّ اﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥَ ﺇِﺫَا ﻭَﺟَﺪَ اﻟﺴِّﻘَﺎءَ ﻏَﻴْﺮَ ﻣُﻮﻛَﺈٍ ﺷَﺮِﺏَ ﻣِﻨْﻪُ، ﻓَﻴُﺸْﺒِﻪُ ﺃَﻥْ ﻳَﻜُﻮﻥَ اﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻟَﻤَّﺎ ﺃَﻣَﺮَ ﺑِﺈِﻳﻜَﺎءِ اﻟﺴِّﻘَﺎءِ ﻭَﺗَﻐْﻄِﻴَﺔِ اﻹِْﻧَﺎءِ، ﻭَﺃَﻋْﻠَﻢَ ﺃَﻥَّ اﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥَ ﺇِﺫَا ﻭَﺟَﺪَ اﻟﺴِّﻘَﺎءَ ﻏَﻴْﺮَ ﻣُﻮﻛَﺄٍ ﺷَﺮِﺏَ ﻣِﻨْﻪُ ﻛَﺎﻥَ ﻓِﻲ ﻫَﺬَا ﻣَﺎ ﺩَﻝَّ ﻋَﻠَﻰ ﺃَﻧَّﻪُ ﺇِﺫَا ﻭَﺟَﺪَ اﻹِْﻧَﺎءَ ﻏَﻴْﺮَ ﻣُﻐَﻄًّﻰ ﺷَﺮِﺏَ ﻣِﻨْﻪُ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺑِﺎﻟْﺨَﺒَﺮِ اﻟَّﺬِﻱ ﺫَﻛَﺮْﺕُ ﻣِﻦْ ﺇِﻋْﻼَﻡِ اﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺇِﺫَا ﻭَﺟَﺪَ اﻟﺴِّﻘَﺎءَ ﻏَﻴْﺮَ ﻣُﻮﻛَﺄٍ ﺷَﺮِﺏَ ﻣِﻨْﻪُ»

১৩২ : জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : “(রাতের সময়) নিজেদের দরজা বন্ধ করে দাও; মশকগুলো বেঁধে দাও; পাত্রগুলো ঢেকে দাও; বাতি নিভিয়ে দাও। কেননা শয়তান বন্ধ (দরজা) খোলে না ও দড়িও খোলে না এবং ঢাকনা ওঠায় না।  ইঁদুর ঘরে থেকে ঘরের অধিবাসীদের (বাতি উল্টিয়ে আগুন লাগিয়ে) পুড়িয়ে ফেলে। নিজেদের জন্তু ও ঘরের (বাচ্চাদের) সন্ধ্যার সময় হতে এশার অন্ধকার না হওয়া পর্যন্ত (বাইরে বের হওয়া হতে) রুখে রাখবে”। ইমাম সাহিব বলেন ; আমাদেরকে শিক্ষক ইউসুফ বর্ণনা করেছেন; ﻓَﺤْﻮَﺓُ اﻟْﻌِﺸَﺎءِ ব্যাকারণের ভুল। প্রকৃত শব্দ ﻓَﺠْﻮَﺓُ اﻟْﻌِﺸَﺎءِ যার অর্থ এশার অন্ধকার নামা পর্যন্ত। ইমাম আবূ বাকর (রহঃ) বলেন ; এই হাদীসে এই বিষয়ের প্রমাণ রয়েছে যে  ; তিনি পাত্র ঢাকার; মশকগুলোর মুখ বাঁধার নির্দেশ এই জন্য দিয়েছেন যে; শয়তান বন্ধ মশকের মুখ খুলতে পারে না এবং পাত্রের ঢাকনাও খুলতে পারে না। এজন্য নয় যে; পাত্র ঢাকলে আল্লাহর নাফরমানী করা হবে ; আর না পাত্র ঢাকলে পানি অপবিত্র হয়ে যায়। কেননা নাবী (সাঃ) বলেছেন  যে : “শয়তান যখন মশকগুলো খোলা পায় তা হতে পান করে নেয়”। এটা সেই কথার তাৎপর্য যে ; যখন নাবী (সাঃ) মশকগুলোর মুখ না বাঁধা ও পাত্রকে ঢাকার নির্দেশ দিয়েছেন এবং ঘোষণা করে দিয়েছেন যে; শয়তান খোলা মশকগুলো হতে পান করে নেয়। এতে এই বিষয়ের প্রমাণ রয়েছে যে; যখন সে পাত্র না ঢাকা অবস্থায় পাবে তা হতেও পান করবে। ইমাম সাহিব বলেন; আমাদেরকে এই হাদীস বর্ণনা করা হয়েছে; যা আমি আলোচনা করলাম : নাবী (সাঃ) বলেছেন : “শয়তান খোলা মশক পেলে তা হতে পান করে নিবে”।
★মুসলিম হাঃ ২০১২; ইবনুমাজাহ হাঃ ৩৪১০; মুসনাদে আহমাদ হাঃ ১৩৭১১; ইবনুহিব্বান হাঃ ১২৭৩; ১২৭৫;

133 – ﻧﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﻳَﺤْﻴَﻰ، ﻧﺎ ﺇِﺳْﻤَﺎﻋِﻴﻞُ ﺑْﻦُ ﻋَﺒْﺪِ اﻟْﻜَﺮِﻳﻢِ اﻟﺼَّﻨْﻌَﺎﻧِﻲُّ ﺃَﺑُﻮ ﻫِﺸَﺎﻡٍ، ﻧﺎ ﺇِﺑْﺮَاﻫِﻴﻢُ ﺑْﻦُ ﻋَﻘِﻴﻞِ ﺑْﻦِ ﻣَﻌْﻘِﻞِ ﺑْﻦِ ﻣُﻨَﺒِّﻪٍ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻴﻪِ ﻋُﻘَﻴْﻞٍ، ﻋَﻦْ ﻭَﻫْﺐِ ﺑْﻦِ ﻣُﻨَﺒِّﻪٍ ﻗَﺎﻝَ: ﻫَﺬَا ﻣَﺎ ﺳَﺄَﻟْﺖُ ﻋَﻨْﻪُ ﺟَﺎﺑِﺮَ ﺑْﻦَ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ اﻷَْﻧْﺼَﺎﺭِﻱَّ، ﻭَﺃَﺧْﺒَﺮَﻧِﻲ ﺃَﻥَّ اﻟﻨَّﺒِﻲَّ ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻛَﺎﻥَ ﻳَﻘُﻮﻝُ: «§ﺃَﻭْﻛُﻮا اﻷَْﺳْﻘِﻴَﺔَ، ﻭَﻏَﻠِّﻘُﻮا اﻷَْﺑْﻮَاﺏَ ﺇِﺫَا ﺭَﻗَﺪْﺗُﻢْ ﺑِﺎﻟﻠَّﻴْﻞِ، ﻭَﺧَﻤِّﺮُﻭا اﻟﺸَّﺮَاﺏَ ﻭَاﻟﻄَّﻌَﺎﻡَ؛ ﻓَﺈِﻥَّ اﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥَ ﻳَﺄْﺗِﻲ ﻓَﺈِﻥْ ﻟَﻢْ ﻳَﺠِﺪِ اﻟْﺒَﺎﺏَ ﻣُﻐْﻠَﻘًﺎ ﺩَﺧَﻠَﻪُ، ﻭَﺇِﻥْ ﻟَﻢْ ﻳَﺠِﺪِ اﻟﺴِّﻘَﺎءَ ﻣُﻮﻛَﺄً ﺷَﺮِﺏَ ﻣِﻨْﻪُ، ﻭَﺇِﻥْ ﻭَﺟَﺪَ اﻟْﺒَﺎﺏَ ﻣُﻐْﻠَﻘًﺎ ﻭَاﻟﺴِّﻘَﺎءَ ﻣُﻮﻛَﺄً ﻟَﻢْ ﻳَﺤُﻞَّ ﻭِﻛَﺎءً، ﻭَﻟَﻢْ ﻳَﻔْﺘَﺢْ ﻣُﻐْﻠَﻘًﺎ، ﻭَﺇِﻥْ ﻟَﻢْ ﻳَﺠِﺪْ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢْ ﻹِِﻧَﺎﺋِﻪِ ﻣَﺎ ﻳُﺨَﻤَّﺮُ ﺑِﻪِ ﻓَﻠْﻴَﻌْﺮِﺽْ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻋُﻮﺩًا»

১৩৩ : ওহহাব বিন মুনাবাহ বলেন; এই হাদীস অথবা মাসআলা যা আমি জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) কে জিজ্ঞাসা করেছি এবং তিনি আমাকে বলেছেন; নাবী (সাঃ) বলেছেন : “রাতে যখন তোমরা শুতে যাবে তখন মশকের মুখ বন্ধ করবে ও দরজা ভালভাবে বন্ধ করবে এবং খাওয়া-পান করার (পাত্র) কে ঢেকে দাও। কেননা শয়তান আসে যদি দরজা বন্ধ না থাকে তাহলে প্রবেশ করে। আর যদি মশক বাঁধা না পায় তা হতে পান করে নেয়। আর যদি সে দরজা বন্ধ পায় ও মশক বাঁধা পায় তাহলে সে দড়ি খোলে না আর না (বন্ধ দরজা) খোলে। আর যদি তোমাদর মধ্যে কেউ নিজ পাত্র ঢাকার জন্য কিছু না পায় তাহলে তার উপর আড়াআড়ি করে কোন কাঠই রেখে দেবে”।
★বুখারী হাঃ ৫৬২৩; মুসলিম হাঃ ২০১২; তিরমিযী হাঃ ১৭৩৪; আবুদাঊদ হাঃ ৩৭৩১; মুসনাদে আহমাদ হাঃ ১৩৭১১;


Desktop Site